Tag: Bengali news

Bengali news

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।” মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির পরামর্শ

    তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।”

    মাদক পাচার রোধে জোর

    মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • Ramakrishna 515: “সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী…আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়”

    Ramakrishna 515: “সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী…আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    পূর্বকথা—৺কাশীধামে শিব ও সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন—
    অদ্য ব্রহ্মাণ্ডকে শালগ্রাম রূপে দর্শন

    বেলা দশটা বাজিয়াছে। ঠাকুর (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। মাস্টার গঙ্গাস্নান করিয়া আসিয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন ও কাছে বসিলেন।

    ঠাকুর ভাবে পূর্ণ হইয়া কত কথাই বলিতেছেন। মাঝে মাঝে অতি গুহ্য দর্শনকথা একটু একটু বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সেজোবাবুর সঙ্গে যখন কাশী গিয়েছিলাম, মণিকর্ণিকার ঘাটের কাছ দিয়ে আমাদের নৌকা যাচ্ছিল। হঠাৎ শিবদর্শন। আমি নৌকার ধারে এসে দাঁড়িয়ে সমাধিস্থ। মাঝিরা হৃদেকে বলতে লাগল — ‘ধর! ধর!’ পাছে পড়ে যাই। যেন জগতের যত গম্ভীর নিয়ে সেই ঘাটে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রথমে দেখলাম দূরে দাঁড়িয়ে তারপর কাছে আসতে দেখলাম (Kathamrita), তারপর আমার ভিতরে মিলিয়ে গেলেন!

    “ভাবে দেখলাম, সন্ন্যাসী হাতে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। একটি ঠাকুরবাড়িতে ঢুকলাম — সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন হল!

    “তিনিই এই সব হয়েছেন, — কোন কোন জিনিসে বেশি প্রকাশ।

    (মাস্টারাদির প্রতি)—“শালগ্রাম তোমরা বুঝি মান না—ইংলিশম্যানরা মানে না। তা তোমরা মানো আর নাই মানো। সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী। আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়।”

    মাস্টার—আজ্ঞা, সুলক্ষণযুক্ত মানুষের ভিতর যেমন ঈশ্বরের বেশি প্রকাশ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna) —নরেন্দ্র আগে মনের ভুল বলত, এখন সব মানছে।

    ঈশ্বরদর্শনের কথা বলিতে বলিতে ঠাকুরের ভাবাবস্থা হইয়াছে। ভাব-সমাধিস্থ। ভক্তেরা একদৃষ্টে চুপ করিয়া দেখিতেছেন। অনেকক্ষণ পরে ভাব সম্বরণ করিলেন ও কথা কহিতে লাগিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — কি দেখছিলাম। ব্রহ্মাণ্ড একটি শালগ্রাম। — তার ভিতর তোমার দুটো চক্ষু দেখছিলাম(Kathamrita)!

    মাস্টার ও ভক্তেরা এই অদ্ভুত, অশ্রুতপূর্ব দর্শনকথা অবাক্‌ হইয়া শুনিতেছেন। এই সময় আর-একটি ছোকরা ভক্ত, সারদা, প্রবেশ করিলেন ও ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া উপবেশন করিলেন।

  • Mission Trishul: বিহারে এনডিএর বিপুল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস!

    Mission Trishul: বিহারে এনডিএর বিপুল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএর বিপুল জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে আরএসএস (RSS)। নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছে বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি(আরভি) এবং অন্যান্য জোটসঙ্গীরা, সেখানে আরএসএস এবং বিজেপির বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, জটিল সামাজিক সমীকরণযুক্ত জেলাগুলিতে বিশেষভাবে সংঘের মাঠপর্যায়ের কাজ জোটকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে (Mission Trishul)। তারা মূলত জোর দিয়েছে সুশাসন ও উন্নয়নের ওপর।

    স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন (Mission Trishul)

    সংবাদ মাধ্যমের খবর, আরএসএস বিহারের ৩৮টি জেলার প্রতিটিতে অন্তত ১০০ জন করে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছিল, যারা তাদের সহযোগী সংগঠনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার এবিভিপি সদস্যকে পাঁচজনের ছোট দলগুলিতে ভাগ করে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে পাঠানো হয়েছিল। এই দলগুলি নীরবে কাজ করেছে। আরএসএসের এই চেষ্টা এনডিএর ভোটশেয়ার ২০২০ সালের নির্বাচনের তুলনায় অধিকাংশ আসনেই বাড়াতে সাহায্য করেছে। ২০২০ সালে এনডিএর কিছু শরিক, যেমন তৎকালীন অবিভক্ত লোক জনশক্তি পার্টি এবং জাতীয় লোক মোর্চা আলাদাভাবে নির্বাচন লড়েছিল। কিন্তু এবার সবাই একজোট হওয়ায় আরএসএস জোটের সব প্রার্থীকেই সমানভাবে সমর্থন করেছে।

