Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: চোপড়া ও কোচবিহারের ঘটনায় সিবিআই দাবি, মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখছেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: চোপড়া ও কোচবিহারের ঘটনায় সিবিআই দাবি, মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখছেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ঘটনার নিন্দায় সরব গোটা দেশ। সংসদে এই ইস্যুতে ইন্ডি জোটকে চেপে ধরেছে এনডিএ শিবির। এর পাশাপাশি লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কোচবিহারের একই ধরনের মহিলা নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসে। এ নিয়েই মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘দুটি ঘটনায় সিবিআই (CBI) তদন্তের বিষয়ে রাজ্য যাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়, মুখ্য সচিবের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুটি ঘটনায় সিবিআইকে তদন্তভার যাতে উনি দেন সেই মর্মেই চিঠি লিখে দাবি জানাব।’’ মুখ্য সচিবকে চিঠি লেখার পরেও যদি কোনও প্রকারের পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিতও দেন শুভেন্দু অধিকারী।

    চোপড়ার ঘটনা, মধ্যযুগীয় বর্বরতা‌ 

    চোপড়ায় যুগল নিগ্রহের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই, এই ঘটনাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা তথা তালিবানি শাসন বলে তোপ দেগেছে বিজেপি। এই ইস্যুতে সোমবার রাজ্য বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বিজেপির মহিলা বিধায়করা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে কোচবিহারে ঘটনা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে‌ যান রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার এক প্রতিনিধি দলও। এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে কঞ্চির ছড়া দিয়ে বেধড়ক মারধর করছেন এক ব্যক্তি। মারধর করা হচ্ছে পাশে থাকা এক তরুণকেও। যিনি মারধর করছেন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দারা তৃণমূল নেতা তাজম্মুল বলে চিহ্নিত করেছেন। ওই নেতা এলাকায় ‘জেসিবি’ নামেও পরিচিত। জানা গিয়েছে, এলাকায় একাধিক অপরাধের সম্পর্কে যুক্ত ওই ব্যক্তি। খুনের মামলা সহ একাধিক অভিযোগে নাম থাকলেও শাসক দলের নেতা হওয়ার সুবাদে তাঁকে ছোঁয়ার সাহস দেখায়নি পুলিশও, এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।

    চোপড়ার শাহজাহান বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  

    অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে চোপড়ার শাহজাহান বলে কটাক্ষ করে শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। চোপড়া এবং কোচবিহার ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী যাতে ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে হস্তান্তর করেন সেই দাবি জানাতে চলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর চিঠি লেখার পরও যদি নীরব থাকে সরকার, সেক্ষেত্রে সিবিআই (CBI) তদন্তের আবেদন জানিয়ে আদালতে যাওয়ারও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) শিলিগুড়ি পৌঁছান। ঠিক ছিল সড়কপথে তিনি চোপড়া পৌঁছবেন। ঠিক ছিল, চোপড়াকাণ্ডের আক্রান্ত এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। কিন্তু, আচমকা তাঁর চোপড়া সফর বাতিল হয়ে যায়। তিনি ফের শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি ফিরে যান। তবে, আচমকা কেন তাঁর সফর বাতিল হল তা জানা যায়নি।

    চোপড়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা (CV Ananda Bose)

    এদিন শিলিগুড়ি সার্কিট হাউসে বসে চোপড়াকাণ্ড নিয়ে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যেভাবে প্রকাশ্যে মহিলার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, “যে সমাজ মহিলাদের রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ সভ্যসমাজ বলে গণ্য হয় না। সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে।” রাজ্যপালের এই বক্তব্যে তৃণমূল সরকার যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    চোপড়ায় ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবারই চোপড়ার (Chopra Incident) লক্ষ্মীপুরে হওয়া একটি ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, এক তরুণ এবং এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে একছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন এক ব্যক্তি। মার খেতে খেতে  প্রায় গুটিয়ে যাওয়া তরুণীকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে আবার চলছে মার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মহিলা বিবাহিত। তবে, তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে যান। পরে ফিরে এলে তাঁদের কাছে ১০ হাজার টাকা জরিমানা চাওয়া হয়। টাকা না দিলে এলাকায় (Chopra Incident) থাকতে দেওয়া হবে না ফতোয়া দেওয়া হয়। তার পরও সেই টাকা না দেওয়ায় রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় তাঁদের। পরে, জানা যায়, ভিডিও যিনি তাঁদের মারছিলেন, তাঁর নাম তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি। তিনি তৃণমূল নেতা। তবে এলাকায় পরিচিত চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আবারও নয়া মোড়। মঙ্গলবার ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরই ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চেয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Ration Scam) 

    রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ১৯ জুন ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান অভিনেত্রী। পাঁচ ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে থেকে বেরিয়ে ঋতুপর্ণা দাবি করেছিলেন, ‘রেশন দুর্নীতি’র সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কাছে যা নথি চাওয়া হয়েছিল, তা তদন্তকারীদের দিতেই তিনি এসেছেন। ইডি সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কে লেনদেনের তথ্যর উপর নির্ভর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডি তলব করেছিল। কারন, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি। কিন্তু এর দুসপ্তাহের মধ্যেই এবার ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাওয়ার কথা জানালেন ঋতুপর্ণা। 

    আরও পড়ুন: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    ঋতুপর্ণার বক্তব্য (Rituparna Sengupta) 

    এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, সিনেমার পারিশ্রমিক বাবদ তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ওই টাকা যে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam), তা তিনি জানতেন না। আইনজীবী মারফত তিনি ইডির আধিকারিকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানিয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। তবে শুধু ঋতুপর্ণাই নয়, এর আগে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়, অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীও ইডিকে টাকা ফেরত দিয়েছেন।   
    উল্লেখ্য, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর (Rituparna Sengupta)। ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেসময় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। আর এবার রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে ইডির মুখোমুখি অভিনেত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra: ২৮ জুন বসেছিল জেসিবির ‘ইনসাফ’ সভা! নির্যাতনের ঘটনা কার নির্দেশে ২ দিন চাপা ছিল?

    Chopra: ২৮ জুন বসেছিল জেসিবির ‘ইনসাফ’ সভা! নির্যাতনের ঘটনা কার নির্দেশে ২ দিন চাপা ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ায় (Chopra) মহিলা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল ২৮ জুন। কিন্তু এই ঘটনার ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ৩০ জুন, রবিবার। প্রশ্ন উঠেছে দুদিন ধরে এত বড় ঘটনা কার নির্দেশে চাপা ছিল? কার ভয়ে এই কথা প্রকাশ্যে আসেনি? ইতিমধ্যে এই প্রশ্ন এখন সকলের মুখে। যদিও মূল অপরাধী জেসিবি তাজমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার আদালতে তোলা হলে, বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কেসের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল।

    ইনসাফ সালিশি সভা(Chopra)!

    সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেছেন, “যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি এসআই, তাঁর নাম সঞ্জিত ঘোষ। তাঁর বক্তব্য তিনি একটি ভিডিও ক্লিপ পান, যেখানে দেখা গিয়েছে, একজন ব্যক্তি অপর আরেক মহিলা এবং পুরুষকে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারছেন। এরপর তদন্ত শুরু করেন। জানা গিয়েছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ইনসাফ নামে একটি সালিশি সভা বসেছিল গত ২৮ জুন তারিখে। তবে এই ঘটনায় জেসিবির (JCB) প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ছিল। নিজে খুব খারাপ ভাষায় কথা বলছিলেন এবং এরপর মারধর করেন।” আইনজীবী আরও বলেছেন, “অভিযুক্ত জেসিবির নামে আরও ১২টি মামলা রয়েছে।” এখন প্রশ্ন উঠছে এইরকম এক ব্যক্তিকে নিয়ে প্রশাসন কেন কোনও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেনি? নাকি শাসক দলের হাত তাঁর মাথায় ছিল? কোন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার হাত ওঁর মাথায় রয়েছে, তাই এখন সংবাদ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছে। যদিও জেসিবির সম্পর্কে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান ও জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল আগেই সাফাই দিয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য (Chopra)

    ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি থমাস বলেন, “আমরা ভাইরাল ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে একজনকে (JCB) গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় (Chopra) যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেই।”

    আরও পড়ুনঃ জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মুসলিম রাষ্ট্রের সামজিক আচার-বিচার

