Blog

  • Puducherry Assembly Election 2026: পুদুচেরিতে পুনরায় ক্ষমতায় এনআর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন এনডিএ; থাট্টানচাভাড়িতে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী রাঙ্গাস্বামী

    Puducherry Assembly Election 2026: পুদুচেরিতে পুনরায় ক্ষমতায় এনআর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন এনডিএ; থাট্টানচাভাড়িতে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী রাঙ্গাস্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের (Puducherry Assembly Election 2026) ফলাফলে  কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেস (AINRC) এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। ৩০ সদস্যের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৬ অতিক্রম করার লক্ষ্যে এনডিএ জোট স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে। পঞ্চমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন রাঙ্গাস্বামী (N Rangaswamy)।

    মুখ্যমন্ত্রীর জয় (Puducherry Assembly Election 2026)

    থাট্টানচাভাড়ি কেন্দ্র থেকে এনআর কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এন রাঙ্গাস্বামী ৪,৪৪১ ভোটের (Puducherry Assembly Election 2026) ব্যবধানে বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নেয়াম মক্কাল কড়গম (TVK সমর্থিত) প্রার্থী ই বিনায়কম। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী,  এআইএনআরসি (AINRC) জিতেছে ৯টি আসন, এগিয়ে আছে ২টিতে।  বিজেপি (BJP) জিতেছে ২টি আসন, এগিয়ে আরও ২টিতে। এআইএডিএমকে (AIADMK) ও এলজেকে (LJK) পেয়েছে ১টি করে আসন।

    পঞ্চমবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন রঙ্গস্বামী

    বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামী (N Rangaswamy) থট্টাঞ্চাভাডি কেন্দ্র থেকে জয়ী (Puducherry Assembly Election 2026) হয়ে ইতিহাস গড়তে চলেছেন। তিনি পঞ্চমবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছেন। ৭৫ বছর বয়সী রঙ্গস্বামী বাণিজ্য ও আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। কে কামারাজ-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আইন পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে আসেন। এরপর নিজের রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত করেন।

    জোটের আধিপত্য

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০টি আসনের মধ্যে এনডিএ জোট ১৯টি আসনে জয়ী অথবা এগিয়ে রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে এনআর কংগ্রেসের ১১ এবং বিজেপি ৪টি আসন। অন্যদিকে কংগ্রেস-ডিএমকে নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া (INDIA) জোট মাত্র ৫টি আসনে নির্বাচনী লড়াইকে সীমিত রাখতে পেড়েছে।

    নতুন শক্তির উত্থান

    অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাড়গম (TVK) প্রথমবারের মতো লড়াইয়ে নেমে কয়েকটি আসনে নিজেদের উপস্থিতিকে প্রতিষ্ঠা করতে পেড়েছে। এক্ষেত্রে ভোট কাটাকাটির সমীকরণে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

    নির্বাচনী (Puducherry Assembly Election 2026) বিশ্লেষকদের মতে, এন. রাঙ্গাস্বামীর (N Rangaswamy) ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সঠিক রূপায়ণই এনডিএ-কে এই নিরঙ্কুশ জয়ের পথে সাফল্য এনে দিয়েছে। ভোটারদের ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদানের প্রবণতা এই ঐতিহাসিক ফলাফলের পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মানুষ।

  • Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় গেরুয়া ঝড়ের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যম থেকে পোস্ট করে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে বলে নিজের পোস্টে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল জমানার অবসানের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি নিজের পোস্ট থেকে সরাসরি আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। পাশাপাশি বাংলার জনতাকে কোটি কোটি প্রণাম জানিয়েছেন। এটি টিএমসি-র ভয়ের ওপর নরেন্দ্র মোদির ভরসার জয় বলেও অভিহিত করেন তিনি।

    বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবাসীর উদ্দেশে লেখেন, “বাংলার মানুষ বিজেপি-কে অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করছি, আমাদের পার্টি বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ করার জন্য যা করার তাই করবে। সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষের জন্য সুযোগ এবং মর্যাদা দেবে এই সরকার।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রেকর্ড সম্ভব হত না আমাদের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম না থাকলে। আমি সকলকে স্যালুট জানাচ্ছি। দীর্ঘ কয়েক বছর ওরা অনেক কষ্ট করেছে, অনেক বাধা সহ্য করেছে। ওরাই আমাদের পার্টির শক্তি।’’

    সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করা হবে

    এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিল এসআইআর। যেভাবে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে শোরগোল পড়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এখানে ব্যাকফুটে যাবে বিজেপি শিবির। তবে সোমবার রাজ্যের ভাগ্যে ছিল অন্যকিছু। যত বেলা গড়িয়েছে ততই দেখা গিয়েছে রাজ্যবাসী বিজেপির হাতেই পরবর্তী ৫ বছরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। একের পর এক গণনাকেন্দ্র থেকে বিজেপির উত্থানের খবর সামনে আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরাট ব্যবধানে নিজের খেলা দেখাল বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ বলেন, “এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তিনি বলেন, “গঙ্গোত্রীতে গঙ্গা মায়ের উদ্যম থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এবার গেরুয়া ধ্বজা গর্বের সঙ্গে উড়বে। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছনোর এই কঠিন যাত্রায় যে সব কর্মী নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে BJP-র সেই সকল শহিদ কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।’’ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানান অমিত শাহ। চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষদের পবিত্র ভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শাহের দাবি, সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন রাত এক করে দেবে।

  • Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেস্টিংসের ভোটগণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করায় তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ গণনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে কমিশনের নিয়মানুযায়ী, বিশেষ অনুমতি ব্যতীত গণনা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। বিজেপির অভিযোগ গণনাকে প্রভাবিত করতে এসেছিলেন মমতার ভাইপো।

    মূল ঘটনার সারসংক্ষেপ (Abhishek Banerjee)

    বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) গণনা চলছিল সোমবার। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই ফলাফলে তৃণমূলের ক্রমশ ভরাডুবি আর বিজেপির সবদিকে জয়জয়কার হচ্ছিল। ইতিমধ্যে ভোটগণনা চলাকালীন হেস্টিংসের সংশ্লিষ্ট গণনা কেন্দ্রে আকস্মিক উপস্থিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এরপর নির্বাচনী আধিকারিকরা তাঁকে দেখেই তৎপর হয়ে ওঠে। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসতেই নির্বাচনী আচরণবিধি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল বজায় রাখতে তাঁকে কেন্দ্র থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক বুঝেই কমিশনের এই নির্দেশের পরেই শান্তভাবে এলাকা ত্যাগ করেন।

    হার বুঝেই কমিশনকে তোপ মমতার

    ভোটগণনার (West Bengal Elections 2026) দিন নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন সাধারণত অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে থাকে। এই ঘটনাটি কমিশনের প্রশাসনিক সতর্কতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষাভাবে কাজ করছে না। রাজ্যের প্রায় ১০০টি জায়গায় গণনা প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে কল্যাণীর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কল্যাণীতে সাতটি মেশিনে গরমিল ধরা পড়েছে। যেখানে ভোটের সংখ্যার কোনও মিল নেই।”

  • Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

    একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

  • BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক রাজ্যের রশি যাচ্ছে বিজেপির (BJP) হাতে। ক্রমেই রাজপাট হারাচ্ছে বিজেপি-বিরোধী  ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Alliance) বিভিন্ন শরিকদল। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও বিপুল ভোটে জিততে চলেছে বিজেপি। তার পরেই পদ্ম-শিবিরের ভবিষ্যদ্বাণী, ইন্ডি জোটে গভীর ফাটল। এই জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির। বলেছে, জোটকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল। ভোট গণনার দিনেও তিনি ফের অনুপস্থিত।

    ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল (BJP)

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে সম্ভাব্য জয়ের পথে রয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯৪টিতে। অসমেও এগিয়ে যাচ্ছে গৈরিক পার্টি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা জানান, এই নির্বাচনের ফল বিরোধী জোটের মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল ‘ইন্ডি’ জোট পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে এবং অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। রাহুল গান্ধী জোটকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পুরো নির্বাচনে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ‘ইন্ডি’ জোট সামলাতে পারেননি।”

    বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব মোদির

    তিনি আরও বলেন, “আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল বেরোচ্ছে, অথচ রাহুল গান্ধী ফের বিদেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন। জোটের শরিকদের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এখন দেশে ‘ইন্ডি’ জোট বলে কিছু নেই। এর কোনও ভবিষ্যৎ নেই। ‘ইন্ডি’ জোটের ইতি (BJP)।” পুনাওয়ালা বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি বলেন, “দেশে টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও নতুন নতুন রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে, শতাংশের হিসেবেও বাড়ছে ভোট, মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে—মোদিজির জন্য।” বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে তিনি বলেন, “যেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি জন্মেছিলেন, সেই বাংলা আমাদের (INDI Alliance)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন (BJP)।”

     

  • Assam Assembly Election: অসমে হ্যাট্রিকের পথে এনডিএ, টানা তৃতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি জোট

    Assam Assembly Election: অসমে হ্যাট্রিকের পথে এনডিএ, টানা তৃতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) ফলাফল স্পষ্ট হতেই দেখা যাচ্ছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ফের একবার গেরুয়া ঝড় অব্যাহত। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে টানা তৃতীয়বারের জন্য দিসপুরের মসনদে বসতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA) জোট। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে আসামের রাজনীতিতে এক নতুন নজির গড়ল এনডিএ।

    বিপুল জনসমর্থন (Assam Assembly Election)

    অসমে ভোট গণনার (Assam Assembly Election) শুরু থেকেই বিজেপি এবং তার সহযোগী দলগুলি—অসম গণ পরিষদ (AGP) ও ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল (UPPL)—প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহাজোটের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল। গ্রামীণ থেকে শহুরে, প্রায় সব অঞ্চলেই এনডিএ-র (NDA) পক্ষে জনসমর্থনের জোয়ার দেখা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, জালুকবাড়ি আসনে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ৪০,০০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন, অন্যদিকে জোরহাটে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ তাঁর বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বী হিতেন্দ্রনাথ গোস্বামীর থেকে ১৯,০০০-এর বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।

    উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জয়

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকারের গত কয়েক বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড (Assam Assembly Election), পরিকাঠামো নির্মাণ এবং সামাজিক প্রকল্পগুলির সফল রূপায়নই এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। পাশাপাশি, রাজ্যে শান্তি বজায় রাখা এবং অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে এনডিএ-র (NDA) কঠোর অবস্থানও ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। মন্ত্রী রনোজ পেগু, পীযূষ হাজারিকা, অশোক সিংঘল, প্রশান্ত ফুকন, বিমল বোরাহ এবং চন্দ্রমোহন পাটোয়ারিও ধেমাজি, জাগিরোড, ঢেকিয়াজুলি, ডিব্রুগড়, টিংখং এবং তিহুতে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় অনেক এগিয়ে রয়ছেন।

    বিরোধী শিবিরের ব্যর্থতা

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগীরা প্রচারে যথেষ্ট সক্রিয় থাকলেও আসন সংখ্যায় তা প্রতিফলিত হয়নি। বিরোধী জোটের ঐক্যবদ্ধ লড়াই সত্ত্বেও এনডিএ-র (NDA) শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোর কাছে তাদের পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে।

    বিজয় উল্লাস

    অসমে জয়ের (Assam Assembly Election) খবর নিশ্চিত হতেই গুয়াহাটিসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বিজয় উল্লাস শুরু হয়েছে। আবির খেলা এবং মিষ্টিমুখের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করছেন কর্মী-সমর্থকরা। এই জয়ের ফলে আসামে এনডিএ-র (NDA) আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হলো, যা আগামী দিনে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) গেরুয়া ঝড়। ইতিমধ্যেই বাংলার মসনদে পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। রাজ্যে ১৫ বছর তৃণমূল শাসনের অবসানে বাংলার সিংহাসনে বসতে চলেছে বিজেপি। উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার শহর থেকে গ্রামে গেরুয়া রঙের আবির উড়ছে। বিকেল চারটে পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রায় ১৯৮টি আসনে এগিয়ে, যেখানে টিএমসি এগিয়ে মাত্র ৮৯টি আসনে। এর পরেই ডায়মন্ড হারবারের ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ নিয়ে অভিষেকর (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

