Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দলের দখলে থাকা কামারহাটি পুরসভার বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। বেহাল পুর পরিষেবা নিয়ে পুরসভাকেই কাঠগ়়ড়ায় দাঁড় করালেন তিনি। একইসঙ্গে দুর্নীতি নিয়েও তিনি সরব হয়েছে। আর এভাবে প্রকাশ্যে শাসক দলের দখলে থাকা পুরসভার বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।  

    ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    কামারহাটি পুরসভার পরিষেবা নিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, “সারা কামারহাটিতে চলাফেরার আর জায়গা নেই। আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি হচ্ছে। অবৈধ বহুতল হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে। এ আর পোষাচ্ছে না।” দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। শুধু চেয়ারম্যানের ওয়ার্ড নয়, কামারহাটি পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে কম ভোট পেয়েছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ খোলেন মদন। তিনি বলেন, “কয়েকটি ওয়ার্ডে বেশি ভোট না পেলে কামারহাটি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় পিছিয়ে পড়তেন। আর এরজন্য দায়ী কামারহাটিতে ব্যাপক দুর্নীতি। এই দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। প্রধানত দুটি অভিযোগ উঠে আসছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি। আর চারতলা বাড়ির অনুমোদন করিয়ে ৬ তলা বাড়ি হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    কামারহাটির পুর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কামারহাটির (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্য কর্মী রয়েছেন। গাড়ি রয়েছে। ফলে, আবর্জনা জমার কথা নয়। কিন্তু, বিধায়ক যখন বলেছেন কাউন্সিলরদের সঙ্গে এই বিষয়ে আমি ফের কথা বলব।” পুকুর বুজিয়ে বাড়ির প্রসঙ্গে পুর চেয়ারম্যান বলেন, “বোর্ড প্ল্যান ছাড়া বাড়ি হচ্ছে, আমার বিধায়ক জানেন। পুরসভার (Kamarhati) তরফেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, “আসলে ভাগ ঠিকমতো হচ্ছে না বলে দুর্নীতির কথা বলছেন। পুর (Kamarhati) এলাকায় যারা দুর্নীতি করে তারা কার লোক খোঁজ নিলেই জানা যাবে। এসব বলে কোনও লাভ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “আত্মসম্মানে আঘাত নয়”, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “আত্মসম্মানে আঘাত নয়”, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি সংঘাতের পথে রাজ্য-রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সরগরম হয়েছে রাজ্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শাসকদলের নেতারা ক্রমাগত নিশানা করে গিয়েছেন রাজ্যপালকে। সেই প্রেক্ষিতেই আদালতের দ্বারস্থ হলেন সিভি আনন্দ বোস। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেন মামলা (CV Ananda Bose)

    রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে রাজভবনে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে এক নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণেরও অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আমার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে, এমন কোনও মন্তব্য যদি কেউ করে থাকেন, তাহলে তাঁকে তাঁর পরিণতি ভুগতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে তিনি বলেন, “তিনি আমার প্রশাসনিক সহকর্মী। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে দোষী।”  রাজভবন সূত্রে খবর, হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই মামলা করার আগে রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর পরামর্শ নেন। এই মামলার জন্য প্রায় ১০০ পাতার ফাইল তৈরি করা হয়। ফাইলে কোন নেতা কোন সময়ে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছেন এবং অপমানজনক কথা বলেছেন তার উল্লেখ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভাসছে অসম, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা! প্রধানমন্ত্রীর ফোন, উদ্ধারে বায়ুসেনা

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব (CV Ananda Bose)

