Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, তাই বদলা নয়, বদল”, বঙ্গজয়ের পর বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। তাই এবার বদলা নয়, বদল।” দিল্লিতে বিজেপির (BJP) সদর দফতরে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রীতিমতো বাঙালি পোশাক (ধুতি-পাঞ্জাবি) পরে দফতরে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বঙ্গ-ভোটের ফল পরিষ্কার হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছিলেন, ‘‘২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে, আর জয়ী হয়েছে বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই।’’

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    সমাজমাধ্যমে তিনি আরও লেখেন, ‘‘জনগণ বিজেপির পক্ষে অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাঁদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করবে। আমরা এমন একটি সরকার দেব, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুযোগ এবং মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’’ এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহার, ওড়িশার মতো পশ্চিমবঙ্গের মানুষও এনডিএর ওপর ভরসা রেখেছেন।” এর আগেই তিনি বলেন, “বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে, এ বার বদলা নয়, বদল।” তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম বার ভয় নয়, লোকতন্ত্র জিতল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।”

    গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়

    পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ। একে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক। এটা গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর, সর্বত্রই পদ্ম ফুটেছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিহারে ভোটের ফলের দিনই তিনি বলেছিলেন যে, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়। বিজেপির কোটি কোটি কর্মীকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর আসার আগেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ জয়ের (BJP) জন্য দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।

    ‘কোটি কোটি প্রণাম’

    পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ‘কোটি কোটি প্রণাম’ জানিয়েছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘‘এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তাঁর দাবি, বিজেপির এই জয় তৃণমূলের ভয়ের ঊর্ধ্বে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি ভরসার জয় (PM Modi)। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার মতো প্রতিটি বিজেপি কর্মীর জন্য এটি গর্বের মুহূর্ত। যে গঙ্গোত্রীতে মা গঙ্গার উৎস, সেখান থেকে শুরু করে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আজ সর্বত্র বিজেপির গেরুয়া পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ছে।’’

    ‘সোনার বাংলা’

    তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলায় বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয় আমাদের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল। সেই সমস্ত পরিবারের ধৈর্যের জয়, যারা হিংসা সহ্য করেও গেরুয়া পতাকা ছাড়েনি। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছোনোর এই কঠিন যাত্রায় যে কর্মীরা নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে বিজেপির সেই সকল শহিদ কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন (BJP)।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষের পবিত্রভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন-রাত এক করে দেবে (PM Modi)।’’

     

  • Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেস্টিংসের ভোটগণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করায় তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ গণনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে কমিশনের নিয়মানুযায়ী, বিশেষ অনুমতি ব্যতীত গণনা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। বিজেপির অভিযোগ গণনাকে প্রভাবিত করতে এসেছিলেন মমতার ভাইপো।

    মূল ঘটনার সারসংক্ষেপ (Abhishek Banerjee)

    বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) গণনা চলছিল সোমবার। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই ফলাফলে তৃণমূলের ক্রমশ ভরাডুবি আর বিজেপির সবদিকে জয়জয়কার হচ্ছিল। ইতিমধ্যে ভোটগণনা চলাকালীন হেস্টিংসের সংশ্লিষ্ট গণনা কেন্দ্রে আকস্মিক উপস্থিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এরপর নির্বাচনী আধিকারিকরা তাঁকে দেখেই তৎপর হয়ে ওঠে। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসতেই নির্বাচনী আচরণবিধি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল বজায় রাখতে তাঁকে কেন্দ্র থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক বুঝেই কমিশনের এই নির্দেশের পরেই শান্তভাবে এলাকা ত্যাগ করেন।

    হার বুঝেই কমিশনকে তোপ মমতার

    ভোটগণনার (West Bengal Elections 2026) দিন নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন সাধারণত অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে থাকে। এই ঘটনাটি কমিশনের প্রশাসনিক সতর্কতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষাভাবে কাজ করছে না। রাজ্যের প্রায় ১০০টি জায়গায় গণনা প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে কল্যাণীর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কল্যাণীতে সাতটি মেশিনে গরমিল ধরা পড়েছে। যেখানে ভোটের সংখ্যার কোনও মিল নেই।”

  • Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

    একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

  • Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) গেরুয়া ঝড়। ইতিমধ্যেই বাংলার মসনদে পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। রাজ্যে ১৫ বছর তৃণমূল শাসনের অবসানে বাংলার সিংহাসনে বসতে চলেছে বিজেপি। উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার শহর থেকে গ্রামে গেরুয়া রঙের আবির উড়ছে। বিকেল চারটে পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রায় ১৯৮টি আসনে এগিয়ে, যেখানে টিএমসি এগিয়ে মাত্র ৮৯টি আসনে। এর পরেই ডায়মন্ড হারবারের ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ নিয়ে অভিষেকর (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

    ফলতা নিয়ে ‘চ্যালেঞ্জ’ থেকে বিতর্ক

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সে দিনই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথের পুনর্নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। শনিবার রাতে কমিশন জানায়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই আবার নতুন করে নির্বাচন হবে। তার পরেই বিজেপি অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে খোঁচা দেয়। বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় এক্স পোস্টে লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। সেই পোস্টের জবাব দেন অভিষেক। এক্স পোস্টে তাঁর পাল্টা, ‘আপনাদের বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি..’! অভিষেকের মন্তব্যে বিতর্ক

    অভিষেক আরও লেখেন, ‘আপনাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে চলে আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিধরকে পাঠান, দিল্লি থেকে কোনও এক গডফাদারকেও পাঠান। যদি ক্ষমতা থাকে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।’ অভিষেকের কথায়, ‘‘আমি গোটা ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি— ক্ষমতা থাকলে সর্বশক্তি নিয়ে ফলতায় চলে আসুন।’’ তাঁর এই মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে অভিষেক পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে নিশানা করেন। কিন্তু, তাঁর ভাষাচয়ণ অন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন,  ‘গোটা ভারতবর্ষ’ উল্লেখ করে নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন অভিষেক। তাঁদের প্রশ্ন, ফলতা কী ভারতের বাইরে? অনেকেই এক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে ওঠা উগ্র ভারত-বিরোধী উক্তির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন অভিষেকের মন্তব্যের। তাঁদের আশঙ্কা, এহেন দেশ-বিরোধী বক্তব্যের জন্যে বড় বিপাকে পড়তে হবে তৃণমূলের সেনাপতি ও তাঁর চ্যালাচামুন্ডাদের।

    নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ফলতা কেন্দ্রে “গুরুতর নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার” অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় কমিশন। ফলতায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করা হয় আইপিএস অফিসার অজয়পাল শর্মা-কে, যিনি কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ভোটে অনিয়ম রুখতে চেষ্টা করেন। তাঁর সঙ্গে টিএমসি প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের তীব্র সংঘর্ষও হয়, যা রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

  • WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোট প্রচারে ঝাড়গ্রামে এসে নিজে দোকানে গিয়ে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। নিজে পকেট থেকে বার করে দিয়েছিলেন টাকাও। বলাইবাহুল্য মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। কিন্তু মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। তবে এদিন প্রাথমিক ট্রেন্ডে গেরুয়া ঝড়ে, সেই ঝালমুড়িই বিতরণ করতে দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের।

    ঝালমুড়ির ঝাঁঝে উড়ে গেল তৃণমূল!

