Blog

  • Covid: করোনা প্রস্তুতি কেমন? খতিয়ে দেখতে দেশজুড়ে দু’ দিনের মক ড্রিল

    Covid: করোনা প্রস্তুতি কেমন? খতিয়ে দেখতে দেশজুড়ে দু’ দিনের মক ড্রিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Covid)। দেশে আবারও করোনার ঢেউ এলে তার মোকাবিলা যাতে করা যায় সেজন্য শনিবার কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হল মক ড্রিলের কথা। এপ্রিলের ১০-১১ দুদিন ধরে দেশজুড়ে হবে ওই মক ড্রিল (Mock Drill)। কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলি কতটা প্রস্তুত, মূলত তা দেখতেই আয়োজন করা হচ্ছে মক ড্রিলের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের প্রতিটি জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলি এই মহড়ায় অংশ নেবে। মহড়ায় দেখা হবে করোনা চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে কিনা।

    করোনা (Covid) পরিস্থিতি…

    দিল্লিতে মক ড্রিলে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, যদি করোনা (Covid) সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবাই যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই মহড়া। এদিন দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মহড়ায় যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সেক্রেটারি রাজেশ ভূষণ জানান, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে ধাপে ধাপে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। এর মধ্যে সিংহভাগ করোনা সংক্রমিতের খবর মিলেছে কয়েকটি রাজ্য থেকে। যেহেতু ব্যাপক করোনা টিকাকরণ হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর হারও কম, তা সত্ত্বেও বাড়ছে সংক্রমণ।

    জানা গিয়েছে, মক ড্রিলের সময় দেখা হবে কোন জেলায় করোনা (Covid) চিকিৎসার কী ব্যবস্থা রয়েছে, করোনা সংক্রমিতদের জন্য হাসপাতালে কত বেড রয়েছে।এক সঙ্গে কতজন রোগীর জন্য আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা সম্ভব, হাসপাতালে কতজন করোনা সংক্রমিতকে অক্সিজেন দেওয়া যাবে, তাও খতিয়ে দেখা হবে মক ড্রিলে। অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপের কী ব্যবস্থা রয়েছে, কী প্রয়োজন, তাও নথিভুক্ত করা হবে। কেবল হাসপাতালের বেড বা অক্সিজেন নয়, জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা কতটা প্রস্তুত, তাও দেখা হবে।

    আরও পড়ুুন: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    কোভিড মোকাবিলায় কতজন প্রশিক্ষিত, অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন, তাও দেখা হচ্ছে। অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর ব্যবহারে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী কতজন রয়েছেন, তাও দেখা হবে এই মক ড্রিলে। করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনওভাবেই না ছড়ায় সেজন্য বছর শেষে উৎসবের মরশুমে চূড়ান্ত তৎপরতা। মাস্ক পরার পাশাপাশি দেশবাসীকে কোভিড বিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ৫ জি টাওয়ার বসানোর জন্য কারও কাছে মোবাইলে ফোন আসলে, ধরবেন না। কারণ, রাজ্য জুড়ে একটি প্রতারণাচক্র (Fraud) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তারা ফোন করে ৫  জি টাওয়ার বসানোর জন্য মোটা টাকার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই চক্র (Fraud) । বারাকপুর মহকুমায় নোয়াপাড়া থানা এলাকার এক ব্যক্তি এই প্রতারণা চক্রের খপ্পরে পড়ে কার্যত সর্বসান্ত হয়েছে। প্রতারকরা তার বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানোর লোভ দেখিয়ে কয়েক দফায় ১৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত হওয়ার পর তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ এই চক্রে (Fraud)  জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সুদীপ বিশ্বাস, সুজন ঘোষ, সঞ্জয় বালা, তপন মণ্ডল এবং মহিতোষ কুণ্ডু। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।

