Blog

  • Daily Horoscope 07 April 2026: ছোটখাটো বাধা আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 April 2026: ছোটখাটো বাধা আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন পরিকল্পনা শুরু করতে পারেন।
    ২) কর্মক্ষেত্রে আপনার মতামত গুরুত্ব পাবে।
    ৩) শরীরের যত্ন নিন, ক্লান্তি আসতে পারে।

    বৃষ
    ১) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
    ২) পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকবে।
    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।

    মিথুন
    ১) কাজে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২) হঠাৎ ভ্রমণের সম্ভাবনা।
    ৩) মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

    কর্কট
    ১) ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ২) নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    সিংহ
    ১) নেতৃত্বের গুণ প্রকাশ পাবে।
    ২) ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা।
    ৩) স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    কন্যা
    ১) ছোটখাটো বাধা আসতে পারে।
    ২) সহকর্মীদের সাহায্য পাবেন।
    ৩) নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকুন।

    তুলা
    ১) নতুন সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।
    ২) সৃজনশীল কাজে সাফল্য আসবে।
    ৩) আর্থিক উন্নতির সুযোগ রয়েছে।

    বৃশ্চিক
    ১) গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হবে।
    ২) পরিবারে সময় দিন।
    ৩) মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নিন।

    ধনু
    ১) ভ্রমণের যোগ রয়েছে।
    ২) কাজে সাফল্য পেতে ধৈর্য ধরুন।
    ৩) নতুন কিছু কেনাকাটা করতে পারেন।

    মকর
    ১) আর্থিক লাভের সম্ভাবনা।
    ২) সম্পর্কের উন্নতি হবে।
    ৩) পুরনো সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    কুম্ভ
    ১) নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন।
    ২) বন্ধুরা পাশে থাকবে।
    ৩) স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকুন।

    মীন
    ১) সৃজনশীল কাজে মন বসবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসী ও কলকাতার (Varanasi Kolkata) মধ্যে যাতায়াতের সময়  কমিয়ে আনতে একটি বিশাল পরিকাঠামো প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা (35000 Crore Expressway) ব্যয়ে নির্মিত হবে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সড়ক পথে বিহার, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বাংলার উপর দিয়ে নির্মিত হবে। শিল্পাঞ্চল, কাচামাল সরবরাহ এবং কর্মসংস্থানের বিরাট ক্ষেত্র খুলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সময় সাশ্রয়

    বর্তমানে বারাণসী থেকে কলকাতা (Varanasi Kolkata) সড়কপথে পৌঁছাতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগে। এই এক্সপ্রেসওয়েটি চালু হলে সেই সময় কমে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টায় দাঁড়াবে। প্রায় ৬১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের (35000 Crore Expressway) ওপর দিয়ে যাবে। এটি বারাণসীর কাছে চন্দৌলি থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়ায় এসে শেষ হবে।

    আর্থিক বিনিয়োগ

    এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৩৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ভারতমালা পরিযোজনার (Bharatmala Pariyojana) দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Varanasi Kolkata) কেবল যাত্রীদের সুবিধাই দেবে না, বরং পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবেও কাজ করবে। এর ফলে পণ্য পরিবহণ দ্রুত হবে এবং রাস্তার দুই পাশে নতুন শিল্প অঞ্চল (35000 Crore Expressway) গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    জমি অধিগ্রহণ ও অগ্রগতি

    প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে বিহার ও ঝাড়খণ্ড অংশে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত (35000 Crore Expressway) হলে এটি হবে পূর্ব ভারতের অন্যতম দীর্ঘ এবং আধুনিক এক্সপ্রেসওয়ে, যা প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর (Varanasi Kolkata) মধ্যে বাণিজ্যিক ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

  • Ramakrishna 617: “তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না”

    Ramakrishna 617: “তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না”

     শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে — শুধু পাণ্ডিত্যে কি আছে?

    সকলে বিশ্বাস করে ওই দোকানেই আসে, ভাবে এরা পরমভক্ত, কখনও ঠকাতে যাবে না। একদল খদ্দের এলে দেখত কোনও কারিগর বলছে ‘কেশব!’ (Ramakrishna) ‘কেশব!’ আর-একজন কারিগর খানিক পরে নাম করছে ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ আবার খানিকক্ষণ পরে একজন কারিগর বলছে, ‘হরি’, ‘হরি’, তারপর কেউ বলছে (Kathamrita) ‘হর; হর!’ কাজে কাজেই এত ভগবানের নাম দেখে খরিদ্দারেরা সহজেই মনে করত, এ-স্যাকরা অতি উত্তম লোক। — কিন্তু ব্যাপারটা কি জানো? যে বললে, ‘কেশব, কেশব!’ তার মনের ভাব, এ-সব (খদ্দের) কে? যে বললে ‘গোপাল! গোপাল!’ তার অর্থ এই যে আমি এদের চেয়ে চেয়ে দেখলুম, এরা গরুর পাল। (হাস্য)

    যে বললে ‘হরি হরি’—তার অর্থ এই যে, যদি গরুর পাল, তবে হরি অর্থাৎ হরণ করি। (হাস্য) যে বললে, ‘হর হর!’—তার মানে এই—তবে হরণ কর, হরণ কর; এরা তো গরুর পাল! (হাস্য)

