Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Train Cancellation: বিপাকে পর্যটকেরা! কুড়মি সম্প্রদায়ের আন্দোলনের জেরে শুক্রবারও বাতিল ৭০টি ট্রেন

    Train Cancellation: বিপাকে পর্যটকেরা! কুড়মি সম্প্রদায়ের আন্দোলনের জেরে শুক্রবারও বাতিল ৭০টি ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মি সম্প্রদায়ের আন্দোলনের জেরে খড়্গপুর ডিভিশনে গত কয়েক দিন ধরেই বাতিল করা হচ্ছে আপ এবং ডাউনের একাধিক ট্রেন। রেল সূত্রে খবর, কুড়মিদের আন্দোলনের জেরে শুক্রবারও খড়্গপুর ডিভিশনে আপ-ডাউনের বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল হয়েছে আপে ২৫টি এবং ডাউনে ১৭টি। সেই তালিকায় ভাস্কো ডা গামা-জসিডি এক্সপ্রেস, সেকেন্দ্রাবাদ-পটনা এক্সপ্রেস, এলটিটি-রাঁচী এক্সপ্রেস, আলাপ্পুঝা-ধানবাদ এক্সপ্রেস। বাতিল থাকছে দুরন্ত এক্সপ্রেসও। এ ছাড়াও আপ ও ডাউনে ৯টি করে প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে ডাউন লাইনের ৭টি ট্রেন। যার জেরে দূরদূরান্তের যাত্রীরা খড়্গপুরে পৌঁছে বিপাকে পড়েন।

    বিপাকে পর্যটকরা

    তফসিলি উপজাতির স্বীকৃতির দাবিতে কুড়মি সম্প্রদায়ের রেল রোকো, ঘাঘর ঘেরা কর্মসূচি অব্যাহত। এর জেরে অবরুদ্ধ রেল থেকে সড়কপথ। এই কুড়মি আন্দোলনের জেরেই বেকায়দায় বাঙালি পর্যটকেরা। জানা গিয়েছে, কুড়মি আন্দোলনের জেরে প্রতিদিনই বাতিল লোকাল থেকে ৫০-এরও বেশি দুরপাল্লার ট্রেন। এই ট্রেন বাতিলের কারণেই বহুসংখ্যায় বাঙালি আটকে পড়ছেন বাইরে। ঘুরতে গিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তা বন্ধ।  কুর্মিদের আন্দোলন জেরে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে গত কয়েকদিনে। রেল অবরোধের অবস্থার অবনতি হওয়ায় শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যাচ্ছে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার অর্থাৎ ৭ এপ্রিলও প্রায় ৭০ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে যার ফলে চরম অসুবিধায ঘুরতে বেরোনো বাঙালি।

    আরও পড়ুন: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    লাইনে কাজ, বন্ধ ট্রেন

    এছাড়াও রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার জন্য আগামী শনিবার (৮ এপ্রিল) রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে থেকে রবিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল থাকবে একাধিক লোকাল ট্রেন এবং দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেনও। ওই ১০ ঘণ্টায় কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের সময়সূচিও বদলানো হয়েছে। কিছু ট্রেনকে বিকল্প পথ দিয়ে নিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! ফের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন বন্ধ

    এই কাজ চলার জন্য শুক্রবার অজমেঢ়-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস শিয়ালদহের পরিবর্তে কলকাতা স্টেশনে আসবে। শনিবারও আপ পদাতিক এবং অজমেঢ় এক্সপ্রেস শিয়ালদহের পরিবর্তে কলকাতা স্টেশনে এসে থামবে। সময় পরিবর্তন করা হয়েছে ডাউন গৌড় এক্সপ্রেস, দার্জিলিং মেল, পদাতিক এক্সপ্রেস, আপ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এবং আপ বালুরঘাট-মালদা টাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের। শিয়ালদহ ডিভিশনে ট্রেন বাতিলের কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারির জট খুলতে গুগলকে চিঠি সিবিআইয়ের

    SSC Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারির জট খুলতে গুগলকে চিঠি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এসএসসি (SSC Scam) মামলায় তথ্য চেয়ে গুগলকে (Google) চিঠি দিল সিবিআই (CBI)। জাল ওয়েবসাইট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে গুগলের কাছে। জানা গিয়েছে, এই জাল ওয়েবসাইটেই অযোগ্যদের টাকার বিনিময়ে পাশ করার রেজাল্ট দেখানো হত। সেই কারণেই ওই জাল ওয়েবসাইট সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, দুটি ওয়েবসাইটের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

