Blog

  • Food Allergy: ডিম-দুধে অ্যালার্জি! পুষ্টির ঘাটতি না বাড়িয়ে কোন খাবার খেলে মিলবে একই উপকার?

    Food Allergy: ডিম-দুধে অ্যালার্জি! পুষ্টির ঘাটতি না বাড়িয়ে কোন খাবার খেলে মিলবে একই উপকার?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের জন্য উপকারি। কিন্তু খেলেই হাতে-পায়ে চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে উঠছে। এমনকি শ্বাসকষ্ট হতে পারে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাবারেও অ্যালার্জি হতে পারে। যা প্রাণ সংশয় পর্যন্ত তৈরি করতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা জরুরি। শিশু হোক বা বয়স্ক, স্বাস্থ্যকর খাবারেও অ্যালার্জি হলে কী ভাবে সেটা আটকানো যাবে। পুষ্টির ঘাটতি রুখতে বিকল্প খাবার কী হতে পারে, সে নিয়েও সচেতনতা জরুরি।

    কোন খাবারে অ্যালার্জি হতে পারে?

    প্রাণীজ প্রোটিন এবং দানাশস্য, যে কোনও খাবার থেকেই অ্যালার্জি হতে পারে। তবে কয়েকটি খাবারে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিনের মধ্যে ডিম, সামুদ্রিক মাছ যেমন কড, আবার সামুদ্রিক প্রাণী যেমন লবস্টার, কাঁকড়া, বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এমনকি দুধ থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। কিন্তু দুধ, ডিম, কড মাছ বা কাঁকড়া, চিংড়ি জাতীয় খাবার শরীরের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর। তাই এগুলো ছোটো থেকে বয়স্ক, সকলের খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এই ধরনের খাবারে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তবে প্রাণীজ প্রোটিনের পাশপাশি কিছু দানাশস্য এবং সব্জি থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিভিন্ন ধরনের দানাশস্য যেমন রাগি, বাজরার মতো দানাশস্য থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। আবার সোয়াবিনের থেকেও অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু শরীরের পুষ্টির জন্য এই ধরনের খাবার খুব জরুরি। তবে অ্যালার্জি বিপজ্জনক। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কীভাবে বুঝবেন অ্যালার্জি হয়েছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি উপসর্গ জানান দেয়, অ্যালার্জি হয়েছে কিনা। উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। অবহেলা না করে প্রথম থেকেই চিকিৎসা করলে বড় বিপদ এড়ানো যেতে পারে। খাবার খাওয়ায় কিছু সময় পরেই হাতে-পায়ে এবং শরীরের একাধিক জায়গায় চুলকানি, লাল দাগ দেখা দেওয়া অ্যালার্জির অন্যতম উপসর্গ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, জিভ ও ঠোঁট ফুলে যাওয়া, লালা ঝরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আবার বমি, পেট ব্যথা, বারবার মলত্যাগের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সমস্যা বাড়লে কাশি, গলার ভিতরে জ্বালা এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে। জ্ঞান হারানোর মতো পরিস্থিতি ও তৈরি হতে পারে।

    অ্যালার্জি রুখতে কী করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালার্জি রুখতে এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। কোনও নির্দিষ্ট একটা খাবার খেয়ে, যদি বারবার ত্বকে সমস্যা, গলার ভিতরে অস্বস্তি কিংবা পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে প্রথম থেকেই সতর্কতা প্রয়োজন। অবহেলা করলে বিপদ বাড়বে। পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো, অ্যালার্জি হতে পারে এমন খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। পাশপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ নিয়মিত খেতে হবে।‌

    বিকল্প পুষ্টি কী হতে পারে?

