Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাটনায় দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন ৭৪ বছরের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। ২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানী পাটনায় ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বেলা ১১ টায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রীসভার আরও ২৫ জন বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এদিন একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসবে শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) করেন বিজেপির সম্রাট চৌধুরি এবং বিজয় কুমার।

    আরও মজবুত এনডিএ (Nitish Kumar)

    মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০০৫ থেকে টানা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব সামলেছেন নীতীশ কুমার। ২০ বছরে দেশের এবং বিহারের রাজনৈতিক ব্যাপক অদলবদল ঘটেছে। সময় এবং নেতাদের চাহিদা অনুসারে একাধিক বার জোটের সমীকরণ বদলে গিয়েছে বিভিন্ন ভাবে। কখনও জোট ধরেছেন আবার কখন ছেড়েছেন। তবে জোট আর রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত নীতীশ। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বার বার নীতীশকেই দেখা গিয়েছে। ২০২০ সালের লড়াইতেও এনডিএ জোট এবং মহাজোটের ব্যবধান ছিল সামান্য সিটের। এইবার ২০২৫ বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২০২টি আসন, যা সরকার গঠনের জন্য দরকারি সংখ্যা ১২২-র চেয়ে অনেক বেশি। নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে একক ভাবে ৮৯টি আসন। অপর দিকে পাল্লা দিয়ে আসন বাড়িয়েছে নীতীশেরও। জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন।

    এনডিএ জোটের বড় শক্তি প্রদর্শন

    গতকাল বুধবারেই বিদায়ী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নীতীশ (Nitish Kumar)। এরপর রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের কাছে নতুন সরকার গড়ার দবি জানিয়ে চিঠি দেন। এদিন শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। ছিলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

    এনডিএ জোটের ঐক্যবদ্ধতা এবং শক্তি প্রদর্শনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চার নেতা জিতনরাম মাঝি। তবে মন্ত্রকের বিভাজন এবং মন্ত্রিত্ব বণ্টনে এনডিএ শরিক দলের প্রাপ্ত আসনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা আরএলএম-এ ১টি, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা সেকুলার অথবা হ্যাম (এস) ১টি এবং চিরাগ পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বলাস) ৩টি করে মন্ত্রিত্ব পাবেন বলে জানা গিয়েছে। আর বাকি মন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি করা হয়েছে বিজেপি এবং জেডিইউএর মধ্যে।

    কোন কোন বিধায়ক শপথ নিয়েছেন?

    এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে জেডিইউ-র পক্ষে শপথ নেন বিজয়কুমার চৌধুরি, বিজেন্দ্রপ্রসাদ যাদব, শ্রেয়ান কুমার, আশোক চৌধুরি, লেসি সিংহ, মদন সাহনি, সুনীল কুমার এবং মহম্মদ জামা খান। বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে সম্রাট এবং বিজয় ছাড়াও শপথ গ্রহণ করেন দিলীপ জয়সওয়াল, মঙ্গল পান্ডে, সঞ্জয় সিংহ টাইগার, রমা নিষাদ, অরুণশঙ্কর প্রসাদ, রামকৃপাল যাদব, নিতিন নবীন ও সুরেন্দ্র প্রসাদ মেহতা। জিতনরামের দল হামের তরফে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সন্তোষ সমন।

    শপথ ময়দানের গুরুত্ব

    বিহারের গান্ধী ময়দান এক ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭৪ সালে এই ময়দান থেকেই লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ ইন্দিরা সরকারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ক্রান্তির ডাক দিয়েছিলেন। তিনি অবশ্য রাজনৈতিক গুণ এবং ব্যক্তিত্বের জন্য জেপি নামেই বেশি পরিচিত। নীতীশের (Nitish Kumar) কাছেও এই জায়গার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২০০৫, ২০১০, ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ (Bihar Oath Ceremony) এখানেই গ্রহণ করেছিলেন। ২০২৫ সালে দশম বারের জন্য ফের আরেকবার শপথ নেন এই ঐতিহাসিক ময়দান থেকেই।

  • SIR: এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা, পেয়েছেন রেশন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও!