    “সেজোবাবুর সঙ্গে আর-একজায়গায় গিয়েছিলাম (Kathamrita); অনেক পণ্ডিত আমার সঙ্গে বিচার করতে এসেছিল। আমি তো মুখ্যু! (সকলের হাস্য) তারা আমার সেই অবস্থা দেখলে, আর আমার সঙ্গে কথাবার্তা হলে বললে, মহাশয়! আগে যা পড়েছি, তোমার সঙ্গে কথা কয়ে সে সব পড়া বিদ্যা সব থু হয়ে গেল! এখন বুঝেছি, তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না।”

    পূর্বকথা—প্রথম সমাধি—আবির্ভাব ও মূর্খের কণ্ঠে সরস্বতী

    “হাঁ, তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের কি আর অভাব থাকে? দেখ না, আমি মুখ্যু, কিছুই জানি না, তবে এ-সব কথা বলে কে? আবার এ-জ্ঞানের ভাণ্ডার অক্ষয় (Ramakrishna)। ও দেশে ধান মাপে, ‘রামে রাম, রামে রাম’, বলতে বলতে। একজন মাপে, আর যাই ফুরিয়ে আসে, আর-একজন রাশ ঠেলে দেয়। তার কর্মই ওই, ফুরালেই রাশ ঠেলে। আমিও যা কথা কয়ে যাই, ফুরিয়ে আসে আসে হয়, মা আমার অমনি তাঁর অক্ষয় জ্ঞান-ভাণ্ডারের রাশ ঠেলে দেন!

    “ছেলেবেলায় তাঁর আর্বিভাব হয়েছিল। এগারো বছরের সময় মাঠের উপর কি দেখলুম! সবাই বললে, বেহুঁশ হয়ে গিছলুম, কোন সাড় ছিল না। সেই দিন থেকে আর-একরকম হয়ে গেলুম। নিজের ভিতর আর-একজনকে দেখতে লাগলাম! যখন ঠাকুর পূজা করতে যেতুম, হাতটা অনেক সময় ঠাকুরের দিকে না গিয়ে নিজের মাথার উপর আসত, আর ফুল মাথায় দিতুম! যে ছোকরা আমার কাছে থাকত, সে আমার কাছে আসত না; বলত, তোমার মুখে কি এক জ্যোতিঃ দেখছি, তোমার বেশি কাছে যেতে ভয় হয়!”

    কলিকাতা বেনেটোলা নিবাসী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পরমভক্ত শ্রীঅধরলাল সেনের বাটীতে শ্রীযুক্ত বঙ্কিমচন্দ্র চাটুজ্যের সহিত শ্রীশ্রীপরমহংসদেবের (Ramakrishna) দেখা হইয়াছিল। বঙ্কিমবাবু তাঁহাকে এই একবার মাত্র দর্শন করিয়াছিলেন।

  • India Pakistan Relation: ‘ওরা বোধহয় ১৯৭১ সালের কথা ভুলে গিয়েছে…’, পাক মন্ত্রীর “কলকাতায় হামলা” মন্তব্যের সমালোচনা ভারতে

    India Pakistan Relation: ‘ওরা বোধহয় ১৯৭১ সালের কথা ভুলে গিয়েছে…’, পাক মন্ত্রীর “কলকাতায় হামলা” মন্তব্যের সমালোচনা ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Khawaja Asif)-এর “ভবিষ্যৎ সংঘাতে কলকাতায় হামলা” (Pak Target Kolkata) সংক্রান্ত মন্তব্যকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপি এবং বিরোধী কংগ্রেস উভয়ই এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে। প্রয়োজন পড়লে কলকাতাতেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ। সম্প্রতি তিনি বলেন, ‘‘ভারত যদি আবার আক্রমণের চেষ্টা করে, তবে গত বছরের চেয়েও বড় অপমানের মুখে পড়বে। এবার সংঘাত ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তা আমরা কলকাতা পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাব। আমরা তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করব এবং তাদের নিজেদের ঘরের ভিতরেই আঘাত করব।’’ তাঁর অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদের ভুয়ো অভিযোগ তুলে পাকিস্তানকে দোষারোপ করতে পারে ভারত (India Pakistan Relation)।

    পাকিস্তানের নিশানায় কলকাতা

    গত ২ এপ্রিল ‘অপারেশন সিঁদুর’এর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এবার আসিফের গলায় পালটা হুঁশিয়ারির সুর শোনা গেল। আসিফ বলেন, ‘সাজানো অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। এর জন্য ওরা নিজেদের লোক ব্যবহার করবে। নাহলে ওদের হেপাজতে থাকা পাকিস্তানি বন্দিদেরও কাজে লাগাতে পারে। কয়েকটি মৃতদেহ ছুড়ে দিয়ে ওরা দাবি করবে, তারা জঙ্গি ছিল।’ আসিফের দাবি, ‘এক বছর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি নিয়ে ওদের নিজেদের লোকও প্রশ্ন তুলেছিল। এবার যদি তেমন কোনও নাটকের চেষ্টা করা হয় তাহলে আমরাও জবাব দেব। বিষয়টি কলকাতা পর্যন্ত চলে যাবে।’ ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। গত বছর কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার পর দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে আরও। ওই সন্ত্রাসী হামলায় হাত রয়েছে পাকিস্তানের, এমন‌ই অভিযোগ তুলে ‘সিঁদুর অভিযান’-এর মাধ্যমে প্রত্যাঘাত করে নয়াদিল্লি। গত বছর মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চার দিন সংঘর্ষ চলে। পরে সংঘর্ষবিরতি চুক্তির মাধ্যমে সংঘাতে ইতি পড়লেও উত্তেজনা এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত।

