Blog

  • Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) প্রচার তুঙ্গে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুর নাগরে এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Election Rally)। তৃণমূলের ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।”

    কাঁদছেন ‘মা’ (Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “তৃণমূলের শাসনে বাংলার মায়েরা সুরক্ষিত নন। সন্দেশখালি থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মা-বোনেদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তাতে আজ ‘মা’ কাঁদছেন। তৃণমূল কেবল ভোটের জন্য নারীবন্দনা করে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ।”

    অনুপ্রবেশকারীদের দখলে ‘মাটি’

    বাংলার ‘মাটি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “আজ বাংলার মাটি বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল সীমান্ত খুলে দিয়েছে, যার ফলে বাংলার জনবিন্যাস কাঠামো বদলে যাচ্ছে এবং প্রকৃত ভূমিপুত্ররা নিজেদের অধিকার হারাচ্ছেন।”

    আতঙ্কিত ‘মানুষ’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally)  বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এখানে সিন্ডিকেট রাজ এবং তোলাবাজিই শেষ কথা। মানুষ নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু এই নির্বাচন সেই ভয়কে জয় করার নির্বাচন।”

    দুর্নীতি ও উন্নয়ন নিয়ে তোপ

    প্রধানমন্ত্রী (Bengal Elections 2026) তাঁর ভাষণে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এবং রেশন দুর্নীতির প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বাংলার যুবকদের ভবিষ্যৎ তৃণমূল বিক্রি করে দিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নের টাকা এখানে দুর্নীতির পকেটে চলে যাচ্ছে।” তিনি (PM Modi Election Rally) জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলা হবে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর নির্বাচনকে (Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতি এখন তপ্ত। প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিজেপি এবার দুর্নীতি এবং আইনশৃঙ্খলা—এই দুটি ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে। পালটা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণকে ‘মিথ্যাচারের ঝুলি’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বহিরাগতদের নয়, নিজেদের মেয়েকেই বেছে নেবে।

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ৪০ বছর আগে, আজকের দিনেই, ২৬ এপ্রিল ১৯৮৬, চের্নোবিল বিপর্যয় শুধু একটি রিঅ্যাক্টর ধ্বংস করেনি, এটি বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির ওপর তৈরি হওয়া আস্থার মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিয়েছিল (Chernobyl)। এটি সেই বিপর্যয় যা বৈশ্বিক পারমাণবিক আলোচনাকে (Nuclear Path) বদলে দেয়। ইউক্রেনের প্রিপিয়াত শহরের চের্নোবিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের রিঅ্যাক্টর ৪-এর কন্ট্রোল রুম।

    চের্নোবিল বিপর্যয় (Chernobyl)

    ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল রাতে একটি নিরাপত্তা পরীক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়। অপারেটররা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অনুকরণ করতে গিয়ে অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি ও নকশাগত ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ঘটায়, যা ১,০০০ টনের রিঅ্যাক্টর ঢাকনাকে শূন্যে উড়িয়ে দেয়।কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেজস্ক্রিয় পদার্থ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই কন্ট্রোল রুমই ছিল সেই ব্যর্থ পরীক্ষার ভরকেন্দ্র। এতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ঘটনাটি গোপন রাখায় বিশ্ব কিছুটা দেরিতে এই বিপর্যয়ের কথা জানতে পারে। ততক্ষণে বিকিরণ সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে যখন বিজ্ঞানীরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলির মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়, প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েন নাগরিকরা।

    পারমাণবিক কর্মসূচি

    ভারতের মতো দেশগুলির জন্য, যারা তখন তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলছিল, একটি কঠিন প্রশ্ন সামনে আসে:
    কীভাবে পারমাণবিক শক্তিকে কাজে লাগানো যাবে, ভয়ের জন্ম না দিয়ে? পরবর্তী দশকগুলিতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক আলোচনা প্রায়ই আক্রমণাত্মক অবস্থান ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে। এর পরেই ভিন্ন পথ বেছে নেয় ভারত। জুলফিকর আলি ভুট্টোর বিখ্যাত উক্তির বিপরীতে, ভারতের পারমাণবিক যাত্রা ছিল পরিমিত ও পরিকল্পিত (Chernobyl)। ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষা করার পরেও ভারত যে নীতি ঘোষণা করে, তা হল, নো ফার্স্ট ইউজ, ক্রেডিবল মিনিমাম ডেটেরেন্স, নাগরিক নিয়ন্ত্রণে পারমাণবিক সিদ্ধান্ত। এটি শুধু নীতি নয়, একটি বার্তা—ভারত পারমাণবিক ক্ষমতা রাখবে, কিন্তু তা দায়িত্বহীনভাবে প্রদর্শন করবে না।

