Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের মৃত্যুর জন্য আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের চেস্ট ডিপার্টমেন্টকেও দায়ী করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। রীতিমতো ক্ষোভের সুরে তাঁরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতাকে সব সময় চাপে রাখা হত। জ্বরের সময় নির্যাতিতাকে কাজ করানোরও অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার (RG Kar) বাবার কথায়, ‘‘মেয়ের ভিপি চাপে রাখত। জ্বর হলেও ছুটি দিত না। এক বার একটি বাইক ওকে ধাক্কা দেয়। আঘাত লাগে। তার পরেও ছুটি দেয়নি।’’ নির্যাতিতার মায়ের (RG Kar Victims Mother) দাবি, পড়াশোনাতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে কারণে, এ সব বিষয়ে নজর দিতেন না চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘‘মেয়ে সব কিছু এড়িয়ে যেত। এ সবে নজর দিলে পড়াশোনায় ক্ষতি হবে বলে এড়িয়ে যেত। আপনারা বুঝতে পারছেন, আরজি করে কী হত?’’ নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা আরও জানিয়েছেন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, এমন আশঙ্কাও ছিল তাঁদের মেয়ের। তাঁর কথায়, ‘‘ভয় ছিল। চাপ ছিল, ওপরমহলের।’’

    ভরসা সিবিআইয়ে (RG Kar) 

    হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। নির্যাতিতার বাবা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের ওপর ‘আস্থা রাখতে হবে’ তাঁদের। নিজেদের বেশ কিছু সন্দেহের কথাও সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার বাবা এবং মা। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘সন্দেহ হচ্ছে, অন্যত্র কোথাও খুন হয়েছে। যত ক্ষণ না জানতে পারছি, সুনিশ্চিত হতে পারছি না।’’ নিহতের (RG Kar) মা বলেন, ‘‘জানতে পেরেছি, মেয়ের দেহ যে ভাবে আমাদের দেখানো হয়েছে, সে ভাবে ছিল না। দেহে জামাকাপড় ছিল না, এটা আমরা জানতে পেরেছি। সিবিআইকে সব বলব। আমাদের মনে হচ্ছে, আমাদের আড়াল করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে।’’

    নির্যাতিতার ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’র ছবি রয়েছে বাবার কাছে

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদেরও শাস্তির দাবিও তুলেছেন তাঁরা। নির্যাতিতার মা (RG Kar Victims Mother) বলেন, ‘‘ওই ক্ষতবিক্ষত দেহ, যে দেহে জামা কাপড় নেই, তা দেখে এক জন বলছেন, আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এটা হতে পারে না। আড়াল করার চেষ্টা না হলে এ রকম হতে পারে না। আত্মহত্যা বলা হয়েছে, এটাও অপরাধ। পুলিশ আধিকারিকদের শাস্তি চাইছি প্রথম থেকে।’’ আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের ডায়েরি থেকে ‘ছেঁড়া পাতা’-র ছবি তাঁর কাছে রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে এদিন জানিয়েছেন নির্যাতিতার (RG Kar) বাবা। তাঁর আরও দাবি, সিবিআই চাইলে তিনি তা দিতে প্রস্তুত। কী লেখা রয়েছে সেই ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’-য়? এই নিয়ে তদন্তের স্বার্থে তিনি কিছু বলতে চাননি। তবে যা লেখা ছিল, তার সারমর্ম হল, মৃত চিকিৎসক ‘সুখে’ থাকতে চেয়েছিলেন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানের ডাক, ফের ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানের ডাক, ফের ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) ফের একবার ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আরজি করকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরেও একাধিকবার তিনি এই ঝান্ডাহীন আন্দোলনের কথা বলেছেন। আবারও বললেন। এবং এই ডাক দিতে অনুরোধ করলেন নির্যাতিতার বাবাকে।

    শুধু একবার ডাক দিন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “নির্যাতিতার বাবাকে মিছিলে হাঁটতে হবে না। তিনি শুধু একবার ডাক দিন, যে নবান্ন অভিযান হবে। তারপর বাকিটা আমরা করে নেব।” সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেছেন, “ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের) ওপর এক সময় পুরোপুরি বিশ্বাস ছিল। এখন আর বিশ্বাসটাই নেই।” নির্যাতিতার মা আবার পুলিশ দ্রুত তদন্ত বন্ধ করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন। নির্যাতিতার পরিবারের আক্রমণের ঝাঁঝ কমে যাওয়ার আগেই ফের তৃণমূলের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু

    সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাজ্য সরকার বলছে, রাত মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়। এ লজ্জা রাখার কোনও জায়গা আছে? যেখানে সংসদে, বিধানসভায় মহিলাদের আসন সংরক্ষণ বিল পাশ হচ্ছে, নারী সশক্তিকরণের কথা বলা হচ্ছে। রাজ্যগুলিতে কেন্দ্র নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মহিলাদের বাড়ির মালিকানা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে এই রাজ্য সরকার বলছে মহিলাদের রাতে ডিউটি করার প্রয়োজন নেই! রাতে যে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই, সেটা সরকার নিজেই বলছে নবান্ন থেকে? এর পরে হয়তো বলবে দিনের বেলাতেও মহিলারা বাড়ি থেকে বেরোবেন না!”

    আরও পড়ুন: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    পশ্চিমবঙ্গে নারী স্বাধীনতা, নারী সুরক্ষা, নারীর অধিকার, নারীর নিরাপত্তা – সবই বিপন্ন বলেও তোপ দাগেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। এবং এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “বিজেপি, সিপিএম ইত্যাদি প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই কিছু রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই আমরা পদক্ষেপ করতে পারছি না। নির্যাতিতার বাবা একবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিন, সবাই বেরোবে। তাঁকে বেরোতে হবে না। জাতীয় পতাকা নিয়ে শুধু একবার (RG Kar Case) ডাকটা দিন। বাকিটা আমরা করে দেব জাতীয় পতাকা নিয়ে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই তাঁকে, এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে রিপোর্টে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার পড়ুয়া-চিকিৎসকের শরীরে ব্যাপক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, যা সবই মৃত্যুর আগে ঘটেছে বলে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    কী কী বলা হল রিপোর্টে (RG Kar Incident)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী—

    গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। মৃতের মাথা, মুখ, গলা, বাহু এবং যৌনাঙ্গে ১৪টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। যৌনাঙ্গেও রক্ত পাওয়া গিয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ওই তরুণীর দেহ। চার তলার ওই সেমিনার হলের কাছে কোনও নিরাপত্তারক্ষীও ছিল না বলে জানা গিয়েছে। 

    ধর্ষণের আগে বীভৎস মারধর করা হয়েছিল তরুণীকে। তার পরেও তিনি প্রতিরোধ করলে, প্রবল বল প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁর উপর। তরুণীর বুকে আঘাত লাগে, শ্বাসরোধ করে দমবন্ধ করার প্রমাণ মিলেছে। 

    চশমার কাচ ভেঙে চোখে গভীর ক্ষত হয় তরুণীর। অপরাধীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রবল ধস্তাধস্তিতেই কাচ ভেঙে যায় এবং চোখে ঢুকে রক্ত বেরিয়ে যায়। মাথাতেও আঘাত রয়েছে তাঁর। মাথায় কোনও হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    তাঁর যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত রয়েছে। এতই ভয়ানক পেনিট্রেশন হয়, যার জেরে বিপুল রক্তপাত ঘটে এবং হাইমেন ফেটে যায়! মৃতের যৌনাঙ্গে “সাদা, ঘন, আঠালো তরল” পাওয়া গিয়েছে। ফুসফুসে রক্তক্ষরণ এবং শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ মিলেছে। রক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক তরল নমুনা আরও বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

    আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রশিক্ষণার্থী মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। দেশ ছাড়িয়ে এই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে সর্বত্র একটাই সুর ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (২০ অগাস্ট), কলকাতার এই ধর্ষণ-খুনের ঘটনার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়া এই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘হাতে রাখি বেঁধে মা-বোনেদের সুরক্ষার শপথ নিন’’, পুরুষদের বার্তা দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: ‘‘হাতে রাখি বেঁধে মা-বোনেদের সুরক্ষার শপথ নিন’’, পুরুষদের বার্তা দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাখি বন্ধন উৎসবের দিন মহিলাদের হাতে রাখি পরিয়ে তাঁদের সুরক্ষা দেওয়ার বার্তা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সোমবার সকালে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী কাটোয়া শহরের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় চায়ের দোকানের সামনে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন কাটোয়ার বিজেপির নেতা, কর্মী-সমর্থকরা।

