Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে চলে গিয়েছিলেন টাটারা। টাটার ফেলে যাওয়া সেই জমিতে শিল্প হয়নি (PM Modi)। আবাদও ভালো হয় না। এহেন অবহেলিত সিঙ্গুরেই (Singur) ১৮ জানুয়ারি জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। অঙ্গ এবং কলিঙ্গ জয়ের পর এবার পদ্মশিবিরের শ্যেন দৃষ্টি বঙ্গে। বাংলায় পদ্ম-সরকার গড়তে ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই তিনি সভা করবেন সেই সিঙ্গুরেই, যে সিঙ্গুর একটা সময় হয়ে উঠেছিল চায়ে পে চর্চা। ঘটনাচক্রে প্রধানমন্ত্রী যেদিন পা রাখবেন সিঙ্গুরের মাটিতে, সেই দিনটিও ১৮ জানুয়ারি, ঠিক যত বছর আগে সিঙ্গুর থেকে চিরকালের জন্য চলে গিয়েছিলেন টাটারা। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি এই অনুষ্ঠানের পরেই জনসভা হবে আক্ষরিক অর্থেই ‘সর্বহারা’ সিঙ্গুরে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর সরকার (PM Modi)

    বাম জমানার অবসানের পর রাজ্যে টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। তার পরেও ঘোচেনি রাজ্যের হা-শিল্প দশা। উল্টে একের পর এক চালু কারখানায় পড়েছে ইয়া বড় বড় সব তালা। সম্প্রতি তালা ঝুলেছে বেলঘরিয়ার প্রবর্তক জুটমিলেও। রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার জুটমিল শ্রমিক-কর্মী। মিল খুলতে আন্দোলনেও নেমেছেন তাঁরা (PM Modi)। তাতে অবশ্য কোনও কাজ হয়নি। মিলের গেটে ঝুলছে তালা, পাশেই সাঁটানো রয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশ (Singur)।

    তৃণমূল নেত্রীর আশ্বাস

    করোনা অতিমারি পর্বে যখন তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তাঁর এবারের প্রথম লক্ষ্য হল শিল্প। সেই শিল্প আনতেই তিনি ছুটে গিয়েছিলেন স্পেনে। ফি বছর নিয়ম করে আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনেরও। সেই সম্মেলনে মোটা অঙ্কের লগ্নি করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও রাজ্যে একটা সেফটিপিনের কারখানাও হয়নি বলে অভিযোগ। প্রতিটি সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, সেই অমোঘ প্রশ্নটি, সরকারি কোষাগারের গুচ্ছের টাকা খরচ করে যে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা (PM Modi) হয়, সেই সব সম্মেলনে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তার কী হল? সিঙ্গুরের জমিতেই বা কোন শিল্প হল? শস্য-শ্যামলাই বা হল না কেন সিঙ্গুরের টাটা অধিগৃহীত জমি(পরে অবশ্য জমি ফেরত দেওয়া হয়েছে মালিকদের)? এহেন পরিস্থিতিতেই সিঙ্গুরে (Singur) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সিঙ্গুরকে হাতিয়ার!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে এসআইআর-ধর্ম কিংবা বিভেদের রাজনীতির কটাক্ষ-বাণ হানবে, ঠিক তখনই সিঙ্গুরকে হাতিয়ার করতে পারে বিজেপি। তবে ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে সিঙ্গুরের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনীতির কারবারিরাও। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল ১৮ তারিখে কলকাতা লাগোয়া (PM Modi) হাওড়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই ঠিক হয় হাওড়ার বদলে সিঙ্গুরে হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা (Singur)। এই মর্মে বঙ্গ বিজেপির তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে। তাঁকে জানানো হয়েছে, হাওড়ার পরিবর্তে সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী সভা করলে তাতে আদতে লাভবান হবে বিজেপিই। সেই কারণেই ঠাঁই বদল হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার।

    হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশা

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করছে রাজ্যে হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশাকে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও রাজ্যের চাকরি এবং নয়া কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা। সম্প্রতি রাজ্যের শিল্পায়নের খতিয়ান তুলে ধরে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে হতে চলেছে বিজেপির তুরুপের তাস। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন (Singur), “বিজিবিএস আয়োজনেই এখনও পর্যন্ত (PM Modi) রাজ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। উপহার, ভাষণ, খাওয়া-দাওয়ায়ই এই টাকা খরচ। সেই তুলনায় এ রাজ্যে লগ্নির পরিমাণ জিরো। বিজিবিএস আজ একটা ফ্লপ শো।”

    রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে হাতিয়ার করে বামেদের হটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেভাবেই সিঙ্গুরে জনসভা করে বিজেপি বুনে দিতে পারে টাটাকে ফেরানোর স্বপ্নের বীজ। যে স্বপ্ন এখনও দেখেন সিঙ্গুরের বাসিন্দারা। যাঁরা এক সময় তৃণমূল নেতাদের মগজধোলাইয়ের জেরে শিল্পের বিপক্ষে গিয়ে বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন টাটার কারখানার, তাঁরাই এখন চাইছেন সিঙ্গুরের মাটিতে ফিরুক টাটারা। শিল্পই হোক সিঙ্গুরে (PM Modi)।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

  • Ramakrishna 551: “শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন?”

    Ramakrishna 551: “শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন?”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১১ই অগস্ট
    মৌনাবলম্বী শ্রীরামকৃষ্ণ ও মায়াদর্শন

    শ্রীরামকৃষ্ণ — স্বপন কি কম!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) চক্ষে হল। গদগদ স্বর!

    একজন ভক্তের জাগরণ অবস্থায় দর্শন-কথা শুনিয়া বলিতেছেন — “তা আশ্চর্য কি! আজকাল নরেন্দ্রও ঈশ্বরীয় রূপ দেখে!”

    মহিমাচরণ প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন।

    বেলা আটটা হইয়াছে। মণি গঙ্গাস্নান করিয়া ঠাকুরের কাছে আসিলেন। শোকাতুরা ব্রাহ্মণীও দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মণীর প্রতি) — এঁকে কিছু প্রসাদ খেতে দাও তো গা, লুচি-টুচি। তাকের উপর আছে।

    ব্রাহ্মণী—আপনি আগে খান। তারপর উনি প্রসাদ পাবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি আগে জগন্নাথের আটকে দাও, তারপর প্রসাদ।

    প্রসাদ পাইয়া মণি শিবমন্দিরে শিবদর্শন করিয়া ঠাকুরের কাছে আবার আসিলেন ও প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে— তুমি এসো। আবার কাজে যেতে হবে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর—মন্দিরে সকাল ৮টা হইতে বেলা ৩টা পর্যন্ত মৌন অবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন। আজ মঙ্গলবার ১১ই অগস্ট, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; (২৭শে শ্রাবণ, ১২৯২, শুক্লা প্রতিপদ)। গতকল্য সোমবার অমাবস্যা গিয়াছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) অসুখের সঞ্চার হইয়াছে। তিনি কি জানিতে পারিয়াছেন যে, শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন? তিনি কথা কহিতেছেন না দেখিয়া শ্রীশ্রীমা কাঁদিতেছিলেন। রাখাল ও লাটু কাঁদিতেছেন। বাগবাজারের ব্রাহ্মণীও এই সময় আসিয়াছিলেন, তিনিও কাঁদিতেছেন। ভক্তেরা মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা করিতেছেন (Kathamrita), আপনি কি বরাবর চুপ করিয়া থাকিবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ ইঙ্গিত করিয়া বলিতেছেন, ‘না’।

    নারাণ আসিয়াছিলেন, বেলা ৩টার সময়, ঠাকুর নারায়ণকে বলিতেছেন, “মা তোর ভাল করবে।”

    নারাণ আনন্দে ভক্তদের সংবাদ দিলেন, ‘ঠাকুর এইবার কথা কহিয়াছেন।’ রাখালাদি ভক্তদের বুক থেকে যেন একখানি পাথর নামিয়া গেল। তাঁহারা সকলে ঠাকুরের কাছে আসিয়া বসিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) রাখালাদি ভক্তদের প্রতি—‘মা’ দেখিয়ে দিচ্ছিলেন যে, সবই মায়া! তিনি সত্য, আর যা কিছু সব মায়ার ঐশ্বর্য।

    “আর একটি দেখলুম, ভক্তদের কার কতটা হয়েছে।”

    নারাণাদি ভক্ত—আচ্ছা কার কতদূর হয়েছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এদের সব দেখলাম (Kathamrita)—নিত্যগোপাল, রাখাল, নারাণ, পূর্ণ, মহিমা চক্রবর্তী প্রভৃতি।

  • JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএনইউয়ের চিফ সিকিউরিটি অফিসার বসন্ত কুঞ্জ (নর্থ) থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ, জেএনইউ ক্যাম্পাসের সবরমতী হস্টেলের বাইরে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিটি সংগঠিত করে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন পড়ুয়া।