    এসএসসি (SSC Scam) মামলা…

    এই দুটি ওয়েবসাইটে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেখানো হত তাঁদের নাম। টাকা নেওয়ার পরে ডিলিট করে দেওয়া হত সেই তালিকা। সেই কারণেই আইপি অ্যাড্রেস সহ যাবতীয় তথ্য পেতে গুগলকে চিঠি দিয়েছে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কিছু কর্মপ্রার্থী চাকরি পেলেও, অনেকেই পাননি। যদিও টাকা দিয়েছেন তাঁরা। যার অর্থ, প্রতারিত হয়েছেন তাঁরাও। কারা প্রতারিত হয়েছেন, কোন অযোগ্য প্রার্থী চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তা জানতেই তথ্য চাওয়া হয়েছে গুগুলের কাছে।

    সিবিআইয়ের দাবি, যাঁরা পরীক্ষায় (SSC Scam) ফেল করত, ওয়েবসাইটের দেওয়া রেজাল্টে তাঁকে পাশ দেখানো হত। সেই রেজাল্টের প্রিন্টআউটও দেওয়া হত। টাকা নেওয়ার পরে ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে যেত সেই নাম। সিবিআই সূত্রে খবর, পর্ষদের আসল ওয়েবসাইটে .ইন রয়েছে। কিন্তু ভুয়ো ওয়েবসাইটে সেটাই .কম। জানা গিয়েছে, চাকরির জন্য যারা টাকা দিত, তাদের নাম তোলা হত ভুয়ো ওয়েবসাইটে। পরে সেটা দেখিয়েই আরও টাকা দাবি করা হত। যে ফাঁদে পা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। ফুলে ফেঁপে উঠেছে দালালরা।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    এদিকে, পুরসভা নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন শীল। অন্তত হার্ড ডিস্কে এমনই তথ্য মিলেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগের (SSC Scam) ক্ষেত্রে অয়ন প্রার্থী পিছু লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন বলে অভিযোগ। নামে-বেনামে অয়নের নামে ফ্ল্যাট রয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। অয়ন সেই ফ্ল্যাটগুলির টাকা কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে ইডি। অয়নের প্রায় আটটি ফ্ল্যাট রয়েছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। সেই টাকার উৎস কী তা খতিয়ে দেখছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় সেই প্রেমিকের হাতে খুন হতে হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে। আততায়ীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যার ছোট মেয়েও। শুক্রবার কোচবিহারের শীতলকুচির পশ্চিমপাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে শীতলকুচি থানার পুলিশ।

    প্রেমে বাধা, তাই খুন

    শুক্রবার ভোর রাতে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে আর্তনাদ, গোঙানিতে ঘুম ভেঙেছিল প্রতিবেশীদের। স্থানীয় সূত্রে খবর, ভোর রাতে চিৎকার শুনে পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা বর্মণের বাড়িতে ছুটে যান পড়শিরা। গিয়ে দেখেন, নীলিমা, তাঁর স্বামী বিমলকুমার বর্মণ (৬৮) এবং তাঁদের বড় মেয়ে রুনা বর্মণ (২৪) রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। তড়িঘড়ি তাঁদের মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে নীলিমা ও তাঁর স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। পরে বড় মেয়েকে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরও মৃত্যু হয়। ছোট মেয়ে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ এই ঘটনার পরই এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই দম্পতির মেয়ে ইতি বর্মন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল পাশের গ্রামের যুবক বিভূতি রায়ের সঙ্গে। যা নিতে তীব্র আপত্তি ছিল তার বাবা-মা দুজনেরই। বেশ কিছুদিন ধরে পরিবারে এই নিয়ে অশান্তিও চলছিল। অভিযোগ,  শুক্রবার কাকভোরে বিভূতি হাতে একটি কাঠারি নিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। অতর্কিতে হামলা চালাতে শুরু করে সে। প্রেমিকার মাকেই সবার আগে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এরপর কোপায় বাবাকে। বাধা দিতে গিয়ে আহত হয় প্রেমিকা ও তার দিদিও। একাধিকবার নৃশংসভাবে কোপানো হয়েছে বিমল বর্মন ও তাঁর স্ত্রী নিলীমাকে।

    ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

     মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমিত বর্মা বলেন, ‘‘প্রধান অভিযুক্ত বিভূতিভূষণ রায় এবং তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।’’এই ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শীতলকুচি বাজার এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। কেবলই কি ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রয়েছে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রও? মৃত নিলীমা বর্মন শীতলকুচি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। তাঁর স্বামী বিমল চন্দ্র বর্মন তৃণমূলের এসসিএসটি ওবিসি সেলের শীতলকুচি ব্লক সভাপতি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের বয়ান ও ধৃতদের জেরায় করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ইতির সঙ্গে বিভূতিভূষণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে কথা বিভূতিভূষণ জেরায় স্বীকারও করে নিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, ‘প্রেমিকা’র পরিবার সেই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণেই এই খুন। তবে আর অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    Nadia: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত সরকার। বিরোধীরাও তেমন শক্তিশালী নন। এহেন আবহে ভরা বাজারে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূলেরই এক নেতাকে। মৃতের নাম আমোদ আলি বিশ্বাস। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালির ছোট চুপড়ি বাজারের কাছে। প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূল নেতা খুন হওয়ায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বেহাল দশা নিয়েও।

    নদিয়ায় (Nadia) খুন…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রতিদিনের মতো এদিন সকালেও বাজারে যান বড় চুপড়ির (Nadia) বাসিন্দা আমোদ। বাজার করার সময় সেখানে বাইকে চড়ে আসে দুই ব্যক্তি। আমোদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে তারা। পরে হয় কথা কাটাকাটি। আচমকাই আমোদকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আমোদকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাঁকে। খবর পেয়ে দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। কী কারণে আমোদকে খুন করা হল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তৃণমূলের হাঁসখালি ব্লক সভাপতি শিশির রায় বলেন, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে খুন বলে মনে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করলে সত্যিটা প্রকাশ্যে আসবে।

    আরও পড়ুুন: ফের বিতর্কে প্রেসিডেন্সি! সরস্বতী পুজোয় না, অথচ ইফতারের আয়োজন জাঁকজমকপূর্ণ

    রানাঘাট পুলিশ জেলার সুপার কে কান্নান বলেন, আমোদ আলি বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা রয়েছে। কয়েক দিন আগে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র। দুটি গোষ্ঠীর লড়াইয়ের জেরে খুন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। এদিনই ভোরে খুন হয়েছেন কোচবিহারের শীতলকুচির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলের নীলিমা বর্মণ। খুন হয়েছেন তাঁর স্বামী বিমলচন্দ্র বর্মণ এবং এক মেয়েও। গুরুতর জখম অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন নীলিমার আরও এক মেয়ে। রাজ্যের দু প্রান্তে একই দিনে দুই তৃণমূল নেতার খুনে উদ্বেগ শাসক শিবিরেও। 

    কেবল এই দুই খুন নয়, দিন তিনেক আগে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা দোকানের (Nadia) সামনে খুন হন কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝা। সাত সকালে তাঁকেও খুন করে পালিয়ে যায় খুনিরা। রাজুর খুনের আততায়ীরা এখনও অধরা। এরই মধ্যে একই দিনে পর পর দুটি খুনের ঘটনা এ রাজ্যেই। দিন দিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে বলে অভিযোগ। রাজ্যের ওপর কী ক্রমেই শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাশ? উঠছে প্রশ্ন।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে পরিবেশ (Environment) বাঁচাতে কজনই বা এগিয়ে আসেন? কিন্তু উত্তরবঙ্গে বন ও নদী বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক, বিজেপির (BJP) শঙ্কর ঘোষ। উত্তরবঙ্গের মূল সৌন্দর্য হল ওই নদী আর বনজঙ্গল। কিন্তু সম্প্রতি একটি খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন থেকে তিনি জানতে পারেন, ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি জঙ্গলে একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে, যা পরিবেশবান্ধব নয়।  বনজঙ্গল ধ্বংস করেই সেটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

    শঙ্করবাবুর মূল অভিযোগ কী ? 

    অভিযোগ, কোনওরকম নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবং বনজঙ্গল (Forest) ধ্বংস করে চলছে এই নির্মাণকার্য। এর ফলে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পের (Tourism) ওপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। লাটাগুড়ির এই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স (Commercial Complex) বানানো নিয়ে তাই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের বন আইন, পরিবেশ (Environment) আইন ইত্যাদি কিছুই মানা হচ্ছে না এই নির্মাণকার্যে। শুধু এটি নয়, আরও অনেক হোটেল, রিসর্ট নির্মাণ হচ্ছে এইভাবেই, আইনকে তোয়াক্কা না করেই। অপরদিকে তিস্তা নদীতে ক্রাসার নামিয়ে প্রকাশ্যে পাথর তোলার কাজ চলছে। এতে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এরপর এর থেকে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটতে পারে। আর এর প্রতিবাদেই আমি উত্তরবঙ্গে নদী ও বন বাঁচাতে আন্দোলন করছি। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বনভূমির এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিটের নির্মাণ করা যাবে না। কোর এলাকায় পিচরাস্তা নির্মাণ হবে না। এক্ষেত্রে কিছুই মানা হয়নি। এছাড়া বন্যপ্রাণ আইনও ভাঙা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    বিধানসভাতে পর্যন্ত জানানো হয় ব্যাপারটি, কিন্তু তারপর ?

