Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি ওয়ার্ডে সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল দুর্গাপুর (Durgapur)। ঠিক তখন সাংবাদিক বৈঠকে দুর্গাপুরের ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে মানুষের পাশেই থাকলেন বিজেপি সাংসদ এসএস আলুওয়ালিয়া। বিজেপি সাংসদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করলে বুলডোজারের সামনে আমি রুখে দাঁড়াবো। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সেইল-এর অধীনস্থ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা এবং মিশ্র ইস্পাত কারখানার জমি দখল করে বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়াতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    নিজের বাড়িতে (Durgapur) সাংবাদিক সম্মেলন

    সেইল উচ্ছেদের নোটিশ দিতেই পুনর্বাসবের দাবিতে দুর্গাপুরের ৩২ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডের মানুষ বিক্ষোভে নেমেছে। পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা হলে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়ার। শনিবার সকালে দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে সাংসদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সম্প্রসারণ করতে যেমন জমির প্রয়োজন, তেমনি ওই জমির উপর বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদ করতে গেলে পুনর্বাসনের প্রয়োজন। পুনর্বাসন যতক্ষণ না দেওয়া হবে, ততক্ষণ জমি কেউ ছাড়বেন না। কেন্দ্রীয় সংস্থা উচ্ছেদ করতে গেলে বুলডোজারের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্ছেদ রুখবো। দুর্গাপুর (Durgapur) থেকে কড়া হুঁশিয়ারি বিজেপি সাংসদের।

    আরও কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এছাড়াও তিনি জানান, তিনি সাংসদ হওয়ার আগে দুর্গাপুর (Durgapur) ইস্পাত কারখানা অর্থাৎ সেইল-এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ সমস্ত রাজনৈতিক দলই চেয়েছে, সাধারণ মানুষ চেয়েছে, আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ তো আর হাওয়ায় হবে না, তার জন্য জমি দরকার। কিন্তু যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আগে করতে হবে এবং সেজন্য সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে একমত হতে হবে। কারণ  দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ হলে তাতে উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি হবে, তেমন কর্মসংস্থানও বাড়বে। কিন্তু জমির জন্য তা করা যাচ্ছে না। তাই বসবাসকারীরা জমি ছেড়ে দিলে এই কারখানা আরও বৃহৎ আকার ধারণ করবে। তবে তার আগে পুনর্বাসন হওয়াটাও ভীষণভাবে জরুরি। যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের সঙ্গে তিনি রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: রবিবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা! মিলবে স্বস্তি

    Weather Update: রবিবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা! মিলবে স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুমোট গরম থেকে কবে মিলবে মুক্ত? সুখবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। হাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য বলছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। মিলতে পারে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি। বৃষ্টির কারণে আপেক্ষিক আর্দ্রতাও কমবে। যার  জেরে  গুমোট পরিস্থিতি কিছুটা কাটতে পারে। অন্যদিকে কলকাতায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আগামী ২ দিন বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের (Weather Update) পর থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েকদিন উত্তরের বেশ কতগুলি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ঘূর্ণাবর্ত বর্তমানে অবস্থান করছে উত্তর ওড়িশা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ড সংলগ্ন এলাকায়।

    আরও পড়ুুন: “কালামের মহাকাশ বিজ্ঞানের স্বপ্ন পূরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি”, বললেন অমিত শাহ

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update)

    প্রতিবছর জুন মাসের ৮-৯ তারিখ নাগাদ বর্ষা প্রবেশ করে দক্ষিণবঙ্গে। কিন্তু চলতি মরসুমে দেরি করে প্রবেশ করেছে বর্ষা। আবার প্রয়োজনের তুলনায় সেবাবে বৃষ্টিপাতও হয়নি দক্ষিণবঙ্গে। রয়েছে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি। এই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রবিবার দক্ষিণবঙ্গের যে ছয় জেলায় রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলি হল- দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই জেলাগুলিতে ৭ থেকে ১১ সেমি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি থাকলেও উত্তরবঙ্গে কিন্তু স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস। রবিবার উত্তরবঙ্গের চার জেলাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। বাকি হালকা মাঝারি বৃষ্টি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Barasat: দত্তপুকুরে যুবকের মোবাইল ছিনতাই! বাধা দিতেই গুলি চালালো দুষ্কৃতীরা, আহত ২