     কীভাবে প্রতারণা করল অভিযুক্তরা? Fraud

     কয়েকদিন আগেই নোয়াপাড়ার ওই ব্যক্তির কাছে একজন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করেন। তাঁর বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানো হবে বলে টোপ দেওয়া হয়। শুধু বাড়ির ওই জায়গা দেওয়ার জন্য তাঁকে এককালীন ২৫ লক্ষ টাকা এবং প্রতিমাসে ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। তবে, বিষয়টি অন্য কাউকে না জানানোর কথা বলা হয়। পরে, তাঁর বাড়ির ছবি, দলিল সব কিছু চাওয়া হয়। পরে, ওই ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন এই সব কাজ করার পর ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে, ওই ব্যক্তির চাহিদা রয়েছে কি না দেখা হয়। মোটা টাকার হাতছাড়া হয়ে যাবে ভেবে ফের ওই ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। কিন্তু, তখনও কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলা হয়। এরকমভাবে আরও কিছুদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরপর আচমকা ফোন করে তাঁকে জানানো হয়, আপনার কাগজপত্র দেখে অফিস আপনার বাড়িতে টাওয়ার বসানোর আগ্রহ দেখিয়েছে।  এরপর শুরু হয় আসল খেলা। অফিসের অ্যাকাউন্টের নামে একটি ড্যামি অ্যাকাউন্ট পাঠানো হয়। সেই অ্যাকাউন্টে প্রথমে দেড় লক্ষ টাকা পাঠাতে বলা হয়। ২৫ লক্ষ টাকা হাতছাড়়া হয়ে যাবে ভেবে ওই ব্যক্তি এক কথায় দেড় লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে, প্রতারকদের (Fraud) কথার জালে ফেঁসে ওই ব্যক্তি কয়েক দফায় সব মিলিয়ে মোট ১৭ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন।  আর ড্যামি অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা উঠিয়ে নেওয়া হত। পরে, টাওয়ার না বসায় ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন প্রতারিত(Fraud)  হয়েছেন। এরপরই তিনি থানার দ্বারস্থ হন।

    প্রতারকদের কোন এলাকা থেকে ধরল পুলিশ? Fraud

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়েই প্রতারকদের (Fraud)  জাল ছড়িয়ে রয়েছে। বাগদা থেকে বিষয়টি অপারেট হচ্ছে। আর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় তাদের এজেন্ট রয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের তদন্তে নেমে প্রথমে জগদ্দল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, বারাসত, বাগদা এবং গাইঘাটা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও পর্যন্ত যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সঞ্জয় বালা এই অপরাধের মাস্টার মাইন্ড।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    Suvendu Adhikari: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মহার্ঘ ভাতা ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৪২ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। ৪৭ লক্ষ ৫৮ হাজার কর্মী এবং ৬৯ লক্ষ ৭৬ হাজার পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। এটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির ক্যারিশমা। এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বৈষম্য আরও বাড়ল। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার যেখানে বাড়িয়ে ৪২ শতাংশ করেছে, সেখানে দেউলিয়া পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতারণা করে ৬ শতাংশ বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে ফারাক ৩৬ শতাংশ। ট্যুইট-বার্তায় অন্য রাজ্যের ডিএর হারও তুলে ধরেন তিনি।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    এদিকে, বাম জমানায় নিয়োগে স্বজন-পোষণ নিয়েও মুখ খুললেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, বাম আমলে (DA) আমিও রাজনীতি করেছি। কিন্তু শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতি হয়নি। সেই সময় প্রাথমিকে আর শিক্ষাকর্মী পদে ব্যাপক নিয়োগ হয়েছিল। বামেরা টাকা নিয়ে চাকরি দেয়নি। শুধু দলের ক্যাডারদের চাকরি দিয়েছে। তিনি বলেন, সেই সময় নিয়োগের দায়িত্বে থাকত স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি। সেই সুযোগই নিয়েছিল বামেরা। তাঁর দাবি, কলেজে চাকরির ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিল। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীর চাকরিতে অনিয়ম হয়ে থাকলেও, যা যে প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাও জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। হাতে লেখা চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে চাকরির দুর্নীতি যে প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘পছন্দের প্রার্থীদের তালিকা পাঠাব! ছাড়পত্র না মিললে…’ মুখ্যমন্ত্রীকে হঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