    এনডিএর জয়জয়কার

    আরএসএস সূত্রে খবর, যে যে আসনে এনডিএর যেসব শরিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে সেগুলির ভোটশেয়ারে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। বিজেপির ৪২.৫৬ ভোট থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮.৪৪ শতাংশ, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর ভোট ৩২.৮৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬.২ শতাংশ। এলজেপি(আরভি)-এর ভোট ১০.২৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৩.১৮ শতাংশ, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার)-এর ভোট ৩২.২৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮.৩৯ শতাংশ, এবং আরএলএমের ৪.৪১ ভোটের হার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪১.০৯ শতাংশ (RSS)। এনডিএর সংখ্যাগরিষ্ঠতার গেরো পার করার আরও একটি কারণ হল মানুষের ভোট দেওয়ার ধরন বদলানো। আরএসএস কর্মীরা ভোটারদের (Mission Trishul) বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে কর্মক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থ—এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে, প্রচলিত জাতিভিত্তিক ভোটের বদলে। বস্তুত, এই প্রথার জন্য বিহার বহুদিন ধরে পরিচিত। স্বেচ্ছাসেবকদের অনেকেই সংঘের বিভিন্ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিহারে বাস করতেন। ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি ছাত্ররা সময় বের করতে পারলেই যোগ দিতেন নানা কর্মসূচিতে। আরএসএসের এক পদাধিকারী জানান, তাদের বাড়ি–বাড়ি প্রচার ভোটারদের মনে করিয়ে দিয়েছে যে কেবলমাত্র জাতিভিত্তিক রাজনৈতিক পছন্দ বৃহত্তর সামাজিক স্বার্থকে দুর্বল করে।

    মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় নজরকাড়া ফল

    সবচেয়ে (RSS) নজরকাড়া ফল এসেছে সীমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে। এটি এমন কিছু জেলার সমষ্টি যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সমাজসেবা, কমিউনিটি কাজ এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে গত দশকে আরএসএস এখানে ধীরে ধীরে তাদের পায়ের নীচের মাটি শক্তি করেছে। সংঘ কর্তাদের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির কারণেই তারা এই অঞ্চলের ২৮–৩২টি আসনে জাতিভেদের বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত করে হিন্দু ভোট একত্রিত করতে পেরেছেন। ৩২টি আসনের মধ্যে যেখানে মুসলিম ভোটাররা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে এবারের নির্বাচনে এনডিএ জিতেছে ২১টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি ১০টি, জেডিইউ ৮টি, এলজেপি (আরভি) ২টি এবং আরএলএম ১টি আসন জিতেছে। ২০২০ সালের তুলনায় এটি ভালো ফল। কারণ, সেবার এনডিএ এই আসনগুলির মধ্যে ১৮টিতে জিতেছিল (Mission Trishul)।

    সংখ্যালঘু মোর্চার অবদান

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চাও জুলাই থেকে একটি নীরব কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক প্রচার চালিয়েছে, বিশেষভাবে মুসলিম পরিবারগুলির ওপর গুরুত্ব দিয়ে। তারা কেন্দ্রের বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্প, যেমন উজ্জ্বলা ও আবাস যোজনার উদাহরণ তুলে ধরে জানিয়েছে, এসব প্রকল্প ধর্মনিরপেক্ষভাবে সবারই উপকার করেছে। সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধান জামাল সিদ্দিকি বলেন, “অনেক মুসলিম পরিবার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে, কারণ তারা স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চাইছিল।” তাঁর দাবি, নীতীশ কুমারের টেকসই সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন প্রচেষ্টা—এই দুটোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    মিশন ত্রিশূল

