Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো,  সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো, সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে (Kartvya Path) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হল ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026)। এদিন সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা উত্তোলন করেন। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ এবং উপস্থিত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় পতাকাকে অভিবাদন জানান। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐক্য, অগ্রগতি ও সামরিক শক্তির মহা প্রদর্শনী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন।

    সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভারতের বার্তা

    কর্তব্য পথে (Kartvya Path) অনুষ্ঠিত এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের থিম ছিল “বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর”। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বছর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে কর্তব্য রেখা বরাবর দর্শক গ্যালারিগুলির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে। বিমানচালনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ বিজ্ঞানে আগ্রহী অগণিত তরুণ-তরুণীর কাছে এই মুহূর্ত এক শক্তিশালী বার্তা—আজকের সাহস আর শুধু স্থল, জল বা আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, তা পৌঁছে গেছে কক্ষপথেরও অনেক দূরে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা

    গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়। কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে “বন্দে মাতরম” এবং “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    নারী শক্তির প্রদর্শন

    প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।

  • Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে প্রদর্শিত বিরল সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ, ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাকে (Shubhanshu Shukla) প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান অশোক চক্র প্রদান করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এই সম্মান শুধু এক সৈনিকের কৃতিত্বের স্বীকৃতি নয়, বরং ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। পুরস্কারের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, চরম প্রতিকূল পরিবেশে অসাধারণ সাহস, মানসিক দৃঢ়তা এবং মিশনের সাফল্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন শুভাংশু শুক্লা—যেখানে সামান্য ভুলও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

    শুভাংশুকে কেন অশোক চক্র

    কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) মহামঞ্চে সোমবার নজির গড়লেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পেলেন দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান ‘অশোক চক্র’। সাধারণত সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বীরত্বের জন্য অশোক চক্র প্রদান করা হয়। মহাকাশ অভিযানের জন্য একজন কর্মরত বায়ুসেনা অফিসারকে এই সম্মান প্রদান ভারতের জাতীয় পরিষেবার ধারণার বিবর্তনকেই তুলে ধরছে, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সক্ষমতার নতুন দিগন্তে দেশ যখন এগিয়ে চলেছে।

    শুভাংশুর সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা

    একজন দক্ষ পরীক্ষামূলক পাইলট ও ভারতের অন্যতম শীর্ষ মহাকাশচারী হিসেবে পরিচিত শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) দেশের মানব মহাকাশ কর্মসূচির অগ্রভাগে রয়েছেন। মাইক্রোগ্র্যাভিটি ও সীমিত কক্ষপথের পরিবেশে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত শুক্লার এই মিশনে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি প্রয়োজন হয়েছিল চরম মানসিক স্থিতি ও মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। অভিযানের সময় কক্ষপথে জটিল কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখেও তিনি অসাধারণ নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রদর্শন করেন, যার ফলে ক্রুদের নিরাপত্তা ও মিশনের লক্ষ্য সফলভাবে পূরণ হয়। পুরস্কার প্রদানকালে রাষ্ট্রপতি শুভাংশু শুক্লার সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, ব্যক্তিগত ঝুঁকি গ্রহণে প্রস্তুত এমন মানুষদের হাত ধরেই ভারতের মহাকাশযাত্রা এগিয়ে চলেছে।

    তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা শুভাংশু

    ২০২৫ সালে অ্যাক্সিয়ম (Axiom 4) মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দিয়েছিলেন শুক্লা। উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পা রেখে ইতিহাস গড়েন তিনি। কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত ও প্রতিকূল পরিবেশেও তাঁর নির্ভুল নেতৃত্ব, শান্ত মস্তিষ্ক ও কর্তব্যবোধ এই সম্মানের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। মহাকাশে অবস্থানের সময় বহু বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্পন্ন করেন শুক্লা। কৃষিক্ষেত্রেও অনন্য পরীক্ষা চালিয়ে সফলভাবে মেথি ও মুগ ডালের চাষ করেন শূন্য মহাকর্ষে যা ভবিষ্যতের মহাকাশ কৃষি গবেষণার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর সাহসিকতা ও অবদান শুধু ভারত নয়, বিশ্ব মহাকাশ গবেষণায়ও এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর কীর্তি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