    মঙ্গলবার প্রথমে চোপড়ায় নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা ছিল রাজ্যপালের (CV Ananda Bose)। জানা যায়, মাথাভাঙার নির্যাতিতাকেও সেখানে ডেকে নেওয়া হবে। কিন্তু পরে কর্মসূচিতে বদল হয়। শিলিগুড়ি সার্কিট হাউজেই মাথাভাঙার নির্যাতিতাকে ডেকে নেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল।  চোপড়ার নির্যাতিতার সঙ্গে তাঁর দেখা করা হয়নি। তাঁকে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে।  শিলিগুড়ি থেকে এদিন বিকেলে রাজ্যপাল দিল্লি রওনা দেন। দিল্লি যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “যে সমাজ মহিলাদের রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ সভ্যসমাজ বলে গণ্য হয় না। ” রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “সরকার সমর্থিত হিংসা চলছে রাজ্যে। এই বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Municipal Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে বিপাকে তৃণমূল নেতা, নাম জড়াল সিবিআইয়ের চার্জশিটে

    Municipal Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে বিপাকে তৃণমূল নেতা, নাম জড়াল সিবিআইয়ের চার্জশিটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিটেই বিপাকে পড়লেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন পাঁচু রায় (Pachu Ray) । তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, করোনাকালে একই দিনে দক্ষিণ দমদম পৌরসভায় ২৯ জনকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। সেই সময় পুরপ্রধান ছিলেন পাঁচু রায়। তবে ওই নিয়োগের (Municipal Recruitment Scam) ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এখনও তদন্তের আওতাধীন রয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তির দিনেই ২৯ জনকে চাকরি ও নিয়োগ  (Pachu Ray)

    জানা গিয়েছে, একই দিনে ২৯ জনকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়। একই দিনে চাকরির বিজ্ঞপ্তি বের হয়, সেদিনই দেওয়া হয় নিয়োগপত্র। আবার সেদিনই চাকরিতে যোগদান করেন সকলে। গোটা প্রক্রিয়াটাই বেআইনি বলে দাবি করেছে ইডি। ইডির প্রশ্ন, তাহলে চাকরিতে নিয়োগের আগে নিয়ম মেনে মূল্যায়ন হল কী করে। ওই চার্জশিটে পাঁচুর রায়ের পাশাপাশি অয়ন শীলের নামের উল্লেখ রয়েছে। তবে এই দুর্নীতিতে অয়ন শীলের অর্থনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।

    নথির আড়ালে কোডওয়ার্ড (Municipal Recruitment Scam)

    প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে পুর নিয়োগ দুর্নীতির খোঁজ পায় ইডি। জানা যায়, করোনা কালে রাজ্যে অন্তত ৮০টি পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়। কোনও নিয়ম না মেনে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকার পাশাপাশি স্বজন-পোষণের বিষয়টিও উঠে আসে। এবার সেই পুর নিয়োগ (Municipal Recruitment Scam) দুর্নীতিতে প্রথম নাম শাসক দলের এক তৎকালীন পুরপ্রধানের। প্রসঙ্গত ২০২৩ সালের মার্চ মাসের ১৯ তারিখ সল্টলেকে অয়ন শীলের অফিস ও হুগলির বাড়ি থেকে তল্লাশি চালিয়ে দিস্তা-দিস্তা ওএমআর শিট উদ্ধার হয় এবং একটি ২৮ পাতার নথির খোঁজ পান তদন্তকারীরা। আপাতদৃষ্টিতে প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত নথি মনে করা হলেও পরে দেখা যায় তাতে রয়েছে একাধিক পুরসভার নিয়োগপ্রার্থীদের তালিকা এবং সেই সংক্রান্ত সুপারিশ। নথির মধ্যে ছিল একাধিক কোডওয়ার্ড।

