Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • North Bengal: ‘উত্তরবঙ্গকে জুড়ে দেওয়া হোক উত্তর-পূর্বের সঙ্গে’, মোদিকে আবেদন সুকান্তর

    North Bengal: ‘উত্তরবঙ্গকে জুড়ে দেওয়া হোক উত্তর-পূর্বের সঙ্গে’, মোদিকে আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য ভাগ না করে উত্তরবঙ্গকে (North Bengal) উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব রাখলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumder)। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাঁর আবেদন  উত্তরবঙ্গের আট জেলাকে উত্তর-পূর্বের সঙ্গে যুক্ত করা হোক। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি থাকবে না বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। বালুরঘাটের সাংসদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ করলে উত্তরবঙ্গ আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে।

    সুকান্তর আর্জি

    বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে সুকান্ত (Sukanta Mazumder) উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জমা দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে দেখিয়েছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের মিল আছে। সুকান্ত জানান, উত্তরের ৮ জেলা পশ্চিমবঙ্গের অংশ হিসেবে থাকলেও উত্তর-পূর্বের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া সম্ভব কি না, তা জানতে চেয়েছেন। তিনি মনে করেন, উত্তরবঙ্গকে উত্তর-পূর্বের অংশ হিসেবে ধরা হলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধাগুলি পেতে সুবিধা হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলেও মনে করেন তিনি।  সুকান্ত বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এত দিন ঠিক ভাবে হয়নি বলেই বারংবার বিভিন্ন দাবি ওঠে। এখন প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। সে জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দও রয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গকে নতুন মর্যাদা দিলে উন্নয়নে গতি আসবে।’’ সুকান্তের এটাও দাবি যে, ‘‘এর ফলে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি থাকবে না বলেই মনে করি। কারণ, আদতে রাজ্যেরই উন্নতি হবে।’’

    আরও পড়ুন: নন-স্টিক কুকওয়্যারে রান্না করেন! আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ছে ‘টেফলন ফ্লু’, কী এটা?

    কেন এই আবেদন

    রাজনৈতিক মহলের অনুমান, সুকান্ত শিক্ষা মন্ত্রকের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকেরও প্রতিমন্ত্রী। এই মন্ত্রকের পূর্ণমন্ত্রী জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তবে মোদির কাছে প্রস্তাব নিয়ে একা সুকান্তই গিয়েছিলেন। এ থেকেই মনে করা হচ্ছে নিজের দফতরের এলাকা বাড়ানোর লক্ষ্যেই সুকান্তের (Sukanta Mazumder) এই উদ্যোগ। তাঁর লোকসভা এলাকা বালুরঘাটও উত্তরবঙ্গে (North Bengal)। সেই দিক থেকে তাঁর মন্ত্রকের অধীনে উত্তরবঙ্গকে আনতে পারলে নিজের এলাকার উন্নয়নেও কাজ করতে পারবেন সুকান্ত। বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সুকান্তের একান্ত বৈঠকে বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বেহাল রাস্তার হাল ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। ঘটা করে এই প্রকল্প চালু করা হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না তা বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়া থানার মাইলি গ্রামের হতশ্রী রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে। অল্প বৃষ্টিতেই গ্রামের ওই রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তায় জমে রয়েছে কাদা। রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। রাস্তার হাল এত খারাপ কেন? স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে এমন প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম পিন্টু সিংহ মহাপাত্র। বেহাল রাস্তা নিয়ে গ্রামবাসীরা (Bankura) ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রাজকুমার সিংহ মহাপাত্র এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাই, কেউ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে বলার সাহস দেখাননি। বিজেপি কর্মী সাহস করে বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে নালিশ জানিয়েছিলেন। আর তাতেই চটে যান ওই পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হলেও পরে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দুই ভাই পিন্টুর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। লাঠি ও রড দিয়ে পিন্টুকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অন্যায় করলেও তৃণমূলকে (Trinamool Congress) কিছু বলা যাবে না। পঞ্চায়েত সদস্যকে রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ার জন্য যে কেউ বলতে পারেন। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ওই বিজেপি কর্মী নালিশ জানিয়েছিলেন। তারজন্য এই হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল (Trinamool Congress) অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে বিষয়টিকে পারিবারিক ঝামেলা বলে দাবি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! তাই আপাতত নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল মমতা সরকার (Nabanna)। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য, পূর্ত, পুলিশ- এই সমস্ত সরকারি দফতরগুলিতে নতুন করে প্রয়োজন ছাড়া কোনও নিয়োগ করা হবে না, এর পাশাপাশি কোনও সরকারি ভবনও নতুন করে তৈরি করা হবে না, সম্প্রতি মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকার নেতৃত্বে সরকারি দফতরে গুরুত্বপূর্ণ আমলাদের নিয়ে এমপাওয়ার্ড কমিটির (Nabanna) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেখানেই এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই (Nabanna)

