Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে দল পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদকে সরিয়ে দেয়। গত আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ খালি বালুরঘাট পুরসভায়। ঠিক কী কারণে এতদিন পর্যন্ত পুরপ্রধান অশোক মিত্র উপ পুরপ্রধান মনোনীত করতে পারেননি, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনাও। বিজেপির দাবি, গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ?

    উপ পুরপ্রধানের পদ হারালেও এখনও তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার পদে রয়েছেন দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। তিনি নিজেকে গৃহবন্দি করে নেওয়ায় তাঁর ওয়ার্ডের কাজেও প্রভাব পড়েছে। সমস্যায় পড়ছেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন শংসাপত্র, শরিকি শংসাপত্র, ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণ সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকায় পথবাতি খারাপ হলে বা নিকাশি সমস্যা নিয়ে কাকে বলবেন তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে বালুরঘাটে দণ্ডি কাটিয়ে তিন আদিবাসী মহিলাকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ যায় রাষ্ট্রপতি, জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশন সহ নানা জায়গায়। ওই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে বালুরঘাট পুরসভার উপ পুরপ্রধান তথা তৎকালীন জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথমে দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরানো হয়। পরে জেলায় আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মে মাসে তপনে গিয়ে ওই তিন আদিবাসী মহিলার কান্না অভিষেক শোনার পর রাতারাতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপ পুরপ্রধানের পদ যায়। আইনি ব্যবস্থাও নেয় প্রশাসন। পরে তিনি এই মামলায় আদালত থেকে জামিন নেন। তবে এরপর থেকে তাঁকে আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি।

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপর পুরসভার যাবতীয় কর আদায়েরও দায়িত্ব ছিল। প্রায় আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকায় সেসব কাজ পুরপ্রধান নিজেই সামলাচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই উপ পুরপ্রধানের পদ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওই পদের জন্য ইতিমধ্যেই বহু কাউন্সিলার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। দলের তরফেও একটি সম্ভাব্য তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। তবে শহরে তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা নেতৃত্ব?

    পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকলেও পরিষেবায় কোনও খামতি হয়নি। পুর আইন অনুযায়ী প্রাক্তন উপ পুরপ্রধানের সব কাজ আমি সামলাচ্ছি। ওই পদে নিয়োগ কবে হবে জানা নেই। রাজ্য থেকেই তা জানানো হবে।’ তৃণমূলের (TMC) জেলা চেয়ারম্যান নিখিল সিংহ রায় বলেন, ‘উপপুরপ্রধানের পদ পূরণের জন্য আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি সেই নাম ঘোষণা করা হবে।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দলের কারণে ওরা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকে বসাতে পারেনি। আসলে লোক দেখানোর জন্য ওই মহিলা কাউন্সিলারকে সরানো হয়েছে। কিছুদিন পর মানুষ ভুলে গেলে আবার সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকেই ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল এখন (Purba Bardhaman) মশার আঁতুর ঘর। যত্রতত্র পড়ে রয়েছে আবর্জনা। অসুস্থ রোগীকে ভর্তি করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীর আত্মীয়রা, এমনটাই অভিযোগ রোগীর আত্মীয়-পরিজনদের। দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। ভারপ্রাপ্ত সুপার দায় ঠেলেছেন পুরসভার উপর।

    মূল সমস্যা কী (Purba Bardhaman)?

    কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে (Purba Bardhaman) রোগীর বেড সংখ্যা ২৫০। শুধু কাটোয়া মহকুমায় পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও আরও তিনটি জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও রোগীরা এসে ভর্তি হন। এই জন্যই সব সময় চাপ থাকে কাটোয়া মহাকুমা হাসপাতালে, বর্তমানে রোগীর সংখ্যা ৩০০ রও বেশি। রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রচণ্ড দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতাল জুড়ে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে নোংরা, আবর্জনা এবং প্যাকেট। পাশাপাশি হাসপাতালের প্রত্যেকটি ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে। এই মুহূর্তে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে দুজন ভর্তি এবং ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আরও দুজন। এছাড়াও অজানা জ্বর নিয়ে বেশ কিছু রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।।

