Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Iran Protest: ইরানে আরও তীব্র খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে সাড়া

    Iran Protest: ইরানে আরও তীব্র খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে সাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদী শাসন ব্যবস্থায় দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় প্রমাণ করছে ইরান। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ইরানজুড়ে (Iran Protest) তীব্র বিক্ষোভ। বিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট এবং টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা। রাজধানী শহর তেহরান সহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে অংশ নেন। নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে এই গণবিক্ষোভ শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। তেহরানের বহু বাসিন্দা রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। এমনকী, ঘর থেকেও স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু মানুষকে। দেশজুড়ে যে অস্থিরতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে তা ১২ দিনে পড়ল। এই বিক্ষোভের মূলে রয়েছে মূলত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং জীবনযাত্রার অসম পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ চরমে পৌঁছতেই ইন্টারনেট এবং ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় ইরান জুড়ে।

    বিক্ষোভের সূত্রপাত

    গত দেড় সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে ইরানে (Iran Protest) । গত ২৭ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে দোকানদারেরা দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ক্রমে দেশের অন্যান্য প্রান্তেও ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আঁচ। প্রাথমিক ভাবে দেশের আর্থিক অবস্থার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চললেও ক্রমে তা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের (Anti-Khamenei protests) বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিক্ষোভে পরিণত হয়। ১২ দিন পরেও এই বিক্ষোভ থামার লক্ষণ নেই। বিপর্যস্ত অর্থনীতির মধ্যে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে ক্ষুব্ধ ইরানিরা রাস্তায় নেমে এসে ক্ষমতাসীন ধর্মতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অধীনে ইরানের সরকার ইন্টারনেট এবং আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এদিকে, দেশের বিচার বিভাগ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানরা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অন্তত কয়েকজনকে নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকা বিক্ষোভে সাড়া দিতে দেখা গিয়েছে। পাহলভির বাবা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের ঠিক আগে ইরান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। বিক্ষোভগুলোতে শাহের সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, যা অতীতে মৃত্যুদণ্ডের কারণ হতে পারত, কিন্তু এখন ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পুরনো ক্ষোভকেও তুলে ধরছে।

    রেজা পাহলভির আহ্বান

    রেজা পাহলভি শুক্রবার রাত ৮টায় জনগণকে ফের রাস্তায় জড়ো হয়ে প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র নিপাত যাক। স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক। ইরানের মহান জাতি, বিশ্বের চোখ আজ আপনাদের দিকে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামুন। আপনাদের দাবি জোরাল ভাবে তুলে ধরুন। আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্র এবং তার নেতা ও বিপ্লবী গার্ডকে সতর্ক করছি। গোটা বিশ্ব এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজর আপনাদের উপর রয়েছে। জনগণের উপর দমন পীড়নের জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।” সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে যুবরাজ পাহলভি খামেনেই প্রশাসনকে তোপ দাগেন। তিনি লেখেন, “লাখ লাখ ইরানবাসী আজ স্বাধীনতা চেয়ে মিছিল করেছেন। তার জবাব দিতে প্রশাসন ইরানে যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।” ওই পোস্টেই নির্বাসিত যুবরাজ ইরানের প্রতিবাদী জনতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলিকে নীরবতা ভেঙে এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    গোঁড়া ধর্মীয় শাসনতন্ত্রকে কঠোর জবাব

    নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি (প্রাক্তন শাসক রেজা শাহ পাহলভির পুত্র) জনগণকে গণপ্রতিবাদে নামার ডাক দেওয়ার পরেই পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে ইন্টারনেট এবং টেলিফোন সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ইরানের গোঁড়া ধর্মীয় শাসনতন্ত্রকে (Anti-Khamenei protests) অতি কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরেই ইরানের প্রশাসন ইন্টারনেট এবং টেলিফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। তাবরিজ বিমানবন্দরে বিমান চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেনা-পুলিশের হামলায় ইরানে ৩৯ জন প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা চলবে না। বৃহস্পতিবার আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, “যদি তারা (ইরান প্রশাসন) মানুষ মারতে শুরু করে, তা হলে আমরা তাদের উপর খুব কঠিন আঘাত হানব।” ট্রাম্পের ধারাবাহিক হুঁশিয়ারির পর সম্প্রতি সুর নরমের ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্রই তাঁদের উপর কঠোর পদক্ষেপ করা চলবে না।

    ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

    ইরানের (Iran Protest) ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টি প্রদেশে এই বিক্ষোভ চলছে, কিছু প্রদেশে ১০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভের মূল কারণ রিয়ালের মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে হঠাৎ পতন ও ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি। এই পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা (India advisory for citizens) জারি করেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, “ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোবেন না।” এছাড়াও ভারতীয় নাগরিক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের (PIO) সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বিক্ষোভ বা সশস্ত্র সংঘর্ষের এলাকায় না যাওয়ার জন্য।

    ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে

    ইরানের শহর ও গ্রামীণ এলাকা জুড়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা ক্রমশ বাড়ছে। বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে অনেক বাজার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে হিংসায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন এবং ২,২৭০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। যার কারণে ঘরেই চাপে রয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Anti-Khamenei protests)। ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ক্লাউডফ্লেয়ার এবং অ্যাডভোকেসি গ্রুপ নেটব্লকস ইন্টারনেট বিভ্রাটের খবর দিয়েছে এবং উভয়ই এর জন্য ইরান সরকারের হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছে। দুবাই থেকে ইরানে ল্যান্ডলাইন ও মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি। অতীতেও এ ধরনের বিভ্রাটের পর সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র দমনপীড়ন চালানো হয়েছে। পাহলভির আহ্বান ভবিষ্যতে বিক্ষোভের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনও অস্পষ্ট।

  • JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক কারণে নয়, জিততে হবে জাতীয় স্বার্থে। রাজ্য বিজেপিকে বৃহস্পতিবার এমনই বার্তা দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal)। দু’দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফরের প্রথম দিনে একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জেলা সভাপতি, বিভাগ (কয়েকটি জেলার সমষ্টি) আহ্বায়ক এবং ভিন্‌রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে নাড্ডা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন নাড্ডা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যেও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে।

    ‘রাজনৈতিক’ নয়, জিততে হবে ‘জাতীয় স্বার্থে’

    বিজেপি সূত্রের খবর, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে এ বার বিজেপি-কে জিততেই হবে বলে জানান দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। এ বারের নির্বাচন শুধু ‘রাজনৈতিক লড়াই’ নয়, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে এত দিন শুধু ‘হবে না, হবে না, হবে না’ চলেছে। এ বার থেকে ‘হবে, হবে, হবে’।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হবে না’ সংস্কৃতির অবসান ঘটবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। আর বিধানসভা নির্বাচনে জয় ছাড়া অন্য কোনও কিছু না-ভেবে কাজ করার পরামর্শ দেন। বিধাননগর সেক্টর ফাইভে নাড্ডার বৈঠকে বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, পাঁচ সাধারণ সম্পাদক, দুই সংগঠন সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জেলা সভাপতি এবং বিভাগ আহ্বায়কদের পরামর্শ দেন নাড্ডা। বিভিন্ন বিজেপিশাসিত রাজ্যের মোট ৪৩ জন মন্ত্রীকে এ রাজ্যে বিজেপির ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ভোট ব্যবস্থাপনা সামলানোর দায়িত্ব দেন নাড্ডা। সে সবের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ‘গুরুত্ব’ বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

    বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কট

    এক বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কটের হাত থেকে ভারতকে রক্ষার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ জয়ের কথা বলেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াই নয়। পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে সভ্যতা রক্ষার লড়াই। ভারতকে রক্ষা করতে হলে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে জিততেই হবে।’’ একই অভিমত ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর-ও। পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে এবং গোটা দেশের স্বার্থে এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় জরুরি বলে শাহ মন্তব্য করেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যত দিন থাকবে, তত দিন পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা যাবে না বলে তোপ দেগেছিলেন শাহ। এই মুহূর্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হিসাবে ব্যাখ্যা করে শাহ বলেছিলেন যে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। এবং তা রোখা যাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হলে।

    রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    সাংগঠনিক বৈঠক সেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) যোগ দেন চিকিৎসকদের একটি অনুষ্ঠানে। ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি প্রেক্ষাগৃহে বিজেপি-পন্থী চিকিৎসকেরা সে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন,‘‘আমি এখানে রাজনীতি করতে চাই না, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’’ রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পটি আটকে রেখেছে। এমনকী আয়ুষ্মান কার্ড ছিঁড়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। নাড্ডার কথায়,‘‘আমি মমতাজিকে বলেছিলাম, তাঁদের দোষ কী? তাঁরা গরিব মানুষ এবং এটি একটি বহনযোগ্য ব্যবস্থা। যদি পশ্চিমবঙ্গের কোনও শ্রমিক হিমাচল প্রদেশে অসুস্থ হন, তাহলে তিনি সেখানেই চিকিৎসা পাবেন এবং টাকা বাংলা থেকে সেই প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হবে।’’ প্রকল্পের সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করে নাড্ডা জানান, ‘‘গত বছর মোদিজি ঘোষণা করেছিলেন যে, ৭০ বছরের বেশি বয়সি সমস্ত ব্যক্তি, তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে, আজীবন প্রতি বছর ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্য বিমা-সহ এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। কিন্তু বাংলার মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্নছে।’’এরপরই নাড্ডা বলেন, ‘‘আমি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।’’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ওডিশা এবং দিল্লির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রথমে আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে বিরোধিতা থাকলেও, পরে তা বাস্তবায়িত হয়। নাড্ডা দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘‘বাংলায় এটি শুধু আশার আলো নয়, আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে যে এখানে পদ্ম ফুল ফুটবে এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।’’

    রাজ্যে মাতৃমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বিগ্ন

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) রাজ্যের মাতৃমৃত্যু হারের (MMR) পরিসংখ্যান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি বাংলার মাতৃমৃত্যু হার (এমএমআর) নিয়ে উদ্বিগ্ন, যা ১০৪। এটি জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি।” নাড্ডা আরও জানান, ২০১০-১১ সাল থেকে এটি মাত্র ১১ শতাংশ কমেছে, যেখানে জাতীয়ভাবে এই হার ৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি যোগ করেন, “এটি অনেক কিছু বলে দেয়। যদি মায়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি না হয়, তবে এটি প্রমাণ করে যে পরিবার কল্যাণের জন্য যে সমস্ত কর্মসূচি রয়েছে, তা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না।’’ আজ, ৯ জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট কলকাতায় যাবেন। সেইসঙ্গে এইমস কল্যাণীর রেডিয়েশন অঙ্কোলজি, ট্রমা, এমার্জেন্সি মেডিসিন এবং নিউমেটিক টিউব সিস্টেম উদ্বোধন করবেন নাড্ডা।

  • Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    ভোরের আলোর দেখা পাওয়াই মুশকিল। সকালের অনেকটা সময়েই কুয়াশা ঢাকা থাকছে। রাজ্যের সর্বত্র জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও বিপদ বাড়াচ্ছে ডিহাইড্রেশন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়াতেও শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ শিশুর নানান রকম রোগের দাপটের নেপথ্যে থাকছে ডিহাইড্রেশন। তাই শীত পড়লেও সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

