Blog

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Misfired) ছুঁড়ল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়সালমীরে। শুক্রবার পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়া চলাকালীন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তিনটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ‘ভুলবশত’ নিক্ষেপ করা হয় বলে সেনাসূত্রে খবর। 

    যান্ত্রিক ত্রুটিই দায়ী!

    সেনা (Indian Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির পাল্লা ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে। তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রই পাল্লার বাইরে গিয়ে বিভিন্ন গ্রামের ক্ষেতে আঘাত হেনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটায়। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহত বা কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। হঠাৎ মিসাইল আছড়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতেই পোখরানের ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে ওই মিসাইলের টেস্ট ফায়ারিং করা হচ্ছিল, কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা ভুলবশত উৎক্ষেপণ হয়।

    আরও পড়ুন: সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের উদ্যোগে আয়োজিত হল বায়ুসেনা এবং স্থলসেনার যৌথ মহড়া

    তদন্ত চলছে

    প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অমিতাভ শর্মা জানান, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে প্রশাসন সূত্রে জাানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া তিনটি মিসাইলের মধ্যে দুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, তৃতীয় মিসাইলটির হদিস মেলেনি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী (Indian Army) মিলিতভাবে ওই ‘নিখোঁজ’ তৃতীয় মিসাইল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেশী দেশে ভুলবশত ওই মিসাইল পড়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাচনার ডিএসপি কৈলাশ বিষ্ণোই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আজাসার গ্রামের একটি ক্ষেতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি পাওয়া গিয়েছে অন্য একটি ক্ষেতে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণের কারণে ক্ষেত দু’টিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার লন্ডনে (London) ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। দূতাবাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল ভারতের (India) তেরঙ্গা পতাকা। এবার সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, দূতাবাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা দেশগুলির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে না। লন্ডনের ঘটনাকে ভারত যে হালকাভাবে নিচ্ছে না, তা ধরা পড়েছে জয়শঙ্করের কথায়ই। তিনি বলেন, এই বিষয়ে (খালিস্তানপন্থীদের হামলার বিষয়ে) আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি।

    খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল…

    প্রসঙ্গত, রবিবার খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের নামে স্লোগান দিয়ে বেশ কয়েকজন হামলা চালায় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে। দূতাবাস থেকে টেনে নামিয়ে দেওয়া হয় ভারতের জাতীয় পতাকা। লন্ডনের ওই ঘটনার পরে পরেই ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ দূতকে জরুরি তলব করা হয়। চাওয়া হয় ব্যাখ্যাও। ব্রিটিশ প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। ঘটনার জেরে শুক্রবারই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছিলেন, ভারত আশ্বাস চায় না, চায় উপযুক্ত পদক্ষেপ। তারপর এদিন ভারতের তরফে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রীও।

    লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ঘটনার পরে পরেই যানজটের (S Jaishankar) কারণ দেখিয়ে ভারতের ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়। তার পর তড়িঘড়ি আঁটসাঁট করা হয় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেবল লন্ডন নয়, চলতি সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থীরা হামলা চালিয়েছিল আমেরিকার সান ফ্রন্সিসকোয় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসেও। ওই ঘটনার জেরে শুক্রবার ভারত ও আমেরিকার তরফে শান্তি মিছিল করা হয় সান ফ্রান্সিসকোয়, ভারতীয় দূতাবাসের সামনে। বহু মানুষ যোগ দিয়েছিলেন এদিনের শান্তি মিছিলে। তাঁদের হাতে ছিল ভারতের তিরঙ্গা পতাকা।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    প্রসঙ্গত, গত রবিবারই খালিস্তানপন্থী একদল লোক সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায়। খালিস্তানের পক্ষে স্লোগানও দিতে (S Jaishankar) থাকেন তাঁরা। কল্পিত খালিস্তানের দুটি পতাকাও তাঁরা টাঙিয়ে দেন দূতাবাসের সামনে। পরে অবশ্য ওই পতাকা দ্রুত সরিয়ে দেন দূতাবাসের দুই কর্মী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: নামে রয়েছে আরও মামলা! সাংসদ পদ খুইয়েছেন, আর কী কী খোয়াতে পারেন রাহুল?

