Blog

  • Tmc: বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে কর্মী সম্মেলন! কোথায় জানেন?

    Tmc: বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে কর্মী সম্মেলন! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে শাসক দলের নেতা কর্মীরা সম্মেলন করবেন, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু, পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে একটি অনুষ্ঠান ভবনে তৃণমূলের (Tmc) কর্মী সম্মেলন ঘিরে দলের কোন্দল একেবারেই প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কারণ, কর্মী সম্মেলনে ব্যানারে লেখা রয়েছে, কুলটি ব্লকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী বঞ্চিত তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেস কর্মী। আসলে শাসক দলের ঝান্ডা নিয়ে বুক চিতিয়ে দল করে যারা দিনের পর দিন অসন্মানিত হয়েছেন, সেই সব বঞ্চিত নেতাদের নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এমনই দাবি উদ্যোক্তাদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বঞ্চিত এই তৃণমূল (Tmc)  কর্মীদের সম্মেলন করা নিয়ে সরগরম আসানসোলে রাজনৈতিক মহল।

    কাদের নেতৃত্বে হল বঞ্চিত তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন? Tmc

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেসের কর্মীদের আলাদা করে কর্মী সম্মেলনকে ঘিরে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। মূলত, তৃণমূলেরই (Tmc) একটি অংশ কুলটিতে বঞ্চিত তৃণমূলের নাম দিয়ে একটি অনুষ্ঠান ভবনে কর্মী সম্মেলন করেন। রবিবার বঞ্চিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুলটি ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি বিমান আচার্য্য, রাজ্যের প্রাক্তন যুব সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন কুলটি পুরসভায় প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাচ্চু রায়, প্রাক্তন কাউন্সিলার রাজা চট্টোপাধ্যায় এবং ব্লকের প্রাক্তন নেতা সহ কয়েকশো কর্মী সমর্থকরা। এদিন কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা প্রকাশ্যে বলেন, এখন কুলটি ব্লকের যারা তৃণমূলের (Tmc)  দায়িত্বে আছেন তারা আমাদের মতো পুরোনো কর্মীদের কোনো পাত্তা দেন না। এই কথা জেলার নেতৃত্বদের বার বার বলেও কোনো লাভ হয়নি। এমনকী আমাদের কোনও মিটিং মিছিলে পর্যন্ত ডাকা হয়না। কুলটিতে এখন কিছু চোর ডাকাতদের নিয়ে সংগঠন চলছে। এই নীতি মেনে নেওয়া যাবে না। এই কারণে বারবার কুলটি বিধানসভায় প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে তৃণমূল (Tmc)  কংগ্রেসকে হারতে হয়। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আর দলের স্বার্থে আগামীদিনে বঞ্চিত কর্মীদের নিয়ে তৃণমূল ভবন এবং নবান্ন অভিযান করা হবে বলে তাঁরা জানান। এমনকী কুলটিতে তৃণমূলের (Tmc)  দলের এই দুর্দশার অবস্থা দলের সুপ্রিমোকে জানানো হবে।

    এই সম্মেলন নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার চেয়ারম্যান? Tmc

    বঞ্চিত তৃণমূল (Tmc) কর্মীদের এই সম্মেলনের বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব ভালোভাবে নেননি। কুলটির প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূলের (Tmc) পশ্চিম বর্ধমান জেলার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, যারা এসব করছে, তারা সামনে দল করার কথা বললেও পিছনে সব বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রয়েছে। পুরানো কর্মীদের কাউকে বঞ্চনা করা হয় না। আমরা সব সময় বলছি, সকলে একসঙ্গে মিলে দল করতে চাই। কিন্তু, এভাবে কর্মী সম্মেলন করে দলকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। পরোক্ষে বিরোধীদের হাতকে ওরা শক্ত করছে। এসব না করে ওরা মন দিয়ে তৃণমূল দলটা করুক, আমরা এটা চাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ সংবিধান মেনে হয়নি’, কর্নাটকে দাবি অমিত শাহের  

