Blog

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াং-এ একটি আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ভারত ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু, পণ্ডিত ও গবেষকরা অংশ নেন। সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল বৌদ্ধ দর্শন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই চিন সরকারের প্রতিক্রিয়া সামনে আসে। সম্মেলন শেষ হওয়ার ঠিক তিন দিন পরে চিনের সরকারি একটি ওয়েবসাইটে কটুক্তিমূলক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে অরুণাচল প্রদেশকে আবারও “দক্ষিণ তিব্বত” বলে উল্লেখ করা হয়। চিনের ওই লেখায় সম্মেলনটিকে “একটি হাস্যকর নাটক” বলা হয়। ভারতের উদ্যোগকে খাটো করার চেষ্টা করা হয় । অরুণাচল প্রদেশকে “তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশ” বলা হয়। রাজ্যের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকেও “তথাকথিত মুখ্যমন্ত্রী” বলে কটাক্ষ করা হয় (Arunachal Pradesh) ।

    অস্বস্তি চিনের (Arunachal Pradesh)

    এই ধরনের ভাষা থেকেই চিনের বিরক্তি ও অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, তাওয়াং-এর মতো একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক গুরুত্ব পাওয়ায় চিন (China) তার অবস্থান হারানোর আশঙ্কা করছে। চিন আরও দাবি করেছে, ষষ্ঠ দালাই লামা গ্যালওয়া সাঙইয়াং গিয়াতসোর জন্ম অরুণাচল প্রদেশে হওয়ায় ওই এলাকা তাদের অংশ হওয়া উচিত। এই যুক্তি দেখিয়ে চিন বহুদিন ধরেই ভৌগোলিক দাবি জারি রাখছে।

    কী বলল ভারত?

    ভারতের গবেষকদের বড় অংশ এই বক্তব্যকে ইতিহাসের বিকৃতি বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, তাওয়াং (Arunachal Pradesh) বহু শতাব্দী ধরে ভারতের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অংশ। বৌদ্ধ ধর্ম কোনও এক দেশের একচেটিয়া বিষয় নয়। এর আগেও চিন অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলানোর চেষ্টা করেছে। ভারত প্রতিবারই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নাম বদলালেই বাস্তব বদলায় না। অরুণাচল প্রদেশ ছিল, আছে এবং থাকবে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ঘটনার ফলে আবারও অরুণাচল প্রদেশকে ঘিরে ভারত–চিন (China) রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামনে এসেছে। তবে ভারত শান্ত ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অন্য দেশের আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

  • SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তি বিল ২০২৫ ভারতের পরমাণু শক্তি নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। এই বিলের পুরো নাম Sustainable Harnessing and Advancement of Nuclear Energy for Transforming India (SHANTI)। মোদি সরকার মনে করছে, আগামী একশো বছরের শক্তি চাহিদা মেটাতে এই বিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। বুধবার লোকসভায় এই বিলটি পাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, সোমবার সংসদে এই বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আণবিক শক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। বর্তমানে ভারতের মোট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮.৯ গিগাওয়াট। সরকারের লক্ষ্য ২০৩২ সালের মধ্যে এটি ২২ গিগাওয়াট, ২০৩৭ সালে ৪৭ গিগাওয়াট, ২০৪২ সালে ৬৭ গিগাওয়াট এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছনো।

    কী পরিবর্তন আনল এই বিল (SHANTI Bill 2025)?

    এখনও পর্যন্ত ভারতের পরমাণু শক্তি খাত মূলত Atomic Energy Act, 1962 এবং Civil Liability for Nuclear Damage Act, 2010 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই আইনগুলির ফলে পরমাণু শক্তি প্রায় পুরোপুরি সরকারের হাতে ছিল। বেসরকারি সংস্থার প্রবেশ খুব সীমিত ছিল। শান্তি বিল ২০২৫ সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। এই বিল বেসরকারি সংস্থাকে অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে (SHANTI Bill 2025)। তবে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকি পুরোপুরি সরকারের হাতেই থাকবে।

    এই বিলে liability বা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত নিয়মও বদলানো হয়েছে। আগে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সরবরাহকারী সংস্থার ওপর কঠোর দায় ছিল। এতে বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে থাকতেন। নতুন বিল তাঁদের জন্য সহজ ও বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি হল, পরমাণু শক্তি ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়। সৌর ও বায়ু শক্তি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু পরমাণু বিদ্যুৎ স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য। পাশাপাশি এটি কার্বন নির্গমনমুক্ত।

    কোন কোন ক্ষেত্রে প্রভাব বাড়বে (India Nuclear Energy)?

