Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Puja Donation: আরজি করের প্রতিবাদ, পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান করে ‘অভয়া’কে স্মরণ

    Puja Donation: আরজি করের প্রতিবাদ, পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান করে ‘অভয়া’কে স্মরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। চিকিৎসকরা লাগাতার কর্মবিরতি করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। রাজ্যজুড়ে মেয়েদের রাত জেগে আন্দোলন দেখেছেন দেশবাসী। এবার আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়ল প্রত্যন্ত গ্রামেও। পুজোর অনুদানের (Puja Donation) জন্য আবেদনই করবেন না, সাফ জানিয়ে দিলেন তারকেশ্বরের আস্তারা গ্রামের মা শারদা জননী দুর্গোৎসব পুজো কমিটি। কার্যত, রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদানকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

    দুর্গামণ্ডপে ‘অভয়া’কে স্মরণ! (Puja Donation)

    গতমাসেই বাংলায় পুজো কমিটিগুলির জন্য সরকারি অনুদান ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮৫ হাজার করে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু, আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Incident) নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ফেরাতে শুরু করেছে একের পর এক পুজো কমিটি। উত্তরপাড়ায় শক্তি সংঘের পর হাইল্যান্ড পার্ক উৎসব কমিটি পুজোর অনুদান নেবে না। গত বছর সরকারি অনুদান নিলেও, ২২তম বছরে হাইল্যান্ড পার্ক উৎসব কমিটির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেন, এবার তাঁরা রাজ্য সরকারের দেওয়া পুজোর অনুদান (Puja Donation) নেওয়ার জন্য আবেদন করবেন না। মেয়ের বিচারের দাবিতে মায়ের পুজোয় সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করলেন তাঁরা। এবার সেই তালিকায় যোগ হল তারকেশ্বরের আস্তারা গ্রামের মা শারদা জননী দুর্গোৎসব পুজো কমিটি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই পুজো কমিটি আবার মহিলা পরিচালিত। ফি বছর যেখানে দুর্গামণ্ডপ হয়, দশভূজাকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো হয়, সোমবার সেখানেই ‘অভয়া’কে স্মরণ করলেন পুজো কমিটির সদস্যরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    কী বললেন পুজো উদ্যোক্তারা?

    এবার পাঁচ বছরে পা দিল মহিলা পরিচালিত এই পুজো। সরকারের কাছে অনুদানের (Puja Donation) জন্য আবেদন করেছিল এই পুজো কমিটি। তবে ‘অভয়া’র নির্মম পরিণতির পর অনুদান নেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই, বলছেন কমিটির সদস্যরা। বদলে তাঁরা বলছেন, ‘বিচার চাই’। চৈতালি জানা নামে এক সদস্য বলেন, ‘‘আমাদের ঘরেও তো মেয়ে, বোন আছে। এটুকু নিরাপত্তা যদি না থাকে তাহলে কীভাবে বেরোবে ওরা। সঠিক বিচার পেলে আমরা অনুদানের জন্য না হয় আবার আবেদন করব।’’ রুমা ধাড়া পুজো পরিচালনার দায়িত্বে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পুজোমণ্ডপ যেখানে হয়, যেখানে মা দুর্গার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করি, সেখানে দাঁড়িয়েই আজ আমরা ‘অভয়া’র বিচার চাইলাম (Puja Donation)। মেয়েটা (RG Kar Incident) ডাক্তার হত, ও ওর অদৃশ্য দশ হাতে কত মানুষের প্রাণ বাঁচানোর শপথ নিয়েছিল। অথচ এভাবে নৃশংসভাবে শেষ করে দেওয়া হল। আর কোনও মায়ের কোল যেন খালি না হয়, আমরা সেটাই চাই। ডাক্তারটা আমাদের কাছে ভগবানের মানসরূপ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভকারী চিকিৎসকরা আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, আরজি করে (RG Kar Incident) নির্যাতিতার মৃতদেহ ‘লুট’ করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তদন্ত করতে পুলিশ ‘ভয়’ পাচ্ছিল, তাই এত দ্রুত দেহ সৎকার করা হয়। এবার সেই নিয়ে একই প্রশ্ন তুললেন মৃতার বাবা। তাঁর দাবি, পানিহাটি শ্মশানে যখন মেয়ের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেই সময় সেখানে আরও তিনটি মৃতদেহ ছিল। কিন্তু সবকিছু থামিয়ে রেখে আগে নির্যাতিতার দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করে পুলিশ। কেন এত তাড়াহুড়ো? কী লুকোত চেয়েছিল পুলিশ? ভয় ছিল দেহ থাকলে ফের ময়নাতদন্ত বা ফরেন্সিক হতে পারে, যাতে বিপদে পড়তে পারেন কেউ কেউ?