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন দশ লাখ চাকরি প্রস্তুত রয়েছে! কিন্তু তা নাকি মামলার কারণেই শুরু করা যাচ্ছে না! মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা যে কতটা ফাঁকা আওয়াজ, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে মুখ্য সচিবের এমন বৈঠকেই (Nabanna)। সূত্রের খবর বৈঠকে এও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরে যে সংখ্যায় নিয়োগ করা দরকার তার তালিকা তৈরি করতে হবে, তা পেশ করতে হবে। একান্ত প্রয়োজন হলেই সেই তালিকা থেকে ৫০ শতাংশ নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু তার বেশি কখনও নয়।

    সরব বিজেপি 

    রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এ নিয়ে সরব হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোষাগারে যদি এতই টান তখন পূজো কমিটিগুলিকে মোট ৩৬৫ কোটি টাকা অনুদান কীভাবে দেওয়া হচ্ছে? বিজেপি নেতা সজল ঘোষের বক্তব্য, “৬০০ কোটি টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান বানিয়ে চাঁদে পাঠিয়ে ভারতের পতাকা পুঁতে এসেছেন। আর উনি গত দু’বছরে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এই বছর পৌনে চার কোটি টাকা খরচ করছেন। একবার ভেবে দেখুন এই টাকা দিয়ে কত মানুষের চাকরি হত?”

    কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে

    সূত্রের খবর, কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে (Reins on Recruitment) গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে সতর্ক করলেন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা। সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যসচিব পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘বুঝে কর্মী নিয়োগ করতে হবে (Reins on Recruitment)। শূন্য পদ হলেই লাফিয়ে নিয়োগ করতে হবে এমনটা নয়। যতটুকু প্রয়োজন, যতটুকু না হলে নয় ততটুকু নিয়োগ করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া, বারাকপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির পর এবার মালদার (Malda) গাজোলে দিনেদুপুরে ব্যাঙ্কে ডাকাতি (Dacoits) ঘটনা ঘটল। চলল গুলি। সঙ্গে বোমাবাজি। গুলিবিদ্ধ হলেন সমবায় ব্যাঙ্কের ক্যাশিয়ার। আর বুধবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। যদিও পরে পুলিশ ডাকাতদের পিছু ধাওয়া করে। রাস্তায় গুলি বিনিময় হয়। পরে, দুজন দুষ্কৃতী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    ইতিমধ্যেই ঘটনার হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা রঙের চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায় গাজোলের কেষ্টপুর সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কের সামনে। মুহূর্তেই গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নামে ৮ থেকে ১০ জন দুষ্কৃতী। প্রত্যেকের মুখেই কাপড় বাঁধা। বন্দুক হাতে ঢুকে পড়ে ব্যাঙ্কের মধ্যে। বোমার শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চলে লুটপাট। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীদের (Dacoits) আটকাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন হিসাবরক্ষক যোগেশ্বর মণ্ডল। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। তাঁকে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে। পরে, তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, প্রায় ছ’লক্ষ টাকা লুট করেছে দুষ্কৃতী দলটি। এই ঘটনার পরেই এলাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। ব্যাঙ্কের এক কর্মী বলছেন, “কেষ্টপুর বাসস্ট্যান্ডে আমাদের সমবায় ব্যাঙ্ক। জনবহুল এলাকা। সেখানে এরকম ঘটনা ঘটল। চরম আতঙ্কিত আমরা। পুলিশের আরও নজরদারি বাড়ানো দরকার।” শুধু ব্যাঙ্কের কর্মী নন, সাধারণ মানুষও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    পুলিশের সঙ্গে ডাকাত দলের গুলি বিনিময়