     

     

     

     

     

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের নাগৌর জেলায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজস্থান পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযানে ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিপুল বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামের একটি মাঠে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ১৮৭টি বস্তায় রাখা মোট ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামও পাওয়া যায়।

    নাগৌরে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার

    নাগৌরের পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় বিস্ফোরক কেনাবেচা ও মজুতের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই এই বড়সড় অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, “এই অভিযানে সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইন ও সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাজ্যে বিস্ফোরক আইনের আওতায় এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় অভিযান।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ডিটোনেটরের ৯টি কার্টন, নীল ফিউজ তারের ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ৯টি বান্ডিল। অভিযুক্ত সুলেমান খান হারসৌর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের ফার্মহাউসে এই বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিস্ফোরক আইনে তিনটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটিতে তিনি খালাস পেয়েছিলেন।

    বেআইনি খননের যোগসূত্র

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জেরায় উঠে এসেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের খননকারীদের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহ করতেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-র সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও আরও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নীল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ৫টি বান্ডিল। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা শীঘ্রই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর নাথদ্বারার শ্রীনাথজি এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম ছিল।

  • Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। এই দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Flag Hoisting and Unfurling)। ২৬ জানুয়ারি পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ১৫ অগাস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস। এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মানজ্ঞাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা ভারতবর্ষের (India) অস্মিতার প্রতীক। গর্বের প্রতীক। জাতীয়তাবোধের প্রতীক। ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এক কথায় ভারত রাষ্ট্রকে বিশ্বের সামনে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকার সঙ্গে ভারতবাসীর এক আবেগ মিশে আছে। যে কোনও জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হতে দেখলেই আমাদের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি জেগে ওঠে। ভারতীয় হিসেবে গর্বিত ভাব স্পন্দিত হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে দেশবাসী মেতে ওঠে দুটি দিনে ১৫ অগাস্ট এবং ২৬ জানুয়ারি। একথা সকলেরই জানা। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট দেশ স্বাধীন (Flag Hoisting and Unfurling) হয়েছিল। আত্মপ্রকাশ করেছিল এক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে কার্যকর হয় ভারতবর্ষের সংবিধান। সেদিনটি পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। এই দুইদিনে জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসব দেখা যায়।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’ (Flag Hoisting and Unfurling)

    কিন্তু এই দু’টি দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে ওপর পর্যন্ত তোলা হয়। একে বলা হয় উত্তোলন আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে ভাঁজ করা অবস্থায়, সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়। একে বলে উন্মোচন। ইংরেজি অনুযায়ী প্রথমটিকে বলা হয় ‘Hoist’, আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটিকে ‘Unfurl’। বাংলা করে হবে ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’-এর ব্যাখা (Flag Hoisting and Unfurling)

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। জানা যায়, এই কারণে স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েই গিয়েছিল। তাই জাতীয় পতাকা প্রজাতন্ত্র দিবসে ওপরেই বাঁধা থাকে। জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি পতাকার উন্মোচন করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের ডানা মেলার প্রতীক হিসেবে। ১৫ অগাস্ট ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঐতিহাসিক লালকেল্লায়। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের উৎসব ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে মর্যাদা দিতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারতের মুক্তিলাভের দিনকে স্মরণ করতেই পালন করা হয় (Flag Hoisting and Unfurling)। এই সময়ে পতাকা, দণ্ডের নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয়।

    ১৫ অগাস্ট…

    প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ১৯৪৭ সাল থেকেই দেখা যায়, কারণ ওই বছরেই ভারত সার্বভৌমত্ব লাভ করেছিল এবং ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ মন অধিনায়ক জয় হে…’। এই সময়ে জাতীয় পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরতে থাকে। পতাকা সংযুক্ত করা থাকে একটি দড়ির সঙ্গে। পরবর্তীকালে ওই দড়ি টেনে পতাকাকে নিচে থেকে ওপরে তোলা হয়। পতাকা উত্তোলন হল দেশের মর্যাদার প্রতীক। পরবর্তীকালে পতাকা যখন ওপরে যায়, তখন সেটিকে উন্মোচিত করা হয় এবং তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে।