    ঘটনায় চোপড়ার (Chopra) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ব্যাখ্যা আরও ভয়ানক ছিল। তিনি বলেছিলেন, “মুসলিম রাষ্ট্রের সামজিক আচার-বিচার হয়েই থাকে। সমাজকে খারাপ করছিল। তাই গ্রামে সালিশি বসানো হয়েছিল। তাই শাসন করতে গিয়েছিল। কিন্তু যেটা করেছে, একটু বেশি বেশি করে দিয়েছে। তার জন্য আমরাও দুঃখিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও ছেলেধরা সন্দেহে, কখনও শিশু চুরির ঘটনায় গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে রাজ্যে। এবার ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) নিশ্চিন্তবসান গ্রাম। চোর সন্দেহে দুই মহিলা এবং এক শিশুকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপালি বেরা নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে দুই অপরিচিত মহিলা ঢুকে চুরি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। দীপালি বলেন, “সোমবার দুপুরে দুই মহিলা একটি বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়ির সামনে আসে। এক জন শিশুটিকে নিয়ে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকলেও অন্য মহিলা বাড়ির ভিতরে ঢুকে  পড়ে। সোনার গয়না হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে। চোখের সামনে দেখে আমি চিৎকার করি। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা আমার বাড়িতে ছুটে আসেন। সেই সময় অভিযুক্ত মহিলাকে ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপরই তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে আমার গয়নার ব্যাগ উদ্ধার হয়।” জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের কয়েকজন দুই মহিলাসহ তিনজনকে পিছমোড়া করে বেঁধে বেধড়ক মারধর চলে। ওই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় তমলুক থানার পুলিশ। তারা দুই মহিলা-সহ শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মহিলার চিৎকার শুনে আমরা ছুটে যাই। বাড়ি থেকে অপরিচিত মহিলা দুজনকে দেখে আমরা চেপে ধরি। তাদের কাছে থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী পাওয়া যায়। এরপরই উত্তেজিত হয়ে তাদের ওপর চড়াও (Lynching) হয় এলাকার লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্তেরা দলবেঁধে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তারা আর কোথাও এই ধরনের কাজ করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর ওই দলে আর কোনও সদস্য রয়েছেন কি না, সে সম্পর্কে পুলিশ খোঁজখবর চালাচ্ছে। আর কারা হামলা (Lynching) চালাল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Purba Bardhaman: জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতাকে। অভিযুক্তকে পূর্ববর্ধমানের (Purba Bardhaman) কেতুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ আচার্য। তাঁর বাড়ি নৈহাটি নামক গ্রামে। তিনি এলাকার তৃণমূল (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Purba Bardhaman)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার দুপুরের ঘটনা। সীতাহাটি (Purba Bardhaman) পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দুটি গ্রাম এনায়েতপুর এবং নৈহাটি। এনায়েতপুরের বাসিন্দা ইতি দাস এবং দীপক দাসের মেয়ে সম্পর্কে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মা অবশ্য জানতে পারেন নৈহাটি গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়িতে রয়েছেন মেয়ে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই বাড়ি থেকে মেয়েকে আনতে গেলে, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে ওই বাড়িরই লোকজন। দ্বিতীয়বার ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে আনতে গেলে বিশ্বজিৎ আচার্য, ইতির মা ইন্দুবালালকে জুতো খুলে ব্যাপক মারধর করেন। এরপর অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু হয় বৃদ্ধার।

    তোমার বাড়ির মেয়ে হলে কী করতে?

    পরিবারের (Purba Bardhaman) পক্ষ থেকে ইতি দাস বলেছেন, “মায়ের কথাতে আমি ওই বাড়িতে যাই। তখনও বিশ্বজিৎ আচার্য আমাদের সামনে এসে গালিগালাজ করতে থাকেন। ওই রূপ দেখে মা বলে ফেলেন, গাধা কোথাকার! তোমার বাড়ির মেয়ে হলে কী করতে? এ কথা বলার পরেই বিশ্বজিৎ মাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েই জুতো খুলে বুকে মারতে থাকেন। এরপর মা আর উঠতে পারেননি। ওখানেই মৃত্যু হয়। তৃণমূল নেতা বিশ্বজিতের মারের আঘাতেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হয়েছি। অভিযুক্তকে রবিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    বৃদ্ধার হার্টের অসুখ ছিল (Purba Bardhaman)

    পাল্টা কেতুগ্রাম-২ (Purba Bardhaman) তৃণমূল (TMC) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেছেন, “শুনেছি আগে থেকে বৃদ্ধার হার্টের অসুখ ছিল। আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যকে ফাঁসনো হয়েছে।” পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করলেও আরও ২ জনের সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার (Chopra Incident) ঘটনা নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। আর এই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ‘দুশ্চরিত্র’ তকমা দেগে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। শুধু তাই নয়, বিধায়কের বক্তব্যে উঠে এসেছে ‘মুসলিম রাষ্ট্রের সামাজিক আচার বিচারের’ প্রসঙ্গও। আর এসবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Chopra Incident)

    শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যের সম্প্রীতির বাতাবরণ নষ্ট করার জন্যই প্রকাশ্যে ওই মন্তব্য করা হয়েছে। ওই মন্তব্য শুধুমাত্র দেশের সংবিধানকেই (Chopra Incident) অপমান করে না, সঙ্গে ওই মন্তব্যের মাধ্যমে অশান্তির উদ্রেক হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় ওই মন্তব্যের জন্য বিধায়ক হামিদুল রহমানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    ঠিক কী বলেছিলেন চোপড়ার বিধায়ক?