    রোগীর পরিবারের অভিযোগ

    রোগীর পরিবারের আত্মীয়দের অভিযোগ, যে হাসপাতালের (Purba Bardhaman) বিশ্রাম ঘরে মানুষ বসে থাকবে, সেই বিশ্রাম ঘর এখন দখল করেছে কুকুরেরা। বসার জায়গাগুলি হয়েছে একেবারেই আবর্জনার স্তূপ। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, রোগীর সঙ্গে হাসপাতালে এসে আমরাও রোগী হয়ে যাচ্ছি! তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষকে বলবো হাসপাতালের পরিধিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) সুপারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রত্যেক বছর এই সময়ে জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে নিয়মিত হাসপাতাল পরিষ্কার করা হচ্ছে। দিনে তিনবার করে সাফাই অভিযান চলছে। পুরসভার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে এই কাজকে আরও নজরে রেখেছি। তবে পুরসভাকে আরও সক্রিয় হতে হবে বলে জানানো হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, সিউড়ি পুরসভার কাউন্সিলার এবং চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা

    TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, সিউড়ি পুরসভার কাউন্সিলার এবং চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠী কোন্দলের পরিণতি যে কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে, তার বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়াল সিউড়ি পুরসভা। রাজ্যে যেখানে পঞ্চায়েতের সামান্য তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা হাওয়ায় উড়েছে, সেখানে এই পুরসভার যাবতীয় ‘মায়া’ ত্যাগ করলেন তৃণমূলের (TMC) চেয়ারম্যান। শুধু চেয়ারম্যান পদই নয়, একই সঙ্গে কাউন্সিলার পদও ছেড়ে দিলেন এই পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিনিধি প্রণব কর ওরফে অঞ্জন কর। গত পুরসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়লাভ করেছিলেন। তারপরেই অনুব্রত মণ্ডলের কাছের লোক হওয়ার সুবিধা নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে বিবেচিত হন। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। অনুব্রত মণ্ডলের হাত মাথার ওপরে থাকার জন্য কেউ তাঁর টিকি স্পর্শ করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমানে অনুব্রত মণ্ডল না থাকার কারণে তাঁকে পদত্যাগপত্র দিতে একপ্রকার বাধ্য করলেন অন্যান্য কাউন্সিলররা, এমনই ধারণা রাজনৈতিক মহলে।

    কেন স্বেচ্ছায় অবসর? গুঞ্জন এলাকায়

    দুর্নীতি নিয়ে বারবার বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার টিকিট পাওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের (TMC) কাছেও অনেকে দরবার করেছেন। কিন্তু এবারের ঘটনা ঠিক তার উল্টো। সোমবার এসডিওর কাছে তাঁর চেয়ারম্যান পদ এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলার দুটি পদ থেকেই ইস্তফাপত্র তুলে দেন প্রণব কর। অনেকেই বলছেন, পঞ্চায়েতের মধুভাণ্ড নিয়ে যখন রাজ্য জুড়ে কাড়াকাড়ি চলছে, দলের লোকই সহকর্মীকে খুন করছে, সেখানে এমন উলট-পুরাণ কেন? এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন ১৩ জন কাউন্সিলার। ফলে বোঝাই যায়, স্বেচ্ছায় নয়, দলেরই একাংশের চাপে তাঁর এই ‘স্বেচ্ছাবসর’।

    কী বললেন বিদায়ী চেয়ারম্যান (TMC)?

