Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

  • Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে নতুন করে ভোট (Repolling) গ্রহণ চলছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে পুনর্নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026 Repolling)। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। মগরাহাট পশ্চিম (Magrahat Paschim) কেন্দ্রের ১১টি বুথে এবং ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। ফলতার ক্ষেত্রে কোনও সিদ্ধান্তের কথা এখনও জানায়নি নির্বাচন কমিশন।

    কোথায় কোথায় চলছে পুনর্নির্বাচন

    মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের ১১টি বুথ যেমন উত্তর ইয়ারপুর এফপি স্কুল, নাজরা এফপি স্কুলের দু’টি বুথ এবং একতারা মালয়া এফপি স্কুলের দু’টি বুথের মতো একাধিক বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। অন্যদিকে হাই-প্রোফাইল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন। বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল এবং রায়নগর এফপি স্কুলের মতো বুথগুলিতে ফের লাইন দিয়েছেন ভোটাররা। শনিবার সকাল থেকেই সারিবদ্ধভাবে ভোট দিতে সামিল হতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের। ১৫টি বুথে একই চিত্র দেখা গিয়েছে। নির্বিঘ্নেই চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। পুনর্নির্বাচনেও তৎপর কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ। বুথের সামনে কোনও জমায়েত করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় জওয়ানরা টহল দিচ্ছেন।

    কেন এই পুনর্নির্বাচন

    কমিশন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার এবং পর্যবেক্ষকদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৯ এপ্রিল ভোটের দিন এই সব বুথ থেকে গোলমালের খবর এসেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু বুথে ২৯ এপ্রিলের ভোট বাতিল করা হয়েছে। যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তবেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন। এখনও ফলতা বিধানসভার কোন‌ও বুথে রিপোলের অর্ডার দেওয়া হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে খবর, ফলতার একাধিক বুথে গোলযোগের বিষয় নিয়ে স্ক্রুটিনির রিপোর্ট জমা পড়লে সেক্ষেত্রে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলতা বিধানসভার প্রায় ৩০টার বেশি বুথের সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো, কোথাও বুথের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। আবার কোন‌ও বুথে ১০০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে। এই বিষয়গুলিই একাধিকবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারপর সেই রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দেবেন ফলতা বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

  • Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Election 2026) দিন ফলতায় ইভিএমে টেপ লাগানো শুধু নয় একাধিক বুথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ক্যামেরাও। রিপোল স্ক্রুটিনিতে উঠে আসছে এমনই কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, একাধিক বুথে ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলেও ওয়েব কাস্টিংয়ের কন্ট্রোল রুমে আসেনি। কারণ, হিসাবে উঠে আসছে নেটওয়ার্ক সমস্যার কথা। তবে, সূত্রের খবর, নেটওয়ার্কের কারণে কন্ট্রোল রুমে ক্যামেরা বন্ধ সংক্রান্ত কোনও তথ্য আসেনি। ফলতার পাশাপাশি নজরে ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট পশ্চিমও। মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথে পুনর্নিবাচনের প্রস্তাব উঠেছে।

    ফলতায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত

    ফলতায় রয়েছে মোট ২৩৮টি বুথ। সূত্রের খবর, বেশ কিছু বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে। অনেক জায়গা থেকেই একাধিক অভিযোগ এসেছিল। সন্ধ্যায় তো গোটা ফলতা বিধানসভাতেই পুনর্নিবাচনের দাবি ওঠে। অভিযোগ এতটাই গুরুতর ছিল যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ফোন পেয়ে পরের দিন সরাসরি সেখানে চলেও যান বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কমিশনের কর্তা প্রিসাইডিং অফিসারের খাতাও দেখেন। সেখানে দেখা যায় দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি রিপোর্ট পাঠান। সেখানে বলা হয়েছিল ইভিএম থেকে টেপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বেলা ১টা পর্যন্ত আবার সেখানে প্রায় ৫৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে যায়। অর্থাৎ সেই সময় যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা একটি দল ছাড়া আর কোনও অপশন পাননি বলেই মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই পুনর্নিবাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে। ফলতায় বুথের সংখ্যা প্রায় ৩০টি বলে জানা যাচ্ছে।সবকটিতেই পুনর্নির্বাচন হতে পারে। কারণ, শুরুতেই কমিশন বলেছিল ক্যামেরা যদি কোনওভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, কালো কাপড় দিয়ে দেওয়া হলেই রিপোল হবে।

    সবদিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত

    ডামন্ড হারবারের অবজার্ভার ও রিটার্নিং অফিসার চারটি রিপোলের প্রস্তাব দিয়েছেন। এবার রিপোর্ট দেখে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই এগুলি ছাড়াও একাধিক বুথে পুনর্নিবাচনের সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমস্ত ফুটেজ পর্যবেক্ষণ শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে আগামীকাল সকালেই নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছে যে একাধিক বুথে ইভিএম ব্যবস্থাপনায় গুরুতর ত্রুটি ও সম্ভাব্য কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সাধারণ ভোটারদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। (EVM Tampering) অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রযুক্তিগত প্রমাণ যেমন ওয়েবকাস্টিং ফুটেজ, ইভিএম লগ, এবং পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

  • Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট (Assembly Election 2026) শেষ। এবার পালা গণনার। জনমত এই মুহূর্তে ইভিএমে সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা বাড়ছে স্ট্রং রুমের। স্ট্রং রুমের সামনে এ বার ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা। নজরদারিতে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার মনোনীত একজন আধিকারিক। এতদিন থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, স্ট্রং রুমে যে ঢুকবেন তাঁকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তবেই ঢুকতে হবে। স্ট্রং রুমের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে ঘেরাটোপ রয়েছে, সেখানে বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। পাশাপাশি স্ট্রং রুমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ১৬৩ ধারাও জারি করা হচ্ছে। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার জন্য এই তিন পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

    নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী

    ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও, কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিকভাবে মোতায়েন করা ২০০ কোম্পানির মধ্যে ছিল ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি। প্রতিটি স্ট্রংরুমে ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান পাহারায় রয়েছেন। রাজ্যের মোট ২০২টি স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে এবং সেগুলির নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে মোট ৬০৭ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই ১৬৩ ধারা জারি

    কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। ৩০ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত জারি থাকবে ১৬৩ ধারা। স্ট্রং রুমের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘণ্টা শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রং রুমে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। মমতা জানান, রাজ্য পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সেটা তাদের দোষ। পুলিশ এখন আর তাঁর হাতে নেই। তার পরেই তিনি অভিযোগ করেন, ‘পোস্টাল ব্যালট এ দিক-ও দিক করা হচ্ছে।’

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বসেছে গার্ডরেল

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলে তৃণমূলের দুই প্রার্থী ও এজেন্টরা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেন। তৃণমূলের জমায়েতের খবর পেয়ে রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে পৌঁছে যান দুই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠকও। শুক্রবারই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র ঘিরে বসেছে গার্ডরেল। অপ্রয়োজনীয় কোনও ব্যক্তি যাতে ঢুকতে না পারে, কড়া হাতে নিশ্চিত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল থেকেই কেন্দ্রের বাইরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী।

    কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কমিশন?

