Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (Sanjay Say) ও হাসপাতালের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মর্মান্তিক ঘটনার তদন্তে এক নতুন মোড়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূলত সঞ্জয়ের বয়ানে বারবার যে অসঙ্গতি উঠে আসছে, তা দূর করতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে যে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। সঞ্জয় রায় (Sanjay Say) তদন্তের শুরুতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তার মধ্যে নানা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে আধুনিক ফরেন্সিক প্রযুক্তি বা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার (Psychological Analysis) সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন,“মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন? ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেন্সিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    সিবিআই ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Say) পলিগ্রাফ টেস্ট বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব রয়েছে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, এবার আরও উন্নত ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, যাতে ঘটনার সময়কার প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়। “আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    বিচারপতির (Calcutta High Court) বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই জঘন্য অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনওভাবেই দীর্ঘায়িত বা বাধাগ্রস্ত না হয়। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ (Sanjay Say) তদন্ত নিশ্চিত করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, আরজি করের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সেই আবহে আদালতের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীরা যাতে কঠোরতম শাস্তি পায়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

  • Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (WB Assembly Polls 2026) আগে রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ৮১ জন পুলিশ ইনস্পেক্টরকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। সরানো হল ৬৮ জন সাব-ইনস্পেক্টরকেও। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, এই আধিকারিকেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোনও কাজের সঙ্গেই আর যুক্ত থাকতে পারবেন না। কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকে ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে সুপ্রতিম সরকারকে

    শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। কিন্তু কমিশন তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তাঁকে তামিলনাড়ুতেই ভোটের দায়িত্ব পালন করতে যেতে হবে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত কয়েকটি জনসভা থেকে সুপ্রতিম সরকারের এই বদলি ও দায়িত্ব প্রদান নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।

    শুক্রবারই দায়িত্ব নিতে হবে

    কমিশনের (Election Commission) বৃহস্পতিবার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অপসারিত ৮১ জন ইনস্পেক্টরকে আজ, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাঁদের নতুন পদে দায়িত্ব নিতে হবে। কমিশনের নির্দেশে এঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারেরা। কমিশন জানিয়েছে, এই পুলিশ অফিসারেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজে হস্তক্ষেপ করবেন না, এই মর্মে পুলিশ সুপারদের মুচলেকা দিতে হবে। সাব-ইনস্পেক্টরদের বদলি সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কমিশন। তাতে বলা হয়েছে, গত ২৯ মার্চ ১৫০ জন ইনস্পেক্টর এবং সাব-ইন্সপেক্টরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৪৯ জন এসআই বিভিন্ন থানায় কাজ করছেন। সেই ৪৯ জন যে জেলায় কর্মরত, সেখান থেকে তাঁদের অন্য জেলায় সরিয়ে দিতে হবে। তাঁরা ভোটের কাজে কোনও ভাবেই যুক্ত থাকতে পারবেন না। এ ছাড়া আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে ১৯ জন সাব-ইনস্পেক্টরকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কোন জেলায় কতজনকে সানো হল

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সমস্ত ইনস্পেক্টরকে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজ থেকে সরানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোচবিহারের দু’জন, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার চার জন, ইসলামপুর পুলিশ জেলার চার জন, আলিপুরদুয়ারের এক জন, দক্ষিণ দিনাজপুরের তিন জন, শিলিগুড়ির দু’জন, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার তিন জন, বারুইপুর পুলিশ জেলার দু’জন, বারাসত পুলিশ জেলার তিন জন, বসিরহাট পুলিশ জেলার এক জন, বনগাঁ পুলিশ জেলার এক জন, ব্যারাকপুরের চার জন, বিধাননগরের ছ’জন, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার চার জন, রানাঘাট পুলিশ জেলার চার জন, আসানসোল দুর্গাপুরের এক জন, পশ্চিম মেদিনীপুরের তিন জন, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁচ জন, পুরুলিয়ার দু’জন, বীরভূমের দু’জন, জলপাইগুড়ির এক জন, মালদহের তিন জন, বাঁকুড়ার এক জন ইনস্পেক্টর রয়েছেন।

  • Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    FREE WILL OR GOD’S WILL
    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    Liberty or Necessity?—Influence of Motives

    ডাক্তার — যদি ঈশ্বরের ইচ্ছা, তবে তুমি বকো কেন? লোকদের জ্ঞান দেবার জন্য কথা কও কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বলাচ্ছেন, তাই বলি (Kathamrita)। ‘আমি যন্ত্র — তুমি যন্ত্রী।’

    ডাক্তার — যন্ত্র তো বলছো; হয় তাই বল, নয় চুপ করে থাকো। সবই ঈশ্বর।

    গিরিশ — মসাই, যা মনে করুন। কিন্তু তিনি করান তাই করি। A single step against the Almighty will (তাঁর ইচ্ছার প্রতিকূলে এক পা) কেউ যেতে পারে?

    ডাক্তার — Free Will তিনিই দিয়েছেন তো। আমি মনে করলে ঈশ্বর চিন্তা করতে পারি, আবার না করলে না করতে পারি।

    গিরিশ — আপনার ঈশ্বরচিন্তা বা অন্য কোন সৎকাজ ভাল লাগে বলে করেন। আপনি করেন না, সেই ভাল লাগাটা করায়।

    ডাক্তার — কেন, আমি কর্তব্য কর্ম বলে করি —

    গিরিশ — সেও কর্তব্য কর্ম করতে ভাল লাগে বলে!

    ডাক্তার — মনে কর একটি ছেলে পুড়ে যাচ্ছে; তাকে বাঁচাতে যাওয়া কর্তব্য বোধে —

    গিরিশ — ছেলেটিকে বাঁচাতে আনন্দ হয়, তাই আগুনের ভিতর যান; আনন্দ আপনাকে নিয়ে যায়। চাটের লোভে গুলি খাওয়া! (সকলের হাস্য)

    “জ্ঞানং জ্ঞেয়ং পরিজ্ঞাতা ত্রিবিধা কর্মচোদনা”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়। মাটির নিচে একঘড়া মোহর আছে—এই জ্ঞান, এই বিশ্বাস, প্রথমে চাই। ঘড়া মনে করে সেই সঙ্গে আনন্দ হয়—তারপর খোঁড়ে। খুঁড়তে খুঁড়তে ঠং শব্দ হলে আনন্দ বাড়ে। তারপর ঘরার কানা দেখা যায়। তখন আনন্দ আরও বাড়ে। এইরকম ক্রমে ক্রমে আনন্দ বাড়তে থাকে। আমি নিজে ঠাকুরবাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি,—সাধু গাঁজা তয়ের করছে আর সাজতে সাজতে (Kathamrita) আনন্দ।

    ডাক্তার — কিন্তু আগুন ‘হীট’ও (উত্তাপ) দেয়, আর ‘লাইট’ও (আলো) দেয়। আলোতে দেখা যায় বটে; কিন্তু উত্তাপে গা পুড়ে যায়। ডিউটি (কর্তব্য কর্ম) করতে গেলে কেবল আনন্দ হয় তা নয়, কষ্টও আছে!

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — পেটে খেলে পিঠে সয়। কষ্টতেও আনন্দ।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — ডিউটি শুষ্ক।

    ডাক্তার — কেন?

    গিরিশ — তবে সরস। (সকলের হাস্য)

    মাস্টার — বশ, এইবার লোভে গুলি খাওয়া এসে পড়ল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — সরস, নচেৎ ডিউটি কেন করেন?

    ডাক্তার — এইরূপ মনের ইনক্লিনেসন (মনের ওইদিকে গতি)।

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — ‘পোড়া স্বভাবে টানে!’ (হাস্য) যদি একদিকে ঝোঁকই (ইনক্লিনেসন) হল Free Will কোথায়?

  • Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) নির্বাচনের (Election Commission India) পরিপ্রেক্ষিতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (EC)। ভোট চলাকালীন জনমত প্রভাবিত হওয়া রুখতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ‘এক্সিট পোল’ বা বুথফেরত সমীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৯শে এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

    নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোট (Election Commission India)  প্রক্রিয়ার শুরু থেকে ২৯শে এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যম বা সংস্থা বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করতে পারবে না।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন মনে করছে যে, নির্বাচনের মাঝপথে বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করলে তা ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করতে পারে।

    আইনি পদক্ষেপ

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951)-এর ১২৬এ ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।

    প্রভাবিত রাজ্য

    যে পাঁচটি রাজ্যে বর্তমানে বিধানসভা নির্বাচন বা উপনির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে, সেখানে এই নিয়ম কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

    নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) এই কড়া নির্দেশের পর এখন সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে ২৯শে এপ্রিলের চূড়ান্ত সময়সীমা পার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তার পরেই জানা যাবে জনমতের প্রাথমিক ইঙ্গিত কোন দিকে।

  • West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার (West Bengal Elections 2026) ভোটে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। হলদিয়া, আসানসোল ও সিউড়িতে পরপর তিন জায়গায় সভা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীরভূমের বগটুই হত্যাকাণ্ড এবং বোমাবাজির কথা মনে করিয়ে জঙ্গলরাজ সমাপ্ত করার ডাক দিলেন তিনি। এদিন সিউড়ির জনসভায় তারা মায়ের নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করেছেন। তিনি বললেন, ‘‘জয় মা তারা, জয় নিতাই।’’ বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে তারাশঙ্করকেও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার (West Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বীরভূমের সভায় বললেন “এই মাটি অনেক মণীষীদের। ওই বীরভূমেই পরিবর্তনের ঝড় আসতে চলেছে। এই যে বিশাল সমাগম, এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, ঝড় আসছে। হেলিকপ্টার থেকে দেখছিলাম, কত উৎসাহ নিয়ে এখানে আপনার এসেছে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন। আমাদের এই বীরভূম বাউল সঙ্গীতে মাটি। এখন এখানে শোনা যায় একটা শব্দ, গান, আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার। বীরভূমের লালমাটিতে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে। তৃণমূলের জঙ্গলরাজের সাক্ষী বীরভূম। তৃণমূল জমানায় বগটুইয়ে নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়। সেটি মানবতার কলঙ্ক। এটা জঙ্গলরাজ নয় তো কী? এই মহাজঙ্গলরাজের (West Bengal Elections 2026) শেষ হওয়া দরকার।’’

    মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে

    বীরভূমের বালি পাচার, পাথর পাচার এবং কয়লা পাচার নিয়ে তৃণমূলের মাফিয়ারাজকে সমাপ্ত করার কথা জোর দিয়ে বলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন,‘‘তৃণমূলের আমলেই বীরভূমে বালি, পাথর, কয়লা লুট। মা-মাটি-মানুষদের মধ্যে মায়ের অবস্থা খারাপ। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মাথাদের জেলে ভরা হবে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানয় মানুষের কাছ থেকে কাজ ছিনিয়ে নিচ্ছে। আর স্থানীয়দের বাইরে কাজে যেতে হচ্ছে। আর এই দিন চলবে না। মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। বিচারকদের বন্ধক বানানো হয়েছিল। বাংলায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ভয় থেকে বাংলার মানুষকে মুক্তি (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার প্রয়োজন।’’

    অহংকারী তৃণমূল সরকার

    রাষ্ট্রপতিকে চরম অপমান করেছিলেন তৃণমূল সরকার, এই বিষয়কে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে এসেছিলেন। সাওতাঁল সমাজের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। যে সরকারই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতিকে উচিত সম্মান দেওয়া সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এই অহংকারী তৃণমূল সরকার দেশের রাষ্ট্রপতিকেও কিছু মনে করেননি। গত বছরের ঘটনা আপনাদের সকলের মনে আছে। বীরভূমে স্কুলে এক আদিবাসী মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা বিচলিত করার মতো। যাঁরা নিজেদের মেয়েদের হারিয়েছেন, কোনও টাকাপয়সা তা পূরণ করতে পারবে না। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনাও নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। কথা দিয়ে যাচ্ছি, বাংলাকে ভয়মুক্ত করব। এখানে এক এক করে স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেখানে স্কুল বন্ধ, ভবিষ্যৎ বন্ধ। বাংলা (West Bengal Elections 2026) চায় ভরসা। তৃণমূলের নির্মম সরকারকে বিদায় দেবে বাংলার যুবশক্তি। কেন্দ্রীয় সরকার রোজগার মেলার আয়োজন করে। যেখানে বিজেপি সরকার সেখানে এই মেলার আয়োজন করা হয়। গত আড়াই বছরে ৭০ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুটের খেলা চলছে।’’

    তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে

    রাজ্যের গ্রামে গ্রামে বোমা কারখানার মূলে তৃণমূল। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘তৃণমূল এখানে গলি গলিতে তাজা বোমার কারাখানা তৈরি করছে। এটিকে তৃণমূল সরকার ক্ষুদ্রশিল্পে পরিণত করেছে। রাজ্যে ক্ষুদ্রশিল্প বন্ধ হয়েছে। তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে। এই সব বন্ধ হয়ে যাবে। তৃণমূল কী ভাবে মনরেগার নামে গরিব, দলিত, আদিবাসী পরিবারকে ঠকিয়েছে আপনারা জানেন। কেন্দ্রীয় সরকার আইন নিয়ে এসেছে। গরিবদের রোজগার দেব। কৃষক, পশিপাক, মৎস্যজীবীদের নতুন সুবিধা মিলবে (West Bengal Elections 2026)। গ্রামে ১২৫ দিনের রোজগার মিলবে। কাজের পুরো টাকা আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। কোনও সিন্ডিকেট হাত লাগাতে পারবে না। কোনও কাটমানি নয়, সিন্ডিকেট নয়। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

  • Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক অরিন্দম শীলের (Arindam Sil) বাংলা সিনেমা ‘কর্পূর’ (Korpur) নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯ মার্চ। এই ছবির দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বিদায়ী মন্ত্রী তৃণমূলেরই ব্রাত্য বসু। ঘটনাচক্রে দুজনেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে হাজির ভোট-বাজারে। সেই কারণেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘কর্পূর’ (Arindam Sil)

    বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে ১৪ মার্চ। তারপরেই রাজ্যজুড়ে এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে। অভিযোগ, বড় পর্দা ও প্রচারের হোর্ডিংকে হাতিয়ার করে নিজেদের কেন্দ্রেও কার্যত পরোক্ষভাবে ভোটের প্রচার সারছেন এই দুই তৃণমূল নেতা। বিরোধীদের দাবি, সিনেমার প্রচারের মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মামলাকারীদের পক্ষে আবেদনে ২০১৯ সালের একটি ছবির নজির টেনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ বায়োপিকটির মুক্তি ঠিক একইভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে ‘কর্পূর’-এর ক্ষেত্রে কমিশন কেন নীরব? এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। তাঁদের দাবি, কমিশনে অভিযোগ জানানোর পরেও লাভ হয়নি।

    মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্য

    জানা গিয়েছে, নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা হয়নি আজও। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি এই ছবি অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী এই ছবির পোস্টার মুক্তি পেয়েছিল আগেই। এবার প্রকাশ্যে এল ছবির প্রথম ঝলক। সিপিএম নেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে কুণাল ঘোষকে। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিনেতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে কুণালের। ‘কর্পূরে’ মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এক বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে খোদ অরিন্দম শীলকেও (Arindam Sil)।

    বাস্তব ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত এই রাজনৈতিক থ্রিলার, বহু অজানা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে দর্শককে। ‘কর্পূরে’র প্রথম ঝলক থেকে যা জানা গেল, তা মোটামুটি অনেকটা (Korpur) এই রকম। ১৯৯৭ সাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মৌসুমী সেন আচমকাই উধাও হয়ে যান। বহু আলোচিত ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতিকাণ্ডের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। খবরে প্রকাশিত হয়, তিনি নাকি লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও তদন্তে যুক্ত এক পুলিশ আধিকারিক, যাঁর কণ্ঠ পরে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, সন্দেহ করেছিলেন এর নেপথ্যে রয়েছে আরও গভীর এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের (Arindam Sil)।

     

  • NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মালদায় (Malda) ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাও করার ঘটনার তদন্তে ১২টি মামলা দায়ের করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)।

