Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary) দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুধু তা-ই নয়, ওইদিনের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। মালদার কালিয়াচকের ঘটনার দিন মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের জল গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, সোমবার ভার্চুয়াল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। সেখানেই তীব্র ভর্ৎসনার শিকার হন নারিয়ালা। প্রসঙ্গত, ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ার দিন রাতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদ থেকে সরানো হয় নন্দিনী চক্রবর্তীকে। তাঁর বদলে নয়া মুখ্যসচিব হন নারিয়ালা।

    রিপোর্ট পেশ এনআইএর (Supreme Court)

    গত বুধবার কালিয়াচকের ঘটনায় এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ। এনআইএর টিম যে তদন্ত করেছে, তার ওপর ভিত্তি করেই রিপোর্ট জমা করা হয়েছে। মুখবন্ধ খামে সেই রিপোর্ট জমাও পড়েছে শীর্ষ আদালতে। সেখানে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বলেও খবর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যদি আরও অন্য কোনও ব্যক্তির যোগ থাকার প্রমাণ মেলে, অথবা অন্য কোনও দিক উন্মোচিত হয়, তাহলে এনআইএ প্রয়োজনে আরও এফআইআর দায়ের করতে পারে। কলকাতায় এনআইএ আদালতে তদন্তের বিষয় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে।

    এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ

    সুপ্রিম কোর্টের তরফে স্থানীয় পুলিশকে তদন্তের যাবতীয় কাগজ এবং এফআইআর অবিলম্বে এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিশকে সবরকম সাহায্য করতেও বলা হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলাদা হলফনামা জমা দিয়েছে খোদ নির্বাচন কমিশন কমিশন (Chief Secretary)। এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে দেওয়া হয়েছে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট। এদিন মুখ্যসচিবকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেন প্রধান বিচারপতির ফোন ধরেননি?’ মুখ্যসচিব জানান, তিনি দিল্লিতে কাজে গিয়েছিলেন। দুপুরে বিমানে ছিলেন তিনি। তাঁর ফোনে কোনও কল যায়নি (Supreme Court)। এরপর প্রধান বিচারপতি ফের বলেন, “আপনি মোবাইল নম্বর কেন শেয়ার করেননি? আপনার কাছে রাতে ফোন এসেছে, যখন আপনি প্লেন থেকে নেমে গিয়েছেন। আপনাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।”

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্যসচিবকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।” এই সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মুখ্যসচিবকে ভর্ৎসনা করে বলেন, “নিষ্ক্রিয়তারও একটা লিমিট থাকা উচিত।” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “শুধুমাত্র এই ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য জায়গায়ও তাঁদের যেভাবে প্যাম্পার করা হচ্ছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক নেই। এই ঘটনা আপনি এবং আপনার প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রতিফলন। আপনার নিষ্ক্রিয়তার কারণেই নির্বাচন কমিশনকে ওই অবস্থায় পড়তে হয়েছে। আপনারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কমিশনকে এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে আপনাদের নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই যোগাযোগের ঘাটতিই রাজ্যে এত সমস্যা ও অশান্তির সৃষ্টি করেছে। এটা আপনাদের কী ধরনের ক্রেডিবিলিটি (Chief Secretary)?”

    ‘নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন’

    আইনজীবী লুথরা বলার চেষ্টা করেন যে ওই দিন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেই একটি বৈঠকে ছিলেন। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে এদের ডিফেন্ড করবেন না। এই ধরনের অত্যন্ত একগুঁয়ে আমলাতান্ত্রিক মনোভাব আমরা অন্যান্য রাজ্যেও দেখছি (Supreme Court)।” প্রধান বিচারপতি মুখ্যসচিবকে বলেন, “আপনার পদমর্যাদা এতটাই বেশি যে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতো ছোট মানুষরা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না। দয়া করে নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন, যাতে প্রধান বিচারপতির মতো সাধারণ নগণ্য মানুষরা অন্তত আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।”

    এদিন শুনানি হয়েছে ভার্চুয়ালি। সেই সময় আধিকারিকদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুখ্যসচিব এবং অন্য আধিকারিকরা অনলাইনে উপস্থিত রয়েছেন। আমরা আশা করি, অফিসাররা এখন তাঁদের দায়িত্ব ভালোভাবে বুঝে গিয়েছেন। যে পরিস্থিতিতে তাঁদের সাড়া দেওয়া এবং হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সাহায্য করা প্রত্যাশিত ছিল, তা তাঁরা করেননি।” আদালতের তরফে এনআইএকে (Chief Secretary) পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ১৩ এপ্রিল (Supreme Court) ।