    এই বিষয়ে অঞ্জন কর (TMC) জানিয়েছেন পারিবারিক এবং শারীরিক সমস্যার কথা। এছাড়া তিনি বলেছেন পুরসভার আর্থিক সমস্যার কথাও। তাঁর পদত্যাগপত্র এসডিও গ্রহণ করেছেন বলেও সুত্র মারফত জানা যাচ্ছে। সিউড়ি পুরসভার ইতিহাসে একসঙ্গে দুটি পদ যথা চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলয়ার থেকে পদত্যাগ করার ঘটনা এই প্রথম।

    তাঁর শেষ কথাটিও ইঙ্গিতপূর্ণ। অনুব্রত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলই। ওর বিকল্প কেউ হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: জলঙ্গির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-গরু পাচারকারীদের গুলির সংঘর্ষ, মৃত এক

    Murshidabad: জলঙ্গির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-গরু পাচারকারীদের গুলির সংঘর্ষ, মৃত এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জলঙ্গিতে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে গরু পাচারকারীদের সঙ্গে বোমা-গুলির লড়াইয়ে নিহত এক পাচারকারী। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তরেখার কাছেই। মৃতের নাম মমিনুল ইসলাম। জলঙ্গিতেই এই পাচারকারীর বাড়ি। এলাকায় বিএসএফ-পাচারকারীদের সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Murshidabad)?

    জলঙ্গির (Murshidabad) সীমান্ত ঘেঁষা সরকারপাড়া এলাকায় গতকাল রাতে সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে। রাতের বেলায় আচমকাই গ্রামবাসীরা বোমাবাজির শব্দ শুনতে পান। তারপর খবর হয়, পাচারকারীদের সঙ্গে সীমান্ত বাহিনীর লড়াই বেধেছে। বিএসএফ সূত্রের খবরে জানা যায়, সীমান্তের কাঁটাতারকে টপকে চলছিল অবৈধভাবে গরু পাচার। প্রথমে বিএসএফ বাধা দিলেও, কোনও বক্তব্য শোনেনি পাচারকারীরা। এরপর সতর্ক করে রবার বুলেট ছোড়া হয় কিন্তু পাল্টা বিএসএফকেই লক্ষ্য করে পাচারকারীরা বোমা এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। কিন্তু এরপর বিএসএফের গুলির জবাবে এক পাচারকারী গুলির আঘাতে আহত হয়। উল্লেখ্য বিএসএফ খুব স্পষ্ট করে জানায় যে তাদের আত্মরক্ষার জন্যই গুলি করতে হয়েছে। এরপর আহত মমিনুলকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। মৃতদেহ এরপর জলঙ্গি থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের (Murshidabad) পক্ষ থেকে জানা যায়, রাজ্যে কোনও কাজ নেই, তাই মমিনুল নিজে বাইরের রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করত। ঈদের সময় বাড়িতে এসেছেন, তারপর আর ভিন রাজ্যে যায়নি। এলাকার গরু পাচারকারীদের সঙ্গে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করতে যেত সে। গত দু’ দিন আগে বাড়ি থেকে গেলেও, ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। তার মূলত কাজ ছিল, গরুকে বাংলাদেশের সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া। মমিনুলের স্ত্রী মিনা বিবি জানান, গরু পাচার কাজের জন্য মূলত গরুগুলিকে দেখেশুনে নিয়ে যাওয়ার কাজ করত সে। সকালে পুলিশের কাছে খবর পাই, বিএসএফের গুলিতে মারা গিয়েছে ও।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুব্রতর জেলায় উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায়! জলে ভরা গর্তে ধান গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    BJP: অনুব্রতর জেলায় উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায়! জলে ভরা গর্তে ধান গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কেষ্ট মণ্ডল এখন জেলে। ভোটের আগে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বারবারই বলেছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন। কিন্তু বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়ন যে কতটা হয়েছে, তা বিভিন্ন এলাকা ঘুরলে সহজেই বোঝা যায়। বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বেশ কিছু ওয়ার্ড অল্প বৃষ্টিতেই থানা-খন্দে ভরে ওঠে। যেমন বড়বাগান প্রান্তিক সংঘের সামনের রাস্তা একেবারে ভঙ্গুর। অন্যদিকে সিউড়ির ব্যস্ততম সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের রাস্তা, সেখানেও অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমে যায়। স্থানীয় দোকানদাররা নোংরা ফেলার কারণে হাইড্রেনের মধ্যে জমা থাকে ওই নোংরা। যার ফলে জল বেরিয়ে যেতে পারে না। যত দিন যাচ্ছে, পরিস্থিতি যেন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এরই প্রতিবাদে আন্দোলনে নামল বিজেপি (BJP)। 

    কী বলছেন এলাকার ভুক্তভোগীরা?