    পরম্পরাগত নির্বাচনী ব্যবস্থার পাশাপাশি, আরএসএস এ বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মিশন ত্রিশূল নামে একটি বিশেষ প্রচারও করে। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত নিজেও এতে যুক্ত ছিলেন। প্রশ্ন হল, মিশন ত্রিশূল কী (RSS)মিশন ত্রিশূল হল তিন ধাপের একটি কাঠামো, যার লক্ষ্য হল এনডিএর জয়ের সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অঞ্চলে বিরোধী মনোভাবের প্রভাব কমানো। মিশনের প্রথম ধাপে বুথ স্তরে ভোটার মানসিকতার বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করা হয়। আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রাম ও ছোট শহরের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন, বেকারত্ব, রাস্তার অভাব, কল্যাণমূলক সুবিধা বিলম্বে পাওয়া, বা স্থানীয় নেতাদের প্রতি ক্ষোভ এসব বিভিন্ন অসন্তোষের কারণ জানতে।
    দ্বিতীয় ধাপটি হল যোগাযোগ কৌশল। যেসব এলাকায় অসন্তোষ পাওয়া গেল, সেখানে আরএসএস স্থানীয় সমস্যাগুলিকে বিজেপির বৃহত্তর জাতীয় প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করতে কাজ করে, উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক পরিচয়, জাতীয়তাবাদ এবং স্থিতিশীলতা (Mission Trishul)।
    স্বেচ্ছাসেবকরা সরকারি প্রকল্প, কর্মসংস্থান প্রচেষ্টা, কৃষি সংস্কার, এবং সংরক্ষণ নীতি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এগুলিকে সুশাসন ও উন্নয়নের বড় গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেন (RSS)। মিশন ত্রিশূলের শেষ ধাপটি হল হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করা। এবিভিপি, বাজরং দল, ভিএইচপি, মজদুর সংঘের মতো সংগঠনগুলি এই কাজে সাহায্য করে। তারা কোন বুথ বিজেপির শক্তিশালী, কোনটি দুর্বল – এগুলি চিহ্নিত করে এবং নিশ্চিত করে যে বিজেপি-সমর্থক ভোটাররা ভোটদানে সক্রিয় হয় (Mission Trishul)।

  • Four Labour Codes: দেশে লাগু হয়ে গিয়েছে নয়া চার শ্রমবিধি, জেনে নিন কী কী সুবিধা মিলবে?

    Four Labour Codes: দেশে লাগু হয়ে গিয়েছে নয়া চার শ্রমবিধি, জেনে নিন কী কী সুবিধা মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার থেকেই দেশে লাগু হয়ে গিয়েছে নয়া চার শ্রমবিধি (Four Labour Codes)। এই চার শ্রমবিধি সংক্রান্ত বিল সংসদে পাশ হয়েছে অনেক আগেই। একটি পাশ হয়েছিল ২০১৯ সালে। বাকি (Worker) তিনটি পাশ হয় তার পরের বছর। শুক্রবার ওই চার শ্রমবিধি চালু করে দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই চার শ্রমবিধি কার্যকর করার মাধ্যমে একটি নতুন শ্রম যুগে প্রবেশ করল ভারত। এই চারটি বিধি হল, মজুরি সংহিতা, শিল্প সম্পর্ক সংহিতা, সামাজিক সুরক্ষা সংহিতা এবং পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ সংহিতা। এগুলি কার্যকর হওয়ায় স্বাধীনতার পর দেশের শ্রম ক্ষেত্রে অন্যতম বিস্তৃত ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    নয়া শ্রমবিধি (Four Labour Codes)

    নয়া চারটি শ্রমবিধি চালুকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করে ভারত সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপে বর্তমানে চালু রয়েছে এমন ২৯টি কেন্দ্রীয় শ্রম আইনকে যুক্তিযুক্তভাবে একীভূত করা হয়েছে, সরল করা হয়েছে শতবর্ষ পুরানো নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে এবং বিস্তৃত করা হয়েছে শত শত মিলিয়ন শ্রমিকের সুরক্ষাও। ২১ নভেম্বর, শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে এই বিধি (Worker)। এদিন কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশকে আত্মনির্ভর করতে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মধ্যে দিয়ে শ্রম সংক্রান্ত বিধির আধুনিকীকরণ করে, শ্রমিক কল্যাণ এবং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রের। ওই বিবৃতিতেই জানানো হয়েছে, দেশের অনেক শ্রম আইনই স্বাধীনতার আগে এবং স্বাধীনতার ঠিক পরে পরে চালু হয়েছিল। তখনকার অর্থনীতি এবং কর্মক্ষেত্রের তুলনায় এখনকার পরিস্থিতি অনেক আলাদা (Four Labour Codes)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আজ আমাদের সরকার চারটি শ্রমবিধি কার্যকর করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে এটি সব চেয়ে ব্যাপক এবং প্রগতিশীল শ্রমভিত্তিক সংস্কারগুলির একটি। এটি দেশের শ্রমিকদের ক্ষমতা আরও বাড়াবে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রকে করে তুলবে আরও সহজতর। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও দাবি করেন, এই শ্রমবিধি দেশের শ্রম আইনের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় সংস্কার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চারটি শ্রমবিধি শ্রমিকদের সুরক্ষা মজবুত করে, সামাজিক সুরক্ষা বাড়ায় এবং কর্মক্ষেত্রের মানকে আধুনিক করে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রটি এবং সেক্ষেত্রে কেমন সুবিধা মিলবে।