     

  • SIR in Bengal: ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল প্রায় ৯১ লক্ষ নাম! ট্রাইবুনাল নিয়ে নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    SIR in Bengal: ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল প্রায় ৯১ লক্ষ নাম! ট্রাইবুনাল নিয়ে নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা (SIR in Bengal) থেকে বাদ পড়ল প্রায় ৯১ লক্ষ নাম। সোমবার গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন জেলা অনুযায়ী বাদ পড়া (ডিলিটেড) নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। মোট বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩। বিবেচনাধীন ভোটার তালিকা থেকে নাম উঠেছে ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম। অর্থাৎ, মোট বাদ পড়ার সংখ্যা ৯০ লক্ষ ছাড়াল (৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫)। সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এসআইআর-এ বিবেচনাধীন থাকা ৬০ লক্ষের কাছাকাছি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়ে গিয়েছে, বলে আগেই সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ৷ সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো সেই চিঠিও পড়ে শোনান ৷

    কোন জেলায় কত নাম বাদ

    কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিবেচনাধীন তালিকা থেকে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলায় বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৬৬৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। মালদায় এই সংখ্যাটা ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩৭৫। কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের মধ্যে ৫৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫১২ জনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি ২২ হাজার ১৬৩ জন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও সেগুলিতে ই-স্বাক্ষর করা হয়নি। ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বাদ পড়া নামের তালিকায় আরও কিছু নাম যুক্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভোটার তালিকাতেও আরও কিছু নাম সংযুক্ত হতে পারে। জেলা অনুযায়ী বিবেচনাধীনদের তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ছিল মোট ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম। বিবেচনাধীন তকমা ওঠায় এই তালিকায় যুক্ত হল আরও ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম।

    রাজ্য মেশিনারি ব্যর্থ

    এসআইআর-এ নাম বাদ পড়া নিয়ে মালদার কালিয়াচকে বিচারপতিদের উপর হামলার ঘটনাও সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে উঠে আসে। এদিন কমিশনের আইনজীবী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলছেন, উত্তরপ্রদেশ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হচ্ছে আপনাদের মারার জন্য ৷ ক্রমাগত এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখা হচ্ছে ৷’’ অন্যদিকে, কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘‘আপনারা শুনুন, একজন মহিলা বিচারক ভয়ে কীভাবে কেঁদে আর্ত চিৎকার করছেন ৷’’ যা শুনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘রাজ্য মেশিনারি যে ব্যর্থ হয়েছে তা তো স্পষ্ট ৷’’ প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘ট্রাইবুনাল গঠিত হবে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দ্বারা ৷ তবে আগে ট্রাইবুনালের কাজ করার মতো পরিস্থিতি থাকতে হবে ৷ ১৫ জন বিচারপতিকে দিয়ে ১৯ দিনে সব কাজ করতে বললে তো বিশৃঙ্খলা হবেই ৷ আমরা হাইকোর্টের প্রধান বিচাপতিকে বলব, তিন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করুন ৷ এবং সেই কমিটি দেখবে ট্রাইবুনালের কাজ৷’’

    ট্রাইবুনাল নিয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    এসআইআর নিয়ে এখনও মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। কমিশনের তালিকা থেকে আপাতত বাদ গিয়েছেন যাঁরা তাঁরা ফের অফলাইনে আপিল জমা দিলে জেলাশাসকের দফতর থেকে রসিদ নিতে হবে। সোমবার, এই মামলার শুনানিতে উঠে আসে এসআইআর-এ (SIR in Bengal) নন্দলাল বসুর নাতির নাম বাদ পড়া প্রসঙ্গ ৷ রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, ‘‘যার আঁকা ছবি ছাড়া ভারতের সংবিধান অসম্পূর্ণ থাকত, তাঁর পরিবারের লোকের নামই ডিলিট হয়ে গিয়েছে ৷’’ এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি জানান, কমিশনকে নন্দলাল বসুর নাতি-নাতনির করা আপিলে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। অফলাইনে আপিল জমা দিলে জেলাশাসকের দফতর থেকে রসিদ দিতে হবে। এছাড়া ট্রাইবুনাল নিয়ে এদিন বিশেষ কয়েকটি নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, বিচারকদের দেওয়া কারণ-সহ সব কিছু খতিয়ে দেখে নিজেদের প্রক্রিয়া তৈরি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ট্রাইবুনাল। ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালের একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তিন জন প্রাক্তন সিনিয়র প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করবেন। এই কমিটি একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ঠিক করবে, যা ১৯টি ট্রাইবুনালকেই বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে। অফলাইনে আপিল জমা দিলে জেলাশাসকের দফতর থেকে রসিদ দিতে হবে। আগামী ১৩ এপ্রিল বিকেল ৩টেয় পরবর্তী শুনানি।