    ১৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী মোদি ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী সফর করেন। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সেখানে জনসভা করে ফেরার পথে রাস্তার ধারে একটি ঝালমুড়ির দোকান থেকে কিনে মুড়ি খান। সেই থেকেই ঝালমুড়ি হয়ে গেল বঙ্গ রাজনীতির এক অঙ্গ। ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে মোদিকে অবশ্য কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও পালটা বলেছিলেন, ‘‘আমি শুনেছি যে ঝালমুড়িও নাকি কাউকে কাউকে বেশ জোরদার একটা ধাক্কা দিয়েছে। ঝালমুড়ি খেলাম আমি আর ঝাল লাগল ওদের (তৃণমূল)।” সেই ঝাড়গ্রামের মাটিতে ঘাসফুলের অস্তিত্ব একেবারে শেষের মুখে। জেলার চারটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয়ের পথে বিজেপি প্রার্থীরা। সপ্তম রাউন্ড ভোট শেষে ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাহু। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেই মুহূর্ত ঝাড়গ্রামের মানুষের মনেও গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। আর আজকের প্রাথমিক ফল বলছে, ঝাড়গ্রামে আসলেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা আসনই অর্থাৎ ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, নয়াগ্রাম এবং গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে। তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে সবকটি আসনেই। অনেকেই বলছেন, সবটাই মোদি-ম্যাজিক।

    কলকাতা-দিল্লিতে বিজেপি দফতরে ঝালমুড়ি বিলি

    ভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই কলকাতা থেকে দিল্লি— ঝালমুড়ি বিলি করে আনন্দে মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মীরা। বঙ্গজয়ের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করতেই বিজেপির সদর দফতরে ঝালমুড়ি দিয়ে উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির পুরনো অফিস, মুরলিধর সেন লেন— সেখানে রীতিমত ঝালমুড়ির বিতরণ করা হচ্ছে। ঝালমুড়ির ডালা সাজিয়ে বসেছে দলীয় নেতা-কর্মীরা। একেবারে বিজেপি কার্যালয়ের ভিতরেই বসে গিয়েছে ঝালমুড়ির স্টল। হাতে হাতে উঠে যাচ্ছে সেই ঝালমুড়ির প্লেট৷ উচ্ছ্বাসে, আনন্দে সেই স্বাদ আস্বাদন করছেন বিজেপি কর্মীরা৷ আবার, সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপির বর্তমান দফতরে সল্টলেকে মাছ-ভাত রান্না হচ্ছে। জয় উদযাপন করতে বিশেষ পদ রান্না। বিজেপি এলে মাছ-মাংস বন্ধ হয়ে যাবে বলে যে প্রচার করেছিল তৃণমূল, তার জবাব দিতেই এমন পদক্ষেপ। রান্না হচ্ছে কাতলা মাছ, দই কাতলা। মেনুতে রয়েছে, মিক্সড ভেজ, বেবি কর্ন, মুসুর ডাল, আমের চাটনি। একইভাবে, সকাল থেকেই উচ্ছ্বাসের ছবি দেখা গেল দিল্লিতে পন্ডিত দিন দয়াল উপাধ্যায় মার্গের বিজেপির সদর দফতরে। বাংলা জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করলে সেখানেও তৈরি হতে শুরু করেছে ঝালমুড়িও৷ ইতিমধ্যেই সদর দফতরে ভোজের প্রস্তুতি জোরদার। ৪০০-৫০০ জনের খাবারের আয়োজনে রয়েছে বাঙালির মিষ্টি দই, রসগোল্লা। সঙ্গে ঝালমুড়ির স্টল৷ ব্যান্ড পার্টি আনা হয়েছে অফিসের সামনে। কোথাও মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছে, কোথাও ঝালমুড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। মোদির কাটআউট হাতে আবীর মাখছেন বিজেপি কর্মীরা।

  • Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিজেপিই সরকার গড়ছে’’, গণনার (West Bengal Elections 2026) শুরুর দিকেই আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “ভাষার নামে আর জাতের নামে ভাগ হয়নি হিন্দু ভোট। ডায়মণ্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে,  সিদ্দিকুল্লা হারছেন, এটা খুব ভালো সংকেত। মোদিজির জয়, পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জয়। জনগণের স্পষ্ট মতামত, বিজেপি সরকার গড়ছে।” প্রাথমিক প্রবণতার পরই মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারী এবং সেই সঙ্গে দিলেন কর্মীদের সংযত থাকার বার্তা।