    এনআইএ-র বিবৃতি (NIA)

    গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে এনআইএ-র তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তের জন্য তারা ফের মালদা জেলার মোথাবাড়ি থানায় ৭টি এবং কালিয়াচক থানায় ৫টি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। গত ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ মালদায় এসআইআর সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এনআইএ-র তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই এই মামলাগুলির বিস্তারিত তদন্তের জন্য মালদায় পৌঁছে গিয়েছে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার শীর্ষ আদালত মালদায় সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে ঘেরাও সংক্রান্ত মামলাগুলি এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আমলাতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় ও সরকারি দফতরে রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পানচোলির বেঞ্চ সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁদের পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ১ এপ্রিলের ঘটনাসংক্রান্ত ১২টি মামলা হস্তান্তর করে (NIA)। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো একটি চিঠির ভিত্তিতে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি গ্রহণ করে। ওই চিঠিতে একটি ভয়াবহ রাতের বিবরণ দেওয়া হয়, যেখানে তিনজন মহিলা এবং পাঁচ বছরের একটি শিশু-সহ জুডিশিয়াল অফিসারদের ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খাদ্য ও জল ছাড়াই আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

    হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ

    মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায় এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে তিরস্কার করে। ঘটনার দিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ফোন না ধরায় নারিয়ালাকে ক্ষমাও চাইতে বলে শীর্ষ আদালত। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বেঞ্চের নির্দেশ, গ্রেফতার হওয়া ২৬ জন অভিযুক্তকে মামলার নথিপত্র-সহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে, কারণ এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না (NIA)। আদালত এনআইএকে এই ঘটনার হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয় এবং জানিয়ে দেয়, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে (Malda)।

    মূল অভিযুক্ত হেফাজতে

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা আদালতে জানান, মূল অভিযুক্ত মফাকেররুল ইসলাম এবং মৌলানা মহম্মদ শাহজাহান আলি কাদরি ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা রয়েছেন হেফাজতে। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা প্রকাশ করে এবং এটি শুধুমাত্র জুডিশিয়াল অফিসারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্বকেও চ্যালেঞ্জ করার শামিল। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রায় ৭০০ জুডিশিয়াল অফিসার বর্তমানে এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ৬০ লক্ষেরও বেশি আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে তাঁদের।

    সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে,  হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল এবং তিনি স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপিকে গ্রুপ কল করেছিলেন। পরে তাঁরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে পৌঁছন এবং মধ্যরাতের পর আটক বিচারপতিদের মুক্ত করা হয় (NIA)। প্রধান বিচারপতি এও জানান, উদ্ধার হওয়ার পরেও জুডিশিয়াল অফিসারদের গাড়িতে পাথর ছোড়া হয়, হামলা চালানো হয় লাঠি এবং ইট দিয়েও (Malda)।

  • PM Modi: “কাটমানির খেলা, মাফিয়াদের মেলা আর চলবে না, ৪ মে-র পর বেছে বেছে হিসাব হবে”, আসানসোলে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ মোদির

    PM Modi: “কাটমানির খেলা, মাফিয়াদের মেলা আর চলবে না, ৪ মে-র পর বেছে বেছে হিসাব হবে”, আসানসোলে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যে বিজেপির প্রচার এখন তুঙ্গে। বিধানসভা ভোটের প্রচারে ফের রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার বেলায় তিনি সভা করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। দ্বিতীয় সভাটি তিনি করেন আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ড ময়দানে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় তথা শেষ সভা সিউড়িতে। আসানসোলের সভায় রাজ্যের মা মাটি সরকারের তোলাবাজি, সিন্ডিকেট, নারী সুরক্ষা, বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুতে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, “৪ মে-র পর সব দুষ্কৃতীদের হিসেব নেওয়া হবে।” আগামিকাল (শুক্রবার) ডেবরা, খড়গপুর সদরে সভা করবেন অমিত শাহ। পরশু, অর্থাৎ শনিবার ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিন কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে সভা করবেন তিনি।