    স্থায়ী কর্মচারীর সমান মর্যাদা

    শ্রমবিধিতে স্থায়ী-মেয়াদি কর্মচারীদের স্থায়ী কর্মচারীর সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদি কাজের ক্ষেত্রেও স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। স্থায়ী কর্মীদের মতোই তাঁরা ছুটি, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা-সহ সব সুবিধা পাবেন। ৫ বছরের পরিবর্তে মাত্র ১ বছর কাজের পরেই মিলবে গ্র্যাচুইটি। স্থায়ী ও স্থায়ী-মেয়াদি কর্মচারীর মজুরি সমান। এটি সরাসরি নিয়োগকে উৎসাহিত করে এবং কন্ট্রাক্টর-নির্ভরতা কমায় (Worker)। এই প্রথমবারের মতো গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মী এবং অ্যাগ্রিগেটরদের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যার ফলে লাখ লাখ কর্মী সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসবেন। এই সংস্কারগুলি চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের সুরক্ষা বাড়ায় এবং উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে। প্রধান নিয়োগকর্তাকে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধা দিতে হবে। নয়া বিধি মহিলা শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে (Four Labour Codes) তাঁদের প্রাপ্য অধিকার, সুরক্ষা এবং সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের ওপর আইনগত নিষেধাজ্ঞা, সম কাজে সম বেতন দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    চাকরিতে আরও বেশি সুরক্ষা

    তরুণ শ্রমিকরা প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরিতে আরও বেশি সুরক্ষা পাবেন। সব শ্রমিকের জন্য ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিয়োগপত্রের পাশাপাশি ছুটির সময় মজুরি দেওয়াও বাধ্যতামূলক। এই বিধিগুলি এমএসএমই কর্মীদের একটি ঐক্যবদ্ধ কল্যাণ কাঠামোর আওতায় আনে, যার ফলে কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা আরও উন্নত হয়। বিড়ি ও সিগার শ্রমিকদেরও আইনি সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এঁদের ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে। সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজ করানো যাবে। বছরে ৩০ দিন কাজ করলেই বোনাস দিতে হবে। প্ল্যান্টেশন শ্রমিকদেরও আধুনিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার মানদণ্ডের আওতায় আনা হয়েছে (Worker)।

    সমান সুরক্ষা

    ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, প্রযুক্তিবিদ ও পারফর্মাররা এখন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সমান সুরক্ষা পান (Four Labour Codes)। তাঁদের বেতন ও সুবিধা উল্লেখ করে বাধ্যতামূলক নিয়োগপত্র দিতে হবে, দিতে হবে সময় মতো মজুরিও। ডাবিং শিল্পী, স্টান্ট কর্মী ও ডিজিটাল মিডিয়া কর্মীদেরও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খনি-খাতের কর্মীরা আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ও কল্যাণের মানদণ্ডের সুবিধা পাবেন। উচ্চ-ঝুঁকির শিল্পে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষা আরও জোরদার করা হয়েছে। নয়া শ্রমবিধিগুলি অভিবাসী ও শিল্পাঞ্চলের টেক্সটাইল শ্রমিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা নিয়ে এসেছে। আইটি খাতের হোয়াইট-কলার কর্মীরা এখন আরও স্পষ্টতা, কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা ও সময়মতো বেতন পাওয়ার নিশ্চয়তা পাবেন। বন্দর শ্রমিকরা এখন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা পাচ্ছেন। ভারতের রফতানিমুখী শিল্পে এই সংস্কারগুলি শ্রমিকদের সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করেছে (Four Labour Codes)।

  • Nitish Kumar: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ ছাড়লেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ, দায়িত্ব বর্তাল বিজেপির হাতে

    Nitish Kumar: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ ছাড়লেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ, দায়িত্ব বর্তাল বিজেপির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ এবার ছাড়তেই হল বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar)। প্রায় দু’দশক ধরে এই দফতরটি নিজের হাতে রেখেছিলেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ। এবার সেটাই তাঁকে ছেড়ে দিতে হল বিজেপিকে। এই দফতরের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর হাতে।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে নীতীশ (Nitish Kumar)

    সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হলে দেখা যায়, রাজ্যের ২৪৩টি আসনের মধ্যে নীতীশের দল জিতেছে ৮৫টিতে। জোট রাজনীতির ধর্ম মেনে তারা প্রার্থী দিয়েছিল ১০১টি আসনে। এনডিএর আর এক শরিক বিজেপিও প্রার্থী দিয়েছিল সম সংখ্যক কেন্দ্রে। তবে পদ্মঝুলিতে পড়ে ৮৯টি আসন। এর পরেই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় নীতীশকে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির সম্রাট এবং বিজয় সিনহা। বিজয়কে দেওয়া হয়েছে রাজস্ব ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্ব। বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে কৃষি (রাম কৃপাল যাদব), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ (রামা নিশাদ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (নারায়ণ প্রসাদ), শিল্প (দিলীপ জয়সওয়াল) এবং শ্রম (সঞ্জয় সিং টাইগার) দফতর। বিহারের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গল পাণ্ডেকে একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে দুই মন্ত্রকের দায়িত্ব – স্বাস্থ্য ও আইন।