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি শঙ্করবাবু নিজে বিধানসভাতে মুখ্যমন্ত্রী, পর্যটনমন্ত্রী ও বনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জানান। তিনি চিঠি দিয়ে জানতে চান, এই নির্মাণকার্যের ক্ষেত্রে পরিবেশ (Environment) দফতরের ছাড়পত্র আছে কিনা। কিন্তু আজও তার সদুত্তর মেলেনি। এরপর আবার তিনি জেলাশাসককে চিঠি দেন। তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে সেটি বনদফতরের কাছে রেফার করে দেন। সেখান থেকেও কোনও উত্তর আসেনি বলে তিনি জানিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি পরিবেশপ্রেমীদের একজোট করে এর প্রতিবাদে সরব হবেন বলেই জানিয়েছেন। পাশাপাশি গ্রিন বেঞ্চে মামলা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    তাঁর এই অভিযোগের ব্যাপারে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কী জানিয়েছেন ?

    দুদিন উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শিলিগুড়ির বিধায়কের অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ উঠতে তিনি বলেন, “শঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় বিষয়টি তোলেননি। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ঠিক কথা বলছেন না। লাটাগুড়ির যে নির্মাণকার্য নিয়ে তিনি অভিযোগ করছেন, সেটি কোর এরিয়ার মধ্যে নয়। তার আগে থেকেই সেখানে অনেক বাড়ি রয়েছে। আর গরুমারা হল অভয়ারণ্য। তাই সেখানে নির্মাণের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। নির্মাণ হচ্ছে লাটাগুড়িতে। ওই নির্মাণ আমাদের এলাকায় হচ্ছে না, তাই এই নির্মাণকার্যে আমরা বাধা দিতে পারি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    CV Ananda Bose: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নির্দেশিকা পাঠালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার রাজভবনের ওই নির্দেশিকা নজিরবিহীন, বলে দাবি  শিক্ষা মহলের। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরগরম বাংলা। তাই সরাসরি উচ্চশিক্ষায় নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল। পূর্বসূরি জগদীপ ধনখড়ের পর এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আর্থিক লেনদেনেও কড়া নজর রাখতে চান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    নয়া নির্দেশিকায় কী বলা হল

    রাজ্যপালের (CV Anand Bose) পাঠানো নির্দেশিকায় মূলত তিনটি কথা বলা হয়েছে। এক, বিশ্ববিদ্যালয় যদি কোনও আর্থিক লেনদেন করে তার আগে আচার্য হিসাবে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে। অর্থাৎ আর্থিক লেনদেনের যে কোনও বিষয়ে রাজভবনের আগাম অনুমোদন লাগবে। নইলে তা করা যাবে না। দ্বিতীয়ত বলা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহের শেষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ইমেল করে রাজ্যপালকে জানাতে হবে কী কাজ হল গোটা সপ্তাহে। তৃতীয়, উপাচার্যদের ভায়া হয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে না। সরাসরি তাঁরা যোগাযোগ করতে পারবেন। একইভাবে রাজ্যপালও (CV Anand Bose) আচার্য হিসাবে উপাচার্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখবেন। এমনকী চাইলে সরাসরি রাজভবনের সঙ্গে টেলিফোনেও যোগাযোগ রাখতে পারেন উপাচার্যরা। 

    আরও পড়ুন: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    শিক্ষামহলের অভিমত