    ফলতা নিয়ে ‘চ্যালেঞ্জ’ থেকে বিতর্ক

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সে দিনই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথের পুনর্নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। শনিবার রাতে কমিশন জানায়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই আবার নতুন করে নির্বাচন হবে। তার পরেই বিজেপি অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে খোঁচা দেয়। বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় এক্স পোস্টে লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। সেই পোস্টের জবাব দেন অভিষেক। এক্স পোস্টে তাঁর পাল্টা, ‘আপনাদের বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি..’! অভিষেকের মন্তব্যে বিতর্ক

    অভিষেক আরও লেখেন, ‘আপনাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে চলে আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিধরকে পাঠান, দিল্লি থেকে কোনও এক গডফাদারকেও পাঠান। যদি ক্ষমতা থাকে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।’ অভিষেকের কথায়, ‘‘আমি গোটা ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি— ক্ষমতা থাকলে সর্বশক্তি নিয়ে ফলতায় চলে আসুন।’’ তাঁর এই মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে অভিষেক পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে নিশানা করেন। কিন্তু, তাঁর ভাষাচয়ণ অন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন,  ‘গোটা ভারতবর্ষ’ উল্লেখ করে নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন অভিষেক। তাঁদের প্রশ্ন, ফলতা কী ভারতের বাইরে? অনেকেই এক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে ওঠা উগ্র ভারত-বিরোধী উক্তির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন অভিষেকের মন্তব্যের। তাঁদের আশঙ্কা, এহেন দেশ-বিরোধী বক্তব্যের জন্যে বড় বিপাকে পড়তে হবে তৃণমূলের সেনাপতি ও তাঁর চ্যালাচামুন্ডাদের।

    নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ফলতা কেন্দ্রে “গুরুতর নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার” অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় কমিশন। ফলতায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করা হয় আইপিএস অফিসার অজয়পাল শর্মা-কে, যিনি কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ভোটে অনিয়ম রুখতে চেষ্টা করেন। তাঁর সঙ্গে টিএমসি প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের তীব্র সংঘর্ষও হয়, যা রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

  • Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ অভিযানে নতুন মাইলফলক। ‘মিশন দৃষ্টি’-র (Mission ‘Drishti’) সফল উৎক্ষেপণের জন্য ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ‘গ্যালাক্সিআই’-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই উৎক্ষেপণকে ভারতের মহাকাশ যাত্রার একটি ‘প্রধান মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। এই অর্জনকে দেশের উদ্ভাবনী পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবেও প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই অভিযানে রয়েছে বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ ( OptoSAR Satellite)। এটি ভারতে কোনও বেসরকারি সংস্থার তৈরি বৃহত্তম উপগ্রহ।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ ‘গ্যালাক্সিআই’ (GalaxEye)-এর তৈরি বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট ‘মিশন দৃষ্টি’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হল। রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্পেসএক্স (SpaceX)-এর ফালকন-৯ (Falcon 9) রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় এই স্যাটেলাইটটি। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স-হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গ্যালাক্সআই-এর ‘মিশন দৃষ্টি’ আমাদের মহাকাশ যাত্রায় একটি বড় সাফল্য। বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ এবং ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত বৃহত্তম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ উদ্ভাবন ও দেশ গড়ার প্রতি আমাদের তরুণদের আবেগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গ্যালাক্সিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং পুরো দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’

    কী বিশেষত্ব এই স্যাটেলাইটে?

    ‘মিশন দৃষ্টি’ বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট, যেখানে একসঙ্গে ইলেক্ট্রো অপটিকাল (Electro-Optical) ও সিন্থেটিক অ্যাপারেটর রেডার (Synthetic Aperture Radar বা SAR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইলেক্ট্রো অপটিকাল সেন্সর পরিষ্কার আকাশে ও দিনের আলোতে উচ্চমানের ছবি তোলে। এসএআর প্রযুক্তি মেঘ, বৃষ্টি বা অন্ধকার—সব পরিস্থিতিতেই নিরবচ্ছিন্ন ছবি দিতে সক্ষম। ফলে, এই স্যাটেলাইট থেকে ২৪ ঘণ্টা, সব আবহাওয়ায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। দাবি করা হচ্ছে, ১৯০ কেজি ওজনের ‘দৃষ্টি’ই হল ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত সবচেয়ে বড় ভূ-পর্যবেক্ষণ (আর্থ অবজার্ভেশন) কৃত্রিম উপগ্রহ।

    কী কাজে লাগবে?

    আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে ভারতীয় সংস্থার তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হয়। ভারতীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘দৃষ্টি’ সফল ভাবে উৎক্ষেপিত হয়। বেসরকারি পরিসরে মহাকাশ গবেষণা এবং অভিযানের ক্ষেত্রে ‘দৃষ্টি’র মহাকাশযাত্রা এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ‘গ্যালাক্সি আই’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এত দিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করতে এ বার সাহায্য করবে এই উপগ্রহটি। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত পরিস্থিতিতে আরও ধারাবাহিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতেও সাহায্য করবে। সংস্থার আরও দাবি, ভূ-পর্যবেক্ষণের এই কৃত্রিম উপগ্রহটি কৃষি, দুর্যোগ মোকাবিলা, সমুদ্রে নজরদারির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে দেশকে। এছাড়াও, এটি ভারতের বিদ্যমান আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ‘গ্যালাক্সিআই’-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সুয়াশ সিং জানান, স্যাটেলাইটটি এখন সফলভাবে কক্ষপথে রয়েছে। শীঘ্রই এর কমিশনিং সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে এর ডেটার ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমাদের কাছে দৃষ্টি কথার মানে হল যে কোনও কিছুকে ভিতর থেকে দেখা। সেই ভাবনা থেকেই কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম রাখা হয়েছে ‘দৃষ্টি’। এর বিশেষত্ব হল, একই কৃত্রিম উপগ্রহতে একটি মাল্টিস্পেকট্রাল ক্যামেরা এবং একটি সিন্থেটিক অ্যাপারচার র‌েডার ইমেজার রয়েছে। এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার এই প্রথম।” ইন্ডিয়ান স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Space Association) ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল একে ভাট বলেন, “একটি প্ল্যাটফর্মে অপটিক্যাল ও এসএআর প্রযুক্তি একত্রিত করা বড় সাফল্য—যা কেবল কয়েকটি দেশই করতে পেরেছে।” ‘অপ্টোএসএআর’ হল এক ধরনের হাইব্রিড প্রযুক্তি, যেখানে দুই ধরনের প্রযুক্তিগত সুবিধা একটিই প্লাটফর্ম থেকে পাওয়া যায়।

    সীমান্তে সদা নজরদারি

    ভারতের মতো উষ্ণ মণ্ডলীয় দেশে অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে। ফলে সাধারণ অপটিক্যাল স্যাটেলাইট দিয়ে স্পষ্ট ছবি পাওয়া কঠিন হয়। ‘দৃষ্টি’ সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে বা খারাপ আবহাওয়াতেও নজরদারি চালাতে সক্ষম হওয়ার জন্য সীমান্ত রক্ষায় এই উপগ্রহ কাজে লাগবে। তাই প্রতিবেশী শত্রু দেশের জন্য চিন্তার করাণ ভারতের তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-ও এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “এই উৎক্ষেপণ বিশ্বমঞ্চে ভারতের সক্ষমতাকে আরও উজ্জ্বল করবে।” এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) বলেন, এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পৃথিবীর পৃথিবীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যেকোনো সময়েই মেঘে ঢাকা থাকে, যা নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য এই ধরনের হাইব্রিড সিস্টেমকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। দ্বৈত-সেন্সর ক্ষমতা নিরবচ্ছিন্ন পৃথিবী পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করে, যা কৌশলগত এবং অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই ধরনের ব্যবস্থা বিদেশি স্যাটেলাইট তথ্যের উপর নির্ভরতা কমায়, বিশেষ করে সংঘাত বা সংকটের সময় যখন এর নাগাল পাওয়া সীমিত থাকতে পারে। ‘গ্যালাক্সিআই’ ২০৩০ সালের মধ্যে ‘মিশন দৃষ্টি’-কে কেন্দ্র করে ১০টি স্যাটেলাইটের একটি কনস্টেলেশন গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে ভারত একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর আর্থ অবজারভেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। ‘মিশন দৃষ্টি’ শুধু একটি স্যাটেলাইট নয়—এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ প্রযুক্তির শক্তি ও ভবিষ্যতের ইঙ্গিত।

