Blog

  • EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (EC)। তার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া সতর্কবার্তা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ (Violence Less Vote) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন নির্বাচন হতে হবে সম্পূর্ণভাবে অবাধ এবং সুষ্ঠু। কমিশন এও জানিয়েছে, কোনও ধরনের নির্বাচনী অনিয়ম—যেমন বুথ দখল, বুথ জ্যামিং, এবং ‘সোর্স জ্যামিং’ (অর্থাৎ ভোটারদের সংগঠিত হওয়া বা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছনোয় বাধা)—সহ্য করা হবে না। নির্বাচন হতে হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত এবং কোনও প্রলোভন বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

    ভয়মুক্ত ভোটের বার্তা কমিশনের (EC)

    এক্স হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশন লিখেছে, “এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন অবশ্যই হবে—ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত এবং কোনও রেড, বুথ জ্যামিং বা সোর্স জ্যামিং ছাড়াই।” কমিশনের এহেন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন দলের নেতারা। তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র এই সতর্কবার্তাকে একপ্রকার আল্টিমেটাম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তৃণমূলের আর এক সাংসদ সাকেত গোখলে মুণ্ডপাত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জানতে চান, একই ভাষা কি বিজেপির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হবে?

    পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো

    পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো। বাম জমানা তো বটেই, তৃণমূলের আমলেও নানা স্তরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রের উৎসব শেষ হয়েছে শোকের আবহে। তাই কমিশনের এই সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে (ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল) ১,৩০০-এরও বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ২৫ জনের। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিলেন। এনিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছিল অভিযোগ (Violence Less Vote)। বস্তুত, গত দু’দশক ধরে নির্বাচনী সংঘর্ষ ও ভীতি প্রদর্শন এ রাজ্যে একটি বড় সমস্যা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (EC)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    অগ্নিপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে দু’দফায়—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা কড়া হওয়ায়, আসন্ন  নির্বাচন শাসক দল ও নির্বাচন কমিশন—উভয়ের পক্ষেই হয়ে উঠেছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল কমিশনের। সেই বৈঠকও বেশ উত্তপ্ত হয়েছিল বলে খবর। যার জেরে দু’পক্ষের মধ্যেই অবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছে (Violence Less Vote)।তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে ৪৮৩ জন প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিককে  বদলি করা হয়েছে। এটি প্রভাবিত করতে পারে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে। কমিশন অবশ্য এই বদলিকে সমর্থন করে জানিয়েছে, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং হিংসা বা পক্ষপাত এড়ানোর জন্য এটি প্রয়োজনীয়। আরও একটি বড় বিতর্কের বিষয় হল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (EC)। তৃণমূলের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অসমভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে। তৃণমূলের দাবি, পর্যালোচনার জন্য থাকা ৬০ লাখ নামের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখেরই নাম বাদ গিয়েছে। তাই রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা কমে গিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

     

  • Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পর দু’সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তার পরেই খুলে দেওয়া হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। যদিও ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই ফের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল ওই প্রণালীতে। ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। তাদের দাবি, লেবাননে হিজবুল্লাদের টার্গেট করে ইজরায়েল ১০০টি বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ইজরায়েলের ওই হামলায় ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউস ইরানকে অবিলম্বে প্রণালী খুলে দিতে বলেছে। যদিও হরমুজ প্রণালী বন্ধের আগে দু’টি জাহাজকে প্রণালী পার হতে দেওয়া হয়েছিল।

    লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয় (Iran)

    ইজরায়েলের মতে, লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়, যদিও ইরান তা অস্বীকার করেছে। তেহরান বলেছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় ইজরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর হামলা-সহ সব ধরনের সংঘাত বন্ধ করতে হবে। এক শীর্ষ ইরানি আধিকারিক লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস ইহুদি আগ্রাসনের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধের দাবি জানান। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি সবার জন্যই প্রযোজ্য হওয়া উচিত।” ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা তথা বিদেশনীতি কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজেই এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস জায়নিস্ট আগ্রাসনের জবাবে এখনই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে হবে… লেবাননের মানুষ আমাদের জন্য প্রাণ দিয়েছে, আমরা তাদের এক মুহূর্তও একা ছেড়ে দিতে পারি না। যুদ্ধবিরতি হয় সব ফ্রন্টে হবে, নয়তো কোথাও নয়।” এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে প্রণালী খুলতে হবে। তবে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নিয়েছে।