    রবিবার চোপড়ার ভিডিও (Chopra Incident) ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, জেসিবি নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণী এবং এক যুবককে নৃশংসভাবে মারধর করছে। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইয়ে গিয়েছে। সরব হয়েছে বিজেপিও (BJP)। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেছিলেন, “মহিলাটি স্বামী ছাড়া অসামাজিক কাজকর্ম করছিলেন। অসামাজিক কাজে গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসেছিল। গ্রাম্য বৈঠকে যা হয়, সেই অনুপাতে বিচার-আচার হয়েছে। আমরাও বলছি না যে ভুল হয়নি। ভুল হয়েছে কিছুটা। গ্রামবাসীরা মিলে এটা করেছে। আমরা দেখছি বিষয়টি। যা হয়েছে সেটা বেশি বেশিই হয়েছে। এর জন্য আমরা দুঃখিত। আগামী দিনে যাতে এটা না হয়, সেটা আমরা চেষ্টা করব। তবে, অন্যায় তো মেয়েটাও করেছে। নিজের স্বামী, ছেলে-মেয়েকে বাদ দিয়ে দুশ্চরিত্রবান হয়েছে। মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার-বিচার হয়ে থাকে। কিন্তু, বিচারটা যেভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেটা না হয়ে বেশি বেশি হয়ে গিয়েছে।”মুসলিম রাষ্ট্র বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে, তাঁর মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই বক্তব্য নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে সরাসরি চোপড়া আসছেন তিনি। সকাল ১০টায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন রাজ্যপাল ৷ রাজভবন সূত্রে খবর, চোপড়ার (Chopra) নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও কথা বলবেন বোস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলায় কীভাবে প্রতিদিন এত হিংসার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত (CV Ananda Bose)

    দিল্লি থেকে এক ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, “বাংলার রাস্তায় রক্তস্নান চলছে। বাংলার গ্রাম-গঞ্জে রাস্তায় মরণ নাচন চলছে। এখানে কি আদৌ কোনও পুলিশমন্ত্রী আছেন? এই অশান্তি থামানো কি তাঁর দায়িত্ব নয়? নরক শূন্য হয়ে গিয়েছে, সব শয়তানরা এখানে এসে গিয়েছে। জঙ্গলও এর থেকে ভালো। জঙ্গলে কোনও প্রাণী শুধুমাত্র রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য কাউকে মারে না। শুধুমাত্র এখানেই রোমাঞ্চের জন্য মারা হচ্ছে মানুষকে। এটা চলতে পারে না। সরকারকে এর জবাবদিহি করতে হবে।” 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    দিনভর কোথায় কোথায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে দিল্লি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা হবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বাগডোগরা থেকে সড়ক পথে চোপড়া (Chopra) পৌঁছবেন তিনি। এখান থেকে কোচবিহারের দিনহাটাতেও যেতে পারেন রাজ্যপাল। দিনভর এই কর্মসূচি সেরে দিল্লিতে ফিরে রাজ্যপাল রিপোর্ট জমা দিতে পারেন বলে অনুমান। শুধু এই ঘটনা নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে ওঠা হিংসা নিয়েও কথা বলবেন রাজ্যপাল। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শিশু চোর কিংবা মোবাইল ফোন চোর সন্দেহে যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে সে সমস্ত বিষয়েও ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি জানান, সব বিষয় খতিয়ে দেখে তারপর দিল্লিতে কথা বলবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক প্রান্তে একের পর এক গণপিটুনিতে মৃত্যু ও চোপড়ায় সালিশি সভার নাম করে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, রাজ্যপাল অবিলম্বে বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারি (Article 355) দাবির জন্য যেন কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করেন। এ নিয়ে রাজ্যে সাংবিধানিক প্রধানের কাছে তিনি অনুরোধ করবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আরও দাবি, রাজ্যের হাত থেকে পুলিশের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হোক। সোমবারই সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী এবং বলেন, ‘‘রাজ্যপালকে বলব, আগামিকাল ফিরে এসে যেন তিনি সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারকে লেখেন পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৫ ধারা জারি করার জন্য।’’

    রাজ্যের ৪০ থেকে ৫০টি থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা অত্যন্ত শোচনীয়