  • West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেলিকপ্টারে করে তৃণমূলের প্রচারে যাচ্ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সময় তাঁর সেই কপ্টার ওড়ার সময় একটি উড়ন্ত ড্রোন দেখা যায় (West Bengal Assembly Elections)। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা বিহারের বাসিন্দা বলে খবর। রবিবার হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত ছিলেন ওই তিনজন। ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের কাজই করছিলেন।

    কপ্টারের আগে আগে ড্রোন (West Bengal Assembly Elections)

    শনিবার মালদায় দলীয় প্রার্থীদের জন্য প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সময় সামসিতে মমতার হেলিকপ্টারের আগে আগে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ মমতা। হেলিকপ্টারে ওঠার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “হেলিকপ্টারটা অ্যাক্সিডেন্টে ধ্বংস হয়ে যেত। কারা করছে এসব? পুলিশের নজর রাখা দরকার। যারা করেছে, তাদের আইডেন্টিফাই করা দরকার।” এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যাতে দেখা যায়, কপ্টারে ওঠার আগে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মমতা। আকাশে উড়ন্ত ড্রোনটিকে নিরীক্ষণ করছেন তিনি। সেই সময়ই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই ভিড়ের মধ্যে থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    ‘আমরা ড্রোন উড়িয়েছি’

    ধৃতেরা হল অঙ্কিতকুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মণ্ডল এবং নুর আখতার। হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় যোগ দিয়েছিল তারা। ধৃতদের একজন বলে, “হ্যাঁ আমরা ড্রোন উড়িয়েছি।” পাশের জনের দিকে আঙুল উঁচিয়ে সে বলে, “এ ওড়াচ্ছিল। জানত না। আমরা কাজ করছি, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেনের জন্য। বারণ করেছিলাম (Mamata Banerjee)। আইডিয়া ছিল না। তাও বেস্ট ফুটেজের জন্য ড্রোন উড়িয়ে ফেলে।” ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন। তবে দলের তরফে এ নিয়ে কিছু জানানো হয়নি (West Bengal Assembly Elections)। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। গত ২৬ মার্চ দুর্যোগে আটকে পড়েছিল মমতার বিমান। প্রচার সেরে কলকাতায় নামার সময় আটকে পড়ে বিমানটি। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে দুর্যোগ এত তীব্র আকার ধারণ করেছিল যে অবতরণ করতে না পেরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি। প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে সেই অবস্থায় আকাশে চক্কর কেটে শেষ পর্যন্ত মাটি ছোঁয় মমতার (Mamata Banerjee) বিমান।

    কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি

    সেবার দুবরাজপুরে প্রচার সেরে অন্ডাল থেকে ছোট আকারের বিমানটিতে সওয়ার হন মমতা। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি দেখা দেয়। পরে দুই পাইলটের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা। জানান, পাইলটরাই বিমানে সওয়ার সকলের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সেই ঘটনার পরই কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশ্ন ওঠে মমতার নিরাপত্তা নিয়েই (West Bengal Assembly Elections)।এদিকে, ধৃত তিনজন জানান, হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমানের হয়ে প্রচার করেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই ড্রোন উড়িয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ‘গরিবের বন্ধু’ বলে ফেসবুকে পরিচিত মতিবুর একজন ইনফ্লুয়েন্সারও। প্রচুর (Mamata Banerjee) ফলোয়ার রয়েছে তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক মিউজিক ভিডিও পাবলিশ হয় প্রতিদিনই। সেই মতিবুরের জন্য ভিডিও তৈরিতে ভালো শটের আশায় ড্রোন উড়িয়েছিল বলে স্বীকার করে ধৃতেরা।

    ‘আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না’

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের সভায় মমতা বলেন, “আমি যখন মিটিং করে আসছিলাম মালদা থেকে। আমার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ধাক্কা খেলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হত। কারা ওড়াচ্ছিল? বিহারের তিনজন ধরা পড়েছে। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কাড়ার জন্য? কেড়ে নিন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যতক্ষণ বেঁচে থাকব, আপনাদের বিরুদ্ধে গলা ফাটাব। আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না।” প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এ রাজ্যে সভা করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলার (Mamata Banerjee) চেষ্টা করেন। তবে এই ভিকটিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার মানুষ ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন। এভাবে কমিশনের বিরুদ্ধ গালিগালাজ করা বাংলার সংস্কৃতি নয় (West Bengal Assembly Elections)।”