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত বিজ্ঞানীদের দ্বারা পরিচালিত। যেমন, ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার, নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড। এরা গুরুত্ব দেয়, রিঅ্যাক্টর নিরাপত্তা, দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা (থোরিয়াম গবেষণা সহ)-র ওপর। ভারতের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি হল তারাপুর অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, মাদ্রাজ অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, কুডানকুলাম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    চের্নোবিল কাণ্ডের দুর্বলতা

    চের্নোবিল দুটি বড় দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। এগুলি হল ত্রুটিপূর্ণ রিঅ্যাক্টর নকশা, গোপনীয়তা ও নিয়ম ভঙ্গের সংস্কৃতি। ভারত এই দুই ক্ষেত্রেই উন্নতি করে-নিরাপদ রিঅ্যাক্টর নকশা, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা। ভারতের রিঅ্যাক্টরগুলিতে রয়েছে, স্বয়ংক্রিয় স্থিতিশীলতা ব্যবস্থা, একাধিক শাটডাউন সিস্টেম, শক্তিশালী কনটেনমেন্ট, অ্যাটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি (Nuclear Path) বোর্ড নিয়মিত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে (Chernobyl)।

    নিউক্লিয়ার ডিসাস্টার

    ফুকুশিমা দেইছি নিউক্লিয়ার ডিসআস্টার দেখিয়ে দেয় যে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যর্থ হতে পারে। এর ফলে ভারত উপকূলীয় প্লান্টের নিরাপত্তা বাড়ায়, সুনামি ও ভূমিকম্প ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, ব্যাকআপ সিস্টেম উন্নত করে। ভারতে কয়লা দূষণকারী, নবায়নযোগ্য শক্তি অনিয়মিত। চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক শক্তি দেয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কম কার্বন নিঃসরণ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা। মনে রাখতে হবে, চের্নোবিল একটি সতর্কবার্তা। কিন্তু ভারত পথ দেখায়— শৃঙ্খলা, সংযম (Nuclear Path) ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে পারমাণবিক শক্তি ভয়ের নয়, নিয়ন্ত্রণযোগ্য (Chernobyl)।

     

  • Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তী চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) রঘু রাই (Raghu Rai) আর নেই। রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ সকালে ৮৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র জগতের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বিগত পাঁচ দশক ধরে রঘু রাই তাঁর ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং সংঘাতের মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সাংবাদিক মহলে অপূরণীয় ক্ষতি।

    কর্মজীবন (Raghu Rai)

    ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঝং যা বর্তমানে পাকিস্তানে, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই (Raghu Rai)। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ঘটনাচক্রে আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি ‘দ্য স্টেটসম্যানে’ (The Statesman) চিফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘সানডে’ এবং ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে পিকচার এডিটর ও ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বখ্যাত চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসঁ (Henri Cartier-Bresson) তাঁকে বিখ্যাত ‘ম্যাগনাম ফটোস’ (Magnum Photos)-এ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

    তাঁর ঐতিহাসিক কাজসমূহ

    রঘু রাইয়ের (Raghu Rai) লেন্স কখনও রাজনীতির চাণক্যদের বন্দি করেছে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের চোখের জলকে তুলে এনেছে বিশ্বের দরবারে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

    ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (১৯৮৪)

    তাঁর তোলা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ছবিগুলো (Legendary Photographer) বিশ্বজুড়ে শিহরণ জাগিয়েছিল এবং এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলেছিল।

    বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার (১৯৭১)

    মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলির ছবি তুলে তিনি (Raghu Rai) ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

    মাদার টেরেসা ও ইন্দিরা গান্ধী

    রঘু রাইয়ের তোলা মাদার তেরেসা এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পোর্ট্রেটগুলি আজও অমলিন।

    শ্রদ্ধা ও সম্মান

    ১৯৭২ সালে ভারত সরকার রঘু রাই (Raghu Rai) ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত সরকার। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৪ টের সময় লোদি রোড শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি স্ত্রী এবং চার সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। রঘু রাই (Legendary Photographer) বলতেন, “ক্যামেরা ছাড়া আমি আমার অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ থাকতে পারি না।” তাঁর সেই সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টি আজ ভারতের অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেল।

  • Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভার নির্বাচন (Assembly Election 2026) হবে ২৯ এপ্রিল। এই নির্বাচনে কলকাতা পুলিশের ওপর ভরসা নেই। তাই বুথ নয়, শহর কলকাতার রাস্তায় থাকছে নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরা, যা দিয়ে হবে ওয়েব কাস্টিং। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকাই নয়, এবার বুথ‌মুখী সব রাস্তায় ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত‌ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মূলত ঘিঞ্জি বা ঘনবসতি এলাকায় যে সব বুথ থাকবে, সেই সব বুথের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মূলত কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে (West Bengal) এই অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত। ‌

    ওসি বদলি (Assembly Election 2026)

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে ফের কালীঘাট-সহ কলকাতা পুলিশের একাধিক থানার ওসিদের বদলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই রদবদল বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। কালীঘাট থানার নয়া ওসি হচ্ছেন পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর গৌতম দাস। শুধু কালীঘাট নয়, আরও কয়েকটি থানার দায়িত্বেও রদবদল হয়েছে। দক্ষিণ বিভাগের ইন্সপেক্টর সুব্রত পাণ্ডেকে আলিপুর থানার ওসি করা হয়েছে। স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর উৎপল পার্ককে কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আলিপুর থানার অতিরিক্ত ওসি চামেলি মুখার্জিকে উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি পদে পাঠানো হয়েছে (Assembly Election 2026)।

    কালীঘাট থানার ওসি বদল

    উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চই কালীঘাট থানার ওসি পদে পরিবর্তন করেছিল কমিশন। তখন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে ওই দায়িত্বে আনা হয়েছিল। এক (West Bengal) মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ফের বদলের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা আরও কড়া করতে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান প্রশাসনিক মহলের (Assembly Election 2026)।

     

  • Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর তীব্র ঘাটতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে (Assembly Election 2026)। পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলা করতে প্রথম দফায় দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় সরকারি ও কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর ইউনিটের কর্মীদের দ্বিতীয় দফার (ECI) জেলাগুলিতে পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

    নির্দেশিকা জারি কমিশনের (Assembly Election 2026)

    নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির মধ্যে কর্মীদের তথ্য বিনিময় ও নিয়োগপত্র জারির কাজ ‘ইএমএমএস’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মীদের বদলি ও নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দ্রুত নিয়োগপত্র জারি করে নির্দিষ্ট জেলায় রিপোর্ট করার নির্দেশও দিতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জেনারেল অবজারভার ১৪২ জন, পুলিশ অবজারভার ৯৫, এবং আয়-ব্যয় হিসেব পর্যবেক্ষক ১০০ জনের ঘাটতি রয়েছে।

    পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। জানা গিয়েছে, বারাসত পুলিশ জেলায় ১১২ কোম্পানি, বনগাঁ পুলিশ জেলা ৬২ কোম্পানি, বসিরহাট পুলিশ জেলায় ১২৩ কোম্পানি, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৫০ কোম্পানি, বারাকপুর (ECI) পুলিশ কমিশনারেটে ১৬০ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৬১ কোম্পানি (Assembly Election 2026), ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি, হাওড়া গ্রামীণে ১৪৭ কোম্পানি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে ১১০ কোম্পানি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৩ কোম্পানি, হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি, কলকাতা পুলিশের অধীনে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আরও কড়াকড়িভাবে ভোট করাতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026)।

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি। শনিবার রাতে করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় ওই ঘটনায় সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রথম গুলির শব্দ শোনা মাত্রই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দ্রুত ওয়াশিংটনের ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় (Shooting In White House)। উপস্থিত অতিথিরা টেবিলের নীচে আশ্রয় নেন। যদিও আধিকারিকরা জানান, ট্রাম্প জখম হননি, হতাহতেরও খবর মেলেনি। সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ভোজসভা কক্ষে ঢুকে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় অতিথিদের মধ্যে। “স্যার, সরে যান!”, “নীচে ঝুঁকে পড়ুন!”—এমন চিৎকার শোনা যায়।

    আট রাউন্ড গুলি! (Shooting In White House)

    উপস্থিত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, তাঁরা পাঁচ থেকে আটটি গুলির মতো শব্দ শুনেছেন। শত শত সাংবাদিক, সেলিব্রিটি এবং জাতীয় নেতায় ভরা ভোজসভা কক্ষটি দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয় এবং অতিথিদের বের হতে দেওয়া হলেও, ফের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, হেড টেবিলে ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তখন মটরশুঁটি ও বুরাটা সালাড খাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে নীচে ঝুঁকে পড়তে বলে (Shooting In White House)।