    এতদিন রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যরা শিক্ষা দফতরে রিপোর্ট পাঠাতেন। তাঁদের নিয়োগ থেকে বদলি সবটাই রাজ্যের সুপারিশ মেনে সই করতেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। সেখানে এই নয়া নির্দেশিকার অর্থ, উপাচার্যদের কাজকর্মের নিয়ন্ত্রণ রাজভবনের হাতে নিয়ন্ত্রণ হওয়ার সামিল বলে মনে করছেন অনেকে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে পাশে বসিয়ে কিছুদিন আগে, রাজ্যপালের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব নয়। বাংলা নিজের শিক্ষা, সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। আমাদের সকলকে সেই জায়গা ধরে রাখতে হবে।” কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতির জেরে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা যে লাটে উঠেছে, তা বুঝেই হয়ত উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কড়া হাতে সবকিছু খতিয়ে দেখতে চাইছেন রাজ্যপাল, অভিমত শিক্ষাবিদদের। রাজভবনের নয়া নির্দেশিকা সম্পর্কে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক এক্তিয়ার মেনেই এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। আমার মনে হয় এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আর্থিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: টেটে নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর, দাবি সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: টেটে নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর, দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল চাকরি বা পছন্দ মতো জায়গায় পোস্টিং নয়, টেটে (Recruitment Scam) প্রাপ্ত নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর। বৃহস্পতিবার আদালতে এমনই দাবি করেছে সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টাকা তোলার ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা দর ছিল। কার নম্বর কত শতাংশ বাড়াতে হবে, সেই অনুযায়ী ঠিক হত দর। সিবিআইয়ের দাবি, কেউ যদি ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়ে থাকেন, তবে সেই নম্বরকে ৭২ শতাংশ করার জন্য আলাদা দর।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam)… 

    আবার ৬৫ শতাংশকে ৭২ শতাংশ করার আলাদা দাম এবং অপেক্ষাকৃত বেশি দাম দিতে হত। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এভাবেই প্রার্থীদের প্রাপ্য নম্বরের শতাংশের বিচারে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। দালাল (Recruitment Scam) মারফত সেই টাকা যেত অন্যত্র। এদিন কেস ডায়েরি দেখে বিচারক প্রশ্ন করেন, সময় সময় অভিযোগগুলো বদলে যাচ্ছে…আপনার কেসের মূল অভিযোগগুলো কী।এরই উত্তর দিতে গিয়ে সিবিআই আলাদা আলাদা দরের কথা বলে।

    আরও পড়ুুন: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    এদিকে, বিস্ফোরক দাবি করলেন নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আদালত চত্বরে তাঁর দাবি, তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে আদালতে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। এদিন আলিপুরের নগর দায়রা আদালতে শুনানি ছিল প্রাথমিকের নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার। আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হয়েছিল দুই অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ ও তাপস মণ্ডলকে।

    অন্যদিকে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Scam) নাম জড়িয়েছে জনৈক পার্থ সরকারের। সিবিআইয়ের দাবি, মন্ত্রী থাকাকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে কেলেঙ্কারির টাকা পৌঁছে দিতেন এই পার্থ। জানা গিয়েছে, জেরায় প্রাক্তন তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেন, দুর্নীতির কালো টাকা প্রথমে সংগ্রহ করতেন পার্থ। পরে তা পৌঁছে দেওয়া হত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে পার্থ সরকার দাবি করেছেন, কুন্তল ঘোষকে চেনেন না তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকাল থেকে রেল অবরোধের ডাক দিয়েছিল কুড়মি সমাজ। পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবারও কুস্তাউর রেল স্টেশন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) ঘিরে রাখেন। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ফলে, বুধবারের মতো এদিনও দক্ষিণ পূর্ব রেলে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। অনেক ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রেলে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, হাওড়া-পুনে, হাওড়া-জগদ্দলপুর, হাওড়া-আহমেদাবাদ, লোকমান্য তিলক-শালিমার, ভুবনেশ্বর-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসসহ ৮৪টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। ৭টি ট্রেনের যাত্রাপথ আদ্রা পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ঘুর পথে ট্রেন চললেও যাত্রী দুর্ভোগ রয়েছে। অনেকেই না জেনে ভিন রাজ্যে কাজে যাবেন বলে বেরিয়ে ট্রেন বাতিলের কথা জানতে পেরে ফিরে আসছেন।

    জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কুড়মি নেতাদের (Tribal People) বৈঠক, কী হল?

    ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে সড়ক এবং রেল অবরোধে জনজীবন বিপর্যস্ত। বুধবার দিনভর নজরদারি করার পর বৃহস্পতিবার প্রশাসনের কর্তারা বিড়ম্বনায় পড়েন। খেমাশুলির কাছে কলাইকুণ্ডা পুলিশ ফাঁড়িতে বৈঠক হয়। বৈঠকে জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, জেলা পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার যান এবং কুড়মি সংগঠনের রাজ্য নেতা (Tribal People) রাজেশ মাহাত, সংগঠনের জেলা সভাপতি কমলেশ মাহাতরা ছিলেন। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বার বার আবেদন করা হয়। কিন্তু, সংগঠনের নেতারা জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাজ্য পরিমার্জিত সিআরআই রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অবরোধ চলবে। অন্যদিকে, পুরুলিয়ার আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত এদিন ঝাড়গ্রামে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করতে যান। সেখানে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমাদের আন্দোলনকে রাজ্য সরকার কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমরা এবার নতুন করে কোটশিলা স্টেশনে অবরোধ করব। আর সড়ক পথে লালপুর-হুড়া এবং শিমুলিয়ায় রাস্তা অবরোধ করব। আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    Rishra: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে সোমবার সন্ধ্যায় ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল রিষড়ায় (Rishra)। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অশান্তির ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী ডায়মন্ড হারবারের নিম্ন আদালতের এক বিচারকের পরিবারও। রিষড়াকাণ্ডের প্রেক্ষিতে এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন, ডায়মন্ড হারবারের একজন বিচারক রেজিস্ট্রার জেনারেলকে চিঠি দিয়েছেন। দুই ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে তাঁর পরিবার শ্রীরামপুরে থাকেন। তিনি থানা ও পুলিশ কর্তাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়েও পাননি। হাইকোর্টের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি।

    রিষড়ায় (Rishra) অশান্তি…

    রিষড়ায় (Rishra) জিটি রোড সংলগ্ন পিকে দাস লেনের খটিরবাজার এলাকায় বাড়ি ডায়মন্ড হারবার আদালতের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ জয়প্রকাশ সিংহের। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন ডায়মন্ড হারবারে। রিষড়ার বাড়িতে তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন তাঁর স্ত্রী। বিচারকের পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ির সামনে অশান্তির খবর পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন বিচারক। তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানান ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিওকেও। কিন্তু কোনওরকম পুলিশি সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, সমস্ত বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

    রামনবমীর (Rishra) শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার অশান্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার কাজিপাড়া এলাকা। শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। শুক্রবারের পর অশান্তির আঁচ ছিল শনিবারেও। রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি হয়েছে হাওড়ার শিবপুরেও। শিবপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। পরে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পর অবশ্য যেতে দেওয়া হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি, শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    হাওড়ার অশান্তি থিতু হওয়ার আগেই রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয় হুগলির রিষড়ায়। এখানেও শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। রাতের বেলা রেললাইনে করা হয় বোমাবাজিও। চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। ঘটনার জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য ওই রুটে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। মধ্যরাত পেরিয়ে নেভে অশান্তির আঁচ। স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ শুভেন্দুর আর্জি, পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ শুভেন্দুর আর্জি, পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আর্জি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election) সংরক্ষণ তালিকার প্রক্রিয়াগত ত্রুটি নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর সেই আবেদনই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। যার জেরে কলকাতা হাইকোর্ট যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রেখেছিল, সুপ্রিম কোর্টও তাই বহাল রাখল।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আর্জি…

    পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত এই মামলা দ্রুততার সঙ্গে শোনা হোক বলে বুধবার শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেই মতো ঠিক হয় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে ৪৪ নম্বর আইটেম হিসেবে এই মামলা শোনা হবে। বৃহস্পতিবার আদালতে যখন লাঞ্চের বিরতি হয়, তখন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ৪৪ নম্বর আইটেমে যে মামলা ছিল, তা খারিজ করে দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, নির্বাচন কমিশনকে আমরা আটকাতে পারি না।

    আরও পড়ুুন: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। দায়ের করেছিলেন জনস্বার্থ মামলা। তাঁর দাবি, রাজ্যের ওবিসি আসন সংরক্ষণের কাজ ঠিকভাবে হয়নি। সংরক্ষণের কাজে সমীক্ষা ঠিকভাবে হয়নি বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এসব ব্যাপারেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আইনে ওবিসি আসন সংরক্ষণের কাজ হয়েছে নিয়ম মেনেই। তার পরেই হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, এ বিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ তারা করবে না। আদালত এও জানিয়েছিল, নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ করা হয়ে গিয়েছে। তাই আদালত ভোটে কোনও বাধা দেবে না। কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। সেখানে খারিজ হয়ে গেল তাঁর আর্জি।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্ট আগেই জানিয়েছিল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। হাইকোর্ট এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দুর মামলার বিষয়টি এই মুহূর্তে কমিশনের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কোনও বক্তব্য থাকলে তা কমিশনে জানাতে পারেন। কমিশন আইন অনুযায়ী সে বিষয়ে পদক্ষেপ করবে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে জট কাটল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share