    ২৬ জানুয়ারি…

    অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা (Flag Hoisting and Unfurling) কিন্তু নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয় না। পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে। সেই পতাকাকেই উন্মোচিত করা হয়। পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। তার কারণ হল, ভারতবর্ষ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই স্বাধীনতা পেয়েছে। ২৬ জানুয়ারি ভারত আত্মপ্রকাশ করে প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে। তাই সেই প্রতীক হিসেবেই পতাকা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। এই দিনে ভারতবর্ষ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিনেই ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তব্যপথে পতাকাকে উন্মোচিত করেন।

    ১৫ অগাস্ট ও ২৬ জানুয়ারির পার্থক্য

    এক কথায় বলতে গেলে, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনেই তৈরি হয়েছিল দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো এবং সংবিধান। তাই পতাকা উন্মোচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের যে আত্মপ্রকাশ, সেটাকেই প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রপতি জাতীয় পতাকাকে উন্মোচিত করেন। এর মাধ্যমেই ডানা মেলে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভারতের অগ্রগতি, ভারতের গণতন্ত্র এবং দেশের সেনাবাহিনী সাফল্য।

    ২৬ জানুয়ারি পতাকা একেবারে ওপরেই বাঁধা থাকে। এই পতাকাকে পরবর্তীকালে উন্মোচিত করেন। রাষ্ট্রপতি যখনই দড়িতে টান দেন পতাকা উন্মোচিত হয়। তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত বেজে ওঠে। এর পরেই সম্পন্ন হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    পার্থক্যগুলি যদি আমরা এবার ভালোমতো দেখি তাহলে দেখব—

    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৫ অগাস্ট
    • ● প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয় ২৬ জানুয়ারি
    • ● নিচে থেকে ওপর পর্যন্ত পতাকা টেনে তোলা হয় ১৫ অগাস্ট। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি পতাকাকে উন্মোচন করা হয়।
    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারত রাষ্ট্রের মুক্তির প্রতীক হিসেবে। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করা হয় সংবিধান গ্রহণের দিবস হিসেবে।
    • ● ১৫ অগাস্টের উৎসব পালন করা হয় দিল্লির লালকেল্লায়। ২৬ জানুয়ার জানুয়ারি উৎসব পালন করা হয়, দিল্লির কর্তব্যপথে।
    • ● ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

    প্রসঙ্গত, পতাকা উত্তোলন এবং উন্মোচন। এই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ভারতের স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে। কিন্তু দুটি উৎসবই সাক্ষী থাকে ভারতের জাতীয় অগ্রগতি এবং সার্বভৌমত্বের। আলাদাভাবেই দুই দিবসকে পালন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর।

    অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও অনুষ্ঠিত হয় এই দুটি দিন

    প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান হয়। একইসঙ্গে ভারতবর্ষের অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ করেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষেত্রে এই কাজ করেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    এর বাইরে দেশের নাগরিকরাও এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। কেন্দ্রের তরফে এক নির্দেশিকা সামনে আসে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। সেখানে বলা হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

  • Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    Republic Day 2026: আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছে দেশ, জানেন এই দিনটির তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2026) মানেই রাজধানীর রাজপথে কুচকাওয়াজ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। আজ, ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবস কী?

    প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) হল সেই দিন, যেদিন ভারত নিজের সংবিধান অনুসারে পরিচালিত হতে শুরু করে। এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের সমান অধিকারের প্রতীক। এদিন দেশের রাষ্ট্রপতি শপথ নেন সংবিধান রক্ষা করার, এবং দেশের সকল নাগরিকরা নিজেদের গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। উৎসবের মূল আকর্ষণ অবশ্যই নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে দর্শনীয় কুচকাওয়াজ। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত বিস্তৃত এই কুচকাওয়াজে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে।