    SIR: এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা, পেয়েছেন রেশন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। আদতে বাংলাদেশের নাগরিক (SIR)। তাতে কী? সে দেশের সুযোগ-সুবিধা তো নিচ্ছেনই, একই সঙ্গে ভোগ করছেন ভারতীয় নগরিকত্বের যাবতীয় সুবিধাও (Bangladeshi)। আজ্ঞে, হ্যাঁ। শুনতে অবাক লাগলেও তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সৌজন্যে এমনই আজবকাণ্ড ঘটে চলেছিল। রাজ্যে এসআইআর জুজু ধেয়ে আসতেই একে একে ঝুলি থেকে বের হচ্ছে বিড়াল।

    রেশন তুলেছেন অনুপ্রবেশকারীরা! (SIR)

    ফেরা যাক খবরের মূলে। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের আগেই শুরু হয়েছে ভোটার-তালিকা ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজ। সেজন্য চালু হয়েছে এসআইআর। তখনই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক খবর, যা শুনলে কপালে চোখ উঠতে বাধ্য। বাংলাদেশ থেকে বাংলায় ঢোকা এই অনুপ্রবেশকারীদের অনেকেরই রয়েছে ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও জোগাড় করে ফেলেছেন এঁদের অনেকেই। নিয়মিত রেশন তোলার পাশাপাশি অনেকে আবার এ রাজ্যে ভোটও দিয়েছেন দু’-তিনবার। আর এর বদলে মিলেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অনুদানও। যা পাওয়ার হক নেই কোনও বিদেশিরই। এসআইআরের নান্দীমুখ হয়ে গিয়েছে বিহারেই। এবার সেটাই শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে। তার পরেই পোঁটলা-পুঁটলি গুছিয়ে পিলপিল করে রাজ্যের নানা সীমান্তে ভিড় করছেন অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা। উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় যাঁরা প্রতীক্ষা করছেন, তাঁদের জিজ্ঞেস করেই মিলেছে এসব তথ্য (SIR)।

    বোমা ফাটালেন আনোয়ারা বিবি!

    স্বরূপনগরের এই সীমান্তেই দেশে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছেন বাংলাদেশের (Bangladeshi) সাতক্ষীরার বাসিন্দা রোকেয়া বিবি। তিনি জানান, বাংলাদেশের নাগরিক। তবে ভোট দিতেন এ রাজ্যে। লকডাউনের সময় পদ্মার ওপর থেকে দালালদের হাত ধরে ঢুকে পড়েছিলেন এপার বাংলায়। ঠাঁই জুটেছিল সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে। কাগজকুড়ুনির কাজ করে সংসার চালাতেন। তিনি জানান, ৩-৪ বছর ধরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছেন। দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে গিয়েই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছেন। তাতে টাকাও ঢুকেছে। দিয়েছেন ভোটও। এই সাতক্ষীরায়ই ফিরে যাচ্ছেন আনোয়ারা বিবিও। তাঁরও বাড়ি সেখানেই। তিনিও কবুল করলেন, এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন। বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে জেনে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। বললেন, “আমরা এখানে থাকব বলে কাগজপত্র সব করে দিল। আর এখন থাকতে পারছি না। আমাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশেই ফিরে যাচ্ছি।” শুধু কী তাই? আদতে বাংলাদেশের নাগরিক, অথচ বাংলায় ঢুকে পড়ে কাগজপত্র সব জোগাড় করে বসে পড়েছেন সরকারি চাকরির পরীক্ষায়ও। এফআরআরও-চিঠিতেই উঠে এসেছে এই তথ্য। এ ব্যাপারে (SIR) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (Bangladeshi)।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এখানেই উঠছে রাশি রাশি প্রশ্ন। নজরদারি এড়িয়ে এরা কীভাবে পদ্মার এপাড়ে এলেন? এতদিন এখানে থাকলেনই বা কীভাবে? ভারতে বসবাসের কাগজপত্রই বা জোগাড় করলেন কীভাবে? রাজ্যের বিরোধী দলের অভিযোগ, শাসক দল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বদান্যতায় এঁরা জোগাড় করেছেন জাল কাগজপত্র। দিয়েছেন ভোটও। যার জেরে বুথ ফেরত সমীক্ষার যাবতীয় প্রেডিকশনের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে বারবার জয়ী হয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এঁদের অনেক প্রার্থীই আবার জয়ী হয়েছেন লাখ লাখ ভোটে। তা নিয়ে তাঁদের গর্ব করতেও দেখা গিয়েছে প্রকাশ্য সভায়।

    প্রতারকদের অভিশম্পাত!