     

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা (Malda) মোথাবাড়িতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও ও হেনস্থার ঘটনায় তদন্তপ্রক্রিয়া কতদূর এগোল, সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৬ সালের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীর্ষ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি রাজ্যের বিচার বিভাগীয় অফিসাররাই নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচার ব্যবস্থার ওপর এই ধরনের আক্রমণ কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না।”

    ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ (Supreme Court)

    মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা। তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে অনুমান। বিচারকদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখেই এই রিপোর্ট তৈরি করছেন তদন্তকারীরা। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে মোথাবাড়ির বিডিও অফিসে দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল সাতজন বিচারবিভাগীয় (Supreme Court) আধিকারিককে। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে শারীরিক ভাবে হেনস্থাও করা হয়। তাঁদের মধ্যে নারী আধিকারিকরাও ছিলেন। ভিড়ের তান্ডবে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এই খবরটি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে। সেই সময় গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ স্থানীয় আইএসএফ, এমআইএম এবং তৃণমূলকর্মী বলে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে।

    এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং (Sonia Singh IG NIA) ইতিমধ্যেই ২৫ পাতার একটি বিস্তারিত রিপোর্ট নিয়ে রাজধানী পৌঁছে গিয়েছেন। আজ, সোমবার সেই রিপোর্ট জমা পড়তে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। হামলার আগে-পরে ঠিক কী ঘটেছিল, প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল—সবটাই এখন সর্বোচ্চ আদালত তদন্ত করে দেখছে। মোথাবাড়ির ঘটনার দিন রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যারপরনাই অসন্তুষ্ট ছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের মুখ্য সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও জেলার এসপি, ডিএম-দের শো’কজ করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআর (SIR)-এর কাজ করছেন যাঁরা, সেই বিচারকদের ঘিরে এরকম বিক্ষোভ হল কী করে? পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেল না? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? এই সব দিক খতিয়ে দেখে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-এর রিপোর্ট দেওয়ার কথা।সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-র হাতে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গিয়েছে এটি কেবল একটি সাধারণ জনরোষ নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে।

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এসআইআর ইস্যুতে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে, আদালত নিযুক্ত আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এনআইএ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিল, প্রয়োজন পড়লে আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিসে কী ঘটেছিল?

    ঘটনার দিন বুধবার সকাল থেকেই জমায়েত শুরু হয়েছিল কালিয়াচক (Malda) ২ নম্বর বিডিও অফিসে। প্রথম সারিতে ছিলেন মহিলারা। আচমকা একসময় বিডিও অফিসের ভিতরেও ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের বের করে দেয়। কিন্তু তারপরেও তারা এলাকা ছাড়েননি! শেষে রাতে যখন বিচারকরা (Supreme Court) পুলিশের ঘেরাটোপে বেরোচ্ছেন, তখনও সেখানে দাঁড়িয়ে প্রচুর বিক্ষোভ দেখায় দুষ্কৃতীরা। সামাজিক মাধ্যমে সামনে আসা একাধিক ভিডিওতে এমন ছবি দেখা যায়।

    রাজ্য সরকারের অবস্থান

    অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিয়াচককাণ্ড প্রসঙ্গে (Malda) জানানো হয়েছে যে তারা যথাসাধ্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং বর্তমানে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযুক্তদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। মোথাবাড়ির ঘটনা নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট এবং বিধানসভার নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকে এসআইআর, বিচারকদের হেনস্থার মতো ঘটনা আগামী বিধানসভার ভোটে  প্রভাব ফেলবে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ। তবে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বিজেপির পক্ষে জনমত গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ ধস! বিচ্ছিন্ন লাচেন, আটকে এক হাজারের বেশি বাঙালি পর্যটক

    Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ ধস! বিচ্ছিন্ন লাচেন, আটকে এক হাজারের বেশি বাঙালি পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃতির রুদ্ররোষে (Landslide) ফের বিপর্যস্ত পাহাড়। সিকিমের (Sikkim) উত্তর অংশে প্রবল বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট ভয়াবহ ধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ধসের জেরে লাচেন কার্যত মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সবথেকে উদ্বেগের বিষয় হল, এই মুহূর্তে উত্তর সিকিমের ওই দুর্গম এলাকায় অন্তত এক হাজারেরও বেশি বাঙালি পর্যটক আটকে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন (Sikkim)