    “অনুষ্ঠান চলতে দিন”

    এই হোটেলটি সাধারণত এই অনুষ্ঠানের সময়ও সাধারণ অতিথিদের জন্য খোলা থাকে, নিরাপত্তা প্রধানত বলরুম এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে। ঘটনার পর ট্রাম্প বলেন, “অনুষ্ঠান চলতে দিন।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তিনি অনুষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেন (Donald Trump)। তিনি সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুইয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উপস্থিতি। মিডিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর গুলিবর্ষণ হয়েছিল। সেবার তাঁর কানে হালকা আঘাত লেগেছিল। ওই ঘটনায় একজন দর্শক নিহত হয়েছিলেন। জখমও হয়েছিলেন দু’জন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে গুলি করে নিকেশ করে (Shooting In White House)।

     

  • Daily Horoscope 26 April 2026: অর্থ লাভের সম্ভাবনা আছে রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 April 2026: অর্থ লাভের সম্ভাবনা আছে রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩. পরিবারে হালকা মতবিরোধ হতে পারে, শান্ত থাকুন।

    বৃষ (Taurus)
    ১. আজ কিছুটা দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।
    ২. অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।
    ৩. পুরনো বন্ধুর সাথে যোগাযোগ হতে পারে।

    মিথুন (Gemini)
    ১. যোগাযোগ দক্ষতা আজ আপনাকে এগিয়ে দেবে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    কর্কট (Cancer)
    ১. পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
    ২. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ৩. নতুন কিছু পরিকল্পনা করতে পারেন।

    সিংহ (Leo)
    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভালো সময়।
    ৩. অর্থ লাভের সম্ভাবনা আছে।

    কন্যা (Virgo)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২. ধৈর্য ধরে কাজ করুন, সফল হবেন।
    ৩. স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    তুলা (Libra)
    ১. সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুখবর আসতে পারে।
    ২. নতুন পরিচয় লাভ হতে পারে।
    ৩. আর্থিক উন্নতির যোগ আছে।

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. গোপন শত্রু থেকে সাবধান থাকুন।
    ২. কর্মক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।
    ৩. পরিবারে সুখ বজায় থাকবে।

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।
    ২. শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো দিন।
    ৩. নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।

    মকর (Capricorn)
    ১. দায়িত্ব বাড়বে, কিন্তু সামলাতে পারবেন।
    ২. আর্থিক দিক ভালো থাকবে।
    ৩. পরিবারে সম্মান বাড়বে।

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন আইডিয়া কাজে লাগান।
    ২. বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩. আয়ের নতুন পথ খুলতে পারে।

    মীন (Pisces)
    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা।
    ৩. প্রিয়জনের সাথে সময় ভালো কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 631: “আপনার অবস্থা পরিবর্তন হবে—নিরাকারের দিকে ঝোঁক হচ্ছে— ‘বিদ্যার আমি’ পর্যন্ত থাকছে না”

    Ramakrishna 631: “আপনার অবস্থা পরিবর্তন হবে—নিরাকারের দিকে ঝোঁক হচ্ছে— ‘বিদ্যার আমি’ পর্যন্ত থাকছে না”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে ডিসেম্বর

    কাশীপুর উদ্যানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    কৃপাসিন্ধু শ্রীরামকৃষ্ণ — মাস্টার, নিরঞ্জন, ভবনাথ

    আজ বুধবার, ৯ই পৌষ, অগ্রহায়ণের কৃষ্ণা দ্বিতীয়া, ২৩শে ডিসেম্বর, ১৮৮৫। সন্ধ্যা হইয়াছে। ঠাকুর জগন্মাতার চিন্তা করিতেছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর অতি মৃদুস্বরে দু-একটি ভক্তের সহিত কথা কহিতেছেন। ঘরে কালী, চুনিলাল, মাস্টার, নবগোপাল, শশী, নিরঞ্জন প্রভৃতি ভক্তেরা আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — একটি টুল কিনে আনবে — এখানকার জন্য। কত নেবে?

    মাস্টার — আজ্ঞা, দু-তিন টাকার মধ্যে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — জলপিড়ি যদি বার আনা, ওর দাম অত হবে কেন?

    মাস্টার — বেশি হবে না, — ওরই মধ্যে হয়ে যাবে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, কাল আবার বৃহস্পতিবারের বারবেলা, — তুমি তিনটের আগে আসতে পারবে না?