     

  • WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোট প্রচারে ঝাড়গ্রামে এসে নিজে দোকানে গিয়ে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। নিজে পকেট থেকে বার করে দিয়েছিলেন টাকাও। বলাইবাহুল্য মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। কিন্তু মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। তবে এদিন প্রাথমিক ট্রেন্ডে গেরুয়া ঝড়ে, সেই ঝালমুড়িই বিতরণ করতে দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের।

    ঝালমুড়ির ঝাঁঝে উড়ে গেল তৃণমূল!

    ১৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী মোদি ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী সফর করেন। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সেখানে জনসভা করে ফেরার পথে রাস্তার ধারে একটি ঝালমুড়ির দোকান থেকে কিনে মুড়ি খান। সেই থেকেই ঝালমুড়ি হয়ে গেল বঙ্গ রাজনীতির এক অঙ্গ। ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে মোদিকে অবশ্য কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও পালটা বলেছিলেন, ‘‘আমি শুনেছি যে ঝালমুড়িও নাকি কাউকে কাউকে বেশ জোরদার একটা ধাক্কা দিয়েছে। ঝালমুড়ি খেলাম আমি আর ঝাল লাগল ওদের (তৃণমূল)।” সেই ঝাড়গ্রামের মাটিতে ঘাসফুলের অস্তিত্ব একেবারে শেষের মুখে। জেলার চারটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয়ের পথে বিজেপি প্রার্থীরা। সপ্তম রাউন্ড ভোট শেষে ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাহু। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেই মুহূর্ত ঝাড়গ্রামের মানুষের মনেও গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। আর আজকের প্রাথমিক ফল বলছে, ঝাড়গ্রামে আসলেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা আসনই অর্থাৎ ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, নয়াগ্রাম এবং গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে। তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে সবকটি আসনেই। অনেকেই বলছেন, সবটাই মোদি-ম্যাজিক।

    কলকাতা-দিল্লিতে বিজেপি দফতরে ঝালমুড়ি বিলি

    ভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই কলকাতা থেকে দিল্লি— ঝালমুড়ি বিলি করে আনন্দে মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মীরা। বঙ্গজয়ের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করতেই বিজেপির সদর দফতরে ঝালমুড়ি দিয়ে উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির পুরনো অফিস, মুরলিধর সেন লেন— সেখানে রীতিমত ঝালমুড়ির বিতরণ করা হচ্ছে। ঝালমুড়ির ডালা সাজিয়ে বসেছে দলীয় নেতা-কর্মীরা। একেবারে বিজেপি কার্যালয়ের ভিতরেই বসে গিয়েছে ঝালমুড়ির স্টল। হাতে হাতে উঠে যাচ্ছে সেই ঝালমুড়ির প্লেট৷ উচ্ছ্বাসে, আনন্দে সেই স্বাদ আস্বাদন করছেন বিজেপি কর্মীরা৷ আবার, সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপির বর্তমান দফতরে সল্টলেকে মাছ-ভাত রান্না হচ্ছে। জয় উদযাপন করতে বিশেষ পদ রান্না। বিজেপি এলে মাছ-মাংস বন্ধ হয়ে যাবে বলে যে প্রচার করেছিল তৃণমূল, তার জবাব দিতেই এমন পদক্ষেপ। রান্না হচ্ছে কাতলা মাছ, দই কাতলা। মেনুতে রয়েছে, মিক্সড ভেজ, বেবি কর্ন, মুসুর ডাল, আমের চাটনি। একইভাবে, সকাল থেকেই উচ্ছ্বাসের ছবি দেখা গেল দিল্লিতে পন্ডিত দিন দয়াল উপাধ্যায় মার্গের বিজেপির সদর দফতরে। বাংলা জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করলে সেখানেও তৈরি হতে শুরু করেছে ঝালমুড়িও৷ ইতিমধ্যেই সদর দফতরে ভোজের প্রস্তুতি জোরদার। ৪০০-৫০০ জনের খাবারের আয়োজনে রয়েছে বাঙালির মিষ্টি দই, রসগোল্লা। সঙ্গে ঝালমুড়ির স্টল৷ ব্যান্ড পার্টি আনা হয়েছে অফিসের সামনে। কোথাও মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছে, কোথাও ঝালমুড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। মোদির কাটআউট হাতে আবীর মাখছেন বিজেপি কর্মীরা।

  • Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ কূটনৈতিক জয় হল ভারতেরই! ঢোক গিলতে হল কানাডাকে। খালিস্তানপন্থীরা যে ক্রমেই কানাডায় জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হচ্ছে, তা জানিয়ে দিয়েছে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে সতর্ক করা হয়েছে, খালিস্তানপন্থীরা এখনও কানাডার ভেতরে চরমপন্থী অ্যাজেন্ডা প্রচার করছে। বস্তুত, এই কথাটাই নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে কানাডাকে, প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। এবার সেই একই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার গোয়েন্দারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের একটি কূটনৈতিক স্বীকৃতি।

    হুমকির পরিবেশ তৈরি করছে খালিস্তানপন্থীরা (Canada)

    ২০২৫ সালের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই রিপোর্টটি কানাডার সংসদে উপস্থাপন করা হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার মাটিতে কোনও হামলা না হলেও, অব্যাহত রয়েছে উদ্বেগ। রিপোর্টটি এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বোমা হামলার ৪০তম বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে তৈরি, যেখানে ৩২৯ জন নিহত হয়েছিলেন। কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচিত হয় ওই ঘটনা। যদিও ২০২৫ সালে কানাডা-ভিত্তিক খালিস্তানি চরমপন্থীদের সঙ্গে যুক্ত কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি, তবুও এতে সতর্ক করা হয়েছে যে হুমকির পরিবেশ এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবর্তনশীল। গোয়েন্দাদের মতে, “সিবিকেইদের হিংসাত্মক চরমপন্থী কার্যকলাপ অব্যাহত। এটি কানাডা এবং কানাডার স্বার্থের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে রয়ে গিয়েছে।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি কানাডিয়ান সমাজেও সংযুক্ত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে চরমপন্থী মতাদর্শ প্রচার করছে। সাধারণ মানুষের অজান্তে তহবিল জোগাড় করে তা হিংসাত্মক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কানাডার ভূখণ্ডকে ঘাঁটি করা হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, এটি গত এক বছরে সিএসআইএসের পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কবার্তা। ২০২৫ সালের জুন মাসের প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছিল, খালিস্তানি চরমপন্থীরা কানাডার ভূখণ্ডকে প্রচার, তহবিল জোগাড় এবং হিংসার ষড়যন্ত্র ছকার নীল নকশার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, যার মূল লক্ষ্য হল ভারত। এইসব তথ্য নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও জোরালো করেছে। ভারত বারবার অটোয়াকে (কানাডার রাজধানী) এই ধরনের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে। এই ইস্যুটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে, বিশেষ করে প্রাক্তন কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সময়ে। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পৌঁছেছিল তলানিতে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্য

    ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যৌথ প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারত সফর করেন। এই সফরে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দশ মাসে তৃতীয়বারের মতো সাক্ষাৎ করেন, যা সম্পর্ক পুনর্গঠনের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয় বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই সফরের আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল অটোয়া সফর করেন, যা সংবেদনশীল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে যে আলাপ-আলোচনা চলছে, তারই প্রতিফলন। তার সঙ্গে কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা উপদেষ্টা নাথালি দ্রুইনের আলোচনার ফলে উভয় দেশই নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগাযোগ রাখতে আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য হল, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত বিনিময় করা এবং সহযোগিতা জোরদার করা।

    মার্চ মাসে ভারতের বৈঠকে মোদি সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বৈশ্বিক প্রভাবের ওপর জোর দেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই চ্যালেঞ্জগুলি শুধু ভারত ও কানাডার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুতর। এই হুমকিগুলি মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই নয়া কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং গোয়েন্দা পর্যায়ের সমন্বয় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় সতর্ক এবং দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

     

LinkedIn
Share