Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • South 24 Parganas: বাড়িতে বোমা মজুত! বিস্ফোরণে উড়ে গেল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির চাল

    South 24 Parganas: বাড়িতে বোমা মজুত! বিস্ফোরণে উড়ে গেল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির চাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা হতেই সন্ত্রাসের বধ্যভূমি হয়ে ওঠে বাংলা। ভোটের রেজাল্ট বের হয়ে গেলেও তার রেশ চলছেই। এখনও রাজ্যের বহু প্রান্তে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। দিকে দিকে চলছে ব্যালট, বোমা উদ্ধার। ফের বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas)। রবিবার কাকদ্বীপের নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ঘটনা ঘটে। 

    রবিবার বিকালে বোমা বিস্ফোরণ তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে 

    জানা গিয়েছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের (South 24 Parganas) পাকুরতলা গ্রামের ১৭৫ নম্বর বুথের এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে রবিবার বিস্ফোরণ হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল কর্মীর নাম আসাদুল খান। ডাক নাম লোটু। বিরোধীরা বারংবার অভিযোগ তোলে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বাড়িতে মজুত রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র সমেত বোমা। এই ঘটনা বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, রবিবার বিকাল নাগাদ হঠাৎ আসাদুলের বাড়ির বারান্দায় বিকট আওয়াজ হয়। ঘটনায় চারিদিকের লোকজন ভিড় করেন তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে। দেখা যায়, অ্যাসবেস্টসের চাল ভেঙে তছনছ হয়ে যায়। চারিদিক থেকে মানুষ বেরিয়ে এলেও আরও বোমা থাকতে পারে বা বিস্ফোরণ হতে পারে এই ভয়ে বাড়ির কাছে কেউ যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে (South 24 Parganas) আসে ঢোলা থানার পুলিশ। পুলিশ বাড়িটিকে ঘিরে রাখে। হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে বাড়ির সবাই পলাতক।

    কী বলছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব? 

    তাদের কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে এটা মানতেই চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব (South 24 Parganas)। উপরন্তু অভিযুক্তকে দরাজ সার্টিফিকেটও দিচ্ছেন তাঁরা।এই বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা নাজমুল সেখ বলেন, ‘‘আসাদুল তৃণমূলের বা তাদের দলের একনিষ্ঠকর্মী, তবে রোজগারের জন্য মুম্বইয়ে কাজ করে, ভোটের সময় বাড়ি এসেছে। ওর মতো সরল সাদাসিধে ভালো ছেলে এলাকায় নেই। ওকে মিথ্যা করে বা চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Death: খাস কলকাতায় মদের দোকানে ক্রেতাকে পিটিয়ে খুন, প্রবল বিক্ষোভ

    Kolkata Death: খাস কলকাতায় মদের দোকানে ক্রেতাকে পিটিয়ে খুন, প্রবল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতায় ঢাকুরিয়া মোড়ের কাছেই একটি মদের দোকানে মদ কিনতে গিয়ে দোকানের কর্মচারীর হাতে খুন (Kolkata death) হতে হল এক ব্যক্তিকে। মৃতের নাম সুশান্ত মণ্ডল। পিটিয়ে খুন করার সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসেছে। তাতে দেখা যায়, সুশান্তকে নির্মম ভাবে টেনে দোকানের ভিতরে ঢুকিয়ে বেধড়ক কিল, চড়, লাথি মেরে প্রথমে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং এরপর মাটিতে তাঁর মাথা কয়েকবার ঠুকে দেয় ওই মদের দোকানের কর্মচারী। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় মানুষ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সুশান্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। আর এরপর ওই মদের দোকানের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দোষীকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে দোকানের সামনে স্থানীয় জনতা অবস্থান বিক্ষোভ  শুরু করেন। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়।

    প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে খুন! (Kolkata death)

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ছুটির দিনে, বিকেলে ঢাকুরিয়া মোড়ের মদের দোকানে সুশান্ত মণ্ডল মদ কিনতে যান। তিনি ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গছে। কিন্তু কিছু বিষয় নিয়ে মদের দোকানদারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতেই দোকানের ভিতর থেকে এক কর্মচারী, সুশান্তকে দরজা খুলে টেনে ভিতরে নিয়ে এসে ব্যাপক মারধর করে। শহর কলকাতায় প্রকাশ্য দিবালোকে এইভাবে মারতে মারতে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে সুশান্তের মাথা মাটিতে ঠুকে ঠুকে মেরেই (Kolkata death) ফেলা হবে, তা ভাবাই যাচ্ছে না। স্থানীয়দের কাছে সত্যিই অবিশ্বাস্য এবং আতঙ্কের ঘটনা। মানুষ এতটা নিষ্ঠুর কীভাবে হতে পারে! খুনের প্রতিবাদে এলাকার রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করা হয়।

    উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ

    এরপর উত্তেজিত জনতা ওই মদের দোকানের উপর চড়াও হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের ঘিরে এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশের সঙ্গে চলে ধাক্কাধাক্কি। স্থানীয় মহিলাদের দাবি, পুলিশ মদের দোকানে টাকা খেয়ে দোষীদের গ্রেফতার করছে না। তাঁরা আরও বলেন, পুলিশ যদি আইনের ব্যবস্থা না নিতে পারে, তাহলে আমাদের কাছে ছেড়ে দিক, আমরা খুনির (Kolkata death) কাছে সুশান্তের হত্যার বিচার চেয়ে নেবো।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সুশান্ত এলাকার খুব ভালো ছেলে। আমাদের পরিচিত ছেলে। দোষী যারা তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। খুনিকে (Kolkata death) কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানায়, খুনের (Kolkata death) সঙ্গে অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ হাতে এসেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কোনও অপরাধীকেই ছাড়া হবে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: এরকম সৎ রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে বিরল, বুদ্ধদেবকে দেখে এসে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: এরকম সৎ রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে বিরল, বুদ্ধদেবকে দেখে এসে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যতে দেখতে হাসপাতালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার বিকেল নাগাদ হাসপাতালে প্রাক্তনবুদ্ধদেবকে দেখতে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, মিনিট পাঁচেক হাসপাতালে ছিলেন তিনি। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শরীরিক অবস্থার খোঁজ নেন শুভেন্দু। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন (Suvendu Adhikari), “আমাকে ওনার পার্টির সকলে খুব সহযোগিতা করেছেন। ডাক্তারবাবুরা জানিয়েছেন, ওনার শরীরের অক্সিজেন লেভেল বেড়েছে। উনি যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় আমি বিধায়ক ছিলাম। শুধু বলতে পারি ওনার মতো সৎ রাজনীতিবিদ এ রাজ্যে আর হবে না।” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘আমার একজন পরিচিত ডাক্তারবাবু আছেন। কালকে অনেক রাতে তাঁকে ফোন করেছিলাম, তিনিও একই কথা বললেন। বাকি পরিবার বা হাসপাতাল সূত্রে যে মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখছি বা জানাচ্ছে সেইটাই সকলের বলা উচিত, আলাদা করে না বলাই ভাল। ভগবানের কাছ প্রার্থনা করব, যাতে তিনি এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠে সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারেন।’’

    বিজেপির তরফেও গতকাল দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে ভুগছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এজন্য একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছে তাঁকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে বিজেপির তরফেও। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য শনিবার বলেন, ‘‘দলের তরফে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। তিনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।’’

    বুদ্ধদেব ইস্যুতে কুণাল-সুকান্ত দ্বৈরথ

    রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নাকি ‘মহাপুরুষ’ বানানো হচ্ছে, এনিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণালের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কুণাল লেখেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আরোগ্য কামনা আমি করছি। কিন্তু তার পাশাপাশি যাঁরা তাঁকে আদিখ্যেতা করে মহাপুরুষ সাজাচ্ছেন, তার সঙ্গে একমত নই। কারণ বুদ্ধদেববাবুর জমানায় সিপিএম অনেক ভুল কাজ করেছে। আর ওঁর ঔদ্ধত্যে বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ভুল কী বলেছি?” এ দিকে এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি কুণাল ঘোষের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সুকান্তর দাবি, আর যাই হোক বুদ্ধবাবুকে ‘চোর’ বলে কেউ আঙুল তুলতে পারবে না। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আসলে এই মন্তব্য তিনি কুণালের উদ্দেশে করেছেন। কারণ সারদার আর্থিক  জেল খেটেছেন কুণাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তখন নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন অধুনা তৃণমূলের মুখপাত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে হাত উড়ে গেলে এক শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট (North 24 Parganas) পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাগান এলাকায়। আহত শিশু চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। শিশুর নাম ইউসুফ মণ্ডল। রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    রবিবার সকালে বাড়ির (North 24 Parganas) কাছেই একটি মাঠের ফাঁকা জায়গায় বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গেলে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দের বিস্ফোরণে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন এবং দ্রুত আহত শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হলে শিশুকে কলকাতায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা প্রবল ছিল বলে জানা যায়। শিশুর হাতের মধ্যে বোমাটি বিস্ফোরণ হলে গুরুতর আঘাতে একটি হাত কেটে বাদ দিতে হয়েছে। শিশুর পরিবার অত্যন্ত উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    পুলিশের ভূমিকা