    সিকিমে (Sikkim) ধসের কারণে রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় লাচেন ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সড়কপথ অবরুদ্ধ থাকায় পর্যটকরা নিচে নেমে আসতে পারছেন না। সরকারি ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, আটকে পড়া পর্যটকদের একটি বড় অংশই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল (Landslide) হওয়ায় তাঁদের উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

    উদ্ধার তৎপরতা

    সিকিম (Sikkim) প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দ্রুত তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে কাজ শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টির তান্ডব অব্যাহত থাকায় কাজ এগোতে সমস্যা হচ্ছে। উদ্ধার কাজে একযোগে নামছে একাধিক সংস্থা। সিকিম প্রশাসনের (Sikkim Administration) নেতৃত্বে ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন, স্থানীয় পুলিশ এবং ভারতীয় সেনা (Indian Army)। প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা মেরামত এবং বরফ সরানোর কাজ চলছে। তবে শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানের সময় নির্ভর করবে আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতির উপর। পর্যটক এবং স্থানীয়দের শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে সরকারি নির্দেশিকা (Guidelines) কঠোরভাবে মেনে চলার বার্তাও দিয়েছে তারা। জরুরি প্রয়োজনে হেল্পলাইন নম্বর (Helpline) দেওয়া হয়েছে, যোগাযোগ করতে পারেন ৯৯০৭৯৫৬৭০৫ / ০৩৫৯২২৮১০০৭-তে।

    প্রশাসনের আশ্বাস ও সতর্কতা

    প্রশাসনের (Sikkim) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁদের খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। একইসাথে, পর্যটকদের আপাতত সিকিমের ওপরের দিকে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে কাউকে পাহাড়ে (Landslide) প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

  • Mani Kumar Chhetri: প্রয়াত বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মণি ছেত্রী, চিকিৎসক মহলে শোকের ছায়া

    Mani Kumar Chhetri: প্রয়াত বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মণি ছেত্রী, চিকিৎসক মহলে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই পেরিয়েছিলেন ১০৫ বছরের গন্ডি। সেদিনও তিনি শুভানুধ্যায়ীদের দীর্ঘায়ু হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (Doctor) মণিকুমার ছেত্রী (Mani Kumar Chhetri) প্রয়াত হলেন রবিবার, নিজের বাড়িতেই। বার্ধক্যজনিত কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বিশ্বশ্রুত এই চিকিৎসকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ চিকিৎসক মহল।

    মণি ছেত্রীর জীবনালেখ্য (Mani Kumar Chhetri) 

    ১৯২০ সালের ২৩ মে দার্জিলিংয়ে জন্ম মণিকুমারের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমে এমবিবিএস এবং এমডি, তারও পরে লন্ডন থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। তাঁর মেধা, ক্লিনিক্যাল জ্ঞান ও মানবিক বোধ তাঁকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর চিকিৎসক ছিলেন মণি ছেত্রী। হয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তাও। এসএসকেএম হাসপাতালে (পিজি) সার্জেন-সুপারিনটেনডেন্ট পদে ছিলেন। আইপিজিএমইআরে কার্ডিওলজি এবং মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর-ডিরেক্টর হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। পরে যুক্ত হয়েছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে। ১৯৭৪ সালে প্রখ্যাত এই চিকিৎসককে দেওয়া হয় পদ্মশ্রী। চিকিৎসকমহলে তিনি ছিলেন (West Bengal) ভীষণ জনপ্রিয়। তাঁর হাতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান, সমৃদ্ধ হয়েছে চিকিৎসাশাস্ত্র। ছেত্রীর চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন অগণিত রোগী।

    রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তিনি

    বেসরকারি হাসপাতাল আমরিতে অগ্নিকাণ্ডের জেরে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। তখন তিনি ছিলেন ওই হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। পরে অবশ্য আদালত তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। ১৯৮২ সালে অবসর নেন ছেত্রী।  যদিও পেশাদারিত্ব ও রোগীদের সেবার দায়িত্ব ছাড়তে পারেননি। অবসরের পরেও চিকিৎসার (Mani Kumar Chhetri) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগেই বালিগঞ্জ প্লেসের বাড়িতে পড়ে গিয়ে আঘাত পান মণি ছেত্রী। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি বাড়ি ফিরলেও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। রবিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রথিতযশা এই চিকিৎসক (Doctor)। এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা থাকাকালীন এই চিকিৎসকের হাত ধরেই রাজ্যে আধুনিক চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটে। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট (ITU) তৈরি হয়েছিল তাঁরই উদ্যোগে। কার্ডিওলজি থেকে নেফ্রোলজি, একাধিক বিশেষ বিভাগ চালু করে তিনি সরকারি (West Bengal) স্বাস্থ্য পরিষেবাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন (Mani Kumar Chhetri)।