    ইরানি আধিকারিকের বক্তব্য

    প্রবীণ এক ইরানি আধিকারিক জানান, ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা হওয়ার আগে বৃহস্পতি বা শুক্রবারের মধ্যে ইরান অবরোধ কিছুটা শিথিল করতে পারে, যদিও জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের অনুমতি লাগবে। হরমুজ প্রণালী ইরান এবং ওমান-সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে অবস্থিত একটি সঙ্কীর্ণ জলপথ। এটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং বিশ্বের দৈনিক তেল এবং এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই হয় এই প্রণালী-পথে। এসবই ঘটে যখন ইজরায়েল লেবাননে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হামলা চালায় এদিন, যদিও হিজবুল্লাহ উত্তর ইজরায়েলে আক্রমণ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্যেই ছিল ইজরায়েলি বাহিনীও।

    বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

    এদিন বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণের জেরে শহর কেঁপে ওঠে, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার মেঘ। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা সংঘাতের সবচেয়ে বড় যৌথ হামলা চালিয়েছে, যেখানে বেইরুট, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে ১০০টিরও বেশি হিজবুল্লাহ ঘাঁটি টার্গেট করা হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মতে, অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০ জনেরও বেশি জখম হয়েছেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “ইরানের ক্ষেত্রে ছ’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননে প্রযোজ্য নয়। তাই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।” উল্লেখ্য, এটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। কারণ শরিফ বলেছিলেন লেবাননও যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ হামলা জনবহুল এলাকায় হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী।

    বর্বর আগ্রাসন

    এদিকে, হিজবুল্লাহ এই হামলাকে বর্বর আগ্রাসন বলে নিন্দে করেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, “বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি কাঠামোর মধ্যে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।” ইরানের ইসলামিক রিভলুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হামলা চললে তার জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হিজবুল্লাহর কারণে লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। তিনি একে আলাদা সংঘর্ষ হিসেবে বর্ণনা করেন। যদিও তিনি বলেন বিষয়টি সমাধান করা হবে। হোয়াইট হাউসের তরফেও একই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযানে ১,৫০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩০-এরও বেশি শিশু ও ১০০-এরও বেশি নারী রয়েছে। উল্লেখ্য যে, হিজবুল্লাহ ইরানের সমর্থনে ইজরায়েলের দিকে রকেট ছোড়া শুরু করেছে।

     

  • SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সাইবার জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রুখতে হোয়াটসঅ্যাপ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার নিয়ে আসতে চলেছে, যার নাম ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM-binding)। এই নতুন নিয়মের ফলে ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ আসলে কী (SIM-binding)?

    বর্তমানে যে কোনও ডিভাইসে (SIM-binding) হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইন করার জন্য শুধুমাত্র একটি ওটিপি (OTP)-র প্রয়োজন হয়। কিন্তু ‘সিম-বাইন্ডিং’ প্রযুক্তি চালু হলে, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে থাকা ফিজিক্যাল সিম কার্ড বা ই-সিম (e-SIM)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ যে ফোনে আপনার সিম কার্ডটি রয়েছে, শুধুমাত্র সেই ফোনেই হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় রাখা সম্ভব হবে।

    কেন এই নতুন নিয়ম আনা হচ্ছে?

    প্রতারণা রোধ (Whatsapp)

    ওটিপি চুরির মাধ্যমে অন্যের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়ার যে প্রবণতা বা স্ক্যাম (Scam) ইদানীং বেড়েছে, এই ফিচারের ফলে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। সিম কার্ডটি ডিভাইসে না থাকলে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা যাবে না।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্টে লাগাম

    অনেক ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালানো হয়। সিম-বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি বাধ্যতামূলক হলে এই ধরণের স্প্যাম অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    নিরাপত্তার অতিরিক্ত স্তর

    এটি মূলত টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মতোই কাজ করবে, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

    ব্যবহারকারীদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?