    এলাকার মানুষের বক্তব্য, জেলায় জেলায় ডেঙ্গু যেভাবে বাড়ছে, তাতে জমা জল নিয়ে তাঁরা এমনিতেই আতঙ্কিত। অন্যান্য জায়গায় জল বের করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে চুন, মশা মারার তেল প্রভৃতি। কিন্তু সিউড়ি পুরসভা এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি। যে কারণে যে কোনও সময় ডেঙ্গুর  প্রকোপ বাড়তে পারে। পুরসভার বিভিন্ন রাস্তা এখনও পর্যন্ত খারাপ। সেই কারণে অল্প বৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে যাচ্ছে। এখানেও পুরসভার কোনও হেলদোল নেই।

    ধান গাছ লাগিয়ে আন্দোলনে বিজেপির (BJP) যুব মোর্চা

    প্রান্তিক সংঘের সামনের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। ইতিমধ্যেই সেখানে যে গর্ত রয়েছে, সেখানে জমতে শুরু করেছে জল। এই নিয়ে সিউড়ি নগর যুব মোর্চার (BJP) তরফ থেকে পথ অবরোধ করা হয়। শুধু এখানেই নয়, যেখানে জল জমে আছে, সেখানে তারা ধান গাছ লাগিয়ে এবং মাছ ছেড়ে পুরসভার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন। সংগঠনের সদস্যরা জানিয়ে দিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে যদি রাস্তা ঠিক না হয়, তাহলে যে আন্দোলনে তাঁরা নেমেছেন, তার থেকেও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মঙ্গলাহাট কবে থেকে সচল হবে? ফের উত্তেজনা হাওড়ায়

    Howrah: মঙ্গলাহাট কবে থেকে সচল হবে? ফের উত্তেজনা হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোড়া মঙ্গলাহাটের (Howrah) ব্যবসায়ীরা সোমবার থেকেই ব্যবসা শুরু করতে গেলে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে ব্যবসায়ী সমিতির হস্তক্ষেপে এক বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হাটে বসবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। 

    কেন সাময়িক উত্তেজনা (Howrah)?

    গত ২০ জুলাই গভীর রাতে মঙ্গলাহাটের একাংশ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পোড়া মঙ্গলাহাটের নামে মঙ্গলাহাটের (Howrah) ওই অংশে চার হাজারের বেশি দোকান ভষ্মীভূত হয়ে যায়। সামনেই পুজো, আর সেই পুজোর মুখে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন হাটের ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা। এই অবস্থায় হাট না খুললে, দোকান না বসতে দিলে, ব্যবসায়ীদের রুটিরুজির কী সংস্থান হবে? এই নিয়ে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    মুখ্যমন্ত্রী কী আশ্বাস দিয়েছিলেন?

    আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বিধানসভায় বলেন যে, মঙ্গলহাটের জমি বেসরকারি হাতে রয়েছে। মামলা চলছে। প্রয়োজন হলে জমি অধিগ্রহণ করব। জমি অধিগ্রহণ করে বিল্ডিং করব। আমরা নবান্ন জোর করে দখল করিনি। মঙ্গলহাটের ব্যবসায়ীরা নবান্নতে যেতে চায়নি। ওই বিল্ডিং এমনি পড়ে ছিল, তাই আমরা গেছি। গত একুশে জুলাই বিকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মঙ্গলাহাট (Howrah) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন। জেলাশাসকের নেতৃত্বে সেই কমিটি কাজ করেছে। আগে ঠিক হয়েছিল হাটের যে অংশ পুড়ে গেছে সেখান থেকে যাবতীয় জঞ্জাল সরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে সোমবার থেকে ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা ফের বিক্রিবাটা শুরু করতে পারেন। কিন্তু আজ সকালে ব্যবসায়ীরা এসে দেখেন জঞ্জালের স্তূপ এখনও সরানো হয়নি। সেই কারণে ব্যবসায়ীদের একাংশ ক্ষুব্ধ হন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শনিবার মহরম এবং রবিবার ছুটি থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ পুরোপুরি শেষ করা যায়নি।