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। বিধানসভা অভিযান বা নবান্ন অভিযানে যে ব্যারিকেড ব্যবহার করা হয় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। তালা এবং শিকল দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বাইরে প্রচুর কলকাতা পুলিশের আধিকারিক ও বাহিনী এবং ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ছেয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি গেট বানানো হয়েছে। এই গেট দিয়ে শুধুমাত্র নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়ে এজেন্ট ও প্রার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। তারপর আবার একজন অফিসার কথা বলে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একমাত্র সার্টিফায়েড রাজনৈতিক নেতাদের প্রবেশের অনুমতি আছে। আর কাউকেই ধরে কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিচয় পত্র ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে আর লিখে রাখা হচ্ছে। স্কুলের ২০০ মিটারের মধ‍্যে স্থানীয়দের গাড়ি ছাড়া অন‍্যদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। ২০০ মিটারের মধ‍্যে ঢুকতে হলে দেখাতে হচ্ছে পরিচয় পত্র।

    কমানো হল গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা

    গতকালের তৃণমূলের তৈরি করা গণ্ডগোলের থেকে শিক্ষা নিয়ে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমিয়ে ফেলছে নির্বাচন কমিশন। আগে ৮৭টি জায়গায় গণনা হওয়ার কথা থাকলেও, নতুন তালিকায় তা কমিয়ে ৭৭টি করা হয়েছে। তুলনামূলকভাবে ২০১৬ সালের নির্বাচনে ছিল ৯০টি এবং ২০২১ সালে ছিল ১০৮টি গণনাকেন্দ্র। কমিশন ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক গণনাকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সূত্রের খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫টি ছোট গণনাকেন্দ্রকে একটি বড় কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রেই ১০টি বিধানসভা আসনের গণনা চলবে। পুরো এলাকাতেই সর্বক্ষণ চলবে সিসিটিভি-র নজরদারি। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্র ও ইভিএম রাখা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন।

    তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন

    শুক্রবার সকালে পুরুলিয়া জেলার দু’টি গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট নিয়ম মেনে এক্সচেঞ্জ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ম মেনে মেসেজ করা হয়েছে। তারপর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

  • CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধাক্কা মেরে অতীশিপর বৃদ্ধকে মেরে ফেলেছে সিআরপিএফ (CRPF)! এমন একটি গুরুতর অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees)। একই ভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। এবার নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের পাল্টা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে মৃত্যুর আসল কারণ প্রকাশ্যে এনে তৃণমূল নেতাকে পাল্টা জবাব দিয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ভোট আবহে অস্থিরতা এবং গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল। ঘটনার প্রকৃত সত্যতা প্রকাশ্যে আসতেই প্রকট হয়ে গেল তৃণমূলের মানুষ ক্ষেপানোর ষড়যন্ত্র। ফের মুখ পুড়ল শাসকদলের।

    বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ (CRPF)

    নির্বাচনের দিন হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের একটি বুথে এক বৃদ্ধ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees) অভিযোগ করেন যে, লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ ধাক্কা দিয়েছে তাই পরে যান বৃদ্ধ, এরপর পরিস্থিতির চাপে ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। আর এই ঘটনার জন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাই দায়ী করেছেন অভিষেক। তবে ঘটানা যে তা ঘটেনি, তা বলেই এরপর ওই বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ করে কমিশন। একই ভাবে এই তৃণমূল নেতার সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট দেখে বেশকিছু সংবাদ মাধ্যম সংবাদ পরিবেশনও করেছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই

    চিকিৎসকের রিপোর্ট ও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে শারীরিক অসুস্থতা বা হৃদরোগের কারণে। এর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করে এবং প্রাথমিক তদন্তের পর একটি ভিডিও তথ্য প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়। ভিডিওতে কথাও দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) বুথের ভিতরে রয়েছেন। কমিশনের বক্তব্য-

    অসন্তোষজনক অভিযোগ

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjees) দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে যে, ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য বুথগুলিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা (CRPF) ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়কে ব্যবহার করা অনুচিত। বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টার প্রবণতা তৈরি হয়েছে তাও কমিশন অঙ্গিত দেয়।