    ৮০ পুরসভার নিয়োগে দুর্নীতি

    উত্তর দমদম, নিউ ব্যারাকপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর সহ বেশ কয়েকটি পুরসভার প্যানেলের তথ্য ছিল ওই নথিতে। এছাড়াও পুরসভাগুলিতে মেডিক্যাল অফিসার, ওয়ার্ড মাস্টার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্যাশিয়ার, মজদুর, ক্লার্ক, হেল্পার, ড্রাইভার সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশের তালিকাও ছিল ওই নথিতে।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    ঐ নথির ভিত্তিতেই দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান পাঁচু রায়ের (Pachu Ray) নাম উঠে আসে। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই পুর নিয়োগ (Municipal Recruitment Scam) দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের চার্জশিটে উঠে এল তাঁর নাম।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। এরই মাঝে চোপড়া নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তৃণমূল নেতা জেসিবি-র হামলা চালানোর ভিডিও কে তুলেছে তা সন্দেহ করে এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে ধৃত তৃণমূল নেতা তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবির ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা। গির আলমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকা ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Chopra Incident)

    চোপড়াকাণ্ডে (Chopra Incident) মূল অভিযুক্ত জেসিবি এখন জেলে রয়েছে। জানা গিয়েছে, জেসিবি-র ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ। কে বা কারা ভিডিও করেছেন, এমন সন্দেহ করে অনেকের বাড়ি ঘরে ইতিমধ্যে ভাঙচুরও চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী অনেকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভয়ে কুঁকড়ে রয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন আক্রান্ত যুবকের মা। ভয়ে জেসিবির বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না। ছেলেকে মারধরের তিনি শাস্তিও চাইছেন না। তিনি বলেন, “যে ভিডিওটা করেছে, তার আমি শাস্তি চাই। ভাইরাল করে আমার ধর্মটা নষ্ট করেছে। আর আমার ছেলেকে কে মেরেছেন তাঁকে আমি চিনি না। যে ভাইরাল করেছে, তাকেই আমি চাই।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরেই প্রকাশ্যে আসে চোপড়ার ভিডিও। তাতেই জানা যায় এই জেসিবির (Trinamool Congress) কুকীর্তির কথা। মূল অভিযুক্ত জেসিবি গ্রেফতার হতেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক অভিযোগ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে এক সিপিএম নেতাকে গুলি করে খুনেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। থানাতেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক কেস রয়েছে। ওদের ভয়ে কেউ ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারত না। গোটা এলাকায় এমন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, যে একজন মানুষও কথা বলতে না পারে। ওরা (Trinamool Congress) কয়েকজন সন্দেহ করেছে, যারা ভিডিও ভাইরাল করেছে, তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করেছে। ওর ভাইসহ ওদের একটা গ্যাং আছে, তারা এই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভাবা সেন্টারে নিউক্লিয়ার মেডিসিন নিয়ে গবেষণার জন্য সুযোগ পেলেন শান্তিপুরের যুবক

    Nadia: ভাবা সেন্টারে নিউক্লিয়ার মেডিসিন নিয়ে গবেষণার জন্য সুযোগ পেলেন শান্তিপুরের যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাভা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে ২০২৪ সালের বিজ্ঞান ও গবেষণা প্রবেশিকা পরীক্ষায় অষ্টম স্থান অধিকার করছেন বাংলার এই মেধাবী ছাত্র। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা এই নিউক্লিয়ার মেডিসিন নিয়ে গবেষণার জন্য সুযোগ পেলেন নদিয়া (Nadia) শান্তিপুরের বিশ্বরূপ সাহা। তবে বিদ্যালয়ে অত্যন্ত মেধাবী এবং ভালো আচরণের জন্য বারবারই তাঁর নাম উঠে এসেছে। স্কুলের শিক্ষক থেকে পরিবার এবং এলাকাবাসী উচ্ছ্বসিত।

    ভবিষ্যৎ আরো উজ্জ্বল হোক (Nadia)