    সন্ত্রাসবাদের মূল কেন্দ্র পাকিস্তানই

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যের জবাবে কংগ্রেস সাংসদ মনীশ তিওয়ারি বলেন, “১৯৭১ সাল থেকে পাকিস্তান নিজেই ভুয়ো অপারেশন চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে তারা যেন পিএইচডি করেছে।” তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদের মূল কেন্দ্র পাকিস্তানই। বিজেপির মুখপাত্র প্রতুল শাহ দেও পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অপারেশন সিঁদুরে আমরা তাদের ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস করেছি। পাকিস্তান নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতা ভুলে যায়নি।” তাঁর দাবি, সেই সময় পাকিস্তানই যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল এবং ভারত নিজেদের শর্তে তা মেনে নেয়। তিনি আরও বলেন, “কলকাতা পাকিস্তানের নাগালের বাইরে। তারা শুধু বড় বড় কথা বলে। ভারত চাইলে পাকিস্তানের যেকোনও স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম।” এছাড়া জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা নীরজ কুমার-ও একই সুরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যকে “অত্যন্ত আপত্তিকর” বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর কথায়, “অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি কয়েক মিনিটে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই ক্ষত এখনও টাটকা থাকা উচিত।”

    নজর ঘোরাতে এই মন্তব্য

    খোয়াজা আসিফের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল বলেন, “পাকিস্তানের ভেতরের অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতেই এমন উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানে জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, ঋণ শোধে চাপে সরকার, সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে। এই পরিস্থিতিতে এমন মন্তব্য আসলে অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।” একই সুরে বিজেপি নেতা শ্রীনিবাসও আসিফের বক্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলতে থাকলে ভারত কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত।” প্রয়োজনে ‘অপারেশন সিঁদুর-২’-এর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। অন্যদিকে, কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ প্রবীণ আইনজীবী ও প্রাক্তন সাংসদ মজিদ মেমন কূটনৈতিক সংযম বজায় রাখার উপর জোর দেন। তাঁর কথায়, “কোনও দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পক্ষে এ ধরনের যুদ্ধংদেহী মন্তব্য করা উচিত নয়। শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই উচিত।”

    আসিফকে কটাক্ষ নেটিজেনদের

    আসিফের অভিযোগ, ফের সাজানো হামলার পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। এই অভিযানে স্থানীয়দের পাশাপাশি জেলে বন্দি পাকিস্তানিদের ব্যবহার করা হতে পারে। যদিও এহেন দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পেশ করতে পারেননি আসিফ। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে কটাক্ষ। হুমকির ভিডিও সামনে আসতেই আসিফের সমালোচনায় সরব সোশ্যাল মিডিয়া। এক ব্যক্তি লেখেন, ‘প্রথমে নিজেদের দেশের মানুষকে পর্যাপ্ত খাবার দিন। পাকিস্তানের জেনারেল আর রাজনৈতিক নেতারা শুধু ফাঁপা হুঁশিয়ারি দিতে পারেন। দেশ বাঁচাতে মানুষের বিদ্রোহ ঘোষণা করা উচিত। কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানের মানুষকে বোকা বানাচ্ছে জেনারলেরা।’ আরেক ব্যক্তির কটাক্ষ, ‘বাঙালিরা ক্ষেপণাস্ত্র ধরে মাছের ঝোল বানিয়ে খেয়ে ফেলবে।’ ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে আরেকজন লেখেন, ‘ওরা বোধহয় ১৯৭১ সালের কথা ভুলে গিয়েছে। ঢাকার স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল কলকাতা। তাই সাজানো অভিযানের অজুহাত দিয়ে কৌশলগত ব্যর্থতা ঢাকা যাবে না।’

  • West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেলিকপ্টারে করে তৃণমূলের প্রচারে যাচ্ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সময় তাঁর সেই কপ্টার ওড়ার সময় একটি উড়ন্ত ড্রোন দেখা যায় (West Bengal Assembly Elections)। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা বিহারের বাসিন্দা বলে খবর। রবিবার হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত ছিলেন ওই তিনজন। ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের কাজই করছিলেন।

    কপ্টারের আগে আগে ড্রোন (West Bengal Assembly Elections)