     হাতে রাখি বেঁধে মা-বোনেদের সুরক্ষার শপথ নিন (Dilip Ghosh)

    এদিন সাংবাদিকদের সম্মুখীন হয়ে বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘মা-বোনেদের হাতে রাখি বেঁধে তাঁদের সুরক্ষার শপথ নিন। পশ্চিমবঙ্গের একটি মহিলার গায়ে হাত পড়বে না, কোনও অসম্মান হবে না। পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা সুরক্ষিত না। আরজি করে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তার জন্য সরাসরি দায়ী রাজ্য সরকার। আর রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত নন বলেই রাখি বন্ধন উৎসবের দিন সকল মহিলাদের রাখি পরিয়ে তাঁদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে পুরুষদের।’’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে ছাত্র-যুব সকলে এক হয়ে গিয়েছেন। একটা গণ-আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছে, যা বাংলাদেশের চিত্র সামনে এনে দিচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     আরজি করে হামলাকারীরা তৃণমূলের লোক

    এদিন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘১৪ অগাস্ট রাতে আরজি করের ভিতরে যে সকল দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল, তারা তৃণমূল কংগ্রেসের লোক।’’ এছাড়াও এদিন তিনি তাঁর ধারালো বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে রাজ্য সরকারকে বারবার তুলোধনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দমন-পীড়ন নীতি নিয়ে কাজ করছেন। তাই, তাঁর বিরুদ্ধে যখন কেউ কথা বলছেন, তখন তাঁদেরকে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাদ যাচ্ছে না তাঁদের দলের নেতা-সাংসদরাও।’’ এদিন তিনি এও বলেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু নেতা বর্তমানে মুখ খুলছেন। কারণ, তাঁরা বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশের মতো অবস্থা এখানে হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী মানসিকতা এবং তাঁদের দলের নেতাদের ধমক-চমক দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখা, এগুলি আর চলবে না। তাঁরাও এবার মুখ খুলতে শুরু করছেন।’’ এদিন তিনি ‘চায়ে পে চর্চা’-য় এসে সাংবাদিকদের সম্মুখীন হওয়ার পর কাটোয়া স্টেশনে গিয়ে স্টেশনের সাধারণ মহিলা যাত্রীদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন দিলীপ ঘোষ। মহিলাদের থেকে তিনিও রাখি পরেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সেমিনার হল নাকি অন্যত্র, নির্যাতিতাকে ধর্ষণ-খুন কোথায়? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    RG Kar Incident: সেমিনার হল নাকি অন্যত্র, নির্যাতিতাকে ধর্ষণ-খুন কোথায়? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) তোলপাড় গোটা দেশ। কলকাতার সরকারি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের নৃশংস ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় চলছে সিবিআই (CBI) তদন্ত। তবে তদন্তের মাঝেই চিন্তার ভাঁজ পড়ল তদন্তকারীদের কপালে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেস্ট বিভাগের সেমিনার হলেই কি ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল তরুণী ডাক্তার ছাত্রীকে? না কি অন্যত্র ঘটনা ঘটিয়ে সেমিনার হলে মৃতদেহ সাজিয়ে রাখা হয়েছিল‌? এই প্রশ্নেরই উত্তরের খোঁজেই তদন্তকারীরা। 

    কী জানিয়েছেন তদন্তকারীরা? (RG Kar Incident) 

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আরজি করের চেস্ট বিভাগে ৬০টি শয্যা রয়েছে। তা ছাড়া, সেমিনার হল-সহ আরও দু’টি ঘর রয়েছে। ওই ঘরের শয্যাগুলি রাতে সাধারণত খালি থাকে। সেখানেও খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চেস্ট বিভাগের নানা জায়গায় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে ম্যাপিং এবং ভিডিও করা হয়েছে। 

    ফের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা সন্দীপ ঘোষের (CBI) 

    ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন জায়গা জরিপ করার পাশাপাশি আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও শুক্রবার থেকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। রবিবারের পর ফের সোমবার সকালে আবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে চতুর্থ বার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। এদিন বেশ কিছু নথি নিয়ে দফতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি সন্দীপ।  

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় (RG Kar Incident) গত বৃহস্পতিবার সন্দীপ ঘোষকে তলব করা হয়েছিল। তবে সে দিন হাজিরা দেননি তিনি। এরপর শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে সন্দীপের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, তিনি নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার আবেদনও জানিয়েছিলেন। কিন্তু ওই দিনই রাস্তা থেকে সিবিআই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তারপর থেকে প্রতি দিনই তাঁকে তলব করা হয়েছে। রবিবার প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। 

    অন্যদিকে, নিহত ওই চিকিৎসক কোনও চক্রান্তের শিকার হয়েছিলেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই (CBI)। তবে ধৃত সঞ্জয় রায়ের কিছু অসংলগ্ন কথাবার্তা তদন্তকারীদের চিন্তায় রেখেছে। জানা গিয়েছে, সঞ্জয়ের থেকে কথা বার করার জন্য মনোবিদের সাহায্যও  নিতে পারে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Issue) সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব নেটিজেনরা। বিচার চেয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। পুলিশ ও আরজি কর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এনিয়েই আপত্তি তুলছে পুলিশ। কোথাও সমাজমাধ্যমর মাধ্যমেই লালবাজার থেকে দেওয়া হচ্ছে ‘হুমকি’। তো কোথাও ব্যবহারকারীদের বাড়িতেই পাঠানো হচ্ছে নোটিশ। এই আবহে নেটিজেনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান, সোশ্যাল পোস্টের জন্য পুলিশের নোটিস পেলে, আইনি সহায়তা দেবেন তিনি। এনিয়ে নিজের ই-মেল আইডিও পোস্ট করেছেন তিনি। adhikarisuvenduwb1@gmail.com-এ তিনি যোগাযোগ করতে বলেছেন।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখছেন, ‘‘বিভিন্ন সূত্র থেকে আমি খবর পাচ্ছি যে, আরজি কর হাসপাতালের ডাক্তার বোনটির ওপর পাশবিক অত্যাচার এবং তাঁকে নৃশংস ভাবে খুনের প্রতিবাদে রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা মূলক পোস্ট করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে রাজ্যে এবং রাজ্যের বাইরের বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বন্ধুদের ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৪-এর ১৬৮ নম্বর ধারায় নোটিস দেওয়া হচ্ছে, পোস্ট মুছে দিতে জোর করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।’’

    নিখরচায় আইনি সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘গণতন্ত্রের মেরুদণ্ডই হল স্বাধীন মতামত পেশ করা। যা গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর। আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে যে কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার অধিকার সকলেরই আছে, আমাদের দেশের সংবিধান আমাদের সেই অধিকার দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা যদি অশ্লীল না হয় শুধু মাত্র প্রতিবাদ ও সমালোচনা করার উদ্দেশ্যে আপনাদের মতামত সমাজমাধ্যমে পোস্ট করার জন্য আপনাদের যদি পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হয় তাহলে নিখরচায় আমার আইনজীবীদের মারফত আইনি সাহায্য  (RG Kar Issue) দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের আইনি সহায়তার জন্য আমার আইনজীবী আপনাদের সঙ্গে শীঘ্রই যোগাযোগ করে নেবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    RG Kar Case: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে।” আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন খুন হওয়া ট্রেনি চিকিৎসকের পরিবার। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “সিবিআই অন্তত চেষ্টাটা তো করছে। পুলিশ তো তাও করেনি।” সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের হাতে তিনি তাঁর মেয়ের লেখা ডায়েরির একটি পাতাও তুলে দিয়েছেন। তবে তাতে কী লেখা রয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি শোকগ্রস্ত বাবা।

