Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • India-Bangladesh Relations: পশ্চিমবঙ্গ-সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জয়ী জামাত! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    India-Bangladesh Relations: পশ্চিমবঙ্গ-সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জয়ী জামাত! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের (India-Bangladesh Relations) রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে এগোলেও, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ১১-দলীয় জোটের মোট আসন সংখ্যা ৭৭। এই ফলাফল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জামায়াতের বেশিরভাগ সাফল্য এসেছে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে। বলা ভালো পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলায় যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি সেখানে জয়ী হয়েছে জামাত।

    ভারতের জন্য উদ্বেগের

    হাসিনা সরকারের পতনের পর, বাংলাদেশে ভারত বিরোধী জিগির উঠলেও, এবারের ভোটে ভারত বিদ্বেষী জামায়াতে ইসলামি ও ছাত্র জোট কার্যত ধুয়ে মুছে গিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বরাবর বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশেই জয়ী হয়েছে ভারতবিদ্বেষী জামাত। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বরাবর…সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙা, মেহেরপুর, রাজশাহি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাটের মতো জায়গায় জয়ের খাতা খুলেছে জামাত। বাংলাদেশের এই জেলাগুলির গা ঘেঁসেই রয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলা। যা ভারতের জন্য উদ্বেগের, বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কূটনীতিকদের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া না দেওয়া অনেকটা জায়গা পড়ে রয়েছে। এর অধিকাংশটাই পশ্চিমবঙ্গের। নিরাপত্তার খাতিরে কাউকে জিজ্ঞাসা না করেই কেন্দ্রীয় সরকার যে কোনও জমি নিতে পারে। তাই শীঘ্রই এখানে বেড়া দেওয়া দরকার।

    ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সীমান্ত এলাকায় জামাতের শক্তিবৃদ্ধি ভারতের জন্য আশঙ্কার। বিরোধীদেরও দাবি, এই ছবি পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের জন্য মোটেই স্বস্তির নয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি মনে করি, একাত্তরের শক্তির খানিকটা জাগরণ ঘটেছে বলে, আরও জাগরণ ঘটত যদি আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত। তাহলে এই জামাতিরা ১০টি আসন পেত না।” হাসিনা জমানায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর কাছাকাছি আসে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। পদ্মাপারে বাড়তে থাকে কট্টরপন্থীদের দাপট। অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্র-যুব আন্দোলনে ইন্ধন ছিল ইসলামাবাদের। তারেক রহমানের হাত ধরে ফের ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক তৈরি হবে কি না তা সময় বলবে।

    নির্বাচনের সারসংক্ষেপ

    মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি ও তার জোট ২১২টি আসন জিতে সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন পায়—দলের ইতিহাসে যা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) মাত্র ৬টি আসন জিতে ভরাডুবির মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শহরাঞ্চল, শিক্ষিত ভোটার ও মহিলারা জামায়াতের রক্ষণশীল অবস্থানের বিরোধিতা করেছেন। তবে গ্রামীণ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় দলটির প্রভাব বেড়েছে।

    হিন্দু অধ্যুষিত বিভাগ ও জামায়াতের ফল

    বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮% (প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ)। তবে কিছু বিভাগে এই হার ১০%–এর বেশি।

    সিলেট বিভাগ

    হিন্দু জনসংখ্যা: প্রায় ১৩.৫%

    জামায়াতের সাফল্য সীমিত

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা)

    তুলনামূলকভাবে ভারত-বিরোধী মনোভাব এখানে কম

    রংপুর বিভাগ

    হিন্দু জনসংখ্যা: প্রায় ১৩%

    রংপুর-১, ২, ৩, ৫, ৬ সহ একাধিক আসনে জামায়াতের জয়

    গাইবান্ধা, জয়পুরহাটেও ভালো ফল

    খুলনা বিভাগ (বিশেষত সাতক্ষীরা)

    হিন্দু জনসংখ্যা: ১১–১২%

    সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনেই জামায়াতের জয়

    পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও ২৪ পরগনার সংলগ্ন এলাকা বাংলাদেশের এই জায়গাগুলো।

    কেন উদ্বিগ্ন ভারত

    সীমান্ত নিরাপত্তা: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪,০৯৬ কিমি। রংপুর-খুলনা অঞ্চলে জামায়াতের শক্ত অবস্থান সীমান্তে চোরাচালান, অনুপ্রবেশ বা অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়াতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে দলটি ভারতের বিএসএফের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছিল।

    ভারত বিরোধী মনোভাব: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী অবস্থান নিয়েছিল জামায়াত। সেই অতীতের কারণে ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সবসময়ই সন্দেহের চোখে দেখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামীণ এলাকায় ভারতবিরোধী বক্তব্য তাদের নির্বাচনী সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: যেসব এলাকায় হিন্দু জনসংখ্যা ১০%–এর বেশি, সেখানে জামায়াতের উত্থান সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়লে সামাজিক উত্তেজনাও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: তিস্তা জলবণ্টনসহ বিভিন্ন বাণিজ্য ও সীমান্ত ইস্যুতে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে। যদিও বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    জনমতের বার্তা