    শুভেন্দুর দাবি, সিপিএম হোলটাইমারদের আত্মীয়দের চাকরির ব্যবস্থা করে দিত। যাতে তারা দলকে আরও বেশি সময় দিতে পারে। শুভেন্দুর বক্তব্যের সারমর্ম হল, বাম জমানায় টাকা নিয়ে চাকরি হয়নি। তবে স্বজনপোষণ হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বাম আমলে স্বজনপোষণ যে হয়েছিল তার বড় প্রমাণ জলপাইগুড়িতে বাম আমলে (DA) প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরির প্যানেল বাতিলের ঘটনা। সেই সময় জেলা বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বের একের পর এক আত্মীয়ের চাকরির বিষয়টি সামনে আসে। তার সঙ্গেই সামনে এসেছিল একাধিক বাম নেতার আত্মীয়-স্বজনদের ঘুরপথে চাকরি দেওয়ার বিষয়টিও।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
     
  • Karnataka Assembly Elections: কর্নাটকে সংরক্ষণ কোটায় বদল, বাদ পড়লেন মুসলিমরা

    Karnataka Assembly Elections: কর্নাটকে সংরক্ষণ কোটায় বদল, বাদ পড়লেন মুসলিমরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ কোটায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনল কর্নাটকের বিজেপি (BJP) সরকার। মাসখানেক পরেই কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন (Karnataka Assembly Elections)। তার ঠিক আগেই রাজ্যে আসন সংরক্ষণ ৫০ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৫৭ শতাংশ। তুলে নেওয়া হল মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ ৪ শতাংশ কোটা। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে এবার থেকে আর অনগ্রসর শ্রেণি হিসেবে সংরক্ষণের সুবিধা নিতে পারবেন না মুসলিমরা। কর্নাটকে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণে এতদিন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও। কিন্তু শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই মুসলিমদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন।

    সংরক্ষণের হার…

    মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কর্নাটকে সংরক্ষণের হার গিয়ে ঠেকল ৫৭ শতাংশে। যদিও সুপ্রিম কোর্ট তা বেঁধে দিয়েছিল ৫০ শতাংশে। কর্নাটক সরকারকে সেই মতো সংরক্ষণের (Karnataka Assembly Elections) হার কমিয়ে ৫০ শতাংশ বা তার নীচে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। সেই সংক্রান্ত একটি মামলাও ঝুলছে কর্নাটক হাইকোর্টে। আদালতের সেই রায়ের জন্য অপেক্ষা না করেই সংরক্ষণের হারে রদবদল ঘটাল কর্নাটক সরকার।  

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। মন্ত্রিসভার শাখা কমিটি সংরক্ষণের বিভাগে রদবদল ঘটানোর সুপারিশ করেছিল। তা মেনে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিকে আপাতত অনগ্রসর শ্রেণি ও আরও অনগ্রসর শ্রেণি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    জানা গিয়েছে, রদবদলের (Karnataka Assembly Elections) পর ভোক্কালিগাদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণ বাড়িয়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। পঞ্চমশালী, বীরশৈব এবং লিঙ্গায়েতদের ক্ষেত্রেও ৫ থেকে সংরক্ষণের হার বেড়ে হয়েছে ৭ শতাংশ। কর্নাটক সরকার তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষণ ১৫ থেকে বাড়িয়ে করেছে ১৭ শতাংশে। তফশিলি উপজাতিদের সংরক্ষণ ৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ শতাংশ।

    পুরাতন মহীশূরের ভোক্কালিকা সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, অষ্টাদশ শতকে মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানকে ব্রিটিশ বা মারাঠিরা হত্যা করেনি। তাদের দুই নেতা উরি গৌড়া ও নানজে গৌড়ার হাতেই মৃত্যু হয় টিপুর। ভোক্কালিগাদের সেই বিশ্বাসকে সমর্থন করেছে বিজেপিও। যদিও ইতিহাসবিদদের দাবি, উরি গৌড়া ও নানজে গৌড়া বলে বাস্তবে কেউ ছিলেন না, দুটিই কাল্পনিক চরিত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purnesh Modi: চা-ওয়ালা থেকে বিজেপি বিধায়ক, চিনুন রাহুলের বিরুদ্ধে মামলাকারী পূর্ণেশকে