    ডিভাইস পরিবর্তন

    আপনি যখন নতুন কোনও ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) ব্যবহার করতে চাইবেন, তখন পুরনো ফোন থেকে সিম কার্ডটি বের করে নতুন ফোনে লাগানো বাধ্যতামূলক হবে।

    মাল্টি-ডিভাইস ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) বর্তমান ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ (Linked Devices) ফিচারের ওপর এর প্রভাব কেমন হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি মহলে আলোচনা চলছে। তবে প্রাথমিক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে এই বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টেলিকম সংস্থাগুলোকে সিম কার্ড সংক্রান্ত জালিয়াতি রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপ সেই ডিজিটাল সুরক্ষা উদ্যোগেরই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India-Iran Relations: দাম কমার আশা, জোগান স্থিতিশীল! যুদ্ধবিরতি হতেই ৭ বছর পর ভারতে আসছে ইরানের তেল

    India-Iran Relations: দাম কমার আশা, জোগান স্থিতিশীল! যুদ্ধবিরতি হতেই ৭ বছর পর ভারতে আসছে ইরানের তেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাত বছর পর আবারও ইরান (India-Iran Relations) থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে চলেছে ভারত। চলতি সপ্তাহেই একটি তেলবাহী জাহাজ ভারতের পূর্ব উপকূলে পৌঁছনোর কথা, যা আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপ (LSEG) এবং কেপলার (Kpler)-এর শিপিং ডেটা অনুযায়ী, “জয়া” নামে একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাঙ্কার (Iranian Oil Heads to India) প্রথমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দিকে, সম্ভবত চীন-এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। তবে পরে তার গন্তব্য বদলে ভারতের দিকে আসে। ভারতের পূর্ব উপকূলে নোঙর করবে তেলভর্তি জাহাজটি। জানা গিয়েছে, এই তেল কিনেছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC)। তবে তাদের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

    ইরানের দিকে ঝুঁকছে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি

    যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হতেই ইরানের তেল (Iranian Oil Heads to India) হাতে পাচ্ছে ভারত (India-Iran Relations)। আপাতত ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর নেই। আর তাতেই ভারতের অভিমুখে রওনা দিয়েছে ইরান থেকে আসা তেলভর্তি জাহাজ। তবে শুধু ‘জয়া’ই নয়, জর্ডন থেকে আরও একটি তেলের ট্যাঙ্কার রওনা দিয়েছে। সেটিও ভারতে নোঙর করতে চলেছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের মে মাসে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ভারত মূলত পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী-তে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের জোগান চাপে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় সাময়িক শিথিলতা আনা হয়েছে, যার ফলে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি আবার ইরানের দিকে ঝুঁকছে।

    ভারতের জন্য স্বস্তির খবর

    কেপলার-এর তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে রেকর্ড হারে ইরানের (India-Iran Relations) তেল বিক্রি হচ্ছে। এই মুহূর্তে জলপথে ইরান থেকে আসা ১৮৯ মিলিয়ন বা ১৮ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে। কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রক ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, দেশীয় রিফাইনারিগুলি ইরান থেকে তেল (Iranian Oil Heads to India) সংগ্রহ শুরু করেছে এবং অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রেও এখন কোনও বড় বাধা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানি তেলের ফেরত আসা ভারতের জন্য স্বস্তির খবর, কারণ এতে দামের অস্থিরতা কিছুটা কমবে এবং জোগানও স্থিতিশীল হতে পারে।

  • PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: জোরকদমে ভোট চলছে কেরল-অসম-পুদুচেরিতে, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরকদমে ভোটগ্রহণ চলছে কেরল, অসম এবং পুদুচেরি বিধানসভায় (Assembly Elections)। আজ, ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আহ্বান, তাঁরা যেন বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিশেষভাবে যুবসমাজ এবং মহিলাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরলের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। রেকর্ড অংশগ্রহণ কেরলের গণতান্ত্রিক চেতনায় নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে। বিশেষ করে রাজ্যের যুবক-যুবতী এবং মহিলাদের আমি অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন এগিয়ে এসে অধিক সংখ্যায় ভোট দেন।” কেরলে ২.৬ কোটিরও বেশি ভোটার রয়েছেন। রাজ্যের ১৪০টি বিধানসভা আসনে ৮৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে শাসক বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF), কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF) এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (NDA)-এর মধ্যে।

    অসমবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    অসম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অসমের জনগণকে বৃহৎ সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই। আশা করি, রাজ্যের যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটাররাও উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন এবং এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করবেন (PM Modi)।” অসমে ২.৫ কোটিরও বেশি ভোটার ১২৬ সদস্যের বিধানসভা গঠনের জন্য ভোট দেবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭২২ জন। ভোট হচ্ছে পুদুচেরিতেও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রতিটি ভোটারকে অনুরোধ করছি যেন তাঁরা রেকর্ড সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে যুবসমাজ এবং মহিলা ভোটারদের প্রতি আমার আবেদন, তাঁরা যেন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসেন। প্রতিটি ভোট পুদুচেরির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ (Assembly Elections)।” পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ১০,১৪,০৭০ জন। এঁদের মধ্যে ৫,৩৯,১২৫ জন মহিলা, ৪,৭৪,৭৮৮ জন পুরুষ এবং ১৫৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ১৮-১৯ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ২৪,১৫৬ এবং ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ ভোটার রয়েছেন ৬,০৩৪ জন।

    সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন

    এদিকে, এদিন সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন পড়ছে অসম, কেরল এবং পুদুচেরির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে। কেরলের ১৪০টি, অসমের ১২৬টি এবং পুদুচেরির ৩০টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে এক দফায়ই। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে (PM Modi)। অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন শাসক দল বিজেপি টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। আর কংগ্রেস ২০১৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ফের ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি গৌরব গগৈ, বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দৈমারি, বিরোধী দলনেতা দেবব্রত শইকিয়া, এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল, রাইজর দলের সভাপতি অখিল গগৈ এবং অসম জাতীয় পরিষদের প্রধান লুরিঞ্জ্যোতি গগৈ (Assembly Elections)।

    লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন যাঁরা

    শাসক জোট এনডিএর প্রধান দলগুলি হল বিজেপি, অসম গণ পরিষদ (AGP) এবং বডো পিপলস ফ্রন্ট (BPF)। বিরোধী জোটে রয়েছে কংগ্রেস, রাইজর দল, অসম জাতীয় পরিষদ, সিপিআই(এম), এপিএইচএলসি এবং সিপিআই(এমএল)। কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে লড়ছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এখানে তৃতীয় শক্তি বিজেপি। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ভোটার রয়েছেন ৯.৫০ লাখ। পুদুচেরিতে ২৩টি, কারাইকালে ৫টি এবং মাহে ও ইয়ানামে ১টি করে বিধানসভা আসন রয়েছে। এআইএনআরসি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং কংগ্রেস, ডিএমকে ও ভিসিকের জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের (Assembly Elections) দল টিভিকের অংশগ্রহণ বড় প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)।

  • Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে আপাতত বিরতি। কারণ দুই দেশের মধ্যে হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি (Strait of Hormuz Conflict)। এর ফলে ভারতের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ—এলপিজি (LPG) এবং তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ—এখন অনেকটাই কমেছে। ইরান ও আমেরিকা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছে।

    স্বস্তিতে ভারত (Strait of Hormuz Conflict)

    সমুদ্রপথের বাধা দূর হওয়ার এই খবর ভারতকে বড় স্বস্তি দিয়েছে। এখন তেল ও গ্যাসবাহী ভারতীয় জাহাজগুলি সহজে এবং দ্রুত ভারতে পৌঁছতে পারবে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। তার পরেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। ফলে বিশ্বের ২০–২৫ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি ভারতের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ এলপিজি এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। সংঘাতের আবহে অনেক জাহাজ সেখানে আটকে পড়ে। ভারতে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেয়, কালোবাজারি বাড়ে। আতঙ্কের জেরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। তবে এখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণার ফলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।