    জাতীয় পর্যায়ে বিএনপির জয় দেখায় যে অধিকাংশ ভোটার চরমপন্থাকে সমর্থন করেননি। শহরাঞ্চল ও মহিলা ভোটারদের বড় অংশ জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে গ্রামীণ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় ধর্মীয় ও পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি কার্যকর হয়েছে।
    ২০২৬ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করলেও, সীমান্তবর্তী এলাকায় জামায়াতের শক্ত অবস্থান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

  • Bangladesh: তারেককে ভারতে আমন্ত্রণ মোদির, সম্পর্কের মাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    Bangladesh: তারেককে ভারতে আমন্ত্রণ মোদির, সম্পর্কের মাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করবেন তারেক রহমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত না থাকতে পারলেও বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি মোদির চিঠি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। চিঠিতে মোদি তারেককে (Tarique Rahman) ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারত চাইছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের কিছু সময়ের পরেই যেন ভারত সফরে আসেন এই বিএনপি নেতা।

    সম্পর্কের বিরাট অবনতি হয়েছিল (Bangladesh)

    ঢাকার (Bangladesh) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যেতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি। অবশ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনি দিল্লি এবং মুম্বইতে একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষ ভাবে ব্যস্ত থাকবেন। তবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর গত দেড় বছরের বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিরাট অবনতি ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস নিজেও কট্টর ভারত বিরোধিতা করে পাকিস্তান এবং আইএসআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক সুগম্য করেছেন। তাই বিএনপি সরকার গড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের দ্রুত উন্নতি চায়। তারেক রহমানকে সেই জন্য নির্বাচনের পরে মোদি স্বয়ং অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছিলেন। উল্লেখ্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। ভারত সব সময়েই বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠনের পক্ষে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে।

    চুক্তি সম্পন্ন হলে দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে

    শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তারেক রহমান বলেছেন, “কোন একটি দেশের (Bangladesh) সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের পথে পা বাড়াবো না। আমাদের বিদেশনীতি হবে স্বাধীন এবং সাবলক। সরকারের বিদেশনীতির মূলমন্ত্র হবে সবার আগে দেশ (Tarique Rahman)।”

    তবে ভারতের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উপমহাদেশে শান্তি এবং সুরক্ষা বজায় রাখতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও মজবুত করা প্রয়োজন। ইউনূসের শাসনের কালা অধ্যায়কে দ্রুত কাটাতে চায় ভারত। এই জন্য দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বিশেষ বৈঠক করা একান্ত প্রয়োজন। তবে তারেক রহমান ভারত সফরে আসলে দুই দেশের মধ্যে একাধিক বিষয়ে চুক্তিকে বাস্তবায়ন করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। তারমধ্যে হল গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তি। গত ৩০ বছর আগে এই চুক্তি হয়েছিল এবং এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালে ফের আরেকবার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হবে। ইতিমধ্যে দুই দেশের অফিসার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে ইতিমধ্যে কথাবার্তা হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল অবশ্য মনে করছে, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হলে সম্পর্কের মাত্রা ভালো হবে।

  • Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় কূটনীতিকদের উপস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিংও স্পিকারের সঙ্গে ঢাকা যেতে পারেন।

    কেন যাচ্ছেন না মোদি ?

    স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla) বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবর্তে বাংলাদেশে (Bangladesh) যাবেন। ঢাকার তরফে রবিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।  কিন্তু পূর্ব-নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না তিনি। কারণ, ওই দিনই মুম্বইয়ে ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে মোদির বিশেষ বৈঠক রয়েছে।

    বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মাননীয় স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের উপর জোর দেওয়া হবে। আমাদের দুই দেশকে আবদ্ধ করে এমন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে ভারত। একটি অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার দ্বারা ঐক্যবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত তারেক রহমানের নেতৃত্বকে স্বাগত জানায়।’’

    সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে আগ্রহী ঢাকা

    তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যারা ২০২৬ সালের নির্বাচনে ২৯৭টি ঘোষিত আসনের মধ্যে ২১২টি আসন পেয়ে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছে। নির্বাচনে জয়লাভের পর তারেককে পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি। সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমান ঘোষণা করে বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ আমাদের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করবে। ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে ঢাকা ভীষণ ভাবে আগ্রহী।”

  • Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী। বাংলাদেশে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-কে এক বিশাল বিজয় এনে দিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং জামায়াতে ইসলামকে (Islamist Terrorists) পরাজিত করেছে। তবে শিরোনামে যা এসেছে, তা হল তিনজন সন্ত্রাসী এখন রাজনীতিবিদে পরিণত হয়েছেন। এদের সকলকেই পূর্বে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডের আসামী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এখন তাঁরা সংসদ সদস্য বা এমপি হিসেবে সংসদে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