    Purnesh Modi: চা-ওয়ালা থেকে বিজেপি বিধায়ক, চিনুন রাহুলের বিরুদ্ধে মামলাকারী পূর্ণেশকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে তাঁর মিল অনেক। দুজনেরই পদবি মোদি। দুজনেই ছিলেন চা-ওয়ালা। প্রথম জন দেশের প্রধানমন্ত্রী। আর দ্বিতীয়জন পূর্ণেশ মোদি (Purnesh Modi) তাঁরই দল বিজেপির (BJP) একনিষ্ঠ সদস্য। এই পূর্ণেশই বিপাকে ফেলেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। তাঁর করা মামলায়ই গুজরাটের সুরাট আদালত রাহুলকে দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। যার জেরে রাহুলকে খোয়াতে হয়েছে সাংসদ পদ। সুরাট আদালতের রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকলে আগামী আট বছর কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না রাহুল। এবার জেনে নেওয়া যাক, পূর্ণেশের পরিচয়।

    পূর্ণেশ মোদি (Purnesh Modi)…

    ১৯৬৫ সালের ২২ অক্টোবর সুরাটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পূর্ণেশ (Purnesh Modi)। সুরাট পশ্চিমের বিধায়ক তিনি। দারিদ্রের কারণে এক সময় তিনি চা বিক্রি করতেন। করেছেন দিন মজুরির কাজও। বিকমের পাশাপাশি এলএলবিও পাশ করেছিলেন পূর্ণেশ। পেশায় আইনজীবী এই বিধায়ক এক সময় গুজরাট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৩ সালে বিজেপি বিধায়ক কিশোর ভাই মারা যান। বিজেপি টিকিট দেয় পূর্ণেশকে। জয়ী হন তিনি। ২০১৭ সালে রেকর্ড ভোটে জিতে ফের বিধানসভায় পা রাখেন তিনি।

    এক সময় পূর্ণেশ বিজেপির বুথ কনেভেনার ছিলেন। হয়েছিলেন ওয়ার্ড প্রমুখও। সুরাট মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বিজেপি কর্পোরেটরও ছিলেন। ছিলেন বিজেপির স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। ২০১০ সাল থেকে পর পর দুটো টার্ম বিজেপির সুরাট ইউনিটের প্রধানও ছিলেন তিনি। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পূর্ণেশ নিজেকে গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্নাটকের এক জনসভায় রাহুল বলেছিলেন, সব চোরের পদবি কেন মোদি হয়। রাহুলের বক্তব্য নিয়ে হইচই হয় বিস্তর। রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন পূর্ণেশ (Purnesh Modi)। শুনানির পরে রাহুলকে দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় সুরাট আদালত। সঙ্গে করা হয় জরিমানাও। তবে ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হয় রাহুলকে।

    এদিকে, দু বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় খারিজ হয়ে যায় রাহুলের সাংসদ পদ। সুরাট আদালতের রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকলে আগামী আট বছরের জন্য তিনি কোনও নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শোকজ লেটার নিয়ে গর্বিত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি, নিজেদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে (DA Protest) তাঁরা শিরদাঁড়া সোজা রেখেছেন। নিজেদের বিক্রি করেননি। প্রাপ্য ডিএ-র দাবিতে গত ১০ মার্চ যাঁরা কাজে যোগ দেননি, তাঁদের শোকজ করেছিল সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, যাঁদের শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়, তাঁদের মার্চ মাসের স্যালারি থেকে একদিনের বেতন কাটা যাবে। এমন একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।

    সরকারকে সতর্কবার্তা

    রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের (Govt Employees Agitation) যৌথ মঞ্চের ডাকে গত ১০ মার্চ বকেয়া মহার্ঘভাতার (DA Protest) দাবিতে ধর্মঘটের (DA Strike) ডাক দেওয়া হয়েছিল। পাল্টা রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি করে অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ১০ মার্চ ব্যতিক্রমী কারণ ছাড়া অফিসে হাজিরা না দিলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারের হুঁশিয়ারির তোয়াক্কা না করেই, ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন বহু সরকারি কর্মচারী। সরকারি নোটিশের তোয়াক্কা না করে অনেক ধর্মঘটীদের জবাব, ‘ঠিক করেছি।’

    উল্লেখ্য, ডিএ ধর্মঘটে (DA Protest) অংশ নিয়ে যে সরকারি কর্মীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে অফিস থেকে অনুপস্থিত ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সেই পদক্ষেপের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সার্ভিস রুলেই বলা আছে, তাঁদের ‘রাইট টু স্ট্রাইক’ বা ‘ধর্মঘটের অধিকার’ আছে।