    ডিম, দুধ বা দানাশস্য, সোয়াবিন এই ধরনের খাবারেই অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকে। কিন্তু এই খাবারগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অন্যতম উৎস। তাই অ্যালার্জি হলে এই সব খাবার খাওয়া যায় না। কিন্তু শরীরে পুষ্টির ঘাটতি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। তাই বিকল্প পুষ্টির ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। ডিম ও দুধ অত্যন্ত জরুরি দুটি খাবার। এতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, প্রোটিন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে। যদি এই দুই খাবার বাদ দিতে হয়, তাহলে বিকল্প খাবার হিসাবে অবশ্যই মাছ,‌ পনির এবং বাদামের দুধ খাওয়া যেতে পারে। দুধ থেকে অনেক সময়েই পেটের সমস্যা হয়। কিন্তু বাদাম দুধে সেই ঝুঁকি কম। কিন্তু পুষ্টিগুণ একরকম। তাই যাদের দুধ খেলে সমস্যা হয়, তাঁরা বিকল্প খাবার হিসাবে বাদাম দুধ খেতেই পারে। আবার ডিমের মতোই পনীর এবং মাছ শরীরে সহজে পুষ্টির জোগান দেয়। নিয়মিত এমন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, যাতে সেটা সহজে হজম হয়‌। তবেই শরীর উপকার পাবে। মাছ এবং পনীর সহজ পাচ্য। তাই ডিমে অ্যালার্জি থাকলে নিয়মিত এই দুই খাবার খাওয়া প্রয়োজন। তাহলে প্রোটিন, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের ঘাটতি কমবে। সোয়াবিনের মতো নিরামিষ প্রোটিনে অ্যালার্জি দেখা দিলে নিয়মিত ডাল খাওয়া জরুরি। মুগ, মুসুর বা ছোলা যে‌কোনো ডাল নিয়মিত খেলে শরীরে প্রোটিন, ফাইবারের ঘাটতি হবে না। তাই এই ধরনের বিকল্প খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। যাতে শরীর সুস্থ থাকে। আবার অ্যালার্জি থাকলে, বড় বিপদ ও সহজে এড়ানো যায়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Rath Yatra 2026: আজ মহাপ্রভুর স্নানযাত্রা! ১০৮ কলসে মহাস্নান, তারপরই জ্বর— জগন্নাথদেবকে ঘিরে এই রহস্য জানেন?

    Rath Yatra 2026: আজ মহাপ্রভুর স্নানযাত্রা! ১০৮ কলসে মহাস্নান, তারপরই জ্বর— জগন্নাথদেবকে ঘিরে এই রহস্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার (২৯ জুন), শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের পবিত্র স্নানযাত্রা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবকে দেবস্নান পূর্ণিমা বা স্নান পূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালিত হলেও, এ বছর জ্যৈষ্ঠ মাসে মলমাস (অধিক মাস) পড়ায় আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাপ্রভুর স্নানযাত্রা। ওড়িশার পুরী জগন্নাথধাম থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মাহেশ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আজ ভক্তিভরে পালিত হচ্ছে এই বিশেষ উৎসব। তবে ঐতিহ্য, আচার এবং জাঁকজমকের নিরিখে সবচেয়ে বড় আয়োজন হয় পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে। ফলে সারা বিশ্বের জগন্নাথভক্তদের নজর এখন পুরীতেই।

    স্নান পূর্ণিমার তিথি

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে সোমবার ভোর-রাত ৩টা ৮ মিনিটে এবং শেষ হবে মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে। অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুসারে পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে সোমবার ভোর-রাত ২টো ৪৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে এবং শেষ হবে মঙ্গলবার ভোর ৪টে ৪৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথি অত্যন্ত পবিত্র। তাই এদিন বহু মানুষ পূজা-পাঠ, দান-ধ্যান, ব্রত পালন এবং বিভিন্ন শুভ কাজ সম্পন্ন করেন।

    স্নানযাত্রা থেকেই শুরু রথযাত্রার প্রস্তুতি

    জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রাকে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা বলেই মনে করা হয়। যদিও তারও আগে চন্দনযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয় প্রস্তুতি পর্ব, তবুও স্নানযাত্রার পর থেকেই কার্যত শুরু হয়ে যায় রথযাত্রার কাউন্টডাউন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে মানুষের মতোই কষ্ট পান মহাপ্রভু জগন্নাথ। তাই গরমের সময় তাঁর কপালে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়, যা চন্দনযাত্রা নামে পরিচিত। বর্ষার সূচনালগ্নে সেই পর্ব শেষ করে পালিত হয় স্নানযাত্রা।

    ১০৮ কলস সুগন্ধি জলে মহাপ্রভুর মহাস্নান

    স্নানযাত্রার দিন শ্রীমন্দিরের স্নানবেদীতে বিশেষ বৈদিক আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রীজগন্নাথ, বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রাকে ১০৮টি পবিত্র কলসে ভরা সুগন্ধি জল দিয়ে স্নান করানো হয়। প্রথমে শ্রীজগন্নাথ, তারপর বলভদ্র এবং সবশেষে দেবী সুভদ্রার পূজা সম্পন্ন করে তাঁদের মহাস্নানের আয়োজন করা হয়। স্নান সম্পন্ন হওয়ার পর তিন দেবদেবীকে বিশেষ গজবেশে সজ্জিত করা হয়, যা ভক্তদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ। স্কন্দপুরাণের বর্ণনা অনুযায়ী, পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার পর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নই এই স্নানযাত্রা উৎসবের প্রচলন করেন।

    কেন জ্বরে আক্রান্ত হন জগন্নাথদেব?