    যেসব দফতর বিজেপির হাতে

    বিজেপিকে যে আরও কয়েকটি দফতর দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল, সড়ক ও আবাসন (নিতিন নবীন), এসসি ও এসটি কল্যাণ (লখেন্দ্র রৌশন), পর্যটন (অরুণ শঙ্কর প্রসাদ), আইটি ও ক্রীড়া (শ্রেয়সী সিং), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ (সুরেন্দ্র মেহতা) এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন (প্রমোদ কুমার)। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শরিক দল জেডিইউ পেয়েছে সামাজিক কল্যাণ (মদন সাহনি), গ্রামীণ কর্ম (অশোক চৌধুরি), খাদ্য ও ভোক্তা সুরক্ষা (লেশি সিং), গ্রামীণ উন্নয়ন ও পরিবহণ (শ্রবণ কুমার), জলসম্পদ (ভিকে চৌধুরি), জ্বালানি (বিজেন্দ্র যাদব) এবং শিক্ষা (সুনীল কুমার) বিভাগ। ছোট শরিকদলগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ইক্ষু শিল্প ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ (লোক জনশক্তি পার্টির হাতে), মাইনর ওয়াটার রিসোর্সেস (হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার হাতে), এবং পঞ্চায়ত রাজ (রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চের হাতে) (Bihar)।

    বিজেপিই ‘দাদা’

    প্রসঙ্গত, নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) প্রথমবার বিহারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্ব নেন ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে। এর পর থেকে প্রায় সব সময়ই এই গুরুত্বপূর্ণ দফতরটি তিনি রেখেছেন নিজের হাতে। একমাত্র ব্যতিক্রম ২০১৪ সালের মে থেকে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জেডিইউয়ের ভরাডুবির পর পদত্যাগ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার জিতন মাঝি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই স্বরাষ্ট্র দফতর এবার বিজেপিকে দিয়ে দেওয়াটা একটি বড় বার্তা। এই বার্তায় স্পষ্ট, যে এই দল দু’টির মধ্যে আপাতত বিজেপিই ‘দাদা’। ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি এবং নীতীশের দল একসঙ্গে লড়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দল পেয়েছিল ৭৪টি আসন, আরজেডির চেয়ে মাত্র একটি কম। আর ২৮টি আসন খুইয়ে তৃতীয় স্থানে চলে গিয়েছিল জেডিইউ। তখনই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, বিজেপি কি এই সুযোগে মুখ্যমন্ত্রীর পদটি নীতীশের হাত থেকে কেড়ে নেবে? তা হয়নি। নীতীশ মুখ্যমন্ত্রীর পদ এবং স্বরাষ্ট্র দফতর দু’টিই রাখেন নিজের হাতে। তবে দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হয় বিজেপিকে (Bihar)। পাঁচ বছর পর এখন জেডিইউ ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানো হয়েছে নীতীশকে (Nitish Kumar)।

    শুরু হয়ে গেল সলতে পাকানোর কাজ!

    বিহারে এনডিএ জোটের বৃহত্তর দল হল বিজেপি। তাই নীতীশের মন্ত্রিসভার প্রথম পদ্ম-প্রার্থী রয়েছেন ১৪ জন। আর জেডিইউয়ের আছে মাত্র ন’জন। বিহারের রাজনীতি সম্পর্কে যাঁরা সম্যক অবগত, তাঁরা জানেন, নীতীশ-উত্তর বিহার রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিজেপি প্রস্তুত করছে সম্রাটকে। বছর সাতান্নর এই বিজেপি নেতা বর্তমানে উপমুখ্যমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে প্রস্তুত করতেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের রাশ। বর্তমানে নীতীশের বয়স কমবেশি ৭৪। তাই নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই কারণেই শুরু হয়েছে সলতে পাকানোর কাজ, যার জেরে সম্রাটের হাতে তুলে দেওয়া হল স্বরাষ্ট্র দফতরের রাশ।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই পাটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। তিনি যদি তাঁর এই () মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন, তাহলে আরও একটি রেকর্ড গড়বেন জেডিইউ সুপ্রিমো। তখন তিনিই হবেন ভারতের দীর্ঘতম-মেয়াদি মুখ্যমন্ত্রী, ভেঙে ফেলবেন সিকিমের পবন চামলিংয়ের রেকর্ডও (Nitish Kumar)।

  • Kerala Mother: কিশোর ছেলেকে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করতে উদ্যোগী হয়েছিল কেরলের মা!