     

  • PM Modi in Cooch Behar: ‘‘বাংলায় এবার পরিবর্তনের ভোট’’, কোচবিহার থেকে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরব প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Cooch Behar: ‘‘বাংলায় এবার পরিবর্তনের ভোট’’, কোচবিহার থেকে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরব প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের (Assembly Election 2026) মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Cooch Behar)। এখান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করার শপথ নিলেন তিনি। ভোট ঘোষণার পর প্রথমবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কোচবিহারের রাসমেলার মাঠে ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। বললেন, “বাংলায় এসেই বুঝে গেছি তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মানুষ এখন শুধুই পরিবর্তন চাইছে। আর তারপর তৃণমূলের পাপের হিসেব করা হবে। বেছে বেছে হিসেব নেওয়া হবে।”

    মালদায় যা হয়েছে, তৃণমূলের গুন্ডামি

    এদিন কোচবিহারে রাসমেলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Cooch Behar) কালিয়াচক-প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মালদায় যা হয়েছে, সেটা গোটা দেশ দেখেছে। দেশের মানুষ স্তম্ভিত। কীভাবে মালদায় বিচারকদেরই বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে বিচারকেরাও রেহাই পান না। এটা কোন সরকার, কোন প্রশাসন, কোন ব্যবস্থা। যেখানে বিচারক, সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই সুরক্ষিত নয়। বাংলার সাধারণ মানুষের সুরক্ষা এদের থেকে কীভাবে আশা করা যায়? মালদায় যা হয়েছে, তৃণমূলের গুন্ডামি।” এ প্রসঙ্গেই মোদির সংযোজন, “এটাই প্রমাণ করছে, এখানে জঙ্গলরাজ চলছে। তৃণমূল সংবিধানের গলা টিপে ধরছে। তৃণমূলের সন্ত্রাসের মোকাবিলায় আপনাদের ভরসা বিজেপি। এখানে যা হচ্ছে, তাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টকেই হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।”

    ব্রিগেড থেকে বাংলার পরিবর্তনের সূচনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar) বলেন, “এত বছর ধরে বাংলার মানুষের পয়সা লুট করা হয়েছে। সকল দুর্নীতিবাজদের এই টাকা ফেরত দিতে হবে। ব্রিগেড থেকে বাংলার পরিবর্তনের সূচনা করেছিলাম। মানুষের সেই ভিড়ে তৃণমূলের সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। ব্রিগেডের বিউগল কোচবিহারে আরও বেশি হয়েছে। টিএমসির পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ। পাল্টানো দরকার। এটাই নতুন বাংলার দিশা। বিজেপি এখানে সরকার গড়বে।” রাজ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি কেন্দ্রে নির্বাচন। প্রথম দফা ভোটের আগে এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভা। ব্রিগেডে জনসভার পর এবারেই প্রথমবার রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    উন্নয়ন বনাম অত্যাচার

    রাজ্যে তৃণমূলের সিন্ডিকেট নিয়ে নিয়েও এদিন সরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar)। তিনি বলেন, “এবার বাংলায় একদিকে তৃণমূলের ভয় রয়েছে, অন্যদিকে মোকাবিলা করার জন্য বিজেপির ভরসা রয়েছে। একদিকে তৃণমূলের কাটমানি রয়েছে, অন্যদিকে বিজেপির বিকাশের ভরসা। একদিকে অনুপ্রবেশকারী সমস্যা, অন্যদিকে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর সংকল্প নিয়েছে বিজেপি। একদিকে সিন্ডিকেট রাজে সম্পত্তি হারানোর ভয় রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে বিজেপির উন্নয়ন। একদিকে সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার, অন্যদিকে মহিলাদের অত্যাচার রুখতে মোদির গ্যারান্টি রয়েছে।” এদিন আইনের ওপর ভরসা রাখার কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। তিনি বলেন, “একদিকে বেকারত্ব রয়েছে অন্যদিকে সুশাসন রোজগারের দিশা রয়েছে। ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক আপনাকে আইনের সাহায্য নিতে হবে। এবার ভোটে ভয় পালাবে। বিজেপি জিতবে। ৪ মে-র পর আইন নিজের কাজ করবে। বিজেপি বাংলার মানুষের জন্যেই আসরে নেমেছে। মহিলারা এরপর সঠিক বিচার পাবেন। গোটা দেশের মহিলারা বিজেপিকে বেছে নিয়েছে। বিজেপি মহিলাদের পাশে রয়েছে। তবে দেশের উন্নতির ভাগ বাংলায় আসে না। এবার বাংলার উন্নতি হবে।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই! বাঙালি ঐতিহ্য

    পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar)। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক বানিয়েছে তৃণমূল। আর এই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে। এর ফলে বাংলার মানুষের নিরাপত্তা বিপদের মুখে।” বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অনুপ্রবেশকারীদের রোখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মোদি। বক্তৃতার শুরুতেই বাংলায় বলেছিলেন, “সবাইকে আমি নমস্কার জানাই।” তার পর একাধিক বার কাটা কাটা বাংলায় বক্তৃতা করতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। কখনও তিনি বলেছেন, “বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ, পাল্টানো দরকার।” কখনও বলেছেন, “জঙ্গলরাজের অন্ত হবে।” এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল তাদের ঘোষণাপত্রের নাম বাংলায় রাখেনি। মোদির কথায়, “তৃণমূল ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে, যার নাম বাংলায় রাখেনি। বরং ইস্তাহার বলা হচ্ছে। ভেবে দেখুন কেমন ভাবে বাংলার পরিচয় বদলে দিচ্ছে।”

    তৃণমূলকে দুর্নীতি-তির 

    তৃণমূলের দুর্নীতির জন্যই পশ্চিমবঙ্গে ‘গ্রহণ নেমে এসেছে’ বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অন্য রাজ্যগুলি এগিয়ে যাচ্ছে, আর বাংলাকে পিছনে ঠেলে দিয়েছে তৃণমূল। এখানে সরকারি চাকরির উপরেও তৃণমূলের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে। বাংলার যুবসমাজ জানে, এই সরকার কত বড় নিয়োগ দুর্নীতি করেছে। কারা এতে শামিল ছিল! তৃণমূলের নিজের মন্ত্রী, বিধায়ক। উপর থেকে নীচ পর্যন্ত গোটা তৃণমূল দুর্নীতিতে যুক্ত ছিল। কাটমানি, কমিশন আর দুর্নীতি করে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করেছে এরা।”

    মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস

    গত কয়েকটি নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, রাজ্যে মহিলাদের ভোট মূলত তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে। এ বার সেই ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে চায় পদ্মশিবির। সেই অঙ্ক মাথায় রেখেই কোচবিহারের সভায় ‘মা-বোনেদের’ বার্তা দেন মোদি। বলেন, “বিজেপি এলে মহিলারা স্বনির্ভর হবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার মা-বোনেদের সব সুবিধা দিয়েছে। ৩ কোটি মহিলাকে লাখপতি বানিয়েছে। আমাদের সরকার লোকসভা এবং বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়ার আইন এনেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই এর সুবিধা মিলবে।” বিজেপি ‘মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস’ বলেও জানান মোদি।

    মোদিতে মাতোয়ারা

    রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ হেলিকপ্টারে কোচবিহার বিমানবন্দরে পৌঁছন মোদি (PM Modi in Cooch Behar)। সেখান থেকে গাড়িতে চেপে রাসমেলার মাঠে সভায় পৌঁছন। বিমানবন্দর থেকে রাসমেলার মাঠ, প্রায় দেড় কিলোমিটারের রাস্তায় অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন দু’পাশে তাঁকে দেখার জন্য। নির্বাচন (Assembly Election 2026) ঘোষণা হওয়ার পরে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকেই প্রচার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, ৪ মে-র পর বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গের আর অন্যায় হবে না। এটা মোদির গ্যারান্টি।

  • Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের নির্বাচনে (Bengal Elections 2026) হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur Assembly Constituency)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির বাজি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুই হেভিওয়েটের মুখোমুখি লড়াইয়ে (Suvendu vs Mamata) ভোট যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করেছে।

    অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক

    এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। রবিবার তিনি ইমেলের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি প্রচারের সময় সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা তাঁকে অনুসরণ করছেন, তাঁর উপর নজরদারি চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, যেসব সাধারণ ভোটার তাঁর সঙ্গে দেখা করছেন বা কথা বলছেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা ও পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

    ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ

    শুভেন্দুর মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হতে পারে ভবিষ্যতে ওই ভোটারদের ভয় দেখানো। তাঁর বক্তব্য, “যাঁরা সাহস করে আমার সঙ্গে দেখা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং ভোটারদের উপর পরোক্ষে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কলকাতা পুলিশকে শাসকদল তাদের ‘নজরদারি বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পথে বড় বাধা।