    কেন শীতেও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি থাকছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় জলের পরিমাণ কমে গেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শীতের আমেজেও এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তার মূল কারণ কম পরিমাণে জল খাওয়া। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শিশুদের দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু এই আবহাওয়ায় অনেকেই এই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাচ্ছেন না। এর ফলে শরীরে জলের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। কিন্তু শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি সক্রিয় থাকে। তারা দিনভর ছোটাছুটি করে, নানান রকমের খেলাধুলা করে। তাই তাদের বাড়তি এনার্জি প্রয়োজন। আর শরীরে জলের ঘাটতি হলে সেই এনার্জির ঘাটতি তাড়াতাড়ি হয়। তখন ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

    ডিহাইড্রেশন কোন বিপদ বাড়িয়ে দেয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশন হলে শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। শিশুরা বারবার ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হলে কিডনিতে পাথর, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের মতো নানান রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মূত্রনালীতে সংক্রমণের ভোগান্তিও বাড়ায়।‌ বিশেষত এই শীতের আবহাওয়ায় বহু শিশু ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফরমেশনের মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার জেরেই এই ধরনের সংক্রমণ হচ্ছে। আবার ডিহাইড্রেশন মস্তিষ্কের উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুর কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে জল খুব জরুরি। জল পর্যাপ্ত খেলে তবেই শরীরের সমস্ত পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় থাকবে। ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ কমবে। ডিহাইড্রেশন হলে তাই বারবার মাথা ঘোরা, চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময়েই শিশুদের ডায়রিয়া ও বমির মতো সমস্যা দেখা যায়। যার নেপথ্যে ডিহাইড্রেশন থাকে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই আবহাওয়াতেও ডিহাইড্রেশন হচ্ছে। তাই এই সমস্যা এড়াতে এবং সন্তানকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়াতে হবে। গরম হোক বা শীতকাল, শরীর সুস্থ রাখতে জল জরুরি। তাই শিশুকে দিনে দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়াতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় শিশু কতখানি জল খাচ্ছে, সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। শীতে নিয়মিত স্নান জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীতে সন্তানকে নিয়মিত স্নান করান না। এটা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। নিয়মিত স্নান করলে শুধু ত্বক পরিষ্কার থাকে এমন নয়। শরীর সুস্থ থাকে। শরীরের শুষ্কতা কমে। জলের পাশপাশি শীতে নানান রকমের স্যুপ খাওয়ায় পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের রাতের কিংবা দুপুরের খাবারের মেনুতে নানান পদের স্যুপ রাখা যেতে পারে। স্যুপে নানান সব্জি থাকে। তরল জাতীয় এই খাবার পুষ্টিকর আবার শরীরে তরলের জোগান দেবে। সবমিলিয়ে একাধিক উপকার পাওয়া যাবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই প্যাকের অফিসে সরকারি ফাইল কেন? ইডির (I PAC ED RAID) হাত থেকে কী আড়াল করতে আই প্যাকের অফিসে ছুটে গেলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান? কীসের ভয়? সবুজ ফাইলে কী ছিল? বাংলা তথা সারা দেশের রাজনীতিতে বৃহস্পতিবার এমনই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে দিল্লি থেকে কলকাতা। আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের ৭ নম্বর লাউড্রন স্ট্রিটের বাড়ি ও গোদরেজ ওয়াটার সাইডের অফিসে এদিন তল্লাশ চালায় ইডি। আর তল্লাশির মাঝেই সেখানে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। বাংলার বেনজির এই ঘটনা আজ গোটা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাঁদের দলের স্ট্র্যাটেজি, ফাইল, হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা হাতানোর চক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু ইডির দাবি এই তল্লাশির সঙ্গে নির্বাচনের কোনও যোগ নেই। কেন তল্লাশি, কোন মামলায় তল্লাশি, সবটাই পরিস্কার করা হল ইডির তরফে।

    আদালতে ইডি

    ইডির অভিযোগ, সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে তল্লাশির মধ্যেই নথি ছিনতাই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আই প্যাক দফতরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মামলা দায়ের করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এদিন বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন৷ ইডির অভিযোগ, তল্লাশি ও তদন্ত চলাকালীন বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি একজন সাংবিধানিক পদের অধিকারী হয়ে আইন লঙ্ঘন করেছেন৷ পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল৷ ইডি কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে৷ এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ পুলিশের উচিত ইডির তদন্তে সহযোগিতা করা৷ কিন্তু পুলিশ এখানে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ছিল৷

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব

    বৃহস্পতিবার সকালে কয়লা পাচার মামলায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে এবং সংস্থার সল্টলেক দফতরে ইডি’র তল্লাশি চালায়৷ এই দু’টি জায়গায় তল্লাশির সময় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বেশ কিছু ফাইল, হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ হাতে বেরিয়ে আসেন তিনি। মমতার অভিযোগ, ইডি তৃণমূলের আইটি সেলের হেড অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে৷ দলের প্রার্থিতালিকা ও রণকৌশল হাতিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব দেয় ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার আগে পর্যন্ত তল্লাশি প্রক্রিয়া অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল। তল্লাশির মাঝেই বিশাল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঢুকে পড়েন মমতা। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু মূল নথি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ক্ষমতার বলে নিয়ে নেন বলে ইডির দাবি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে যায়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সহকারি, রাজ্য পুলিশ জোর করে নথি, কাগজপত্র, ডিভাইস হাতিয়ে নিয়ে চলে যান বলে ইডির দাবি। ইডির বক্তব্য, কয়লা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। এটা আর্থিক দুর্নীতি মামলায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে তল্লাশি করা হয়নি।

    অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নেন মমতা

    বিবৃতি প্রকাশ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এ দিন তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা ভোটের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। প্রসঙ্গত, কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি জায়গায় এবং দিল্লির চারটি জায়গায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের একাধিক দল। বাংলার মধ্যে দুটি হল প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিস। সেখানেই বেনজিরভাবে ঢুকে পড়েন মমতা। সেখানে সাংবিধানিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নিয়ে এসেছেন। সূত্রের খবর, পদক্ষেপের রাস্তা খোলা রাখছে ইডি। সক্রিয়ভাবে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে ইডি।

    তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক

    ইডি সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘ইডির সদর দফতরের ইউনিট আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। অনুপ মাজি কয়লা পাচারের সিন্ডিকেট চালাতেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে বেআইনি ভাবে কয়লা বাইরে পাঠাতেন। শান্তিপূর্ণ ভাবেই তল্লাশি অভিযান চলছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রশাসনের আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে সেখানে চলে আসেন এবং জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ নিয়ে চলে যান।’’ ইডি আরও জানিয়েছে, তাদের তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক এবং কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে এর মাধ্যমে নিশানা করা হয়নি। কোনও পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়নি। এই তল্লাশির সঙ্গে কোনও নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। সাধারণ আর্থিক তছরুপ মামলার বিরুদ্ধে এই অভিযান ছিল। আইন মেনে তল্লাশি‌ চলছে।

    অস্বস্তিতে মুখ্যমন্ত্রী!

    মমতা বিকেল ৪টে ২২ মিনিট নাগাদ সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর থেকে বেরিয়ে যান। তার কিছু ক্ষণ আগেই প্রতীক দফতরে ঢুকেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে মমতা বেরিয়ে যান। মমতার গাড়িতে একাধিক ফাইল, নথি তোলা হয়। প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় আইপ্যাক দফতরে ছিলেন মমতা। বিকেল ৩টের পর প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল ইডি। আই প্যাক দফতরে ইডি হানার প্রতিবাদে শহর জুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, দলের গোপন নথি বেসরকারি কনসালট্যান্টের কাছে কীভাবে থাকে? ফাইলে কী রয়েছে? তার কোনও প্রামাণ্য নথি এখনও সামনে না এলেও, রাজনীতিতে ধারণাই সব। সেই ধারণা থেকেই বলা যায়, ফাইলে এমন কোনও তথ্য আছে, যা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খুব একটা স্বস্তির নয়।

     

     

  • Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নিধনের ঘটনা যেন থামছেই না। কয়েকদিন আগেই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে প্রকাশ্যে এসেছিল হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণের ঘটনা। কেবল তাই নয়, গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে নেওয়া হয় ৪০ বছরের ওই মহিলার। এই নারকীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)। পৈশাচিক এই ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার।

    নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ

    ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শিখর লেখেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছি। কোথাও, কারওর সঙ্গে এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রার্থনা, নির্যাতিতা যেন ন্যায়বিচার ও সমর্থন পান।’ পুলিশের কাছে অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, আড়াই বছর আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পুরসভার ৭নং ওয়ার্ড নদীপাড়ার বাসিন্দা শাহিন ও তাঁর ভাইয়ের কাছে ২০ লক্ষ টাকায় তিন শতক জমি-সহ একটি দোতলা বাড়ি কিনেছিলেন। এরপর থেকেই মূল অভিযুক্ত শাহিনের কুনজরে পড়েন তিনি। তাঁকে অতীতে একাধিকবার অশালীন প্রস্তাবও দিয়েছিল যুবক। তাতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হয়রানি করা হয় ওই মহিলাকে। গত শনিবার সন্ধায় আচমকাই বাড়িতে ঢোকে শাহিন এবং তাঁর সঙ্গী হাসান। দু’জনে মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। পাশাপাশি সেদিন ওই মহিলার কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকা) দাবিও করে দুই অভিযুক্ত। তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা আত্মীয়দেরও পর্যন্ত নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই বিধবা চিৎকার শুরু করলে মহিলাকে গাছে বেঁধে চুল কেটে দেয়। এই ঘটনা ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে গত তিন সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত সাত জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে দোকানদার, রোষের শিকার হয়েছেন প্রত্যেকেই।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্যা

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের প্রভাব দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের উপরেও পড়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাঁটাই করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তারপর থেকে এই বিষয়ে সুর চড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এমনকী ঘুরপথে ‘প্রতিহিংসা’ চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে তারা। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার ‘বদলা’ হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে। আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। তবে, বিসিবি-র অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। বলা হয়েছে, ভারতে কোনও সমস্যা নেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললে সেখানেই খেলতে হবে। তবে এই আবহে বিসিবি জানিয়েছে, দেশের সম্মান বা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে তারা খেলতে যাবে না। বুধবার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, বাংলাদেশ চাইছে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক।

    বিপিএল-ছাড়লেন ভারতীয় সঞ্চালিকা ঋধিমা

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছিলেন ঋধিমা পাঠক। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর তাঁকে আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে দেখা যাচ্ছে না। মনে করা হয়েছিল, মুস্তাফিজুর বিতর্কের জেরে ভারতীয় সঞ্চালিকাকে বাদ দিয়েছেন বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। ঋধিমা জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিপিএল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বিপিএল থেকে ঋধিমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। তৈরি হচ্ছিল নতুন বিতর্ক। তবে ঋধিমা নিজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় বিপিএল থেকে সরে এসেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেয়নি। বিবৃতি দিয়ে ঋধিমা বলেছেন, ‘‘আমাকে বিপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন একটা জল্পনা ছড়িয়েছে। এটা ঠিক নয়। আমি নিজেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার কাছে আমার দেশ সব সময় সকলের আগে। যে কোনও ব্যক্তিগত দায়িত্বের চেয়ে ক্রিকেট খেলা অনেক বেশি মূল্যবান বলে মনে করি। বছরের পর বছর সততা, শ্রদ্ধা, আবেগের সঙ্গে ক্রিকেটের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এটার কোনও পরিবর্তন হবে না। আমি সততা, স্বচ্ছতা এবং খেলার পাশেই থাকব।’’

  • Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট ভাবে এসআইআর-এর কাজে এই সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, কখন‌ওই এমনটা বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। সাধারণত সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং অন্য রাজ্যের বাসিন্দা, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শংসাপত্রের প্রয়োজন হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী, কোথায় লাগে

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী নিয়ম রয়েছে রাজ্যের কাছে তা জানতে চেয়েছিল কমিশন। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর তারিখে জারি করা নির্দেশে বলা রয়েছে, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। ঘটনাচক্রে কোনও ব্যাক্তির বাবা–মা সাধারণত ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকলে, তখন তিনি এই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর পর আবেদনকারী বা তাঁর বাবা–মায়ের নামে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি বা জমি রয়েছে কি না, তা দেখা হয়। এ ছাড়া বা-বাবা ভিন্‌রাজ্যের হলে আবেদনকারীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রাজ্যের কোনও প্রাথমিক স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। এর প্রামাণ্য নথি হিসাবে জন্ম সার্টিফিকেট বা স্কুলের পড়ার নথি জমা দিতে হবে। এর পর দেখা হয় আবেদনকারীর কোথায় বসবাস করেন। কোনও সরকারি কোয়ার্টার, না ভাড়াবাড়িতে, নাকি তাঁর নিজের বাড়ি রয়েছে। সেখানে তিনি কত দিন থাকছেন, এই সকল বিষয় খতিয়ে দেখার পর ‘পুলিশ ভেরিফেকশন’ হয়। সব ঠিকমতো হলে তবেই এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কেন গ্রাহ্য নয়, জানালেন শুভেন্দু

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”

  • West Bengal Youth Voters: এক দশক ধরে নিম্নমুখী রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির গ্রাফ, নেপথ্যে কী কারণ?

    West Bengal Youth Voters: এক দশক ধরে নিম্নমুখী রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির গ্রাফ, নেপথ্যে কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন প্রজন্মের ভোটার (West Bengal Youth Voters) সংখ্যা কি কমছে? গত ১০ বছরের নির্বাচনী পরিসংখ্যানে সেই তথ্যই স্পষ্ট হয়েছে। শুধু তাই নয় নির্বাচনী তথ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও দিনকে দিন গতিহীন হয়ে পড়ছে। গত প্রায় দেড় দশক ধরে জনগণনার কাজ স্তব্ধ হয়ে থাকলেও নির্বাচনী পরিসংখ্যান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তথা নতুন প্রজন্মের ভোটার কমে যাওয়ার চিত্রটি স্পষ্ট করেছে। যদিও, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ দিয়ে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির আশা জাগালেও নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির (Youth Voter Enrolment) ক্ষেত্রে বড় কিছু পরিবর্তন আনতে পারবে বলে নিশ্চিত হতে পারছেন না নির্বাচনী কর্তারাই।

    আশনুরূপ নয় ফর্ম ৬ আবেদনের সংখ্যা

    চলতি এসআইআর পর্বে রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লক্ষের কিছু বেশি মৃত, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত, অস্তিত্বহীন এবং ডুপ্লিকেট ভোটারের নাম বাদ গেলেও নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ফর্ম ৬ আবেদনপত্রের সংখ্যা আশনুরূপ হয়নি এখনও। সিইও দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬ নির্বাচনের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে প্রায় ২ লক্ষ এবং তালিকা প্রকাশের পর ( ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত) প্রায় ৩ লক্ষ ‘ফর্ম ৬’ এখনও পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নতুনভাবে নাম অন্তর্ভুক্তি অথবা নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করা যাবে। যার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। এমতাবস্থায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ২০২৪ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির জন্য জমা করা আবেদনপত্র ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৯৮ থেকে বেশি হবে কিনা বা কতটা বেশি হবে তা নিয়ে সন্দিহান পদস্থ নির্বাচনী আধিকারিকরাই।

    বস্তুত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী ফর্ম ৬ আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে সংখ্যা ক্রমশ নিম্নমুখী। নির্বাচনী বছরগুলিতে এই সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তী বছরে তার গ্রাফ নিম্নমুখী। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে নতুন প্রজন্মের ভোটার অর্থাৎ যারা নতুনভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আবেদন জানান তাদের সংখ্যা লক্ষণীয়ভাবে কমেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এখনো পর্যন্ত সেই ট্রাডিশনে বজায় রয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৯৬ লক্ষ ৮১ হাজার যার মধ্যে নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ৩২ লক্ষ ২৯ হাজার এবং নাম বাদ গিয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার।

    পরবর্তী বছর ২০১৫ সালে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা বাড়লেও নতুন ভোটার হিসেবে ফর্ম ৬ পূরণ করেছেন ২১ লক্ষ ৫৩ হাজার। অর্থাৎ, সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে এক ধাক্কায় এক বছরে প্রায় ১১ লক্ষ নতুন প্রজন্মের ভোটার সংখ্যা কমে যায়। ২০১৬ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৩৪ লক্ষ ৯৫ হাজার। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ক্ষেত্রে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২৬ লক্ষ ৩৩ হাজার। অর্থাৎ নির্বাচনী বছরে নতুন প্রজন্মের ভোটার সংখ্যা তার পূর্ববর্তী বছর এর তুলনায় প্রায় ৫ লক্ষ বেড়ে যায়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ওই নির্বাচনী বছরে ভোটার তালিকা ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ২০১৭ এবং ২০১৮ সালের নতুন প্রজন্মের ভোটার তালিকা বৃদ্ধির থেকে ২০১৯-এর নির্বাচনী বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক।

    নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা নিম্নমুখী

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনী বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৯ হাজার যেখানে নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ২০ লক্ষ ৪৫ হাজার। ২০২২ ও ২০২৩ সালে ভোটার তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৩২ লক্ষ এবং ৭ কোটি ৪২ লক্ষ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনী বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৬ হাজার। পাশাপাশি, ২০২২ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ১৬ লক্ষ ১৩ হাজার হলেও ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ লক্ষ ৮৩ হাজারে। যদিও ২০২৪ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার।

    অর্থাৎ, সার্বিকভাবে নির্বাচনী তথ্যের বিচারে গত দশ বছরে রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা নিম্নমুখী হয়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচন থেকে এই অধোগতির চিত্র সর্বাধিক। ২০১৪ সাল থেকে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা বাড়লেও নতুন প্রজন্মের ভোটারের সংখ্যা লক্ষ্যণীয়ভাবে কমেছে। ২০১৪ সালে যে সংখ্যা ছিল ৩২ লক্ষ ২৯ হাজার ২০২৪ সালে নতুন প্রজন্মের সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৪ লক্ষ ৩০ হাজারে।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অধোগতির হার স্পষ্ট

    স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যা তত্ত্বের বিচারে পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যার বিন্যাসে নতুন প্রজন্মের ভোটারের সংখ্যা যেমন কমছে তেমনি সার্বিকভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অধোগতির হার স্পষ্ট হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনীতি সচেতন রাজ্যে ভোট রাজনীতির পাকচক্র থেকে নতুন প্রজন্ম কি দূরে সরছে? নাকি সার্বিকভাবে রাজ্যের জনসংখ্যা কমছে? উল্লেখযোগ্য, ২০১১ সালের পর দেশে জনগণনা না হওয়ায় জনসংখ্যার তারতম্য বা হ্রাস-বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারিভাবে কোন তথ্য বা যুক্তি না দেখানো গেলেও ভোটার তালিকার এই সংখ্যা তত্ত্ব কিন্তু রাজ্যের জনসংখ্যার তারতম্যের বিষয়টি যে স্পষ্ট করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এসআইআর-এর সৌজন্যে রাজ্যের শাসকদল তথা মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ ভোটারদের কাছে বারংবার আবেদন জানিয়েছেন যে, ভোটার তালিকায় নাম বাদ গেলেই সবাই অবশ্যই ফর্ম ৬ পূরণ করবেন। প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক পক্ষের এই আবেদন সমস্ত যোগ্য ভোটারের ভোটাধিকার রক্ষায় কমিশনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হলেও নির্বাচনী তথ্য অন্য ছবি তুলে ধরেছে। নির্বাচনী শুনানিতে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তারা যদি ফের সং হয় পূরণ করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান সেক্ষেত্রে কমিশনের বিশেষ সফটওয়্যার সেই আশায় জল ঢালবে বলে জানিয়েছেন পদস্থ কর্তারা। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যদি কোন যোগ্য ভোটার নতুন ভাবে নাম তুলতে চান অথবা বিদেশে বা ভিন রাজ্যে থাকার জন্য শুনানিতে হাজির হতে পারেননি এ ধরনের যোগ্য ভোটাররা নাম তোলার জন্য ফর্ম ছয় জমা দেন সে ক্ষেত্রে তা বিচার্য হলেও সেই সংখ্যাটা নগণ্যই হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী মানচিত্রে ফর্ম ৬ আবেদনপত্র জমার গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ায় রাজ্যে নতুন প্রজন্মের ভোটার তথা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে সংখ্যা তৈরি হয়েছে।

  • Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মই-ধর্ম! হোক না রবিবার, রীতি মেনে ১ ফেব্রুয়ারিই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়লেও বাজেট পেশ হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ক্যাবিনেট কমিটি। এই নিয়ে নবমবার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (২০২৬-২৭) অত্যন্ত বিশেষ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করা হয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে উপস্থাপিত শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে। সরকার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো কর আইন প্রতিস্থাপন করে নতুন আয়কর আইন ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, এই বাজেট কেবল বর্তমান চাহিদা পূরণ করবে না বরং ভবিষ্যতের কর ব্যবস্থার ভিত্তিও স্থাপন করবে।

    কবে কখন থেকে বসবে অধিবেশন

    প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। এই বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়ায়, জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে ওই দিন বাজেট পেশ হবে নাকি একদিন পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন। বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে সংসদীয় বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বাজেট অধিবেশনর দিন নির্দিষ্ট করা হয়। আর তারপরই সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারিই বাজেট পেশ হবে। সূত্রের খবর, যুগ্ম সংসদীয় অধিবেশন হবে ২৮ জানুয়ারি। ওই দিন থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। জানা গিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন যৌথ অধিবেশনে। পরের দিন অর্থনৈতিক সমীক্ষার (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশ হবে ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় অংশ হবে ৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই বাজেট প্রস্তুতির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    বাজপেয়ী আমলে বাজেট পেশ রবিবার

    অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষবার ১৯৯৯ সালে রবিবার বাজেট (Union Budget 2026) পেশ হয়েছিল। সেটাও ছিল এনডিএ জমানা। সেই বছর প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা রবিবার বাজেট পেশ করেছিলেন। তখন অবশ্য ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে বাজেট হতো। ২০১৭ সালের পর থেকে বাজেট পেশ শুরু হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তার আগে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হত। অরুণ জেটলী অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বাজেটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়, যাতে নতুন অর্থবর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে নতুন বাজেট কার্যকর করা যায়।