    পুলিশ সূত্রে খবর, ডাকাতির (Dacoits) পরেই চারচাকা গাড়িতে করে পালিয়েছিল দুষ্কৃতী দলটি। গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ। পিছু ধাওয়া করছে দেখে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালিয়েছিল তারা। এরপর ভাবুক অঞ্চলের মন্দিলপুর এলাকায় গাড়ি রেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। সেই সময়েই গুলি চালায় পুলিশও। একজনের পায়ে গুলি লাগে। আর একজনের কোমরে। গুলি লাগতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তারা। তাদের ওই অবস্থায় ফেলে রেখেই বাকিরা পালিয়ে যায়। ধৃতদের এক জনের বাড়ি মালদার (Malda) চাঁচলে, অন্যজনের গাজোলের কৃষ্ণপুর এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা বর্ষায় জমছে জল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। অনেকে আবার বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাচ্ছেন। লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

    ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ১৩৬ জন (Dengue)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বুধবার পর্যন্ত প্রায় ১৩৬ জন ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুদিনে ১৫ জন জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এখন ডেঙ্গি পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে। তাই আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় এবার আরও সজাগ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। গতবছর কুমারগঞ্জ ব্লকের নানা প্রান্ত ও বালুরঘাটের বেশ কিছু এলাকা ডেঙ্গির হটস্পট জোন ছিল। এবারও বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ সহ হিলি ব্লকে ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে গঙ্গারামপুর মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কম এনিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মূলত সচেতনতামূলক প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্ষার মধ্যে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়লেও কোনও মৃত্যুর খবর নেই। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    স্বাস্থ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    জেলার আটটি ব্লকেই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ ও হিলি ব্লকে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে দফতর সূত্রে খবর। ফলে, সচেতনতার পাশাপাশি পরীক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। তবে, মৃত্যুর কোনও খবর নেই। গতবারের তুলনায় এবার জেলা হাসপাতালের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রামীণ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গির পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর অনেকটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে।” যদিও বালুরঘাট পুরসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, “বালুরঘাট (South 24 Parganas) শহরে নতুন করে কেউ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়নি। আমরা সব জায়গায় নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Potato Price:  তিনদিন পর হুঁশ ফিরল তৃণমূল সরকারের, ধর্মঘট তুলে নিলেন আলু ব্যবসায়ীরা

    Potato Price: তিনদিন পর হুঁশ ফিরল তৃণমূল সরকারের, ধর্মঘট তুলে নিলেন আলু ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মঘটের জেরে রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে হাঁসফাঁস অবস্থা তৈরি হয়েছিল। আলুর (Potato Price) লাগাম ছাড়া দামের কারণে তৃণমূল সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই এবার ধর্মঘট তুলতে হস্তক্ষেপ করে রাজ্য সরকার। আলোচনা থেকে বেরিয়ে এল সমাধান। তিন দিন পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন আলু ব্যবসায়ীরা। বুধবার হুগলির (Hooghly) হরিপালে প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না। তারপরই ধর্মঘট তুলে নেওয়ার কথা জানালেন ব্যবসায়ীরা।

    জ্যোতি ৪৫, চন্দ্রমুখী ৫০ টাকায় বিক্রি! (Potato Price)