    Barasat: দত্তপুকুরে যুবকের মোবাইল ছিনতাই! বাধা দিতেই গুলি চালালো দুষ্কৃতীরা, আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিল দুষ্কৃতীরা। তাতে বাধা দিতেই চলল গুলি। শনিবার রাতে এই গুলি চালনার ঘটনায় ২ জন যুবক আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি মধুপুর ও চণ্ডীগড়ি এলাকায়। এক যুবককে গলায় এবং অপর যুবকের পেটে গুলি লেগেছে। আহত দুই যুবককেই উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে বারাসত (Barasat) হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। গুলি চালনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে সরব এলাকাবাসী (Barasat)।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বাড়ি ফিরছিলেন মধুপুরের (Barasat) বাসিন্দা শুভজিৎ ঘোষ নামের এক যুবক। সে সময় বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভজিতের থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এর পরেই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এর পরই শুভজিৎকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। তাঁর গলায় গুলি লেগেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পরই ওই এলাকায় সোনা ঘোষ নামে অপর এক যুবককেও গুলি করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোনা ঘোষের পেটে গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    আহত দুই যুবককেই উদ্ধার রাতেই নিয়ে আসা হয় বারাসাত হাসপাতালে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘‘আমরা মাচাতে বসে ফ্রি ফায়ার খেলছিলাম। হঠাৎই এক যুবক সাইকেল নিয়ে দ্রুত আসতে থাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে। অন্যদিকে দুই জন যুবক লাল বাইকে এসে গুলি চালাতে থাকে। এতেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে দুইজন।’’ স্থানীয় বাসিন্দাদের (Barasat) অভিযোগ, কয়েক দিন আগেও গুলি চলার ঘটনা ঘটেছিল এই এলাকায়। কিন্তু পুলিশকে বলা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। শনিবারের গুলি চালানোর ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত এলাকাবাসী। গুলি চালনায় অভিযুক্তদের ধরতে তৎপর হয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযুক্তদের ধরতে জেলাজুড়ে চালানো হচ্ছে নাকা চেকিং এমনটাই জানা গিয়েছে  পুলিশ সূত্র থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল “ব্যালট বাক্স”! ডালখোলায় তীব্র শোরগোল

    Uttar Dinajpur: পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল “ব্যালট বাক্স”! ডালখোলায় তীব্র শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল ব্যালট বাক্স। এই ভিডিও, রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা বলেছেন, তৃণমূল গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভোট লুট করেছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ডালখোলা থানার অন্তর্গত করনদিঘি ব্লকের বাজারগাঁও -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলুয়া বুথে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ডালখোলা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া ব্যালট বাক্সটিকে ডালখোলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    এই ঘটনায় করণদিঘির (Uttar Dinajpur) বিডিও নিতীশ তামাং বলেছেন, “গতকাল একটি ব্যালট বাক্স উদ্ধারের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি পুলিশকে জানান। পুলিশ গিয়ে বাক্সটি উদ্ধার করে ডালখোলা থানায় নিয়ে আসেন।” তিনি আরও বলেন, গত ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনে ২৫ নম্বর বুথে ব্যালট বাক্স লুটের ঘটনা ঘটেছিল। সেখানকার প্রিসাইডিং অফিসার এসে প্রশাসনকে জানিয়ে ছিলেন যে ৩টি ব্যালট বাক্স লুট হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সেই বুথে আবার পুনঃনির্বাচন হয়। পুকুর থেকে যে ২টি ব্যালট বাক্স উদ্ধার হয়েছে, তা লুঠ হওয়া ব্যালট বাক্স বলেই দাবি তাঁর।

    নির্বাচন কতাটা সুরক্ষিত ছিল?

    যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে একটি বাক্স উদ্ধারের ছবি দেখা গেছে। গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, গণনার দিন গণনাকেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ এনেছিলেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর মতে করণদিঘী গণনা কেন্দ্রে কারচুপির ঘটনা ঘটেছে বলে সরব হন সাংসদ। কারচুপির অভিযোগে রায়গঞ্জে (Uttar Dinajpur) গণনাকেন্দ্রে গিয়ে রায়গঞ্জের বিডিওকে বিক্ষোভ দেখান। আর এই বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিডিওকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। পুকুর থেকে ব্যালট বাক্স উদ্ধারের ভাইরাল হওয়া ভিডিও, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগকে আরও একবার উস্কে দিল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: থ্রিডি ছবি এঁকে দেশ-বিদেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেন এক জুটমিলের শ্রমিক

    Hooghly: থ্রিডি ছবি এঁকে দেশ-বিদেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেন এক জুটমিলের শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধারে জল, মাঝখান দিয়ে একফালি রাস্তা গেছে এঁকেবেঁকে…. এই ভাবনা কি শুধুমাত্র কাঠকয়লা আর চক দিয়েই রাস্তায় এঁকে ফুটিয়ে তোলা যায়! অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলছেন ভদ্রেশ্বর (Hooghly) হিন্দুস্থান পার্কের অবাঙালি যুবক চন্দন চৌধুরি এবং তাঁর স্ত্রী পুনম চৌধুরি। শিল্পীর গুণে চাঞ্চল্য জেলা।

    কেমন এই আঁকা চিত্র (Hooghly)?

    একেই বলা হয় থ্রিডি পিকচার। অর্থাৎ বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন রকম মনে হয়। আর এই চিত্র এঁকেই সমাজমাধ্যমে ছেড়ে অর্থ উপার্জন করছেন শিল্পী চন্দন। দেশ-বিদেশে তাঁদের তৈরি এই থ্রিডি, বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সামান্য জুটমিলের শ্রমিক থেকে এই চমৎকার আর্ট তৈরি করতে তিনি কোনও প্রথাগত শিক্ষা নেননি। শুধু মাত্র মোবাইল ঘেঁটে বিভিন্ন অ্যাপ দেখে নিজে নিজেই শিখে নেন এই থ্রিডি ছবি আঁকার কৌশল। আসলে কথায় আছে, কেউ দেখে শেখে আর কেউ ঠেকে শেখে। ভদ্রেশ্বর (Hooghly) হিন্দুস্থান পার্কের বাসিন্দা অবাঙালি যুবক চন্দন চোধুরী ঠিক তাঁর জলজ্যান্ত প্রমাণ।

    কীভাবের শিখলেন

    মাধ্যমিক ফেল এই যুবক ছিলেন চন্দননগর (Hooghly) গোন্দলপাড়া জুটমিলের শ্রমিক। কয়েক বছর ধরে এই মিলটি বন্ধ ছিল। বিয়ে হয়ে গেছে কিন্তু রোজগার না করলে হয়? বিভিন্ন চীনা ও কোরিয়ান ভিডিও দেখে থ্রিডি ছবি আঁকা শিখে নেন চন্দন। সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন তাঁর স্ত্রী পুনম। কিন্তু ছবিটা ফোটাবেন কোথায়? বাড়ির সামনেই ১০ ফুট চওড়ার লম্বা গলি। সেখানেই কিছুটা জায়গা নিয়ে কাজ শুরু করে দেন তাঁরা। দেখতে দেখতে একবছর পার হয়ে গেছে। গতবছর জানুয়ারি মাসে শুরু করেছিলেন। ক্রমশ তাঁরা পোক্ত হয়ে উঠেছেন।

    উপকরণ কী ব্যবহার করেন?