    Amit Shah: ‘মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ সংবিধান মেনে হয়নি’, কর্নাটকে দাবি অমিত শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিমদের জন্য যে ৪ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল কর্নাটকে (Karnataka), দিন দুই আগে তা তুলে দেয় সে রাজ্যের বিজেপি (BJP) সরকার। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, সংখ্যালঘুদের যে রিজার্ভেশন দেওয়া হয়েছে, তা সংবিধান অনুযায়ী হয়নি। সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও বিধান নেই। কংগ্রেসের তুষ্টির রাজনীতির কারণে সংখ্যালঘুদের সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, বিজেপি ভোক্কালিগা ও লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়কে সংরক্ষণ দিয়েছে।  

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন…

    মাসখানেক পরেই বিধানসভা নির্বাচন কর্নাটকে। সেই কারণেই কর্নাটক যেতে শুরু করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কর্নাটকে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করেছিলেন রোড শো-ও। এদিন যান অমিত। রায়চুরে বিজেপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তার আগে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এদিন কর্নাটকের ওই জনসভায় কংগ্রেসকেই নিশানা করেন শাহ। বলেন, কংগ্রেস যে সংখ্যালঘুদের সংরক্ষণ দিয়েছে, তা সংবিধান অনুসারে নয়। সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও বিধান নেই। কর্নাটক সরকার মুসলমানদের জন্য চার শতাংশ ওবিসি সংরক্ষণের অবসান ঘটিয়েছে এবং এটি দুটি প্রধান সম্প্রদায়, বীরশৈব-লিঙ্গায়ত ও ভোক্কালিগাদের মধ্যে বিলি করেছে।

    আরও পড়ুুন: ‘অঙ্গদান করুন’, ৯৯তম ‘মন কি বাতে’ দেশবাসীকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    শাহ বলেন, কর্নাটকের আগের কংগ্রেস সরকার রাজ্যে মুসলমানদের সংরক্ষণ দিয়েছিল। কিন্তু বিজেপি মুসলমানদের জন্য চার শতাংশ সংরক্ষণ অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণিতে স্থানান্তরিত করেছে। বিজেপি সরকার সেই সংরক্ষণ বাতিল করেছে। ভোক্কালিগা ও লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়কে রিজার্ভেশন দিয়েছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মেরুকরণের রাজনীতির অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তিনি বলেন, ভোটব্যাঙ্কের লোভে কংগ্রেস কখনওই যাঁরা স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের কথা বলেনি। বলেনি হায়দ্রাবাদের মুক্তির কথাও।

    প্রসঙ্গত, কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচনের আগেই রাজ্যে আসন সংরক্ষণ ৫০ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৫৭ শতাংশ। তুলে নেওয়া হল মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ ৪ শতাংশ কোটাও। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে এবার থেকে আর অনগ্রসর শ্রেণি হিসেবে সংরক্ষণের সুবিধা নিতে পারবেন না মুসলিমরা। কর্নাটকে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণে এতদিন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও। কিন্তু শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই মুসলিমদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ৩৬ উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিল সর্ববৃহৎ এলভিএম-৩ রকেট

    ISRO: ৩৬ উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিল সর্ববৃহৎ এলভিএম-৩ রকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৬টি স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিল দেশের সর্ববৃহৎ LVM3 রকেট। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ISRO) সর্ববৃহৎ LVM3 রকেটের উৎক্ষেপণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। রবিবার সকাল ৯টায় শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ৫৮০৫ কেজি ওজনের ৩৬টি জেন ওয়ান স্যাটেলাইট নিয়ে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। OneWeb-এর ৩৬টি উপগ্রহ মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণের ফলে উপগ্রহের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৬১৬।