    রবিবার সংসদের অধিবেশন

    এর আগে ২০১২ এবং ২০২০ সালে রবিবার সংসদের অধিবেশন হয়েছিল। ৬ বছর পর ফের রবিবারে বসতে চলেছে সংসদের অধিবেশন। রবিবারে সংসদ খোলা রাখাটা রীতিমতো বিরল। এর আগে ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে সংসদের অধিবেশন বসেছিল। তার আগে বসেছিল সেই ২০১২ সালে। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১২ সালের ১৩ মে রবিবার বিশেষ অধিবেশন বসেছিল সংসদের।

    আয়কর নিয়ে প্রত্যাশা সীমিত

    কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে আয়কর সংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে করদাতাদের আগ্রহ থাকলেও, প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে সংযত। বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা অমিত বাইদ জানান, “বাজেট ২০২৫ ভারতের ব্যক্তিগত কর কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিয়েছিল। নতুন কর ব্যবস্থায় স্ল্যাব পরিবর্তন ও উচ্চ রিবেটের মাধ্যমে কার্যত ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ধরলে বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করা হয়েছিল।” তার মতে, ওই বাজেটের ফলে বেতনভোগী মধ্যবিত্তরা বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন এবং পুরনো ও নতুন কর ব্যবস্থার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বাজেট ২০২৬-এ বড় ধরনের করছাড়ের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অমিত বাইদ বলেন, “আগের বাজেটেই বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং সাম্প্রতিক জিএসটি হ্রাসে ভোক্তাদের খরচ কিছুটা কমেছে। তাই এ বছর আয়কর স্ল্যাবে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।” তাঁর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির কথা মাথায় রেখে নতুন কর ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন সামান্য বাড়ানো হতে পারে। বিডিও ইন্ডিয়ার পার্টনার সন্তোষ শিবরাজ জানান, পুরনো কর ব্যবস্থার কিছু ছাড় ও ডিডাকশন নতুন করে পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

    বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রত্যাশা

    বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে বিমা খাতও কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধি বা করছাড়ের মতো স্বল্পমেয়াদি ঘোষণার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমা এবং এমএসএমই-ভিত্তিক বিমা পণ্যে আরও গভীর কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য স্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশ প্রয়োজন। এতে বিমার প্রসার, অবসরকালীন সুরক্ষা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। নতুন বিতরণ মডেল ও অর্থায়নের ব্যবস্থা সহজ করার দিকেও নজর দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে, যাতে বিমা পরিষেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়। বিমাপে ফিনসিওরের সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হনুত মেহতা বলেন, “বাজেট ২০২৬ বিমা প্রিমিয়াম ফাইন্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এটি কোনও একটি বড় ঘোষণার জন্য নয়, বরং গৃহস্থালি ঋণ ও বিমা বিস্তারের ক্ষেত্রে সরকারের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নীতিগত উদ্যোগ ভারতের বিমা খাতে সুরক্ষা ঘাটতি কমাতে এবং সামগ্রিকভাবে বিমা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

    চাকরিজীবীদের আশা

    সূত্রের খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম বা ইপিএস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে মোদি সরকার। বিশেষ করে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য পেনশনের আওতা বাড়ানো এবং মাসিক পেনশনের অঙ্ক বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি মোদি সরকারের এই পরিকল্পনা (Budget 2026) বাস্তবায়িত হয়, তাহলে যাঁদের বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি, তাঁরাও সরকারি পেনশন প্রকল্পের সুরক্ষা পেতে পারেন। পাশাপাশি, অবসরের পর হাতে পাওয়া টাকাও আগের তুলনায় বাড়তে পারে। এই সম্ভাব্য বদল ঘিরে ইতিমধ্যেই চাকরিজীবী মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

  • Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ দিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে এসআইআর-এ (SIR In West Bengal)ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে আশঙ্কায় রয়েছে মতুয়া সমাজ, তা কিছুটা নিরসন করার চেষ্টা করেন শুভেন্দু। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ (Bangaon) শহরে আরএস মাঠে মতুয়া ধর্ম মহা সম্মেলনে তাঁর বার্তা – ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে কোনও মতুয়ার নাম বাদ দিতে দেব না। তবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের (Rohingya Muslim) নাম থাকতেও দেব না। একই সঙ্গে তিনি এ তথ্যও দেন যে, সিএএ-তে (CAA) ইতিমধ্যে ৬০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। ১ হাজারের বেশি শংসাপত্রও পেয়ে গিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন

    বিজেপি দাবি করে আসছে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি (Bangladeshi) এবং রোহিঙ্গাদের নাম ভরে গেছে। এসআইআর হলে সেই নাম বাদ যাবে যে সংখ্যাটা হতে পারে ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম যাওয়ার মধ্যে যদি ১ লক্ষ মতুয়ারা থাকেন তাহলে এটুকু সহ্য করতে হবে। কিন্তু মতুয়াগড়ে সভা করে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা – একটি নামও তিনি বাদ দিতে দেবেন না। কিন্তু বুধবার বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। মতুয়াদের কথা কেন্দ্র সবসময় ভাবে। তাই জন্যই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও কোনও চিন্তা নেই। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

    ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল

    শুভেন্দুর বক্তব্যে এদিন ফিরে আসে তৃণমূলের ভুল বোঝানো প্রসঙ্গ। বলেন, এসআইআর নিয়ে মানুষকে লাগাতার ভুল বুঝিয়ে আসছে তৃণমূল, ঠিক যেমন এনআরসি-সিএএ নিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, একদিকে সিএএ-র বিরোধিতা করছে সরকার, অন্যদিকে মানুষকে আবেদনও করতে বলছে। এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয়, আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। এসআইআর-এ নাম তোলা নিয়ে এখনও রীতিমতো চিন্তায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিরাট অংশের মতুয়া সমাজ। কারণ তাঁদের মধ্যে অনেকের কাছেই যথাযোগ্য ডকুমেন্টস নেই। এমন পরিস্থিতিতে এসআইআর আতঙ্কে তাঁরা রীতিমতো ভয়ে কাঁটা। এদিন এসআইআর নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যদি কারও এসআইআর-এ নোটিশ দেওয়া হয়। তবে আপনারা যাবেন, ভয় পাবেন না। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের লাইনে দাঁড়ানোর দরকার নেই। তাঁদের বাড়িতে লোক আসবে।”

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    প্রসঙ্গত, বুধবারই অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ (All India Matua Sangha) দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে। মতুয়া মহাসঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান শান্তনু ঠাকুর। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ওনাকে জানিয়েছি, মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

    হিন্দু কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “নাম যদি ইআরও কাটে। আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে ফরম্যাট পাঠাব। ইও-র কাছে আবেদন করবেন। সেও যদি বাতিল করেন, তাহলে সিইও-র কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে আবেদনের বিষয় দায়িত্ব নেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু কেশাগ্র স্পর্শ করতে কেউ পারবেন না।” এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “সিএএ-র সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে মতুয়াবাড়ির সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করছে,করবে। এখনও অবধি ৬০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন।”

    মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন মমতা

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন। তাই তাঁদের মধ্যে নানা ভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টাও আমরা দেখেছি। মমতাবালা ঠাকুরকে ব্যবহার করে ঠাকুরবাড়িতে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিএএ পাশ হওয়ার পরে গোটা দেশে কোথাও বিরোধিতা হয়নি। কিন্তু এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যা-ক্যা-ছি-ছি বলে মিছিল করতে নেমেছিলেন। বলেছিলেন সিএএ মানেই এনআরসি। তাঁর ভুল বোঝানোয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেকে বিভ্রান্ত হন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা তাঁদের রাস্তায় নামান। তার ফলে অনেক অশান্তি হয়, ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ফাটল ধরে।’’ এনআরসির ভয় দেখিয়ে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের পুরোটাই মমতা নিজের ঝুলিতে পুরে ২০২১ সালে ভোটে জিতেছিলেন বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘সিএএ কার্যকর হওয়ার পরে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, এটা এনআরসি নয়। কিন্তু আবার একটা ভোট এসেছে। তাই আবার ভয় দেখাতে হবে। এ বার হাতিয়ার করেছেন এসআইআর-কে।’’

    মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেছেন মোদি

    প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের আমল থেকে মতুয়াদের ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আন্দোলন শুরু হলেও দশকের পর দশক বিষয়টি নিয়ে কোনও সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ করেনি বলে শুভেন্দু অভিযোগ করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘‘২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন যে, মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা তিনি করবেন। সিএএ পাশ করিয়ে তিনি কথা রেখেছেন। আর মমতা মিথ‍্যাচার করে, অপপ্রচার করে হিন্দুদের দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। ঠাকুরবাডিতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা করি।’’

     

     

     

  • Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করল। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে বক্স অফিসে। একটি ভাষায় নির্মিত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে এই স্পাই থ্রিলার, টপকে গিয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’-কেও। ৩৩তম দিনের শেষে ছবিটি ভারতে নেট আয় করেছে ৮৩১.৪০ কোটি টাকা, যা একে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত করেছে।

    এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি

    বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি বিশেষ নোট শেয়ার করে ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতা আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন জানায় যশ রাজ ফিল্মস। পোস্টে লেখা হয়, “ধুরন্ধর শুধুমাত্র একটি ছবি নয়… এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক মাইলস্টোন, যা চিরদিন মনে রাখা হবে। এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি হিসেবে ইতিহাস গড়ার জন্য আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন।” উত্তর আমেরিকায় বক্স অফিসে ইতিমধ্যে ইতিহাস গড়েছে ‘ধুরন্ধর’। গত সপ্তাহে ছবিটি শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-কে টপকে উত্তর আমেরিকায় সর্বোচ্চ আয় করা বলিউড ছবির তকমা দখল করেছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, চতুর্থ মঙ্গলবারের শেষে উত্তর আমেরিকায় ‘ধুরন্ধর’-এর আয় পৌঁছেছে ১৭.৫০ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে ‘পাঠান’-এর মোট আয় ছিল ১৭.৪৯ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা

    নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, এক ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবেও ‘ধুরন্ধর’ এখন শীর্ষে। ছবিটি হিন্দি ভাষায় আয় করেছে ৮৩১ কোটি টাকারও বেশি, যা ‘পুষ্পা ২’-এর হিন্দি কালেকশনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। যদিও ‘পুষ্পা ২’ অন্যান্য ভাষা অর্থাৎ তেলুগু, তামিল, মালয়ালম ও কন্নড় মিলিয়ে আরও প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল। আদিত্য ধরের এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি একটি দুই পর্বের সিরিজের প্রথম ছবি। ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিংকে দেখা গেছে হামজা চরিত্রে – এক ভারতীয় গুপ্তচর, যিনি পাকিস্তানের লিয়ারির অপরাধজগত ও রাজনৈতিক আন্ডারওয়ার্ল্ডে অনুপ্রবেশ করেন এক গোপন সন্ত্রাস দমন অভিযানের অংশ হিসেবে। ছবির গল্পে বাস্তব ইতিহাসের ছায়াও স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাক, ২০০১ সালের সংসদ হামলা এবং ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার মতো ঘটনাগুলি গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল, রাকেশ বেদি এবং সঞ্জয় দত্ত। স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা। আর এই বছরের মার্চ মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েলের।

LinkedIn
Share