Blog

  • Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরল ১৫ হাজার, তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়নও

    Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরল ১৫ হাজার, তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়নও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে বিধ্বস্ত তুরস্ক (Turkey) ও পড়শি দেশ সিরিয়ার (Syria) বিস্তীর্ণ অংশ। সোমবার কাকভোরে অনুভূত হয় প্রথম ভূমিকম্প। তার পর আরও দুবার। বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৫ হাজার। অসংখ্য বাড়ি পড়েছে ভেঙে। এর আগে ২০১৫ সালে নেপালেও হয়েছিল এরকম ধ্বংসাত্মক একটি ভূমিকম্প। প্রাণ হারিয়েছিলেন ৮ হাজার ৮০০ মানুষ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে বেড়াচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। ভূমিকম্প বিপর্যস্ত সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি এক মাসের বেতন দান করেছেন তুরস্কের ত্রাণ তহবিলে। অন্যান্য সাহায্যও পাঠিয়েছে তাইওয়ান। তুরস্ক ট্যুইটার অ্যাক্সেস ফিরিয়ে এনেছে। সিরিয়ায় যাতে আরও বেশি করে ত্রাণ আসতে পারে তাই দুটো নতুন বর্ডার খুলে দেওয়া হয়েছে। হাসান নামে সিরিয়ার এক বাসিন্দা বলেন, জিন্দেইরিশ শহরে হাজার হাজার বাড়িতে ধরেছে ফাটল। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছেন অনেকে।

    তুরস্কের পাশে ভারত…

    এদিকে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ভারতের ছ নম্বর বিমানটিও পৌঁছে গিয়েছে তুরস্কে (Earthquake)। উদ্ধারকারী দল, ডগ স্কোয়াড এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র পাঠানো হয়েছে এই বিমানেও। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এ খবর জানিয়েছেন। এর আগে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও তুরস্কে পাঠিয়েছে ভারত। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে জীবিতদের উদ্ধার করতে ডগ স্কোয়াডের বিশেষ প্রশিক্ষিত চারটি কুকুর আগেই পাঠিয়েছিল ভারত। পাঠানো হয়েছিল বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ১০১ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যকেও। তুরস্কের উদ্ধারকারী দলকে সহযোগিতা করতেই গিয়েছে ভারতের এই দল। তাঁদের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল জীবনদায়ী বিভিন্ন ওষুধও।    

    এদিকে, ফের কম্পন হতে পারে এই আশঙ্কায় হাজার হাজার শহরবাসীকে বসতবাড়িতে ফিরে যেতে নিষেধ করেছেন তুরস্কের প্রশাসন। জানা গিয়েছে, শহরাঞ্চলেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। সিরিয়া এবং তুরস্কের কম্পন বিধ্বস্ত অঞ্চলে জীবন্ত মানুষের সন্ধান পেতে আঁতিপাঁতি করে খুঁজছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুতর জখম না হলে এখনও অনেকেরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রবল ঠান্ডায় উদ্ধার কাজে ঘটছে বিঘ্ন। তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ অঞ্চলে বর্তমানে তাপমাত্র রয়েছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাধ্য হয়ে সব হারানো মানুষগুলো ঠাঁই নিয়েছেন পথে দাঁড়িয়ে থাকা কোনও গাড়ি কিংবা অস্থায়ী তাঁবুতে। তুরক্সের অ্যাক্সেস দ্রুত খুলে দেওয়া হবে জানিয়ে দিয়েছেন ট্যুইটারের সিইও ইলন মাস্ক।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারতের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না কেউ কেউ’, বিরোধীদের খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    অন্যদিকে, ভূমিকম্পের (Earthquake) খবর আগাম দিতে না পারায় এবং উদ্ধারকাজ ঠিকঠাক না হওয়ায় সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে তুরস্কের বিরোধী দলগুলি। বুধবার তার জবাবে সরকারের তরফে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইওয়্যাপ আর্দোগাঁ স্বীকার করে নিয়েছেন সরকারের খামতির কথা।  