    শান্তিপুরের (Nadia) ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিশ্বরূপ সাহা। তাঁর সাফল্যে এখন গর্বিত শান্তিপুর মিউনিসিপাল স্কুলের সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীরা। ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে নিউক্লিয়ার মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনা এবং গবেষণায় কাজ করবেন তিনি। আর তাতেই এখন ভবিষ্যতের দিকে আরও কঠোর পরিশ্রমের জন্য তৈরি হচ্ছেন বিশ্বরূপ। তাঁর এই সাফল্যের পরই শান্তিপুর পুরসভার পক্ষ থেকে পুরপিতা সুব্রত ঘোষ এবং একাধিক আধিকারিকরা বিশ্বরূপের বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। সেই সঙ্গে তাঁকে এবং বিশ্বরূপের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক বলে আশীর্বাদ করেন।

    ন্যাশনাল থেকে গ্লোবালে যাবে বিশ্বরূপ

    শান্তিপুর (Nadia) মিউনিসিপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রকাশ চন্দ্র দাস বলেছেন, “বিশ্বরূপ শান্তিপুর মিউনিসিপাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গত ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছে। সংসারে সবথেকে ওর বড় প্রতিকূলতা ছিল অর্থাভাব। এই কারণে বহু ক্ষেত্রেই অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। অপরদিকে এই পড়াশোনা করতে করতে একটা সময় পরীক্ষা দিতে গিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বিশ্বরূপ। তারপর স্কুলের তরফ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। একদিকে সংসারে অর্থাভাব, বাবার কাজ চলে যাওয়া, মায়ের শরীর খারাপ-তৎসহ তার নিজের অসুস্থতা! এই সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করেছে বিশ্বরূপ। বিশ্বরূপ আজ লোকাল থেকে ন্যাশনাল, পরবর্তীতে ন্যাশনাল থেকে গ্লোবালে যাবে।”

    এত মেধাবী ছাত্র শান্তিপুরে!

    তবে এ বিষয়ে শান্তিপুর (Nadia) পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেছেন, “এত মেধাবী ছাত্র শান্তিপুরে রয়েছে তা সত্যি গর্বের। শান্তিপুর পুরসভা তথা নদিয়া জেলার নাম উজ্জ্বল করেছে, আমাদের কৃতি সন্তান বিশ্বরূপ। ভবিষ্যতে তাঁর কোনরকম অসুবিধা হলে পুরসভা এবং ব্যক্তিগতভাবে সুব্রত ঘোষ পাশে থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ চোপড়াকাণ্ডের ছায়া যেন শিলিগুড়িতেও! সালিশি সভায় মারধরের পর আত্মঘাতী গৃহবধূ

    আপ্লুত বিশ্বরূপ

    এই সংবর্ধনা পেয়ে খুবই আপ্লুত শান্তিপুরের (Nadia) কৃতি সন্তান বিশ্বরূপ। তিনি বলেছেন, “পুরসভার তরফে আজ আমাকে সংবর্ধিত করা হল। আমি তাতে খুব খুশি। পরবর্তীতে আরও কঠোর পরিশ্রম করে বাবা মায়ের মুখ উজ্জ্বল করব, শান্তিপুরের মুখ উজ্জ্বল করবে। এটাই আমার আশা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    Kamarhati: আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে গণপিটুনি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে গণপিটুনির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার আড়িয়াদহ এলাকা। এক যুবক ও তাঁর বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ছেলেকে মারতে দেখে মা বাঁচাতে আসেন। তাঁকেও রক্তাক্ত করে হামলাকারীরা। হামলার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। যদিও পুলিশের দাবি, হামলার ঘটনায় ৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দুই যুবকের নাম সায়নদীপ পাঁজা এবং সূর্য দাস। আড়িয়াদহ এলাকায় সায়নদীপের বাড়ির (Kamarhati) সামনে রাস্তার ধারে বসে বন্ধু সূর্য দাসের সঙ্গে তিনি গল্প করেছিলেন। রাস্তা দিয়ে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবক যাচ্ছিল। তার সঙ্গে সায়নদীপের কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা হয়। এরপরই ওই যুবক দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। আক্রান্ত সূর্য দাস বলেন, রাত একটা নাগাদ আমি সায়নদীপের সঙ্গে গল্প করছিলাম। একজন মদ্যপ অবস্থায় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। আমাদের দেখে দাঁড়ায়। এরপর ও পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করে। আমরাও ওকে চলে যেতে বলি। ও চলে যাই। কিছুক্ষণ পর ও তালতলা স্পোটিং ক্লাব থেকে বেশ কয়েকটি ছেলেকে নিয়ে আসে। বাইকে করে তারা এসেছিল। তারা সায়নদীপকে এসে মারধর করতে থাকে। আমি বাধা দিতে গেলে ওরা আমাকেও বেধড়ক মারে। রাস্তায় চিৎকার শুনে সায়নদীপের মা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। চোখের সামনে ছেলেকে মারছে দেখে তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।  তাঁকেও রেহাই দেয়নি হামলকরারীরা। মারধর (Lynching) করে তাঁর মুখ ফাটিয়ে দেয়। এরপর আমাকে সামনে পেয়ে তারা ফের আমার ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায়, বুকে চোট লেগেছে। আর সায়নদীপের চোট গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জয়ন্ত সিংহের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত

    ঘটনার পর রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হামলা কারা চালিয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজে সব রয়েছে। মা ও তাঁর ছেলেকে নৃশংসভাবে মারধর (Lynching) করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার পরও হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা আতঙ্কিত। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: চোপড়াকাণ্ডের ছায়া যেন শিলিগুড়িতেও! সালিশি সভায় মারধরের পর আত্মঘাতী গৃহবধূ

    Siliguri: চোপড়াকাণ্ডের ছায়া যেন শিলিগুড়িতেও! সালিশি সভায় মারধরের পর আত্মঘাতী গৃহবধূ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতেও (Siliguri) যেন চোপড়া কাণ্ডের ছায়া! বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে বসেছিল সালিশি সভা। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে মহিলা এবং তাঁর স্বামীকে ডেকে এনে বেধড়ক মারধর করা হয়। কিন্তু এই সালিশি সভায় অত্যাচারের পরই ঘর থেকে উদ্ধার হয় মহিলার দেহ। অপামানে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এলাকার মহিলারা নির্যাতন করেছে বলে স্বামীর অভিযোগ। ইতিমধ্যে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনা ঘটেছে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি ১ নম্বর অঞ্চলের বকরাভিটা এলাকায়।

    যাচ্ছেতাইভাবে মারধর করা হয়েছে (Siliguri)!

    মৃত মহিলার (Housewife) স্বামী, বাড়ির পাশের কয়েকজন মহিলা সম্পর্কে অভিযোগ করে বলেছেন, “আমাকে স্বপ্না এবং টুম্পা বলেছিল, তুই বউকে সঙ্গে করে নিয়ে আয়, আমরা একটু সাবধান করে দেবো। এরপর আমি শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আসি। তারপরই আমাকে ভয় দেখিয়ে ওরা বলে, বউকে ঘরে তুললে তোকে শেষ করে দেব, বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেবো। এরপর যাচ্ছেতাইভাবে মারধর করেছে আমার স্ত্রীকে। সেই সঙ্গে আমাকেও মারধর করেছে ওরা। এরপর আমি এনজেপি (Siliguri) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।”

    পুলিশ সূত্রে খবর

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বকরাভিটে গ্রামের নিগৃহীত মহিলার সঙ্গে পাশের গ্রামেরই এক যুবকের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন আগে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে পরিবারের তরফ থেকে থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়। কিন্তু পুলিশ কোনও খবর দিতে পারেনি। পরে জানা গিয়েছে ৮ দিন পর স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন মহিলা। স্বামীও তাঁকে ফিরিয়ে নেন। এরপর এলাকার মানুষ সালিশি সভা বসায়। এই সভায় মারধর করা হয়েছে ওই মহিলাকে। ঠিক তারপরই বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন মহিলা।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে একেরপর এক গণপিটুনির ঘটনার মাঝেই ডাইনি অপবাদে বধূকে মারধর!