    পিছিয়ে বাংলা, সম্পত্তি লুট করা হচ্ছে (West Bengal Elections 2026)

    আসানসোলে সভা (West Bengal Elections 2026) করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “গোটা দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু পিছিয়ে বাংলা। তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে পিছিয়ে দিচ্ছে। তৃণমূলের গুন্ডারাজ চলছে, বাংলার সম্পত্তি লুট করা হচ্ছে। উন্নতির জন্য তৃণমূলমুক্ত বাংলা চাই।  বাংলার উন্নতির জন্য তৃণমূলমুক্ত রাজ্য গড়া এখন সময়ের দাবি। তৃণমূলের আমলে আসানসোলে কয়লা, বালি ও মাটি মাফিয়ারা সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিন্ডিকেট রাজের দাপটে নাজেহাল মানুষ। আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে কাজ করতে আসতেন, আর আজ এখানকার যুবকদের বাইরে কাজ খুঁজতে যেতে হচ্ছে।”

    এলাকার প্রতিটি সমস্যার সমাধান হবে

    নির্মম সরকার গত ১৫ বছর ধরে জঙ্গলরাজ কায়েম করেছে। এই প্রসঙ্গে মোদি (PM Modi) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “বাংলায় (West Bengal Elections 2026) তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। তৃণমূল নির্মমতার সব সীমা পার করে দিয়েছে। ওদের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় পরের সরকার ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে। ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। আসানসোল ও দুর্গাপুর ভারতের মেগা সিটি হওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু দূষণ, রাস্তাঘাট ও সেতুর বেহাল দশা বড় বাধা। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এলাকার প্রতিটি সমস্যার সমাধান হবে এবং ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করবে।”

    অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে

    রাজ্যে (West Bengal Elections 2026) লাগাতার নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা আর সুরক্ষিত নয়। অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তৃণমূল সরকার অপরাধীদের পক্ষে। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে পারে বিজেপিই। মহিলাদের ওপর অত্যাচার, প্রতিটি ধর্ষণের ফাইল খোলা হবে। ৪ মে বাংলায় নতুন উন্নয়নের সুযোগ আসছে। বাংলায় এবার ডবল ইঞ্জিন গঠন হবে। কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করলেই মানুষের ফায়দা। পিএম-সিএম যদি একজোট হয়ে কাজ করেন তাহলেই সব সুবিধা পাবেন আপনারা। কিন্তু বাংলা থেকে তো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তৃণমূলের পিএম শব্দকে অপছন্দের জন্যই সকলে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই কারণেই ডবল ইঞ্জিন সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য জরুরি।”

    কয়লা বালি পাচারে তোপ মোদির

    আসানসোলের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বালিপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূলের আমলে আসানসোলে কয়লা ও বালি মাফিয়ারা এখন মানুষের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অন্যান্য প্রান্তে উন্নয়নের জোয়ার এলেও বাংলা আজ পিছিয়ে পড়ছে শুধুমাত্র এই মাফিয়া রাজের কারণে। বাংলার সব জায়গায় এখন পরিবর্তনের তাজা হাওয়া চলছে। মানুষের উৎসাহই বলে দিচ্ছে তৃণমূলের যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। সিপিএম-এর মতো তৃণমূলও ভয় আর আতঙ্ককে হাতিয়ার করেছে, কিন্তু বাংলার মানুষ যেমন বামেদের হারিয়েছিল, এবার এদেরও একইভাবে বিদায় জানাবে। তৃণমূলের মাথার ঠিক নেই। মালদায় ওরা ঘাবড়ে গিয়ে বিরাট ভুল করে ফেলেছে। এই ঘটনাই ওদের মহাজঙ্গলরাজের কফিনে শেষ পেরেক হয়ে দাঁড়াবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তৃণমূলের আক্রমণ অত্যন্ত নিন্দার। তৃণমূল এতই ভয় পেয়েছে যে দেশের সুরক্ষা বাহিনীকেও গালি দিচ্ছে। এর জবাব বাংলার দেশভক্ত মানুষ ব্যালটেই (West Bengal Elections 2026) দিয়ে দেবেন।”

