Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

  • West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    West Bengal Elections 2026: একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে রাজ্যজুড়ে উঠেছে গেরুয়া ঝড়। নির্বাচনী প্রচার পথে-ঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীরা। আর তাতেই তৃণমূলের অপশাসনের অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে সোচ্চার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলসহ বিরোধীদলগুলি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঢল নেমেছে রাজ্যজুড়ে। আর সেই প্রবণতা প্রবল ভাবে দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad)। হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা করা আমরা ৭০ ওরা ৩০-এর জেলায় বিজেপিই যে শেষ ভরসা তা বুঝে গিয়েছেন হিন্দুরা। কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওইয়া হবে হিন্দুদের! চরম আতঙ্ক দেখেছে ওয়াকফের আন্দলনে। তাই প্রচার চলাকালীনই প্রার্থীর হাত ধরে হাতে তুলে নিচ্ছেন গেরুয়া পতাকা। ভরতপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষের হাত থেকে বিজেপির (West Benagl BJP) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বহু তৃণমূল কর্মী।

    স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বিজেপিতে (Murshidabad)

    অন্যান্য দিনের মতো প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির পুরনো কর্মী তথা ভরতপুরে দলীয় প্রার্থী অনামিকাদেবী। ভরতপুর (Murshidabad) ২ নম্বর ব্লকের সালু গ্রামের পথে পথে জনসংযোগ সারছিলেন তিনি। কথা বলছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তাদের অভাব অভিযোগ মন দিয়ে শুনছিলেন তিনি, আর তখনই বিজেপিতে (West Benagl BJP) যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন কয়েকজন তৃণমূলকর্মী। বিধানসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে বিজেপির প্রচারের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তাঁরা। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমর্থনে আপ্লুত প্রার্থী ও সঙ্গে থাকা বিজেপি নেতারা সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বিজেপিতে যোগদান করান। হাতে তুলে দেওয়া হয় দলীয় পতাকা। ওঠে জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা

    বিজেপির (West Benagl BJP) অভিযোগ, তৃণমূলের মদতে লাগাতার অনুপ্রবেশের জেরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জনবিন্যাস যে পরিকল্পিতভাবে বদলে ফেলা হয়েছে তা এখন বড় সমস্যা এই জেলার। এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজ্যে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে এই জেলা থেকেই। হিন্দুদের কেটে ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বললেও দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দেওয়াল লিখনে স্পষ্ট, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে একজোট হতে হবে জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দুকে।

    তবে শুধু হিন্দুরা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তাঁদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন তা বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের মুসলিমরাও। তৃণমূলের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে তাদেরও। তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করে তাদের অনেকেও যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

  • West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি সেই ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বিরুদ্ধে জবরদস্ত প্রার্থী দিল বিজেপি। সদ্য জামিনে মুক্ত রাকেশ সিংকে (Rakesh Singh) ওই কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে পদ্মশিবির (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল এই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা বাকি ছিল বিজেপির। রাকেশের নাম ঘোষণা করে প্রার্থিতালিকা সম্পূর্ণ করল পদ্মশিবির।

    রাকেশ সিংকে গ্রেফতার (West Bengal Assembly Election)

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিজেপি নেতা রাকেশকে। কংগ্রেসের অফিস বিধান ভবনে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বিহারে রাহুল গান্ধীর মিছিলে ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের অফিসে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পর পরেই গা-ঢাকা দেন দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতা। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ-সহ চারজনকে। রাকেশের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা।

    জামিনে মুক্তি পেতেই মিলল টিকিট

    সোমবার রাকেশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই দিনই গাড়িতে বসা অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এই বিজেপি নেতা। ক্যাপশনে লেখেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘‘১৬৩ দিনের সংগ্রামের পর আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬টি মিথ্যা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে (West Bengal Assembly Election)।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারই ষষ্ঠ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তাতেই ছিল রাকেশের নাম। রাকেশকে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোমর বেঁধে পুরো দমে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাকেশ। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা বন্দরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুরু করে দেন জনসংযোগও (Rakesh Singh)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রাকেশের মতো পরিচিত ও লড়াকু নেতাকে দাঁড় করিয়ে বিজেপি এক মস্ত চাল দিল। বন্দর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত। সেখানেই রাকেশকে প্রার্থী করে পদ্ম শিবির বুঝিয়ে দিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ (West Bengal Assembly Election)!