    এই বিলের প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়। পরমাণু প্রযুক্তি ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওথেরাপি, খাদ্য সংরক্ষণ, জল বিশুদ্ধকরণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। শান্তি বিল এই ক্ষেত্রগুলিতেও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে। সরকার মনে করছে, এই বিল কার্যকর হলে ভারত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে। শক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বাড়বে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলাও সহজ হবে (SHANTI Bill 2025)। সব মিলিয়ে, শান্তি বিল ২০২৫ শুধুমাত্র একটি আইন নয়। এটি ভারতের শক্তি নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • Daily Horoscope 21 December 2025: স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 December 2025: স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) উচ্চপদ লাভ করতে পারেন।

    ২) কিছু কাজ সম্পন্ন না-হওয়ায় মেজাজ খিটখিটে হবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) মায়ের তরফে ধন লাভ হতে পারে।

    বৃষ

    ১) পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ থাকবে।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ৩) বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে ধন লাভ।

    মিথুন

    ১) নিজের সন্তানের কাজ দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে অংশীদার এবং সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তান সুখ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আত্মীয়দের কাছ থেকে বস্ত্র উপহার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্যে মনের হতাশা সমাপ্ত হবে।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    ২) পেট খারাপ হতে পারে, বদহজমের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) আপনাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হওয়ায় আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা

    ১) কঠিন পরিস্থিতির শিকার হবেন।

    ২) আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ হতে পারে, এর ফলে মন অশান্ত হবে।

    ৩) পরিবারে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে, আপনাদের মনোবল বাড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আপনজনদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) বড় কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    ৩) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্যে আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সম্পত্তির কারণে বিবাদ হতে পারে।

    মকর

    ১) অর্থ ও যশ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজ বাড়বে।

    ৩) শত্রু ধ্বংস হবে।

    কুম্ভ

    ১) সতর্ক থাকলে কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের আগমন হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস আসবে।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়কগুলিতে টোল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে ভারত (AI Based Tolling System)। ২০২৬ সালের শেষাশেষি ন্যাশনাল হাইওয়েতে সম্পূর্ণ স্যাটেলাইট ও এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকরি। সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে (India) যাবে, সাশ্রয় হবে জ্বালানি, কমবে দূষণ এবং সামগ্রিকভাবে লজিস্টিকস ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (AI Based Tolling System)

    এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোলিং সিস্টেমের মাধ্যমে। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যার সাহায্যে যানবাহন টোল পয়েন্টে না থেমে বা গতি কমানো ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এই উন্নত এএমপিএম টোলিং সিস্টেমে ফাস্ট্যাগ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিডার, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (ANPR) ক্যামেরা এবং এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে যানবাহনের নির্ভুল শনাক্তকরণ ও টোল আদায় নিশ্চিত হবে এবং টোল পয়েন্টে যান চলাচল অবাধ থাকবে।

    সড়ক পরিবহণ

    ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় জমা দেওয়া একটি লিখিত সরকারি উত্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো পদ্ধতিতে টোল আদায়ের পাইলট প্রকল্প চালু করেছে (India)। এমএলএফএফ (MLFF) কাঠামোয় গ্যান্ট্রিতে স্থাপিত আরএফআইডি রিডার এবং এএনপিআর ক্যামেরা একসঙ্গে কাজ করে। ফলে একটি দ্বৈত সুরক্ষিত ও অত্যন্ত নির্ভুল টোল আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়। ফাস্ট্যাগ ও নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং কোনও শারীরিক বাধা বা টোল বুথ ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টোল ফি বাবদ ধার্য করা টাকা কেটে নেওয়া হয় (AI Based Tolling System)।