    আইনানুগ ব্যবস্থা (JNU)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংঘটিত হিংসার ষষ্ঠ বার্ষিকী পালন করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল “এ নাইট অফ রেজিস্ট্যান্স উইথ গেরিলা ধাবা”। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচির আড়ালে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক কিছু স্লোগানও দেওয়া হয়, যা ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (JNU)।

    উসকানিমূলক স্লোগান

    ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর (PM Modi)। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই অনুষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট বার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের নাম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অদিতি মিশ্র, গোপিকা বাবু, সুনীল যাদব, দানিশ আলি, সাদ আজমি, মেহবুব ইলাহি, কনিষ্ক, পাকিজা খান, শুভম-সহ আরও কয়েকজন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই অনুষ্ঠানের প্রকৃতি ও সুর বদলে যায়। সেই সময় কিছু ছাত্রছাত্রী অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং জ্বালা ধরানো ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন (JNU)।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মত

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সরাসরি অবমাননা। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই (PM Modi) ধরনের স্লোগান, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, জেএনইউয়ের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করে এবং ক্যাম্পাসের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠিতেই দাবি করা হয়েছে, স্লোগানগুলি ছিল শুনতে পাওয়া যায় এমন, ইচ্ছাকৃত এবং বারবার উচ্চারিত। অর্থাৎ, এটি কোনও তাৎক্ষণিক বা আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সচেতন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ। এই ধরনের ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এই ঘটনার বিষয়ে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (JNU)।

    উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ

    চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার পর, ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্রদের একাংশের তরফে একাধিক উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানগুলি দিল্লির হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, জেএনইউয়ে এই স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনা গণতান্ত্রিক ভিন্নমতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি জেএনইউয়ের (PM Modi) আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (JNU)।

    জেএনইউ প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্তে সহযোগিতা করবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জেএনইউ সবসময় গণতান্ত্রিক আলোচনার পক্ষে থাকলেও, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা আচরণবিধি লঙ্ঘন (PM Modi) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না (JNU)।

  • Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) জলজীবনরেখায় ভারতের চাপ আর কেবল কৌশলগত ধারণায় সীমাবদ্ধ নেই। জম্মু ও কাশ্মীরের (Chenab Hydropower) পাহাড়ি অঞ্চলে সেই পরিকল্পনা এখন বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে।

    চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (Chenab Hydropower)

    স্পষ্ট রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চেনাব নদীর অববাহিকায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশ জারি করেছে। সরকারি সূত্রে খবর, পাকাল দুল (Pakal Dul) এবং কিরু (Kiru) জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দু’টি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করতে বলা হয়েছে। ক্বার (Kwar) প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাটলে (Ratle) বাঁধের নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের সাম্প্রতিক জম্মু ও কাশ্মীর সফর। টানা দু’দিন ধরে তিনি চেনাব নদী সংলগ্ন একাধিক বাঁধ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন। সূত্রের খবর, ওই পরিদর্শনের সময়ই তিনি স্পষ্ট করে দেন, এবার আর সময়সীমা নিয়ে কোনও শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না।

    পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব (Chenab Hydropower) নদী পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলসম্পদ। ভারতের এই দ্রুত বাঁধ নির্মাণ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ইসলামাবাদের ওপর ভবিষ্যতে বড় কৌশলগত চাপ তৈরি করতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে জল এখন যে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে, ভারতের এই পদক্ষেপ তারই ইঙ্গিত (Pakistan)। চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পাকিস্তানের জলনির্ভর অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসে সেই নদীগুলি থেকে, যেগুলি ভারতের ওপর দিয়ে গিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে। এই সিন্ধু অববাহিকার ওপর নির্ভর করেই পাকিস্তানের কৃষি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। দেশটির মোট কৃষিকাজের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই অববাহিকার জলের ওপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের প্রায় সব সম্পূর্ণ বাঁধ ও খাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এই অববাহিকাকে কেন্দ্র করেই (Chenab Hydropower)।

    ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন

    বলতে গেলে, পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন, যা ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এ থেকেই স্পষ্ট হয়, কেন চেনাব নদী সংক্রান্ত ভারতের প্রতিটি পদক্ষেপ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব বা সিন্ধু অববাহিকা নিয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ার জল নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি কেবল (Pakistan) শক্তি উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে কৌশলগত ও কূটনৈতিক গুরুত্বও বহন করছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদী অববাহিকায় ভারতের জলবিদ্যুৎ কৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার জেলায় অবস্থিত পাকাল দুল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পটিই চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পাকাল দুল প্রকল্পটি শুধু উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকেই নয়, কৌশলগত গুরুত্বেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৬৭ মিটার উচ্চতার এই বাঁধটি বর্তমানে ভারতের সর্বোচ্চ বাঁধ, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি ভারতের প্রথম জলাধারভিত্তিক (storage) প্রকল্প, যা এমন একটি নদীর ওপর তৈরি হয়েছে, যার জল গড়ায় পাকিস্তানেও (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর একটি উপনদীর ওপর নির্মিত এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ২০১৮ সালের মে মাসে। বর্তমানে সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) কার্যত স্থগিত অবস্থায় থাকায়, পাকাল দুল প্রকল্প দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র (Pakistan)। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি চালু হলে ভারত শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, জলপ্রবাহের সময় ও নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা অর্জন করবে, যা দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের উদ্বেগের কারণ (Chenab Hydropower)। পাকাল দুলের পাশাপাশি একই জেলার আর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কিরু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকেও একই সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রের সাফ কথা

    চেনাব নদীর ওপর নির্মিত ১৩৫ মিটার উঁচু কিরু বাঁধটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার প্রকল্প হলেও, এর কৌশলগত গুরুত্ব কম নয়। কারণ এটি চেনাব নদীর ওপর অবস্থিত একাধিক ঊর্ধ্ব ও নিম্নপ্রবাহের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি ধারাবাহিক জলবিদ্যুৎ কাঠামোর অংশ (Pakistan)। কেন্দ্র সাফ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাকাল দুল ও কিরু—দু’টি প্রকল্পই একসঙ্গে চালু করার লক্ষ্য। চেনাব নদীতে ভারতের জলবিদ্যুৎ উদ্যোগের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ক্বার প্রকল্পটি। এটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার (Run-of-the-River) ধরনের বাঁধ, যার উচ্চতা ১০৯ মিটার (Chenab Hydropower)। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই প্রকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সাফল্য অর্জিত হয়, যখন নির্মাণকাজের সুবিধার্থে সফলভাবে চেনাব নদীর প্রবাহ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নদী-প্রবাহ ঘোরানোর ঘটনার ওপর শুধু ভারতই নয়, পড়শি পাকিস্তানও শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল।

    সময়সীমা

    এখন কেন্দ্রীয় সরকার ক্বার প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রকল্পটির কাজ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা আরও একবার সামনে এসেছে। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পটি ভারত-পাকিস্তান জলবিরোধের অন্যতম বিতর্কিত প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী এই প্রকল্পের বাঁধের কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন, যা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাটলে প্রকল্পকে এখন ফাস্ট-ট্র্যাক করা হচ্ছে (Pakistan)।

    ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ

    চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ এই প্রকল্পে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে, বিশেষ করে বাঁধের স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, এই নকশা ইন্দাস জলচুক্তির পরিপন্থী। যদিও ভারত বারবার জানিয়েছে, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক বিধি মেনেই তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেই চেনাব নদীর জল টানেলের মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পের জন্য। সরকারি সূত্রের খবর, ২০২৮ সালের মধ্যেই রাটলে বাঁধ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা (Chenab Hydropower)।

    দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ

    রাটলে প্রকল্পের পাশাপাশি চেনাব নদীর ওপরই আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, দুলহস্তি স্টেজ-২ নিয়েও এগোচ্ছে ভারত। গত বছরের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পটি পরিবেশমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। এটি দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ, যা ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। তবে এখানেও আপত্তি তুলেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়ে তাদের আগাম জানানো হয়নি। ভারত এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পাকিস্তানকে আলাদা করে জানানো বাধ্যতামূলক নয় (Pakistan)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব নদীর অববাহিকায় একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত কেবল শক্তি উৎপাদনই নয়, কৌশলগতভাবেও নিজের অবস্থান মজবুত করছে। আক্ষরিক অর্থেই পাকিস্তানকে ভাতে মারতে চাইছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Chenab Hydropower) ভারত।

  • Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশে পরিণত হল ভারত (India)। বুধবার কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) এ কথা জানান। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে চাল উৎপাদন হয়েছে ১৫০.১৮ মিলিয়ন টন, যেখানে চিনের উৎপাদন ১৪৫.২৮ মিলিয়ন টন।”

    ভারতের অগ্রগতি (Shivraj Singh Chouhan)