    মনোবল ভাঙার চেষ্টা

    হাওড়ায় ভোটারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। কমিশনের মতে, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক স্বাভাবিক মৃত্যু, যার পেছনে কোনও প্রশাসনিক ত্রুটি ছিল না। তৃণমূল নেতৃত্বের (Abhishek Banerjees) দাবি, কমিশন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করেই এই রিপোর্ট দিয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের তরফে বলা হয়েছে, ভুয়ো দাবি করে লোক ক্ষেপানোর কাজ করছেন মমতা-অভিষেক। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই শাসকদল সাধারণ মানুষের মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি করছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CRPF) মনোবল ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। কমিশন এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে চূড়ান্ত ময়না তদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে। তবে আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগই ধোপে টেকেনি। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের গালে সপাটে চড় পড়েছে।

  • West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে  রাজ্যবাসী। গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল— দুই দফায় সম্পন্ন হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ (West Bengal election 2026)। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সেই রায় এখন ইভিএম-বন্দি হয়ে স্ট্রংরুমে অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী সোমবার, ৪ মে সকাল ৮টা থেকে শুরু হতে চলেছে সেই বহুপ্রতীক্ষিত ভোট গণনা। কার হাতে উঠবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনের  চাবিকাঠি, তার প্রাথমিক ইঙ্গিত সোমবার দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) ইতিমধ্যে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি (West Bengal election 2026)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে অভূতপূর্ব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় নির্ধারিত গণনা কেন্দ্রের চারপাশে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। স্ট্রংরুম (West Bengal election 2026) থেকে শুরু করে গণনা কক্ষ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকবে। ভোটারদের ভোট প্রথমে ইভিএমে, তারপর ভিভিপ্যাটে জমা হয়। ইভিএমের দু’টি অংশ। এক, ব্যালট ইউনিট। দুই, কন্ট্রোল ইউনিট। সব বুথেই ইভিএম মেশিনের পাশে ছিল একটি ভিভিপ্যাট মেশিন। ভোটারেরা ইভিএমে বোতাম টিপে নিজের মত জানান। তবে তিনি যেখানে ভোট দিলেন, সেই প্রার্থীর নামেই ভোটটি সংরক্ষিত হল কি না, তা ভোটারেরা দেখতে পান ভিভিপ্যাট মেশিনে।

    স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা

    ভোটগ্রহণের (West Bengal election 2026) পর ইভিএমগুলি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘সিল’ করে নির্দিষ্ট স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। গণনার দিন সকালে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেই সিল খোলা হবে। কমিশন সব পক্ষকে সমানে রেখেই গণনার কাজ করবে বলে জানিয়েছে। যেহেতু এই ইভিএমে আগামী সরকার গড়ার ভোট বন্দি রয়েছে তাই তাকে সবদিক থেকে সুরক্ষিত রাখাই কমিশনের একমাত্র কাজ। ৪ ঘণ্টাই স্ট্রংরুমগুলির পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগে স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই সংখ্যা আর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।

    গণনা কক্ষের বিন্যাস

    প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের (West Bengal election 2026) জন্য আলাদা আলাদা গণনা কক্ষ বা হলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি কোনও কক্ষ আকারে বড় হয়, তবে নিয়ম মেনে সেটিকে সুনির্দিষ্ট অংশে বিভক্ত করা হয়েছে। এককক্ষ থেকে অন্য কক্ষে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া বিধিনিষেধ। গণনায় প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার মেলবন্ধন করবে কমিশন। এবারের নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে থাকবে একটিই প্রবেশপথ। ঘরের দরজায় রয়েছে ‘ডবল লক সিস্টেম’। কে, কখন স্ট্রং রুমে ঢুকছেন, কখন বার হচ্ছেন, সবটাই লিখে রাখতে হচ্ছে লগবুকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সেই কাজ করছেন সবসময়। স্ট্রংরুমের পাশাপাশি ভোট গোনার জন্য আলাদা ভাবে গণনাকক্ষ তৈরি করা হেয়ছে। সেটিও নিরাপত্তার বলয়ে সুরক্ষিত থাকবে। প্রতিটি কক্ষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বাহির পথ থাকবে, সেটাই নিয়ম।