    মহিলারা দু’-তিনটি চড়-থাপ্পড় মেরেছে (Siliguri)

    স্থানীয় (Siliguri) তৃণমূল নেতা শম্ভু রায় বলেছেন, “অতীতেও মহিলা (Housewife) অন্য আরও এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর আবার ফিরে এসেছিলেন। বারবার এই ঘটনা ঘটায় আশেপাশের মহিলারা দু’-তিনটি চড়-থাপ্পড় মেরেছে। সে দিতেই পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম থানায় (Nandigram police station) বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৪৭টি এফআইআরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জানা গিয়েছে, তিন সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের সময় ওই বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও রকমের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না, এমন কথাই জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহা? 

    এদিন এই সংক্রান্ত মামলাটির শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই মুহূর্তে তদন্তকারী সংস্থা বদল করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাছাড়া মনে করা হচ্ছে, সব মামলাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই করা হয়েছে।’’ বিচারপতি সিনহা প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, যে ৪৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে, সেখানে প্রত্যেকটি এফআইআর-এ মোটামুটি একই অভিযোগ আনা হয়েছে। এই এফআইআরগুলির আদৌ কোনও সারবত্তা রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিচারপতি সিনহা। তাই আপাতত তিন সপ্তাহের জন্য অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনওরকমের পদক্ষেপ পুলিশ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    ৩৫ দিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম থানাতে (Nandigram police station) ৪৭টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল

    প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হতেই এবং ভোটপর্ব চলাকালীন ও তার পরবর্তীকালে ৩৫ দিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম থানাতে ৪৭টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তা যে মিথ্যা মামলা তা বারে বারেই দাবি করে এসেছে গেরুয়া শিবির। মিথ্যা মামলায় তাঁদের কর্মীদের ফাঁসানো হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির সময় এমন পর্যবেক্ষণ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, এর আগে এই মামলার শুনানি ছিল গত ২৬ জুন সেদিনও বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুলিশকে কোনও রকমের কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: রাজ্যে একেরপর এক গণপিটুনির ঘটনার মাঝেই ডাইনি অপবাদে বধূকে মারধর!

    Darjeeling: রাজ্যে একেরপর এক গণপিটুনির ঘটনার মাঝেই ডাইনি অপবাদে বধূকে মারধর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একেরপর এক গণপিটুনির ঘটনার মাঝেই এবার ডাইনি অপবাদে বধূকে মারধরের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। ঘটনা ঘটেছে দার্জিলিং (Darjeeling) জেলার ফাঁসিদেওয়ার পেটকির জজটলায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর স্বামীরই পরিবারের লোকজন এই নির্যাতনের কাজ করেছে বলে নির্যাতিতার ভাইয়ের দাবি। অপরদিকে বধূর ভাসুর সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রাজ্যে একই ভাবে গত কয়েকদিন ধরে তারকেশ্বর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, বারাসত সহ একাধিক জায়গায় গণপিটুনির ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    বোনের শরীরে ছুরির আঘাত (Darjeeling)!

    ঘটনা ঘটেছিল গত ২৬ জুন, বুধবার। জানা গিয়েছে স্বামীর মৃত্যুর কাজকর্ম শেষ হতেই ডাইনি অবাদ দিয়ে বাচামণি টুকুকে মারধর করা হয়। এরপর ওঁই গৃহবধূকে গাড়িতে তুলে ভাইয়ের বাড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে আরও অভিযোগ করা হয়, মহিলা মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন, তাই ভাইয়ের কাছে দিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপর ২ দিন ধরে জ্ঞান না ফেরায় এবং মহিলার শরীর দেখতেই চমকে ওঠেন পরিবারের লোকজন। এদিকে গৃহবধূর ভাইয়ের বক্তব্য, “আমার বোনের (Woman) শরীরে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এখন তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (Darjeeling) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।” পাল্টা গৃহবধূর ভাসুর মঙ্গল সোরেনের দাবি, “এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ২৮ জুন বসেছিল জেসিবির ‘ইনসাফ’ সভা! নির্যাতনের ঘটনা কার নির্দেশে ২ দিন চাপা ছিল?

    কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে গণপিটুনি!

    রাজ্যের একাধিক জায়গায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে গণপিটুনি। শুধু তাই নয় বেধড়ক মারধরে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বনগাঁ, বারাসত, মধ্যমগ্রাম, অশোকনগর এলাকায় ছেলে ধরা সন্দেহের ঘটনায় একাধিক জায়গায় গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে বৌবাজার, সল্টলেকে বেধড়ক মারধরের কারণে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আবার তারকেশ্বরে গাড়ি চোরের সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একজনকে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছিল। একই ভাবে ঝাড়গ্রামেও টোটো চালককে মোবাইল চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আবার ফাঁসিদেওয়াতে (Darjeeling)  বধূনির্যাতন (Woman) হয়েছে। সবটা মিলিয়ে প্রশাসন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    Stamp Duty: বাড়ল ক্রেতার খরচ! ১ জুলাই থেকে স্ট্যাম্প ডিউটির ছাড় তুলে নিল রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটতেই খারাপ খবর। এই মাস থেকে রাজ্যে আগের তুলনায় আরও দামি হয়ে গেল ফ্ল্যাট-বাড়ি। এতদিন স্ট্যাম্প ডিউটি (Stamp Duty) এবং সার্কেল রেটে যে ছাড় মিলত, সেটা বন্ধ হয়ে গেল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২১ সালের বাজেটে যে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল, তা ১ জুলাই থেকে বন্ধ করে দেওয়া হল। অর্থাৎ এবার থেকে আগের হারেই স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সার্কেল রেট দিতে হবে। তার ফলে ফ্ল্যাট এবং বাড়ি আরও দামি হয়ে গেল।  

    ঠিক কী জানানো হয়েছে? (Stamp Duty) 

    সোমবারই অর্থ দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কোভিড অতিমারির সময় অর্থনৈতিক কারণে এই ছাড় ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২০ সালের শুরুতে করোনার প্রকোপ ছড়িয়েছিল বাংলা-সহ গোটা দেশে। তারপরে লকডাউন এবং করোনার একাধিক ঢেউয়ে দেশে আর্থিক অবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছিলেন সে সময়। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।  
    সেই মতো ২০২১ সালের জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। প্রায় তিন বছর পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ছাড় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এর আগে ২০২১ সালের বাজেটে আবাসন ক্ষেত্রে স্বল্প মেয়াদে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন বা নথিভুক্তির জন্য স্ট্যাম্প ডিউটির (Stamp Duty) উপর ২% ছাড় ঘোষণা করেছিল রাজ্য। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল৷ পাশাপাশি কোনও এলাকার সম্পত্তির সরকারি দামও (সার্কল রেট) কমানো হয়েছিল ১০%। তবে এবার এই ছাড় দুটি ১ জুলাই থেকে আর কার্যকর থাকছে না। এবার থেকে সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের ওপর ৭ শতাংশ হারে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হবে বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এ প্রসঙ্গে, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের অনেকের প্রশ্ন, তবে কি রাজ্যের ভাঁড়ারের পরিস্থিতি সত্যিই নড়বড়ে, তাই এই সব ছাড় বহাল রাখা গেল না? যদিও আবাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, এই সুবিধা চালুর সময় মানুষের আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় ছিল। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছিল আবাসন বিক্রিতে। তাতে রাজ্যের আর্থিক বৃদ্ধির গতিও অনেকাংশে ধাক্কা খায়। এখন আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাই সেই ছাড় (Stamp Duty) চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন থাকছে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share