    বাড়বে গাড়ির গতি

    গডকরি জানিয়েছেন, একবার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে যানবাহনগুলি টোল বুথ দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতেও চলাচল করতে পারবে। এটি বর্তমান ব্যবস্থার থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে টোল বুথ পার হওয়ার সময় গাড়িকে থামতে ও আবার চালু করতে হয়।রাজ্যসভা রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিশিষ্ট অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, গুজরাটের এনএইচ-৮-এর ভরুচ–সুরাট অংশে চোরিয়াসি, এনএইচ-৪৪-এর পানিপথ–জালন্ধর অংশে ঘারাউন্ডা, দিল্লি–জয়পুর করিডরে মনোহরপুরা, শাহজাহানপুর ও দৌলতপুরায় এবং দিল্লির আরবান এক্সটেনশন রোড–২ করিডরের  মুন্ডকায়।

    সরকার বাধাহীন টোল আদায় ব্যবস্থার বিপুল সুফলের ওপরও ভরসা করছে। মন্ত্রকের করা মূল্যায়ন অনুযায়ী টোল বুথে সারি দেওয়ার প্রয়োজন তুলে দিলে জ্বালানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটবে এবং একই সঙ্গে কমবে যানবাহন থেকে নির্গত দূষণের পরিমাণও (AI Based Tolling System)। গডকরির দাবি, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং টোল ফাঁকি রোধের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিটি প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা (India) সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল লজিস্টিকস দক্ষতা বাড়াবে, যার ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। টোল বুথ ও ব্যারিয়ার না থাকায় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচও কমবে বলেই আশা। সেক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে আর অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে না (AI Based Tolling System)।

  • PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘন কুয়াশার জেরে শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরের জনসভায় সশরীরে যোগ দিতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শেষমেশ কলকাতা থেকে ভার্চুয়ালি ওই জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এই ভাষণের মাধ্যমেই (BJP) প্রধানমন্ত্রী বাংলায় জঙ্গলরাজের মুক্তি ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখান। ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের স্লোগানের আগে প্রচারের সুরও বেঁধে দেন তিনি। বলেন, এবার “আমাদের স্লোগান হল বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই।”

    ঘন কুয়াশার জের (PM Modi)

    এদিন, তাহেরপুরের আকাশে বেশ কয়েকবার চক্কর কেটেও নদিয়ার মাটিতে অবতরণ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতায় ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভাষণ দেন অডিও মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই জানিয়ে দেন, বাংলাকে নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, “মোদি আপনাদের জন্য অনেক কিছু করতে চায়। পয়সা, ইচ্ছে আর যোজনা, কোনওটাই কমতি নেই। বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। দেখুন আমরা কত দ্রুত উন্নয়ন করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ত্রিপুরার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামেরা ত্রিপুরাকে তিন দশক ধরে বরবাদ করে দিয়েছিল। কিন্তু ওখানকার মানুষ বিজেপিকে একবার সুযোগ দিতেই ছবিটা বদলে গিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিনের সরকার সেখানে উন্নয়নের জোয়ার নিয়ে এসেছে।” তিনি বলেন, “বাংলায়ও বামেদের সরিয়ে মানুষ অনেক আশা নিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাঁদের সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে (BJP)।” প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বামেরা যাওয়ার পর আশা ছিল ভালো কিছু হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের যাবতীয় খারাপ গুণগুলিকে আত্মস্থ করে নিয়েছে। ফলে অন্যায়-অবিচার আগের থেকেও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। এবার তৃণমূলের সরকারকে সরিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারকে সুযোগ দিলে দ্রুত গতিতে বাংলার বিকাশ হবে।

    বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ

    ত্রিপুরার পর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিজেপির বিপুল জয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গত মাসে বিহারে এনডিএ সরকার বিরাট জনাদেশ পেয়েছে। তার পরে বলেছিলাম, গঙ্গাজি বিহার থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলায় পৌঁছয়। গঙ্গা বাংলায়ও বিজেপির জয়ের রাস্তা তৈরি করেছে। বিহারে এক সময়ে জঙ্গলরাজ ছিল। বিজেপি তা উপড়ে দিয়েছে (PM Modi)। পশ্চিমবঙ্গে যে মহাজঙ্গলরাজ চলছে, তার থেকে আমাদের মুক্তি চাই। তাই পশ্চিমবঙ্গের সব গ্রাম, শহর, সব গলি ও পাড়া বলছে, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই (BJP)।”

    তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা

    অনুপ্রবেশকারী প্রশ্নে এদিন আরও একবার তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তাঁর কথায়, গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলা উচিত। কিন্তু ওরা গো ব্যাক মোদি বলে। অনুপ্রবেশকারীদের গো ব্যাক বলে না। ওদের ক্ষেত্রে চুপ করে থাকে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। টেনে আনেন কাটমানির প্রসঙ্গও। বলেন, “রাজ্যকে সাহায্য করার সদিচ্ছা বা প্রয়োজনীয় অর্থের কোনও অভাব নেই কেন্দ্রের। কিন্তু রাজ্যে এমন এক সরকার চলছে, যারা ‘কাট’ আর ‘কমিশন’ ছাড়া এক পা-ও এগোতে চায় না। এই কমিশন-রাজ বা কাটমানি কালচারের জেরে কেন্দ্রের পাঠানো হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির কারণেই সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শুধু রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আসবে। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকারের সমন্বয় থাকলেই রাজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করা যাবে।” তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে একবার বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানিয়ে দেখুন। অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের স্নেহধন্য। বহু অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতেই পশ্চিমবঙ্গে (PM Modi) এসআইআরের (SIR) বিরোধিতা করছে তৃণমূল।”

    ‘বন্দে মাতরম’

    প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ। সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্প্রতি বন্দেমাতরমের গুণগান করা হয়েছে সংসদে। এই বাংলায়ই জন্মেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, বঙ্কিমবাবু তখন স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিলেন বন্দে মাতরম। আর এখন বিকশিত ভারতের মন্ত্রও হয়ে উঠেছে এই বন্দে মাতরম। উল্লেখ্য যে, এদিন তাহেরপুরে যেতে না পারার কারণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “জয় নিতাই, বড়রা প্রণাম নেবেন (BJP)। সকলকে শুভেচ্ছা। আবহাওয়া খারাপ থাকায় পৌঁছতে পারিনি। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী (PM Modi)।”

  • Dipu Chandra Das: মিথ্যে অভিযোগে খুন বাংলাদেশের দীপুকে, কী বলছে তাঁর পরিবার?

    Dipu Chandra Das: মিথ্যে অভিযোগে খুন বাংলাদেশের দীপুকে, কী বলছে তাঁর পরিবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পেশায় ছিলেন ঢাকার (Bangladesh) পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট ফ্যাক্টরির এক অতি সাধারণ কর্মী। ধর্মে হিন্দু। বছর পঁচিশের এই দীপু চন্দ্র দাসের (Dipu Chandra Das) রোজগারেই চলত দাসেদের সংসার। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উন্মত্ত জনতা পিটিয়ে খুন করে দীপুকে। ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাংলাদেশিদের একাংশ। বিশ্বজুড়ে বইছে নিন্দের ঝড়।

    তুমুল উত্তেজনা (Dipu Chandra Das)

    বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগটি কারখানার ভেতরে এবং আশপাশের এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যার জেরে ছড়ায় তুমুল উত্তেজনা। পরে ক্ষুব্ধ জনতা দীপুকে আক্রমণ করে। মারধর করে নির্মমভাবে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ভালুকা মডেল থানার তদন্তকারী আধিকারিক আবদুল মালেক জানান, হত্যার পর জনতা ঢাকা–ময়মনসিংহ সড়কের পাশে দীপুর মরদেহ ফেলে দিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর ফলে সড়কের দু’পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবারের ঘটনার নিন্দে করেছে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নতুন বাংলাদেশের মধ্যে এই ধরনের হিংসার কোনও জায়গা নেই। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।”