    কী বললেন নির্যাতিতার বাবা

    আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনার পরে প্রথম থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, প্রমাণ লোপাটের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে তাড়াহুড়ো করে মেয়েটির দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় মর্গে পৌঁছে দেহ আটকে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে কলকাতা পুলিশ জানায়, দেহ সৎকারে তাদের কোনও হাত ছিল না, যা করার করেছে মেয়েটির পরিবারই। যদিও সম্প্রতি নির্যাতিতার বাবা জানান, গত ৯ অগাস্ট রাতে শ্মশানে তাঁর মেয়ের দেহ দাহ করতে পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর কথায়, ‘‘শ্মশানে পৌঁছে গিয়ে আমরা দেখি, আমাদের আগে তিনটে বডি রয়েছে। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আমার মেয়ের দেহ আগে সৎকার করে দেয়। তখন আমরা কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলাম না। মাথা কাজ করছিল না। ফলে সৎকারে বাধা দেওয়ার কথা মাথায় আসেনি।’’

    দেহ সৎকারে পারদর্শী পুলিশ

    শুধু মৃতার বাবা নন, ওইদিন দেহ সৎকারে পুলিশের তৎপরতার কথা জানিয়েছে পানিহাটি এলাকায় শ্মশানের কর্মীরাও। যে শ্মশানে নির্যাতিতার দেহ সৎকার করা হয়, সেখানকার এক কর্মী ভোলানাথ বলেন, ‘‘আমাদের এলাকার একটি মেয়ের মৃত্যুর খবর সকাল থেকেই চলছিল। রাত ১২টার পর লাশ শ্মশানে আনা হয়। পুলিশ আমাদের আগেই জানিয়েছিল যে একটি মেয়ের লাশ আসছে এবং তার সঙ্গে বিশাল জনসমাগমও আসবে। এলাকাটি খুব জনাকীর্ণ ছিল, ১০টিরও বেশি পুলিশের গাড়ি ছিল। লোকজনের আসা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এবং যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই পুলিশ দ্রুত শেষকৃত্য করার নির্দেশ দেয়। বিপুল জনসমাগম এবং পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিহতের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছিল।’’ ভোলানাথ জানান, ওই সময় শ্মশানে থাকা আরও ৩ মৃতের পরিজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশই সব ব্যবস্থা করে। স্বাভাবিক, সদ্য কন্যাহারা তা-ও অকস্মাৎ, মর্মান্তিক, বাবা-মার পক্ষে বাধা দেওয়ার মতো মানসিক জোরই ছিল না। কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষিতার দেহ দখল করার অভিযোগ নতুন নয়, এর আগে মধ্যমগ্রামের এক নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ দখল করে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) আগেই প্রশ্ন উঠেছিল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্যে ফের প্রশ্ন উঠছে, কেন দেহ দাহ করতে এত তৎপর ছিল পুলিশ? কিছু কি লুকানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের? এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও ‘সন্তুষ্ট নন’ মৃত চিকিৎসকের বাবা, সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু যে সব সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি করছেন, তাঁদের তিনি জেলে ভরার চেষ্টা করছেন। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নই। ওঁর দেওয়া কোনও ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    CBI: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাথরস কাণ্ডের কথা মনে আছে? ২০২০ সালে উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। উচ্চবর্ণের চার ব্যক্তি দলিত তরুণীটিকে গণধর্ষণের পর একটি মাঠে ফেলে পালায়। পরে, নির্যাতিতার মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় মহিলা পদমর্যাদার এসপি নিযুক্ত করা হয়েছিল। সেই পদ্ধতিতেই আরজি করের ঘটনায় নিযুক্ত করা হল মহিলা এসপিকে। নাম সীমা পাহুজা। তিনি এর আগে হাথরস ধর্ষণকাণ্ডের তদন্ত করেছিলেন। ইতিমধ্যেই কলকাতায় চলে এসেছেন সীমা। এই মামলায় তিনজন তদন্তকারী আধিকারিক (CBI) নিযুক্ত করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে দুজন মহিলা। একজন কলকাতার অফিসার। 

