Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar Hospital: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    RG Kar Hospital: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Hospital) কাণ্ডের প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনে নামতে চলেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রবিবারই এক সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দলীয় কর্মসূচির কথা বলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ‘তিলোত্তমা’ বা ‘অভয়া’-র খুন-ধর্ষণের বিচার চেয়ে স্বাস্থ্যভবন ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি (BJP)। একই দাবিতে এ সপ্তাহে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্না কর্মসূচিরও আয়োজন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সুকান্ত বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য ভবন ঘুঘুর বাসা। আমরাও বিচার চাই। অবিলম্বে আসল অপরাধীদের গ্রেফতার করা হোক। সিবিআইকে বলব, পুলিশ এবং আরজিকর প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে টেলিফোনিক কথাবার্তায় নজর দিতে।’’

    সিএম-এর পদত্যাগ চাই

    রবিবার বাংলা বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘সিএম-এর পদত্যাগ চাই। সোমবার আদালতে যাব। ২০ অগাস্ট থেকে ২৩ অগাস্ট লাগাতার ধর্নায় বসবে দলের বিভিন্ন সেল। স্বাস্থ্য ভবনেও অভিযান চালানো হবে।’’ সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘লকেট-সহ আমাদের যাঁদের নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, তাঁরা লালবাজারে যাবেন না। অন্য কেউ যদি আমাদের তরফে আইনি সহায়তা চান আমরা দিতে প্রস্তুত। আরজিকর (RG Kar Hospital) ইস্যুতে লড়াই চালিয়ে যান।’’

    মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে

    সুকান্ত মজুমদার এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে। মঙ্গলবার ধর্না কর্মসূচির (RG Kar Hospital) প্রথম দিন উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ধর্নায় যোগ দেবেন দলের সাংসদেরা। বৃহস্পতিবার ধর্নামঞ্চে থাকবেন দলের সমস্ত শাখা সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সদস্যেরা। শুক্রবার দলের মহিলা মোর্চার নেতৃত্বে ধর্না কর্মসূচি চলবে। সুকান্ত জানিয়েছেন, ধর্না কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশের তরফে অনুমতি না মিললে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

    সোমবার রাখি বন্ধন কর্মসূচি (RG Kar Hospital)

    সোমবার রাখি পূর্ণিমার দিনও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক কর্মসূচি রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। কলকাতার ১৫টি জায়গায় এবং প্রতিটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘রাখিবন্ধন উৎসব’ পালন করবেন মহিলা মোর্চার সদস্যারা। প্রসঙ্গত, মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেই কর্মসূচি বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির (BJP)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    রবিবারই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ‘‘যাঁরা ভোট দিয়ে এই সরকারকে এনেছিলেন, তাঁরা এবার বুঝুন। সময় এসেছে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলার। যে কেউ নবান্ন চলোর ডাক দিন, আমি আছি। এই রাজ্যের সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারছে না। অন্যদিকে একটা খেলা যেখানে রাজনীতির সম্পর্ক নেই সেটাও আয়োজনে ব্যর্থ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ৭ দিনেও কোনও পদক্ষেপ নেই! আরজি কর-কাণ্ডের দ্রুত বিচার চেয়ে মমতাকে চিঠি হরভজনের

    RG Kar: ৭ দিনেও কোনও পদক্ষেপ নেই! আরজি কর-কাণ্ডের দ্রুত বিচার চেয়ে মমতাকে চিঠি হরভজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar) তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে তোলপাড় গোটা দেশ। ঘটনার বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে আমজনতা। এবার এই জঘন্য ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হলেন হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। আরজি কর কাণ্ডে সুবিচারে দেরি হওয়া নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন তিনি।   

    খোলা চিঠি হরভজনের (Harbhajan Singh)

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও দেশের নাগরিকদের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন হরভজন সিং। আরজি করের ঘটনা ঘটেছে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন এখনও পর্যন্ত দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেই প্রশ্ন তুলে তিনি  লিখেছেন, “অবর্ণনীয় অত্যাচার, যা আমাদের সকলের অন্তরাত্মাকে নাড়িয়ে দিয়েছে, এটা শুধু কোনও একজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনই নয়, বরং আমাদের সমাজের প্রত্যেক নারীর সম্মান ও সুরক্ষায় আঘাত। এটা সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা সমস্যারই প্রতিফলন। মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠান, যেখানে চিকিৎসা ও জীবন রক্ষা করা হয়, তার ভিতরেই যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তবে তা একইসঙ্গে ভয়ঙ্কর এবং অগ্রহণযোগ্য। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা এমনিই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে কাজ করেন। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে, কীভাবে তারা নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পূরণ করবেন? যেখানে তাদেরই নিরাপত্তার গ্যারান্টি নেই। এই ঘটনার সুবিচারের জন্য চিকিৎসকরা প্রতিবাদে পথে নেমেছেন।  চিকিৎসকদের এই লড়াইকে আমি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।” 