    ব্রিটিশ সংস্থার সঙ্গে চুক্তিতে সম্পন্ন এই প্রকল্প

    ব্রিটেনের নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড (ওয়ানওয়েব গ্রুপ কোম্পানি) নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে, এটি ইসরো-এর বাণিজ্যিক ইউনিট। জানা গেছে, এই চুক্তির আওতাতেই ৩৬টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে। এর আগে ২৩ অক্টোবর ২০২২ সালে ওয়ানওয়েব গ্রুপ কোম্পানির জন্য প্রথম ৩৬টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এই উৎক্ষেপণের জন্য ISRO এক হাজার কোটি টাকা ফি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: থানা নয়! সভা মিছিলের অনুমতি দেবেন জেলার পুলিশ সুপার বা সিপি, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মিশনের নাম  LVM3-M3/ OneWeb India-2

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সাড়ে ৪৩ মিটার লম্বা ইসরো রকেটটি ব্রিটেনের একটি কোম্পানির ৩৬টি স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে সফল ভাবে পাড়ি দিয়েছে। LVM3 যে স্যাটেলাইটগুলি নিয়ে উড়েছিল তার মোট ওজন ৫ হাজার ৮০৫ টন। এই মিশনের নাম দেওয়া হয়েছে LVM3-M3/ OneWeb India-2। ISRO ট্যুইট করে এই মিশন চালুর কথা আগেই জানিয়েছিল। ব্রিটেনের ওয়ানওয়েব গ্রুপ কোম্পানি ৭২টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো-এর বাণিজ্যিক শাখা নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ফের ঝড় বৃষ্টির ভ্রূকুটি! কতদিন চলবে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: ‘অঙ্গদান করুন’, ৯৯তম ‘মন কি বাতে’ দেশবাসীকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘অঙ্গদান করুন’, ৯৯তম ‘মন কি বাতে’ দেশবাসীকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সম্প্রচারিত হল মন কি বাতের (Mann Ki Baat) ৯৯তম পর্ব। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াও অল ইন্ডিয়া রেডিওয়। প্রধানমন্ত্রীর এই পর্বের ভাষণের ফোকাস ছিল অঙ্গদানের ওপর। দেশবাসীকে মরণোত্তর অঙ্গদানে উদ্বুদ্ধ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতি মাসের শেষ রবিবার মন কি বাতের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশবাসীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ছিল এই অনুষ্ঠানের ৯৯তম পর্ব। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণত ৯৯ কে কঠিন মাইলস্টোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে যেহেতু এটা ভারতবাসী এবং তাঁদের মন কি বাতের অনুষ্ঠান, তাই এটা আমার কাছে হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রেরণার উৎস।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সোজা চলে যান অঙ্গদানের বিষয়ের আলোচনায়। তিনি বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রযুক্তির অগ্রগতির জেরে অন্যের প্রাণ বাঁচাতে বর্তমানে অঙ্গদান একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুর পরে কেউ দেহদান করলে তাঁর অঙ্গে সুস্থ জীবন পান ৮ থেকে ৯ জন। তিনি বলেন, এটা খুশির খবর যে বর্তমানে সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে দেশে বাড়ছে অঙ্গদানের হার। ২০১৩ সালে দেশে অঙ্গদান হয়েছিল ৫ হাজার। ২০২২ সালে সেটাই বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার।

    যাঁরা মরণোত্তর অঙ্গদান করেছেন, এদিন মন কি বাতের অনুষ্ঠান চলাকালীন তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মরণোত্তর অঙ্গদান করে যাঁরা অন্যকে সুস্থ জীবন দিয়েছেন, এদিন তাঁদের পরিবারকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ফের কর্ণাটকে বিঘ্নিত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা! কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা যুবকের

    ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে মাত্র ৩৯ দিন বয়সী কন্যার দেহ দান করেন সুখবীর সিংহ সান্ধু। নিজের সদ্যোজাত কন্যা যাতে মৃত্যুর পরেও অন্যের দেহে বেঁচে থাকতে পারে, তাই মেয়ের দেহদানের সিদ্ধান্ত নেন সুখবীর। এদিন তাঁর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, ৩৯ দিন বয়সী আবাবাত কৌরকে দেশ মনে রাখবে সর্বকনিষ্ঠ অঙ্গদাত্রী হিসেবে। এদিন আরও অনেক অঙ্গদাতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীকে আহ্বান জানান মরণোত্তর দেহদানের। প্রসঙ্গত, ৩০ এপ্রিল সম্প্রচারিত হবে মন কি বাতের ১০০তম পর্ব। দেশবাসীর কাছে সেদিনের আলোচনার বিষয়বস্তুর ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistan Supporter: ওয়াশিংটনে খালিস্তানপন্থীদের হামলার শিকার ভারতীয় সাংবাদিক