    স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে এখন ওপারে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছেন শয়ে শয়ে বাংলাদেশি। কেউ কাকভোরে, কেউ আবার রাতের আঁধারেই এখানে চলে এসেছেন (SIR)। আবার অনেকেই আসছেন দিনের বেলায়। সবাই ইতিউতি দাঁড়িয়ে বসে রয়েছেন কখন ফিরবেন নিজের দেশে, তার অপেক্ষায়। শিশুর কান্না, পরিবারের উদ্বেগ, দেশে ফিরে গিয়ে কী করবেন – এসবেরই ছাপ অপেক্ষারত অনুপ্রবেশকারীদের চোখেমুখে। এঁদের মধ্যে (Bangladeshi) যাঁরা টাকা-পয়সা দিয়ে কাগজপত্র বানিয়ে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই আবার অভিশম্পাত দিচ্ছেন প্রতারকদের। জানা গিয়েছে, বিএসএফ ইতিমধ্যেই আটক করেছেন ৩০০ জনকে। এঁদের অধিকাংশেরই নথি নেই। সীমান্ত পার হতে গিয়েও ধরা পড়েছে ৪৫ জন। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তে ভিড় করা এই মানুষগুলির সিংভাগেরই বাড়ি সাতক্ষীরা কিংবা খুলনার গ্রামে (SIR)।

    অনিশ্চিত ভবিষ্যত

    একটুকু সুখের আশায় জন্মভূমি বাংলাদেশ ছেড়ে পশ্চিমবাংলায় এসেছিলেন এঁরা। নেতাদের ধরে জুটে গিয়েছিল মাথাগোঁজার ঠাঁই, কাজকর্মও। টাকা-পয়সার বিনিময়ে জোগাড়ও করেছিলেন কাগজপত্র। তবে সেসব কাগজ যে জাল, তা বুঝতে পারেননি তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকতে থাকতে এই দেশটাকেই আপন করে নিয়েছিলেন এঁদের অনেকেই। শাসক দলের ‘ঋণ’ শোধ করতে হাত উপুড় করে তাদের ভোটও দিয়েছিলেন দাবি করলেন অনেকে। তখনও বোঝেননি, যে দেশটায় থাকতে থাকতে ক্রমেই ভালোবেসে ফেলেছিলেন (Bangladeshi), সেই দেশটাই এখন পর হয়ে গিয়েছে। এবার ফিরতে হবে স্বদেশে, এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে (SIR)।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, একে অপরের পরিপূরক। ঠিক এই ভাবেই হিন্দুত্বকে ব্যাখ্যা করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সরসংঘ চালক মোহন ভাগবাত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “হিন্দু কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় শব্দ নয়, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার অন্তর্নিহিত প্রবাহ। ভারত এই ঐতিহ্যের ধারক বাহক। ভারত কোনও একক সত্ত্বা নয়, বহু ধারার মিলিত প্রবাহ।”

    কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই (Mohan Bhagwat)

    অসমের গুহাহাটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেছেন, “যাঁরাই ভারত নিয়ে গর্ব করেন, তাঁরাই হিন্দু। ভারত এবং হিন্দু সমার্থক। ভারতের হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ার জন্য কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই। ভারতীয় সমাজ এবং সভ্যতার নীতি ইতিমধ্যেই প্রতিফলিত হয় হিন্দুত্বে। আরএসএস কারো (RSS) বিরোধিতা বা ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয়নি বরং চরিত্র গঠনে মনোনিবেশ করা এবং ভারতকে বিশ্বগুরু হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান কাজ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করার পদ্ধতিকে বলা হয় আরএসএস। বিবিধের মধ্যে মহামিলনকেই খোঁজ করা ভারতের একমাত্র সত্ত্বা।

    ভূমির পরিচয়ে দৃঢ় আসক্তির আহ্বান

    অসমে অস্বাভাবিক জনসংখ্যার পরিবর্তন সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সতর্কতা এবং নিজের ভূমির পরিচয়ের প্রতি দৃঢ় আসক্তির আহ্বান জানান। তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশ, হিন্দুদের জন্য তিন সন্তানের আদর্শ নীতিকে জনসংখ্যার ভারসাম্য বিষয়ে স্পষ্ট মত রাখেন। বিভেদমূলক ধর্মীয় ধর্মান্তরনীতিকে ভারতীয় সমাজের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছেন। সমাজকে পুনর্নির্মাণ এবং সমাজের মূল সত্ত্বাকে অক্ষুন্ন রাখতে এই প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলিকে মাথায় রাখা বলে মনে করেন মোহন ভাগবত।