    এই ঘটনার সম্পর্কে খবর দিলে স্থানীয় (North 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। এই ঘটনায় কে বা কারা মাঠে বোমা ফেলে রেখে গেছে, তা নিয়ে রীতিমতো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল রাতেই এই বোমা এখানে ফেলা হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    বোমায় কতটা সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই জেলায় জেলায় প্রচুর বোমা-বারুদ উদ্ধারের কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য বোমা উদ্ধারের ঘটনার কথা উঠে আসে। ইতিমধ্যে বোমাচ-বারুদের বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্যে। এই মাসের ১৫ই জুলাই মুর্শিদাবাদের সালারে বোমার আঘতে আহত হয়েছে দুই জন শিশু। সম্প্রতি নির্বাচন চলাকালীন কোচবিহারেও বোমার আঘাতে নিহত হয়েছে শিশু। কালিয়চক, জীবনতলা, ভাটপাড়া এলাকায় বোমার আঘাতে প্রাণ গেছে বেশ কিছু শিশুর। বসিরহাটে (North 24 Parganas) বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি প্রশ্ন করেন, “রাজ্যে এত বোমা-বারুদ কথা থেকে আসছে?”। পাশাপাশি পুলিশ, সিআইডি এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Mazumdar: ‘ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ রাজ্য সরকার’, মানিকতলায় ব্লিচিং ছিটিয়ে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Mazumdar: ‘ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ রাজ্য সরকার’, মানিকতলায় ব্লিচিং ছিটিয়ে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিকতলার রাস্তায় ঝাড়ু হাতে সুকান্ত। ডেঙ্গি মোকাবিলায় ছড়ালেন ব্লিং পাউডারও। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এনিয়ে তিনি লেখেন, ‘‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যর্থ রাজ্য সরকার! কলকাতার মানিকতলা রাস্তায় ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করলাম এবং ব্লিচিং পাউডার ছড়ালাম।’’ তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Mazumdar) আরও বলেন, ‘‘এদের আমলে দুবাই থেকে বাংলায় নমিনেশন হয়, তেমনি ডেঙ্গিটাও বাংলাদেশ থেকে এসেছে, এমন কথা বলে দেবে।’’ রাজ্যের মানুষের কাছে সুকান্ত আর্জি জানিয়েছেন, তাঁরা যেন সরকারের আশায় বসে না থাকেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Mazumdar) বলেন,  ‘‘নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকার অপরিষ্কার স্থানগুলো, যেখানে বর্ষার জল জমে সেসব পাত্রগুলো পরিষ্কার রাখুন, আপনাদের সুরক্ষা আপনাদেরই নিতে হবে। ডেঙ্গিকে প্রতিহত করতে আমাদের সকলকে সংকল্প নিতে হবে।’’

    মহরম নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    রাজ্য অফিসে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে সুকান্ত মজুমদার বেশ কিছু ছবি তুলে ধরেন। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে কোথাও মন্দিরের সামনে বাঁশের ব্যারিকেড তো কোথাও আবার ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে ধর্মস্থান। এনিয়ে সুকান্ত (Sukanta Mazumdar) বলেন, ‘‘এর কোনওটাই বাংলাদেশের ছবি নয়। সবটাই আমাদের পশ্চিমবঙ্গ।’’ বালুরঘাটের সাংসদ মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘‘কোনও মুসলিম সংগঠন এগুলো কি আপনাকে করতে বলেছিল? আমাদের কাছে তো সেরকম কোনও খবর নেই। তাহলে আপনি মন্দির ঢাকতে গেলেন কেন?’’ 