    স্নানযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক বিশেষ ধর্মীয় বিশ্বাস। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, বছরে একবার ১০৮ কলস জল দিয়ে মহাস্নানের পর মহাপ্রভুর জ্বর আসে। সেই কারণেই স্নানযাত্রার পর শুরু হয় ‘অনসর’ বা ‘অনবাসর’ পর্ব। এই সময় প্রায় ১৫ দিন ধরে জগন্নাথদেব, বলভদ্র এবং সুভদ্রা ভক্তদের দর্শনের বাইরে থাকেন। শ্রীমন্দিরের দরজা সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয় এবং দেবদেবীদের গোপন কক্ষে বিশ্রাম ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, রাজবৈদ্য আয়ুর্বেদিক ওষুধ ও পাঁচন দিয়ে মহাপ্রভুর চিকিৎসা করেন। এই সময় দেবতাদের বিশেষ খাদ্যও নিবেদন করা হয়।

    ১৫ দিন পর নবযৌবন দর্শন

    অনসর পর্ব শেষ হলে সুস্থ হয়ে ওঠেন মহাপ্রভু। এরপর নতুন রূপে, নতুন সাজে তিনি ভক্তদের দর্শন দেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানকে বলা হয় নেত্রোৎসব বা নবযৌবন দর্শন। এই দিনই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে লক্ষ লক্ষ ভক্তের। নতুন সাজে মহাপ্রভুর প্রথম দর্শনকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

    এরপর মহাপ্রভুর রথযাত্রা

    নবযৌবন দর্শনের পরই শুরু হয় রথযাত্রার চূড়ান্ত প্রস্তুতি। রাজবেশে সজ্জিত হয়ে শ্রীজগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রা তিনটি পৃথক রথে চেপে মাসির বাড়ি— গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। বিশ্বাস অনুযায়ী, এই যাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ভগবানের ভক্তদের কাছে স্বয়ং এসে আশীর্বাদ করার প্রতীক। তাই স্নানযাত্রা থেকেই শুরু হয়ে যায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রার আবহ। এবছর রথযাত্রা ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার। উল্টোরথ (পুনর্যাত্রা) ২৪ জুলাই, শুক্রবার।

    ধর্মীয় গুরুত্ব

    স্নানযাত্রা শুধু একটি আচার নয়, এটি ভক্তি, বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেবতার মানবিক রূপ—গরমে কষ্ট পাওয়া, স্নানের পর অসুস্থ হওয়া, চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা—এই সমস্ত বিশ্বাস জগন্নাথ সংস্কৃতিকে অন্য সব ধর্মীয় পরম্পরা থেকে আলাদা করে তুলেছে। এই কারণেই স্নানযাত্রা থেকে রথযাত্রা পর্যন্ত প্রতিটি পর্বকে ঘিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের আবেগ, অপেক্ষা এবং উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। পুরী হোক বা মাহেশ—আজ দেবস্নান পূর্ণিমার এই পবিত্র দিনে সর্বত্রই ধ্বনিত হচ্ছে, ‘‘জয় জগন্নাথ’’।

  • Daily Horoscope 29 June 2026: নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 June 2026: নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক অবসাদ দেখা দেবে।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা বলুন।

    কন্যা

    ১) পুরনো রোগ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভালো কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) উচ্চাভিলাষী কোনও ব্যক্তির পাল্লায় পড়ে অর্থব্যয়।

    ২) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের ব্যাপারে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত বিশ্বাসের খেসারত দিতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজ সেবামূলক কাজে যশ বৃদ্ধি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • MEA: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় সতর্কবার্তা, প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া ভারত না ছাড়ার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    MEA: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় সতর্কবার্তা, প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া ভারত না ছাড়ার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন ভারতীয় নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা জারি করল   ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA)। বেসরকারি ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে যাত্রা করলে প্রয়োজনীয় সমস্ত ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি হাতে পাওয়ার আগে যেন কেউ ভারত না ছাড়েন, সেই পরামর্শও দিয়েছে মন্ত্রক।