    ভয় পেয়েছে সরকার

    রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রতিহিংসা হিসেবেই ব্যাখ্যা করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলছেন, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীরা অতীতেও ধর্মঘট করে শাস্তিমূলক অবস্থার মধ্যে পড়েছি, মাইনে কাটা গিয়েছে। কিন্তু এই আন্দোলন অত্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের প্রতিবাদের মুখ খুলে গিয়েছে। সরকারী কর্মচারীরা সব জেনেই এতে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু তাঁরা এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ডাক থেকে তাঁরা দূরে থাকতে চাননি। এতে কর্মচারীরা আরও উজ্জীবিত হচ্ছেন।’

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    সরকারের পদক্ষেপে ভয় পাওয়ার পরিবর্তে – ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কর্মচারীরা। অনেকের কথায়, ‘জীবনে প্রথম বার শোকজ নোটিস হাতে পেয়ে গর্বিত বোধ করছি। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে পেয়ে এতটা গর্ব হয়নি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যে এতটা আনন্দ আগে বুঝতে পারিনি।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন,‘আমার স্কুলের একুশ জন শিক্ষিকার মধ্যে আমি একাই ছিলাম ধর্মঘটে (DA Protest) অংশগ্রহণকারী। তাই এই সার্টিফিকেট একাই পেলাম। সুস্থ-সবল শিরদাঁড়ার সার্টিফিকেট।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Eric Garcetti: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি, শপথ বাক্য পড়ালেন কমলা হ্যারিস  

    Eric Garcetti: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি, শপথ বাক্য পড়ালেন কমলা হ্যারিস  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) আমেরিকার (America) নয়া রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাক্তন মেয়র এরিক গারসেটি (Eric Garcetti)। শুক্রবার তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান আমেরিকার প্রথম মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। গত দু বছর ধরে এই পদটি ফাঁকা পড়েছিল।দিন কয়েক আগে ভারতে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে এরিকের মনোনয়নে সায় দেয় আমেরিকার কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেট। এরিক ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রথম সারির নেতা। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পছন্দের প্রার্থী। ৫২-৪২ ভোটে অনুমোদিত হয় প্রেসিডেন্টের প্রস্তাব। ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হলেও, এরিকের সঙ্গে সখ্য রয়েছে রিপাবলিকান পার্টিরও।

    এরিক গারসেটি (Eric Garcetti)…

    এদিনের (Eric Garcetti) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এরিকের মেয়ে মায়া, স্ত্রী অ্যামি ওয়েকল্যান্ড, বাবা গিল গারসেটি, মা সুকে গারসেটি এবং শাশুড়ি ডি ওয়েকল্যান্ড সহ তাঁর ঘনিষ্ঠরা। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হিব্রু বাইবেল ধরে রেখেছিলেন এরিকের মেয়ে মায়া। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ছবি ট্যুইট করে কমলা লিখেছেন, আমি আজ সহকর্মী এরিকের ভারতে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত পদে শপথের দায়িত্ব নেওয়ার সম্মান পেয়েছি। রাষ্ট্রদূত গারসেটি একজন দায়বদ্ধ জনসেবক। ভারতের জনগণের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন তিনি।