    রবিলাল দাসের বক্তব্য

    দীপুর বাবা রবিলাল দাস জানান, তাঁর পরিবার প্রথম ঘটনাটির কথা জানতে পারেন (Bangladesh) সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। তিনি বলেন, “আমরা ফেসবুকে দেখেছিলাম। ফেসবুক থেকেই নানা কথা কানে আসতে শুরু করে। তারপর আরও মানুষ বলতে থাকে। শেষে একজন এসে আমায় বলল, আমার ভাইকে মারধর করা হয়েছে, ভীষণভাবে মারা হয়েছে (Dipu Chandra Das)। তারপর প্রায় আধ ঘণ্টা পরে আমার কাকা এসে জানাল যে ওরা আমার ছেলেকে নিয়ে গিয়েছে। তাকে একটি গাছে বেঁধে রেখেছে।” তিনি জানান, এরপর সেই জনতা তাঁর ছেলের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার পোড়া দেহ বাইরে ফেলে রাখা হয়েছিল। পোড়া ধড় আর মাথা একসঙ্গে বেঁধে বাইরে রাখা হয়েছিল। দৃশ্যটা যে কী নৃশংস, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কথাগুলি বলেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন সদ্য সন্তান হারানো বাবা। পরে নিজেকে খানিক সামলে নিয়ে রবিলাল জানান, এখনও পর্যন্ত তাঁরা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস পাননি। তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে কেউ কোনওরকম আশ্বাস দেয়নি। কেউ কিছুই বলেওনি (Dipu Chandra Das)।”

    গ্রেফতার ৭

    এদিকে, দীপুকে নৃশংসভাবে মারধর ও খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে র‍্যাব (র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) গ্রেফতার করেছে (Bangladesh) সাতজনকে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় র‍্যাব-১৪ পরিচালিত একাধিক অভিযানের পর এদের গ্রেফতার করা হয়। ওই ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল মহম্মদ লিমন সরকার, মহম্মদ তারেক হোসেন, মহম্মদ মানিক মিঞা, এরশাদ আলি, নিজুমউদ্দিন, মহম্মদ আলমগির হোসেন এবং মহম্মদ মিরাজ হোসেন আকন। বিশিষ্ট লেখিকা তথা মানবাধিকার কর্মী তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ, দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল এবং পুলিশের হেফাজতে থাকার পরেও তাঁকে কার্যত ছেড়ে দিতে হয়েছিল।

    তসলিমার বক্তব্য

    এক্স হ্যান্ডেলে তসলিমা লেখেন, দীপু চন্দ্র দাস ছিলেন একজন দরিদ্র শ্রমিক। তাঁর এক মুসলিম সহকর্মী তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দীপুকে শাস্তি দিতে চেয়ে প্রকাশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে নবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য (Bangladesh) করার মিথ্যে অভিযোগ তোলে (Dipu Chandra Das)। যার জেরে শুরু হয় উন্মত্ত জনতার হিংসা। এতেই সব শেষ হয়ে যায়।” তাঁর অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতা দীপুর ওপর হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে তাঁকে মারধর করে। পরে পুলিশ দীপুকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং তাঁকে পুলিশি সুরক্ষায় রাখা হয়। দীপুর পরিবারের অবস্থার কথা তুলে ধরে তসলিমা জানান, দীপু ছিলেন তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তিনি তাঁর প্রতিবন্ধী বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ করতেন।

    অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “ইতিহাস ত্যাগকে স্মরণ করে। কিন্তু আজ যে মাটি একদিন ভারতীয়দের রক্তের বিনিময়ে মুক্ত হয়েছিল, সেই মাটিই এখন নিরীহ সংখ্যালঘুদের রক্তে কলুষিত হচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমাদের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের বীর সৈনিকরা শুধু একটি যুদ্ধ লড়েননি, তাঁরা আজকের বাংলাদেশ নামে পরিচিত ভূখণ্ডের লাখ লাখ মানুষের পরিচয় ও মর্যাদার জন্য লড়াই করেছিলেন। বাংলাদেশের জন্ম নিশ্চিত করতে প্রায় ৩,৯০০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ বলি দিয়েছিলেন (Bangladesh)। জখম হয়েছিলেন ১০ হাজারেরও বেশি সৈনিক। অন্যরা যাতে শান্তিতে বাঁচতে পারে, তাই আমরা আমাদের জীবন দিয়েছিলাম (Dipu Chandra Das)।”