    সিবিআই-কে দ্রুত পদক্ষেপ করার অনুরোধ 

    নিজের খোলা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন হরভজন (Harbhajan Singh)। গোটা দেশকে নারীদের জন্য সুরক্ষিত করা হোক, প্রার্থনা তাঁর। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের ঘটনা (RG Kar Incident) সংবাদপত্র ও টেলিভশন চ্যানেলে সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সব রাজ্যের সরকারকেই কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। পদক্ষেপ নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। এখন না নিলে আর কবে?” 

    আরও পড়ুন: হিন্দু পরিচয় দিয়ে, তিলক পরে তরুণীকে ধর্ষণ উত্তরপ্রদেশে

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে আগেই সরব হয়েছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ, ঋদ্ধিমান সাহা, মহম্মদ সিরাজের মতো ব্যক্তিত্বরা। আর এবার ইনস্টাগ্রামে সরব হলেন জোড়া বিশ্বকাপজয়ী হরভজন।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar incident: আরজি কর-কাণ্ডের জের! রাজ্যগুলিকে ২ ঘণ্টা অন্তর রিপোর্ট পেশের নির্দেশ কেন্দ্রের

    RG Kar incident: আরজি কর-কাণ্ডের জের! রাজ্যগুলিকে ২ ঘণ্টা অন্তর রিপোর্ট পেশের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (R G Kar incident) হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার নয়া নির্দেশ দিল কেন্দ্র। কলকাতার হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসছে গোটা দেশ। বিশেষত এই ঘটনার প্রতিবাদে আওয়াজ তুলেছে চিকিৎসক মহলও। একাধিক রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জটিল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই আবহে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

    কী জানিয়েছে কেন্দ্র? (Central Government) 

    বর্তমানে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার (R G Kar incident) প্রতিবাদে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে দেশের সব রাজ্যকে তাদের আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে তথ্য দিতে বলল কেন্দ্র। রাজ্য প্রশাসনকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। দুঘণ্টা অন্তর সেই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠাতে হবে। জানা গিয়েছে, ইমেল, ফ্যাক্স বা হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে রিপোর্ট দিতে পারবে রাজ্য। এই রিপোর্ট যাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কন্ট্রোল রুমে। শুধু তা-ই নয়, যদি কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে তবে তৎক্ষণাৎ তা কেন্দ্রকে জানাতে হবে। 

    আরও পড়ুন: জমি কেলেঙ্কারি মামলায় বিচার শুরুর সম্মতি রাজ্যপালের, বিপাকে সিদ্দারামাইয়া

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (R G Kar incident) 

    আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। দেশজুড়ে একাধিক হাসপাতালে কর্মবিরতির ঘোষণা করেছেন চিকিৎসকরা। অনেক জায়গায় মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে প্রশাসনকে। তাই এবার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Central Government)।
    কেন্দ্রের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আরজি করের সামনে ভিড় নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে লালবাজার জানিয়েছে, ১৮ অগস্ট, অর্থাৎ শনিবার থেকে ২৪ অগস্ট, পরের সপ্তাহের শনিবার পর্যন্ত পাঁচ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি হয়েছিল ৭ বছর পর!  কবে হবে তিলোত্তমার খুনের বিচার?

    RG Kar Incident: নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি হয়েছিল ৭ বছর পর! কবে হবে তিলোত্তমার খুনের বিচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের (Nirbhaya Case) কথা মনে আছে? কলকাতায় সম্প্রতি আরজি করে এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনার পর ফের উঠে আসছে নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের কথা। নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডের প্রায় ১২ বছর পর কলকাতায় আরজি করে (RG Kar Incident) এই তরুণী চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় সরব হয়েছেন সবাই। সবার একটাই প্রশ্ন, দোষীদের শাস্তি হবে কবে?   

    নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ড (Nirbhaya Case) 

    ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ দিল্লির মুনির্কাতে ওই নৃশংস ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। বিক্ষোভ, মিছিল, দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছিল সবাই। সেদিন রাতে নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধু সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। প্রথমে অটো ধরে মুনির্কা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। রাত তখন সাড়ে ৯টা। তাঁদের সামনে একটি বাস এসে দাঁড়ায়। এক নাবালক মুখ বাড়িয়ে জানতে চায়, তাঁরা কোথায় যাবেন। দ্বারকার কথা বলতেই সে জানায়, ওইপথেই বাস যাবে। বাসে উঠেন নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধু। বাসে তখন চালক-সহ ৬ জন। নির্ভয়ার কাছ থেকে ২ জনের ভাড়া হিসেবে ২০ টাকা নেয় কন্ডাক্টর। তখনও কিছু সন্দেহ হয়নি তাঁদের। কিন্তু, বাস অন্য রুট ধরতেই নির্ভয়ার বন্ধু চমকে ওঠেন। রুট বদলানোর কারণ জানতে চান। ততক্ষণে নিজেদের আসল মূর্তি ধারণ করেছে ওই ৬ জন। বাসের দরজা বন্ধ করে দেয়। নির্ভয়ার বন্ধুকে মারধর করা হয়। তারপর শুরু হয় সেই নৃশংসতা। নির্ভয়াকে গণধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর যৌনাঙ্গে রড ঢোকানো হয়। ৬ জনের মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস ছিল এক নাবালক। নৃশংস অত্যাচারের পর নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধুকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালায় তারা। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে নির্ভয়াকে। কিন্তু চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর দোষীদের চিহ্নিত করতে ও তাদের সাজা পাওয়াতে কেটে গেছিল অনেকগুলো বছর। বহু ঘাতপ্রতিঘাত পেরিয়ে অবশেষে নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রায় ৭ বছর ৪ মাস পর ২০২০ সালের ২০ মার্চ মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, অক্ষয় ঠাকুর ও পবন গুপ্তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। তার আগে এক অভিযুক্ত জেলের মধ্যেই আত্মহত্যা করে। আর এক অভিযুক্ত নাবালক হওয়ায় তাকে ৩ বছর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড। 

    আরও পড়ুন: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    তিলোত্তমার অপরাধীরা কবে শাস্তি পাবে? (RG Kar Incident) 

    নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডের (Nirbhaya Case) মতো এবারেও কলকাতায় আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় সরব হয়েছেন সবাই। ‘রাত দখল’ করেছেন মহিলারা। নির্ভয়াকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলছেন অনেকে। নির্ভয়াকাণ্ডের মতো আরজি করের নৃশংস ঘটনায় দোষীদের ফাঁসির সাজার দাবি উঠছে। কিন্তু এই দোষীদের কি আদৌ সাজা হবে? কবে আসবে সেই দিন? অপেক্ষায় গোটা দেশ। 
    যদিও ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি আরও কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশে নারকীয় এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যেতেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে এজেন্সি। আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও জেরা করে চলেছে সিবিআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata News: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    Kolkata News: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দুপুরে কলকাতার (Kolkata News) রাস্তায় হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার সাহা (Singer Durnibar) ও তাঁর স্ত্রী ঐন্দ্রিলা সেন ওরফে মোহর। প্রসঙ্গত, ঐন্দ্রিলা হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক। জানা গিয়েছে, রাস্তাতেই দুর্নিবার-মোহরের ওপর চড়াও হয় একদল লোক। অভিযোগ, দুর্নিবারের গলা চেপে ধরে তারা। গোটা ঘটনাটি নিয়ে সমাজ মাধ্যমে সরব হন গায়ক।

    কী বলেছেন দুর্নিবার? (Kolkata News)

    নিজের ফেসবুক পেজে একটা ভিডিও পোস্ট করেন গায়ক দুর্নিবার সাহা। তাঁকে সেখানে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি দুর্নিবার, আমার সঙ্গে আছে মোহর। আমাদের সঙ্গে ঠিক এক ঘণ্টা আগে কলকাতার ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডে, নাকতলার ভিতরে একটা রাস্তার মোড়ে খুব খারাপ একটা ঘটনা ঘটে।’’ গায়কের অভিযোগ, কোনও রকমের রোড ব্লকেজের নোটিশ না থাকা সত্ত্বেও একদল লোক রাস্তা সারাইয়ের কাজ করছিলেন। তখন গায়ক ৫-৬বার হর্ন দিয়ে বলেন, ‘‘এটা দুপুরবেলা, রাস্তা ঠিক করার সময় নয়। সরে যান গাড়িটা যেতে দিন। তখনই তাঁরা (লোকগুলি) তেড়ে আসেন।’’