    ২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ছিলেন এরিক (Eric Garcetti)। তাঁর আমলে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ উচ্চ প্রশংসিত হয়েছিল আমেরিকার ওই শহরে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সহযোগিতার বন্ধন তৈরির কাজে সাফল্যও পেয়েছিলেন এরিক। যদিও মেয়র পদে থাকাকালীনই নিজের দফতরের এক কর্মীকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল এরিকের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    উল্লেখ্য, ভারতে শেষ রাষ্ট্রদূত ছিলেন কেনেথ জাস্টার। ২০২১ সালে আমেরিকায় সরকার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। ভারতের রাষ্ট্রদূত নির্বাচিত হওয়ায় বাইডেন প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এরিক। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির দিকটি নজরে রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত। ট্যুইট-বার্তায় তিনি (Eric Garcetti) লেখেন, আজ আমি রোমাঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে যে পদ খালি ছিল, সেই পদে বসতে পেরে। কঠিন কাজ শুরু হল। প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও হোয়াইট হাউসের কাছে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৪ দিনের মাথায় উঠল অনশন। বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ওই অনশন (Fasting) করছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের (Songrami Joutho Moncho) সদস্যরা। তবে অনশন প্রত্যাহৃত হলেও, আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রতিবাদীরা। অনশন তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে কর্মীদের অসুস্থতার কথা জানান আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে তাপস চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘ অনশন আন্দোলনে অনেক কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কারও কিডনিতে সমস্যা হচ্ছিল, কেউ কেউ গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগছিলেন। তাই কর্মীদের কথা মাথায় রেখেই আপাতত ডিএর দাবিতে অনশন স্থগিত রাখা হল। তিনি জানান, বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্যের নানা প্রান্তে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলবে।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ বলেন, প্রয়োজন পড়লে ফের আন্দোলনে বসব। আমার সঙ্গে আরও এক অনশনকারী রয়েছেন তাপস সিংহ। তিনিও অনশন আপাতত স্থগিত রেখেছেন। আমাদের শারীরিক পরীক্ষা হবে। তিনি বলেন, অনেকেই অনশন শুরু করলেও, শেষ পর্যন্ত দু জন ছিলেন। ভাস্কর বলেন, আমরা শুধুমাত্র আন্দোলনের (DA) অভিমুখ ঘোরাচ্ছি। ২৯ তারিখ গণ-অনশন হবে। তবে ওই দিন বার্গার-প্যাটিস খেয়ে ফের অনশন হবে। এতদিন আমরা না খেয়ে অনশন করেছি। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে গুচ্ছ কর্মসূচি পালন করা হবে। বকেয়া ডিএর দাবিতে ৩০ মার্চ হবে সরকারি কর্মীদের মহা সমাবেশ হবে। ওই দিন গণছুটি নিয়ে শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে মহা মিছিল হবে। সেই মিছিলে হেঁটে আন্দোলনকারীরা যোগ দেবেন শহিদ মিনারের ধর্নামঞ্চে। ১০ ও ১১ এপ্রিল দিল্লির যন্তরমন্তরে দু দিনের অবস্থান বিক্ষোভে বসবেন ডিএ আন্দোলনকারীরা।

    আরও পড়ুুন: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএর (DA) দাবিতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ধর্মতলার শহিদ মিনার ময়দানে রিলে অনশন শুরু করেছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় ধারাবাহিক অনশন। দাবি পূরণ না হওয়া অবধি আন্দোলনকারীরা উঠবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ওই দাবিতে একদিনের কর্মবিরতিও পালন করেন সরকারি কর্মীরা। করেন ধর্মঘটও। কর্মবিরতি ও ধর্মঘটে শামিল হওয়া কর্মীদের শোকজ করে অনুপস্থিতির কারণ জানতে চায় রাজ্য সরকার। তার পরেও অবশ্য আন্দোলন জারি রেখেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্ত নবরাত্রির শুরু হয়েছে ২২ মার্চ থেকে চলবে ৩০ মার্চ অবধি। ওই দিন রামনবমী, যা ভগবান রামের জন্মতিথি হিসাবে উদযাপিত হবে সারাদেশে। মা দুর্গার ভক্তরা এই সময়ে নয় দিন উপবাস (Navratri Fasting) করেন। উপবাসের দিনগুলিতে সতেজ ও তরতাজা থাকতে কী কী করবেন এবং কী কী করবেন না, সেবিষয়ে আলোচনা করবো আমরা।

    কী কী করবেন

    ১. শরীরকে পর্যাপ্ত সূর্যরশ্মি দিন

    বিশেষজ্ঞদের মতে সূর্যরশ্মি এনার্জির পাশাপাশি ভিটামিন ডি-র উৎস। সূর্যের আলো আপনার মস্তিষ্কের সেরোটোনিন হরমোনের নিঃসরণকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এরফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

    ২. পর্যাপ্ত ঘুম

    পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম আপনাকে সবসময় তরতাজা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় অন্তত দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।