    চন্দনের ছবি আঁকতে গিয়ে কোনও স্কেলের প্রয়োজন হয়না চতুর্দিক বর্ডার টানতে। আগে ছবি আঁকা হয় কাঠকয়লা দিয়ে। এরপর তার উপরে সাদা চক বোলান হয়। চক কাঠ কয়লার সংমিশ্রণ ব্রাশ দিয়ে হালকা করে মিশিয়ে দিলে ধূসর রঙে পরিচিতি পায় চিত্র। এইভাবেই ফুটে ওঠে নানান ধরণের ছবি। কখনো দাবার ছক, কখনও ইংরেজি বর্ণমালা, আবার কখনও বা গ্রাম বাংলার পথ।

    চন্দনের এই সৃজনশীলতাকে পছন্দ করে প্রতিবেশীরাও। তাই তো পড়শি জুটমিল শ্রমিক কমল দাস বলে ওঠেন, চন্দন আমাদের পাড়ার (Hooghly) গর্ব। অসাধারণ তাঁর সৃষ্টি। আর তাঁর কাজ সারা পৃথিবীতে, আমাদের কলোনিকেও পরিচিত করেছে চন্দন। ওঁর জন্য আমরা আপ্লুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ায় (Bankura) ব্যাগ ভর্তি রাশি রাশি বোমা। এই বোমা হল “বীজ বোমা”। এই “বীজ বোমা” ফাটাতে বন বিভাগের কর্মীরা শুশুনিয়া পাহাড়ের পথ বেয়ে উঠছেন দলবেঁধে। সেখানে বোমা ফাটাবেন তাঁরা। পাহাড়ের সেই অংশটা পাথুরে, ফলে গাছ গজায়নি। এই অংশটা পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত। এই ন্যাড়া অঞ্চলেই বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বন দফতর।

    কীভাবে বীজ বোমা ফাটানো হবে (Bankura)?

    আসলে অনেকটা বোমের মতো দেখতে এই গোলাকার মন্ড “বীজ বোমা”। যাকে বন দফতরের কথায় “বীজ বোমা” বলা হয়। এই “বীজ বোমা” তৈরী করা হয় বীজ, গোবর সার, এবং জৈব সার দিয়ে। এই সব কিছুর মিশ্রণে গোলাকার আকৃতির বল বানানো হয়। যা হুবহু দেখতে বোমার মতোই। এই বোমা ফাটিয়ে দেওয়ার পর সুর্যের আলো, বৃষ্টির জল পেলে এই বোমা থেকেই ঘটবে বীজের অঙ্কুরোদগম। ধীরে, ধীরে চারা বড়ো হয়ে বৃক্ষে পরিণত হবে৷ ফলে শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ের ন্যড়া অঞ্চল ন্যাড়ার তকমা ঘুচিয়ে সবুজের সমারোহে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। এমনই টাই মনে করছেন বন দফতরের আধিকারিকরা।

    বন দফতরের বক্তব্য

    বন দফতরের ছাতনা রেঞ্জের আধিকারিক এষা বোস জানান, শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ে সবুজ ফেরাতেই বন দফতর এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। পাহাড়ের যে জায়গাতে গাছপালা নেই, সেই জায়গাটা দিন দিন ক্রমশ্য ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছে। মূলত ক্ষয়রোধ করার জন্য এই বীজ বোমার ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষাকালকেই নির্বাচন করে নিয়েছেন বন দফতর। ফলে বীজগুলি বৃষ্টির জল পেয়ে নতুন গাছ জন্মাবে। এই “বীজ বোমা”র মাধ্যমে ওই ক্ষয়িষ্ণু অঞ্চলে আকাশমণি, বাবলা সহ তিনটি গাছের বীজ ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল সবুজ গাছে ভরে যাবে বলে আশাবাদী বন দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় নির্দল সমর্থককে বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    Nadia: নদিয়ায় নির্দল সমর্থককে বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দল করার অপরাধে, এক ব্যক্তিকে ঘর থেকে বের করে, বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে খুন করল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) নাকাশীপাড়া থানার বীরপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। রাজ্যের ভোট পরবর্তীকালে নির্দল সমর্থকের খুনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কেন খুনের অভিযোগ (Nadia)?