    বুধবার কোনও বাজারে ৪০, কোথাও ৪৫ টাকা কিলো দরে জ্যোতি আলু (Potato Price) বিক্রি হচ্ছে। চন্দ্রমুখী হাফ সেঞ্চুরি পার করেছে। দোকানদারদের মধ্যে যে যেমন পারছেন, দাম নিচ্ছেন। আলুর দাম জিজ্ঞাসা করেই ঢোঁক গিলছেন ক্রেতারা। কয়েক দিন আগেই যে আলু ৩২ টাকা ছিল, সেটাই এখন ৪৫ টাকা কেজি! খুচরো বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, পাইকারি বাজারে আলু নেই। এই অবস্থায় তাঁরা ‘অসহায়’। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর কয়েক দিন ধরে বাজারে বাজারে যে টাস্ক ফোর্সের অভিযান দেখা যাচ্ছিল, তারও দেখা মিলছে না। তবে, এদিন ধর্মঘট উঠে যাওয়ায় আশা করা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে আলুর জোগান আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ফলে আলুর ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল আমজনতার, সেখান থেকে এ বার রেহাই মিলবে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক কী বলেন?

    হুগলিতে (Hooghly) মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক লালু মুখোপাধ্যায় বলেন, “বৃহত্তর স্বার্থে ধর্মঘট তুলে নেওয়া হল। আমরা সরকারের পাশে আছি। তবে, রাজ্য থেকে যে আলু বাইরে যায়, সেই রফতানির বিষয়টিও যেন সরকার খেয়াল রাখে। মন্ত্রী আমাদের বিবেচনা করে দেখবেন বলেছেন। আমাদের দাবিদাওয়া লিখিতভাবে সরকারের কাছে জানাচ্ছি।” পাশাপাশি ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ডস্টোর অ্যাসোসিয়েশন-এর তরফে পতিতপাবন দে বলেন, “আমরা সরকারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। আমাদের রাজ্যে ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়। এত আলু আমাদের রাজ্যে খাওয়া যায় না। তাই ভিন রাজ্যে পাঠাতেই হয়।”

    কী বললেন মন্ত্রী?

    মন্ত্রী বেচারাম মান্না বৈঠক থেকে বেরিয়ে বলেন, “আমাদের দিক থেকে যা যা সাহায্য করা যায়, সেটা বলেছিলাম। সরকার পক্ষ সাড়া দিয়েছে। তাই ব্যবসায়ীরাও কর্মবিরতি তুলে নিচ্ছেন। বৈঠকের পর সবাই আশাবাদী। আলোচনা সদর্থক। এ বার হিমঘর থেকে ২৬ টাকা দরে আলু (Potato Price) পাঠানো হবে বিভিন্ন বাজারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চায়েত সচিবকে গলা টিপে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল

    South 24 Parganas: পঞ্চায়েত সচিবকে গলা টিপে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও প্রকাশ্যে এল তৃণমূল পঞ্চায়েতের উপ প্রধানের দাদাগিরি। এবারে সরকারি আধিকারিককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) কুলপি ব্লকের চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। প্রশ্ন উঠছে, একজন শাসকদলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হয়ে যদি এইভাবে সরকারি কর্মীর ওপর চড়াও হয়ে তাঁকে মারধর করতে পারেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    গত ২০ জুলাই পঞ্চায়েতের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে কিছু প্রস্তাবনা নিয়ে উপ-প্রধানের (Trinamool Congress) সঙ্গে পঞ্চায়েতের (South 24 Parganas) সচিব ভিক্টর মিশ্রের বিবাদ বাধে। এরপরই পঞ্চায়েত সচিবকে উপ প্রধান গলা টিপে ধরে বেধড়ক মারধর করে। হামলার সেই সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও ভাইরাল হয়। তবে, সেই ভিডিও ফুটেজের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিওটিতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাবির মোল্লা দলবল নিয়ে এসে ওই পঞ্চায়েত সচিব ভিক্টর মিশ্রর ওপর চড়াও হয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। পরবর্তীতে গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান সাবির মোল্লার বিরুদ্ধে ঢোলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে, ওই আধিকারিক নিজেই মুচলেকা দিয়ে অভিযোগ তুলে নিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে শাসকদলের চাপেই কি মুচলেকা দিয়ে সমস্ত কিছু তুলতে হল সরকারি আধিকারিককে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    প্রশাসনের আধিকারিক কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিডিও (South 24 Parganas) সৌরভ গুপ্তা বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে অবশ্যই নিন্দনীয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে পঞ্চায়েতের ওই সরকারি কর্মী একটি মুচলেকা দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, যাতে তাঁর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের (Trinamool Congress) কুলপি ব্লকের (South 24 Parganas) সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় হালদার বলেন, মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র ঠেলাঠেলি হয়েছে। আর সেখানে হাত চলাটা স্বাভাবিক। উপপ্রধানকে ১৫ দিন অঞ্চলে আসতে না বলা হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে জেলার বিজেপির ট্রেড ইউনিয়নের সম্পাদক স্বপন হালদার বলেন, এটা শুধু কুলপিতে নয়, গোটা রাজ্যে আইনের শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আজ সেখানে পঞ্চায়েতের কর্মী মার খেয়েছেন, কালকে বিডিও মার খেতে পারেন। এটা নিয়ে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতন ইস্যুতে বুধবার সকাল থেকে তপ্ত বিধানসভা (West Bengal Legislative Assembly) অধিবেশন। এরই মধ্যেই নিজের শারীরিক নির্যাতনের ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিধায়কের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “বিধানসভার মধ্যেও আমরা নিরাপদ নই!”