    Kerala Mother: কিশোর ছেলেকে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করতে উদ্যোগী হয়েছিল কেরলের মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পনেরোর এক কিশোরকে আইএসআইএসের মতাদর্শে দীক্ষিত করতে অনুপ্রাণিত করছে কেরলের (Kerala Mother) এক মা! ব্রিটেন-ভিত্তিক এক আইএসআইএস সমর্থকের সঙ্গে যোগাযোগ করে (UK) ওই মা ওই কিশোরকে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করতে চেয়েছিল। অন্তত কেরল পুলিশের এফআইআরে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে। ওই কিশোরের মগজ ধোলাই করতে তাকে আইএসআইএসের বিভিন্ন প্রচারের ভিডিও দেখানো হয়েছিল। শেখানো হয়েছিল অন্যান্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা করতে। উৎসাহিত করা হয়েছিল জঙ্গি গোষ্ঠীটির মতবাদ গ্রহণে।

    ইউএপিএ আইনে দায়ের এফআইআর (Kerala Mother)

    ইউএপিএ আইনের আওতায় দায়ের করা এই এফআইআরে এই দু’জনকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমজন, আনজার নামে পরিচিত, নথিতে তাকে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বর্তমানে সে বসবাস করছে ব্রিটেনের লেস্টারে। তদন্তকারীদের মতে, সে-ই কিশোরটিকে তার ল্যাপটপে আইএসআইএসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও দেখাত এবং সংগঠনের আদর্শকে ইসলামের শ্রেষ্ঠ পথ হিসেবে তুলে ধরত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, আনজার কিশোরটিকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে আইএসআইএস-ই ইসলামের প্রকৃত পথ এবং তাকে অন্যান্য ধর্মের প্রতি শত্রুতা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেছিল। আর দ্বিতীয় অভিযুক্ত হল ওই কিশোরের মা, ফিধা মহম্মদ আলি। তদন্তকারীদের মতে, সে এই র‍্যাডিকালাইজেশনের চেষ্টা সমর্থন করত, সাহায্যও করত। এফআইআরে বলা হয়েছে, সে আনজারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করত। পুলিশ সূত্রের খবর, এ থেকেই অনুমান এরা দু’জনে মিলেই কিশোরটিকে প্রভাবিত, পরিচালনা এবং মতাদর্শগতভাবে দীক্ষিত করার চেষ্টা করছিল।

    তদন্তে এনআইএ

    কেরল পুলিশের মতে, এই ঘটনাটি একটি বড় নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে। প্রাথমিক তথ্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে জঙ্গি সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত স্লিপিং সেলের সদস্যরা হয়তো রাজ্যের কিছু এলাকায় সক্রিয় থাকতে পারে। এনআইএ ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে এবং পুরো তদন্তভার গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে (Kerala Mother)। প্রসঙ্গত, এই আনজারের ভাই সিদ্দিকল ২০১৬ সালের কানাকামালা আইএসআইএস ষড়যন্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ওই মামলায় কেরল ও তামিলনাড়ুতে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে (UK) চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, ওই তদন্ত চলাকালীন আনজার নজরদারিতে থাকলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়নি, কারণ সেই সময় সে ইউক্রেনে থাকত (Kerala Mother)।

  • INDI Block: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরতেই অশান্তি শুরু ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে

    INDI Block: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরতেই অশান্তি শুরু ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল (Bihar Assembly Polls Result) বেরনোর পর অশান্তি শুরু হয়েছিল ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Alliance) অন্দরে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই চওড়া হচ্ছে জোটের ফাটল। বিহারে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’র। তারপরেই প্রকাশ্যে চলে এসেছে দলীয় কোন্দল। ‘ইন্ডি’র একাধিক শরিক দল এবং আঞ্চলিক সহযোগীরা প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের কৌশল, নেতৃত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। যার জেরে অচিরেই এই জোট ছেড়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দল বেরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

     ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল (INDI Alliance)

    ২৪৩টি আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভায় বিজেপি একাই ১০১টি আসনে প্রার্থী দিয়ে পেয়েছে ৮৯টি আসন। এনডিএর আর এক শরিক জেডি(ইউ)-ও ১০১টি আসনে প্রার্থী দিয়ে পেয়েছে ৮৫টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ৩৫টি কেন্দ্রের রাশ। তার পরে পরেই কংগ্রেসকে তুলোধনা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল দেখা গিয়েছিল ভোটের আগেই। বিহারে আসন বিলি নিয়ে জোট থেকে সরে এসেছিল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। তাদের অভিযোগ, আলোচনায় তাদের উপেক্ষা করা হয়েছে এবং আগের বৈঠকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলিও মানা হয়নি। জেএমএম নেতাদের মতে, বিহারের ঘটনা একটি বড় সমস্যার প্রতিফলন, আঞ্চলিক মিত্রদের ছোট অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে, সমান অংশীদার হিসেবে নয়। এখন দলটি ভবিষ্যতে যৌথ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ এর মধ্যে ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিও অন্তর্ভুক্ত (Bihar Assembly Polls Result)।