    কৃষিমন্ত্রী জানান, শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণই নয়, ভারত এখন বিদেশেও রফতানি বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চাল রফতানি করছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক কৃষি বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এদিকে, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (ICAR) উদ্ভাবিত ২৫টি মাঠফসলের ১৮৪টি উন্নত জাতের আনুষ্ঠানিক আবরণ উন্মোচন করেন শিবরাজ সিং চৌহান। এই ১৮৪টি জাতের মধ্যে রয়েছে, ১২২টি শস্যজাত ফসল, ৬টি ডাল, ১৩টি তেলবীজ, ১১টি পশুখাদ্য ফসল, ৬টি আখ, ২৪টি তুলো এবং ১টি করে পাট ও তামাক (Shivraj Singh Chouhan)।

    উচ্চ ফলনশীল বীজ

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, যাতে এই নতুন জাতের বীজ দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, এই উন্নত জাতগুলি কৃষকদের অধিক ফলন এবং উন্নত মানের ফসল উৎপাদনে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের প্রতিটি কৃষকের জমিতে যেন উন্নতমানের বীজ পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে হবে (Shivraj Singh Chouhan)।” শিবরাজ সিং চৌহান কৃষি বিজ্ঞানীদের ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, এই দু’টি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জন করাই এখন দেশের প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, “উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের উন্নয়নের মাধ্যমে ভারত এক নতুন কৃষি বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। এই সাফল্য সম্ভব (India) হয়েছে আইসিএআরের সর্বভারতীয় সমন্বিত প্রকল্প, কেন্দ্র ও রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বীজ সংস্থাগুলির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় (Shivraj Singh Chouhan)।”

  • Beyond The Kerala Story: এবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি’, মুক্তি পাবে ২৭ ফেব্রুয়ারি

    Beyond The Kerala Story: এবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি’, মুক্তি পাবে ২৭ ফেব্রুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দ্য কেরালা স্টোরি” (The Kerala Story) সিনেমা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে জমজামট কাহিনি ছিল। দেশজুড়ে দর্শক মহলে বিরাট সাড়া ফেলেছিল। এবার এই ছবির সিকোয়্যেল “বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি” (Beyond The Kerala Story) আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে প্রেক্ষাগৃহে। দর্শক মহলে এখন থেকেই চরম উন্মাদনা।

    কিছু কিছু গল্প থাকে যা শেষ করা যায় না (Beyond The Kerala Story)

    “বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি” (Beyond The Kerala Story) সম্পর্কে প্রযোজক বিপুল অমৃতলাল শাহ এবং সানশাইন পিকচার্স লিমিটেড এই মুক্তির কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। একটি অনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে মোশন পোস্টারে মুক্তির তারিখ উন্মোচন করেছেন। এই পোস্টার শেয়ার করে সিনেমার নির্মাতারা জানিয়েছেন, “সিনেমার গল্প একটি শুধু নিছক গল্প। তবে এই গল্পকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছে। সিনেমার বিষয়কে নানা ভাবে অপমানও করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা থেমে থাকিনি। কারণ কিছু কিছু গল্প থাকে যা শেষ করা যায় না। এইবারে আরও নিখুঁত বিশ্লেষণ হয়েছে। কষ্ট এবং নির্মমতাকে আরও শক্তি দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।”

    প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বর

    এই সিনেমার (Beyond The Kerala Story) পরিচালনা করেছেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা কামাখ্যা নারায়ণ সিং এবং সহ প্রযোজক আশিন এ শাহ। প্রযোজনার পক্ষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে সিনেমার বিষয় হিসেবে বলা হয়, “প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বর, স্পষ্ট দৃষ্টিতে সত্য কথাকে তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের চারপাশে যে সব ঘটনা ঘটছে সেই সব বিবরণকেই তুলে ধরা হয়েছে।” ২০২৩ সালে মুক্তি পেয়ছিল সুদীপ্ত সেন পরিচালিত “দ্য কেরালা স্টোরি” (The Kerala Story)। তবে তৎকালীন বাম কেরল সরকার এবং ইন্ডিজোটের শরিকরা সাফ বলেছিলেন, কেরলকে বদনাম করার জন্য নাকি মিথ্যা গল্পের উপর সিনেমা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর দেশজুড়ে এই সিনেমা মুক্তি পায় এবং কট্টর ইসলাম, মোল্লাবাদ এবং জিহাদের বিকৃত জীবন কেমন করে নারীদের সর্বস্ব লুট করে নেয়, সেই চিত্র এখানে দেখানো হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধায়্যের নির্দেশে বাংলায় চলতে দেওয়া হয়নি এই লাভ জিহাদের বাস্তব কাহিনি।

  • SIR: একই সঙ্গে দুই জায়গায় নাম নয়, ১০ লক্ষ সরকারি কর্মীদের হলফনামা দিতে নির্দেশ কমিশনের