    শান্তি বজায় রাখার আবেদন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই রাজ্যের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, “জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং শান্তি বিঘ্নিত হওয়া কোনওভাবেই কাম্য নয়।” দলীয় কর্মীদের উস্কানিমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, “ভোট গণনা একটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি এবং একে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হতে দেওয়া সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

    ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ফলাফল পরবর্তী সময়ে রাজ্যে যে কোনও প্রকার হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে শুভেন্দু কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক লড়াই কেবল আদর্শের হওয়া উচিত, ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়। বাংলার মানুষ শান্তি চায়। গণনার দিন এবং পরবর্তী সময়ে শান্তি বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

    ১৯৩ আসনে এগিয়ে বিজেপি

    এই মুহূর্তে বিজেপির এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ১৯৩। অন্যদিকে, রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ৯৩। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। অন্যদিকে তৃণমূল পেয়েছিল ২১৪টি আসন। এবারে সরকার গঠন নিয়ে বিজেপি অত্যন্ত প্রত্যয়ী।

  • Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে (Three-tier security zone) চলছে রাজ্যের ভোটগণনা (west Bengal Counting)। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে আসতে শুরু করেছে। সবুজ বাংলায় গেরুয়া ঝড় উঠেছে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা। ২৩ টি জেলার ২৯৩টি বিধানসভার (Assembly Election 2026) আসনে আজ ফল ঘোষণা। একটি বকি থাকবে। সেটি হল ফলতা বিধানসভা। যেখানে ২১ মে পুনর্নির্বাচন (Re Poll) , ফল ঘোষণা ২৪ মে। ভোটগণনা (Vote Counting) শুরুর পরে নিজের দফতরে এসেই রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলিকে বড় বার্তা দিলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)। যে দলই জিতুক না কেন, কেন আজ কোনও বিজয় মিছিল নয় বলে আগেই জানিয়েছিলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত (Special Observer Subrata Gupta)। এদিন তাতেই শিলমোহর দিলেন মনোজ।

    শান্তি বজায় রাখতে সক্রিয় কমিশন

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এদিন সকালেই স্পষ্ট করে দেন আজ কোনও রাজনৈতিক দলই বিজয় মিছিল করতে পারবে না। পাশাপাশি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়েও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। রাজ্যের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করতে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। সেইমতো দুই দফায় মিটেছে ভোটগ্রহণ পর্ব। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। রেজাল্টের দিনও যাতে অশান্তি এড়ানো যায়, তার জন্য আগেভাগেই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে সিইও জানিয়েছেন, “প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় থাকবে। প্রোটোকল অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে থাকবেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সিইও স্পষ্ট বলেছেন, যদি দ্বিতীয় স্তরে কোনও অনিয়ম বা ত্রুটি ধরা পড়ে, তার দায় নিতে হবে প্রথম স্তরের কর্মীদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের জন্যও।”

    কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা

    কলকাতায় কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা। সামনে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের কড়া নজরদারি। পোস্টাল ব্যালট পেপার শেষে চলছে ইভিএমের ভোটগণনা। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ভোটগণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটার পরিধিতে বিএনএস ১৬৩ জারি করা হয়েছে। যান চলাচলে বেশ একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এলাকায় টহল দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ভোটগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের পরিচয়পত্রে এবার কিউআর কোড ব্যবহার করা হয়েছে। কোন‌ও ভোটকর্মী কিউআর কোড স্ক্যান না-করে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি গণনাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময়ও সময়ও কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।

  • Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক

    Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক


    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রাক্কালে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) দলের জয় নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, আসন্ন গণনায় ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে এখন বিজেপি এগিয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস টানা ১৫ বছরের শাসন ধরে রাখার পর এবার ধরাশায়ীর পথে। দলের কর্মীদের জয়ের উচ্ছ্বাসকে ধরে রাখতে কর্মীদের সংযত রাখার বার্তা দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি।

    রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত যাতে না হয় (Samik Bhattacharya)