    কিউআর কোড যুক্ত পরিচয়পত্র

    গণনাকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশ রুখতে এবার কমিশন নতুন প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। ভোট গণনা কর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক এজেন্ট (West Bengal election 2026)— প্রত্যেকের পরিচয়পত্রে একটি সুনির্দিষ্ট কিউআর (QR) কোড থাকবে। তিন স্তরের যাচাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে এই কোড স্ক্যান করার পরেই তবেই গণনাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। গণনা কক্ষে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কাউন্টিং স্টাফ, টেকনিক্যাল স্টাফ, কাউন্টিং সুপারভাইজ়ার, কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ও অবজ়ার্ভার, দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট।

    ভিডিও নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচন কমিশনের সাফ নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রের (West Bengal election 2026) ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ইভিএম বা ব্যালট পেপারের ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গোটা প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি ভিডিওগ্রাফি করা হবে।

    ভোট গণনার পর্যায়ক্রম

    সোমবার সকাল ৮টায় যখন গণনা শুরু হবে, তখন প্রথমেই গুরুত্ব পাবে পোস্টাল ব্যালট। সাধারণত প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের ঝোঁক বোঝা সম্ভব হয়। এরপর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট নাগাদ শুরু হবে ইভিএম (EVM) মেশিনে জমা পড়া ভোটের গণনা। প্রতিটি রাউন্ডের শেষে রিটার্নিং অফিসার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল (West Bengal election 2026) ঘোষণা করবেন, যা সরাসরি কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হবে।

    গণনার হিসাব রাখার জন্য মূলত দু’টি ফর্ম দেওয়া হয়। ফর্ম ১৭সি এবং ফর্ম ২০। ফর্ম ১৭সি-র প্রথম অংশ পূরণ করেন প্রিসাইডিং অফিসার। সেই অংশে থাকে— মোট কত জন ভোট দিয়েছেন, কত ভোট ইভিএমে রেকর্ড হয়েছে— গণনার সময় এটি ব্যবহার হয়। দ্বিতীয় অংশ পূরণ করেন গণনা পর্যবেক্ষক। এই অংশে থাকে নোটায় কত ভোট পড়েছে, প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় অংশের ফলাফল প্রথম অংশের মোট ভোটের সঙ্গে মিলতেই হবে

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমানস

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের এই লড়াইয়ে এবার মূলত দ্বিমুখী বা ত্রিমুখী সংঘর্ষের চিত্র ফুটে উঠেছে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চতুর্থবারের জন্য জনসমর্থন চাইছে, অন্যদিকে বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোট পরিবর্তনের ডাক দিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলগুলি ইতিমধ্যেই নানা ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে, তবে বাংলার সাধারণ মানুষের প্রকৃত রায় জানার জন্য সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

    ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা

    ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal election 2026) শুধু একটি সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের এক অগ্নিপরীক্ষা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যেন ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়। আগামী ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ললাট লিখন স্পষ্ট হবে। জনগণের রায় যে পক্ষেই যাক না কেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ গণনা প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই গণতন্ত্রের জয়গান ঘোষিত হবে— এটাই কাম্য।

  • West Bengal election 2026: ভোট মিটতেই উত্তপ্ত যাদবপুর! বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    West Bengal election 2026: ভোট মিটতেই উত্তপ্ত যাদবপুর! বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন-পরবর্তী (West Bengal election 2026) বা নির্বাচনকালীন উত্তেজনার আবহে ফের অশান্তির খবর সামনে এল। এক বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী অতর্কিতে হামলা চালায়। একইসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি কার্যালয়েও ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা ঘটেছে যাদবপুর বিধানসভার অন্তর্গত ১৫৩ নম্বর বুথ এলাকায়। বিজেপি এজেন্টের (Bengal BJP) অফিস ও বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    আক্রান্তের পরিচয় (West Bengal election 2026)