     

  • West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটি গড়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এই কমিটি গঠনের কথা সোমবারই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো গড়া হল কমিটি। সোমবারই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল (West Bengal Assembly Election), ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালেরই প্রয়োজন একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। সেই প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্যই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে, কমিটিতে থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। ট্রাইবুনালের ১৯ জন বিচারপতি কোন পদ্ধতি মেনে কাজ করবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে এই কমিটি।

    এসআইআরের তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীনের তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই সব ভোটারের তথ্য যাচাই নিষ্পত্তির কাজ করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সোমবার রাতেই সেই কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের (West Bengal Assembly Election)।

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ

    এই বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১৯ জন বিচারপতি আপিল ট্রাইবুনালে ‘বিচার’ করবেন। কোন পদ্ধতিতে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করবেন ওই  বিচারপতিরা, তা ঠিক করার জন্যই গড়া হল কমিটি। প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনাল চালু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত দিনে তা চালু না হলেও, পরে হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের আবেদনেরও নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। উল্লেখ্য যে, যাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরা কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বিশেষ আবেদনের ভিত্তিতেই (Calcutta High Court) তাঁদের সমস্যার নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। যদিও সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাদ পড়া ভোটাররা এবারের নির্বাচনে আদৌ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রয়ে গিয়েছে সংশয় (West Bengal Assembly Election)।

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফায় ভোট গ্রহণ হবে ওই মাসেরই ২৯ তারিখে। তার মধ্যে যাতে সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে যায়, তারই চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন।

     

  • India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দিকে নজর দিলে পাকিস্তানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে। পাকিস্তানের তরফে কলকাতায় হামলার হুমকির জবাবে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Khawaja Asif) মন্তব্য করেছিলেন, ভবিষ্যতে কোনও সংঘাত হলে ইসলামাবাদ কলকাতায় হামলা চালাতে পারে। সেই মন্তব্যেরই জবাবে ব্যারাকপুরে এক জনসভা থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন উসকানিমূলক মন্তব্য করা উচিত হয়নি। ৫৫ বছর আগে তারা এর ফল ভুগেছে, যখন পাকিস্তান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। এবার যদি বাংলার দিকে নজর দেয়, তবে কত ভাগে ভাঙবে, তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন।”

    ইসলামাবাদকে জবাব

    ৫৫ বছর আগে কী হয়েছিল মনে আছে তো? ভোটপ্রচারে ব্যারাকপুরে এসে পাকিস্তানকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা স্মরণ করান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, ‘৫৫ বছর আগের কথা মনে রাখা উচিত পাকিস্তানের। কী করে দু’টুকরো হয়েছিল! আবার কিছু করার চেষ্টা করলে পরিণতি কী হবে, সেটা ওরাই বুঝতে পারবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এখানে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, যখন ভারতের সামরিক পদক্ষেপের পর পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে ওঠে। এদিন তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভারত সর্বদা প্রস্তুত। পাকিস্তান যদি কোনও রকম ‘মিসঅ্যাডভেঞ্চার’ করে, তবে ভারত নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না।