    ‘ইন্ডি’ জোট পরাস্ত

    বিহারে ‘ইন্ডি’ জোট পরাস্ত হওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীও। তারা একে বিরোধী শিবিরের জন্য একটি সতর্কবার্তা বলে উল্লেখ করেছে। দলের শীর্ষ নেতারা শুধু নির্বাচনী কৌশল নয়, ‘ইন্ডি’ জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন (INDI Alliance)।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যস্তরের কংগ্রেস ইউনিটগুলির একতরফা সিদ্ধান্ত,  যার মধ্যে বেশ কিছু আসনে একা লড়াই করা, যৌথ কৌশলকে দুর্বল করেছে। ইউবিটি নেতৃত্বের মতে, বড় দলগুলি যদি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা না করে, তাহলে ‘ইন্ডি’ জোট মসৃণভাবে চলতে পারবে না।

    সমাজবাদী পার্টির সাফ কথা

    এদিকে, সমাজবাদী পার্টি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, জোটের জন্য এখনই বড় ধরনের সংশোধন জরুরি। এসপি প্রধান অখিলেশ যাদব বিহারে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের কথা তুলে ধরে জোটকে এই মর্মে সতর্ক করেছেন যে, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও ভবিষ্যতের লড়াইকে ব্যাহত করতে দেওয়া যাবে না। ‘ইন্ডি’ জোটের অনেক শরিকই এখন বিকেন্দ্রীকৃত নেতৃত্ব মডেলের সপক্ষে কথা বলতে শুরু করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, যেখানে আঞ্চলিক দলগুলি, বিশেষ করে যাদের রাজ্যে শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে, তারা জাতীয় কৌশলে আরও বেশি গুরুত্ব পাবে। এই আলোচনায় এসপি একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে (INDI Alliance)।

    আপ-থিওরি

    এরই পাশাপাশি আম আদমি পার্টির একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকেও সমর্থন করছেন অনেকে। আম আদমি পার্টি ‘ইন্ডি’ জোটেই ছিল। তবে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আলাদাভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে জোটের কাঠামোগত দুর্বলতা বলেই ধরে নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আপ নেতাদের মতে, রাজ্যস্তরের বিস্তার কোনওভাবেই একটি ঢিলেঢালা জাতীয় প্ল্যাটফর্মের স্বার্থে বিসর্জন দেওয়া যায় না। দলের স্বশাসনের ওপর জোর এখন এমন একটি রূপরেখা হয়ে উঠছে, যা ‘ইন্ডি’ জোট যদি সমন্বয় ও আসন-সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগগুলির সমাধান না করে, তবে অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্ররাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারে (Bihar Assembly Polls Result)।

    কংগ্রেসের লড়াই

    বস্তুত, বিহারে কংগ্রেসের লড়াই ছিল ভাবমূর্তির। তাই ওই নির্বাচনে কংগ্রেস গোহারা হারতেই অস্বস্তিকর প্রশ্ন উঠেছে জোটের ভেতরেই। দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যক্তিগতভাবে স্বীকার করছেন যে একটি বড় হিন্দিভাষী রাজ্যে দুর্বল পারফরম্যান্স আসন-বিন্যাস নিয়ে আগাম সমঝোতায় তাদের দরকষাকষির শক্তি কমিয়ে দিচ্ছে। অনেক শরিক দল আবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জোট টিকিয়ে রাখতে হলে কংগ্রেসকে সংগঠনিক পদ্ধতি, নির্বাচন পরিচালনা ও প্রার্থী নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। অন্যদের মতে, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ছাড়া জাতীয় জোট কোনওভাবেই সফল হতে পারে না (INDI Alliance)।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ‘ইন্ডি’ জোট এখন একটি বড় সমস্যার মুখোমুখি। এই পরিস্থিতি সামলাতে দ্রুত যোগাযোগ, আস্থাবর্ধক উদ্যোগ এবং আসন-বিলি নিয়ে সুস্পষ্ট একটা নীতির ভীষণ প্রয়োজন। দীর্ঘ মেয়াদে জোটকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আঞ্চলিক দলগুলির শক্তিকে প্রতিফলিত করে নিজেদের কাঠামো পুনর্গঠন করতে তারা প্রস্তুত কি না (Bihar Assembly Polls Result)।

  • Ramakrishna 514: “জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল…হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল”

    Ramakrishna 514: “জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল…হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই

    শ্রীশ্রীরথযাত্রা দিবসে বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    মাস্টার—আমাদের সব নিচে যাওয়া উচিত ছিল।

    পূর্বকথা—আশ্বিনের ঝড়ে শ্রীরামকৃষ্ণ—৫ই অক্টোবর, ১৮৬৪ খ্রী:

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যে ঘরে বাস, তারই এই দশা! এতে আবার লোকে অহংকার। (মাস্টারকে) তোমার আশ্বিনের ঝড় মনে আছে?