    এদিকে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। অর্থ সংগ্রহ করতে আগামী মাসে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ডোনার কনফারেন্স করা হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরশুলা ভন দার লেয়েন পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন সিরিয়া ও তুরস্ক সরকারকে। তিনি বলেন, এরকম একটি বিপদের দিনে কেউই একা থাকবেন না।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জে একটি সংস্থার দফতরে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত তল্লাশি চালান তাঁরা। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় কোটি নগদ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচারের টাকা এই সংস্থার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রেক্ষিতে শাসক দল ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খোঁজ চালানো হচ্ছে আরেক ব্যবসায়ীর, যিনি এই মুহূর্তে পলাতক বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতার অতি-প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনারও অতি প্রভাবশালী।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ঠিক কীভাবে টাকা হস্তান্তর হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতে, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ৩ সদস্যের একটি দল আসে কলকাতায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দিল্লির আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই দলটিতে। মোট ১০ থেকে ১২ জন আধিকারিক তল্লাশি অভিযান চালান। সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় বালিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও লাগোয়া অফিসে হানা দেয় ইডি। রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ব্যাগের মধ্যে বান্ডিল বান্ডিল নোট রাখা ছিল বলে খবর। ইডি-র আধিকারিক সূত্রে খবর, ১ কোটি ৪০ লক্ষ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে ওই দফতর থেকে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু ডিজিটাল তথ্যও। এত টাকার উৎস সম্পর্কে যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সংস্থার কর্ণধার ব্যবসায়ী বিক্রম শিখারিয়াকে।

    ইডি কী জানাচ্ছে? 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি ঘেঁটে খোঁজ পাওয়ার পর বুধবারেই বালিগঞ্জের দফতরে হানা দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃণমূলের দক্ষিণ কলকাতার এক নেতা এবং তাঁর ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মতে, এক্ষেত্রে কয়লা পাচারের টাকা ধৃত ব্যবসায়ীর কোম্পানিতে ঢুকেছে। 

    জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিখারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। ইডির সন্দেহ, কয়লা পাচারের টাকা বিক্রম শিখারিয়ার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    নজরে আরেক ব্যবসায়ী…

    ধৃত শিখারিয়ার পাশাপাশি আরও এক ব্যবসায়ী মনজিত্‍ সিং জিট্টার খোঁজও চালাচ্ছে ইডি। বর্তমানে, তিনি পলাতক বলে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, এই জিট্টার এক অতি প্রভাবশালী ব্যবসায়িক পার্টনার রয়েছেন। সেই পার্টনার থাকেন কালীঘাটে। কে সেই পার্টনার? কালীঘাটের কোথায় থাকেন তিনি? এখন এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ইডি। তবে, অবশ্যই জিট্টাকে হাতে পেতে চাইছে তদন্তকারী দল। সূত্রের খবর, জিট্টার খোঁজ চারদিকে চালানো হচ্ছে। ইডির দাবি, জিট্টাকে হাতে পেলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। অনেক জট ছাড়বে। অনেক রহস্যের সমাধান হবে।

  • Disney: মন্দার প্রভাব! সারা বিশ্বে ৭,০০০ কর্মী ছাঁটাই করল ডিজনি

    Disney: মন্দার প্রভাব! সারা বিশ্বে ৭,০০০ কর্মী ছাঁটাই করল ডিজনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ধাক্কায় বিশ্বব্যপী সাত হাজার কর্মী ছাঁটাই করল বিনোদন জগতের প্রথম সারির সংস্থা ডিজনি। বেশ কিছুদিন ধরেই টেক কোম্পানিগুলিতে ছাঁটাইয়ের ধারা চলছে।  ইতিমধ্যেই, গুগল, ফেসবুক ও মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলি বহু কর্মীকে বরখাস্ত করেছে। এবার সেই তালিকায় সংযোজিত হল ডিজনির নাম। সংস্থার দাবি, তাঁদের গ্রাহক সংখ্যা কমেছে। নেটফ্লিক্স সহ একাধিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের তুলনায় গত কয়েকমাসে তাদের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা কমেছে। তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, ডিজনির সিইও বব ইগার।