    কে এই মহিলা আধিকারিক? (CBI)

    আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই (CBI)। সোমবার তাঁকে চতুর্থ বারের জন্য ডেকে পাঠানো হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। গত ৯ অগাস্ট চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্তে একের পর এক তথ্য উঠে আসছে। যদিও সিবিআইয়ের হাতে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। তার মধ্যেই জানা গেল, হাথরসের ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী দলের নেতৃত্ব দেওয়া তৎকালীন ডিএসপি সীমাকে আরজি করের ঘটনার তদন্তকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে।

    সীমার প্রশংসা সিবিআইয়ের অন্দরে
    সিবিআই আধিকারিক সীমা এক সময় গাজিয়াবাদে কর্মরত ছিলেন, অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোয়। হাথরস তো বটেই, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী অফিসার হিসেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অন্দরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। সিবিআই আধিকারিক হিসেবে তাঁর কাজের জন্য ২০১৪ সালের ১৫ অগাস্ট পুলিশ মেডেল পান সীমা। সাহসী এবং নির্ভীক অফিসার হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। হাথরস-কাণ্ডে সিবিআইয়ের ১৪ সদস্যের বিশেষ দলের নেতৃত্ব দেওয়া ছাড়াও হিমাচল প্রদেশের গুতি মামলার তদন্তের ভার ছিল তাঁর ওপর। সংশ্লিষ্ট মামলার সমাধান করেছিলেন তিনি। এবার তাঁকে আরজি কর (RG Kar Incident) কাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ সূত্রে খবর, আরজি করে যে সেমিনার হলে গোটা ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানে যাবেন সীমা। নির্যাতিতার বাড়িতেও যাবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করবে সিবিআই, এরপর কি সন্দীপ?

    CBI: আরজি করকাণ্ডে সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করবে সিবিআই, এরপর কি সন্দীপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণকাণ্ডে ধৃতের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি পেল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ধৃত সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করানোর অনুমতি এসে গিয়েছে। সোমবার সিবিআই-কে সেই অনুমতি দিল শিয়ালদা কোর্ট। কবে সেই টেস্ট হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, এদিন আদালতে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছে সিবিআই। এটি মূলত একটি মানসিক পরীক্ষা। হার্ট রেট, রক্তচাপ পরীক্ষার মাধ্যমে অভিযুক্ত সত্যি বলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। যে টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, কেউ মিথ্যা বলছে কিনা। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য তাঁরও পলিগ্রাফ টেস্ট করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে, গোটাটাই হবে দিল্লি থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর।

    পলিগ্রাফ টেস্ট নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বললেন? (CBI) 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় যখন কোনও প্রশ্ন করা হয়, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হার্টের পালস, রক্তচাপ, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের মতো বিভিন্ন শারীরিক মানদণ্ড পরিমাপ করা হয়। যখন কেউ মিথ্যে কথা বলে, তখন সাধারণত সেইসব মাপদণ্ডের হেরফের হয়ে থাকে। সেটার মাধ্যমেই নির্ধারণ করা হয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মিথ্যে বলছে কিনা। যদিও সব সময় পলিগ্রাফ টেস্ট পুরোপুরি নির্ভুল হয় না বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক (CBI) বলেন, “কোনও ব্যক্তি যখন মিথ্যা কথা বলে, তখন তার মস্তিষ্ক থেকে পি ৩০০ নামে একটি বিশেষ সংকেত বের হয়। সেটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ওই স্নায়বিক সংকেতের জন্যই তার হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। আর গোটা বিষয়টি আমাদের কাছে আরও স্পষ্ট হয়। সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় ן”‎

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    এই পলিগ্রাফ টেস্টের ঠিক কী নিয়ম?