    নেপালে পৌঁছে সমস্যায় (MEA)

    বিদেশমন্ত্রকের দাবি, সম্প্রতি একাধিক ভারতীয় তীর্থযাত্রী নেপালে পৌঁছে সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের কাছে চিনে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় চাইনিজ ভিসা এবং এন্ট্রি পারমিট না থাকায় তাঁরা কাঠমান্ডুতেই আটকে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫২ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী কাঠমান্ডুতে আটকে রয়েছেন। নিরাপদে তাঁরা যাতে যাত্রা করতে পারেন, সেজন্য সাহায্য চেয়েছেন ভারত সরকারের। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি পরে পাওয়া যাবে—এই আশায় যাত্রা শুরু করলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। ফলে তীর্থযাত্রীরা মাঝপথে আটকে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন। বিদেশমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটর সরকারিভাবে নিবন্ধিত ও অনুমোদিত কি না, তা অবশ্যই যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি চিনে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, এন্ট্রি পারমিট-সহ সব ধরনের নথিপত্র সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই যাত্রা শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এই তীর্থযাত্রা অত্যন্ত সংবেদনশীল

    মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই তীর্থযাত্রা অত্যন্ত সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে সম্পন্ন হয়। ফলে বৈধ ভিসা, প্রয়োজনীয় পারমিট এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদন ছাড়া যাত্রা শুরু করলে শুধু ব্যক্তিগত ভোগান্তিই নয়, কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতাও তৈরি হতে পারে (MEA)। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যাত্রাপথে কোনও ধরনের সমস্যায় পড়া এড়াতে তীর্থযাত্রীদের আগে থেকেই সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছে, কৈলাস মানসসরোবর যাত্রায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত ট্যুর অপারেটরের পরিষেবা গ্রহণ করা উচিত। অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে যাত্রা করলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ভ্রমণ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

    সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ

    সরকারের বক্তব্য, বিদেশে কোনও ভারতীয় তীর্থযাত্রী যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি না হন বা আটকে না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা সম্প্রতি নাথু লা পাস রুট দিয়ে পুনরায় শুরু হয়েছে। গত ২০ জুন প্রথম ব্যাচের তীর্থযাত্রীরা এই পথ দিয়ে চিনে প্রবেশ করেন (MEA)।

     

  • Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর দুয়েক ধরে দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হলেও, তাঁর মন যে সেই বাংলাদেশেই (Bangladesh) পড়ে রয়েছে, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।  বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দাবি, চলতি বছরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর ভাষায়, “এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই।” হাসিনা জানান, তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আওয়ামি লিগকে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না’ (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের প্রায় সবাইকে হারিয়েছি। একাধিকবার আমায় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই মানুষের পাশে থেকেছি। তাই সব বাধা অতিক্রম করে এ বছরই দেশে ফিরব।” আওয়ামি লিগের সাংগঠনিক শক্তি প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “দলটি কাগুজে কোনও সংগঠন নয়, বরং বাংলার মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও, প্রতিবারই জনগণের সমর্থনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আওয়ামি লিগ।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং উগ্রবাদের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে জনগণ আওয়ামি লিগের শাসন কালের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে নতুন করে মূল্যায়ন করছে (Sheikh Hasina)।

    নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্রের পরিপন্থী’

    আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “কোনও রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আওয়ামি লিগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলার অবসান এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে (Bangladesh)।” তিনি বলেন, “যদি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ দেওয়া না হয়, তাহলে জনগণের ক্ষোভই আওয়ামি লিগের জন্য নয়া পথ তৈরি করে দেবে।”

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে হাসিনার অভিযোগ, ৫ অগাস্টের পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ধারাবাহিক আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে হামলা, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং উগ্রবাদী শক্তির উত্থানের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।” আওয়ামি লিগের রাজত্বে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং সামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)।

    গোপন সমঝোতার প্রশ্নই আসে না’