    মন্দার প্রভাব

    করোনা মহামারীর পর বিশ্বব্যাপী ক্রমেই চওড়া হচ্ছে আর্থিক মন্দার জের। একের পর এক বড় সংস্থা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল বিনোদন জায়ান্ট ওয়াল্ট ডিজনিও। কোম্পানির ডিরেক্টর বব ইগার বলেন,”আমি এই সিদ্ধান্তকে হালকাভাবে নিচ্ছি না। বিশ্বজুড়ে আমাদের কর্মীদের প্রতিভাকে আমি অত্যন্ত সম্মান করি। তাঁদের কাজের প্রশংসা করি। কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দার বাজারে সংস্থাকে ধরে রাখতে এ ধরনের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” 

    সাশ্রয় লক্ষ্য

    ২০২১-২০২২বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, উল্লিখিত বছরে ২রা অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ১৯০,০০০ লোককে নিযুক্ত করেছে সংস্থা, যাদের মধ্যে ৮০ শতাংশই ছিল পূর্ণকালীন সময়ের। স্ট্রিমিং পরিষেবা সংস্থা আরও জানিয়েছে  গত ত্রৈমাসিকে প্রথমবারের মতো সংস্থার গ্রাহক সংখ্যা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। যার প্রভাব পড়ে সংস্থায়। এর ফলে স্ট্রিমিং মিডিয়া ইউনিট এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হারিয়েছে। এক শতাংশ ব্যবহারকারীও কমেছে। তাই কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে হয়েছে ডিজনিকে। কর্মী সংখ্যা কমানোর মধ্য দিয়ে কোম্পানি ৫.৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে চায়।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলিতে ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।  সোমবারই প্রযুক্তি সংস্থা জুম তাদের ১৩০০ কর্মীকে অপসারণের কথা ঘোষণা করেছিল।  ডেল তার ছয় হাজারেরও বেশি কর্মচারীকে অপসারণের পথে হাঁটছে। মন্দার প্রভাবে গত জানুয়ারি মাসেই বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থা প্রায় ৫০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। বুধবার সেই একই পথে হাঁটল ডিজনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • PM Poshan Scheme: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয়! এবার রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ টিম

    PM Poshan Scheme: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয়! এবার রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে বাংলায়, এই অভিযোগ জানিয়ে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগকে অডিটের অনুরোধ করল শিক্ষামন্ত্রক। এবার তাই পিএম পোষণ প্রকল্পের আর্থিক খরচের হিসেব দেখতে রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ দল। প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকায় রাজ্যে মিড ডে মিল পায় ছাত্রছাত্রীরা। সেখানেই ধরা পড়েছে আর্থিক গরমিল। নবান্ন সূত্রে খবর শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্যের অর্থ দফতরের আধিকারিকদের নিয়েও বৈঠক করবে সিএজি অডিটের এই বিশেষ টিম।

    প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্প 

    রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের পরিচালনা করে থাকে স্কুল শিক্ষা দফতর। এই প্রকল্পে সরকারি স্কুলে পাঠরত প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে মিড ডে মিল দেওয়া হয়। মিড ডে মিল ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পে বালভাতিকা পেয়ে থাকে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। এর মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক স্তরেও পড়ুয়াদের গরম খাবার পরিবেশন করা হয়। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গোটা দেশে ১১ লক্ষ ২০ হাজার সরকারি স্কুলের প্রায় ১১ কোটি ৮০ লক্ষ পড়ুয়া উপকৃত হয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    কেন্দ্রের অভিযোগ

    কেন্দ্রের দাবি, রাজ্যে গত ৩ বছর ধরে এই প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। তাই ক্যাগকে বিশেষ ভাবে হিসাব নিকেশ করার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্র। বলা হয়েছে, ক্যাগের রিপোর্ট অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। সম্প্রতি রাজ্যে এসে জেলা থেকে শহরের বিভিন্ন স্কুলে মিড ডে মিল প্রকল্প পরিদর্শন করে গেছে কেন্দ্রীয় দল। জয়েন্ট রিভিউ মিশনের অধীনে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছিল কয়েক দিন আগেই। স্কুলগুলি পরিদর্শন করার পাশাপাশি রাজ্যের মিড ডে মিল কেমন ভাবে চলছে তা দেখতে একাধিক জেলাও ঘুরেছিল ওই প্রতিনিধি দল। তারপরই সেই প্রতিনিধি দল দিল্লিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। মনে করা হচ্ছে সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিএজি অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Metro: চলতি বছরেই গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো! চালু হবে আরও পাঁচটি নতুন রুট