    সুত্রের খবর, নদিয়ার (Nadia) বীরপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সারবাড়ি এলাকায় খুন হওয়া নির্দল সমর্থকের নাম খবির শেখ। সদ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ওই এলাকার নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করেছিলেন। সেই কারণে ওই এলাকার শাসকদলের দুষ্কৃতীদের চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন খবির। আরও জানা যায়, আগেও একাধিকবার খুনের হুমকি দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা তাঁকে। কিন্তু তৃণমূল না করে, ভোটের সময় কেবল নির্দল প্রার্থীকেই সমর্থন করেছেন খবির শেখ।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে প্রতিদিনের মতো ঘরে বসে সকলে মিলে ভাত খেতে বসেছলেন খবির। ঠিক তখনই ১০-১২ জনের তৃণমূল আশ্রিত এক দুষ্কৃতী দল, তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। এরপর তাঁকে ঘর থেকে টেনে হিচড়ে বাইরে বের করে নিয়ে আসে। এরপরই চলে বন্দুকের বাট দিয়ে বেধড়ক মারধর। মারধর করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন খবির। আতঙ্কিত পরিবারের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে এলাকাবাসী ছুটে এলে, ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর আশঙ্কা জনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় (Nadia) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য

    নির্দল সমর্থক খবির শেখের মৃত্যুর বিষয়ে ওই এলাকার এক বাসিন্দা আসমান শেখ বলেন, তিনি নির্দলএর কর্মী ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বাড়ি (Nadia) থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করে। আর এই মারধরের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই প্রশাসন অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    পুলিশের ভূমিকা

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নাকাশিপাড়া থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করে দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনা রীতিমতো শোকের ছায়া গোটা এলাকায়। ভোট পরবর্তী কালে এখনও পর্যন্ত ৫৫ জনের প্রাণ গেছে। গতকাল নদিয়ায় আরও এক জনের প্রাণ গেল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: প্রি-পেইড বুথ চিরতরে বন্ধ, হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পেতে নাজেহাল হচ্ছেন যাত্রীরা

    Howrah Station: প্রি-পেইড বুথ চিরতরে বন্ধ, হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পেতে নাজেহাল হচ্ছেন যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী দুর্ভোগ এবং ট্যাক্সি চালকদের যথেচ্ছাচার কমাতে কয়েক বছর আগে হাওড়া (Howrah Station), শিয়ালদহ, কলকাতা স্টেশন, এমনকী কলকাতা বিমানবন্দরে চালু হয় প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ। সেখান থেকে লাইন দিয়ে টিকিট কেটে ট্যাক্সিতে চড়তেন যাত্রীরা। এবার সেই দিন শেষ। তার বদলে রাজ্য সরকারের তৈরি করা ওলা-উবেরের মতো ‘অ্যাপ’-এ (Yatri Sathi) বুকিং করে তবেই ট্যাক্সি চড়তে পারবেন যাত্রীরা। এর ফলে চড়া দামের টিকিট কেটে ট্যাক্সিতে চড়তে হবে বলে যাত্রীদের আশঙ্কা। গত পাঁচ জুলাই থেকে রাজ্য সরকার এই সমস্ত জনবহুল স্টেশনে এই পরিষেবা চালু করেছে। তার বদলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ। এতে একদিকে যেমন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা, একইভাবে বেশি ভাড়া দিয়ে তাঁদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। হাওড়া স্টেশনের পুরনো এবং নতুন কমপ্লেক্সের বাইরে দুটি করে চারটি এই ধরনের প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ ছিল। যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ট্যাক্সি বুকিং করে গন্তব্যে যেতেন। বর্তমানে সেখানে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথে তালা লাগানো। তার বদলে যাত্রীদের নিজেদেরই মোবাইল ফোনে ‘অ্যাপ’ ইন্সটল করে বুকিং করতে হচ্ছে ট্যাক্সি।

    অনেকেই পড়ছেন সমস্যায় (Howrah Station)