    ওঁরা আমার গলা চেপে ধরে 

    এরপরেই তাঁর ওপর হামলা করার অভিযোগ করেন গায়ক (Singer Durnibar)। তিনি বলেন, ‘‘আমি তখন ওঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য হই। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওঁরা আমার গলা চেপে ধরে (গলার দাগ দেখিয়ে)। আমার গলায় ভীষণ ব্যাথা, এখনও ঢোঁক গিলতে পারছি না। আমার হাতেও দাগ দেখতে পাবেন। নিজে বাঁচতে আমিও হামলাকারীদের একজনের গলা ধরি। তখন ওঁরা ৩-৪জন মিলে টেনে হিঁচড়ে রাস্তার উল্টোদিকে নিয়ে যান।’’ মোহর তখনও নামেনি, ও বেগতিক দেখে (Kolkata News) নামে। ও যখন নামে তখনও আমার একজন গলা চেপে ধরে আছে, হাত ধরে আছে। যাতে আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।’’ সব শেষে দুর্নিবার জানান, যাঁরা রাস্তায় কাজ করছিলেন, তাঁরা কিন্তু কোনও মিস্ত্রী নন, স্থানীয় বাসিন্দা।

    কী বললেন মোহর?

    ফেসবুকের (Kolkata News) ওই ভিডিওতে দুর্নিবারের সঙ্গে মোহরও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘এত কিছুর পরে বলব, কিছু ভালো মানুষ হয়ত আছেন। এক ভদ্রলোক আমাকে দেখে কাঁদতে শুরু করেছিলেন। বলেন, মা তুমি গাড়িতে গিয়ে বসো, চতুর্দিকে যা হচ্ছে, বুঝতে পারছি না কেন হচ্ছে, তুমি প্লিজ গাড়িতে বসো। আমিও এখনও বিষয়টা থেকে বের হতে পারছি না। ভর দুপুর বেলা! কী বলব লোককে? কেউ কখনও বাইরে বের হবেন না!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R G Kar Incident: ‘‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ’’, মমতার পদত্যাগ চাইলেন নির্ভয়ার মা

    R G Kar Incident: ‘‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ’’, মমতার পদত্যাগ চাইলেন নির্ভয়ার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (R G Kar Incident) বিচার চেয়ে প্রতিবাদে গোটা দেশ। এরই মধ্যে এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ (CM resignation) দাবি করলেন ২০১২ সালে দিল্লি গণধর্ষণ মামলার নির্যাতিতা নির্ভয়ার মা।  শনিবার এক সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, “পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।”

    ঠিক কী জানিয়েছেন নির্ভয়ার মা? (R G Kar Incident) 

    আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় দোষীর ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নামেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। অপরাধীর ফাঁসি চাই স্লোগান তুলে সিবিআই তদন্তের ডেডলাইন বেঁধে দেন। আর এই ঘটনার পরেই নির্ভয়া কাণ্ডে নির্যাতিতার মা আশা দেবী বলেন, ‘‘‌একজন মহিলা হিসেবে তাঁর কড়া পদক্ষেপ করা উচিত ছিল অপরাধীদের বিরুদ্ধে। কারণ তিনিই ওই রাজ্যের প্রধান। তাই এমন পরিস্থিতি সামলাতে না পারার জন্য তাঁর পদত্যাগ (CM resignation) করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতা প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে নিজে প্রতিবাদে নেমে জনতার দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন।’‌’

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের! ডাক্তারদের ওপর হামলা হলেই কঠোর সাজা, আইন আনছে কেন্দ্র

    নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দিল্লির নির্যাতিতার মা

    এদিন তিনি নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর কথায়, ‘‘কলকাতার হাসপাতালেই মেয়েরা সুরক্ষিত নন। দেশে তাঁদের নিরাপত্তা কতটা, তা এখান থেকেই বোঝা যায়।” তাঁর মতে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ধর্ষকদের জন্য কঠোর সাজার বন্দোবস্ত না করা পর্যন্ত এই ধরনের বর্বরতা চলতেই থাকবে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় (R G Kar Incident) অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় অভিযুক্তকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দিতে হয়।  
    উল্লেখ্য, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় (R G Kar Incident) উত্তপ্ত রাজ্য৷ ইতিমধ্যেই ঘটনার বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে রাজ্যের সর্বত্র অবস্থান, বিক্ষোভে নেমেছে বিজেপি৷ শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপির সংগঠন৷ এই বিক্ষোভে সামিল হয় বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: মমতার ফোন বাজেয়াপ্ত হলেই আরও তথ্য সামনে আসবে, আরজি কর নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    RG Kar: মমতার ফোন বাজেয়াপ্ত হলেই আরও তথ্য সামনে আসবে, আরজি কর নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু, মমতার ফোন বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানালেন। বিরোধী দলনেতার দাবি, এতেই তদন্ত স্বচ্ছ হবে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে  শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘কলকাতা পুলিশ তদন্তের নামে তিলোত্তমার ভিসেরা পরিবর্তন করেছে। যেখানে এই অপরাধ ঘটেছে, সেখানে বেশ কয়েক জনের যুক্ত থাকার বিষয় উড়িয়ে দেওয়া যায় না। রক্তাক্ত কিছু জিনিস পরিবর্তন করা হয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলি নিশ্চিত করা যায়।’’ এরপরেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আরজিকরের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, ডিজিপি রাজীব কুমার ও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমের ফোন বাজেয়াপ্ত করার পর কল রেকর্ড এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখলেই সমস্ত কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।’’

    অন্য জায়গায় নারকীয় ঘটনা ঘটার পর সেমিনার হলে সেই দেহ নিয়ে আসা হয় (RG Kar) 

    নন্দীগ্রামের এক অনুষ্ঠান (RG Kar)  থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমার সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখুন। আমি অনেক কিছু সামনে আনব। সব আমার কাছে আছে।’’  শুভেন্দু অধিকারী এমনও বিস্ফোরক দাবি করেছেন যে ঘটনাস্থলের ওয়াশ বেসিন বদলে ফেলা হয়েছে। নতুন বেসিন লাগানো হয়েছে সেখানে। শুভেন্দু আরও একটি বক্তব্য তুলে ধরেছেন তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে। লিখেছেন, ‘‘অন্য জায়গায় নারকীয় ঘটনা ঘটার পর সেমিনার হলে সেই দেহ নিয়ে আসা হয়।’’

    সন্দীপ ঘোষের গুণের শেষ নেই

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরজি কর (RG Kar)  মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ‘যোগসূত্র’ নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেন, মমতাকে খাম দিতেন সন্দীপ। শুক্রবারই নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘‘এই সন্দীপ ঘোষের তো গুণের শেষ নেই। ২০২১ সালে ভালো পা’টাকে ব্যান্ডেজে জড়িয়েছিলেন উনি। সীমাহীন কৃতজ্ঞতা বোধ আছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে একুশ সালে টুপি পরিয়েছেন। ভালো পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে হুইলচেয়ার চিহ্নে ভোট দিন বলে গোটা পশ্চিমবঙ্গ ঘুরে বেরিয়েছেন। সেই অপকর্মটা করেছেন সন্দীপ ঘোষ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ঢোক গিলল রাজ্য, প্রত্যাহার করা হল চিকিৎসকদের বদলির সিদ্ধান্ত

    RG Kar Case: ঢোক গিলল রাজ্য, প্রত্যাহার করা হল চিকিৎসকদের বদলির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢোক গিলল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। বদলি প্রত্যাহার করা হল আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Case) সেই ৪২ জন চিকিৎসকের। শনিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।

    স্বাস্থ্য সচিবের সাফাই (RG Kar Case)

    সাফাই গাইতে তিনি বলেন, “এই বদলির নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ নেই। এটা রুটিন বদলি ছিল। মাস দুয়েক আগেই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।” রুটিন বদলিই যদি হয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত কেন প্রত্যাহার করা হল, তার জুতসই কোনও জবাব অবশ্য দিতে পারেননি রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব। নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, “যে বদলির কথা বলা হয়েছে, সেই বদলির প্রক্রিয়া আরজি করের ৯ অগাস্টের ঘটনার প্রায় দু’মাস আগেই শুরু হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এই বদলির নির্দেশে ছাড়পত্র অনেক আগেই দিয়েছিলেন। নামের বানান থেকে শুরু করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংশোধনের কাজ মিটিয়ে বদলির অর্ডার ইস্যু করতে অনেক দেরি হল। তবে আমরা সেই নির্দেশও প্রত্যাহার করছি।”

    ছেঁদো যুক্তি!