    হরমুজ অঞ্চলে আটকে একাধিক ভারতীয় জাহাজ

    বাস্তবে, ভারতীয় তেলবাহী জাহাজগুলির একটি বড় অংশ এখনও হরমুজ অঞ্চলে আটকে রয়েছে (Strait of Hormuz Conflict)। ইরান ভারতকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও, তা খুব ধীরগতিতে চলছে। এই কারণে এখন পর্যন্ত মাত্র আটটি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতে এসে পৌঁছেছে, যার অধিকাংশই এলপিজি ট্যাঙ্কার ভর্তি। গত কয়েক দিনে বেশ কিছু জাহাজ ভারতীয় বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এগুলি হাজার হাজার টন গ্যাস ও তেল বহন করছিল, যা দেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (LPG)। তবে এখনও ১৬টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকে রয়েছে। এগুলিতে রয়েছেন শত শত ভারতীয় নাবিক। এই জাহাজগুলিও তেল এবং গ্যাসে ভর্তি।

    হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়েছে

    এখন যেহেতু হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই জাহাজগুলিও খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু করতে পারবে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদে ভারতে পৌঁছে যাবে (Strait of Hormuz Conflict)। অর্থাৎ, তেল ও গ্যাসবাহী সম্পূর্ণ বহরই শীঘ্রই দেশে পৌঁছে যাবে। হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় ভারতের একাধিক সুবিধা হবে। প্রথমত, তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ হবে। তৃতীয়ত, মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কমে যাবে।
    গৃহস্থালির গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহও স্বাভাবিক হবে (LPG)।

    প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে

    এছাড়া, এর প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামেও। এতে অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে, কারণ তেল ও গ্যাস আমদানি সহজ হবে। আগে জাহাজগুলিকে দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে হত, এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগত। এখন সরাসরি সমুদ্র পথ খুলে গিয়েছে। তাই সাশ্রয় হবে অর্থ এবং সময়। ভারত কীভাবে সমাধান করল এই সমস্যার? ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং জাহাজমন্ত্রক আগেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কয়েকটি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করেছিল। এখন যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ায় বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদ। নাবিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, সব  নাবিকের নিরাপত্তার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে (Strait of Hormuz Conflict)।

    হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় শুধু ভারত নয়, উপকৃত হবে গোটা বিশ্বই। ইতিমধ্যেই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। এতে ভারত-সহ তেল আমদানিকারী দেশগুলি সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাবে (LPG)। এখন ধারাবাহিকভাবে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছবে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা সহজেই পূরণ করবে। বাকি ১৬টি জাহাজও পৌঁছে গেলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ আরও মজবুত হবে (Strait of Hormuz Conflict)।

     

  • Daily Horoscope 09 April 2026: পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 April 2026: পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন কাজে ঝুঁকি নিলে লাভ হতে পারে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক শান্তি পাবেন।
    ৩) অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক মজবুত থাকবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সহায়তা পাবেন।
    ৩) শরীরের যত্ন নিন, ক্লান্তি আসতে পারে।

    মিথুন
    ১) নতুন যোগাযোগ থেকে লাভ হতে পারে।
    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ৩) সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভেবে নিন।

    কর্কট
    ১) পারিবারিক দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ২) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    সিংহ
    ১) কাজে সাফল্যের সম্ভাবনা প্রবল।
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ৩) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    কন্যা
    ১) নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২) মানসিক চাপ কমবে।
    ৩) কারও উপকার করে সন্তুষ্টি পাবেন।

    তুলা
    ১) দাম্পত্য জীবনে সুখের সময়।
    ২) নতুন বিনিয়োগে লাভ হতে পারে।
    ৩) সামাজিক সম্মান বাড়বে।