    যাত্রীরা জানিয়েছেন, তাঁদের অনেকের কাছেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই। ফলে তাঁরা ট্যাক্সি বুকিং (Howrah Station) করতে না পেরে বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং বাসে করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। তাতে তাঁরা খুবই সমস্যায় পড়েছেন। অন্যদিকে যাঁরা ওই অ্যাপ দিয়ে ট্যাক্সি বুকিং করছেন তাঁরা জানিয়েছেন, আগে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথে একটি নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা ছিল। সেই অনুযায়ী ভাড়া দিতে হত। কিন্তু বর্তমানে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে কোনও গন্তব্যে গেলে যে ভাড়া দেখাচ্ছে, একই সময় সেই গন্তব্য থেকে হাওড়া ট্যাক্সিস্ট্যান্ড পর্যন্ত আলাদা ভাড়া দেখাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাড়া অনেকটাই বেশি। বিশেষ করে রাতের দিকে ভাড়ার অনেকটাই তারতাম্য দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের দাবি, তাঁদের স্বার্থে নিদিষ্ট ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হোক।

    কীভাবে চলছে কাজ (Howrah Station)?

    পরিবহণ কর্মীরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনে প্রথমে যাত্রীকে ওই যাত্রী সাথী (Yatri Sathi) নামে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর বুকিং করলে একটি ওটিপি নম্বর পাওয়া যাবে। সেই ওটিপি নম্বর ড্রাইভারকে দেখালে তবেই গাড়িতে ওঠা যাবে। আপাতত এই ধরনের সিস্টেম চালু হয়েছে হাওড়া স্টেশন (Howrah Station), শিয়ালদা স্টেশন, কলকাতা বিমানবন্দর, সাঁতরাগাছি স্টেশন এবং কলকাতা স্টেশনে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় ওই বুথ থেকেই যাত্রীদের স্মার্টফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বুথের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। যাত্রীদের বুকিং পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগছে। আবার যদি কোনও যাত্রীর স্মার্টফোন না থাকে, তাহলে বুথ থেকেই ট্যাবের মাধ্যমে বুকিং করে দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকেই ওটিপি নাম্বার ড্রাইভারকে দিয়ে যাত্রীদের ট্যাক্সিতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওই কাজে হাওড়া সিটি পুলিশের ট্রাফিক অফিসার এবং কনস্টেবল ছাড়াও সিভিক ভলান্টিয়াররা সাহায্য করছেন। অনেক যাত্রী প্রি-পেইড সিস্টেম ভালো ছিল বলে মন্তব্য করলেও বেশিরভাগ যাত্রী জানিয়েছেন, এতে তাঁদের ভালো হয়েছে। চালকরাও জানিয়েছেন, তাঁদের সুবিধা হয়েছে। তবে এই সিস্টেমের মাধ্যমে যাত্রী ভাড়া বেড়েছে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI-ED: আসানসোল কোর্টে চলা কেষ্টর মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার আর্জি ইডির

    CBI-ED: আসানসোল কোর্টে চলা কেষ্টর মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার আর্জি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের শুনানি চলছিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই (CBI-ED) আদালতেও। এবার এই মামলাটি দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে স্থানান্তরিত করার আবেদন জানাল ইডি (CBI-ED)। কেন্দ্রীয় সংস্থা আর্জি জানিয়েছে, তাদের এবং সিবিআইয়ের করা মামলাটি এক জায়গায় আনা হোক এবং তা দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে স্থানান্তরিত করা হোক। সেখানেই চলুক মামলার বিচারপ্রক্রিয়া। ইডির এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী আগামী ১৯ অগাস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। দিল্লিতে মামলা স্থানান্তর হলে সাক্ষ্যগ্রহণও দিল্লিতে হবে। অর্থাৎ এখানকার সাক্ষীদের শুনানির দিনগুলিতে দিল্লি উড়ে যেতে হবে।

    কী বলছেন কেষ্টর আইনজীবী?