    SIR: একই সঙ্গে দুই জায়গায় নাম নয়, ১০ লক্ষ সরকারি কর্মীদের হলফনামা দিতে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই জায়গায় ভোটার লিস্টে (SIR) নাম থাকলে এক জায়গায় কাটাতে হবে। সরকারি কর্মীদের হলফনামা তলব করল কমিশন। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের দফতরগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে হলনামা চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন (Election Commission) বিশেষ নজরদারি চালিয়ে জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের এমন অনেক কর্মচারী রয়েছেন যারা এ রাজ্য বাদ দিয়ে অন্য রাজ্যে ভোটার ছিলেন বা এখনও আছেন। এই সংখ্যাটা প্রায় ১০ লক্ষের কাছাকাছি। তাই সরকারি কর্মচারীদের ডিক্লারেশন ফর্ম জমা করতে হবে।

    নাম বাদ দিতে ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ (SIR)

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সময়সীমা সম্পর্কে উল্লেখ না করলেও হলফনামা দেওয়ার কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ আগরওয়ালের সাফ কথা, দুই জায়গায় নাম থাকলে এসআইআরে এক জায়গার নাম বাদ যাবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে এনুমারেশন ফর্ম (SIR) ইস্যু হবে একটাই। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়ার জন্য ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। নিজের নাম অন্য জায়গায় ট্রান্সফার করতে হলে একাধিক নথি জমা দিতে হয়। তাই কমিশন নজর দিয়েছে রাজ্য সরকারের অনেক কর্মীর নামে, যা এখনও দু জায়গায় থেকে গিয়েছে।

    নথির ভিত্তিতে কমিশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে অবশ্য সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের কর্মীরা শুধুমাত্র একটি জায়গাতেই ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত থাকতে পারবেন। কমিশন আরও জানিয়েছে, এই তথ্য সরকারি কর্মীদেরকেই জানাতে হবে। আর যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত তথ্য জমা করে, তাহলে তা হলফনামা হিসেবেও জমা থাকবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে সেই নথির ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই কাজের ক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কমিশন এই বিষয়ে আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মীদের জন্য আলাদা করে এই ফর্ম চালু করা হয়েছে। ফর্মে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করতে হবে তাঁদের নাম অন্য কোনও জায়গার ভোটার তালিকায় রয়েছে কিনা। উক্ত নাম তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, এই সংক্রান্ত আবেদন সম্পর্কেও জানাতে হবে।

  • Donald Trump: ট্রাম্পের হুমকিতে বাড়ছে কূটনৈতিক চাপ, অনিশ্চিত ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি?

    Donald Trump: ট্রাম্পের হুমকিতে বাড়ছে কূটনৈতিক চাপ, অনিশ্চিত ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–মার্কিন অর্থনৈতিক সম্পর্কে ফের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি ভেস্তে দেওয়ার (Unjust Tariff) হুমকি দিয়ে তিনি প্রকাশ্যে চাপ বাড়ালেন ভারতের ওপর। সাম্প্রতিক মন্তব্য ও বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আগ্রাসী অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা নীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই নীতি বহু দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অসম্মানজনক এবং অগণতান্ত্রিক বলে সমালোচিত হচ্ছে।

    ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপ (Donald Trump)

    ভেনেজুয়েলায় বিতর্কিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে জোরপূর্বক যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন ছ’টি দেশের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এই তালিকায় সরাসরি ভারতের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, ভারত যদি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর আরও বেশি শুল্ক আরোপ করা হবে। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন হুমকি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পণ্য রফতানি খাতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপিয়েছে। এর ফলে ভারতীয় শিল্প ও রফতানিকারীদের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা (Donald Trump)।

    বাণিজ্য আলোচনার প্রধান বাধা

    দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ভারত–মার্কিন বাণিজ্য আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের কৃষি ও দুধের বাজার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভর্তুকিপ্রাপ্ত কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য বাজার খুলে দিতে রাজি হয়নি নয়াদিল্লি। ভারতের অবস্থান স্পষ্ট, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক। বিপন্ন হবে খাদ্য নিরাপত্তা। ওয়াশিংটনের লাগাতার চাপ সত্ত্বেও ভারত এই বিষয়ে তার নীতি থেকে এক চুলও সরেনি। কূটনৈতিক মহলের মতে, এটিই ভারতের নীতিগত স্বাধীনতার প্রকাশ। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই অবস্থান মেনে নিতে না পেরে অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ভারতকে শাস্তি দিতে চাইছে বলেই অভিযোগ (Unjust Tariff)। গত বছর সেপ্টেম্বর–নভেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল ভারত-মার্কিন এই বাণিজ্য চুক্তি। কিন্তু তা এখনও ঝুলে রয়েছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও পড়েছে প্রশ্নের মুখে (Donald Trump)।

    মার্কিন হুমকি!