    Khalistan Supporter: ওয়াশিংটনে খালিস্তানপন্থীদের হামলার শিকার ভারতীয় সাংবাদিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে খালিস্তানপন্থীরা (Khalistan supporter) এক ভারতীয় সাংবাদিকের উপর হামলা চালিয়েছে। তাঁকে মারধর এবং গালিগালাজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আক্রান্ত সাংবাদিক ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের ওয়াশিংটনের সংবাদদাতা ললিত কুমার ঝা। তিনি নিজে একটি ভিডিও ট্যুইট করে ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তাঁকে ভারত সরকারের চর বলে গালমন্দও করা হয়। হামলাকারীরা এও বলে, ভারতে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার চলছে।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    ঘটনাটি শনিবার বিকেলের। ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল খালিস্তানপন্থীরা (Khalistan supporter) । অমৃতপালের সমর্থকদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। সাংবাদিক ললিত কুমার সেই ঘটনা কভার করছিলেন। আচমকাই তাঁকে ভারতের চর বলে চিৎকার জুড়ে দেয় বিক্ষোভকারীদের একাংশ।

    ওই সাংবাদিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মাকিন সিক্রেট সার্ভিসের গোয়েন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা দূতাবাস ভাঙচুর এবং ভারতীয় দূত তরণজিৎ সিং সান্ধুর নাম করে গালাগাল দিচ্ছিল।

    লন্ডন, সানফ্রান্সিসকো সমেত একাধিক দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan supporter)

    এর আগে সানফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায় খালিস্তানপন্থীরা (Khalistan supporter)। দূতাবাসে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। গা ঢাকা দিয়ে থাকা অমৃতপালের সমর্থনে লন্ডনেও ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায় খালিস্তান সমর্থকেরা। সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা নামিয়ে খালিস্তানি পতাকা টাঙানোর চেষ্টা হয়।

    ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ট্যুইট ভারতীয় দূতাবাসের

    ওয়াশিংটনের ভারতীয় দূতাবাস ললিত ঝায়ের উপর হামলার নিন্দা করে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় সাংবাদিককে গালিগালাজ, হুমকি এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ভয়ঙ্কর দৃশ্য আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। আমরা সাংবাদিকের উপর এই ধরনের গুরুতর এবং অযৌক্তিক হামলার নিন্দা জানাই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Fake: পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জাল করে অবাধে চলছে বিক্রি! কোথায় জানেন?

    Fake: পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জাল করে অবাধে চলছে বিক্রি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিল্ডিং প্ল্যান এর নকশা জাল (Fake) করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পুরুলিয়া পুরসভায়। পুরসভার কর্মীদের একাংশ এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন  এর সদস্যরা  সরব হয়েছেন। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়ে তাঁরা পুরসভার চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে। আর এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কীভাবে বিল্ডিং প্ল্যান জাল করা হচ্ছে? Fake