    কী বলেছিল পাকিস্তান

    গত বৃহস্পতিবার ভোটমুখী কেরালায় দলের প্রচারে গিয়ে পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিলেন রাজনাথ। বলেছিলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান এখনও শেষ হয়নি। পাকিস্তান আবার কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করা হবে। রাজনাথের এই মন্তব্যের পরেই পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারত ফের সাজানো হামলার ছক কষছে। তাতে ভারতীয়দের পাশাপাশি ভারতের জেলে বন্দি পাকিস্তানিদেরও ব্যবহার করা হতে পারে। এই প্রসঙ্গেই খোয়াজা কলকাতাকে টেনেছেন। সেই সূত্রে তাঁর দাবি, ‘এর পর কলকাতা পর্যন্ত হামলা চালাবে পাকিস্তান!’ এ বার তার জবাব দিলেন রাজনাথ। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক মন্তব্য ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে ভারত-পাক সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

  • West Bengal Elections 2026: ভোটগ্রহণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, বুথ নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেবে নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোটগ্রহণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, বুথ নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেবে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনের গণতন্ত্রের উৎসবে (West Bengal Elections 2026) স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। আসন্ন নির্বাচনে বুথ পর্যায়ের নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে এবার সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত স্পর্শকাতর বুথগুলোতে যেকোনও ধরনের কারচুপি বা অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতেই এই উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

    লাইভ ওয়েবকাস্টিং ও এআই বিশ্লেষণ

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এআই মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে তাঁকে ‘মার্ক’ করতে পারবে। মানুষের অস্তিত্ব টের পেয়ে তাঁকে কাল্পনিক আয়তক্ষেত্র দিয়ে ঘিরে স্ক্রিনে মার্ক করে সংকেত দেবে। কী ভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি? মনে করুন যাক, বুথের ভিতরে ১০ জন লোকের থাকার কথা। দেখা গেল ১১ জন রয়েছেন। এআই সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রোল রুমে জানাবে, ওই বুথে ১১ জন লোক রয়েছেন।

    ইভিএমের সামনে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি প্রায় ২ মিনিট দাঁড়িয়ে রয়েছেন, তখনও কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেবে এআই। ওই ব্যক্তিকে মার্ক করে রাখবে প্রযুক্তি। তার পরে কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল পাঠাবে। তখন সেই সেক্টর অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসারের নম্বর উঠে যাবে স্ক্রিনে।

    বুথ জ্যামে খবর দেবে

    প্রতিটি বুথ থেকে সরাসরি ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটেজ (West Bengal Elections 2026) সংগ্রহ করা হবে। কন্ট্রোল রুমে বসে সেই ভিডিওগুলো কেবল মানুষের চোখে নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হবে। বুথের ভেতরে বা আশেপাশে কোনও অস্বাভাবিক জমায়েত, বারবার একই ব্যক্তির প্রবেশ অথবা বুথ জ্যামের মতো ঘটনা ঘটলে এআই সিস্টেম তৎক্ষণাৎ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা (Alert) পাঠাবে।

    একসঙ্গে ৫০০টি বুথের ছবি দেখতে পারবেন মাইক্রো অবজার্ভারেরা। সেখানে ১০টি টেলিফোন লাইন রাখা থাকবে। টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে ৭২টি স্ক্রিন থাকবে পর্যবেক্ষণের জন্য। সেই সঙ্গে আরও ১৮টি স্ক্রিনে দেখা যাবে এসএসটি বা স্ট্যাটিক সার্ভেলান্স টিম এবং এফএসটি বা ফ্লায়িং সার্ভেলান্স টিম-র গাড়িতে বসানো ক্যামেরায় তোলা ছবি। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে প্রায় ২০০ জনের মতো মাইক্রো অবজ়ার্ভার থাকবেন। ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম, স্ট্যাটিক সার্ভেলান্স টিম বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে সব সময়ের জন্য থাকবে। কমিশনের সংশ্লিষ্ট নজরদারি-গাড়ির মাথায় সবদিক দেখার ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। সবটাই কমিশন কন্ট্রোল রুম থেকেই পরিচালনা করবে।

    কেন এই প্রযুক্তির প্রয়োজন?

    প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে রিটার্নিং অফিসার বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকরা (West Bengal Elections 2026) মুহূর্তের মধ্যে ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পারবেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। চিরাচরিত পদ্ধতিতে হাজার হাজার বুথের ফুটেজ একসঙ্গে মানুষের পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।

    এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে (AI) এই বিশাল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এবং দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভোটদাতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার পথে এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    কেন সতর্ক? 

    গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরনির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে মনোনয়ন, ভোটলুট, বুথ জ্যাম, গণনায় কারচুপির অভিযোগ ব্যাপক ভাবে উঠেছিল। বিরোধীরা বার বার শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের তির দেগে ছিল। তবে শাসকদলের এই ভূমিকায় পুলিশ প্রশাসন নিজের নিরেপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বলে অভিযোগও আনা  হয়েছিল। এইবার যাতে স্বচ্ছ ভোট হয় তাই কমিশন নিজের ভূমিকায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করেছে। এমনটাই মনে করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের লোকজন।

  • Bharatiya Janata Party: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে ভাঙন! বিজেপিতে যোগদান পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের, বঙ্গে আরও শক্তিশালী পদ্ম

    Bharatiya Janata Party: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে ভাঙন! বিজেপিতে যোগদান পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের, বঙ্গে আরও শক্তিশালী পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলা, যা দীর্ঘকাল ধরে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত, সেখানে রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে জেলার একটি বড় অংশের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা শাসক দল ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (Bharatiya Janata Party) যোগদান করেছেন। এদিন বিজেপির কার্যালয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। তিনি এই যোগদান সম্পর্কে বলেন, “কেউ আমার সঙ্গে, কেউ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে, কেউ বিপ্লব দেবের সঙ্গে, কেউ শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমরা স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের মতামত নিয়ে স্থির করেছি যে, কাদের দলে স্বাগত জানানো যায়।”

    দলবদল করে বিজেপিতে যোগদান (Bharatiya Janata Party)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিভিন্ন ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েত সদস্য এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পদাধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে পদ্ম শিবিরে (Bharatiya Janata Party) নাম লিখিয়েছেন। মূলত সাংগঠনিক স্তরে ক্ষোভ এবং উন্নয়নের নিরিখে মতপার্থক্যের কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। শুভেন্দু আরও বলেন, যাদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ, দুর্নীতির অভিযোগ নেই এমন ব্যক্তিদেরকেই দলে যোগদান করানো হয়েছে।

    যাঁরা যোগদান করলেন…

    • শৈবাল লাহিড়ী— বর্তমান ব্লক প্রেসিডেন্ট (তৃণমূল) ক্যানিং ১ ব্লক, প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ২০১৩-২০১৮ এবং বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ ২০১৮ থেকে ২০২৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ।
    • সিরাজউদ্দিন দেওয়ান— প্রাক্তন উপ-প্রধান
    • প্রতিমা সর্দার—প্রাক্তন প্রধান ২০১৩ থেকে ২০২৩, হাটপুকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত
    • রফিক শেখ— বর্তমান জয়েন্ট কনভেনর, নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত
    • আসমত মোল্লা— বর্তমান অঞ্চল প্রেসিডেন্ট, গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত
    • নন্দকিশোর সর্দার— প্রাক্তন প্রধান, গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত
    • বদরুদ্দোজা শেখ— প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ, ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতি
    • অর্ণব রায়— প্রাক্তন প্রধান, দিঘিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত
    • সঞ্জয় নস্কর— গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য।

    এঁরা ছাড়াও পদ্ম শিবিরে যোগ দেন— সালাউদ্দিন সর্দার, শম্ভু বৈদ্য, গণেশ মণ্ডল, কালীচরণ সর্দার, মদন নস্কর, বিষ্ণু নস্কর, কার্তিক মণ্ডল, অসিত মণ্ডল, ধনঞ্জয় সাঁপুই, দীপঙ্কর মণ্ডল, মনোরঞ্জন দাস, ফণীভূষণ সর্দার।

    বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার

    এদিনের যোগদান সভায় বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি যোগদান সম্পর্কে বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বরাবরই এ রাজ্যের ভোটের প্রবণতা বুঝিয়ে দেয়। পূর্ব মেদিনীপুরে তো আমরা এমনিতেই জিতে রয়েছি। এ বার দক্ষিণ ২৪ পরগনাও বার্তা দেওয়া শুরু করল। গোসাবা ব্লক থেকে তৃণমূল কংগ্রেস শূন্য হয়ে গেল বলতে পারি। গোটা সুন্দরবনে এ বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা খাতা খুলতে দেব না। সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে সাগর পর্যন্ত একটা আসনও তৃণমূল পাবে না। আজ তার সূচনা করলাম।”

    এই যোগদানের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজেপির  (Bharatiya Janata Party) সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এবং ক্যানিং মহকুমার বেশ কিছু এলাকায় তৃণমূলের একচেটিয়া আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এই যোগদানকে ‘মানুষের মোহভঙ্গ’ এবং ‘পরিবর্তনের ইঙ্গিত’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের প্রতি আস্থা হারিয়েই নিচুতলার কর্মীরা সরব (Bharatiya Janata Party) হচ্ছেন।

    দুর্বল হয়ে পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস

    শাসক দলের জেলা (South 24 Parganas) নেতৃত্বের মতে, এতে দলের কোনো ক্ষতি হবে না। যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে পারছেন না, তারাই দল ছাড়ছেন। সাধারণ মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের পাশেই আছেন। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের শক্তিক্ষয় তৃণমূলের সাংগঠনিক সংহতির ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

  • PM Modi in Bengal: বাংলায় সরকার পাল্টানোর ডাক! চলতি সপ্তাহে তিন দিন রাজ্যে প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Bengal: বাংলায় সরকার পাল্টানোর ডাক! চলতি সপ্তাহে তিন দিন রাজ্যে প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন (West Bengal Election 2026) দোরগোড়ায়। পয়লা বৈশাখের আগে ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) উত্তাপে উত্তপ্ত বাংলা। এই আবহেই নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলতে বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রাজ্যে পরিবর্তনের জন্য, পাল্টানোর জন্য, বিজেপিকে জেতানোর জন্য কার্পেট বম্বিং করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে মোদির এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    চলতি সপ্তাহে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির। এছাড়াও কলকাতায় দুটি রোড শো করতে পারেন তিনি। অর্থাৎ বঙ্গের সিংহাসন দখল করতে মোদিকে আরও বেশি করে সামনে রেখে দলের প্রচার-ভাষ্য জোরদার করার চেষ্টা চলছে বিজেপির। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরের দলীয় প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় পাশে পেয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। এমনকি দলের প্রচারের জন্য রাজনাথ সিং, নিতিন নবীন, জগৎপ্রকাশ নড্ডা, ধর্মেন্দ্র প্রধান, সুনীল বনসল, নিতিন গডকড়ি সহ ৪০ জন ‘তারকা প্রচারকে’র তালিকায় তৈরি করেছে বঙ্গ বিজেপি।

    ১৪টি সভা করার পরিকল্পনা মোদির

    বাংলায় ভোট ঘোষণার পর গত রবিবার কোচবিহারে প্রথম জনসভা সেরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, গোটা নির্বাচনী প্রচারে অন্তত ১৪টি সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এদিকে দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এখনও একটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে। সেটি ঘোষণা হয়ে গেলে এবং ৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে দলের ইস্তেহার বা ‘সংকল্প পত্র’। উল্লেখ্য, কোচবিহারের জনসভা থেকেই আক্রমণাত্মক সুরে শাসক দলকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সভা থেকেই প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় রাজ্যের সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশে বসবাস করছে। তবে নির্বাচনের পর সেই পরিস্থিতি আর থাকবে না বলেই তাঁর দাবি। তাঁর কথায়, আগামী দিনে রাজ্যে এমন পরিবেশ তৈরি হবে যেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে নিজের জীবনযাপন করতে পারবে। ভয়ের বদলে মানুষের মনে ভরসা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিও শোনা যায় তাঁর বক্তব্যে।