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Suvendu Adhikari)

    বুধবার বিধানসভা অধিবেশনের শুরু থেকেই নারী নির্যাতন ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি পাল্টা বলেন, “নারী নির্যাতন ঘটনা ঘটলে সবার আগে বাংলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়। ক্রিমিন্যাল জাস্টিস কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে রাজ্যের হাত থেকে।” আর সে ইস্যুতে তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা স্লোগান দেন শাসক বিধায়করাও। প্রথম পর্বের অধিবেশন শেষ হয়। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়করা। অভিযোগ, সেই সময়েই বিধানসভার ভেতরে শুভেন্দুর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতার দাবি, সেই বাগ্‌বিতণ্ডার সময়েই তাঁকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করেছেন। তাঁর দাবি, বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে হেনস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নেপালকে হারিয়ে ৮২ রানে ম্যাচ জিতে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারত

    বিরোধী দলনেতার মন্তব্য  

    এ প্রসঙ্গে এদিন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ”বিধানসভার লবিতে আমি যখন বেরোচ্ছিলাম, তখন পূর্বস্থলীর বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চান। বিজেপি এমএলএ-রা কেন্দ্রীয় বাহিনী পায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইরে রাখার অর্ডার রয়েছে। আমি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, লিখে পাঠাচ্ছি এখনই।” স্পিকারকে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিধানসভার মধ্যে তাঁকে শারীরিক নিগ্রহের চেষ্টা করা হল। একবার হাউসের ভিতরে করেছেন, আজকে লবিতে করলেন। আমি বিধানসভায় আক্রান্ত হয়েছি। কোনও বিজেপি বিধায়ক আক্রান্ত হলে, তার দায় স্পিকারের।” স্পিকার হিসেবে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না বলেও চিঠিতে স্পষ্টভাবে লিখেছেন শুভেন্দু। 
    একই সঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আর্জিও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। যদিও শুভেন্দুর আনা শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের  সুজালি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মজিবুর রহমান (৬০)। তাঁর বাড়ি সুজালি গ্রামে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় তৃণমূল নেতা শেখ ফরাজুলসহ বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল নিহত ওই তৃণমূল কর্মী মজিবুর রহমানের সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্যা হুসনেরা খাতুনের স্বামী শেখ ফরাজুলের মধ্যে। মজিবুরের নামে কয়েক বিঘা জমি ছিল। ক্ষমতার জোরে সেই জমি জোর করে দখলে রেখেছিলেন ফরাজুল। পরে, মজিবুর সেই জমি নিজের দখলে আনার চেষ্টা করলে বিবাদ (TMC Conflict) শুরু হয়। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ফরাজুল দলবল নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে মজিবুর একাই তাঁদের বাধা দেন। জমির মধ্যেই তৃণমূল নেতা ফরাজুলের নেতৃত্বে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ইসলামপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ইসলামপুর (North Dinajpur) মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেফতার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে একটি বিবাদ চলছিল। মজিবুর রহমান একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন। বুধবার সেই জমি দখলকে কেন্দ্র করে ফের সংঘর্ষ হয়। তাতে মজিবুর রহমানকে খুন করা হয়। আমরা দলগতভাবে এই ধরনের ঘটনা সমর্থন করি না। দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ-প্রশাসনকে (North Dinajpur) জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: প্যারিস অলিম্পিক্সে পর্যটকের সংখ্যা কমের আশঙ্কা! হোটেল ভাড়া ক্রমশ নিম্নমুখী