    মাস্টার—আজ্ঞা (Kathamrita), হাঁ। তখন খুব কম বয়স—নয়-দশ বছর বয়স—একঘরে একলা ঠাকুরদের ডাকছিলাম!

    মাস্টার বিস্মিত হইয়া ভাবিতেছেন—ঠাকুর হঠাৎ আশ্বিনের ঝড়ের দিনের কথা জিজ্ঞাসা করিলেন কেন? আমি যে ব্যাকুল হয়ে কেঁদে একাকী একঘরে বসে ঈশ্বরকে প্রার্থনা করেছিলাম, ঠাকুর কি সব জানেন ও আমাকে মনে করাইয়া দিতেছেন? উনি কি জন্মাবধি আমাকে গুরুরূপে রক্ষা করিতেছেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—দক্ষিণেশ্বরে অনেক বেলায়—তবে কি কি রান্না হল। গাছ সব উলটে পড়েছিল! দেখ যে ঘরে বাস, তারই এ-দশা!

    “তবে পূর্ণজ্ঞান হলে মরা মারা একবোধ হয়। মলেও কিছু মরে না — মেরে ফেল্লেও কিছু মরে না যাঁরই লীলা তাঁরই নিত্য। সেই একরূপে নিত্য, একরুপে লীলা। লীলারূপ ভেঙে গেলেও নিত্য আছেই। জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল। হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) বৈঠকখানা ঘরে ভক্তসঙ্গে আবার বসিয়াছেন। মহেন্দ্র মুখুজ্জে, হরিবাবু, ছোট নরেন ও অন্যান্য অনেকগুলি ছোকরা ভক্ত বসিয়া আছেন। হরিবাবু একলা একলা থাকেন ও বেদান্তচর্চা করেন। বয়স ২৩।২৮ হবে। বিবাহ করেন নাই। ঠাকুর তাহাকে বড় ভালবাসেন। সর্বদা তাঁহার কাছে যাইতে বলেন। তিনি একলা একলা থাকতে চান বলিয়া হরিবাবু ঠাকুরের কাছে অধিক যাইতে পারেন না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হরিবাবুকে) — কি গো, তুমি অনেকদিন আস নাই।

    হরিবাবুকে উপদেশ—অদ্বৈতবাদ ও বিশিষ্টাদ্বৈতবাদ—বিজ্ঞান

    “তিনি একরূপে নিত্য, একরূপে লীলা। বেদান্তে কি আছে?—ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা। কিন্তু যতক্ষণ ‘ভক্তের আমি’ রেখে দিয়েছে, ততক্ষণ লীলাও সত্য। ‘আমি’ যখন তিনি পুছে ফেলবেন, তখন যা আছে তাই আছে। মুখে বলা (Kathamrita) যায় না। যতক্ষণ ‘আমি’ রেখে দিয়েছেন, ততক্ষণ সবই নিতে হবে। কলাগাছের খোল ছাড়িয়া ছাড়িয়া মাজ পাওয়া যায়। কিন্তু খোল থাকলেই মাজ আছে। মাজ থাকলেই খোল আছে। খোলেরই মাজ, মাজেরই খোল। নিত্য বললেই লীলা আছে বুঝায়। লীলা বললেই নিত্য আছে বুঝায়।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবের ফোন ব্যবহার করে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ইতিমধ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ চলছে আর তৃণমূলনেত্রী প্রথম থেকেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করতে সব রকম প্রচার এবং চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন মনোজ পন্থের ফোন থেকে প্রতিদিন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদকে ফোন করেন মমতা? উদ্দেশ্য কী? রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে নির্বাচনী কমিশনে নালিশ শুভেন্দুর।

    ২০ মিনিট কথা অরুণ- মমতার (Suvendu Adhikari)!

    শুক্রবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদের সঙ্গে প্রায় প্রায়ই কথা বলেন। শেষ যে দিন বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দিনও অরুণ ২০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন। মমতা কোন নির্দেশ দিচ্ছেন? এর আগে এসআইআরে কর্মরত ৬৭ জন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কেন কমিশন কড়া পদেক্ষপ নিচ্ছে না।” শুক্রবার কমিশনের কাছে এই মর্মে প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার তালিকায় তুলতে হবে

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরও বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনের একাংশ শাসকদলের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সবরকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয় অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ভোটার তালিকায় নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু শরণার্থীদের নাম তোলার (SIR) বিষয়ে কমিশনকে ভাবতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে হবে।”

    তবে শুভেন্দুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন দফতরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর রাজ্য নির্বাচন দফতর অফিসিয়ালি কিছু জানাবে না। এই সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে যা বলার নির্বাচন কমিশনই বলবে।

LinkedIn
Share