    Rahul Gandhi: নামে রয়েছে আরও মামলা! সাংসদ পদ খুইয়েছেন, আর কী কী খোয়াতে পারেন রাহুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Modi) পদবি নিয়ে কটাক্ষের জেরে দোষী সাব্যস্ত করে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের (Gujarat) সুরাটের একটি আদালত। তার জেরে খারিজ হয়ে গিয়েছে রাহুলের সাংসদ পদ। উচ্চ আদালতে আবেদন করার জন্য রাহুলকে ৩০ দিন সময়ও দিয়েছে আদালত। নিম্ন আদালতের রায় যদি উচ্চ আদালতেও বহাল থাকে তবে সরকারি বাংলো থেকেও বঞ্চিত হতে হবে এই কংগ্রেস নেতাকে। এদিকে, রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাওয়ায় তাঁর লোকসভা কেন্দ্র কেরালার ওয়েনাড আসনটি ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইলে ওই আসনে উপনির্বাচন হতে পারে। তবে আগামী আট বছরের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে মামলার খতিয়ান…

    রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়, এর আগেও দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। মানহানির মামলায় ২০১৯ সালে পাটনার একটি আদালত থেকে জামিন পান রাহুল। সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি জনতাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, মোদি পদবি হলেই সেই ব্যক্তি চোর হয়? ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে নোটবন্দির সময় আমেদাবাদের জেলা সমবায় ব্যাঙ্ক বেআইনি নোট বদলিতে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। আমেদাবাদের একটি আদালত জামিন দেয় কংগ্রেস নেতাকে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনের ঘটনাকে বিজেপি-আরএসএস মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন রাহুল। তার জেরে আরএসএসের তরফে দায়ের করা হয় মানহানির মামলা। পরে মুম্বইয়ের একটি আদালত জামিন মঞ্জুর করে রাহুলের। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসমের বরপেটা সাঁতরায় ঢুকতে আরএসএস তাঁকে বাধা দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। ওই ঘটনার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করে আরএসএস। ২০১৬ সালে গুয়াহাটির একটি আদালত ওই মামলায় জামিন দেয় রাহুলকে।

    রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলেছিলেন, মহাত্মা গান্ধীকে খুন করেছিল আরএসএস। তার জেরে দায়ের হয় মামলা। সেই মামলায় জামিন মঞ্জুর করে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডির একটি আদালত। রাহুলকে আদালতে স্বপক্ষ প্রমাণের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রাহুলের বিরুদ্ধে রয়েছে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাও। মামলাটি করেছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ওই মামলায় জামিনে মুক্ত রয়েছেন রাহুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • SSC Scam: ফের সিবিআই হেফাজতে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা

    SSC Scam: ফের সিবিআই হেফাজতে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ-দুর্নীতিতে জেলবন্দি এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে ফের নিজেদের হেফাজতে পেল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত এই আবেদন মঞ্জুর  করে। ২৭ মার্চ পর্যন্ত শান্তিপ্রসাদের ঠাঁই হল সিবিআই হেফাজত।

    সুপারিশপত্রে হাতের লেখা শান্তিপ্রসাদের  

    এর আগে ধৃত এজেন্ট আব্দুল খালেকের কাছে একটি সুপারিশপত্র পাওয়া গিয়েছিল। সিবিআইয়ের দাবি, সেই হাতের লেখা শান্তিপ্রসাদের। কিন্তু কেন তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না, এই প্রশ্ন গত শুনানিতে সিবিআইকে করে আদালত। তার পরেই হাতের লেখা মিলিয়ে দেখা এবং তদন্তে আরও কিছু সূত্র বেরিয়ে আসার যুক্তিতে শান্তিপ্রসাদকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেন তদন্তকারীরা।