    ‘হারিয়েছে বিশ্বাস’ (RG Kar Case)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগে ওঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) পুরোপুরি বিশ্বাস করতাম। কিন্তু এখন আর নয়। ওঁর ওপর ভরসা নেই। উনি বিচার চাইছেন। সেটা চাইতে গিয়ে তিনি কী বলছেন? তিনি চার্জ নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি কিছুই করছেন না।” নির্যাতিতা ওই চিকিৎসকের বাবা বলেন, “ওঁরা বলছেন, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। একই কথা তো বলছেন সাধারণ মানুষও। তাঁরা ওঁদের লকআপে ভরার চেষ্টা করছেন।” ইঙ্গিত স্পষ্ট। তবে তিনি অবশ্য ফুটবলপ্রেমীদের অবরোধে পুলিশের লাঠিচার্জের বিষয়টির উল্লেখ করেননি (রবিবার যুবভারতীতে ক্রীড়াপ্রেমীদের অবরোধে লাঠিচার্জ করে পুলিশ)।

    ‘সব প্রকল্প ভুয়ো’

    খুন হওয়া চিকিৎসকের (RG Kar Case) বাবা যখন মমতার ওপর আস্থা হারিয়েছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পকে ভুয়ো বলে আক্রমণ শানালেন ওই চিকিৎসকের মা। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত প্রকল্প – কন্যাশ্রী প্রকল্প, লক্ষ্মী প্রকল্প – সব, সব ভুয়ো। যাঁরা এই সব প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন, তাঁরা দয়া করে ভেবে দেখুন আপনাদের ঘরের লক্ষ্মী নিরাপদে আছে তো?” তিনি বলেন, “উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলেছিলেন দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? এখনও পর্যন্ত মাত্র একজন ধরা পড়েছে। আমি নিশ্চিত, হাসপাতালের আরও অনেকেই এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমার মনে হয়, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদীদের থামিয়ে দিতে চাইছেন। সেই কারণেই পুলিশ প্রতিবাদ আন্দোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।”

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    কলকাতা পুলিশকেও একহাত নিয়েছেন খুন হওয়া চিকিৎসকের মা। তিনি বলেন, “কলকাতা পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত বন্ধ করে দিতে চাইছে।” তাঁর অভিযোগ, পুলিশ ঠিকঠাক তদন্ত করছে না। প্রসঙ্গত, রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্বয়ং। ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বছর একত্রিশের এক ট্রেনি চিকিৎসককে। তার জেরে তোলপাড় দেশ (RG Kar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়়ে আন্দোলন চলছে। শাসক দলের অন্দরে এবার এই অন্যায় নিয়ে একের পর এক সাংসদ, মন্ত্রীরা মুখ খুলছেন। শান্তনু সেন আগেই আরজি করের চক্র নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর মেয়ের ওপর কী নির্যাতন হয়েছে তা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। পাশাপাশি মমতার পুলিশ যখন আন্দোলনকারীদের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে, সেই সময় প্রকাশ্যেই আন্দোলনকারীদের সমর্থন করেছেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। এবার সেই সুখেন্দু শেখরের পাশে দাঁড়ালেন সাবিনা ইয়াসমিন। রবিবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আরজি করে তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিবাদ মঞ্চে এসেছিলেন রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। মুখ খুললেন তিনিও। বলা যেতে পারে, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে এক এক করে বিদ্রোহী হয়ে উঠছেন তৃণমূলের নেতা-সাংসদ-মন্ত্রীরা। শান্তনু-সুখেন্দুর পর এবার সাবিনাও আন্দোলনকারীদের সমর্থন করলেন। পায়ের তলার মাটি সরছে, বুঝতে পারছে মমতা সরকার। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কঠোর থেকে কঠোর শাস্তির দাবি মন্ত্রীর (RG Kar Incident)

    মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান, সবাই সবার মতো করে আন্দোলন (RG Kar Incident) করছে, এটা এমন একটা ইস্যু সবাই সবার মতো করে বলছেন। সকলেরই দাবি বিচার হোক, আজকে সমস্ত জুনিয়র চিকিৎসকরা বিচারের দাবিতে বসে আছেন। হাসপাতালের পরিষেবা ব্যাহত হয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের বিরাট অংশ আজকে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত আছে। নিশ্চয়ই তাঁরা চাইবেন, তাঁদের সহপাঠীর এই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটিয়েছে যারা, তাদের ফাঁসি হোক। সাবিনা বলেন, ‘‘যে যার মতো থেকে বলছে আমরাও আমাদের মতো থেকে আন্দোলন করছি। এখানে একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা সাপোর্ট করছি না। আমি একজন মহিলা, আমি তা সমর্থন করতে পারি না। আমিও দুই কন্যা সন্তানের মা। আমি এই ঘটনাকে কখনওই সমর্থন করতে পারি না। আমরা চাই, দোষীদের কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি হোক। এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, একটা পথ দেখাবে ভবিষ্যতে।’’ সাবিনা আরও বলেন, ‘‘কোনও মেয়ে বা কোনও মহিলা যেন ধর্ষণের শিকার না হয়। এমন একটা কড়া আইন হওয়া উচিত যাতে কেউ একবার ধর্ষণ করতে গেলে তার শরীর কাঁপে। এটা আমি মনে করি। সিবিআইকে বলব যে প্রকৃত তথ্য অবিলম্বে সামনে আসুক। কারণ, আমাদের দিদি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলেন যে, রবিবারের মধ্যে যদি আমরা না পারি রাজ্য সরকার তাহলে আমরা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেব। ভারতবর্ষের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে বাক স্বাধীনতা দিয়েছে। সুতরাং আমি যা বলার বলছি, আরেকজন যা বলার বলবে। প্রত্যেকেরই বাক স্বাধীনতা আছে। আমি আমার বক্তব্যে অনড় আছি।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর সেই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন জোড়াফুলেরই নেতা কুণাল ঘোষ। তবে এরপরেও নিজের বক্তব্য থেকে একচুলও সরছেন না বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ। এবার সাবিনাও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ালেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    RG Kar Incident: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় সম্প্রতি আরজি করে (RG Kar Incident) এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। এই ঘটনার বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন আম জনতা। বিচারের আশায় সরব হয়েছেন বিভিন্ন তারকারা। ন্যক্কারজনক এই ঘটনায় পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপিও। বিরোধীদের মিছিল, ধর্নার পাশাপাশি উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের, ইস্তফার দাবিও। আর এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।  

    কী বলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? (Mithun Chakraborty) 

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) প্রতিবাদের ঝড় দেশের সর্বত্র। এ প্রসঙ্গে এদিন বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘আমি অনেকদিন ধরে অনেক জায়গায় অনেকবার এই কথাটা বলে এসেছি যে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। কী বলব, বাঙালি হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছি। পরিবারের (নির্যাতিতার পরিবার) প্রতি আমার সম্পূর্ণ সহানুভূতি রইল। আর যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাড়াতাড়ি তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় কাম্য।’’ বিজেপি নেতার এই বক্তব্য বিজেপির ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা হয়। 

    বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচি (RG Kar Incident) 

    সোমবার থেকে বিজেপি আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে। আগামী ২০ অগাস্ট থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে বিজেপির। সোমবার ধর্নার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে রাজ্য বিজেপি। ঠিক হয়েছে, ভাগে ভাগে বিভিন্ন স্তরের নেতারা বসবেন ধর্নায়। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ২০ তারিখ এই ধর্নায় উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা। জানা গিয়েছে আগামী ২১ অগাস্ট রাজ্য বিজেপির সাংসদরা ধর্না দেবেন। ২২ তারিখ ঘেরাও করবেন স্বাস্থ্য ভবন।    

    ‘তিলোত্তমা’র বিচার চেয়ে পথে টলিউড 

    অন্যদিকে রবিবার ‘তিলোত্তমা’র বিচার চেয়ে (RG Kar Incident) পথে নেমেছে টলিউড তারকারা। টেকিনিশিয়ান স্টুডিয়ো থেকে শুরু হওয়া তারকাদের মিছিলে ছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, ঐন্দ্রিলা সেন, অঙ্কুশ হাজরা, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, সৌরসেনী মৈত্র, অনির্বাণ চক্রবর্তী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, রাহুল অরুণোদয় বন্দোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়-সহ অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP: ‘সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর কাণ্ডে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে মমতা সরকারকে তুলোধোনা করল বিজেপি (BJP)। সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ, এমনই প্রতিক্রিয়া বঙ্গ বিজেপির। প্রসঙ্গত রবিবার তৃণমূলের সাংসদ, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে দাবি জানিয়েছিলেন সিবিআই-এর কাছে। এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে সুখেন্দু প্রশ্ন তোলেন, আরজি করে চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনাকে প্রথমে কেন এবং কারা আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছিলেন তা জানা দরকার। এই কারণেই দুজনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি দাবি জানিয়েছিলেন।