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    হাটের (Howrah) ব্যবসায়ীদের একাংশ দাবি করেন যে হাটের যে অংশ পুড়ে যায়নি সেখানে তাঁদের ব্যবসা করার অনুমতি দিতে হবে। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। আজ খোলা হবে কাল খোলা হবে বলে প্রশাসন কেবল আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু নিশ্চিত করে বলতে পারছে না! আর এই নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বচসা হয় পুলিশের। সবটা মিলিয়ে উত্তেজনা চরমে। যদিও এ প্রসঙ্গে মঙ্গলা হাটের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নবান্ন কোনও ভাবেই মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের জন্য করা হয়নি। ওটি একটি আলাদা গার্মেন্টস হাব করা হয়েছিল বড় বড় ব্যবসায়ীদের জন্য। তাছাড়া হাওড়া ময়দানে যেখানে মঙ্গলাহাট রয়েছে সেই হাট ছেড়ে অন্যত্র তাঁরা কোনভাবেই যেতে রাজি নন। মুখ্যমন্ত্রী যদি পোড়া মঙ্গলাহাটের জমি অধিগ্রহণ করে সেখানে তাঁদের জন্য পাকাপাকি স্টল বানিয়ে দেন, তাহলে তাঁরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে রাজি।

    ব্যবসায়ী সংগঠনের বক্তব্য

    তবে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা প্রশাসনের পাশে রয়েছে। তাঁরা প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করেই জঞ্জাল দ্রুত সরাতে চান। মঙ্গলবার থেকে যাতে হাট (Howrah) চালু করা যায় সেই ব্যবস্থাই করা হবে।

    এই নিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুলিশের বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন কার্যত ওই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে আছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। কলকাতার পাশপাশি নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি চিন্তা বাড়াচ্ছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার গতানুগতিক ধারায় ফিভার ক্লিনিক খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সরকারি হাসপাতালের ভিড় প্রশ্ন তুলছে, ফিভার ক্লিনিক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে তো?

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, জুলাই মাসে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। গত কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৮ জন। তার মধ্যে দশ বছরের পড়ুয়াও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে। বেলেঘাটা আইডি-তে ইতিমধ্যেই রোগী ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আরজিকর, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতালে জেলা থেকে আসা মানুষের ভিড় বাড়ছে। অধিকাংশ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। রোগীরা জেলা হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে আসছেন। ফলে, কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে বেড দেওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গির জন্য যে বাড়তি শয্যার পরিকল্পনা সরকার করেছিল, তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। ফলে, ভোগান্তি বাড়ছে।

    রোগী ও পরিজনদের সমস্যা কোথায়? 