    তিনি বলেন, “ওই চিকিৎসকরা এখন বিভিন্ন জায়গায় পরিষেবা দিচ্ছেন। তাঁদের বদলি করলে পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে। তাই বদলির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হল। এতে কোনও বিতর্ক নেই। বদলির নির্দেশ আপাতত বাতিল করা হয়েছে। চিকিৎসক সংগঠন ‘ইউনাইটেড ডক্টর্স ফ্রন্ট অ্যাসোসিয়েশনে’র তরফে বদলির প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল (RG Kar Case)। এক্স হ্যান্ডেলে বলা হয়েছিল, “বাংলার রাজ্যপাল আমাদের প্রতিবাদ সমর্থনকারী সদস্যদের অন্যায়ভাবে বদলি করেছেন। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ কিন্তু ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার জন্য আমাদের দাবি স্তব্ধ করতে পারবে না। আমরা আমাদের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিংসায় মৃত ৬৫০, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    বদলির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব হয়েছিল ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ হেল্থ সার্ভিস ডক্টর্সও।’ এই আবহেই প্রত্যাহার করা হল বদলির সিদ্ধান্ত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ঘরে-বাইরে (Health Department) চাপে পড়ে গিয়েই ফেলে দেওয়া থুতু গিলল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার (RG Kar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করে চিকিৎসক খুনের তদন্তে সিবিআইয়ের অস্ত্র থ্রিডি লেজার স্ক্যানার

    CBI: আরজি করে চিকিৎসক খুনের তদন্তে সিবিআইয়ের অস্ত্র থ্রিডি লেজার স্ক্যানার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের নির্দেশে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিবিআই (CBI)। তারপরই নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ একাধিক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন সিবিআই কর্তারা।

    থ্রিডি লেজার স্ক্যানার মেশিনের কী কাজ? (CBI)

    জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) যেখানে তরুণী চিকিৎসককে খুন করা হয়েছিল, সেই জায়গাটা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘুরে দেখেছেন ইতিমধ্যেই। তবে ঘটনাস্থলে এমন অনেক জিনিসই থাকে যা খালি চোখে ধরা পড়ে না। সে ক্ষেত্রে তদন্তের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তির থ্রিডি লেজার স্ক্যানার মেশিন। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনাস্থলের ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলের ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। ফলে, খালি চোখে দেখা যায় না এমন নানা সূক্ষ্ম জিনিসও তদন্তকারীদের সাহায্য করে নানা ভাবে। ঘটনাস্থলের কাছেই হঠাৎ সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ তোলা হয়েছে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে। যদিও পরে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় পুলিশের নির্দেশে। তবে সিবিআই (CBI) তদন্তের ক্ষেত্রে কোনও কিছুই চোখের আড়াল করবে না। আর তাই ঘটনাস্থল থেকে শুরু করে গোটা ওই বিল্ডিং থ্রিডি লেজার স্ক্যানিং করে রাখছে তারা। লেজার স্ক্যানার দ্বারা ক্যাপচার করা পয়েন্ট ক্লাউড ডেটা থেকে ব্লাড স্প্যাটার, বুলেট ট্র্যাজেক্টোরি এবং খালি চোখে না দেখা বস্তুও পরীক্ষা করে বের করা যেতে পারে। শুধু তাই নয় আদালতে পরবর্তীতে বিচারের ক্ষেত্রেও এই ডিজিটাল ডেটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মুহূর্তেই যে কোনও জায়গায় ঘটনাস্থলকে তুলে ধরতে পারে এই ডেটা। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখতে একাধিক তদন্তকারীর প্রয়োজন হয়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে হয় তদন্তকারীদের। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি বোতামের স্পর্শেই কয়েক মিনিটের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে। একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হোন বা তদন্তকারীরা, যে কোনও সময় এই নথি দেখেই প্রমাণ পর্যালোচনা করে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘দুর্নীতির আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে’’, তোপ বোসের