    শুক্রবার কেষ্টর আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ বলেন, ‘‘গরু পাচারের যে মামলাটি চলছে আসানসোল বিশেষ সিবিআই (CBI-ED) আদালতে, সেটি স্থানান্তরিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে যেখানে ইডির মামলা চলছে সেখানে স্থানান্তরিত হবে মামলাটি।’’ তবে মামলা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ‘‘আমরা আপত্তি জানাব। তার কারণ, এই মামলা দিল্লিতে চলে গেলে সাক্ষীদের দিল্লিতে যেতে হবে সাক্ষ্য দিতে। সমস্ত নথিও দিল্লিতে নিয়ে যেতে হবে। তাই আমরা আপত্তি জানাব। সরকার মনে করলে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতকে ইডির (CBI-ED) বিশেষ আদালত হিসেবেও ব্যবহার করতে পারে। যদি তাই হয়, তা হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটা। এখন দেখার আসানসোলের বিচারক কী রায় দেন বা সরকার কী পদক্ষেপ করে।’’

    তিহাড় জেলে বন্দী রয়েছেন কেষ্ট

    গত বছরের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার (CBI-ED) হন অনুব্রত। চলতি বছরের মার্চ মাসে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় দিল্লিতে। সেখানে অনুব্রতর সঙ্গে রয়েছেন একদা তাঁর সহকারী সায়গল। তিহাড়ে রয়েছেন গরু পাচার মলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক এবং ধৃত বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমার। পাশাপাশি কেষ্ট কন্যাও বর্তমানে রয়েছেন তিহাড়ে। একাধিকবার তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: এসএসসি-র ‘দুর্নীতি-তালিকা’য় পার্থ ঘনিষ্ঠ সাইনা সুলতানার নাম, তীব্র চাঞ্চল্য

    Hooghly: এসএসসি-র ‘দুর্নীতি-তালিকা’য় পার্থ ঘনিষ্ঠ সাইনা সুলতানার নাম, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গতকাল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। এই তালিকায় এবার ৬০৯ নম্বরে নাম পাওয়া গেছে হুগলির (Hooghly) জেলা পরিষদে নব নির্বাচিত সাইনা সুলতানার। এই নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কে এই সাইনা সুলতানা (Hooghly)?

    সুত্রের খবর, প্রথমে সাইনা সুলতানা বাঁকুড়ার রাঙামাটি উদ্বাস্তু কলোনি হাইস্কুলে চাকরি করতেন। কিন্তু পরে হুগলির (Hooghly) রাজহাটি বন্দর হাইস্কুলে যোগদান করেন। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। এছাড়াও ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত হুগলি জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য ছিলেন। স্কুল সার্ভিস কমিশন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির যে ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে এই তৃণমূল নেত্রীর নাম রয়েছে। সূত্রের খবর আরও পাওয়া গেছে, জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই তৃণমূল নেত্রী সাইনা সুলতানা।

    কী বলছেন সাইনা সুলতানা

    সাইনা সুলতানা (Hooghly) সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমি ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছি। আমার নাম তালিকায় কীভাবে এল, আমি জানি না। আমি তৃণমূল করি বলে আমার সম্পর্কে অপপ্রচার করা হচ্ছে।

    তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আর কার নাম রয়েছে?

    এসএসসিতে কার্যত চুরি করে যে চাকরি হয়েছে, তা সিবিআইয়ের তদন্তে খুব স্পষ্ট হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কমিশন ৯০৭ জনের নাম প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে যেমন হুগলির (Hooghly) তৃণমূল নেত্রীর নাম এসেছে, তেমনি আবার ৩০০ নম্বরে নাম রয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাক্তন সভাধিপতি কবিতা বর্মণেরও। ২০১৮ সাল থেকে জেলার তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি ছিলেন তিনি। বালিজান হাই স্কুলের কবিতা বর্মণ বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি করছি। তিনি, ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ১২৮ নম্বর র‍্যাঙ্ক করেন। ৫৫ নম্বরের মধ্যে ৫৩ পেয়েছেন তিনি। সিবিআই তদন্ত করে জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে কমিশনের দেওয়া চাকরির প্রার্থীদের ওএমআর সিটে নম্বর বদল করে, দুর্নীতি করে চাকরিতে নিয়োগ করছে। এছাড়াও এমন অনেকেই রয়েছেন যারা, সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কমিশনের দেওয়া তালিকায় তৃণমূল নেতাদের নাম ক্রমশ প্রকাশ হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।    

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share