    ইউনূসই মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন (Bangladesh)

    ২০২৪ সালে কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ (Bangladesh) থেকে বিতারিত করার পর কট্টর মৌলবাদীদের সমর্থনে অন্তর্বর্তী সরকারে বসেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আদালতের রায়ের পর তিন ইসলামি সন্ত্রাসীকে (Islamist Terrorists) কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। যদিও রাজনৈতিক অস্থিরতার পূর্বে এই তিন সন্ত্রাসী কারাগারে ছিলেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর্যায়ে ছিলেন। দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন।

    মৃত্যুদণ্ড থেকে সাংসদ লুৎফুজ্জামান বাবর

    সন্ত্রাসীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর। ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে ১,৬০,০০০ এরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকার বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকার ছিল। উল্লেখ্য বাবর এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনও করেছিলেন। ২০১৪ সালে, বাবরকে ২০০৪ সালের ঢাকা (Bangladesh) গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে, চট্টগ্রাম অস্ত্র (Islamist Terrorists) চোরাচালান মামলায় জড়িত থাকার জন্য তাঁকে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যেখানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়েছিল। তবে, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর, হাইকোর্ট ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

    আবদুস সালাম পিন্টু ও ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী

    বিএনপির (Bangladesh) আরেক নেতা আবদুস সালাম পিন্টুও রাজনৈতিকভাবে মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। তিনি টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে প্রায় ২০০,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবরের মতো, পিন্টুকেও ২০০৪ সালের ঢাকা গ্রেনেড হামলায় ভূমিকার জন্য ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পিন্টুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামী (হুজি) কে সমর্থন করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। ভারতে ২০০৬ সালের বারাণসী আদালতে বোমা হামলা (Islamist Terrorists) , ২০০৭ সালের আজমির শরীফ দরগায় হামলা এবং ২০১১ সালের দিল্লিতে বোমা হামলার মতো বড় বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল এই পাক জঙ্গি সংগঠন। বাবরের মতো, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর আদালত তাকেও ২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মুক্তি দেয়।

    যুদ্ধাপরাধের আসামি এটিএম আজহারুল ইসলাম

    তৃতীয় নেতা হলেন জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম। আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ (Bangladesh) থেকে প্রায় ১৩৯,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি এর আগে ১৯৯৮, ২০০১ এবং ২০০৬ সালেও সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিব ছিলেন। ২০১২ সালে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর অপরাধের জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ১,২৫৬ জনকে হত্যা (Islamist Terrorists) এবং ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৪ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের ২৭ মে তাকে খালাস দেয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি একটি বিরাট পরিবর্তন। অভিযুক্ত, মৃত্যুদণ্ডদের আসামীরা এখন সংসদে শপথ নিতে চলেছেন।

  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

  • Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জয়ের পর তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি (BNP)। দলের নেতারা বলেছেন, ঢাকা আওয়ামী-পরবর্তী যুগে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমানের সরকার বাংলাদেশ-ভারতের (Bangladesh) সম্পর্ক জোরদার করবে।

    নির্বাচনী বিজয় ও নতুন নেতৃত্ব (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে তারেক রহমান এখন দেশের হাল ধরতে প্রস্তুত। হাসিনাকে বিতারিত করার পর বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অত্যন্ত বেহাল হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন এবং ভারত বিরোধিতার স্বর জামাত এবং কট্টরপন্থীরা ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক তালানিতে নিয়ে গিয়েছে। এখন তারেক রহমান সেই ক্ষতে কতটা প্রলেপ দিতে পারে, সেটাই দেখার।

    ভারতকে ধন্যবাদ

    বিএনপি (BNP) নেতা তারেক রহমান এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি নতুন এবং শক্তিশালী সম্পর্কের সূচনা হবে। উল্লেখ্য, ইউনূসের রাজত্বে ভারত বিরোধিতা, উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি, লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। এখন নির্বাচনের পর দায়িত্বশীল সরকার গঠন হলে এই কালো মেঘ কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার

    বিএনপি নেতৃত্ব নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, “এই জয় বাংলাদেশের (Bangladesh) জনগণের জয় এবং এর মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা শক্তিশালী সম্পর্ক চাই। দলের তরফে আমরা ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বড় গতি পাবে। দুই দেশের যোগদান আমাদের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

    বিএনপির তরফে আরও বলা হয়, তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে বাংলাদেশের মাটি কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

    আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

    বিএনপি (BNP) আশা করছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত একটি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফেরার পর বিএনপি ভারতের সঙ্গে তাদের পূর্বের তিক্ততা কাটিয়ে একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

LinkedIn
Share