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে। এ বছর সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (77th Republic Day) উদযাপন করবে। অনেকেই ১৯৪৯ সাল থেকে গণনা শুরু করেন এবং ভাবেন যে সংবিধান সেই দিনেই কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ১৯৫০ সালে দেশে সংবিধান কার্যকর করা হয় এবং সে বছরের ২৬ জানুয়ারি প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। ফলে, এ বছর ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালিত হচ্ছে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে ভারত প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হওয়ার ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বিদায় নেয় ব্রিটিশরা। ২০০ বছরের কালিমা মুছে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হয় ভারতের আকাশে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। যদিও তখনও ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭-এর ২৯ অগাস্ট একটি খসড়া কমিটি তৈরি করে প্রথম সরকার। উদ্দেশ্য সংবিধান রচনা ও কার্যকর। সেই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বাবাসাহেব বিআর আম্বেদকর। ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর ওই কমিটি সংবিধানের একটি আনুষ্ঠানিক খসড়া পেশ করে গণপরিষদে। এর তিন বছর পর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় প্রস্তাবিত সংবিধান। যা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি।

    সংবিধানের শাসন কার্যকর

    স্বাধীনতা দিবসের সমান গুরুত্বপূর্ণ এই দিন। সেই কারণেই বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্রের পোশাকি নাম ‘ভারতীয় সাধারণতন্ত্র’ (Republic Day 2026)। যে প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক, সমতাবাদী এবং ন্যায়পরায়ণ সমাজের কাঠামো হল সংবিধান। প্রজাতন্ত্র দিবস স্মরণ করে স্বাধীন ভারতের চেতনাকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি (77th Republic Day) থেকেই সদ্য স্বাধীন দেশটির রাষ্ট্র পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সংবিধানের শাসন কার্যকর হয় আসমুদ্রহিমাচলে। ২৬ জানুয়ারি সকালে বর্ণাঢ্য সামরিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। এদিন দেশের বাছাই করা নাগরিকদের পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করেন তিনি। এছাড়াও সেনাকর্মীদের পরমবীর চক্র, অশোক চক্র ও বীর চক্রে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের থিম

    এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) থিম হল “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই বিস্তৃত থিমের অধীনে ট্যাবলোগুলোতে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর এবং বিভিন্ন খাতে ক্রমবর্ধমান আত্মনির্ভরশীলতার ওপর ভিত্তি করে জাতির দ্রুত অগ্রগতির এক অনন্য মিশ্রণ তুলে ধরা হবে, যা ভারতের সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সিক্ত। ২০২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নতুন দিল্লির কর্তব্য পথে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১৭টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রক/বিভাগ/সার্ভিসের ১৩টি-সহ মোট ৩০টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হবে।

  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বর্তমানে এমন একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে, এখান থেকে ফেরা সহজ নয়। ভারত-বিদ্বেষে অন্ধ কট্টরপন্থীদের তোয়াজ করতে গিয়ে দেশের ক্রিকেটকে গাঢ়় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। টি-২০ বিশ্বকাপ শুধুই একটি টুর্নামেন্ট নয়, আইসিসি-র-র এমন একটি মঞ্চ, যেখানে ক্রিকেট বিশ্বে একটি দেশের, একটি দলের ভবিষ্যত্‍ তৈরি হয়। আর সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’ বাংলাদেশ। তাদের পরিবর্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দিল আইসিসি। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। একাধিক বৈঠক, আল্টিমেটামের পরেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জাতীয় দলকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাই বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হল না। টুর্নামেন্টের মূল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দিয়ে গ্রুপ ‘সি’ তে জায়গা দেওয়া হল স্কটল্যান্ডকে। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ইমেল পাঠিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আইসিসি-র প্রোটোকল ভঙ্গ

    টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে আলোচনার পর বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় আইসিসি শেষ পর্যন্ত বিকল্প পথ বেছে নেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির ‘ডিসপিউট রেজোলিউশন’ কমিটির কাছে আপিল করা হলেও কমিটি জানিয়ে দেয়, এ সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ক্ষমতা তাদের নেই। আইসিসির এক গোপন সূত্র জানায়, নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইনের মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিক ভাবে জানায়নি দল ভারত সফর করবে কি না। উল্টে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান জানানোর কারণে প্রোটোকল ভঙ্গ হয়েছে এ অভিযোগও উঠে আসে। ফলে আইসিসি আর অপেক্ষা না করে বিকল্প দল নির্ধারণের পথেই হাঁটে।

    এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক

    বিসিবি চূড়ান্তভাবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপে ভারত সফর না করার কথা জানায়। এর ফলে সময় নষ্ট না করে স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশের জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টুর্নামেন্ট শুরু ১৫ দিনেরও কম সময় বাকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক দিক থেকেও অনেকটাই সুবিধাজনক বলে মনে করেন আইসিসি কর্তারা। আরও একটি ঘটনা বড় প্রভাব ফেলেছে এ ক্ষেত্রে। আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানোর আগেই ঢাকায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেখানেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও জানান, তাঁরা বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই খেলতে চান। এই ঘটনার ফলে আইসিসি-র নিয়ম ভঙ্গ করে বাংলাদেশ। সে কারণেই কড়া পদক্ষেপ আইসিসি-র। বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে তাদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে। স্কটল্যান্ডকেও জানানো হয়েছে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার কথা।

    বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী খেলবে স্কটল্যান্ড

    স্কটল্যান্ড সরাসরি বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ ‘সি’তে খেলবে। তাদের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি। ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলবে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। যোগ্যতা অর্জনের মানদণ্ডে স্কটল্যান্ডই ছিল সবচেয়ে এগিয়ে আইসিসি টি ২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এখনো বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া দলগুলির মধ্যে তাদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেও পূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ডের লড়াকু ধারাবাহিকতা আইসিসির সিদ্ধান্তকে আরও যুক্তিযুক্ত করে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল গড়াবে। তার আগে বাংলাদেশের ভেন্যু নিয়ে চলছিল টালবাহানা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় ভারতে না খেলার ব্যাপারে অনড় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও ছাড় দেয়নি বাংলাদেশকে। আইসিসিও বাংলাদেশের ভেন্যু ভারত থেকে সরাতে নারাজ ছিল। আইসিসি বোর্ডের সভায় ভোটাভুটিতে হারও মেনেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আইসিসি একপ্রকার আলটিমেটাম দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ যদি ভারতের মাটিতে এসে না খেলে তাহলে তাদের পরিবর্তে বিশ্বকাপে ঢুকে যাবে স্কটল্যান্ড। আদতে তাই হল। বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে

    ক্রিকেটে নিজেদের রাজনৈতিক ও কট্টরপন্থী অ্যাজেন্ডাকে চরিতার্থ করতে, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গাঢ় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বিসিবি। ইউনূস সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বে মশগুল হয়ে বিসিবি-কে বলে দিল, ভারতে গিয়ে খেলা যাবে না। বিসিবি-রও হাত-পা বাঁধা। প্লেয়ারদের কী হবে? বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে? বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসি টুর্নামেন্ট ট্রফি জেতেনি। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ঠাঁই পেয়েছিল জগমোহন ডালমিয়ার (তত্‍কালীন আইসিসি সভাপতি) দয়ায়। টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট মানে বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত। স্পনসররা বিদায় নেবে, র‍্যাঙ্কিং পড়ে যাবে, ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলিও অনিশ্চিত।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের আত্মহত্যা!

    সবচেয়ে বড় আঘাত হল, ২০৩১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা। সেই স্বপ্নও চুরমার হয়ে গেল। বেসিক্যালি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কবর দেওয়ার সব রকম বন্দোবস্ত করে ফেলল ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কের আবহ ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই আশঙ্কা আইসিসি-র কর্তাদেরই। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চের কোনও ব্যাক আপ হয় না। বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেট সাংবাদিক শান্ত মাহমুদের সতর্কবার্তা, বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থা এবং কেরিয়ারের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, এত বড় মাপের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ না নিতে পারলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং কেরিয়ারের অগ্রগতিও থমকে যেতে পারে। বিশ্ব ক্রিকেটে স্থান পাওয়া কঠিন, কিন্তু হারানো খুব সহজ। বাংলাদেশ বর্তমানে সেই প্রান্তে দাঁড়িয়ে। যদি বাংলাদেশের কাছ থেকে বিশ্বকাপের আয়োজনও হাতছাড়া হয় , তাহলে তা খেলার কাছে নয়, রাজনীতির কাছে হারা হবে।

  • Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিখ ধর্মের নবম গুরু, ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম উপলক্ষে নান্দেদে বহু ভক্তের সমাগম হয়েছে। এই উপলক্ষে আজ, শনিবার ২৪ ও রবিবার, ২৫ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব এবং উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায়ের মানুষ নান্দেদে একত্রিত হয়েছেন। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হল শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ত্যাগ, বলিদান এবং মানবতার জন্য শহিদ হওয়ার ইতিহাস দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া।

    ভারতের রক্ষক শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজি

    ধর্ম, রাষ্ট্র ও মানবতার জন্য যাঁরা নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেন শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি তঁদেরই একজন। অমর গাথার এক অনুপ্রেরণার কাহিনি হল ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জির জীবনকথা। সমগ্র বিশ্ব তাঁকে ভারতের রক্ষক হিসেবে স্মরণ করে। ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায় ও সহিষ্ণুতার রক্ষার্থে তাঁর বলিদান ভারতীয় সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আদেশে তাঁকে আগ্রায় বন্দি করে দিল্লিতে আনা হয়, সেখানে তাঁকে ধর্মান্তরের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজের আদর্শের সঙ্গে কোনও আপস করেননি। অবশেষে ১৬৭৫ সালে দিল্লির চাঁদনি চকের শীশগঞ্জে তাঁর শিরচ্ছেদ করা হয়।

    ১০ লক্ষ ভক্তের সমাগম

    শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি-র শহীদ দিবসকে স্মরণ করে নান্দেদে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও ওয়াকফ প্রতিমন্ত্রী মাধুরী মিসাল তাঁর বার্তায় শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজ্য, দেশ-বিদেশ থেকে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির লক্ষ লক্ষ ভক্ত নান্দেদে সমবেত হয়েছেন। এই উপলক্ষে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব ও উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায় একত্রে মিলিত হয়েছে। অনুষ্ঠান সফল করতে ২৬টি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, থাকার জায়গা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ সমস্ত সুবিধার ব্যাপক আয়োজন করা হচ্ছে।পাশাপাশি যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্তরে রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ভক্তদের সুবিধার্থে “https://gurutegbahadurshahidi.com” এই ওয়েবসাইটে সড়ক, রেল, বাস, যান চলাচল ব্যবস্থা এবং অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

  • Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    Sheikh Hasina: গভীর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস বাংলাদেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ইউনূসের (Muhammad Yunus)। দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে ‘বাঙলাদেশে গণতন্ত্র বাঁচাও’ শীর্ষক এক সভায় অডিও বার্তায় এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ সরকারের একাধিক প্রাক্তন মন্ত্রী, সদস্য সহ বহু বিশিষ্টজন। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল। যদিও এই নির্বাচনে আওয়ামী লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনও সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে।

    দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত

    ২০২৪ সালে দেশ ছেড়ে আসতে বাধ্য হবার পর এই প্রথম অডিও বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারকে (Muhammad Yunus) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন হাসিনা। অডিও বার্তায় তিনি বলেন, “দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র নির্বাসনে। আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। জীবন ও সম্পত্তির কোনও নিরাপত্তা নেই।” প্রায় এক ঘণ্টার বক্তৃতায় আগাগোড়া তিনি নিশানা করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক গভীর খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে কখনও ‘খুনি ফ্যাসিবাদী’, কখনও ‘সুদখোর’, কখনও ‘টাকা পাচারকারী’, আবার কখনও ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আক্রমণ শানান হাসিনা।

    বিদেশিদের হাতের পুতুল ইউনুস

    শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রী। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। দীর্ঘ বক্তৃতায় ইউনূসের সরকারকে ‘অবৈধ’ এবং ‘হিংসাত্মক’ বলেও আক্রমণ শানান তিনি। ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, অরাজকতা এবং গণতন্ত্রহীন এক যুগ ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। পড়শি দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিকে সার্বভৌমত্ব এবং সংবিধানের জন্য এক অস্তিত্বের লড়াই হিসাবে ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইউনূস সরকারকে ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল’ বলে আক্রমণ শানান তিনি। এবং ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া’ এই সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেন হাসিনা। অন্তবর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘এক বিশাল জেলখানা, এক বধ্যভূমি এবং এক মৃত্যু উপত্যকা’য় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন হাসিনা।