    শনিবার মালদায় দলীয় প্রার্থীদের জন্য প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সময় সামসিতে মমতার হেলিকপ্টারের আগে আগে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ মমতা। হেলিকপ্টারে ওঠার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “হেলিকপ্টারটা অ্যাক্সিডেন্টে ধ্বংস হয়ে যেত। কারা করছে এসব? পুলিশের নজর রাখা দরকার। যারা করেছে, তাদের আইডেন্টিফাই করা দরকার।” এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যাতে দেখা যায়, কপ্টারে ওঠার আগে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মমতা। আকাশে উড়ন্ত ড্রোনটিকে নিরীক্ষণ করছেন তিনি। সেই সময়ই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই ভিড়ের মধ্যে থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    ‘আমরা ড্রোন উড়িয়েছি’

    ধৃতেরা হল অঙ্কিতকুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মণ্ডল এবং নুর আখতার। হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় যোগ দিয়েছিল তারা। ধৃতদের একজন বলে, “হ্যাঁ আমরা ড্রোন উড়িয়েছি।” পাশের জনের দিকে আঙুল উঁচিয়ে সে বলে, “এ ওড়াচ্ছিল। জানত না। আমরা কাজ করছি, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেনের জন্য। বারণ করেছিলাম (Mamata Banerjee)। আইডিয়া ছিল না। তাও বেস্ট ফুটেজের জন্য ড্রোন উড়িয়ে ফেলে।” ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন। তবে দলের তরফে এ নিয়ে কিছু জানানো হয়নি (West Bengal Assembly Elections)। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। গত ২৬ মার্চ দুর্যোগে আটকে পড়েছিল মমতার বিমান। প্রচার সেরে কলকাতায় নামার সময় আটকে পড়ে বিমানটি। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে দুর্যোগ এত তীব্র আকার ধারণ করেছিল যে অবতরণ করতে না পেরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি। প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে সেই অবস্থায় আকাশে চক্কর কেটে শেষ পর্যন্ত মাটি ছোঁয় মমতার (Mamata Banerjee) বিমান।

    কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি

    সেবার দুবরাজপুরে প্রচার সেরে অন্ডাল থেকে ছোট আকারের বিমানটিতে সওয়ার হন মমতা। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি দেখা দেয়। পরে দুই পাইলটের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা। জানান, পাইলটরাই বিমানে সওয়ার সকলের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সেই ঘটনার পরই কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশ্ন ওঠে মমতার নিরাপত্তা নিয়েই (West Bengal Assembly Elections)।এদিকে, ধৃত তিনজন জানান, হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমানের হয়ে প্রচার করেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই ড্রোন উড়িয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ‘গরিবের বন্ধু’ বলে ফেসবুকে পরিচিত মতিবুর একজন ইনফ্লুয়েন্সারও। প্রচুর (Mamata Banerjee) ফলোয়ার রয়েছে তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক মিউজিক ভিডিও পাবলিশ হয় প্রতিদিনই। সেই মতিবুরের জন্য ভিডিও তৈরিতে ভালো শটের আশায় ড্রোন উড়িয়েছিল বলে স্বীকার করে ধৃতেরা।

    ‘আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না’

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের সভায় মমতা বলেন, “আমি যখন মিটিং করে আসছিলাম মালদা থেকে। আমার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ধাক্কা খেলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হত। কারা ওড়াচ্ছিল? বিহারের তিনজন ধরা পড়েছে। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কাড়ার জন্য? কেড়ে নিন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যতক্ষণ বেঁচে থাকব, আপনাদের বিরুদ্ধে গলা ফাটাব। আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না।” প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এ রাজ্যে সভা করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলার (Mamata Banerjee) চেষ্টা করেন। তবে এই ভিকটিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার মানুষ ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন। এভাবে কমিশনের বিরুদ্ধ গালিগালাজ করা বাংলার সংস্কৃতি নয় (West Bengal Assembly Elections)।”

     

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা (Malda) মোথাবাড়িতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও ও হেনস্থার ঘটনায় তদন্তপ্রক্রিয়া কতদূর এগোল, সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৬ সালের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীর্ষ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি রাজ্যের বিচার বিভাগীয় অফিসাররাই নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচার ব্যবস্থার ওপর এই ধরনের আক্রমণ কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না।”

    ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ (Supreme Court)

    মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা। তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে অনুমান। বিচারকদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখেই এই রিপোর্ট তৈরি করছেন তদন্তকারীরা। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে মোথাবাড়ির বিডিও অফিসে দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল সাতজন বিচারবিভাগীয় (Supreme Court) আধিকারিককে। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে শারীরিক ভাবে হেনস্থাও করা হয়। তাঁদের মধ্যে নারী আধিকারিকরাও ছিলেন। ভিড়ের তান্ডবে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এই খবরটি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে। সেই সময় গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ স্থানীয় আইএসএফ, এমআইএম এবং তৃণমূলকর্মী বলে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে।

    এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং (Sonia Singh IG NIA) ইতিমধ্যেই ২৫ পাতার একটি বিস্তারিত রিপোর্ট নিয়ে রাজধানী পৌঁছে গিয়েছেন। আজ, সোমবার সেই রিপোর্ট জমা পড়তে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। হামলার আগে-পরে ঠিক কী ঘটেছিল, প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল—সবটাই এখন সর্বোচ্চ আদালত তদন্ত করে দেখছে। মোথাবাড়ির ঘটনার দিন রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যারপরনাই অসন্তুষ্ট ছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের মুখ্য সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও জেলার এসপি, ডিএম-দের শো’কজ করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআর (SIR)-এর কাজ করছেন যাঁরা, সেই বিচারকদের ঘিরে এরকম বিক্ষোভ হল কী করে? পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেল না? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? এই সব দিক খতিয়ে দেখে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-এর রিপোর্ট দেওয়ার কথা।সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-র হাতে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গিয়েছে এটি কেবল একটি সাধারণ জনরোষ নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে।

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এসআইআর ইস্যুতে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে, আদালত নিযুক্ত আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এনআইএ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিল, প্রয়োজন পড়লে আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিসে কী ঘটেছিল?

    ঘটনার দিন বুধবার সকাল থেকেই জমায়েত শুরু হয়েছিল কালিয়াচক (Malda) ২ নম্বর বিডিও অফিসে। প্রথম সারিতে ছিলেন মহিলারা। আচমকা একসময় বিডিও অফিসের ভিতরেও ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের বের করে দেয়। কিন্তু তারপরেও তারা এলাকা ছাড়েননি! শেষে রাতে যখন বিচারকরা (Supreme Court) পুলিশের ঘেরাটোপে বেরোচ্ছেন, তখনও সেখানে দাঁড়িয়ে প্রচুর বিক্ষোভ দেখায় দুষ্কৃতীরা। সামাজিক মাধ্যমে সামনে আসা একাধিক ভিডিওতে এমন ছবি দেখা যায়।

    রাজ্য সরকারের অবস্থান

    অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিয়াচককাণ্ড প্রসঙ্গে (Malda) জানানো হয়েছে যে তারা যথাসাধ্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং বর্তমানে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযুক্তদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। মোথাবাড়ির ঘটনা নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট এবং বিধানসভার নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকে এসআইআর, বিচারকদের হেনস্থার মতো ঘটনা আগামী বিধানসভার ভোটে  প্রভাব ফেলবে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ। তবে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বিজেপির পক্ষে জনমত গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জরুরি অবস্থা থেকে শুরু করে কংগ্রেস আমলের দমন-পীড়ন এবং বাংলার মতো রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা—সব কিছু সহ্য করেও তাঁরা দলকে শক্তিশালী করেছেন এবং দেশের সেবা করেছেন।” সোমবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে (BJPs Foundation Day) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির কর্মীদের নিষ্ঠা ও ত্যাগের প্রশংসা করতে গিয়েই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি তুলে ধরতে বিজেপি কর্মীরা কখনও পিছপা হন না। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ভারতের ভবিষ্যৎকে উন্নত করবে। তাই কর্মীরা সব ধরনের কষ্ট সহ্য করেছেন—তা জরুরি অবস্থার সময় হোক বা কংগ্রেস আমলের অত্যাচার। অনেক কর্মী নিজেদের জীবনও উৎসর্গ করেছেন। আমরা বাংলার মতো রাজ্যে দেখেছি, যেখানে হিংসা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।”

    জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

    রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রাথমিক সময়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেই সময় ভুলতে পারি না, যখন ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক আসন জিতেছিল, কিন্তু একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাও করেছিল। এর ফলে মানুষের বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়ে এবং ধীরে ধীরে আমরা আসন জিততে শুরু করি।” ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আদর্শগত পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেই সময় দুটি মতাদর্শ সামনে আসে—একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং অন্যটি সেবাভিত্তিক রাজনীতি (PM Modi)।”

    আরএসএস থেকে প্রেরণা

    তিনি জানান, বিজেপি আরএসএস থেকে প্রেরণা পেয়েছে (BJPs Foundation Day)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরএসএসের বিশাল ও পবিত্র বটবৃক্ষের ছায়ায় আমরা নিঃস্বার্থ উদ্দেশ্য ও সততার সঙ্গে রাজনীতিতে প্রবেশের প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের নীতিনির্ধারণে নিজেদের শক্তি নিয়োজিত করেছি। পরে সময় আসে, যখন বিজেপি নিজেকে একটি শক্তিশালী কর্মীভিত্তিক দল হিসেবে গড়ে তুলতে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করে।” তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বিশাল কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছি যারা সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে, দলের আদর্শকে নিজেদের জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেদের মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করেনি (PM Modi)।”

    আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি

    বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসের আবেগঘন তাৎপর্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেখানে আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি। তাই এই দিনটি শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, প্রতিটি কর্মীর জন্য আবেগের দিন। এই দিনটি আমাদের দেশসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ দেয় (BJPs Foundation Day)।” বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আমি বিশেষভাবে আমাদের সভাপতি শ্রী নবীনজিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সভাপতি হওয়ার পর এটি দলের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস। বর্তমানে পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আমরা দলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। মনে হচ্ছে নবীনজি দলে নতুনত্ব ও সতেজ শক্তি এনেছেন।”