    অধিকাংশ রোগী ও পরিজনরা জানাচ্ছেন, রোগী ভর্তি নিয়ে হয়রানি শুরু হয়েছে। বিশেষত, আরজি কর এবং বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ভোগান্তি বাড়ছে। উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া থেকে বহু রোগী রেফার হয়ে আসছেন। রোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, জ্বরের উপসর্গের সঙ্গে মাথা ব্যথা বা অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা তৈরি হলেই রেফার করা হচ্ছে। জেলা হাসপাতাল জানিয়ে দিচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। আবার কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে বেডের আকাল। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ডেঙ্গি (Dengue) রোগীকে রেফার করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবের অভিজ্ঞতা অনেকটাই অন্যরকম, এমনই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতাল চত্বরেই বসে থাকছেন। তাই শুধু আক্রান্ত নন, ঝুঁকি বাড়ছে অন্যদের।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলায় ফিভার ক্লিনিক যে যথেষ্ট নয়, তা গত কয়েক বছরে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই ফিভার ক্লিনিক খোলা হয়, কিন্তু তারপরেও রোগী ভোগান্তি থাকে। জেলা থেকে রেফার কমানোর দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। জেলার ডেঙ্গি রোগী কলকাতার হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হওয়া ও তারপরে তার চিকিৎসা শুরু করা, একদিকে যেমন সময় বহুল, তেমনি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই জেলা হাসপাতাল ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। পাশপাশি, ডেঙ্গি সংক্রমণ রুখতে না পারলে ডেঙ্গি মোকাবিলা কঠিন হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতরের পাশপাশি পুর ও পঞ্চায়েত দফতর এক যোগে ডেঙ্গি মোকাবিলায় সক্রিয় না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। তবে স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী বলেন, “পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এখনই চিন্তার কিছু নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Nadia: ভয় দেখাতেই কি বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ির পিছনে সকেট বোমা? অভিযুক্ত তৃণমূল

    Nadia: ভয় দেখাতেই কি বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ির পিছনে সকেট বোমা? অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির জয়ী প্রার্থীর ঘরের পিছন থেকে ব্যাগ ভর্তি সকেট বোমা উদ্ধার। পরিবারের অভিযোগ, বিজেপিকে ভয় দেখাতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে শাসক দল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি নদিয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার গোবিন্দপুর এলাকার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভীমপুর থানার পুলিশ। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই এলাকার বিজেপির জয়ী প্রার্থী ভক্ত বিশ্বাস প্রতিদিনকার মতো আজও সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কাজে বেরিয়ে যান। এরপর তাঁর মেয়ে সকালে বাড়ির কাজ করার সময় পিছনে একটি বাজার করার ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। ওই বাজারের ব্যাগে কিছু রয়েছে বলে সন্দেহ হয় এবং এরপর তিনি বাড়ির লোকজনকে খবর দেন। বাড়ির লোকজন প্রাথমিকভাবে ব্যাগটি খুলতেই দেখেন, ভিতরে সকেট বোমা জাতীয় কিছু রয়েছে! এরপরেই খবর দেওয়া হয় ভীমপুর থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভীমপুর (Nadia) থানার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ওই জায়গাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরবর্তীকালে বোম নিষ্ক্রিয় করার আধিকারিকরা এসে বোমাগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    বিজেপির জয়ী প্রার্থীর মেয়ের বক্তব্য

    ব্যাগে বোমার ঘটনায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীর মেয়ে প্রীতি বিশ্বাস বলেন, সকালে কাজ করার সময় ওই ব্যাগটি আমার নজরে পড়ে। প্রথমে দেখে বুঝতে পারিনি। কিন্তু পরে দেখি ব্যাগে লোহার গোলাকার বস্তু! এরপর বাড়ির (Nadia) অন্যরাও দেখে বলেন এগুলি সকেট বোমা। এরপর বাড়ির সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। 

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    ব্যাগে বোমার বিষয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থী ভক্ত বিশ্বাসের দাবি, যেহেতু গোটা এলাকায় বিজেপি আধিপত্য বিস্তার করেছে, সেই কারণেই ভয় দেখানোর জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। আমি নিজেও একজন বিজেপি জয়ী প্রার্থী। সেই কারণেই দুষ্কৃতীরা চাইছে আমাদের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখতে। কিন্তু এভাবে দমানো যাবে না। 

    লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বোমাগুলি উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভীমপুর (Nadia) থানার পুলিশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: তৃণমূলকে ভোট না দেওয়ায় লাগাতার হুমকি, বিধায়কই ফাঁস করে দিলেন দলের সন্ত্রাস!