    কী বলছেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে গত ১৭ এবং ১৯ মার্চ প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জেরাও করেছেন তদন্তকারীরা। এর আগে দু’বার শান্তিপ্রসাদকে নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে সিবিআই। আর কত বার?’ যদিও সিবিআই কৌঁসুলি দাবি করেন, ‘এই মামলায় অনেকগুলি নতুন সূত্র সামনে এসেছে। যে কারণে হেফাজতে রেখে জেরা করা দরকার।

    শান্তিপ্রসাদের অনুযোগ 

    এ দিকে সিবিআই সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদ এ দিন এক তদন্তকারীর কাছে অনুযোগ করেন যে তাঁর সঙ্গে কুভাষা ব্যবহার করেন তদন্তকারীরা।’ সিবিআইয়ের সেই অফিসার শান্তিপ্রসাদকে আশ্বস্ত করেন, এমনটা আর হবে না। একই সঙ্গে খানিকটা হাল্কা চালে বলেন, ক্যান্টিনের ভালো খাবার, পানমশলা দেওয়া হবে। তা শুনে হেসে ফেলেন শান্তিপ্রসাদ।

    গ্রেফতার ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থার আধিকারিক

    এদিকে, ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থার সিইও নীলাদ্রি দাসকে গ্রেফতার করল সিবিআই। শুক্রবার টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর গাজিয়াবাদের নাইসা সংস্থার ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়। সিবিআইয়ের সূত্রে দাবি, গ্রুপ-সির ৩৪৮১ টি, গ্রুপ-ডির ২৮২৩ টি, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯৫২টি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯০৭টি ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Bogtui: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    Bogtui: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের বগটুইয়ের (Bogtui) ঘটনা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বগটুইয়ে নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়ে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘শাসক দল খুন করল, আবার তারাই শহিদদের স্মরণ করল। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বগটুইয়ের (Bogtui) নিহত সংখ্যালঘুদের নিয়ে নীরব থাকলেন।’’ বিরোধী দলনেতার এই বক্তব্যের পরই আক্ষেপ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কী করিনি ওদের জন্য। চাকরি দিয়েছি, ক্ষতিপূরণ দিয়েছি, সমাজিক প্রকল্পের সুযোগ দিয়েছি। তারপরেও ওরা অন্য দলের সংস্পর্শে যাচ্ছে।”

    শুভেন্দুর দাবি

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের বগটুইয়ে (Bogtui) গত বছরের ২১ মার্চ আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় ১০ জনের। ঘটনায় বিতর্কের ঝড় ওঠে রাজ্য রাজনীতিতে। তার এক বছর পার। নিহতদের স্মরণ করতেও রাজনৈতিক টানাপোড়েন। প্রথমে শহিদ বেদি তৈরি করে বিজেপি। তার কাছেই আবার রাতারাতি শহিদ বেদি তৈরি করে তৃণমূলও। পরে সেখানে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘‘আমি রাজনীতি করতে এখানে আসিনি। বগটুইয়ে (Bogtui) আমরা বিগত নির্বাচনে মাত্র ১৭টি ভোট পেয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি যে আগামী দিনেও নিঃস্বার্থভাবে আপনাদের পাশে থাকব। আপনাদের পরিবারের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার দায়িত্ব আমার।’’ সেদিনই বগটুই গ্রামের শহিদ বেদি সংলগ্ন মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা যায় অন্যান্য শহিদ পরিবারের সদস্যদেরও। এমনকী নিহতদের পরিবারের সদস্য মিহিলাল শেখকেও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিজেপির মঞ্চে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    মমতার আক্ষেপ

    বীরভূম নিয়ে শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল নেতা জানান বগটুই (Bogtui) নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মমতা। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বগটুইয়ের বাসিন্দারা এখন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাগের কারণ। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে যদি পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় তাহলে বীরভূমের বাসিন্দারা এখনই জবাব দিয়ে দেবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Scam: দমকল বিভাগের নিয়োগেও দুর্নীতি? অভিযুক্ত তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস

    TMC Scam: দমকল বিভাগের নিয়োগেও দুর্নীতি? অভিযুক্ত তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি, পৌরসভার পরে কী এবার দমকল বিভাগের নিয়োগে কী দুর্নীতি? রাজ্যজুড়ে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। দমকল বিভাগের দুর্নীতিতে নাম জড়াল তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার। ঘটনার সূত্রপাত বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্ট ঘিরে। সেখানে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেন তরুণবাবু (যদিও ওই অডিও’‌র সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’)। সেখানে এক ব্যক্তি অপর একজনের সঙ্গে দমকল বিভাগের নিয়োগ ও টাকা লেনদেন নিয়ে আলোচনা করছেন।  তাপস সাহার বিরুদ্ধে দমকল বিভাগের নিয়োগ দুর্নীতিতে (TMC Scam) জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছেন। তবে তৃণমূল (TMC Scam) বিধায়ক তাপস সাহা ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ঠিক কী শোনা গিয়েছে অডিও ক্লিপে

    এই ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘ফায়ার ব্রিগেডে তোর ওই ছেলেটার তো কাজ হয়েছে। এই মাসের ২৫ তারিখের পর বলে দেব, কোন ডেটে কলকাতায় যাবে। বাকি টাকাকড়ি রেডি করতে বল। ৫০ দেওয়া আছে আরও সাড়ে চার পাব।’ এই কণ্ঠস্বর তাপসবাবুর বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি তাপসবাবুর গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন। 

    তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন কিছু নয়

     নদিয়ার এই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Scam) বিধায়কের বিরুদ্ধে সরকারি দফতর এবং স্কুলে চাকরি পাইয়ে দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ আগেই উঠেছিল। যার জেরে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখা তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এমনকী প্রবীর কয়াল নামে তাপসের এক ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

    বিধায়ক কী বলছেন

    তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার অবশ্য দাবি, ওই কণ্ঠস্বর মোটেই তাঁর নয়। তিনি বলেন, ‘‌জেলা পরিষদ সদস্যা টিনা ভৌমিক সাহা তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সঙ্গে যোগসাজশ করে আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন। টিনা ভৌমিক সাহা টেটে পাশ না করেও স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। ওই গলা আমার নয়। এরকম কোনও কথাও হয়নি। বিজেপি এবং তৃণমূলেরই নদিয়া জেলা পরিষদ সদস্য টিনা ভৌমিক সাহা চক্রান্ত করে এই সব কাজ করেছে।’‌

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Basanti Puja: এবছর নৌকায় আগমন দেবী দুর্গার! জেনে নিন বাসন্তী পুজোর তিথি, শুভক্ষণ

    Basanti Puja: এবছর নৌকায় আগমন দেবী দুর্গার! জেনে নিন বাসন্তী পুজোর তিথি, শুভক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎকালে হয় শারদীয়া দুর্গাপুজো, আর বসন্তকালে দেবী দুর্গার পুজো বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) নামে পরিচিত। পুরাণ অনুযায়ী, অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশে শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন, এই আখ্যানের সঙ্গে আমরা সকলেই কমবেশি পরিচিত। যা দেবীর অকাল বোধন হিসেবে প্রসিদ্ধ। আর চন্দ্রবংশীয় রাজা সুরথ বসন্ত কালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। তাই এই পুজো বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত। চলতি বছর বাসন্তী পুজো পড়েছে ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। 

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, বাসন্তী পূজার (Basanti Puja) তিথি, শুভক্ষণ

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে

     পঞ্চমী তিথি আরম্ভ – ২৫ মার্চ, শনিবার। বাংলার ১০ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ২৫ মিনিট।
     পঞ্চমী তিথি শেষ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ৩৩ মিনিট।
     
    ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ৩৪ মিনিট। 
    ষষ্ঠী তিথি শেষ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট। 