    বিএনপির সঙ্গে আওয়ামি লিগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে গোপন আলোচনার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা বলেন, “গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বিচার কোনও গোপন সমঝোতার বিষয় নয়। এগুলি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার।” তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগ কারও দয়ার ওপর রাজনীতি করে না। জনগণের সমর্থন ও সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতেই দলটি রাজনীতি করে যাবে (Bangladesh)।”

    সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ

    বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, মন্দির ভাঙচুর, লুটপাট, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো বলেন, “সংখ্যালঘুরা কোনও ভোটব্যাঙ্ক নন। তাঁরা বাংলাদেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।”

    আমার হৃদয় বাংলাদেশেই’

    নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে দেশের মানুষের অধিকারই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রতিদিন দেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখেন, খোঁজখবর নেন দলীয় নেতা-কর্মীদের এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন (Sheikh Hasina)। ই-মেলের মাধ্যমে দেওয়া এই সাক্ষাৎকার পর্বের একেবারে শেষে হাসিনা বলেন, “জনগণের শক্তিতেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামি লিগও ফের ঘুরে দাঁড়াবে (Bangladesh)।”

     

  • PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক সম্মান ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হোরাইজনে’ (Guardian of the Blue Horizon) ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসে (Seychelles) তাঁর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে এই সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। এই পুরস্কার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন তিনি।

    মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা (PM Modi)

    সেশেলসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, ব্লু ইকোনমি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে তাঁর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলির (Small Island Developing States) উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারতের সমর্থন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় তাঁর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত এবং সেশেলসের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তি-সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন মোদি

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঝুলিতে যুক্ত হওয়া আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান। গত মে মাসে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) তাঁকে এগ্রিকোলা মেডেল (Agricola Medal) দেয়। ২০১৮ সালে তিনি সিওল পিস প্রাইজ (Seoul Peace Prize) পান। ওই বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ডে (Champions of the Earth Award) ভূষিত হন। প্রসঙ্গত, ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত চলা এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক করছেন। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা এবং ভারতের ‘ভিশন সাগর’ (Vision SAGAR) উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি (Seychelles) আলোচনার ফোকাসে রয়েছে।

    সেশেলসকে উপহার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী সেশেলসের প্রেসিডেন্টের হাতে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট প্যাট্রোল ভেসেল পিএস লেপসওয়্যার (Fast Patrol Vessel PS Lespwar), ছ’টি ফোর্স অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি গাড়ি এবং পাঁচটি লেজার রেডিয়াল নৌকা তুলে দেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, সেশেলসের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি কুচকাওয়াজ দল (Seychelles) এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজও অংশগ্রহণ করছে (PM Modi)।

     

  • Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্রুত বিকাশমান মোবিলিটি সেক্টরে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ ২৭ জুন গুজরাটের (Gujarat) গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে উদ্বোধন করলেন ‘ভারত ট্যাক্সি’র (Bharat Taxi)। এটি সমবায় ভিত্তিক একটি রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম। সরকারের দাবি, এটি দেশের প্রথম বৃহৎ সমবায়ভিত্তিক ক্যাব পরিষেবা, যেখানে ড্রাইভাররাই হবেন প্ল্যাটফর্মের অংশীদার এবং মালিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিভিন্ন সমবায় সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ৪ হাজারেরও বেশি চালক। প্রাথমিকভাবে গুজরাটের ১৪টি বড় শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।

    বেসরকারি অ্যাপের সমালোচনায় শাহ (Bharat Taxi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, এটি শুধু একটি নতুন ট্যাক্সি পরিষেবা নয়, বরং এমন একটি অর্থনৈতিক মডেল যেখানে চালকেরাই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদার হবেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে অধিকাংশ বেসরকারি রাইড-হেলিং সংস্থা চড়া হারে কমিশন কেটে নেয়, পেমেন্টে দেরি করে এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে চালকদের পর্যাপ্ত শুনানি ছাড়াই অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। ফলে চালকদের দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়। শাহ বলেন, “অন্য অ্যাপগুলি চালকদের শোষণ করেছে। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ভারত ট্যাক্সিতে এমনটা হবে না।” তিনি জানান, তিনি ‘ড্রাইভার’ শব্দের বদলে ‘সারথি’ শব্দটি ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন। কারণ এই পেশার সঙ্গে সম্মান, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা জড়িত।

    কীভাবে কাজ করবে ভারত ট্যাক্সি?