    অভিযোগকারী ব্যক্তি এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী এবং বুথ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বসতবাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির সদস্যদের ভয় দেখানো এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ৫৩ নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্ট ছিলেন শান্তনু সরকার। গড়িয়ার পঞ্চসায়রে এই হল তাঁর নির্মাণ সংস্থার অফিস। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাচ। শান্তনু সরকার বলেন, “আমার জন্য ওয়েট করছিল, বেরোলে মারবে। মিসেস-এর গাড়ির উপর ফার্স্ট বুথের ওখানে অ্যাটাক হয়।  রাতে খবর পাই আমার অফিসে অ্যাটাক হয়েছে। আমাদের এখানে কাউন্সিলর যিনি আছেন, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, উনিও উপস্থিত ছিলেন।”

    বিজেপির তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে হামলাকারীরা নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে রাখাতে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয় শান্তনু সরকারের স্ত্রীকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির (Bengal BJP) পোলিং এজেন্ট ও তাঁর স্ত্রী।

    কার্যালয়ে ভাঙচুর

    ভোটের (West Bengal election 2026) পরেই একসঙ্গে শতাধিক তৃণমূল দুষ্কৃতী আক্রমণ করে। বাড়ির পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি দলীয় কার্যালয়েও হামলা চালানো হয়। কার্যালয়ের ভেতরে থাকা নথিপত্র নষ্ট করা এবং আসবাবপত্র তছনছ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় নেতৃত্বের।

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে রয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর। তাদের দাবি, এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ বা শাসকদল এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ব্যক্তিগত বিবাদ বা সাজানো ঘটনা বলে অভিহিত করেছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা (West Bengal election 2026) জোরদার করা হয়েছে। তবে ঘটনার দায় অস্বীকার করে তৃণমূলনেত্রী বলেন কোনও কর্মী এই ঘটনায় জড়িত নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ পেয়েই বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছে। বিজেপির (Bengal BJP) দাবি নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা বিষয়টি জানাবেন।

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

  • Assembly Election 2026: পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা! তাই কি অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?

    Assembly Election 2026: পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা! তাই কি অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটপর্ব মেটার পরে এবার স্ট্রংরুম নিয়ে বিতর্ক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তৃণমূলের ধর্না-বিক্ষোভ এবং বিজেপির পাল্টা জমায়েত নিয়ে সরগরম রইল উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্র। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। তার পরে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল। স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির পাশাপাশি নিয়ম না মেনে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজের অভিযোগ তোলা হয় তৃণমূলের তরফে। ভোট গণনা-কেন্দ্রের নিরাপত্তা (Assembly Election 2026) নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের করিডরে বসে যে পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছিল, সেই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ই-মেল করে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের অভিযোগ নিয়ে এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাদের তরফে আরও জানানো হয়, স্ট্রংরুমে বিদ্যুৎ সংযোগ রাখা যায় না। আইন মেনে তাই টর্চ নিয়ে কাজ চলছিল। এখনও সেই কাজ চলছে। এই ঘটনা দেখে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি পালাবদলের দেওয়াল-লিখন পড়ে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

    নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা

     নির্বাচন কমিশনের পাল্টা দাবি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের করিডরে বসে যে পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছিল, সেই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ই-মেল করে জানানো হয়েছিল। মনোজের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন উত্তর কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) স্মিতা পাণ্ডে। তিনি বলেন, ‘‘অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারেরা করিডরের মধ্যে বসেই পৃথকীকরণের কাজ করছিলেন। টর্চ লাইট নিয়ে এখনও সেই কাজ চলছে। (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় সব রাজনৈতিক দলকে ইমেইল করে জানানো হয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে ওই কাজ শুরু হবে। রিটার্নিং অফিসারদের আমরা বলেছিলাম প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টকে এই বিষয়টি জানাতে। তাই জানানো হয়নি এই অভিযোগ মিথ্যা।’’ সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাবে গেলেন, সেই নিয়ে বিধিগত প্রশ্নও তুলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল।