    পুরসভা এলাকায় ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের মাধ্যমে বিল্ডিং প্ল্যান তৈরি করা হয়। সংগঠনের সদস্যরা বলেন, বিল্ডিং প্ল্যান করে যারা পুরসভায় জমা দিচ্ছে, সেই প্ল্যানের নথি আলাদা করে কপি করে সেই প্ল্যানে নতুন নাম, প্লট নম্বর দিয়ে জাল (Fake)  প্ল্যান তৈরি করে অন্য ব্যক্তিকে কম টাকায় সেই প্ল্যান বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।  এমনকী সেই প্ল্যান পুরসভা থেকে পাশও করানো হচ্ছে। আমাদের কাছে তার প্রমাণও রয়েছে। এসব করে পেশাগত কাজে বাধা সৃষ্টি করছে এক শ্রেণীর পুরসভার কর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরেই এই বেআইনি কাজ চলছে। কারণ, প্ল্যান পাশ হয়ে যাওয়ার পর সে প্ল্যানের নকশা যখন অ্যাপসে  আপলোড হচ্ছে, তখন দেখা যাচ্ছে তাদের করা নকশা অন্য ব্যক্তির প্ল্যানে পাশ করানো হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বামাপদ পুইতন্ডি বলেন,  পুরসভার কর্মী ছাড়া এই ধরনের জালিয়াতি (Fake) কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়।  কারণ, আমাদের তৈরি প্ল্যান পুরসভায় জমা পড়ে। সেই জমা পড়া প্ল্যান থেকে জালিয়াতি করা হচ্ছে। পুরসভার চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামীদিনে থানা ও আদালতে যাব।

    কী বললেন পুরসভার বিরোধী দলনেতা? Fake

    এই বিষয়ে পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর প্রদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, পুরসভা থেকে প্ল্যান চুরি হয়ে যাচ্ছে, এটা ভাবা যায় না। পুরসভার প্ল্যান বিভাগে যারা রয়েছেন, তাঁদের সকলকে শোকজ করা দরকার। এই ধরনের বেআইনি কাজের সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। পুরসভার বৈঠকে আমরা এই বিষয়টি তুলব।  

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান? Fake

    এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান নবেন্দু মাহালি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্ল্যান বিভাগের এক ইঞ্জিনিয়ারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলেছি। কারণ, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভায় এই ধরনের বেআইনি কাজ কোনওভাবে মেনে নেওয়া হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: থানা নয়! সভা মিছিলের অনুমতি দেবেন জেলার পুলিশ সুপার বা সিপি, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Kolkata High Court: থানা নয়! সভা মিছিলের অনুমতি দেবেন জেলার পুলিশ সুপার বা সিপি, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক দলগুলির সভা বা মিছিলের অনুমোদন সংক্রান্ত গাইডলাইনে বড় বদল আনল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High court)। সাধারণত যে কোনও মিটিং মিছিলের ক্ষেত্রে স্থানীয় থানার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় থানার অনুমোদন মিললে তবেই মিটিং মিছিল করা যায়। কিন্তু, এবার থেকে কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠন সভা ও মিছিল করলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় থানা নয়, জেলার পুলিশ সুপার বা কমিশনারেটের সিপির কাছে অনুমতি নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে অনুমতি মিললে তবেই সভা-মিছিল করা যাবে। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

    সভা বা মিছিলের অনুমতির বিষয়ে থানার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রায়শই করে থাকেন বিরোধীরা

    প্রসঙ্গত, সভা-মিছিলে রাজ্য পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না বলে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ তুলে থাকেন। বিজেপি থেকে শুরু করে সিপিএম এ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ তুলেছে। সম্প্রতি ভাঙরে সিপিএমের মিছিল নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, পুলিশের দাবি ছিল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সভার অনুমতি দেওয়া যায়না। তা নিয়ে করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গোটা রাজ্যে রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সভা-মিছিলের ক্ষেত্রে নয়া বিধি জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High court)। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন এবার থেকে সভা মিছিলের জন্য জেলার পুলিশ সুপার বা কমিশনারেটের সিপিদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের বিরুদ্ধে যে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে আসছে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের ফলে এই জট কাটবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    পুলিশকে অনলাইন রেজিস্টারে উল্লেখ রাখতে হবে কোন দল কোন সময়ে মিছিল করবে