    স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ

    তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন! যে সময়ে তিনি দেশ থেকে উৎখাত হয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সেটাই তাঁর শেষ ‘টার্ম’ ছিল। ২৪ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার ছেলে জয় এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বার্তা দিয়েছিলেন। তাতে প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে এবার আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ কী? এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর একটা অডিয়ো বার্তা! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্যাসিস্ট ইউনূস প্রশাসনকে উৎখাতের ডাক দিলেন। গোটা এই পরিস্থিতির জন্য কেবল ইউনূস প্রশাসনকেই দায়ী করেননি তিনি। এর পিছনে বাংলাদেশের সম্পত্তি লুঠের জন্য বিদেশি শক্তির মদতকেও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশ এখন একটি অনির্বাচিত ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত, যেখানে সন্ত্রাস চলছে। বাংলাদেশের ভূমি-সম্পদ লুঠের জন্য বিদেশি শক্তি সক্রিয়।” এই ‘অন্ধকার যুগ’ থেকে দেশকে পুনরুদ্ধারের জন্য দেশবাসীকে আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন হাসিনা।

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র

    কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইউনূস ও সহযোগীরা, এদিন তা-ও জানান হাসিনা। বললেন, “২০২৪ সালের ৫ অগস্ট একটা সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে।” এ প্রসঙ্গেই ইউনূসকে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূসের বিরুদ্ধে বলব, নিজের দেশের লোককেই উপেক্ষা করা বন্ধ করুন।” পাশাপাশি তিনি বলেন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা, ইউনূস প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করুন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেদিন থেকে দেশ সন্ত্রাসের কবলে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ধূলোয় মিশে গিয়েছে। দেশের মেয়ে-নারীরা নির্যাতিত। বিচারব্যবস্থা এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।”

    হতাশ না হবার বার্তা

    এদিন শেখ হাসিনার মুখে শোনা গেছে হতাশ না হবার বার্তা। তিনি বলেছেন, “আশা ছাড়বেন না। যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায় তাঁদের হাত থেকে আমাদের দেশকে ফিরিয়ে আনার লড়াইতে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনর্গঠন করতে আমাদের সাহায্য করুন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে আওয়ামি লিগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল, অবর্ণনীয়ভাবে দেশের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের সঙ্গে মিশে আছে। এই দল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বহুত্ববাদের গর্বিত ঐতিহ্যের রক্ষক। এই সরকারকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করে উৎখাতের ডাক দেন শেখ হাসিনা। তাঁর কথায়, সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির উচিত একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় শপথ নেওয়া।

     

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার থেকে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার আসছেন বাংলায়। রাজ্যের কাজে আর কোনওরকম ভরসা করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অগত্যা তাই স্ক্রুটিনি ও নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    কেন এই পদক্ষেপ

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (State and Union Territory) এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, যাকে বলা হচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR in Bengal)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল তিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছিলেন ২৯৪ জন আধিকারিককে এই রাজ্যে পাঠানোর জন্য। যাদের সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজে ব্যবহার করা হবে রাজ্যের এসআইআর এর চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই ২৯৪ জন আধিকারিক রাজ্যে এসে পৌঁছে যাবেন এবং প্রত্যেকেই ২৯৪ টি এলাকার ইআরওদের সঙ্গে মিলে কাজ করবেন। একদিকে স্ক্রুটিনি, অন্যদিকে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ওপর আর কোনওরকমেই ভরসা করতে পারছে না। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে রাজ্য সরকারের কাছে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য বারংবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই রাজ্যে চলা এসআইআর (SIR in Bengal) এর কাজে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এবং কোনওভাবেই রাজ্যের ওপর ভরসা না করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভারকে নিয়োগ করার। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে শনিবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা। এখনও পর্যন্ত সব তালিকা প্রস্তুত নেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় এই তালিকা শনিবার কতটা প্রকাশ পায় সেটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে।

LinkedIn
Share