  • India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যটার সূর্যকুমারের ফর্ম নিয়ে চিন্তা থাকলেও, অধিনায়ক সূর্যকুমারের ওপরই ভরসা রাখল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আর তাই, আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে, সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বেই খেলবে ভারত।

    শনিবার, টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বিসিসিআই। তাতে সবচেয়ে বড় চমক, সহ-অধিনায়ক শুভমান গিলের বাদ পড়া। বেশ কিছু দিন ধরেই, ক্রিকেটের কনিষ্ঠ ফর্ম্যাটে রান পাচ্ছিলেন না শুভমান। সদ্যসমাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও তেমনভাবে দাগ কাটতে পারেননি টেস্ট দলের অধিনায়ক। যে কারণে, তাঁর বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিলই। তাতে শিলমোহর দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।

    দলে জায়গা পেলেন যাঁরা…

    এদিনের মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে বৈঠকে বসে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচক কমিটি। ছিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও। বৈঠকের পর দল ঘোষণা বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ, তাই দলে চার জন নিয়মিত স্পিনারকে রাখা হয়েছে। স্পিন বোলিং আক্রমণে রাখা হয়েছে দুই লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে। তাঁদের সঙ্গে অলরাউন্ডার কোঠায় আছেন অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ঘোষিত ১৫ জনের দলে ডাক পেয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার ইশান কিসান। সঞ্জু স্যামসনের বিকল্প ব্যাটার এবং বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে তাকে। পেস বোলিং আক্রমণে অবধারিতভাবে আছেন জসপ্রীত বুমরা। তার সঙ্গে অর্শদীপ সিং ও হার্শিত রানাকে নেওয়া হয়েছে। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া ও শিভম দুবেকে।

    বিশ্বকাপের ঘোষিত ১৫…

    ভারতের দলটা এরকম: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), জশপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, ইশান কিসান (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং।

    ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু বিশ্বকাপ

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ। যুগ্ম আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ফাইনাল ৮ মার্চ। গত বারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত প্রথম দিনই এই টুর্নামেন্টে তাদের অভিযান শুরু করছে। ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে প্রথম ম্যাচ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। বোর্ড জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই দলই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জানুয়ারিতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

  • Mohan Bhagwat: “হিন্দু সংস্কৃতির ঐতিহ্যই হল বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের অনুসন্ধান”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “হিন্দু সংস্কৃতির ঐতিহ্যই হল বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের অনুসন্ধান”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা স্বেচ্ছায় ভবিষ্যতের দায়িত্ব গ্রহণ করি বা না করি, শেষ পর্যন্ত সেই দায়িত্ব অনিবার্যভাবেই যুবসমাজের কাঁধেই এসে পড়বে। আমরা যদি কেবল নিজেদের জন্যই কাজ করি, তাহলে কি আমি ও আমার পরিবার নিরাপদ থাকতে পারব? যখনই জাতির ওপর সঙ্কট নেমে এসেছে, তখনই সমাজ জেগে উঠেছে। হুন, মুঘল, পাঠান এবং শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ রাজত্বকালের প্রতিটি পর্যায়েই ইতিহাসে এই ছবি বারংবার দেখা গিয়েছে।” নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। শিলিগুড়িতে আয়োজিত যুব সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে কথাগুলি বলেন আরএসএস (RSS) প্রধান।

    সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ধারা (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সমাজে থাকা বৈষম্য ও সংকীর্ণ স্বার্থপরতা দূর করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ধারা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা কারা? আমাদের আপনজন কারা? এই আত্মপরিচয়-বোধ পুনর্জাগ্রত করতেই দয়ানন্দ সরস্বতী এবং রামকৃষ্ণ–বিবেকানন্দের অনুপ্রেরণায় কাজ শুরু হয়েছিল।” আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ড. কেবি হেডগেওয়ার সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “অল্প বয়সেই ডক্টরজি নাগপুরের একটি বিদ্যালয়ে বন্দেমাতরম আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনার সুযোগে হেডগেওয়ার অনুশীলন সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন এবং বিপ্লবী আন্দোলনকে পশ্চিম ভারতেও ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ওঠে।”

    ডক্টরজির প্রশ্ন

    আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে ডক্টরজি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কোন আইনের ভিত্তিতে ব্রিটিশরা ভারত শাসনের অধিকার লাভ করেছিল? বীর সাভারকর, সুভাষচন্দ্র বসু এবং লোকমান্য তিলকের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের মতো ডক্টরজিও উপলব্ধি করেছিলেন যে সমাজ গঠন ছাড়া জাতীয় পুনর্জাগরণের সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। জাতির সর্বাঙ্গীণ অগ্রগতির লক্ষ্যে তিনি ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠনের কাজ শুরু করেছিলেন। সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, “স্বয়ংসেবকরা সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজ করতে করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলেছেন। ভারতের প্রতিটি নাগরিকের উচিত ভারতের জন্য বাঁচা, ভারতকে জানা (RSS) এবং ভারতকে গ্রহণ করা। সংঘ হল ভারতের মহান ব্যক্তিত্বদের চিন্তা ও অভিজ্ঞতার সারবত্তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। আমরা বলি, বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের অনুসন্ধান।”

    স্বয়ংসেবকদের অনুরোধ

    স্বয়ংসেবকদের অনুরোধ করে ভাগবত বলেন, “প্রত্যেকে যেন বাড়িতে সংবিধানের একটি করে কপি রাখেন এবং তা মনোযোগ দিয়ে পড়েন।” তিনি বলেন, “সংঘে আসুন, সংঘকে পর্যবেক্ষণ করুন, যাচাই করুন এবং যদি সব কিছু যথাযথ মনে হয়, তবে সংঘের কার্যক্রমের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করুন। আসুন, আমরা সবাই জাতীয় পুনরুত্থানের এই মহান অভিযানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হয়ে উঠি।” প্রসঙ্গত, আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই যুব সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিল। এটি জাতীয় স্তরে আয়োজিত ধারাবাহিক কর্মসূচিরই একটি অংশ (Mohan Bhagwat)।

  • West Bengal SIR: মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের, এসআইআর-শুনানিতে তথ্য যাচাইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকরা

    West Bengal SIR: মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের, এসআইআর-শুনানিতে তথ্য যাচাইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার (এসআইআর) শুনানি পর্বের তদারকি করবেন কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকেরা। নির্বাচন কমিশনের নয়া নির্দেশিকা অনুয়ায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের বিভিন্ন শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হবে। এই দায়িত্ব পাবেন মূলত কেন্দ্রের গ্রুপ বি বা তার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

    সিইও দফতরের আবেদনে মান্যতা

    চলতি মাসের ১২ তারিখ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে মাইক্রো অবজার্ভার চাওয়া হয়েছিল। এসআইআর-এর কাজের জন্য মাইক্রো অবজার্ভার চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে (ECI) চিঠি পাঠিয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। এবার সেই আবেদনে সম্মতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ শুক্রবার সেই আবেদনে সম্মতি দিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সব জেলার সব বিধানসভার জন্য মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হবে।

    ৩০ হাজার টাকা সাম্মানিক

    মূলত যতগুলো জায়গার যতগুলো রুমে শুনানি হবে, সেই হিসাবে প্রতি রুম পিছু একজন করে মাইক্রো রোল অবজার্ভার নিয়োগ করতে হবে। শুনানি-পর্বে ইআরও এবং এইআরও-দের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ইআরও এবং এইআরও-দের কাজকে সহজ করে দেবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা৷ কমিশন জানিয়েছে, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আধিকারিক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের এই কাজের জন্য নিয়োগ করা হবে। শুনানি পর্বে কাজ করার জন্য তাঁরা ৩০ হাজার টাকা সাম্মানিক পাবেন।

    কী দায়িত্ব পালন?