    মাস্টার — যে আজ্ঞা, আসব।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কি অবতার? অসুখের গুহ্য উদ্দেশ্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — আচ্ছা, এ-অসুখটা কদ্দিনে সারবে?

    মাস্টার — একটু বেশি হয়েছে — দিন নেবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কত দিন?

    মাস্টার — পাঁচ-ছ’ মাস হতে পারে।

    এই কথায় ঠাকুর বালকের ন্যায় অধৈর্য হইলেন। আর বলিতেছেন — “বল কি?”

    মাস্টার — আজ্ঞা, সব সারতে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তাই বল। — আচ্ছা, এত ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন, ভাব, সমাধি! — তবে এমন ব্যামো কেন?

    মাস্টার — আজ্ঞা, খুব কষ্ট হচ্ছে বটে; কিন্তু উদ্দেশ্য আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি উদ্দেশ্য?

    মাস্টার — আপনার অবস্থা পরিবর্তন হবে — নিরাকারের দিকে ঝোঁক হচ্ছে। — ‘বিদ্যার আমি’ পর্যন্ত থাকছে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — হাঁ, লোকশিক্ষা বন্ধ হচ্ছে — আর বলতে পারি না। সব রামময় দেকছি। — এক-একবার মনে হয়, কাকে আর বলব! দেখো না, — এই বাড়ি-ভাড়া হয়েছে বলে কত রকম ভক্ত আসছে।

    “কৃষ্ণপ্রসন্ন সেন বা শশধরের মতো সাইন্‌বোর্ড তো হবে না, — আমুক সময় লেকচার হইবে!” ঠাকুরের ও মাস্টারের হাস্য

    মাস্টার — আর একটি উদ্দেশ্য, লোক বাছা। পাঁচ বছরের তপস্যা করে যা না হত, এই কয়দিনে ভক্তদের তা হয়েছে। সাধনা, প্রেম, ভক্তি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হাঁ, তা হল বটে! এই নিরঞ্জন বাড়ি গিছলো। (নিরঞ্জনের প্রতি) তুই বল দেখি, কিরকম বোধ হয়?

    নিরঞ্জন — আজ্ঞে, আগে ভালবাসা ছিল বটে, — কিন্তু এখন ছেড়ে থাকতে পারবার জো নাই।

    মাস্টার — আমি একদিন দেখেছিলাম, এরা কত বড়লোক!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কোথায়?

    মাস্টার — আজ্ঞা, একপাশে দাঁড়িয়ে শ্যামপুকুরের বাড়িতে দেখেছিলাম। বোধ হল, এরা এক-একজন কত বিঘ্ন-বাধা ঠেলে ওখানে এসে বসে রয়েছে — সেবার জন্য।

    সমাধিমন্দিরে — আশ্চর্য অবস্থা — নিরাকার — অন্তরঙ্গ নির্বাচন

    এই কথা শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইতেছেন। কিয়ৎক্ষণ নিস্তব্ধ হইয়া রহিলেন। সমাধিস্থ!

    ভাবের উপশম হইলে মাস্টারকে বলিতেছেন — “দেখলাম, সাকার থেকে সব নিরাকারে যাচ্ছে! আর কথা বলতে ইচ্ছা যাচ্ছে কিন্তু পারছি না।

    “আচ্ছা, ওই নিরাকারে ঝোঁক, — ওটা কেবল লয় হবার জন্য; না?”

    মাস্টার (অবাক্‌ হইয়া) — আজ্ঞা, তাই হবে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এখনও দেখছি নিরাকার অখণ্ডসচ্চিদানন্দ এইরকম করে রয়েছে। …… কিন্তু চাপলাম খুব কষ্টে।

    “লোক বাছা যা বলছ তা ঠিক। এই অসুখ হওয়াতে কে অন্তরঙ্গ, কে বহিরঙ্গ, বোঝা যাচ্ছে। যারা সংসার ছেড়ে এখানে আছে, তারা অন্তরঙ্গ। আর যারা একবার এসে ‘কেমন আছেন মশাই’, জিজ্ঞাসা করে, তারা বহিরঙ্গ।

    “ভবনাথকে দেখলে না? শ্যামপুকুরে বরটি সেজে এলো। জিজ্ঞাসা করলে ‘কেমন আছেন?’ তারপর আর দেখা নাই। নরেন্দ্রের খাতিরে ওইরকম তাকে করি, কিন্তু মন নাই।”

LinkedIn
Share