    পাশাপাশি মিটিং মিছিল নিয়ে আরও বিধি জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশ, পুলিশকে মিটিং মিছিলের আবেদন লিপিবদ্ধ করার জন্য একটি রেজিস্টার রাখতে হবে। কোন দল কোন সময় মিটিং মিছিল করতে চাইছে তা রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ রাখতে হবে। সেই অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের আবেদন বিবেচনা করে অনুমতি দেওয়া হবে। কতজন মিছিলে যোগ দেবেন? কোন রুটে মিছিল যাবে বা কোথায় মিছিল হবে? পুলিশকে তাও জানাতে হবে। এছাড়া, অশান্তি যাতে না ছড়ায় তার জন্য স্থানীয় পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে। বাইরে থেকে মিটিং মিছিলে যাতে কেউ অশান্তি তৈরি করতে না পারে সে বিষয়টি নজর রাখবে স্থানীয় থানার পুলিশকে। পাশাপাশি শব্দবিধির উপরও নজর রাখতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High court)। রেজিস্টার যাতে অনলাইনে দেখা যায় সেই ব্যবস্থা করতে বলেছে রাজ্যের উচ্চ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Rahul Gandhi: ট্যুইটার হ্যান্ডেলে নয়া পরিচয়ে অবতীর্ণ রাহুল গান্ধী, কেন জানেন?

    Rahul Gandhi: ট্যুইটার হ্যান্ডেলে নয়া পরিচয়ে অবতীর্ণ রাহুল গান্ধী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটার হ্যান্ডেলে নয়া পরিচয়ে অবতীর্ণ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রবিবার সকাল থেকে রাহুলের ট্যুইটারে তাঁর ছবির নীচে লেখা রয়েছে, এটি রাহুল গান্ধীর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট। তিনি জাতীয় কংগ্রেসের (Congress) সদস্য। লেখা হয়েছে, ডিস’কোয়ালিফায়েড এমপি (অপসারিত সাংসদ)। এদিকে, রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদে এদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে শামিল হয়েছে কংগ্রেস।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…

    কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন রাহুল। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কর্নাটকের একটি জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি। ওই জনসভায় তিনি (Rahul Gandhi) বলেছিলেন, মোদি পদবিধারীরা কেন চোর হন। রাহুলের এই মন্তব্যের জেরে গুজরাটের সুরাট আদালতে মামলা দায়ের করেন সুরাট পশ্চিমের বিধায়ক বিজেপির পূর্ণেশ মোদি। তার জেরে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন রাহুল। তাঁকে দু বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। করা হয় জরিমানাও। রাহুল যাতে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দেওয়া হয়। মুক্তি দেওয়া হয় জামিনে। কারাদণ্ড হওয়ায় রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সংবিধানের ১০২ (১)-ই অনুচ্ছেদ ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১)-র ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়।

    রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদে এদিন মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থল রাজঘাটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ চলার কথা। যদিও রাজঘাটে কংগ্রেসের সত্যাগ্রহে অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। রাজঘাট এলাকায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    আরও পড়ুুন: ফের কর্ণাটকে বিঘ্নিত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা! কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা যুবকের

    এদিকে মোদি পদবি নিয়ে কেবল রাহুলই (Rahul) নন, ২০১৮ সালে প্রায় একই রকম ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ করেছিলেন তৎকালীন কংগ্রেস নেত্রী খুশবু সুন্দর। তাঁর ট্যুইট-বার্তার নির্যাস, মোদি মানেই দুর্নীতি। তাঁর ওই মন্তব্যে একই বন্ধনীভুক্ত হয়েছিলেন নীরব, ললিত এবং নরেন্দ্র মোদি। পরে খুশবু বিজেপিতে যোগ দেন। এবার খুশবুর সেই ট্যুইট-বাণই হাতিয়ার করতে চলেছে কংগ্রেস। খুশবুর পুরানো ট্যুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ লেখেন, মোদিজি এবার কী আপনার কোনও শিষ্য খুশবু সুন্দরের নামে মানহানির মামলা করবেন? এখন তো তিনি বিজেপির সদস্য। দেখা যাক…।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ‘দেশকে বিপদ থেকে উদ্ধারের কোনও পরিকল্পনাই নেই সরকারের’, জনসভায় বললেন ইমরান