    হরিরামপুরে বিডিও এর বিরুদ্ধে অভিযোগ সুকান্তর

    সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Mazumdar) দাবি, হরিরামপুরের প্রাক্তন বিডিও শ্রীমান বন্দ্যোপাধ্যায় হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠান তাঁকে। অভিযোগ, সুকান্ত মজুমদারকে তিনি বলেন, ‘‘স্যর আপনারা না জিতলে কাপড় খুলে যাবে।’’ এনিয়ে  সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিডিও-রা তৃণমূলের দলদাস হিসাবে কাজ। একজন বিডিও আমায় হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ করে হুমকি দিচ্ছেন। আমি জিজ্ঞাসা করেছি আপনি সরকারি আধিকারিক। এইভাবে কি কথা বলতে পারেন?” বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: তৃণমূলের ৫ই অগাস্টের পাল্টা বিজেপির ঝাঁটা মিছিল, তীব্র উত্তেজনা হুগলিতে

    Hooghly: তৃণমূলের ৫ই অগাস্টের পাল্টা বিজেপির ঝাঁটা মিছিল, তীব্র উত্তেজনা হুগলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ই অগাস্ট বিজেপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি তৃণমূলের। তাই পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিজেপির দাওয়াই ঝাঁটা হাতে মিছিল। আজ সকালে হুগলির (Hooghly) সপ্তগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত গোস্বামী মালপাড়া অঞ্চলের গ্রামসভায় বিজেপির ১৯০ নং বুথে জয়ী প্রার্থী মানস ঘোসের নেতৃত্বে এই মিছিল সংঘটিত হয়। সঙ্গে ছিলেন হুগলি জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ। জেলায় শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তীব্র উত্তেজনা।

    কেন এই ঝাঁটা হাতে মিছিল

    হুগলি (Hooghly) জেলার বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো যেভাবে ধর্মতলা থেকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের কথা ঘোষণা করছেন, তা অত্যন্ত উস্কানিমূলক। তিনি আরও বলেন, আমরা নিশ্চিত তৃণমূল কোনও শান্তিপূর্ণ অবস্থান করবে না! তাই হাতে ঝাঁটা নিয়ে আমাদের বিশেষ প্রস্তুতির মিছিল ছিল এই ঝাঁটা মিছিল। প্রশিক্ষণ দিয়ে নিজেদের আত্মরক্ষাই ছিল আজকের প্রধান কর্মসূচি।

    মালপাড়া (Hooghly) অঞ্চলের বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বক্তব্য

    মালপাড়া (Hooghly) অঞ্চলের বিজেপির জয়ী প্রার্থী মানস ঘোষ বলেন, তৃণমূল থেকে যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে প্রতিরোধ করতে আমরা আজ এলাকায় ঝাঁটা হাতে মিছিল করলাম। বিজেপি নেতার বাড়ি কেন, কোনও ব্লকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ঘেরাও কর্মসূচি করতে দেওয়া যাবে না। মানুষের গণতন্ত্রকে লুট করার অধিকার তৃণমূলের নেই।

    ৫ই অগাস্ট কী ঘোষণা করেছে তৃণমূল?

    উল্লেখ্য গত ২১ শে জুলাই, ধর্মতলার মঞ্চ থেকে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন, রাজ্যের প্রত্যেক বিজেপি নেতার বাড়ি ঘেরাও করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সেই সঙ্গে ব্লক স্তরে ঘেরাও করার বিষয়ে সহমত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। ঘেরাও নিয়ে আরও বলা হয়, বিজেপি নেতাদের বাড়ি থেকে বাইরে বের হতে দেওয়া যাবে না, কেবল ছাড় মিলবে বাড়ির বাচ্চা এবং বৃদ্ধদের। আর তারপর থেকেই দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ও হাওড়া থেকে ৫ই আগস্টের আগেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলার চিত্র ধরা পড়েছে। রাজনৈতিক মহল অভিষেকের এই কর্মসূচিকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে অভিষেকের মন্তব্য এবং কর্মসূচিকে প্ররোচনামূলক বলে থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। তৃণমূলের এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে পাল্টা হুগিলতে (Hooghly) ঝাঁটা হাতে বিজেপির মিছিলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে জেলায়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আবহে, তা রোধে কতটা সচেতন? তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভা। বিরোধীদের দাবি, সময় মতো নর্দমা ও জঞ্জাল পরিষ্কার না করায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে মশা। অপর দিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদাসীন বালুরঘাট পুরসভা বলে অভিযোগ বিজেপির। বামেদের দাবি, সাফাইয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে। যদিও শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছে বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক চাপন-উতোরে শোরগোল জেলায়।

    ডেঙ্গির কেমন অবস্থা বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur)?