    বিজেপির প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আজ বিজেপি যে শিখরে দাঁড়িয়ে আছে, তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু লাখ লাখ কর্মীর পরিশ্রম, তাঁদের ত্যাগ ও কঠোর সাধনা—এগুলি সত্যিকারভাবে কেবল সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, যিনি নিজে এই যাত্রার অংশ ছিলেন।” বিজেপির (PM Modi) উৎপত্তি জনসংঘ থেকে, যা ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর কংগ্রেসকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জনতা পার্টির সঙ্গে একীভূত হয়। পরে আরএসএস এবং জনসংঘের সদস্যদের দ্বৈত সদস্যপদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর ফলে জনসংঘের সদস্যরা জনতা পার্টি ছেড়ে ৬ এপ্রিল ১৯৮০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি প্রতিষ্ঠা করেন (BJPs Foundation Day)। গঠনের পর থেকে বিজেপি দুজন প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে—অটল বিহারি বাজপেয়ী এবং নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

  • Dhurandhar-2: ১৮ দিনে ১০০০ কোটি! দুরন্ত গতিতে ছুটছে ‘ধুরন্ধর ২’, গড়ল বলিউডের নয়া রেকর্ড

    Dhurandhar-2: ১৮ দিনে ১০০০ কোটি! দুরন্ত গতিতে ছুটছে ‘ধুরন্ধর ২’, গড়ল বলিউডের নয়া রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড (Bollywood) বক্স অফিসে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar-2)। মুক্তির ১৮তম দিনেই ভারতীয় বক্স অফিসে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করল এই ছবি। আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি প্রথম বলিউড সিনেমা হিসেবে ভারতের বাজারে নিট (Net) ১০০০ কোটি টাকার কালেকশন ছাড়িয়ে গেছে।

    ঐতিহাসিক মাইলফলক (Dhurandhar-2)

    ভারতের বক্স অফিসে (Dhurandhar-2) সব সংস্করণ হিন্দি, তামিল, তেলুগু ইত্যাদি মিলিয়ে ১০০০ কোটি টাকার গণ্ডি পার করা প্রথম হিন্দি সিনেমা হল ‘ধুরন্ধর ২’ (Bollywood)। এর আগে কেবল ‘বাহুবলী ২’ এবং ‘পুষ্পা ২’ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল। কিন্তু, উভয় দক্ষিণী সিনেমা।

    রণবীর সিং-এর রেকর্ড

    এই সাফল্যের সঙ্গে রণবীর সিং বলিউডের প্রথম অভিনেতা হিসেবে ১০০০ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করলেন। ছবিতে তার দ্বৈত চরিত্র জাসকিরাত এবং হামজা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। মাত্র ৬ দিনে হিন্দি সংস্করণে ৫০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করে ছবিটি (Dhurandhar-2) এর আগেই রেকর্ড গড়েছিল।

    বিশ্বজুড়ে আয়

    বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে সিনেমাটি ইতিমধ্যেই ১৫০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে। উত্তর আমেরিকায় এটি সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র (Bollywood) হিসেবে ‘বাহুবলী ২’-এর (Dhurandhar-2) রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে (আড়াই কোটি ডলারের বেশি)।এই মাইলফলকের মাধ্যমে রণবীর সিং ভারতে ১,০০০ কোটি টাকার নেট গ্রসার সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্র তারকা হয়েছেন। জসকিরাত এবং হামজা হিসেবে তাঁর দ্বৈত ভূমিকা ব্যাপকভাবে দর্শক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।

    টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড

    অনলাইন টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বুক মাই শো’-তে (BookMyShow) ১.৫ কোটির (Dhurandhar-2) বেশি টিকিট বিক্রি হওয়া প্রথম বলিউড ছবি এটি। হিন্দি সংস্করণের পাশাপাশি তেলুগু, তামিল এবং কন্নড় সংস্করণের আয়ও এই বিশাল মাইলফলক ছুঁতে সাহায্য করেছে। ১৮তম দিনেও সিনেমাটি বক্স অফিসে (Bollywood) দাপট বজায় রেখেছে। রণবীর সিং ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন এবং সারা অর্জুন।

  • Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে তাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। ইরানের মতে, বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে (India Global Powers) বৃহত্তর একটি কৌশলের অংশ এটি। ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম এলাহি, বিহারের পাটনায় এক শোকসভায় অংশ নিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

    এলাহির সাফ কথা (Iran)

    এলাহি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তানের কোনও ভূমিকাই নেই। তিনি বলেন, “ইসলামাবাদের  মধ্যস্থতায় কোনও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে না। কিছু পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারকে প্রভাবিত করা যায়।” তাঁর মতে, মধ্যস্থতার দাবি বাড়িয়ে বলা হয়েছে। এটি করা হয়েছে  কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করতে এবং প্রকৃত আলোচনার অভাব সত্ত্বেও তেলের দাম যাতে স্থিতিশীল রাখা যায়, তা-ই। এলাহির অভিযোগ, পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যথেষ্ট আন্তরিক নয়, কেবল একটি প্রতীকী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, “আলোচনার যে ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা প্রকৃত অগ্রগতির ভান সৃষ্টি করার জন্য, যদিও বাস্তবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা আলোচনা চলছে না। আলোচনার প্রস্তুতির যে খবর ঘোষণা করা হচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর। বাস্তব পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করেও এই ঘোষণা করা হচ্ছে না।