    অভিযুক্তকে এই পরীক্ষায় মত দিতে হয়। অভিযুক্ত মত দিলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) আদালতকে জানাবে। আদালত অনুমতি দিলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে হবে পলিগ্রাফি টেস্ট। অভিযুক্তর সামনে টেস্ট করার আগে সমস্ত আইনি দিক ব্যাখ্যা করা হবে। পলিগ্রাফ টেস্টেরই একটি প্রকারভেদ হল লাই ডিটেকশন (মিথ্যা কথা ধরার উপায়) বা ব্রেন ম্যাপিং টেস্ট। মূলত পলিগ্রাফ টেস্টের সময়, অভিযুক্তর রক্তচাপের পরিবর্তন, পালস রেটের পরিবর্তন, ত্বকের উপরিভাগে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে কি না, এইসব সূক্ষ্ম বিষয়ের ওপর নির্ভর করে বুঝতে হয় যে অভিযুক্ত সঠিক বলছে কি না।

    সন্দীপকে ম্যারাথন জেরা সিবিআইয়ের

    ইতিমধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। সূত্রের খবর, সন্দীপের থেকে জানতে চাওয়া হয় যে কেন তরুণী চিকিৎসকের বাবা-মা’কে হাসপাতালে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়েছিল? আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে আরও একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সূত্রের খবর, তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর শোনার পরে তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া কী ছিল, কার সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ করেছিলেন, সেমিনার হলের (যেখান থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল) কাছে আচমকা কেন সংস্কারের কাজ শুরু হল, সেই প্রশ্নও করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) এবং মুর্শিদাবাদের একটি বড় অংশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৮ অগাস্ট। এবারও নদিয়ার শান্তিপুরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ১৮ অগাস্ট জাতীয় পতাকা তোলেন সেখানকার মানুষ। নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেন তিনদিন পর জাতীয় পতাকা উঠল এই জেলায়, তা ব্যাখ্যা করেন উদ্যোক্তারা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট নদিয়া (Nadia), কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের একটা বড় অংশ পড়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশে। সাংসদ তথা পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রর প্রচেষ্টায় তৎকালীন কৃষ্ণনগরের রানিমা রাজেশ্বরী দেবী, পণ্ডিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দিল্লিতে গিয়ে দরবার করেছিলেন। স্বাধীন ভারতের সদ্য ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁরা দেখা করে সমস্ত বিষয়টি জানান। নবদ্বীপ, শান্তিপুর সহ শ্রীচেতন্য মহাপ্রভু এবং বৈষ্ণবকূলচূড়ামণি অদ্বৈত আচার্যের স্মৃতি বিজড়িত নদিয়া জেলাকে ভারতের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করতে না পারলে বৈষ্ণব সম্প্রদায়টিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদ, কোচবিহারের বিষয়টি বলা হয়। এরপর ১৭ অগাস্ট রাতে ঘোষণা করা হয়, এই বিস্তীর্ণ এলাকাগুলি ভারতের। ১৫ অগাস্ট সেই সময়কার পাকিস্তানের মুসলিম লিগের পতাকা উঠেছিল। কিন্তু, মাত্র তিনদিনের মধ্যেই দ্বিতীয়বার আবারও কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এই দুই পতাকা সুরক্ষিত রয়েছে শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরি সংগ্রহশালায়।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    ১০ বছর আগে শান্তিপুরের (Nadia) বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে কাজ করা অমিতাভ মৈত্র বেশ কয়েকজনকে নিয়ে এই অন্তর্ভুক্তি দিবস পালন করতে গেলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। যদিও শান্তিপুরের বিশিষ্টজনদের সহযোগিতায় জটিলতা কাটে। এরপর থেকে ভারতভুক্তি হিসেবে শান্তিপুরে ১৮ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এদিনের স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানে শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক সুশান্ত মঠ, উদ্যাপন কমিটির অমিতাভ মৈত্র, রজত প্রামাণিক, সঞ্জিত কাষ্ঠ, বিশ্বজিৎ রায় সহ বহু বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের ঘটনার প্রসঙ্গে উঠে আসে আলোচনায়। উদ্যোক্তারা বলেন, যদি সেই সময় পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই উদ্যোগ গ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ আমাদের পরিস্থিতিও ওই ভয়াবহতার মধ্যে দিয়েই কাটত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে (RG Kar Incident) সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। হাওড়া, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট মিছিল এগোতে থাকে। গন্তব্য একটাই, যুবভারতী স্টেডিয়াম। ডার্বি বাতিল হওয়ার দুঃখ নয়, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সেই প্রতিবাদ মিছিলকেও ভয় পেল পুলিশ। ফুটবলপ্রেমীদের সরাতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে হল পুলিশকে। এত অসহিষ্ণু কেন পুলিশ? যুবভারতী চত্বরে রবিবার পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী রিজু ঘোষাল।