    ভারতের ওপর চাপ আরও খানিক বাড়িয়ে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, তিনি এমন একটি আইন খসড়া করেছেন যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এই ধরনের প্রস্তাবকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসাত্মক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের বাণিজ্য নীতিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের আর একটি উদাহরণ। ভারতের স্বাধীন বিদেশনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার অধিকারকে তোয়াক্কা না করে ট্রাম্প প্রশাসন ভয় দেখিয়ে আনুগত্য আদায়ের চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ (Donald Trump)।

    ট্রাম্পের পদক্ষেপে অস্থিরতা

    ভারত ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ একাধিক অঞ্চলে অস্থিরতার সৃষ্টি করছে। ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তাঁর দাবি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের দাবি, রাশিয়া ও চিনের নৌবাহিনীর সম্ভাব্য তৎপরতা গ্রিনল্যান্ডকে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলেছে। তাঁর এই বক্তব্য ফের একবার ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক নিয়ম, কূটনৈতিক শালীনতা ও আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের প্রতি অবহেলার শামিল বলেই অভিযোগ (Unjust Tariff)। পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে ইরানে, পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নিচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রের খবর। আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা চলছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই রাশিয়ায় আশ্রয় নিতে পারেন (Donald Trump)।

    মার্কিন হস্তক্ষেপের হুমকি

    এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রকাশ্যে মার্কিন হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, “বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হলে তার পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।” এই মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারত সরকার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ভারতীয় নাগরিকদের ইরানে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। এদিকে পূর্ব এশিয়ায়ও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে চিন তাইওয়ানের ওপর সামরিক চাপ বাড়াতে পারে। এর ফলে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (Unjust Tariff)। এদিকে, মার্কিন আগ্রাসী কূটনীতি ও একের পর এক ভূ-রাজনৈতিক সংকট বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে বৈশ্বিক বাজারে। লগ্নিকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে গিয়ে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সোনার দামে।

    সোনার দামে প্রভাব

    আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এক লাফে ১২৬ মার্কিন ডলার বেড়ে পৌঁছেছে ৪,৪৫৮ ডলারে। ভারতের বাজারেও সোনার দাম দ্রুত বেড়েছে। সোমবারই সোনার দাম বেড়েছে ১,৭৬০ টাকা প্রতি আউন্স। বিশ্ববাজারে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শীঘ্রই সোনার দাম আরও ২,০০০ টাকার বেশি বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। একই সঙ্গে বাড়তে পারে রুপোর দামও।সার্বিকভাবে, ট্রাম্পের মুখোমুখি সংঘাতমুখী নীতি—যার মধ্যে শুল্ক হুমকি, সরকার পরিবর্তনের রাজনীতি এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা রয়েছে, শুধু ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক নয়, গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যই বড় ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। এর ঠিক উল্টো দিকে তাকালে দেখা যাবে, ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। কৃষক, শ্রমিক ও দেশের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় আপোসহীন মনোভাব বজায় (Unjust Tariff) রেখে নয়াদিল্লি দায়িত্বশীল ও সার্বভৌম বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করছে (Donald Trump)।

  • BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পাথরের স্তম্ভে ঐতিহ্যবাহী কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলনের নির্দেশ বহাল রাখল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ (Madras HC)। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধর্মীয় আচার পালনের ফলে শান্তি বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে, রাজ্য সরকারের এমন আশঙ্কার কোনও ভিত্তিই নেই। বিচারপতিরা বলেন, বহু (BJP) বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আচার শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে এসেছে।

    বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস-ডিএমকে (BJP)

    আদালতের রায় বের হওয়ার পরেই ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে নিশানা করেছে বিজেপি। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা সিআর কেশবন ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ডিএমকে এবং কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতি আজ তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে।” কেশবনের দাবি, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অবস্থান নেওয়ার ফলেই এই দলগুলি জনসমর্থন হারাচ্ছে। কার্তিগাই দীপম তামিল সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, যা বিশেষ করে তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড় ও তিরুভান্নামালাইয়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। আদালতের এই রায়কে ঐতিহ্য রক্ষার বড় জয় হিসেবেই দেখছেন ভক্তরা।

    সত্যমেব জয়তে!

    কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে (Madras HC) তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি এই ঘটনাকে ডিএমকে সরকারের তোষণমূলক ও বিভাজনমূলক রাজনীতির বড় পরাজয় বলে দাবি করেন (BJP)। বিজেপি নেতা লেখেন, সত্যমেব জয়তে! তামিল জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে বারবার আঘাত হানছে এমন ডিএমকে সরকারের সাম্প্রদায়িক তোষণনীতির বিরুদ্ধে এটি এক বিশাল পরাজয়।” তিনি আরও বলেন, “ডিএমকে সরকারকে অবিলম্বে কোটি কোটি হিন্দু ভক্তের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ বারবার তাঁদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, থিরুপারানকুন্দ্রম পাহাড়ের দীপথূন (Deepathoon)-এ পবিত্র কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলিত হবে এবং তা আবারও গৌরবের সঙ্গে পাহাড়চূড়ায় আলোকিত হয়ে উঠবে। বিজেপির ওই নেতার আরও অভিযোগ, “ডিএমকে এবং কংগ্রেসের দ্বিচারী, বিপজ্জনক এবং বিভাজনমূলক রাজনীতি আজ সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে (Madras HC)।” এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এদিকে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চের রায়ের প্রশংসা করলেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে অন্নামালাই-ও। তিনি বলেন, “থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত ‘দীপাথুন’ যে মন্দিরেরই সম্পত্তি, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে (BJP) দিয়েছে আদালত।

    অন্নামালাইয়ের বক্তব্য

    ডিএমকে সরকারের দাখিল করা আপিল এবং বিচারপতি জিআর স্বামীনাথনের আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদন খারিজ করে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। এই রায়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে অন্নামালাই বলেন, “সম্মানীয় বিচারপতিরা তাঁদের রায়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একটি শক্তিশালী রাজ্য সরকার এই আশঙ্কা পোষণ করতে পারে যে বছরে মাত্র একদিন মন্দিরের প্রতিনিধি ও ভক্তদের একটি পাথরের স্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর অনুমতি দিলে শান্তি বিঘ্নিত হবে (Madras HC)?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের অশান্তি কেবল তখনই ঘটতে পারে, যদি রাজ্য সরকার নিজেই তাতে ইন্ধন জোগায় (BJP)।” অন্নামালাই জানান, আদালত আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে যে থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দীপাথুন সম্পূর্ণভাবে মন্দিরের সম্পত্তি। ডিএমকে সরকারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে আদালত বলেছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সরকার যেন এমন নিচু স্তরে না নামে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছিল, তা আদতে “একটি কল্পিত ভূত”, যা প্রশাসন নিজের সুবিধার জন্য তৈরি করেছে এবং যার মাধ্যমে এক সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর আশঙ্কা রয়েছে (Madras HC)।

    দীপাথুনে দীপ জ্বালানোর অধিকার

    অন্নামালাই বলেন, “এই রায় রাজ্যের সাংবিধানিক নীতির জয় এবং ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ নজির।” তাঁর আশা, তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার অবিলম্বে তাদের প্রকাশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাবে। তিনি বলেন, “আদালত যেহেতু যথাযথভাবে রায় দিয়ে ভগবান মুরুগার ভক্তদের দীপাথুনে (Deepa Thoon) দীপ জ্বালানোর অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই সরকারকে এখন ভক্তদের সেই ধর্মীয় আচরণে বাধা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে (BJP)। আন্নামালাইয়ের মতে, দীপাথুনে দীপ জ্বালানো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় প্রথা নয়, বরং এটি ভক্তদের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আদালতের রায়ের পরেও যদি রাজ্য সরকার এতে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা হবে আইনের শাসনের সরাসরি লঙ্ঘন।

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ!

    তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার কোনওভাবেই ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলাই সংবিধানসম্মত পথ।” তামিল অভিনেতা বিজয়ের পার্টি তামিলগা ভেট্ট্রি কাজগম (TVK) বিজেপি এবং ডিএমকে – উভয় দলকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে। দলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইস্যুটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে দুই প্রধান দলই (Madras HC)। টিভিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই ইস্যুকে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই (BJP)।”

    দলটির আরও অভিযোগ, ডিএমকে ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ইস্যুটিকে নির্বাচনের সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চাইছে। টিভিকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডিএমকে এই বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত করবে- এটাই তাদের রাজনৈতিক কৌশল।” টিভিকের মতে, সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যা ও স্বার্থের বদলে রাজনৈতিক লাভের জন্য ইস্যুকে ঘনীভূত করা হচ্ছে, যা আদতে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর (Madras HC)।

LinkedIn
Share