    বিরোধী দলনেতার আরও মন্তব্য, ‘‘শুধু কোচবিহার বা চোপড়ার ঘটনাই নয়, শাসকের মদতে প্রায় প্রতিদিনই একটার পর একটা ঘটনা ঘটেই চলেছে।‌ রাজ্যে কোনও আইনের শাসন নেই। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপালের উচিত অবিলম্বে কেন্দ্রের কাছে এ ব্যাপারে লিখিতভাবে জানানো।’’ তাঁর মতে, ‘‘রাজ্যের ৪০ থেকে ৫০টি থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা অত্যন্ত শোচনীয়। আমার কাছে রাজ্যপাল যদি জানতে চান আমি সেই সমস্ত থানার নামের তালিকা ওনাকে দিতেও প্রস্তুত আছি।’’

    পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার পরামর্শদাতা নিয়োগ করে দেওয়া উচিত, মত শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বাংলার সঙ্গে মণিপুরের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির তুলনা টানেন শুভেন্দু। বাংলাকে উপদ্রুত অঞ্চল ঘোষণার দাবি জানান বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে ভোটে জিতেছেন। ২০২৬ সালে আবার ভোট আছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী থাকতে দেওয়া হোক। তাঁর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতায় হাত দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে পুলিশি ব্যবস্থা কেড়ে নেওয়া হোক। এবার সময় এসে গিয়েছে। ৩৫৫ ধারার সুপারিশ করে, মণিপুরের মতো উপদ্রুত ঘোষণা করে, সমস্ত থানাগুলিকে নিয়ে নেওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার পরামর্শদাতা নিয়োগ করে দেওয়া উচিত।’’

    বিচার ব্যবস্থা যেভাবে রাজ্যের গণতন্ত্র রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে তা প্রশংসনীয়

    বিচার ব্যবস্থার প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশ করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বিচার ব্যবস্থা যেভাবে রাজ্যের গণতন্ত্র রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে তা প্রশংসনীয়। কিন্তু আজ আমি মনের অত্যন্ত দুঃখের জায়গা থেকে বলছি যে, রাজ্যপালের উদ্যোগ ভাল, কিন্তু সাংবিধানিক পদে থেকে অনেকেরই যে ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা কেউ কেউ নিচ্ছেন না। বর্তমানে রাজ্যের বেহাল আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যা তাতে রাজ্যপালের উচিত বাংলায় ৩৫৫ কার্যকর (Article 355) করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার সময় এসেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তথা তৃণমূল কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাউন্সিলরের নাম শ্রীতমা ভট্টাচার্য। আর অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC Conflict) নেতার নাম অমিত সাহা। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের (Kamarhati)  শ্রীপল্লি কমিটির উদ্যোগে সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগ পেয়ে কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য সরজমিনে খতিয়ে দেখতে যান। অভিযোগ, শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা অমিত সাহা দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সামনেই দলীয় কাউন্সিলরকে হেনস্থা করেন। কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি জমি দখল হওয়ার অভিযোগ পেয়ে তা খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। জমি বেহাত হওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়েই আমাকে অমিত সাহা অশ্রাব্যভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রকে জানিয়েছি। বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সুবিচার চাই।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    সরব তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র

    তৃণমূল বিধায়ক (Kamarhati) মদন মিত্র বলেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা বলে মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে যা খুশি করবে তা হতে পারে না। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কারণ, কাউন্সিলর সেখানে একটি বিষয়ে জানতে গিয়েছিল। শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি হিসেবে তাঁর সহযোগিতা করার কথা ছিল। কিন্তু, সেটা না করেই সকলের সামনেই মহিলা কাউন্সিলরকে হেনস্থা করা হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় দেখি। আর প্রশাসনগতভাবেই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কারণ, এই ধরনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। আশা রাখব, দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    জানা গিয়েছে, এক সময় এই অমিত সাহা এই তৃণমূল (TMC Conflict) কাউন্সিলরের ইলেকশন এজেন্ট ছিলেন। তারপর এই ঘটনায় দলের কর্মীরাও হতবাক। তৃণমূল নেতা অমিত সাহা বলেন, রাতের দিকে মহিলা কাউন্সিলরের ক্লাবের মধ্যে আসা ঠিক হয়নি। কারণ, সেখান পাঁচরকম ছেলে থাকে। আর কাউন্সিলরের সঙ্গে কোনও খারাপ আচরণ করা হয়নি। আমি শ্রীপল্লি কমিটির বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করেছি। এখন এই বিষয়টি নিয়ে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share