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মামলায় বলা হয়েছে, দুই ক্লাবের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করেন। সেখানে লাঠিচার্জ করা হয় ও ১০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ইস্যুতে হাইকোর্টকে স্বতঃস্ফূর্ত মামলা গ্রহণের আর্জি জানান আইনজীবী। পুলিশের আচরণের প্রতিবাদেই এই মামলা। মামলাকারীর দাবি, পুলিশ লজ্জাজনক কাজ করছে। মামলাটি গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলার শুনানি। রবিবার, যুবভারতীতে ছিল ডুরান্ড ডার্বি। কিন্তু আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তপ্ত শহর, তাই ম্যাচেও অশান্তি হতে পারে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ নেই-এই অজুহাতেই ডার্বি বন্ধ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু দেখা গেল, রবিবার লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন সমর্থকদের একযোগে প্রতিবাদ মিছিল রুখতে রাস্তায় নামল শয়ে শয়ে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    “পুলিশের জবাব চাই”

    এদিন ডার্বির লডাই নয়, মোহন-ইস্ট সমর্থকরা একযোগে আরজি কর-এর নির্যাতিতার বিচার চেয়েছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুবভারতী চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল (RG Kar Incident) করতে দেওয়া যাবে না। বিএনএসএস-এর ১৬৩ ধারা (আইপিসির ১৪৪ ধারা) অনুযায়ী, সেখানে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। কারণ গোপন সূত্রে তাঁরা নাকি জানতে পেরেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ওই শান্তিপূর্ণ মিছিলে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়তে পারে। বিশৃঙ্খলা এবং অশান্তি তৈরি করতে পারে। কিন্তু কোনওটাই হয়নি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে আটকায় পুলিশ। যার ফলেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন ফুটবল প্রেমীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ময়দানের ৩ প্রধান দলের সমর্থকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ শুরু হয়। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু, কোনও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর বা নষ্ট না করা হলেও পুলিশ কেন এত সক্রিয় ছিল? বিষয়টি নিয়ে বিধাননগর পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের জবাব তলব করা হোক-এই আবেদন জানিয়ে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে হাত মুচড়ে দেওয়ার নিদান দিলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। বিরোধীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল পুলিশের একাংশকেও। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের জনরোষের মুখে পড়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেল সাংসদের মুখে। তাঁর এই বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে দলের নেতা-মন্ত্রীরা আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। দোষীদের শাস্তি দাবি করছেন। সেখানে নেত্রীর ‘গুড বুকে’ থাকার জন্য আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ? (Bankura)

    আরজি করের ঘটনায় সাধারণ মানুষের আন্দোলনে উত্তাল সারা দেশ। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে বেশ বেকায়দায় পড়ে একই দাবি তুলে পথে নেমেছে তৃণমূল। দলীয় নির্দেশে রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে মাচানতলা পর্যন্ত মূলত মহিলাদের নিয়ে মিছিল করে তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্ব। মিছিল শেষে মাচানতলায় আকাশ মুক্ত মঞ্চ সভা হয়। সভামঞ্চ থেকে সাংসদ বলেন, ‘‘মণিপুরে যখন মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয় তখন সিপিআইএম কোথায় ছিল? আজ মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে নাইট শো-র সিনেমা দেখার মতো করে মহিলাদের রাস্তায় নামানো হচ্ছে। এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে তৃণমূল কর্মীরা আপনাদের হাত মুচড়ে দেবে।’’ বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে আন্দোলনকারী জুনিয়ার চিকিৎসকদের সতর্ক করে সাংসদ বলেন, ‘‘কর্মবিরতির নামে অনেক জুনিয়র চিকিৎসক বেড়াতে যাচ্ছেন। অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন। আপনারা ডাক্তারি করতে এসেছেন, রাজনীতি করতে নয়। তাই আপনারা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখুন। হাসপাতালে রোগী মারা যেতে শুরু করলে গ্রাম-গঞ্জ থেকে দলে দলে লোক হাসপাতালে ছুটে আসবে। জনরোষ তৈরি হবে। তখন আমরা সামলাতে পারব না।’’ সভামঞ্চ থেকে পুলিশের একাংশকেও হুঁশিয়ারি দেন সাংসদ। তিনি বলেন, ‘‘পুলিশের একাংশ সাপের মুখেও চুমু খাচ্ছেন, আবার ব্যাঙের মুখেও চুমু খাচ্ছেন। মিটিং মিছিল করতে দিয়ে বিরোধীদের মদত দিচ্ছেন। আমাদের কর্মীরা সব নজর রাখছে। মনে রাখবেন আপনাদের রাজ্য সরকারের অধীনে কাজ করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকোর্টে মিছিল আইনজীবীদের, কী দাবি উঠল?