    বগটুই কাণ্ডে ব্যবহার হয়েছিল এই লেজার

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ধরনের লেজার স্ক্যানার সাধারণত বড় কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর আগে বাংলায় এই মেশিন ব্যবহার করা হয়েছিল বগটুই কাণ্ডে। এই যন্ত্র চালাতে বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন তদন্তকারী দলও আরজি কর হাসপাতালে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। এই থ্রিডি লেজার স্ক্যানারগুলি অত্যন্ত উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ডেটা কালেক্ট করায় নির্ভুলভাবে উচ্চ বাস্তবতার ভার্চুয়াল কপি তৈরি করতেও সক্ষম। তার জেরে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের কাছে, একটি অপরাধের দৃশ্য খুব কম সময়ে এবং অনেক বেশি বিশদে খতিয়ে দেখা সম্ভব হয়। সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের কাছে অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠতে চলেছে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তদন্তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doctors Transfer: ‘‘হিটলারকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা’’, ডাক্তার-বদলি ইস্যুতে তুলোধনা বিজেপির

    Doctors Transfer: ‘‘হিটলারকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা’’, ডাক্তার-বদলি ইস্যুতে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে তোলপাড় দেশ। সাধারণ মানুষ পথে নেমে প্রতিবাদ করছেন। চিকিৎসকরাও এই ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেছেন। এবার প্রতিবাদী চিকিৎসকদের মুখ বন্ধ করতে তড়িঘড়়ি বদলির (Doctors Transfer)  সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। আচমকাই ৪২ জন চিকিৎসককে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল সরকারের এহেন স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার সরব হল বিজেপি। পদ্ম-পার্টির (BJP) অভিযোগ, প্রতিবাদে শামিল হওয়ার মাশুল গুণতে হল ওই চিকিৎসকদের।

    কী বললেন অমিত মালব্য (Doctors Transfer)  

    আরজি করকাণ্ডের জেরে গত ৯ দিন ধরে রাজ্যের একাধিক হাসপাতালে চলছে কর্মবিরতি। এহেন আবহে, শুক্রবার দুপুরে আরজি করের নার্সদের নার্সিং সুপারের দফতর থেকে বলা হয়, স্বাস্থ্যভবন জানিয়েছে যাঁরা আন্দোলনে যাচ্ছেন, তাঁদের ভিডিও করে রাখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরই বিকেলের দিকে দেখা যায় একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে ৪২ জনের বদলির কথা বলা হয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। লেখেন, ১৬ অগাস্ট ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট হেল্থ মিনিস্ট্রি ৮ পাতার একটি ট্রান্সফার (Doctors Transfer) অর্ডার বের করেছে। সিনিয়র ডাক্তারদের বশ্যতা স্বীকারে ভয় দেখানোর একটি মরিয়া চেষ্টা। কী আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?  

    তৃণমূলকে তুলোধনা বিজেপির জাতীয় মুখপাত্রের

    শুধু অমিত মালব্যের পোস্টই নয়, বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালাও বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই তালিবানি ফতোয়া মিডিয়া থেকেই পেয়েছি আমি। কীভাবে ন্যায়ের পক্ষে কণ্ঠ ছাড়ায় ৪২ জন ডাক্তারকে বদলি (Doctors Transfer) করে দিল। কারও কারও তো দূর দূরান্তেও বদলি হয়েছে। বাংলার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে ঘটা মর্মান্তিক ঘটনায় সারাদেশ রাগে ফুটছে। সবাই পথে নেমেছেন এবং সবার একটাই দাবি বিচার চাই।”

    তিনি বলেন, “কিন্তু বিচার দেওয়ার বদলে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অ্যাজেন্ডা হল সুবিচার করো না, মহিলাদের বাঁচতে দিও না, শুধুমাত্র ধর্ষণকারীদের বাঁচাও। তৃণমূল কংগ্রেস এখন ‘তালিবানি মুঝে চাহিয়ে’ ও ‘তানাশাহি মুঝে চাহিয়ে’ সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। দোষীদের শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে, বিচার দেওয়ার পরিবর্তে, যারা এই জঘন্য অপরাধ নিয়ে আন্দোলন করছেন, তাঁদের বিভিন্নভাবে সমস্যায় ফেলা হচ্ছে। আজ যদি ইন্দিরা গান্ধী, স্ট্যালিন, কিম জং ইল এবং হিটলারের মতো স্বৈরাচারীরাও থাকতেন, তাঁরাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাহবা দিতেন । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁদেরও ছাপিয়ে গিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: ‘‘দুর্নীতির আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে’’, তোপ বোসের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share