  • Anil Basu’s Son Joins BJP: ‘এখন বামপন্থা হলো চকচকে এলিটের প্রতিনিধি’, সিপিএম ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ অনিল পুত্রের

    Anil Basu’s Son Joins BJP: ‘এখন বামপন্থা হলো চকচকে এলিটের প্রতিনিধি’, সিপিএম ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ অনিল পুত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর কনিষ্ঠ কন্যা কস্তুরির পর এবার বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসুও (Anil Basu’s Son Joins BJP)। পাঁচ বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নকে ঘিরে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করল বিজেপি। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। আরামবাগের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসুকে দেখা গেল সেই সভায়। সৌম্য এক সময় ছাত্র রাজনীতি করেছেন। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই করেছেন। তবে আজ তিনি যোগদান করলেন বিজেপিতে।

    বিজেপি দেশভক্তের দল

    অনিল বসু বাম আমলের প্রবল প্রতাপশালী নেতা ছিলেন। আরামবাগ থেকে সিপিএম এর সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন ছ’বার। ২০০৪ সালে শেষবার আরামবাগ থেকে রেকর্ড প্রায় ছ’লক্ষ ভোটে জিতেছিলেন অনিল বসু। ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল সেসময়। ২০১৮ সালে ২ অক্টোবর মৃত্যু হয় তাঁর। সেই অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বলেন, “বাবা সাংসদ বিধায়ক মন্ত্রী থাকলেই সেই দল করতে হবে এমন কোনও কারণ নেই। প্রত্যেক মানুষের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার আছে। যে রাজনৈতিক দলকে তাঁর পছন্দ, সে তার সঙ্গেই থাকুক। বিজেপি দেশভক্তের দল। সেইটাই আমাকে আকর্ষণ করে। শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি ধন্যবাদ জানিয়েছি উনি বলেছেন প্রার্থীকে জেতাতে হবে। প্রার্থী জিতবে, সুবীর নাগের সঙ্গে আমি আছি।”

    বামেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

    এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বাম শিবির ছেড়েছেন প্রয়াত আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যাও। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন প্রয়াত ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা কস্তুরী। এবার বাম আমলের দৌর্দন্ডপ্রতাপ অনিল বসুর ছেলে ভোটের মুখে গেলেন গেরুয়া শিবিরে। ঘটনায় চাঞ্চল্য বঙ্গ রাজনীতিতে। আলোচনার ঝড়, সিপিএম প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নিয়েও। তিনি বলেন, “আগে বামপন্থা ছিল গরিব মেহনতি মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা। এখন বামপন্থা হলো মধ্যবিত্ত শ্রেণির, চকচকে এলিটের প্রতিনিধি।” ভোটের মুখে এই ঘটনায় রাজ্যে বামেদের ভবিষ্যত নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

  • SIR In Bengal: এসআইআর-এ বাতিল ৯০ লাখের বেশি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের নিরিখে শীর্ষে কোন জেলা?

    SIR In Bengal: এসআইআর-এ বাতিল ৯০ লাখের বেশি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের নিরিখে শীর্ষে কোন জেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR In Bengal) পর বিবেচনাধীন ভোটারদের নিষ্পত্তি হয়ে গেল। সোমবার রাতেই শেষ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। শেষ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সোমবার রাতেই ফ্রিজ হয়েছে প্রথম দফার ভোটের ভোটার তালিকা। তাই এরপর যদি ট্রাইবুনালের নির্দেশে কারও নাম তালিকায় সংযুক্ত হয়, তাহলেও প্রথম দফার নির্বাচনে সেই সব ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন না। সোমবার রাতেই একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তালিকা ফ্রিজ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ৯০ লাখের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। সবথেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে মুর্শিদাবাদে। তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতা উত্তরে তুলনামূলক বেশি নাম বাদ গিয়েছে।