    মাইক্রো অবজার্ভারদের কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে? জানা গেছে— ১)এসআইআর শুনানি পর্বে ইআরও এবং এইআরও-র কাজে নজর রাখা। ২) ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি এবং সংশোধনে সহযোগিতা করা। ৩) এনুমারেশন ফর্ম, ভোটারদের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র এবং শুনানির জন্য আসা ভোটাদের নথি যাচাই করা। ৪) ভোটার তালিকার অসঙ্গতি চিহ্নিত করা এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণও করা। কমিশেনর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা (DEO) কেন্দ্রের এই আধিকারিকদের নিরাপত্তা ও যাতায়াতের বন্দোবস্ত করবেন।

  • Rajdhani Express Derail: অসমে রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ৮ হাতির মৃত্যু, ইঞ্জিন ও ৫ কামরা লাইনচ্যুত

    Rajdhani Express Derail: অসমে রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ৮ হাতির মৃত্যু, ইঞ্জিন ও ৫ কামরা লাইনচ্যুত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর ট্রেন দুর্ঘটনা অসমে। সাইরাং–নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় নিহত কমপক্ষে আটটি হাতি। অসমের হোজাই জেলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে গেল শনিবার গভীর রাতে। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে একটি হাতির শাবক, যাকে পরে বন দফতরের কর্মীরা উদ্ধার করেন। ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, রাজধানী এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন এবং পাঁচটি বগি লাইনচ্যূত হয়েছে। তবে, যাত্রীরা অক্ষত রয়েছেন বলে রেল সূত্রে খবর। এই ঘটনায় রেল চলাচলেও বড়সড় ব্যাঘাত ঘটেছে।

    ঘন কুয়াশার জেরে দুর্ঘটনা!

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শনিবার রাত সওয়া ২টো নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে দুর্ঘটনা ঘটে। নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের মধ্যে পড়ছে এই জায়গা। জানা যাচ্ছে, রাজধানী এক্সপ্রেসটি মিজোরামের সাইরাং (আইজলের কাছে) থেকে নয়াদিল্লির আনন্দ বিহার টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। গুয়াহাটি থেকে ১২৬ কিলোমিটার দূরে হোজাইয়ের কাছে হঠাৎ লাইনের উপর উঠে আসে একটি হাতির দল। লোকো-পাইলট হাতিদের দেখতে পেয়ে জরুরি ব্রেক কষেন, কিন্তু তাতেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি। ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘এলিফ্যান্ট করিডর’ নয়

    রেলের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, যে জায়গায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি নির্ধারিত ‘এলিফ্যান্ট করিডর’ (হাতির চলাচলের জন্য যে সমস্ত জায়গায় ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রিত করা হয়) নয়। ধাক্কার প্রতিঘাতে ট্রেনের ইঞ্জিন-সহ পাঁচটি কামরা লাইনচুত্য হয়ে যায়। খবর পেয়ে লামডিং থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান রেলের কর্তা এবং উদ্ধারকারী দল। ক্ষতিগ্রস্ত কামরার যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরে ভোর ছটা নাগাদ লাইনচ্যুত কামরাগুলো বাদ দিয়ে ট্রেনটি গুয়াহাটির দিকে রওনা দেয়। রেল সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কোচের যাত্রীদের সাময়িকভাবে ট্রেনের অন্যান্য কোচের ফাঁকা বার্থে স্থান দেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি গুয়াহাটিতে পৌঁছনোর পর অতিরিক্ত কোচ জুড়ে সকল যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

    হেল্পলাইন চালু

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই যাত্রীদের সুবিধার্থে গুয়াহাটি স্টেশনে ০৩৬১-২৭৩১৬২১, ০৩৬১-২৭৩১৬২২ এবং ০৩৬১-২৭৩১৬২৩— হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ট্রেনের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে কেবল আপ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। রেলকর্মীরা দ্রুত লাইন মেরামতের কাজ শুরু করছেন। লাইনের উপর থেকে মৃত হাতিদেরও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share