    সংঘাতের উৎস

    বর্তমান সংঘাতের উৎস সম্পর্কে এলাহি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। তাঁর মতে, ইরানের যুদ্ধ শুরু করার কোনও ইচ্ছেই ছিল না। তারা আসলে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করার আহ্বানও জানান (Iran), বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক এলাকায় যাতে হামলা বন্ধ করা যায়, সেই জন্য (India Global Powers)। এলাহি বলেন, “যারা এই হামলা শুরু করেছে, তারা থামলে সংঘাতের অবসান সম্ভব।” তাঁর আশা, ভারত-সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশ্বনেতাদের এক সঙ্গে এসে যুদ্ধ শেষ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    হরমুজ প্রণালীর ওপর জোরদার নিয়ন্ত্রণ

    পশ্চিম এশিয়ার এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। ফেব্রুয়ারির হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির হত্যার খবর প্রকাশের পর ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ সঙ্কটকে আরও ঘোরালো করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। অথচ, তামাম বিশ্বে জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এটি। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বেড়েছে (India Global Powers)। কারণ এই পথের যে কোনও বিঘ্ন সরাসরি তেল এবং এলপিজি সরবরাহে প্রভাব ফেলে (Iran)।

    হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে ভারতীয় জাহাজ

    যদিও উত্তেজনা জারি থাকা সত্ত্বেও, ইরান জানিয়েছে, অশত্রু মনোভাবাপন্ন দেশগুলির জাহাজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে, যদি তারা ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই আশ্বাস আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাকেও জানানো হয়েছে। বর্তমান সংঘাত ও নৌ-অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। ‘গ্রিন আশা’ নামের একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার সম্প্রতি নিরাপদে প্রণালী পার হয়েছে, যা সংঘাত শুরু হওয়ার পর নবম ভারতীয় জাহাজ। জানা গিয়েছে, এই পথে চলাচলকারী প্রায় ৬০ শতাংশ পণ্যবাহী জাহাজ ইরান থেকে আসছে বা ইরানের দিকে যাচ্ছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে ভারতের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

    এসেছে একাধিক এলপিজি ভর্তি জাহাজ

    গ্রিন আশার আগে আরও আটটি ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে বিডাব্লু টায়ার এবং বিডাব্লু এলএম নামের এলপিজি জাহাজ প্রায় ৯৪,০০০ টন পণ্য পরিবহণ করেছে। এছাড়াও, পাইন গ্যাস এবং জাক বসন্ত নামের দুটি জাহাজ ২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে মোট ৯২,৬১২ টন এলপিজি বহন করেছে (Iran)। এর আগে এমটি শিবালিক এবং এমটি নন্দাদেবী প্রায় ৯২,৭১২ টন এলপিজি গুজরাটের মুন্দ্রা ও কান্ডলা বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। জাগ লাডকি নামের আর একটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৮০,৮৮৬ টন অপরিশোধিত তেল মুন্দ্রায় নিয়ে এসেছে। আর জাগ প্রকাশ নামের একটি পেট্রোল ভর্তি জাহাজ ওমান থেকে আফ্রিকায় পৌঁছতে গিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে হরমুজ প্রণালী (India Global Powers)।

    গ্রিন সনভি নামের আর একটি জাহাজ সম্প্রতি প্রায় ৪৬,৬৫০ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করে এই পথ অতিক্রম করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এই জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ভারত ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে, যদিও পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি (India Global Powers) এখনও অস্থির রয়েছে (Iran)।

     

  • India Bangladesh Border: বাংলাদেশ সীমান্তে পাহারায় সাপ ও কুমির! অনুপ্রবেশ রুখতে নয়া ভাবনা বিএসএফ-এর

    India Bangladesh Border: বাংলাদেশ সীমান্তে পাহারায় সাপ ও কুমির! অনুপ্রবেশ রুখতে নয়া ভাবনা বিএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারা দেবে সাপ ও কুমির। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে অভিনব পরিকল্পনার কথা ভাবছে বিএসএফ (Border Security Force)। সূত্রের খবর, নদী ও জলাভূমি অঞ্চলগুলিতে প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে সাপ ও কুমির ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে অভ্যন্তরীণ স্তরে আলোচনা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশ জারি হয়নি। বিএসএফ সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    কেন সাপ ও কুমির ব্যবহারের ভাবনা

    ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার এলাকা নদী ও জলাভূমি ঘেরা। এইসব জায়গায় প্রচলিত কাঁটাতারের বেড়া বসানো কঠিন হওয়ায় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই কারণেই ‘ডিটারেন্স-ফার্স্ট’ বা ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করার কথা ভাবা হচ্ছে। সীমান্ত-সুরক্ষার কৌশল হিসেবে এই পরিকল্পনা ভাবা হচ্ছে। একটি সূত্র জানিয়েছে যে, বিএসএফ-এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। ৯ ফেব্রুয়ারি ডিরেক্টর জেনারেল প্রবীণ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই প্রস্তাবটি পেশ করা হয়েছিল। জানা গেছে, ২০ মার্চ নয়াদিল্লিতে বিএসএফ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত আরেকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে এই প্রস্তাবটি নিয়ে পুনরায় আলোচনা করা হয়। এরপর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সেক্টরের সীমান্ত পর্যায়ের কর্তাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়। এরকমই একটি নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নদী তীরবর্তী এলাকায় সরীসৃপ ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপের উপর একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    সীমান্তে নজরদারি