    রাজ্য জুড়েই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সে ভাবে সংক্রমণ না বাড়লেও, সতর্কতা জারি রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় গত জানুয়ারি মাস থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত মোট ৫০ জনের সংক্রমণের খবর রয়েছে। এর মধ্যে বালুরঘাট শহরের তিনজন সংক্রমিত হয়েছিল। বর্তমানে জেলায় মাত্র দু’ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একজন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এবং একজন গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভা ডেঙ্গি সংক্রমণ রোধে উদাসীন বলে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বালুরঘাট শহর মণ্ডল সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত জানান, শহরের যত্রতত্র আবর্জনায় ভরে উঠেছে। নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার, মশা মারার তেল স্প্রে করছে না বালুরঘাট পুরসভা (Dakshin Dinajpur)। রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গি বেড়ে চলেছে, তাতে পুরসভা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শহরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ।

    সিপিএমের বক্তব্য

    বালুরঘাট পৌরসভার (Dakshin Dinajpur) ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলার প্রবীর দত্ত বলেন, আমার ওয়ার্ডে ডেঙ্গি সার্ভে সহ স্প্রে, নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ব্লিচিং পাওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গি রোধে আরও বেশি করে কাজ করা প্রয়োজন। পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধনে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে বলে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রবীর দত্ত।

    বালুরঘাট পুরসাভার বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভার (Dakshin Dinajpur) চেয়ারম্যান অশোক মিত্র জানান, বালুরঘাট পুরসভা শহরের পরিচ্ছন্নতার কাজ নিয়মিতভাবে করছে। ডেঙ্গি রোধে সচেতনতা, বাড়ি বাড়ি সার্ভে সহ অন্যান্য কাজ চলছে। স্বাস্থ্য দফতরের সাথে যোগাযোগ রেখে, স্বাস্থ্য দফতরের গাইড লাইন মেনে, ডেঙ্গি রোধে সমস্ত কাজ করছে বালুরঘাট পুরসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হতেই পিটিয়ে খুন এক মহিলাকে, তীব্র উত্তেজনা

    Murshidabad: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হতেই পিটিয়ে খুন এক মহিলাকে, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মহিলাকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ, অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃত ওই মহিলার নাম খাতুন বেওয়া, বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকল থানার ১০ নম্বর ঘোড়ামারা অঞ্চলের হারুরপাড়া এলাকায়। গতকাল রাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে গিয়ে এই মহিলাকে ব্যাপক মারধর করে এবং আজ সকালে বহরমপুরের মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান তিনি। 

    কীভাবে ঘটল খুনের ঘটনা (Murshidabad)?

    স্থানীয় (Murshidabad) সূত্রে জানা যায়, কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন খাতুন বেওয়া। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের সঙ্গে বাক্‌বিতন্ডা শুরু হয়, তারপরেই মারধর করা হয়য় ওই কংগ্রেস কর্মীকে। আজ সকাল নটা নাগাদ ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তারপর বেলা গড়াতেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। মেডিক্যাল কলেজে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় খাতুন বেওয়ার। ওই ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছাড়ায় এলাকায়।

    স্থানীয়র বক্তব্য

    ডোমকলের স্থানীয় (Murshidabad) বাসিন্দা বিল্লারুল রহমান বলেন, মৃত মহিলা এলাকায় ভিক্ষা করে কোনও রকমে দিনপাত করতেন। তাঁর বাড়িতে তেমন কেউ নেই। এলাকায় কংগ্রেসের অন্ধ ভক্ত ছিলেন। তিনি তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঝে মাঝেই একা একা বিস্ফরক বক্তব্য রাখতেন। গতকাল রাত ১১ টার সময় প্রথমে কিছু তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সঙ্গে বচসা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি নিয়ে আরও বিস্ফরক মন্তব্য করলে, তাঁকে ওই দুষ্কৃতীরা প্রথমে প্রচুর গালিগালাজ করে এবং এরপর চলে যায়। কিন্তু রাত ২ টোর সময় ফের ওই মহিলার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে আক্রমণ করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের মধ্যে এনামুল, যুগুল, বিশু আরও অনেকে ছিল। প্রত্যেকেই ওই মহিলাকে হাত পা চেপে গলার শ্বাসনালি টিপে ধরে ব্যাপাক মারধর করে। এই মারধরের ফলেই মহিলার মৃত্যু হয়। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকার মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনজেপি রেল স্টেশনে নেমে টয় ট্রেনে (Toy Train) চেপে দার্জিলিং যাবেন? আপাতত এমন ট্যুর প্রোগ্রাম থেকে বিরত থাকুন। কেননা এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ওই ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। তবে বরাবরের জন্য নয়। দু’ মাসের জন্য এই রুটে টয় ট্রেন পরিষেবা বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল।