    ৩. কিছু প্রয়োজনীয় তেল ব্যবহার করুন

     পুষ্টিবিদদের মতে, পেপারমিন্ট, সাইট্রাস ব্লেন্ড এবং রোজমেরির মতো তেল আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এতে ক্লান্তিবোধ কম হবে।

    ৪. সঠিকভাবে পুষ্টি দিন শরীরকে

    বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় শরীরের পর্যাপ্ত পুষ্টি পাওয়া ভীষণ দরকার

    ৫.হাইড্রেটেড থাকুন

     ইলেক্ট্রোলাইট বাড়ায় এমন পানীয়গুলি উপবাসের (Navratri Fasting) সময় গ্রহণ করুন। এতে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্লোরাইড এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদান থাকে। আবার এই সময় প্রচুর পরিমানে জল পান করতেও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ৬: একটু আধটু হাঁটাচলা করুন

     উপবাসের (Navratri Fasting) সময় আপনার শরীরে শক্তির অভাব হয়। তখন অনেকেই বসে বসে সময় কাটান স্মার্টফোন নিয়ে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এইসময় একটু হাঁটাচলা করুন। 

    ৭. বেশি করে হাসুন

    বিশেষজ্ঞদের মতে একজন শিশু দিনে প্রায় গড়ে ৩০০ বারের বেশি হাসে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্করা গড়ে মাত্র পাঁচবার হাসেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে হাসি মেজাজ ভাল রাখে।

    কী কী করবেন না

    ১. কার্বনেটেড জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলুন

    সোডা জাতীয় পানীয় পেটে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে যখন খালি পেটে এগুলো খাওয়া হয়। এই পানীয়গুলিতে উচ্চ মাত্রার গ্যাস থাকে যা আপনার পেটে চাপ বাড়াতে পারে, তাই  উপবাসের সময় এগুলিকে এড়িয়ে যেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ২. শর্করা জাতীয় জিনিস থেকে দূরে থাকুন

    গুলাব জামুন, লাড্ডু, ক্ষীর এবং অন্যান্য মিষ্টান্নের থেকে এইসময় দূরে থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা।

    ৩. লবণাক্ত খাবার একদম গ্রহণ করবেন না

    অত্যধিক পরিমাণে লবণ খাওয়া আপনার উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে, তাই এগুলি এড়িয়ে চলতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীলকে এবার ডাকতে চলেছে ইডি। ইডি (ED) সূত্রে খবর,অয়নের নামে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান মিলেছে। সেই লকারে কী আছে তা খতিয়ে দেখতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, এই লকারের বেশ কয়েকটি আছে অয়ন ও তাঁর স্ত্রী কাকলি শীলের (Kakali Shil) নামে। সেই সূত্রে এবার কাকলিকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

    কাকলির সঙ্গে যোগাযোগ

    ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা দু’বার কাকলির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন বলে খবর। অয়নের মূল যে সংস্থা সেই এবিএস ইনফোজোনের ডিরেক্টর পদে রয়েছেন কাকলি। ইডি আদালতে জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে অয়ন বিপুল জমি কিনেছিলেন। লকডাউনের মধ্যেও হুগলির গুড়াপে ছেলে অভিষেক শীলের নামে কোটি টাকার  সম্পত্তি কেনেন অয়ন। যার রেজিস্ট্রি খরচই লেগেছিল ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ভাঙড়ে একই দিনে তিনটি জমি কিনেছিলেন অয়ন। কাকলির নামেও বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। ইডির অনুমান, এই সব হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকায়।

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ

    রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে শুরু করে সিনেমা প্রযোজনা সব জায়গাতেই নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকা লাগিয়েছিলেন অয়ন। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে পুরসভায় নিয়োগ সব জায়গাতেই  বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি ইডির। এবার এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টরেটের আতস কাচের নিচে অয়নের ব্যাঙ্ক লকার। এই সম্পর্কে জানতে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন ইডি আধিকারিকেরা। অয়ন গ্রেফতারের পর তাঁর সেই লকার ব্যবহার হয়েছে কি না, তা জানতে তৎপর ইডি। ব্যাঙ্ক লকারে কী এমন আছে? সেখান থেকে কোনও সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই লকার সম্পর্কিত তথ্য চেয়েই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ইডির আধিকারিকরা। এই পরিস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে অয়নের স্ত্রী কাকলিকেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share