    সপ্তমী তিথি আরম্ভ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – বিকেল ৫টা ২৯ মিনিট। 
    সপ্তমী তিথি শেষ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ০৩ মিনিট।
     
    অষ্টমী তিথি আরম্ভ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ০৪ মিনিট।
     অষ্টমী তিথি শেষ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ৯টা ০৮ মিনিট।
     
    সন্ধি পুজোর শুভক্ষণ – রাত ৮টা ৪৪ মিনিটে সন্ধি পুজো আরম্ভ। রাত ৯টা ৩২ মিনিটে সন্ধি পুজো সমাপ্ত

    নবমী তিথি আরম্ভ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ৯টা ০৯ মিনিট । 
    নবমী তিথি শেষ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১১টা ৩১ মিনিট।

    দশমী তিথি আরম্ভ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১১টা ৩২ মিনিট। 
    দশমী তিথি শেষ – ৩১ মার্চ, শুক্রবার। বাংলার ১৬ চৈত্র।

    গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে

     পঞ্চমী তিথি আরম্ভ – ২৫ মার্চ, শনিবার। বাংলার ১০ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
     পঞ্চমী তিথি শেষ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড। 

    ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড।
     ষষ্ঠী তিথি শেষ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড।
     
    সপ্তমী তিথি আরম্ভ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিটে ৪৬ সেকেন্ড। 
    সপ্তমী তিথি শেষ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – রাত ৮টা ৪৭ মিনিট ২২ সেকেন্ড।
     
    অষ্টমী তিথি আরম্ভ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – রাত ৮টা ৪৭ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।
     অষ্টমী তিথি শেষ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ১০টা ১৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড । 

    সন্ধি পুজোর শুভক্ষণ – রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সন্ধি পুজো আরম্ভ। রাত ১০টা ৪১ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সন্ধি পুজো সমাপ্ত। 

    নবমী তিথি আরম্ভ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ১০ টা ১৭ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড। 
    নবমী তিথি শেষ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১২টা ৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড। 

    দশমী তিথি আরম্ভ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১২টা ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
     দশমী তিথি শেষ – ৩১ মার্চ, শুক্রবার। বাংলার ১৬ চৈত্র।

    বাসন্তী পুজোর মাহাত্ম্য

    বাসন্তী পুজোর মাহাত্ম্য শাস্ত্র মতে, রাজ্য হারানো রাজা সুরথ বসন্তকালে সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। দেবীর আশীর্বাদ পেতেই বসন্তকালের শুক্লপক্ষে রাজা দেবীর উপাসনা করেন। মা দুর্গা ভক্তের পুজোয় সন্তুষ্ট হয়ে রাজা সুরথকে তাঁর হারানো রাজ্য ফিরিয়ে দেন। এই পুজোই পরে বাসন্তী পুজো নামে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে

    এবছর নৌকায় আগমন হবে দেবী দুর্গার

    শারদীয় দুর্গা পুজোর মতো বাসন্তী পুজোতেও (Basanti Puja) মা দুর্গা প্রতি বছর আলাদা আলাদা বাহনে সওয়ার হয়ে আসেন। দেবীর এই সব বাহনের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। এই বছর বাসন্তী পুজোয় মা দুর্গা আসছেন নৌকায় সওয়ার হয়ে। দেবীর নৌকা বাহন অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে পৃথিবী সুজলা সুফলা হয়ে ওঠে ও মর্ত্যবাসীর মনে খুশিতে ভরে ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Civic Volunteers: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    Civic Volunteers: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশে এবার রাজ্য পুলিশের তরফে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়ে সার্কুলার জারি করা হল। এই সার্কুলারে পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না (West Bengal Police)। ২৯ মার্চের মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।  সেই মতো শুক্রবার সার্কুলার জারি করে রাজ্য পুলিশ। তাতে হাইকোর্টের নির্দেশ মাফিক কোন কোন কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) ব্যবহার করা যাবে, সেই সম্পর্কিত তথ্য স্পষ্টভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে। 