    Hooghly: তৃণমূলকে ভোট না দেওয়ায় লাগাতার হুমকি, বিধায়কই ফাঁস করে দিলেন দলের সন্ত্রাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসে উত্তপ্ত রাজ্য। এখনও বিভিন্ন জায়গায় বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চলছে। মিছিলে হামলা, বাড়িতে ঢুকে হামলা, কোনও কিছুই বাদ নেই। বিজেপির পক্ষ থেকে বার বার অভিযোগ করা হচ্ছে, স্রেফ বিরোধী দল করার অপরাধেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। যদিও তৃণমূল এইসব অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু এবার হুগলি (Hooghly) জেলায় এমন একটি ঘটনা সামনে এল, যাতে তৃণমূলের গোপন সন্ত্রাস আর গোপন রইল না। তা প্রকাশ্যে এনে দিলেন খোদ দলের বিধায়ক। এতে একদিকে যেমন বিরোধীদের তোলা অভিযোগ মান্যতা পেল, তেমনি সামনে এল তৃণমূলের নোংরা রাজনীতও।

    বিধায়ক কীভাবে সামনে আনলেন দলেরই সন্ত্রাস (Hooghly)!

    হুগলি জেলার চুঁচুড়ার কোদালিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রবীন্দ্রনগর কালীতলা এলাকার ঘটনা। এখানে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলেরই (TMC) প্রার্থী কৃষ্ণা মণ্ডল। কিন্তু জিতেও মেটেনি সাধ। এলাকার সাতটি পরিবার নাকি তৃণমূলকে ভোট দেয়নি। এটাই তাঁদের অপরাধ। আর যায় কোথায়! শুরু হয়ে যায় ধমক-চমক। অভিযোগ ওঠে, ওই প্রার্থীর স্বামী আধার মণ্ডল ওই পরিবারগুলিকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ফলে রীতিমতো আতঙ্কে দিন কাটাতে থাকে ওইসব পরিবার। কোনও ভাবেই সুরাহা না মেলায় অবশেষে তারা এলাকার বিধায়ক তৃণমূলের অসিত মজুমদারের দ্বারস্থ হয়।

    সেই অভিযোগ পেয়ে অসিতবাবু ওই এলাকায় গিয়ে যা করলেন, তাতে কিছুই আর আড়ালে থাকল না। নিজের দলের সন্ত্রাসই বেআব্রু হয়ে পড়ল। তিনি এলাকায় (Hooghly) গিয়ে দলের যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাকে ডেকে প্রকাশ্যে এমন ধমক দিলেন, যাতে সবার মনে হতেই পারে, তৃণমূল দলটা সত্যিই কতখানি শৃঙ্খলপরায়ণ। জনতার সামনে বিধায়ক ওই নেতাকে পাল্টা হুমকি দিয়ে বললেন, “এই তোর লাস্ট চান্স। তুই যদি একটা লোককে চমকাস, তোর হাড়গোড় আমি এক করে দেব।… তুই কেন চমকাবি?…তুই বাইরে থাকবি, না ভিতরে থাকবি?” তিনি পরে সংবাদ মাধ্যমের সামনে স্বীকারও করে নেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে আর করবে না বলেও কথা দিয়েছে। অর্থাৎ বিধায়কের ওই আপাত ধমক থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গেল, স্রেফ তৃণমূলকে ভোট না দেওয়ার জন্য ৭টি পরিবারকে ব্যাপক সন্ত্রাসের মুখে পড়তে হয়েছে।

    বিধায়ক নাটক করছেন, তোপ বিজেপির

    এলাকার (Hooghly) মানুষ অবশ্য এসবকে আমল দিতে নারাজ। কারণ, তাঁদের বক্তব্য, বিধায়কের প্রচ্ছন্ন মদত না থাকলে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে না। আর ওই নেতাকে লাস্ট চান্স দিয়ে বিধায়ক এটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কাজ ওই নেতা এই প্রথম করছেন না। বিজেপিও এই জায়গাতেই আক্রমণ হেনেছে। দলের হুগলি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, চুঁচুড়ায় সবথেকে বড় চমকাইবাজ নেতা যদি কেউ হয়ে থাকে, তবে সেটা তো হচ্ছে আমাদের চুঁচুড়ার বিধায়ক (TMC)। যে দলের গোড়ায় এরকম গলদ হয়ে রয়েছে, সেই দলের শাখাপ্রশাখা তো এই রকমই হবে। এ একে চমকাবে, ও তাকে চমকাবে। এটাই তো দলের কালচার। আজ উনি শুধুমাত্র একটা নাটক করার জন্য আইওয়াশ করতে শুরু করেছেন। লোককে ধমকানো চমকানোটাই এই দলের আইডিওলজি। কখনও কর্মীরা চমকাবে, কখনও বিধায়ক চমকাবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Birbhum: কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে হুক্কাবারের রমরমা, হুঁশ নেই পুরসভার