    ‘ভারত ট্যাক্সি’ তৈরি হয়েছে সাহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেডের মাধ্যমে। এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে দেশের শীর্ষ সমবায় সংস্থা আমূল, আইএফএফসিও (IFFCO) এবং নাবার্ড (NABARD)। এই প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো কমিশন মডেল। অর্থাৎ, যাত্রার ভাড়া থেকে কোনও কমিশন কাটা হবে না। ফলে আয়ের বড় অংশ সরাসরি চালকদের কাছেই থাকবে। সরকারের দাবি, এই মডেলটি আমূলের সফল সমবায় কাঠামো থেকে প্রাণিত। যেমন দুধ উৎপাদকরা আমূলের অংশীদার, তেমনই ভারত ট্যাক্সিতে চালকরাও প্রতিষ্ঠানের মালিকানা পাবেন। শাহ জানান, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭ লাখ চালক এই সমবায় কাঠামোর শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন।

    ১৪টি শহরে পরিষেবা শুরু

    প্রথম পর্যায়ে আমেদাবাদ, সুরাট, ভাদোদরা, রাজকোট, ভাবনগর, জামনগর-সহ গুজরাটের (Gujarat) ১৪টি শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।দুচাকা, অটো-রিকশা এবং চার চাকার গাড়ি—সব ধরনের পরিষেবাই এই প্ল্যাটফর্মে থাকবে। আগামী এক মাসের মধ্যে গোটা গুজরাটে পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ বিমানবন্দর এবং একাধিক পুরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মউ (MoU) সই করেছে ভারত ট্যাক্সি, যা পরিষেবার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের (Bharat Taxi)।

    ইতিমধ্যেই ৭ লাখ গ্রাহক

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর থেকে প্ল্যাটফর্মে ১.৫ লাখেরও বেশি চালক এবং প্রায় ৭ লাখ গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩,৫০০টি ট্রিপ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই সংখ্যা এখনও দেশের বড় রাইড-হেলিং সংস্থাগুলির তুলনায় অনেক কম, তবুও সরকারের দাবি, সমবায় মডেলের কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হচ্ছে।

    কম ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা

    শাহের অভিযোগ, বেসরকারি সংস্থাগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে সাময়িকভাবে ভাড়া কমিয়ে ভারত ট্যাক্সিকে বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, “বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলি প্রথমে কম দামে প্রতিযোগীদের দুর্বল করে দেয়। পরে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে ভারত ট্যাক্সি বাজারে টিকে থাকবে, এবং সফল হবেই।”

    কেন প্রয়োজন হল ভারত ট্যাক্সির?

    ভারতে অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা জনপ্রিয় হলেও, দীর্ঘদিন ধরেই চালকদের মধ্যে কমিশনের হার, সার্জ প্রাইসিং, আয়ের অনিশ্চয়তা, অ্যালগরিদম-নির্ভর অ্যাকাউন্ট সাসপেনশন-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সরকারের মতে, সমবায় মডেলের মাধ্যমে চালকদের আয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং লাভের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে গিগ-ওয়ার্কারদের আর্থিক নিরাপত্তাও বাড়বে।

    আমূলের মডেলেই প্রাণিত সরকার

    বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার আমূলের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “একসময় অনেকেই বিশ্বাস করেননি যে কৃষকদের মালিকানাধীন একটি সমবায় সংস্থা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। অথচ আজ আমূল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ সমবায় সংস্থা। সরকারের আশা, একইভাবে ভারত ট্যাক্সিও ভবিষ্যতে দেশের পরিবহণ খাতে সফল সমবায় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে (Bharat Taxi)।”

    সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ট্যাক্সির সাফল্য নির্ভর করবে গ্রাহক আকর্ষণ, পরিষেবার মান, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো (Gujarat) এবং প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতার ওপর। তবে ড্রাইভারদের মালিকানা, জিরো কমিশন নীতি এবং সমবায় কাঠামো যদি ঠিকঠাকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি ভারতের গিগ ইকোনমিতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে (Bharat Taxi)।

     

  • West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ক্ষমতায় এসেছে প্রথম বিজেপি সরকার। সোমবার তারাই বিধানসভায় পেশ করতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল (UCC Bill)। নির্বাচনের আগে ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির ইস্তেহারের নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই বিল আনতে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পদ্ম-সরকার। বিলটি পাস হলে ধর্ম নির্বিশেষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির অধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং পারিবারিক আইন সংক্রান্ত একক আইন কার্যকর হবে।

    কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? (West Bengal)

    বিজেপি সূত্রে খবর, সম্প্রতি বিধানসভার বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি (BAC)-র বৈঠকে বিলটি পেশের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার এই বিলকে তাদের অন্যতম বড় আদর্শগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে। কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? যদিও বিলের চূড়ান্ত খসড়া এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে সরকার ও দলীয় সূত্রে খবর, চারটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের জন্য একই ন্যূনতম বৈধ বিয়ের বয়স নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ধর্ম নির্বিশেষে বিবাহের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের মতে, এতে দাম্পত্য সম্পর্কের আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা কমবে।

    বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

    প্রস্তাবিত বিলে বহুবিবাহ (Polygamy) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপির দাবি, এই পদক্ষেপ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেবে, এবং বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। উত্তরাধিকার, সম্পত্তির মালিকানা ও সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে সব ধর্মের নারীর সমান আইনি অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের কারণে যে বৈষম্য তৈরি হয়, এই বিল তা দূর করতে সাহায্য করবে।

    লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন

    সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাবগুলির মধ্যে রয়েছে লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন। শুধু সম্পর্ক শুরু নয়, সম্পর্ক শেষ হলেও তা নথিভুক্ত করতে হতে পারে। সরকারের মতে, এতে ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, উত্তরাধিকার বা ডিভোর্সের মতো মামলায় আইনি স্বচ্ছতা আসবে (West Bengal)। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা বিবাহবিচ্ছেদ আইন রয়েছে। নতুন বিলে ধর্মভিত্তিক নিয়মের পরিবর্তে সবার জন্য একক ডিভোর্স আইন চালুর প্রস্তাব রয়েছে, যাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সমান আইনি অধিকার পান (UCC Bill)।

    এই বিলের প্রয়োজনীয়তা

    পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর-সহ একাধিক জেলায় উল্লেখযোগ্যভাবে বসবাস করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। তাই ব্যক্তিগত আইন সম্পর্কিত এই বিল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। সরকারের দাবি, এই আইন ধর্মকে লক্ষ্য করে নয়, বরং আইনের সমতা ও প্রশাসনিক একরূপতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মতে, বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত আইন থাকায় নাগরিকদের মধ্যে আইনি বৈষম্য তৈরি হয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে সংবিধানের সমতার নীতি আরও শক্তিশালী হবে। দলের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশের মহিলারাও এই আইনের পক্ষে সহমত প্রকাশ করেছেন, কারণ এতে বিবাহ, সম্পত্তি ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তাঁদের আইনি অধিকার আরও সুদৃঢ় হবে। যদিও এই দাবির সত্যতা আলাদা করে যাচাই করা হয়নি।

    কী বলছেন সমালোচকরা

    সমালোচকদের মতে, ব্যক্তিগত আইন বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত। তাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার আগে সব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং মতামত নেওয়া জরুরি। তাঁদের আশঙ্কা, এই আইন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্নে জন্ম দিতে পারে নয়া বিতর্কের (West Bengal)।

    জাতীয় প্রেক্ষাপট

    পশ্চিমবঙ্গ প্রথম নয়, এর আগে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করেছে উত্তরাখণ্ডের সরকার। অসম, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট-সহ একাধিক বিজেপি-শাসিত রাজ্যও এই একই ধরনের আইন আনার উদ্যোগ নিয়েছে (UCC Bill)। সোমবার বিধানসভায় বিলটি পেশ হওয়ার পর তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর সংশোধনী ও ভোটাভুটির মাধ্যমে বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিল শুধু আইনগত নয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, সামাজিক কাঠামো এবং ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে (West Bengal)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। ২১ জুন থেকে ২৭ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার (Hindus Under Attack)

    কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। অভিযোগ, তিনি এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ, সেই দৃশ্য মোবাইলবন্দি করা এবং ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে দীর্ঘদিন যৌন নির্যাতন করেছেন।  অভিযুক্তের নাম মহম্মদ পারুল আহমেদ। তিনি অসমের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি জেলার নান্নিমঙ্গলম গ্রামের প্রায় এক হাজার বছরের প্রাচীন মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বরর মন্দির থেকে একটি ব্রোঞ্জের উৎসব বিগ্রহ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। মন্দিরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াবিহারীর বিগ্রহটিও নিখোঁজ বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলা

    কর্নাটকে আলন্দ সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলায় প্রায় ৪৫০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা মন্ত্রিসভার সাবকমিটির বিবেচনার জন্য পাঠানোর সুপারিশ করে রাজ্যের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের একটি চিঠিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যাও প্রকাশ্যে এসেছে (Roundup Week)। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আয়োজিত এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের এক নেত্রীর বক্তব্য নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ওই সভায় পরীক্ষা সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকভাবে বিতর্কিত মন্তব্য এবং স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা

    মহারাষ্ট্রের পুনেতে কেনেথ সিলওয়ে মিনিস্ট্রিজের প্রধান পাস্টর কেনেথ সিলওয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে কন্ডওয়া পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে ক্যানসার-সহ গুরুতর রোগ অলৌকিকভাবে নিরাময়ের দাবি করেছিলেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অযোধ্যার রাম মন্দিরকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার ছক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও কর্নাটক পুলিশ। যৌথ অভিযানে কর্নাটকের দাভানাগেরে জেলা থেকে উত্তরপ্রদেশের বছর কুড়ির এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পরিচয় গোপন করে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন (Hindus Under Attack)। গুজরাটের রাজকোটে বছর একুশের নন্দিনী আনন্দভাই বসামিয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নয়া মোড়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করলেও, মৃতার পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে পুলিশ।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নারী নির্যাতন ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ঘটনার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বৃহত্তম ভগবান শ্রী রামের মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে (Hindus Under Attack)। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে।

     

  • Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে মহরমের আশুরা শোভাযাত্রায় (Muharram Procession) হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে (Poisonous Tablets) বলে দাবি তদন্তকারীদের।

    বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি (Muharram Procession)

    অভিযুক্তের নাম ফৈয়াজ প্রেমজি। শুক্রবার বাইকুল্লা এলাকার রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ওষুধ বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ। তিনি নিজেকে ওষুধ বিতরণকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। ওই ক্যাপসুলকে কখনও ‘ব্যথার ওষুধ’, আবার কখনও ‘ইমিউনিটি বুস্টার’ বলে দাবিও করছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের বমি, পেটব্যথা-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করায় আপাতত সকলেই বিপন্মুক্ত।তদন্তে জানা গিয়েছে, ক্যাপসুলগুলির মধ্যে মেশানো ছিল জিঙ্ক ফসফাইড (Zinc Phosphide), যা সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মুম্বই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জয়ন্ত মীনা জানান, অভিযুক্তের কাছে এই ধরনের রাসায়নিক রাখার বা বিলি করার কোনও অনুমতি ছিল না। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৪,৯০০টি ক্যাপসুল উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এর আগেই প্রচুর ক্যাপসুল মানুষের মধ্যে বিলি করা হয়েছিল। এছাড়াও, অভিযুক্ত ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং প্রায় ৫০ কেজি ফসফরাস অর্ডার করেছিলেন বলেও দাবি পুলিশের।

    অপরাধ কবুল অভিযুক্তের!

    এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিন মহিলা স্বেচ্ছাসেবী। তাঁদের মধ্যে একজন অভিযুক্তের সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করে তাঁকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে লাউডস্পিকারে মানুষকে ওই ক্যাপসুল না খেতে সতর্ক করে দেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কবুল করেছে, তার উদ্দেশ্য ছিল শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষপ্রয়োগ করা। অসমর্থিত সূত্রের খবর (Muharram Procession), অভিযুক্ত বলেছে, “আমি অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।” জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বিবিএ (BBA) স্নাতক। তদন্তে তাঁর ইরান ও ইরাক সফরের তথ্যও সামনে এসেছে। ঘটনার পেছনে কোনও জঙ্গি যোগ বা বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জিঙ্ক ফসফাইড কতটা বিপজ্জনক?

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১২৩ ধারায় বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত তাঁকে দু’দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিঙ্ক ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক। এটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ফসফিন গ্যাস তৈরি করে, যা হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার, কিডনি এবং মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এই (Poisonous Tablets) বিষের কোনও নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়াই একমাত্র উপায় (Muharram Procession)।

LinkedIn
Share