    Paris Olympics 2024: প্যারিস অলিম্পিক্সে পর্যটকের সংখ্যা কমের আশঙ্কা! হোটেল ভাড়া ক্রমশ নিম্নমুখী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৬ জুলাই অলিম্পিক্স গেমস প্যারিসে (Paris Olympics 2024) শুরু হওয়ার কথা, কিন্তু তার আগে হোটেল (Hotel Rent) ব্যবসায় বিরাট মন্দার ইঙ্গিত মিলেছে। শহরের পর্যটন বোর্ড প্যারিস জে টাইম থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রাজধানীতে অলিম্পিক্সের সপ্তাহে ১ কোটি ১৩ লক্ষ দর্শকদের সমাবেশ হবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু তার মধ্যে শুধুমাত্র ১৫ লক্ষ দর্শকেদের নিশ্চয়তা পাওয়া গিয়েছে। ফলে হোটেল, ট্র্যাভেল, পর্যটন কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একটি রিপোর্টে কী বলেছে আসুন জেনে নিই।

    প্রত্যাশার ৮০% কম দর্শক (Paris Olympics 2024)!

    প্যারিসের (Paris-2024-Olympic) স্টেডিয়ামগুলিকে কেন্দ্র করে হোটেল, এয়ারলাইনস এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলির মধ্যে প্রবল আশার সঞ্চার হয়েছিল। স্পোর্টস ট্র্যাভেল ফার্ম ১৪ এসবির মালিক অ্যালান বাচন্দ বলেছেন, “অতীতে বড় প্রতিযোগিতা যেমন-সুপার বোল, ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ, অলিম্পিক্স-এর জন্য ব্যাপক চাহিদায় টিকিট বিক্রি করেছিলাম। চড়া মূল্যের টিকিট নিতে দর্শক মহলে ব্যাপক উত্তেজনা ছিল। আমরা ভালো প্যাকেজের ব্যবসা করেছিলাম। এই বারের বুকিং আগের অলিম্পিক্সে গেমগুলির তুলনায় প্রত্যাশার ৮০% কমে গিয়েছে। গত ২৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম আমরা ৩০ মাস আগে বুক করা হোটেল রুমকে কম টাকায় দিতে বাধ্য হচ্ছি। সাধারণ প্রতিযোগিতা শুরুর এক বছর আগে থেকেই যাওয়া-আসার টিকিট এবং হোটেল (Hotel Rent) বুকিং শুরু হয়। আমাদের হোটেলগুলিতে প্রতি রাতে খরচের মূল্য ছিল ১০০০ ডলার। যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪০০ ডলারে।”

    ২৬ জুলাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আর ঠিক তার আগে খুব কম সময় বাকি থাকায় হোটেলগুলি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। কম ভাড়া এবং ন্যূনতম থাকার প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখে ঝাঁ চকচকে বিলাসবহুল শহরের হোটেলগুলি পরিষেবা দিতে প্রস্তুতি শুরু করেছে। ওরসো হোটেলের ডিরেক্টর অফ অপারেশন গিলস লে ব্রাস বলেছেন, “ইউরোপে রেকর্ড পরিমাণে পর্যটকরা এই প্যারিসে আসেন। বছরে আন্তর্জাতিক দর্শক হিসাবে আমেরিকানদের আগমনে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে ৮০০ বিলিয়ন টাকার অবদান থাকে। অন্যান্য প্যারিসের হোটেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আমরাও দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছি। কারণ গত কয়েক মাস ধরে ক্রমাগত চাহিদা কমে গিয়েছে।”