  • West Bengal Assembly Election: ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বন্ধ করবে বিজেপি”, হলদিয়ার জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    West Bengal Assembly Election: ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বন্ধ করবে বিজেপি”, হলদিয়ার জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাঁচ বছর আগে পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছিল নন্দীগ্রাম। এ বার তার পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরেও। গোটা পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হবে।” বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় আয়োজিত জনসভায় এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন তিনি প্রচার শুরু (West Bengal Assembly Election) করেন হলদিয়া থেকেই। আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় সভায় পৌঁছতে খানিক দেরি হয় প্রধানমন্ত্রীর। শুভেন্দু অধিকারী-সহ ১৪ পদ্ম প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন তিনি।

    তৃণমূল সরকারের বিদায়ের ঝড় (West Bengal Assembly Election)

    এদিনের মঞ্চে ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি পরিবর্তনের ঝড়, তৃণমূল সরকারের বিদায়ের ঝড়। পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রাম পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছিল। এ বার তার পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরে। গোটা পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হবে।” সভায় ‘বিকশিত বাংলা’র আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘পশ্চিমবাংলার নির্বাচন সামান্য নয়, বাংলার বৈভব স্থাপনের নির্বাচন। নির্মম সরকারের বিদায় হলেই বিকশিত বাংলা হবে।’’ তিনি বলেন, ‘‘পৃথিবীতে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে ভারতে। অনেক রাজ্য উন্নতির পথে চলছে, কিন্তু তৃণমূলের নির্মম সরকার বাংলাকে ক্রমশ নীচের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আর তাই হলদিয়ার কারখানায় তালা ঝুলছে।’’

    রোজগার মেলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি-শাসিত রাজ্যে রোজগার মেলা হয়। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পরে এ রাজ্যেও শুরু হবে রোজগার মেলা।” তিনি বলেন, “যার যা অধিকার, সেটাই দেবে বিজেপি। এটাই মোদির গ্যারান্টি।” বিজেপি সরকার সংবিধান মেনেই কাজ করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা কেন প্রয়োজন, এদিন সেই কৈফিয়তও দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী এক সঙ্গে কাজ করলেই বাংলার লাভ। তাই রাজ্যে চাই ডাবল ইঞ্জিন সরকার।” রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূলের সরকার শুধু অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়িয়েছে। তৃণমূলের নির্মম সরকার শুধু নকল নথি বানিয়েছে। তৃণমূলের রাজনীতি শুধু ভয়ের ওপর নির্ভরশীল। মা-বোনেদের জীবন এবং মানসম্মানের ওপর আর কিছুই হতে পারে না। আর এই গ্যারান্টিই দেয় বিজেপি।”

    ‘পিএম’ শব্দে আপত্তি তৃণমূলের!

    মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর নয় বাংলা। সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় মাছের এত চাহিদা, কিন্তু এই রাজ্য মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর (West Bengal Assembly Election) নয়। চাহিদা মেটাতে অন্য রাজ্য থেকে মাছ আমদানি করতে হয়। গত ১৫ বছরে মৎস্য উৎপাদনে তৃণমূল সরকার কোনও উদ্যোগই নেয়নি।” তৃণমূলের ‘চিটিংবাজি’ও বন্ধ করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বিজেপি বন্ধ করবে। সরকারি চাকরি নির্দিষ্ট সময়ে হবে। সব চাকরি হবে দুর্নীতিমুক্ত। চাকরির জন্য কোনও কাটমানি নয় (PM Modi)। এটা হবে বিজেপির আমলে।’’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইংরেজিতে ‘প্রাইম মিনিস্টার’ শব্দের দুই আদ্যক্ষর ‘পিএম’ শব্দে আপত্তি রয়েছে তৃণমূলের। তাই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আগে ‘পিএম’ লেখা থাকলে তৃণমূল সরকার তা রাজ্যে চালু করে না। পিএম শব্দটিও পছন্দ করে না তৃণমূল। তাই পিএম নাম বাদ দিয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম জনআরোগ্য যোজনার মতো প্রকল্প এখানে চালু হতে দেয়নি।”

    ‘ছয় গ্যারান্টি’