    বৃশ্চিক
    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২) হঠাৎ আর্থিক লাভের যোগ।
    ৩) শরীর নিয়ে অবহেলা করবেন না।

    ধনু
    ১) শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য পাবেন।
    ২) ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হবে।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটবে।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ।
    ২) অর্থ সঞ্চয়ের দিকে নজর দিন।
    ৩) পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকবে।

    কুম্ভ
    ১) নতুন কিছু শেখার সুযোগ আসবে।
    ২) বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।

    মীন
    ১) ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা।
    ২) সম্পর্কের উন্নতি হবে।
    ৩) নিজের ওপর ভরসা রাখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    Ramakrishna 618: “অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায়—তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    FREE WILL OR GOD’S WILL

    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি তো মুখ্যু, আমি কিছু জানি না, তবে এ-সব বলে কে? আমি বলি, ‘মা, আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী; আমি ঘর, তুমি ঘরণী; আমি রথ, তুমি রথী; যেমন করাও তেমনি করি, যেমন বলাও তেমনি বলি, যেমন চালাও তেমনি চলি; নাহং নাহং, তুঁহু তুঁহু।’ তাঁরই জয়; আমি তো কেবল যন্ত্র মাত্র! শ্রীমতী যখন সহস্রধারা কলসী লয়ে যাচ্ছিলেন, জল একটুকুও পড়ে নাই, সকলে তাঁর প্রশংসা করতে লাহল; বলে এমন সতী হবে না। তখন শ্রীমতী বললেন (Kathamrita), ‘তোমরা আমার জয় কেন দাও; বল, কৃষ্ণের জয়, কৃষ্ণের জয়! আমি তাঁর দাসী মাত্র।’ ওই অবস্থায় ভাবে বিজয়কে বুকে পা দিলুম; এদিকে তো বিজয়কে এত ভক্তি করি, সেই বিজয়ের গায়ে পা দিলুম, তার কি বল দেখি!

    ডাক্তার — তারপর সাবধান হওয়া উচিত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) হাতজোড় করে — আমি কি করব? সেই অবস্থাটা এলে বেহুঁশ হয়ে যাই! কি করি, কিছুই জানতে পারি না।

    ডাক্তার — সাবধান হওয়া উচিত, হাতজোড় করলে কি হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তখন কি আমি কিছু করতে পারি? — তবে তুমি আমার অবস্থা কি মনে কর? যদি ঢঙ মনে কর তাহলে তোমার সায়েন্স-মায়েন্স সব ছাই পড়েছো।

    ডাক্তার — মহাশয়, যদি ঢঙ মনে করি তাহলে কি এত আসি? এই দেখ, সব কাজ ফেলে এখানে আসি; কত রোগীর বাড়ি যেতে পারি না, এখানে এসে ছয়-সাত ঘণ্টা ধরে থাকি।

    ন যোৎস্য’ — ভগবদ্‌গীতা — ঈশ্বরই কর্তা, অর্জুন যন্ত্র 

    শ্রীরামকৃষ্ণ  (Ramakrishna)— সেজোবাবুকে বলেছিলাম, তুমি মনে করো না, তুমি একটা বড়মানুষ, আমায় মানছো বলে আমি কৃতার্থ হয়ে গেলুম! তা তুমি মানো আর নাই মানো। তবে একটি কথা আছে (Kathamrita) — মানুষ কি করবে, তিনিই মানাবেন। ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ খড়কুটো!

    ডাক্তার — তুমি কি মনে করেছো অমুক মাড় তোমায় মেনেছে বলে আমি তোমায় মানব? তবে তোমায় সম্মান করি বটে, তোমায় রিগার্ড করি, মানুষকে যেমন রিগার্ড করে —

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আমি কি মানতে বলছি গা?

    গিরিশ ঘোষ — উনি কি আপনাকে মানতে বলছেন?