    বিএসএফ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তার নজরদারি পরিকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। জানা গেছে যে, সৈন্যরা নাইট-ভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন ৫,০০০-এর বেশি বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করছে। এছাড়াও, সীমান্ত বরাবর যে কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করার জন্য এআই-সক্ষম নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের আঙুলের ছাপ এবং আইরিস স্ক্যান সংগ্রহ করার জন্য বায়োমেট্রিক ডিভাইসও ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমান পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামের মতো রাজ্যগুলোর সীমান্তের বিভিন্ন অংশে দ্রুত অ্যান্টি-কাট ও অ্যান্টি-ক্লাইম্ব বেড়া, নজরদারি ড্রোন, জিপিএস-সক্ষম ট্র্যাকিং সিস্টেম, থার্মাল ইমেজার এবং বিদ্যুতায়িত বেড়া স্থাপন। বিশেষভাবে সংবেদনশীল নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে বিএসএফ নজরদারি আরও জোরদার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বোল্ড-কিউআইটি (BOLD-QIT) প্রকল্প, যা ২৪x৭ নজরদারির জন্য সেন্সর, ইনফ্রারেড ও নাইট-ভিশন ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহার করে।

    অন্ধকার অঞ্চলে বিশেষ মনোযোগ

    নদী তীরবর্তী এলাকায় অভিযানের জন্য বাহিনী বর্তমানে বিশেষ জলযান, স্পিডবোট এবং ভাসমান বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) মোতায়েন করেছে। নিয়মিত টহল দেওয়া হয়। সরীসৃপ মোতায়েনের প্রস্তাবের পাশাপাশি, ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত বৈঠকে পূর্ব ভারতের সেক্টর সদর দফতরগুলোকে এমন সব ‘ডার্ক জোন’-এ অবস্থিত সীমান্ত চৌকি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেখানে কোনও মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাবটিকে যতই গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হোক না কেন, বেশ কিছু বাস্তব প্রশ্ন অমীমাংসিতই থেকে যায়। কোন সংস্থা বা কর্মীদের সাপ বা কুমির ধরা এবং সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে, কতগুলো সরীসৃপ ছাড়া হবে এবং সীমান্তের কোন কোন জায়গায় সেগুলোকে ছাড়া হতে পারে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    সীমান্তে বিএসএফ-এর সাফল্য

    সম্প্রতি সীমান্তে চোরাচালান রুখতে একাধিক সাফল্য পেয়েছে বিএসএফ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় একটি বড় অভিযানে প্রায় ১ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার করা হয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বিএসএফের ৩২ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা অভিযানে নেমে এক সন্দেহভাজনকে আটক করে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে নদিয়াতেই একটি ঘটনায় এক বাংলাদেশি পাচারকারী নিহত হয়। অভিযোগ, বিএসএফের ওপর হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে গুলি চালানো হলে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, ফেনসিডিলের বোতল এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ সবচেয়ে বেশি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ২০২৫ সালে ১,১০৪ বার অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা হয়েছে। যা গত প্রায় এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে ৯৭৭টি অনুপ্রবেশের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছিল। এই সীমান্তে অনুপ্রবেশের ব্যাপকতা অন্যান্য সীমান্তে হওয়া চেষ্টাগুলিকে ম্লান করে দিয়েছে। ২০২৫ সালে পাকিস্তান ৩২টি অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। মায়ানমার ৯৫টি এবং নেপাল ও ভুটান একত্রে ৫৪টি। অর্থাৎ, বর্তমানে ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন বাংলাদেশ। ২০২৫ সালে ভারতীয় সংস্থাগুলি অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করায় ২,৫৫০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। অক্টোবরে সর্বোচ্চ ৩৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সেপ্টেম্বরে ৩৩০ জন এবং নভেম্বরে ৩০৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    অনুপ্রবেশের চেষ্টা, কঠোর সরকার

    অন্যদিকে, অনুপ্রবেশের চেষ্টাও বেশি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে ১২৭টি এবং অক্টোবরে ১২৫টি ঘটনা ঘটে। মাসিক গ্রেফতারের সংখ্যা ৮৯ থেকে ১১০-এর মধ্যে ছিল। এই ঘটনায় প্রমাণ করে অরক্ষিত সীমান্ত এলাকার সুযোগ নিয়ে সংগঠিত চোরাচালান চক্রের বাড়বাড়ন্তের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ বাড়ছে। এই আবহে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষায় সরীসৃপ ব্যবহারের প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে তা হবে এযাবৎকালের অন্যতম কৌশলগত পদক্ষেপ। এটি কঠিন নিরাপত্তা ঘাটতি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ কতটা দূর যেতে প্রস্তুত, তার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।

LinkedIn
Share