    Imran Khan: ‘দেশকে বিপদ থেকে উদ্ধারের কোনও পরিকল্পনাই নেই সরকারের’, জনসভায় বললেন ইমরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে পাহাড় প্রমাণ সমস্যা। এ থেকে দেশকে কীভাবে উদ্ধার করা যাবে সে ব্যাপারে কোনও ভাবনা চিন্তা নেই ক্ষমতাসীন সরকারের। রবিবার এই অভিযোগ করলেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) চেয়ারম্যান ইমরান খান (Imran Khan)। কেবল তাই নয়, দেশকে চলতি বিপদ থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যাবে, সে ব্যাপারেও বাতলে দিলেন রোডম্যাপ। এদিন সকালে মিনার-ই-পাকিস্তানে ভিড়ে ঠাসা এক জনসভায় ভাষণ দেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ বক্তৃতা শুনে মনে হয়েছে, তিনি যেন প্রাক-নির্বাচনী কোনও জনসভা করছেন। ঠিক এক দশক আগে ভোটের সময় যেমনটা করেছিলেন তিনি।

    ইমরান খানের (Imran Khan) নিশানায়…

    এদিনের সমাবেশে পাকিস্তানের শেহবাজ শরিফের সরকারকে নিশানা করেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী (Imran Khan)। গত বছর সরকার থেকে সরে যেতে বাধ্য হন ইমরান। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাঁকে দমাতে রাষ্ট্র তাঁর এবং তাঁর দলের বিরুদ্ধে নানা ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি সরকার থেকে সরে যাওয়ার পর থেকেই এমনটা হচ্ছে। পাকিস্তানের চলতি সমস্যা প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, দেশের বর্তমান সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছে নেই শেহবাজ শরিফের সরকারের। তিনি বলেন, সরকার যদি বলে, তাদের একটা পরিকল্পনা রয়েছে, আমি সেটা বিশ্বাস করি না। কারণ সরকারের কোনও পরিকল্পনাই নেই। দেশের বর্তমান সমস্যা সমাধানের কোনও সহজ পন্থা নেই বলেও জানিয়ে দেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তখন সরকার তা করেনি।

    আরও পড়ুুন: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    নির্বাচন প্রসঙ্গে পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রের মেশিনারি ব্যবহার করে বিরোধীদের হাত শক্ত করা চলবে না। বর্তমান সমস্যা থেকে পাকিস্তানকে উদ্ধার করতে ১০ দফা কর্মসূচির কথাও বলেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী (Imran Khan)। তিনি বলেন, বারবার আইএমএফের কাছে হাত না পেতে সরকারের উচিত বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগে জোর দেওয়া। ইমরান বলেন, যাঁরা রফতানি করবে এবং দেশে ডলার নিয়ে আসবেন তাঁদের আমরা সংবর্ধনা দেব। দেশের পর্যটন শিল্পকেও প্রোমোট করব। রাজস্ব বাড়াতে দেশের খনিজ সম্পদের দিকে নজর দেব। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙা করব। আয় বাড়াতে তাঁর সরকার ট্যাক্সও বাড়াবে। ক্ষমতায় এলে তাঁর সরকার চিনের সহযোগিতায় দেশে কৃষি পণ্য উৎপাদনের দিকেও বাড়তি নজর দেবে বলেও জানান ইমরান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতার সরাসরি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পুরসভায় কর্মী নিয়োগে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে যে সব পুর প্রতিনিধিরা ছিলেন, তাঁরা কেউ নিজেদের পরিবারের লোকজনকে বা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই সব নিয়োগ হয়েছে। ফলে, এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনিতে কামারহাটি পুরসভা ইডি নজরে রয়েছে। বরানগর পুরসভায় যে ভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দলের অন্দরে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিতর্কিত প্যানেলে কত জন কর্মী নিয়োগ হয়? Anubrata Mondal

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলর বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূম জেলায়। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছে। ওই নেতা অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ করতে কেউ আপত্তি জানানোর সাহস দেখায়নি। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন পুরসভার চেয়ারপার্সন ? Anubrata Mondal

    বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে  পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share