    কেন নির্দেশিকা

    সম্প্রতি জেলায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) দিয়ে স্কুলে পড়ানোর বিষয়টি সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়। শিক্ষক হিসেবে সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। আবার তাঁদের কাজ কী? সেই প্রশ্নও ওঠে। এরপরই আদালত নির্দেশ দেয় সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী, নয়া গাইডলাইন তৈরি করা হল।

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

    ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা (Civic Volunteers)। পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসবে ভিড় সামলাতে, বেআইনি পার্কিং রুখতে এবং মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশকে সাহায্যকারীর ভূমিকায় থাকবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। তবে নির্দেশিকায় যে বিষয়টি সবচেয়ে নজর কেড়েছে, তা হল, আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না। একেবারে স্পষ্ট ভাষায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা কেন্দ্রের! আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    রাজ্য পুলিশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৭ হাজার ১৫ জন সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteers) রয়েছেন। কলকাতা পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ৬ হাজার ৯৩২ জন। ২০১২ সালে চুক্তিভিত্তিক এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ন্যূনতম শিক্ষা যোগ্যতা আগে ছিল মাধ্যমিক উত্তীর্ণ। পরে তা আরও কমিয়ে অষ্টম শ্রেণি করা হয়। সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগে নেওয়া হয় না কোনও পরীক্ষাও। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতন ৯ হাজার টাকা। আর কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান আছে এমন সিভিক ভলান্টিয়াররা থানায় ডেটা এন্ট্রির কাজ করেন। আবার রাস্তায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, লাইন সামলানো এবং যান নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন সিভিক ভলান্টিয়ারা। থানাতেও মোতায়েন রাখা থাকে। তাঁরা পুলিশ অফিসারদের সহযোগিতা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাছে কোনও অস্ত্র থাকে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের! আরও তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    DA: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের! আরও তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) ফের বাড়ছে। ফলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ পার্থক্যও ক্রমশ বাড়ছে। রাজ্যের ডিএ (DA) আন্দোলনের মাঝেই শুক্রবার কেন্দ্র সরকার আরও ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির কথা জানাল।

    ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা কেন্দ্রের

    শুক্রবার ৪ শতাংশ হারে ডিএ (DA) বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এই ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৪২ শতাংশ। এরফলে জানুয়ারি থেকে বকেয়া ডিএ মার্চের শেষেই পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা। সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে ওই ডিএ বৃদ্ধির ফলে উপকৃত হবেন প্রায় এক কোটি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী। ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে কেন্দ্রের খরচ হবে ১২ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ফারাক

    কেন্দ্রের এই ডিএ (DA) বৃদ্ধির ফলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ -র ফারাক বেশ কিছুটা বাড়ল। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এনিয়ে একদফা কর্মবিরতি করা হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানো হবে। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া রাজ্যের পক্ষে সম্ভব নয়। 

    তোপ সুকান্তের

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্র যখন ডিএ (DA) বাড়াচ্ছে তখন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আবেদন সত্বেও সরকার তাতে কান দিচ্ছে না। বরং পাল্টা আক্রমণ করা হচ্ছে। মোদিজি কাজ করে দেখিয়েছেন। দিনের পর দিন বঞ্চিত হওয়ার জন্যই রাজ্যের কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন।” কেন্দ্রের এই ঘোষণার ফলে  রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র তফাত হয়ে গেল ৩৬ শতাংশ। নয়া ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এখনও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ডিএ প্রদান করা হয়। তাও সেটা মাত্র ছয় শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হুঁশিয়ারি

    কেন্দ্রের ডিএ (DA) বৃদ্ধির কথা ঘোষণার পরই  রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দেন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ডিএ দিতেই হবে। মহার্ঘ ভাতা আদায় করেই ছাড়বেন তাঁরা। আন্দোলনকারীরা জানান, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের অবক্ষয় হচ্ছিল। সেজন্য সর্বভারতীয় মূল্যসূচকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চার শতাংশ ডিএ (DA) বাড়ানো হয়েছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাতে কোনও ভ্রূক্ষেপ করছে না। এই সরকারকে সম্পূর্ণ ডিএ দিতেই হবে। খেলা-মেলায় খরচ করে যাচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে রাজ্য সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: অয়নের বান্ধবী শ্বেতার সঙ্গে দেখা করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র! কী কথা হল?