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকোর্টে মিছিল আইনজীবীদের, কী দাবি উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসক নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় সোমবার দুপুরে পথে নামলেন আইনজীবারা। সেই মিছিলের প্রথম সারিতেই দেখা গেল রাজ্যের একাধিক প্রাক্তন অ্যাডভোক্যাট জেনারেল (এজি)-কে। এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বহু বর্ষীয়ান আইনজীবী (Calcutta High Court)। প্রথম সারিতেই ছিলেন রাজ্য সরকারের প্রাক্তন এজি অনিন্দ্য মিত্র, প্রাক্তন এজি জয়ন্ত মিত্র। ছিলেন আইনজীবী সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, যিনিও এজি পদ থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

    প্রতিবাদে আইনজীবীরা

    সোমবার সকালে কালো রোব পরে হাতে পোস্টার নিয়ে মিছিল শুরু করেন হাইকোর্টের আইনজীবীরা (Calcutta High Court)। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ (RG Kar Incident)। সোমবার দুপুরেই বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে একটি বৈঠকে ডাকা হয়। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে স্থির হয়, আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হবে। একই সঙ্গে আইনজীবীদের ওই সংগঠনের তরফে অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। এই মিছিলে ছিলেন জিপি অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি রাজ্য সরকারের হয়ে একাধিক মামলা লড়েছেন। এদিন তিনি বলেন, ‘‘বিবেকের কাছে আমি দায়বদ্ধ। ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদ করতেই হবে। এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা নন্দীগ্রামের সময়ও লড়েছি।’’ প্রাক্তন এজি অনিন্দ্য মিত্র বলেন, ‘‘নাগরিক সুরক্ষা সব মানুষের অধিকার। এই আন্দোলন শুধুমাত্র ডাক্তারদের জন্য নয়।’’ আইনজীবীদের দাবি, সঠিক তদন্ত হচ্ছে না। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নির্যাতিতার পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে রাজ্য সরকার বিষয়টি লঘু করতে চাইছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    আন্দোলনে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা

    অন্যদিকে, আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ালেন অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকরাও। প্রবীণ চিকিৎসকদের একাংশ সোমবার বেলায় আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছন। সেখানে অবস্থানে বসা পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে পড়েন তাঁরাও। জানান, উত্তরসূরিদের আন্দোলনে সংহতি জানাতেই তাঁদের সেখানে যাওয়া। অবসরপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক বলেন, “আমাদের সময় আরজি কর হাসপাতাল এমন ছিল না। আর এখন কী সব খবর আসছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতা মহিলা চিকিৎসকের পরিচয় ফাঁস এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে রাজ্যের দুই সিনিয়র চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে সোমবার তলব করে লালবাজার (Lalbazar)। যদিও গুজব ছড়ানোর বিষয়ে পুলিশ মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে চিকিৎসক মহলের বড় অংশকে। এরই প্রতিবাদে দুই ডাক্তারকে নিয়ে এদিন মিছিল করে লালবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন চিকিৎসকরা। পাল্টা চিকিৎসকদের রুখতে রীতিমতো ব্যারিকেড করল পুলিশ। সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাজ্যে এমন ঘটনা বেনজির বলেই মনে করছে ওয়াকিহবহল মহল। আন্দোলন যে বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ, এমনটা বলছেন কেউ কেউ।

    ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫ নম্বর ধারায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তলব করা হয় দুই চিকিৎসককে। এরই প্রতিবাদে সরব হন শহরের বাকি ডাক্তাররাও। ব্যারিকেড (RG Kar) করে ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ। সেখান থেকেই দুই চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে নিয়ে লালবাজারের দিকে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। দুই চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁদের আইনজীবীরাও ছিলেন। লালবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এদিন জড়ো হন চিকিৎসকরা। সেখানেই বক্তব্য রাখতে দেখা যায় কুণাল সরকার ও সুবর্ণ গোস্বামীকে।

    ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে 

    সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, ‘‘সবাই জানেন এ রাজ্যে যে ঘৃণ্য অপরাধ ঘটেছে, সেই অন্যায়কে ধামাচাপা, দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ। আমরা চাইলে এর বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারতাম। কিন্তু আমরা মুখোমুখি লড়াই করতে চেয়েছিলাম। সবশেষে বলি, চোখ যত রাঙাবে, মিছিল তত বাড়বে।’’ সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘আরজি করে (RG Kar) এই ঘটনার আগে থেকেই আমরা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করে এসেছি। ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা কোনও ভুল তথ্য ছড়ায়নি। আমাদের তরফে কোথাও নির্যাতিতার নাম সামনে আসেনি, যা আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ করেছিলেন।’’

    দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি 

    সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘যে অটোপসি রিপোর্ট নিয়ে আমরা কথা বলেছি, তা নির্যাতিতার বাবার তরফে বলা হয়েছিল। আমরা সাতটি সংগঠনের তরফে যখন তাঁদের বাড়িতে যাই, সেই সময় বলা হয় যে, এটা নিয়ে আপনারা সরব হন। তার ওপর ভিত্তি করেই দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলি। সেটাই সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছি।’’ চিকিৎসক কুণাল সরকার বলেন, ‘‘জীবনে কত পরীক্ষা দিয়েছি, আজকে পুলিশ আমাদের প্রশ্ন করতে চায়। আজকে পুলিশ (Lalbazar) আমার বিবেক, বুদ্ধি, সমাজ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর চায়, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা ৩১ বছরের একজন সতীর্থকে চিরতরে হারিয়েছি। এই গ্লানি রয়ে গিয়েছে। মনে রাখতে হবে সমাজের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে। রাজ্যের মানুষের কাছে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এখন ডাক্তারদের একসঙ্গে আসতে হবে। পারস্পরিক আলোচনা করতে হবে। একতরফা বলে যাওয়ার সময় এটা নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর ইস্যুতে প্রতিবাদ মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

    RG Kar Incident: আরজি কর ইস্যুতে প্রতিবাদ মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) কাণ্ডে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। এবার সারা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। সেই মতো তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এরকম ঘটনার জন্য প্রতিবাদ মিছিল করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা? (RG Kar Incident)

    জানা গিয়েছে, আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে মৌলালি থেকে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রোসিং পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপি নেতা স্বপনবাবু। দিনকয়েক আগেই আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীর নৃশংস ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই পথেই মিছিল করেছিলেন। ফলে, আপত্তি হবে না জেনেই পুলিশের কাছে বিজেপি নেতা আবেদন করেছিলেন। কিন্তু,পুলিশ অনুমতি দেয়নি। তাই, মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। সোমবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের কাছে মামলা করার অনুমতি চান মামলাকারীর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য। তাঁর আবেদন, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতার মৌলালি থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হোক। পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আবেদন জানিয়েও অনুমতি মিলছে না বলে দাবি করেন তিনি। বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) উত্তাল গোটা দেশ। দিকে দিকে চলছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, ধর্না, মিছিল। সকলের একটাই দাবি, ‘বিচার চাই’। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ তো বটেই রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মবিরতিতে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকারাও আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। প্রায়ই কলকাতার রাস্তায় মিছিল বার করছেন প্রতিবাদীরা। একাধিক ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। প্রতিবাদে পথে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলিও। বিরোধীরা আরজি কর-কাণ্ডে বাংলার শাসক দল তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলছে। আরজি করে চিকিৎসক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে প্রায় সর্বস্তরের মানুষ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহে ওই স্থানে ঠিক ওই রাস্তাতেই মিছিল করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করতে পারলে, কেন অনুমতি দেওয়া হবে না, সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share