    Kolkata Metro: চলতি বছরেই গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো! চালু হবে আরও পাঁচটি নতুন রুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে কলকাতাবাসী জন্য আসছে আরও সুখবর। সূত্রের খবর, চলতি বছরেই একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করতে চলেছে কলকাতা মেট্রো। সম্প্রতি বাজেটে বিপুল অর্থ বরাদ্দ হয়েছে কলকাতার মেট্রো প্রকল্পের জন্য। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে কলকাতা মেট্রোর জন্য ৩২২০.২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। গত বছরের বাজেট প্রস্তাবের তুলনায় ১৬৪.৭৭ শতাংশ বেশি। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ময়দানের সঙ্গে এসপ্ল্যানেড যুক্ত হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু এই একটি কাজই নয়, চলতি বছরে পাঁচটি বড় মেট্রো প্রকল্প চালু হয়ে যাবে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন, কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র। কোন কোন মেট্রো শুরু হতে চলেছে দেখে নিন।

    হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে বিমানবন্দর

    রাজারহাট মেট্রো প্রকল্প (কমলা লাইন) হয়ে নিউ গড়িয়ার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশন বা রুবি ও নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো পথ ইতিমধ্যেই রেলওয়ে সেফটি কমিশনার পরীক্ষা করেছেন। খুব শীঘ্রই এই মেট্রো শুরু হতে চলেছে।

    নোয়াপাড়া-বারাসাত

    নোয়াপাড়া-বারাসত রুটেও নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা অক্টোবর মাসেই চালু করা যাবে বলে আশাবাদী কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে উত্তর শহরতলি মানুষদের কলকাতায় আসা আরও দ্রুত হয়ে যাবে। কলকাতা শহরের মূল কেন্দ্রে পৌঁছতে এই এলাকার যাত্রীদের বর্তমানে চরম যানজট, অত্যধিক সময়, এবং অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    সল্টলেক সেক্টর ৫ থেকে সেক্টর ২

    চলতি বছরের অক্টোবরেই সল্টলেক সেক্টর ২ থেকে সেক্টর ৫ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে। ফলে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরতরা খুব সহজেই যাতায়াত করতে পারবে। শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার যাত্রীরা সবথেকে বেশি উপকৃত হবেন।

    শিয়ালদা থেকে হাওড়া ময়দান

    বহু প্রতীক্ষিত শিয়ালদহ-হাওড়া ময়দান মেট্রো পরিষেবাও চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হয়ে যাবে। এই রুট চালু হয়ে গেলে গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো। এটিই দেশে প্রথম নদীর নীচ দিয়ে মেট্রো চলবে। শহরতলী থেকে আসা যাত্রীরা এসপ্ল্যানেড, শিয়ালদহ বা সল্টলেকের মত জায়গায় দ্রুত এবং খুব সহজেই পৌঁছতে পারবেন।

    জোকা থেকে মাঝেরহাট

    কিছুদিন আগেই জোকা-তারাতলা রুটের মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে গিয়েছে। ওই রুটের কাজ তারাতলা থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়ে যাবে অক্টোবরের মাসের মধ্যেই।

  • Prime Minister: ‘ভারতের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না কেউ কেউ’, বিরোধীদের খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    Prime Minister: ‘ভারতের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না কেউ কেউ’, বিরোধীদের খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ কেউ ভারতের (India) অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না। বুধবার এই ভাষায়ই বিরোধীদের আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন বাজেটের জবাবী ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ কেউ ভারতের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছেন না। শেষ ন বছর ধরে সারা দেশে ৯০ হাজার স্টার্ট আপ চালু হয়েছে। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে এটিই তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্ট-আপ তৈরির দেশ। সেই উন্নতি কেউ কেউ সহ্য করতে পারছে না। ইউপিএ জমানায় যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে, এদিন তাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ভারতের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দুর্নীতি দেখে ভারত। সেই সময় ভারতে সব চেয়ে বেশি মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি। সেই দশ বছরে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত নিজের অবস্থান নষ্ট করেছে। 