    সমাজমাধ্যমে সরব শুভেন্দু

    এই অভিযোগের সমর্থনে নিজের সমাজমাধ্যমেও একটি বিস্তারিত পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি লেখেন, “ভবানীপুরে আক্রান্ত গণতন্ত্র। কলকাতা পুলিশকে তৃণমূল ব্যক্তিগত নজরদারি বাহিনী হিসেবে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।” তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রচারের সময় তাঁকে অনুসরণ করা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করা প্রতিটি ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একটি বড় বাধা বলে দাবি ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থীর। যদিও এই সব কৌশল আর কাজ করবে না বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই ধরনের কৌশল আর কাজ করবে না। রাজ্যে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন শেষের পথে। ভবানীপুরের ভোটাররা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।”

    ছবি প্রকাশ শুভেন্দুর, নজর কমিশনের দিকে

    উল্লেখযোগ্যভাবে, শুভেন্দু অধিকারী দু’জন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছেন, যাঁদের তিনি পুলিশকর্মী বলে দাবি করেছেন। তাঁদের নাম, পদ এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্যও তিনি উল্লেখ করেছেন। যদিও এই ছবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রশাসন বা কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে। এখন নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা। আরও ৪,৬৬০টি অতিরিক্ত বুথ (Auxiliary Polling Stations) তৈরির অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Assembly Election) আসনসংখ্যা ২৯৪টি, বুথের সংখ্যা ৮০৬৮১। অতিরিক্ত বুথ তৈরি হয়ে গেলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৮৫৩৭৯। কিছু বুথের স্থান পরিবর্তন হবে বলেও কমিশন সূত্রে খবর।

    অতিরিক্ত সহায়ক বুথ (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, যেসব বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০-এর বেশি, সেসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ৪৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির অনুমতিও দিয়েছে কমিশন। ভোটদাতাদের সুবিধার্থে অন্যত্র সরানো হচ্ছে ৩২১টি বুথকে। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুক্রবারই চিঠি দিয়েছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে, নতুন বুথ তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনের যে সব নিয়মকানুন রয়েছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ২০২০ সালের নিয়মাবলী মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। যেসব ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা বদলাচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রত্যেক ভোটারকে এই পরিবর্তনের কথা ব্যক্তিগতভাবে জানাতে হবে কমিশনের আধিকারিকদের। কমিশনের নির্দেশ, একজনের ক্ষেত্রেও যেন এর অন্যথা না হয় (Auxiliary Polling Stations)।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভালভাবে প্রচার করতে হবে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিতভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করতে হবে সিইও দফতরকে (West Bengal Assembly Election)। প্রসঙ্গত, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল শনিবার থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন। ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন তিনি। মনে রাখতে হবে, ভোটের নিয়ম এবার আগের চেয়েও কঠোর। কোনও ভোটকেন্দ্রেই মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Assembly Elections 2026: জেলা সফর শুরু মনোজের! নিরাপত্তার ব্যবস্থা কোথায় কেমন খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    Assembly Elections 2026: জেলা সফর শুরু মনোজের! নিরাপত্তার ব্যবস্থা কোথায় কেমন খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Elections 2026) প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার থেকে জেলা সফর করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথমেই মনোজ যাবেন পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানে তিনি প্রশাসনিক দফতর পরিদর্শন করবেন। আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন মনোজ। এরপর তিনি অন্যান্য জেলাতেও সফর করবেন। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে শুরু করেছেন এবং জোরকদমে প্রচারও চলছে।

    মনোজের জেলা সফরের প্রাথমিক লক্ষ্য

    দীর্ঘদিন পর রাজ্যে তুলনামূলক কম দফায় ভোট হচ্ছে। ভোট ঘোষণার দিনই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। মনোজকুমার আগরওয়ালের এই জেলা সফর সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কয়েকজন শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিং ও সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থাও থাকবে। এছাড়া, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটারদের মোবাইল বাইরে জমা দিয়ে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। এই বিধিগুলি যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করতেই মনোজের এই জেলা সফর।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে

    বাংলার ভোট উৎসবকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। মালদার এসআইআর (SIR) কাণ্ডে বিচারকদের আটকে রাখা, বিক্ষোভ এবং সেই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যাওয়ার পর থেকেই চাপে রয়েছে রাজ্য প্রশাসন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ভোট মরসুমে ইতিমধ্যেই শীর্ষ স্তরের একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক পর্যবেক্ষক। এরপর ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ এবং নিরাপত্তা বলয় কতটা নিশ্ছিদ্র, তা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন মনোজ। তারপর সেই রিপোর্ট সরাসরি দিল্লিতে পাঠাবেন মনোজ কুমার আগরওয়াল।

     

     

LinkedIn
Share