    কেন টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের সিদ্ধান্ত?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেনে (Toy Train) যাত্রী না হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আগামী ২ অগাস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই রুটে ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ২০ জুলাই থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের ট্রয় ট্রেনের চারটি জয় রাইড বাতিল করে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। বর্ষার জন্য আগেই দার্জিলিংয়ে চারটি জয় রাইড ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

    পুজোর পর্যটন নিয়ে চিন্তার কারণ নেই

    এভাবে পর পর টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের খবরে পর্যটকরা চিন্তিত হতেই পারেন, পুজোর সময় টয় ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে না তো? তবে এ ধরনের আশঙ্কার কোনও জায়গা নেই। টয় ট্রেন এখন লাভজনক। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে ৩০ হাজার ৩০৩ জন যাত্রী টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। মোট ৩ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় প্রত্যেক বছরই পাহাড়ে বিভিন্ন জায়গায় ধস নামে। এই ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার ক্রমাগত বৃষ্টি ও ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইনের তলার মাটি ও পাথর কিছুটা নড়বড়ে হয়ে পড়ে। সে কারণে ঝুঁকি এড়াতে এবং লাইনের উপর চাপ কমাতে চারটি জয় রাইড বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আবার রেলের আর একটি সূত্র জানিয়েছে, পুজোর পর্যটন মরশুমের প্রস্তুতির জন্য এই সিদ্ধান্ত। কেননা বর্ষার সময় পাহাড়ে পর্যটক সংখ্যা অনেক কম থাকে। ফলে টয় ট্রেনের চাহিদাও কমে যায়। সেই হিসেব করে এই সময়টা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টয় ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চসায়ের এলাকা থেকে রায়দিঘির (South 24 Parganas) কৃষ্ণচন্দ্রপুরের চার বিরোধী জয়ী প্রার্থীর অপহরণের ঘটনার পর অবশেষে রবিবার বাড়ি ফিরলেন তাঁরা। বাড়ি ফিরেই বললেন, অপহরণ করে জোর করে স্বীকারোক্তি এবং লিখিত নেওয়া হয়। মূলত পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের জন্যই দুষ্কৃতীরা তাঁদের অপহরণ করে। অভিযোগের তির মূলত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেই। এলাকায় এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    যাঁরা অপহরণ হয়েছিলেন তাঁদের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    অপহরণের শিকার হওয়া চার জয়ী বিরোধী প্রার্থীর নাম হল সুশান্ত মণ্ডল, কমলা মণ্ডল, নারায়ণ চন্দ্র হালদার এবং পুজা ছাটুই। বাড়ি (South 24 Parganas) ফিরেই তাঁদের বক্তব্য, গত ২৭ জুলাই কলকাতা থেকে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা অপহরণ করেছিল। এরপরেই জোরপূর্বক তাঁদের থেকে লিখিত ও ভিডিও বার্তা নেওয়া হয়। এরপর একাধিক গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করে রাখা হয়েছিল। পরে সাদা কাগজে তাঁদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়াও হয়। আজ রবিবার সকালে তাঁদেরকে আবার অপহরণমুক্ত করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অপহরণ যাঁদের করা হয়েছিল তঁদের মাধ্যে ছিলেন বিজেপির তিনজন প্রার্থী এবং সিপিআইএমের এক প্রার্থী।

    কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ কেমন?

    কৃষ্ণচন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) মোট আসন সংখ্যা ১৫, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে ৪ টি আসনে, বিজেপি জয়লাভ করেছে ৬টি আসনে এবং সিপিআইএম জয়লাভ করেছে ৩ টি আসনে। আর বাকি দুটিতে নির্দল জয়লাভ করেছে। বোর্ড গঠন করতে হলে মোট আটজন সদস্যের প্রয়োজন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রয়েছে মাত্র চারজন সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেস বোর্ড গঠন করার লক্ষ্যে বিরোধীদের চারজন সদস্যকে অপহরণ করে, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। পাশাপাশি সিপিআইএমও বোর্ড গঠনের জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের এই অপকর্ম করে বলে উল্লেখ করে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের সুন্দরবন (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, যেখানে সিপিআইএমের মাত্র তিনজন সদস্য, তাঁরা কিভাবে এই অভিযোগ তুলতে পারেন! তিনি আরও বলেন, সিপিআইএম এবং বিজেপির মধ্যে সেটিং হয়েছে। সিপিআইএম চক্রান্ত করে তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share