    হলদিয়ার জনসভায় ‘ছয় গ্যারান্টির’ কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “১) ভয়ের জায়গায় ভরসা দেওয়া হবে (West Bengal Assembly Election)। ২) সরকার মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। ৩) দুর্নীতি এবং মহিলাদের ওপর অত্যাচারের সব ফাইল খোলা হবে। ৪) রাজ্যের যে-ই দুর্নীতি করুন, তাঁর জায়গা হবে জেলে। মন্ত্রিসান্ত্রী হলেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হবে। তৃণমূলের কোনও গুন্ডাকে ছাড়া হবে না। পয়সা খেতে দেওয়া হবে না। ৫) যাঁরা শরণার্থী, তাঁদের সব অধিকার মিলবে। দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে অনুপ্রবেশকারীদের। ৬) বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে চালু হবে সপ্তম পে কমিশন।”

    এদিন এ রাজ্যে আরও দুটি সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। একটি সভা হবে আসানসোলে, অন্যটি সিউড়িতে (PM Modi)। এদিকে, শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা এবং  খড়গপুর সদরে সভা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। শনিবার ফের একবার পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি জনসভা করবেন (West Bengal Assembly Election) কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে।

  • EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (EC)। তার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া সতর্কবার্তা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ (Violence Less Vote) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন নির্বাচন হতে হবে সম্পূর্ণভাবে অবাধ এবং সুষ্ঠু। কমিশন এও জানিয়েছে, কোনও ধরনের নির্বাচনী অনিয়ম—যেমন বুথ দখল, বুথ জ্যামিং, এবং ‘সোর্স জ্যামিং’ (অর্থাৎ ভোটারদের সংগঠিত হওয়া বা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছনোয় বাধা)—সহ্য করা হবে না। নির্বাচন হতে হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত এবং কোনও প্রলোভন বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

    ভয়মুক্ত ভোটের বার্তা কমিশনের (EC)

    এক্স হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশন লিখেছে, “এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন অবশ্যই হবে—ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত এবং কোনও রেড, বুথ জ্যামিং বা সোর্স জ্যামিং ছাড়াই।” কমিশনের এহেন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন দলের নেতারা। তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র এই সতর্কবার্তাকে একপ্রকার আল্টিমেটাম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তৃণমূলের আর এক সাংসদ সাকেত গোখলে মুণ্ডপাত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জানতে চান, একই ভাষা কি বিজেপির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হবে?

    পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো

    পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো। বাম জমানা তো বটেই, তৃণমূলের আমলেও নানা স্তরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রের উৎসব শেষ হয়েছে শোকের আবহে। তাই কমিশনের এই সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে (ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল) ১,৩০০-এরও বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ২৫ জনের। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিলেন। এনিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছিল অভিযোগ (Violence Less Vote)। বস্তুত, গত দু’দশক ধরে নির্বাচনী সংঘর্ষ ও ভীতি প্রদর্শন এ রাজ্যে একটি বড় সমস্যা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (EC)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    অগ্নিপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে দু’দফায়—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা কড়া হওয়ায়, আসন্ন  নির্বাচন শাসক দল ও নির্বাচন কমিশন—উভয়ের পক্ষেই হয়ে উঠেছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল কমিশনের। সেই বৈঠকও বেশ উত্তপ্ত হয়েছিল বলে খবর। যার জেরে দু’পক্ষের মধ্যেই অবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছে (Violence Less Vote)।তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে ৪৮৩ জন প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিককে  বদলি করা হয়েছে। এটি প্রভাবিত করতে পারে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে। কমিশন অবশ্য এই বদলিকে সমর্থন করে জানিয়েছে, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং হিংসা বা পক্ষপাত এড়ানোর জন্য এটি প্রয়োজনীয়। আরও একটি বড় বিতর্কের বিষয় হল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (EC)। তৃণমূলের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অসমভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে। তৃণমূলের দাবি, পর্যালোচনার জন্য থাকা ৬০ লাখ নামের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখেরই নাম বাদ গিয়েছে। তাই রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা কমে গিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

     

LinkedIn
Share