    Madan Mitra: অয়নের বান্ধবী শ্বেতার সঙ্গে দেখা করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র! কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের কোম্পানির হাত ধরেই কামারহাটি পুরসভায় দুদফায় কর্মী নিয়োগ হয়েছিল। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়টি ইডি-র নজরে রয়েছে। কারণ, অয়ন টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করত তার প্রমাণ ইডি আধিকারিকরা আগেই পেয়েছেন। কামারহাটি পুরসভায় যে সব কর্মী নিয়োগ হয়েছিল তাদের পিছনে কত টাকার খেলা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। ইতিমধ্যে বিতর্কিত প্যানেলে চাকরি নিয়ে চরম আতঙ্কিত কামারহাটি পুরসভার কর্মচারীরা। শুক্রবার স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra) কাছে কর্মীরা সেই উদ্বেগের কথা জানালেন। একইসঙ্গে পুরসভায় চেয়ারম্যান গোপাল সাহার কাছে তাঁদের আতঙ্কের কথা তুলে ধরেন। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, আমাদের কর্মীরা কোনও অপরাধ করেনি। তাঁরা ভয়ে রয়েছে। অন্যায় না করলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলে আমি তাদের আশ্বস্ত করেছি।

    কী বললেন বিতর্কিত প্যানেলে চাকরি হওয়া কর্মীরা? 

    অয়নের হাত ধরে ব্যারাকপুর মহকুমার ৬টি পুরসভায় কর্মী নিয়োগ হয়েছিল। তারমধ্যে কামারহাটি পুরসভা রয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে এবং ২০১৯ সালে দুটি অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে চাকরি প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। ২০১৭ সালে ১৭ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। আর ২০১৯ সালে ১৪ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। সবমিলিয়ে ১০৪ এবং ১২৫ জনকে পুরসভায় নিয়োগ করা হয়। আর সবটাই অয়নের কোম্পানির হাত ধরে হয়েছে। দেখা যায়, পুরসভায় নিয়োগ  হওয়া ২২৯ জনের মধ্যে শ্বেতা চক্রবর্তীর নাম রয়েছে। শ্বেতার নাম সামনে আসতেই এই প্যানেলের অন্যান্য কর্মীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। প্যানেলে চাকরি পাওয়া পুরসভার এক কর্মী বলেন, নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি হয়েছে। কিন্তু, যে কোম্পানির হাত ধরে আমাদের নিয়োগ হয়েছে, সে জেলে রয়েছে। তাতেই আমাদের ভয় লাগছে। আমাদের প্যানেল বাতিল করে দেবে না তো?

    শ্বেতার সঙ্গে দেখা করলেন মদন মিত্র (Madan Mitra), কী কথা হল? 

    অয়নের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী শুক্রবার কামারহাটি পুরসভায় আসেন। নিজের দপ্তরের চেয়ারে তিনি বসেছিলেন। অনেকে তাঁকে এসে দেখে যান। তবে, কারও সঙ্গে তিনি কোনও কথা বলেননি। নিজের চেয়ারে চুপচাপ তিনি বসেছিলেন। এদিন বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বিধায়ক (Madan Mitra) বলেন, আমি সব কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তখন দেখছিলাম শ্বেতা চক্রবর্তী বসে আছেন। টিভিতে দেখে তাকে চিনতে পেরেছি। জিজ্ঞেস করলাম নাম কী। কোথায় থাকেন। ব্যাস এইটুকুই। শ্বেতাও তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেছেন। তাঁর বেশি কথা বলেননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share