    রাজ্যে ভোটার তালিকায় কত জনের নাম

    ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর (SIR In Bengal) কাজ শুরু হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জনের নাম ছিল। এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম। জেলা অনুযায়ী বিবেচনাধীনদের তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ছিল মোট ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম। বিবেচনাধীন তকমা ওঠায় এই তালিকায় যুক্ত হল আরও ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম। অর্থাৎ, রাজ্যের ভোটার তালিকায় এই মুহূর্তে নাম রয়েছে ৬ কোটি ৭৭ লক্ষ ২০ হাজার ৭২৮ জনের।

    নাম বাদ পড়ার নিরিখে প্রথমে কে

    যাচাইকরণে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলায় বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকায় ওই জেলা থেকে বাদ গিয়েছিল ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮২২ জনের নাম। বিবেচনাধীনদের হিসেব প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যাচ্ছে, ওই জেলা থেকে বাদ পড়েছে মোট ৭ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৫৯ জনের নাম। যাচাইকরণে উত্তর ২৪ পরগনায় বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৬৬৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। তবে, ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকা ধরলে ওই জেলা থেকে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা ১২ লক্ষ ৬০ হাজার ৯৬, যা সমগ্র এসআইআর-এর নিরিখে সর্বাধিক। ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকায় মালদা থেকে বাদ পড়েছিল ২ লক্ষ ২০ হাজার ১৫৫ জনের নাম। বিবেচনাধীনদের তালিকা প্রকাশের পর সেখানে প্রায় ২.৩৯ লক্ষ ভোটারকে অযোগ্য হিসেবে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ, ওই জেলা থেকে বাদ পড়ল মোট ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫৩০ জনের নাম। এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাবে। বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীও ১কোটি নাম বাদ যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে, কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা কোটির গণ্ডি পেরোয়নি। যে ১১টি রাজ্যে এসআইআর হয়েছে, তার মধ্যে বাদ যাওয়া ভোটারের হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। যোগীর রাজ্যে ২ কোটির বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।

    কোন জেলায় কত বাতিল

    নদিয়াতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যা- প্রায় ২.০৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রায় ২.২২ লক্ষ ভোটার এবং বীরভূমে প্রায় ৮২ হাজার ভোটারকে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া হুগলিতে প্রায় ১.২০ লক্ষ, পশ্চিম বর্ধমানে প্রায় ৭৪ হাজার এবং উত্তর দিনাজপুরে প্রায় ১.৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৩ লক্ষ ৬৫ হাজারের নাম বিবেচনাধীন ছিল, সেখান থেকে বাদ পড়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮০৫ জনের নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫ লাখ ২২ হাজারের মধ্যে থেকে বাদ পড়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৯২৯ জনের নাম। কোচবিহারে বাদ পড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭২৫ জনের নাম, জলপাইগুড়িতে ৩৫ হাজার ৩৫৬, দার্জিলিংয়ে ৪৪ হাজার ২৩০, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৬ হাজার ৭৬৮ জনের নাম বাদ পড়েছে। কলকাতা দক্ষিণ থেকে আগেই বাদ গিয়েছিল ২ লক্ষ ২১ হাজার ১৫১ জনের নাম। সোমবারের পর এই তালিকায় যুক্ত হল ২৮ হাজার ৪৬৮টি নাম। অর্থাৎ, বাদ গেল মোট ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬১৯ জনের নাম। কলকাতা উত্তর থেকে বাদ গেল মোট ৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৭৫ জনের নাম। পূর্ব মেদিনীপুরে মোট নাম বাদ পড়ার সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৪৫, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৭৪ হাজার ১০০, হাওড়ায় ১ লাখ ৩২ হাজার ১৫১, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫২ হাজার ২৭৭, পুরুলিয়ায় ৫ হাজার ৯৪২, বাঁকুড়ায় ৬ হাজার ৫৩৩, বীরভূমে ৮২ হাজার ৫৯, আলিপুর দুয়ারে ৩৬ হাজার ৭৮, কালিম্পঙে ২ হাজার ৪০৭, ঝাড়গ্রামে ১ হাজার ২৪০ জনের নাম বাদ গিয়েছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে।

LinkedIn
Share