    Birbhum: কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে হুক্কাবারের রমরমা, হুঁশ নেই পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Birbhum) রমরমিয়ে চলছে বেআইনি হুক্কাবার। সন্ধ্যা নামলেই ওঠে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। নেশায় বুঁদ যুবসমাজ। কোপাই নদীর অদূরেই প্রশাসনের ঠিক নাকের ডগায় কোনও অনুমতি ছাড়াই বসছে হুক্কার আসর৷ এমনকি, ১৮ বছরের নীচেও ছেলেমেয়েরা মজেছে হুক্কায়। আর এতে নির্বিকার পুলিশ ও প্রশাসন। সরব হয়েছেন শিক্ষাবিদের একাংশ।

    কীভাবে চলছে হুক্কাবার (Birbhum)?

    সাধারণত হুক্কাবারে ১৮ বছরের নিচে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না৷ কিন্তু, এখানে এসব ছাড়! কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী ছাড়াও এই বোলপুর-শান্তিনিকেতনে (Birbhum) রয়েছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পচর্চা ও সাহিত্য কেন্দ্র। সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় হুক্কার আসর বসায় রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে, কেন নির্বিকার পুলিশ ও প্রশাসন?

    কী কী লাগে হুক্কাবার চালাতে?

    আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শহর বোলপুর (Birbhum)৷ আর বোলপুর পুরসভা হল এই সরকারের মডেল পুরসভা৷ এই পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে কোপাই নদীর অদূরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি হুক্কাবার। একটি হুক্কাবার চালাতে গেলে ২০০৩ সালের ‘সেন্ট্রাল টোব্যাকো আইন’ অনুযায়ী কমপক্ষে ১০ টি লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। যেমন স্থানীয় পৌরসভা থেকে ফুড লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, ইন্ডিয়ান পারফরম্যান্স রাইটস সোসাইটি থেকে মিউজিক লাইসেন্স, সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক, ফায়ার লাইসেন্স, জিএসটি রেজিস্ট্রেশন, স্টাফ ও লেবার লাইসেন্স, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ লাইসেন্স সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে নো অবজেকশন এবং পুলিশের কাছ থেকে ছাড়পত্র প্রভৃতি। কিন্তু, শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত গোয়ালপাড়া রাস্তায় কোনও রকম কোনও প্রশাসনিক দফতরের অনুমতি ছাড়াই রমরমিয়ে চলছে পশালবনী নামে এক হুক্কাবার৷

    বোলপুর পুরসভার বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই কলকাতা, সল্টলেক, বিধাননগর, শিলিগুড়ি প্রভৃতি জায়গায় হুক্কাবার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুরনিগম। যদিও, এই বিষয় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে লাইসেন্স প্রাপ্ত হুক্কাবার মালিকেরা৷ কিন্তু, শান্তিনিকেতনে (Birbhum)  হুক্কাবার বা হুক্কার আসরের কোনও অনুমতি নেই প্রশাসনের। আর এই নিয়ে সরব হয়েছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ। বোলপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন পর্ণা ঘোষ বলেন, “বোলপুর পুরসভা হুক্কাবারের লাইসেন্স দেওয়ার অধিকারী নয়। রবিঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত এই শহর, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন। এখানে যুবসমাজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ুক আমরা চাই না। তারজন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার আমরা নেব। পুলিশকেও বলব বিষয়টি দেখার জন্য৷”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share