    জয়ের আগাম আভাস পেয়েই দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি শমীক ভট্টাচার্য বিশেষ বার্তা—ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে যেন কোনওভাবেই রাজ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। তিনি কর্মীদের শান্ত ও সংযত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) কথায়, “জয়ের আনন্দে আত্মহারা হয়ে এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় বা রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত হয়।” ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শমীক বলেন, “২৭ দিনে আমাদের ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ২৭ জন মহিলা ক‍্যামেরার সামনে এসে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।”

    যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন

    দলের রাজ্য সভাপতি শমীক (Samik Bhattacharya)  বলেন, “এর আগের নির্বাচনগুলির পরে বিজেপি কর্মীরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এ বার যেন বিজেপি কর্মীরা তার পাল্টা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা না করেন। আমরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছি, আমাদের কর্মীদের পরিবারগুলি যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, আমরা চাই না অন্যদের এখন সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক। স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটা ভিন্ন নির্বাচনের স্বাদ পেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে এই জয় সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়, সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতার জয়। প্রথম দিন থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে প্রথম বার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে।”

    শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপন

    পশ্চিমবঙ্গের ভোট-সংস্কৃতির পরিবর্তন চান। অতীতে যেমন ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল, তার পুনরাবৃত্তি চাইছেন না তিনি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে বা রাজ্যের কোথাও যাতে কোনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক দৃষ্টি রাখার কথা বলেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা করে শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপনের জন্য তিনি কর্মীদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপি কর্মীরা যাতে কোনও ভাবেই হিংসা বা অশান্তিতে জড়িয়ে না-পড়েন, যাতে তাঁরা কোনও ভাবেই হিংসার আশ্রয় না-নেন, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করেছেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

  • VVPAT Slips: নোয়াপাড়ায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে ভিভিপ্যাটের স্লিপ! ‘মক পোলের’ বলল কমিশন

    VVPAT Slips: নোয়াপাড়ায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে ভিভিপ্যাটের স্লিপ! ‘মক পোলের’ বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনার আগে উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও, নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক তদন্তে স্পষ্ট করেছে যে উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি আসল ভোটের নয়, বরং মক পোলিংয়ের সময় ব্যবহৃত। রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা থেকে রাস্তার ধারে একাধিক ভিভিপ্যাট স্লিপ (VVPAT Slip) পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা প্রথমে বিষয়টি নজরে এনে পুলিশে খবর দেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ স্লিপগুলি উদ্ধার করে এবং প্রশাসন তদন্ত শুরু করে।

    ‘মক পোলের স্লিপ’ বলল কমিশন

    ঘটনাটি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হলেও, নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এগুলি ভোটগ্রহণের আগে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন পরীক্ষার অংশ হিসেবে হওয়া মক পোলের স্লিপ। কমিশনের তরফে দাবি, এই স্লিপগুলির সঙ্গে আসল ভোটগ্রহণ বা গণনা প্রক্রিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট শুরুর আগে প্রতিটি বুথে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মক পোল করা হয়, যাতে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিন সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা যায়। ওই সময় যে স্লিপগুলি বেরোয়, সেগুলিই মক পোল স্লিপ হিসেবে চিহ্নিত। কমিশনের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলিও সেই পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়ার অংশ।

    কীভাবে পৌঁছল রাস্তার ধারে, শুরু হয়েছে তদন্ত

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, মক পোলের স্লিপও নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে সংরক্ষণ করার কথা। ফলে কীভাবে সেগুলি রাস্তার ধারে এসে পড়ল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি প্রশাসনিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

    বিভ্রান্তি তৈরি না করার আবেদন কমিশনের

    কমিশনের দাবি, ভোটগ্রহণ, ইভিএম, পোস্টাল ব্যালট এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে। ফলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের স্বচ্ছতা বা গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি না করার আবেদনও জানিয়েছে কমিশন।যদিও বিরোধীরা কমিশনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছে, তবু নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট—উদ্ধার হওয়া ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি মক পোলের এবং মূল ভোটের সঙ্গে তার কোনও যোগ নেই।

  • BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি (BJP)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, রাজ্যের মুখ এবং পর্দার আড়ালে থাকা কলা-কুশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পদ্ম শিবিরের প্রচার অভিযান শান দিয়েছে গ্রাউন্ড লেভেলেও। তার জেরেই বিজেপির জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়াটা হয়েছে (Key Leaders) অনায়াস।

    প্রধানমন্ত্রীর হাইভোল্টেজ সভা (BJP)

    স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এসআইআরের (SIR) আওতায় রেকর্ড সংখ্যক ভোটার বাদ যাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ১৫ বছরের শাসনের পর পরাজয়ের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাইভোল্টেজ সভা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সূক্ষ্ম সংগঠনমূলক পরিকল্পনার পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে জাতীয় বার্তা ও স্থানীয় সংগঠন একসঙ্গে কাজ করেছে। ঝালমুড়ির মতো বাংলার সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার, চাকরির নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি এবং মা কালীর মন্দিরে প্রার্থনা—এই সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন এক প্রচার গড়ে তুলেছিলেন যা স্থানীয় সংযোগ ও জাতীয় বার্তার মিশ্রণ। বড় বড় জনসভায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি আবেগের স্তরেও ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—কর্মসংস্থান, কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং “ডাবল ইঞ্জিন সরকার”-এর সুবিধার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সাংস্কৃতিক প্রতীক, ধর্মীয় সংযোগ এবং অর্থনৈতিক আশ্বাস—সব মিলিয়ে তাঁর প্রচার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।

    যোগ্য সঙ্গত অমিত শাহের

    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির প্রচারের মুখ। এর সঙ্গে সমানতালে সঙ্গত করেছে অমিত শাহের ‘চাণক্যসুলভ’ কৌশল। যার জেরেই দুরমুশ হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের একের পর  শক্ত ঘাঁটিও। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সবচেয়ে সক্রিয় প্রচারক ছিলেন শাহ। তিনি এ রাজ্যে ৬৬টি সভা ও রোডশো করে ৬৩টি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন (Key Leaders)। শাহের ‘মিশন বেঙ্গলে’র মূল লক্ষ্যই ছিল বুথ স্তরে সংগঠন শক্তিশালী করা। তিনি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলেন। “কাটমানি” সংস্কৃতি, দুর্নীতি, মহিলাদের নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি মহিলাদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা সহায়তা, সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জমির অধিকার—এসব প্রতিশ্রুতিও দেন। সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো বিষয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

    পদ্ম শিবিরের কান্ডারিরা

    এ রাজ্যে নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। প্রার্থী নির্বাচন, জোট ব্যবস্থা এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি (BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রার্থী নির্বাচন, কর্মী সংগঠন এবং বুথ প্রস্তুতি তদারকি করেন এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী ও শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন। এই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর অবদানও কম নয়। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হিসেবেই উঠে আসেন তিনি। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীর রাজনীতির জ্ঞান প্রখর (Key Leaders)। পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর শক্তিশালী সংগঠনও রয়েছে। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকায় বিজেপির প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করেন তিনি। নিজেকে বিজেপির প্রধান বাঙালি মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে শুভেন্দু নির্বাচনে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পড়েন ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতার নির্বাচনী কেন্দ্র এই ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও বিজেপির বাজি ছিলেন শুভেন্দুই। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হিংসার বিষয় তুলে ধরে তাঁর আক্রমণাত্মক প্রচার বিজেপির কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের মাঝেও শুভেন্দু ছড়িয়ে দেন দলীয় বার্তা। চাঙা করে তোলেন হতাশ বিজেপি কর্মীদের। শুভেন্দুকে পেয়ে নিষ্ক্রিয় বিজেপি কর্মীরাও ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি শুধু প্রচারকই নন, বরং একজন কেন্দ্রীয় কৌশলবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন (BJP)। জাতীয় নেতৃত্ব ও বাংলার রাজনীতির মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটিও করেছিলেন তিনিই (Key Leaders)।

     

LinkedIn
Share