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — তুমি কি বলছো — ঈশ্বরের ইচ্ছা?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে আর কি বলছি! ঈশ্বরীয় শক্তির কাছে মানুষ কি করবে? অর্জুন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে বললেন, আমি যুদ্ধ করতে পারব না, জ্ঞাতি বধ করা আমার কর্ম নয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন — ‘অর্জুন! তোমায় যুদ্ধ করতেই হবে, তোমার স্বভাবে করাবে!’ শ্রীকৃষ্ণ সব দেখিয়ে দিলেন, এই এই লোক মরে রয়েছে। শিখরা ঠাকুর বাড়িতে এসেছিল; তাঁদের মতে অশ্বত্থ গাছে যে পাতা নড়ছে, সেও ঈশ্বরের ইচ্ছায় — তাঁর ইচ্ছা বই একটি পাতাও নড়বার জো নাই!

  • Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    Assam Election: অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ছাড়লেন প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে বিরাট ধাক্কা খেল কংগ্রেস (Congress)। অসমের (Assam Election) উদালগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুরেন দাইমারি দল ছেড়ে দিয়েছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে নিজের প্রার্থীপদও প্রত্যাহার করেছেন তিনি। বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজিয়ন (বিটিআর)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে কংগ্রেস প্রার্থীর এহেন আচরণ দলের পক্ষে এক বিরাট ধাক্কা বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ (Assam Election)

    দল ছাড়ার আগে দাইমারি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে জানান, “মুসলিম তোষণ রাজনীতিই তাঁর দলত্যাগের কারণ। তিনি বলেন, “দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কারণ কোনও শীর্ষ নেতা আমার হয়ে প্রচারে আসেননি।” তাঁর দাবি, কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে তফশিলি উপজাতি (ST)-বিরোধী মনোভাব রয়েছে। তারা ব্যস্ত সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতিতে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদালগুড়ি ও আশপাশের অঞ্চলের নির্বাচনী সমীকরণে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

    অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন অসম বিধানসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাজ্যে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হবে ভোটগ্রহণ। অসমের প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল জানান, সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন (Congress)। আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী ব্যয়-সহ সব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে (Assam Election)। এসভিইইপি কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে ভোটারদের সচেতন করতে ব্যাপক প্রচারও চালানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩১,৪৯০টি ভোটকেন্দ্রেই (৩১,৪৮৬টি প্রধান ও ৪টি সহায়ক কেন্দ্র) এই সুবিধা চালু রয়েছে। এর ফলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, প্রধান নির্বাচন আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে রয়েছেন সিআরপিএফ (CRPF) কর্মীরাও, মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তাই সংবেদনশীল কেন্দ্রগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে মাইক্রো-অবজারভারও (Assam Election)। সব ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, ব্যবস্থা করা হয়েছে পানীয় জল, অপেক্ষা করার জায়গা, শৌচাগার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার। ভোটারদের লাইনের পাশে বসার ব্যবস্থা (বেঞ্চ) এবং মোবাইল ফোন নিরাপদে রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে (Congress)। নির্বাচন পরিচালনায় মোট ১,৫১,১৩২ জন ভোটকর্মী নিয়োজিত। ভোটগ্রহণের জন্য ৪১,৩২০টি ব্যালট ইউনিট, ৪৩,৯৭৫টি কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৪৩,৯৯৭টি ভিভিপ্যাট মেশিন রাখা হয়েছে।

    চুম্বকে ভোট তত্ত্ব

    সব মিলিয়ে মোট ৭২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২,৫০,৫৪,৪৬৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ১,২৫,৩১,৫৫২ জন পুরুষ, ১,২৫,২২,৫৯৩ জন মহিলা এবং ৩১৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৬৩,৪২৩ জন সার্ভিস ভোটারও রয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে ১৮–১৯ বছর বয়সী রয়েছেন ৬,৪২,৩১৪ জন, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ২,৫০,০০৬ জন এবং ২,০৫,০৮৫ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৬০(সি) অনুযায়ী ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিক ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়ি থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৬,০৩২ জন প্রবীণ (৮৫+) এবং ৮,৩৭৩ জন প্রতিবন্ধী এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন (Congress)। প্রধান নির্বাচন আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল সব পক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রত্যেক নাগরিক তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন (Assam Election)।

     

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

LinkedIn
Share