    কী বলছে বিজেপি (BJP)

    খোদ শাসক দলের সাংসদের সরকার বিরোধী বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছেন, ‘‘তৃণমূল, আরজি করে চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুন ছাড়াও যে অন্য ঘটনার সঙ্গে সন্দীপ এবং সিপি জড়িত, তা তোমাদের দলের সদস্যও জানেন। এই সরকার এত নীচে নেমে গিয়েছে যে, দলের সদস্যরাও তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।’’ 

    অন্যদিকে বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রথমে তাঁকে সাসপেন্ড করা দরকার, তার পর সিবিআই ব্যবস্থা নেবে।’’

    শনিবার রাতে কী লিখেছিলেন সুখেন্দু?

    শনিবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক ট্যুইটার) সুখেন্দু লিখেছেন, ‘‘সিবিআইকে স্বচ্ছ ভাবে তদন্ত করতে হবে। কে বা কারা, কেন আত্মহত্যার তত্ত্ব খাড়া করার চেষ্টা করেছিল, তা জানার জন্য আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। কেন সেমিনার হলের কাছে ঘরের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হল? কার প্রশ্রয়ে ‘রায়’ এত ক্ষমতা পেল? কেন ঘটনার তিন দিন পর স্নিফার ডগ ব্যবহার করা হল? এমন বহু প্রশ্ন উঠে এসেছে। এর উত্তর দিতে হবে ওঁদের।’’

    সরব হয়েছেন যুবভারতীর সামনে ফুটবল ,সমর্থকদেরও ওপর লাঠিচার্জ নিয়েও

    প্রসঙ্গত, রবিবার প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ভয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ বাতিল করে মমতার প্রশাসন। এরপরেই ক্রীড়াঙ্গনের সামনে ফুটবল সমর্থকরা জমায়েত করে আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাইতে থাকেন। সে সময় দুই দলের সমর্থকদের ওপর ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে মমতার পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। রবিবার রাতে এই সমাজ মাধ্যমে তিনি ফের একবার দুই দলের সমর্থকদের প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    পুলিশের এই দমননীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে করেন সুখেন্দুশেখর রায়। তিনি রবিবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘আমি সমস্ত ফুটবল এবং ক্রীড়া সমর্থকের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যুবভারতীর সামনে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক জমায়েতে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান সমর্থকদের পুলিশের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানাতে হবে। জয় মোহনবাগান, জয় ইস্টবেঙ্গল।’’

    দলের বিরুদ্ধে বয়ান অথচ পদে বহাল সাংসদ,  আরজি কর কাণ্ডে চাপে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার শুরু থেকেই তৃণমূল সরকারের বিপক্ষে কথা বলতে শোনা গিয়েছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখরকে। ১৪ অগাস্ট ‘মেয়েদের রাত দখল’-এর দিনই নিজের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কে নেতাজি মূর্তির সামনে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ধর্নায় বসেছিলেন সুখেন্দু। নিজের মতো করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তিনি মেয়ের বাবা, নাতনির দাদু।

    প্রতিবাদীদের হয়ে প্রশ্ন তোলায় দলের সাংসদের বিরুদ্ধেই আদাজল খেয়ে নেমে পড়ে মমতার পুলিশ। তাঁকে নোটিশ পাঠায় লালবাজার। এর পর, কখনও পুলিশের বিরুদ্ধে, কখনও আরজি করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের এই রাজ্যসভার সাংসদ। বারবার প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে। প্রসঙ্গত, সুখেন্দুশেখর রায় শুধুমাত্র তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নন, এর পাশাপাশি তিনি দলের মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকও বটেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, দলের মুখপত্রের সম্পাদকের এমন মন্তব্যের পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এতেই প্রমাণিত হচ্ছে শাসক দল আরজি কর কাণ্ডে বেশ চাপে রয়েছে। সুখেন্দু শেখর রায় ছাড়াও দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রায় একই ধরনের দাবি তুলেছেন শান্তনু সেন ও সাবিনা ইয়াসমিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share