    ২০১২, ২০১৬ সালের তুলনায় অনেক কম

    বুটিক গ্রুপের ফোর-স্টার রেটেড ওয়ালেস জানিয়েছেন, প্রতিদিন তাঁদের হোটেলের রুম ভাড়া ছিল প্রায় ৪৪৬ ডলার। এই স্থানটি অলিম্পিক্সের খেলার (Paris Olympics 2024) স্টেডিয়ামের কাছাকাছি উপস্থিত। এবার চাহিদা কমে যাওয়ায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই ভাড়া নির্ধারিত করা হয়েছে ৩৪০ ডলারে। আরেকটি চার-তারা হোটেল, ‘হোটেল ডেমি ডেস আর্ট’ যা ল্যাটিন কোয়ার্টারে অবস্থিত। ২৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে যেকোনও দিন থাকার জন্য ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

    আবার ২৬ জুন প্রকাশিত কোস্টার-এর তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রতিযোগিতা চলাকালীন প্যারিসের হোটেল বুকিং মাত্রা প্রায় ৮০%-এর কাছাকাছি ছিল। যা লন্ডনের ২০১২ এবং রিও-র ২০১৬ সালের হোটেল বুকিং ছিল গড়ে ৮৮.৬% এবং ৯৪.১%। এই বার প্যারিসে অনেক উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    দুর্দশা বিমান পরিষেবার সংস্থাতেও

    বিমানপরিষেবা সংস্থাগুলোও একই ধরনের দুর্দশার মধ্যে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ১১ জুলাই, ডেল্টা এয়ার লাইনস ইনক অনুমান করে জানিয়েছে, এই বার ১০ কোটি ডলার লোকসানের সম্ভাবনা রয়েছে। মূল কারণ পর্যটকরা অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) সময় ফ্রান্সকে এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখনও অনেকগুলি টিকিট বিক্রি হয়নি। একই পরিস্থিতিতে রয়েছে এয়ারফ্রান্স লাইনেও। খেলার সময়ে মার্কিন শহরগুলি থেকে প্যারিসে যাওয়ার জন্য বিমানপরিষেবা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। আবার মূল কোম্পানি এয়ার ফ্রান্স-কেএলএম এখনও পর্যন্ত জুলাই এবং আগস্ট মাসে কমপক্ষে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি ডলারের রাজস্ব ক্ষতির কথা জানিয়েছে। বহু টিকিট বিক্রি হয়নি, তাই টিকিটের দাম কমে গিয়েছে। আবার ব্যবসায়ী গিলবার্ট অট জানিয়েছেন, “নিউইয়র্ক, শিকাগো, আটলান্টা এবং এলএ-র মতো প্যারিসে বিমান পরিষেবা রয়েছে। এমন শহরগুলিতে প্যারিস অলিম্পিক্সের সময় জুলাইয়ের শেষের দিকে এবং আগস্টের মধ্যে এখনও চোয়াল-ড্রপিং রিওয়ার্ড ফ্লাইটের পরিষেবাও রয়েছে।”

    ট্র্যাক-এন্ড-ফিল্ড এবং সাঁতারের মতো সবচেয়ে কাঙ্খিত খেলাগুলিতে টিকিট বুকিং করার জন্য সাধারণত কয়েক মাস পরিকল্পনার প্রয়োজন হতো। কিন্তু হঠাৎ করে স্বতঃস্ফূর্ত পর্যটকদের চাহিদা কম হওয়ায় বিরাট প্রভাব পড়তে চলেছে। অ্যাথলিটদের পরিবার এবং বন্ধুরা কিছু কিছু বুকিং করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share