    বিধিবদ্ধ ভাবেই পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণ করা হচ্ছে

    মনোজের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন উত্তর কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) স্মিতা পাণ্ডে। তিনি জানান, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রয়েছে। বুধবার ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোটগ্রহণের পরে ইভিএমগুলি স্ট্রংরুমে সিল করা রয়েছে। স্ট্রংরুমগুলি সিল করা এবং বন্ধ রয়েছে। ভিতরে সিসি ক্যামেরা বসানো রয়েছে, তার ফুটেজ বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, বিধিবদ্ধ ভাবেই পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। বিধি অনুযায়ী ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন। দ্বিতীয় দফার ভোটে সরকারি কর্মচারীরা ট্রেনিং সেন্টারে ভোট দিয়েছেন। সেই পোস্টাল ব্যালটগুলি জমা করে রেখে দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের তরফে স্মিতা আরও জানান, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি ইভিএমের স্ট্রংরুম রয়েছে এবং একটি পোস্টাল ব্যালটের স্ট্রংরুম রয়েছে। বৃহস্পতিবার সারা রাজ্য জুড়েই বিধানসভা অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালট পৃথকীকরণের কাজ চলছে। অন্য বিধানসভার পোস্টাল ব্যালট তাঁদের দেওয়া হবে এবং তাঁদের সাতটি বিধানসভার পোস্টাল ব্যালট তাঁরা নিয়ে নেবেন।

    দক্ষিণে যেতে পারেন, উত্তরে কেন যাবেন?

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার রাতে পৌঁছে যান সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে। সেখানে যান কলকাতা বন্দর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমও। স্ট্রংরুম পর্যবেক্ষণের পরে মমতা তৃণমূল প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার বার্তা দেন। সেই নিয়ে মনোজ বলেন, ‘‘নিয়ম অনুযায়ী ওই স্ট্রংরুমে যে সাতটি আসনের ইভিএম রয়েছে, শুধু সেখানকার প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টরাই যেতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী। তিনি উত্তর কলকাতার ওই সাতটি আসনের কোনওটিতেই প্রার্থী নন। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে যেখানে স্ট্রংরুম, সেখানে তিনি যেতে পারেন।’’ সিইও আরও বলেন, ‘‘এখানে গন্ডগোলের কোনও সুযোগ নেই। আগামিকাল থেকে গণনাকেন্দ্রগুলিতে যাচ্ছি। সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জন্য একটি প্রোটোকল তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের সার্টিফিকেট দিতে হবে যে, কমিশনের আইন ও নিয়ম মেনে গণনা কেন্দ্রগুলিতে বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে গণনাকেন্দ্রে ১৬৩ ধারা জারি করা হবে। স্ট্রংরুমে যথেষ্ট নিরাপত্তা রয়েছে। যা হচ্ছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

    দেওয়াল লিখনটা পড়ে ফেলেছেন মমতা!

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল এবং শ্যামপুকুরের শশী। তারই মধ্যে মমতা পৌঁছে যান সাখাওয়াতের স্ট্রংরুমে। গিয়েছিলেন ববিও! স্ট্রংরুম পর্যবেক্ষণের পরে মমতা তৃণমূল প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার বার্তা দেন। এর পরে ভিতরে প্রায় চার ঘণ্টা কাটানোর পরে বাইরে বেরিয়ে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনকি পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সূত্রের খবর, উত্তর কলকাতার এক তৃণমূল প্রার্থীকে মমতা সর্ব ক্ষণ নজরদারি করার নির্দেশ দেন। শৌচকর্মের জন্য বাইরে গেলে তাঁদের বদলে যেন অন্য লোক মোতায়েন থাকেন, তাও বলেন। জল ও খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতেও বলেছেন তিনি। আসলে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ইডির কাছ থেকে যেমনভাবে ফাইল হাতিয়ে নিতে পারেন, সেভাবেই যেকোনও গণনাকেন্দ্রেও পৌঁছে যেতে পারেন ভাবছেন তৃণমূল নেত্রী। কিন্তু তাঁর পুলিশ তাঁর হাতে নেই একথা খুবই দুঃখজনক, অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। তাহলে কি রাজ্যে পালাবদলের দেওয়াল লিখনটা পড়ে ফেলেছেন মমতা? তাই এত ভয়? তাই কি পোস্টাল ব্যালট কারচুপির ভুয়ো অভিযোগ তুলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে অজুহাত তৈরি করে রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো?…

  • Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ডায়মন্ড হারবারের একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ লাগিয়ে ভোট দানে বাধা দেওয়ার কারণে আরেকবার নির্বাচন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পর্যবেক্ষককে যথাযথ ভাবে পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন।

    কঠোর স্ক্রুটিনির নির্দেশ (Election Commission India)

    দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটের পরে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) কাছে আবেদনও জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুর এলাকায় পুনর্নির্বাচনের স্ক্রুটিনিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে (Subrata Gupta) দায়িত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রগুলি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভোটগ্রহণ পর্বে যেসব বুথ থেকে অনিয়ম বা অশান্তির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ক্রুটিনি বা এই বিশেষ পর্যালোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন (Re-poll) প্রয়োজন।

    নিরপেক্ষতা বজায় রাখা

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটদাতাদের গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষককে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা স্ক্রুটিনি করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এ বার সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে।

    রিপোর্ট তলব

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের যে ৭৭টি বুথে পুননির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি। বিশেষ পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে প্রতিটি বিতর্কিত বুথের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন (Election Commission India)। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে যে, নির্দিষ্ট কোন কোন কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

    নির্দেশিকা

    নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিশনের (Election Commission India) প্রাথমিক লক্ষ্য। অশান্তি বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠা বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ডায়েরিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে এবং নির্বাচনকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে নির্বাচন কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এই নির্দেশ তারই প্রতিফলন। এর সবকটাতেই পর্যবেক্ষণে থাকবেন সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।

    আর তাই ভোট পরবর্তী পর্যালোচনার (Scrutiny) জন্য ডায়মন্ড হারবারে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তাঁর উপস্থিতিতেই বিতর্কিত বুথগুলোর নথিপত্র এবং ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিযোগের গুরুত্ব বিচার

    ভোটগ্রহণের দিন ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি, ছাপ্পা ভোট এবং বিরোধীদের এজেন্টদের বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগগুলো কতটা সত্য, তা যাচাই করতেই কমিশন এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

    কমিশনের (Election Commission India) নির্দেশে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরি, ১৭-সি ফর্ম এবং সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় কোনও বুথে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারে কমিশন।

    নিরপেক্ষতার আশ্বাস

    সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও প্রকার আপস করবে না, বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই সফর এবং তৎপরতা তারই ইঙ্গিত দেয়। ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্ক নিরসনে এবং নিরপেক্ষ ফলাফল নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এখন অত্যন্ত কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

    লোকসভার ভোটেও হয়েছিল লুট! 

    উল্লেখ্য এইসব এলাকা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখানে গত লোকসভার ভোটে ৭ লাখের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। বিজেপির অবশ্য দাবি, এই লোকসভার কোথাও ভোট হয়নি। মানুষকে বুথে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। জাহাঙ্গীর, শাহজাহানের অনুচরা বিরাট মাত্রায় ভোট লুট করেছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। একই ভাবে ২৯ এপ্রিল ফলতায় ভোট দিতে গিলে ইভিএমে টেপ লাগিয়ে বিজেপির প্রতীককে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আপাতত নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার সঠিক ভাবে যাতে হয় কমিশনের এটাই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য।

LinkedIn
Share