    মোদি উবাচ…

    বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশের তুলনায় ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা যে ভাল, এদিন সে প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন মোদি (Prime Minister)। বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ বিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখেছে। কোনও কোনও দেশে মুদ্রাস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে, কোথাও কোথাও বেকারত্বের করাল থাবা এসে গ্রাস করেছে। তার মধ্যে রয়েছে আমাদের প্রতিবেশী দেশও। এই কঠিন সময়েও ভারত পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উপস্থিত হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকেও জেলে যেতে হবে! সংসদে বিস্ফোরক সুকান্ত

    আদানি বিতর্ককে হাতিয়ার করে মঙ্গলবার লোকসভায় ঝড় তুলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গতকাল দেখেছিলাম, একজনের ভাষণের সময় বেশ কয়েকজন তো আনন্দের সঙ্গে বলেছিলেন যে এটাই হতে হত। ওঁরা হয়তো ভালভাবে ঘুমিয়েছেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে উঠতে পারেননি। তিনি বলেন, দেশের ১৪০ কোটি মানুষ যে ঘটনার জন্য গর্বিত, তাতে কয়েকজন মানুষ দুঃখিত। এই ধরনের মানুষদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত। 

    প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) বলেন, নৈরাশ্যে ডুবে থাকা কিছু লোক দেশের উন্নতি মেনে নিতে পারছেন না। দেশের মানুষের উন্নতি তাঁদের নজরে আসছে না। এই নৈরাশ্য এমনি এমনি আসেনি। বারবার জনতার কাছে ধাক্কা খেয়ে এই অবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জামিনের আবেদন খারিজ। আরও ৩৫ দিন জেলে থাকার নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয় যে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে আগামী ১৪ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতেই থাকতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে রাখা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। এদিন তিনি তাঁর জামিনের জন্য ফের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু কোনও কিছুই কাজে দিল না। শেষপর্যন্ত আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। ১৪ মার্চের পরেই মানিক মামলার আবার শুনানি হবে আদালতে।

    জেলে বন্দি থাকায় আপত্তি মানিকের

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্য জেলবন্দি। ফলে তাঁকে জেলে আটকে রাখা নিয়ে আজ আদালতে আপত্তি করেছেন তিনি। তিনি গতকালও বলেছিলেন, “আমি আর কত জ্বলব? আমার সামাজিক সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে এমন অনেক অভিযোগ আনা হচ্ছে যার প্রমাণ আমি বাড়িতে থাকলে দিতে পারতাম। কিন্তু আমি তো বন্দি!” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। ইডির আইনজীবী গতকাল সওয়াল করেননি। তবে আজ, বুধবার বেলা ১১টার সময়ে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে ফিরোজ এডুলজি মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন। বুধবারও ব্যাঙ্কশাল আদালতে মানিকের মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই তাঁর হয়ে আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। তবে তা শোনেনি আদালত।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    ইডির বিস্ফোরক দাবি

    অন্যদিকে আজ ইডির আইনজীবী আদালতে কুন্তল ও মানিকের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আদালতে জানান, পরীক্ষার ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র ব্যবহার করে বিশেষ ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ পাঠানো হত দুর্নীতির জন্য। এর সঙ্গে হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষও যুক্ত ছিলেন। তবে, এসব সমস্ত কিছুই মানিকের নজরদারিতেই হত। ফলে এই সব দাবি করে ইডির আইনজীবী মানিকের জামিনের বিরোধিতা করেন। আর আদালতও আজ দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মানিকের আবেদন খারিজ করে দেয় ও আর ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nagpur: নাগপুরে ঘূর্ণি উইকেটই চান দ্রাবিড়! কাল থেকেই শুরু ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট

    Nagpur: নাগপুরে ঘূর্ণি উইকেটই চান দ্রাবিড়! কাল থেকেই শুরু ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট। এই ম্যাচের প্রথম থেকেই যাতে ঘূর্ণি উইকেটের সামনে ফেলা যায় অস্ট্রেলিয়াকে নাগপুরের কিউরেটরকে এরকমই নির্দেশ দিলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ রাহুল দ্রাবিড়।

    ঘূর্ণি উইকেট চাই

    প্রথমে নাগপুরের পিচ দেখে রীতিমতো রেগে যান দ্রাবিড়। কিউরেটর অভিজিৎ পিপ্রোদের সঙ্গে জোর ঝামেলাও হয় তাঁর। রাহুল দ্রাবিড় বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কাছে স্পিনার সুবিধার জন্য স্পিনিং ট্র্যাক চেয়েছিলেন। কিন্তু দ্রাবিড় নাকি তাঁর দাবি অনুযায়ী, পিচ পাননি এবং সেই কারণেই ভারতীয় কোচ চটে যান।  দ্রাবিড় ভালো করেই জানেন যে, স্পিন বোলিং ভারতের শক্তি, অন্য দিকে এটি অস্ট্রেলিয়ার বড় দুর্বলতা। যদি উইকেটে টার্ন বেশি হয়, তবে এটি ভারতের বোলারদের অনেক সাহায্য করবে এবং বোলাররা অস্ট্রেলিয়ান দলকে চাপে রাখতে পারবে। এতে ভারতের জয়ের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাবে। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে হচ্ছে না এশিয়া কাপ, কোথায় হবে জানেন?

    প্রথমে মনে করা হয়েছিল এমন উইকেট তৈরি হবে যা দুদিন পর থেকে ঘোরা শুরু করবে। কিন্তু এবার তিনজন স্পিনার (অশ্বিন, কুলদীপ, অক্ষর/ রবীন্দ্র জাদেজা) প্রথম থেকেই আক্রমণ করবেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই সিরিজ জিতলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জায়গা নিশ্চিত করবে ভারত। তাই হোম অ্যাডভান্টেজ হাতছাড়া করতে রাজি নয় রাহুল।

    রান চান কোহলি

    এই ম্যাচেই টেস্টে রানে ফিরতে মরিয়া বিরাট কোহলি। আসন্ন বর্ডার-গাওস্কর সিরিজ নিয়ে আশাবাদী তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেট বরাবরই সফল কোহলি। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০টি টেস্ট খেলে করেছেন ১৬৮২ রান। সাতটি শতরান এবং পাঁচটি অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। আসন্ন সিরিজে দলের জন্য প্রত্যাশিত ছন্দে খেলতে পারবেন বলে মনে করছেন তিনি। আত্মবিশ্বাসী কোহলি সমাজমাধ্যমে অনুশীলনের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘‘বর্ডার-গাওস্কর সিরিজ শুরু হবে কাল থেকে। সে দিকেই দৌড়চ্ছি। এই সিরিজ সব সময়ই খুব উত্তেজক হয়।’’


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়া থেকে অনায়াসে পৌঁছনো যাবে হাওড়া, জানুন নয়া রুট সম্পর্কে

    Bankura: বাঁকুড়া থেকে অনায়াসে পৌঁছনো যাবে হাওড়া, জানুন নয়া রুট সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সরাসরি বাঁকুড়া (Bankura) থেকে হাওড়া (Howrah) জুড়তে চলেছে রেলপথে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই বাঁকুড়ার বাসিন্দারা সরাসরি ট্রেনে চেপে আসতে পারবেন হাওড়ায়। এই খবরে খুশি বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার দক্ষিণ দামোদর এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা চাইছেন, যত দ্রুত সম্ভব রেল এই পরিষেবা চালু করুক। তাহলে কেবল সাধারণ মানুষই নয়, উপকৃত হবেন দুই জেলার কৃষকরাও।

    মসাগ্রাম…

    প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী জমানায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হন। তার পরেই ন্যারো গেজের এই রেলপথটিকে ব্রডগেজে রূপান্তরের কাজ শুরু করে পূর্ব রেল। ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় সেই কাজ। বাঁকুড়া (Bankura) থেকে হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার মসাগ্রাম পর্যন্ত রেলপথ তৈরি করা হয়। মসাগ্রামকে জংশন স্টেশনে পরিণত করা হয়। নয়া এই রেলপথের উদ্বোধন হয় ২০০৫ সালে। এর পর শুরু হয় বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম পর্যন্ত ১১৮ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেল পথের বৈদ্যুতিকরণের কাজ। ২০২১ সালের প্রথম দিকে সেই কাজ শেষ হয়। এবার এই রেলপথ দিয়েই যাত্রিবাহী ট্রেন যাবে বাঁকুড়া থেকে হাওড়া।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যপালের বক্তৃতার মাঝেই ‘চোর ধরো’ স্লোগান, উত্তপ্ত বিধানসভা, ওয়াকআউট বিজেপির

    সূত্রের খবর, পুরো কাজটি করবে পূর্ব রেল। ১০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, লাইন সংযুক্তিকরণ কাজের জন্য খরচ হবে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা। বিজেপির (BJP) জেলা সহ সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার গোটা দেশের মানুষের বিকাশের কথা ভাবে। তাই বাংলার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির কথা ভেবে কেন্দ্রের রেল দফতরও বাঁকুড়া ও বর্ধমান দুই জেলার মানুষের দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে। তিনি বলেন, এখন যেমন বাংলার রেলপথ দিয়ে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন ছুটছে, তেমনই আর কয়েক মাস পর জঙ্গলমহল বলে পরিচিত এলাকার মানুষজন এক ট্রেনে চেপেই বাঁকুড়া থেকে সোজা পৌঁছে যাবেন হাওড়া। বর্ধমান পূর্বের সাংসদ তৃণমূলের (TMC) সুনীল মণ্ডল বলেন, বাঁকুড়া থেকে হাওড়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে গেলে চাষের সবজি নিয়ে চাষিরা হাওড়া ও কলকাতার বাজারে বিক্রি করতে যেতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকেও জেলে যেতে হবে! সংসদে বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকেও জেলে যেতে হবে! সংসদে বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সংসদের অধিবেশনে নাম না করে কটাক্ষ করলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

    সুকান্ত যা বললেন

    লোকসভায় বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বাংলার শিক্ষকরা একসময় গোটা বিশ্বে শিক্ষা প্রদান করতেন। আজ বাংলায় শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করা হচ্ছে।” সেই সঙ্গে তিনি বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী জেলে, উপাচার্য জেলে, আরও অনেককে যেতে হবে।” সুকান্তর দাবি,”তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকেও জেলে যেতে হবে। মোদি সরকারের আমলে দুর্নীতি করলে শাস্তি হবেই।” লোকসভায় হুঁশিয়ারির সুরে বলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। মঙ্গলবার থেকেই সংসদে মহুয়া মৈত্রর  অসংসদীয় মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় সংসদ। মহুয়া ক্ষমা চান, চাইছেন বিজেপি নেতারা। এই পরিস্থিতিতে মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে আক্রমণ শানান সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও।

    উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

    সুকান্তর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার করুণ অবস্থা। তিনি বলেন, “আজ রাজ্যপালের উপরে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, রাজ্যের সরকারের বিরোধিতা করছেন রাজ্যপাল। কেন বিরোধিতা করা হবে না?” সুকান্ত জানান, বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যের হলেও তাঁর আচার্য রাজ্যপাল। অথচ, তাঁকে না জানিয়েই ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে। এমনকি, উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে ইউজিসি-র নিয়ম মানা হয়নি বলেও দাবি করেন বিজেপি সাংসদ।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    নিয়ম অনুযায়ী, কোনও অধ্যাপক ১০ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলে, তবেই তিনি উপাচার্য হওয়ার যোগ্যতা লাভ করেন। পাশাপাশি, উপাচার্য হতে হলে তাঁর একাধিক গবেষণাপত্র থাকাও বাধ্যতামূলক। অথচ, সুকান্তর অভিযোগ, কলেজের প্রিন্সিপালকেই উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করে দেওয়া হচ্ছে। মানা হচ্ছে না কোনও নিয়ম নীতি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share