    একই ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দায়িত্বশীল ব্যবহারের পক্ষেও কথা বলেন ভাগবত। উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, “লাচিত বরফুকন এবং শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের মতো ব্যক্তিত্বরা কেবল আঞ্চলিক গুরুত্বই রাখেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রাসঙ্গিকতাও রাখেন, এক কথায় সমস্ত ভারতীয়কে অনুপ্রাণিত করেন। তাই ভারতীয় সমাজের সকল জাতি সম্প্রদায়ের মানুষের গঠনের জন্য সম্মিলিতভাবে এবং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হবে।”

  • Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) দেশান্তরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে। এহেন আবহে বুধবার দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) খলিলুর রহমান। বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভে অংশ নিয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    ডোভালকে আমন্ত্রণ বাংলাদেশে (Bangladesh)

    রহমান অজিত ডোভালকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের (CSC) সপ্তম এনএসএ স্তরের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আজ দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও তাঁর দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। তাঁরা কনক্লেভের কাজকর্ম ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান ডোভালকে।” রহমান সপ্তম এনএসএ সিএসসি বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড

    গণআন্দোলনের জেরে বাংলাদেশছাড়া হতে হয়েছিল সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। তারপরেই দেশের রশি যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। তার পর এটি দু’দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক। দিন চারেক আগে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। দেশ ছেড়ে হাসিনা আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। তার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলছে টানাপোড়েন। পড়শি এই দুই দেশের মধ্যে রয়েছে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি। সেই চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশের (Bangladesh) পক্ষ থেকে ভারতের কাছে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বৈঠক

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়ের বিষয়ে (NSA) অবগত এবং ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত সব সময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকবে। ভারতের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়টির নোট নিয়েছে। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতা-সহ সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে সব সময় গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব (Bangladesh)।”

    একাধিক চ্যালেঞ্জ

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে বাংলাদেশের একটি আদালত পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের জুলাই–অগাস্ট বিদ্রোহের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে (NSA)। এদিকে, দুই দেশের দুই জাতীয় উপদেষ্টার বৈঠকটি এমন একটা সময়ে হয়েছে, যার মাস তিনেক পরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ভারত প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছে যাতে নির্বাচন স্বাধীন, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যে চলা সম্পৃক্ততাকেই প্রতিফলিত করে। ভারত বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে, আর বাংলাদেশ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিষয়ে সহযোগিতা চায় (Bangladesh)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ

    অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সদস্য রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন বলে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অজিত ডোভাল যে সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাবেন, সেগুলি হল মলদ্বীপ, মরিশাস, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ। পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অংশ নেবে সিশেলস এবং মালয়েশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অতিথি দেশ হিসেবে (NSA)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের লক্ষ্য

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ গঠিত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যও রয়েছে এই কনক্লেভের (Bangladesh)। এই জোড়া উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের ৭ম বৈঠকটি হবে বিভিন্ন সহযোগিতা স্তম্ভ—যেমন সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা – এসবের কার্যকলাপ পর্যালোচনা করার একটি সুযোগ। ২০২৬ সালের রোডম্যাপ এবং কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হবে এই কনক্লেভে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাই এ বারের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে প্রথমে জানানো হয়েছিল বুধবার দিল্লি পৌঁছবেন খলিলুর। সেই সফরসূচি বদলে ফেলে মঙ্গলবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে যান তিনি (Bangladesh)।

  • YUVA AI For ALL: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ১ কোটি যুবককে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ

    YUVA AI For ALL: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ১ কোটি যুবককে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবার (MeitY) সকলের জন্য যুবা এআই (YUVA AI For ALL) কোর্স চালু করেছে। এটি একটি বিনামূল্যের স্বল্পমেয়াদী কোর্স যা ভারত জুড়ে মানুষকে-বিশেষ করে তরুণদের-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Mission) সম্পর্কে মৌলিক ধারণা অর্জনে সহায়তা করবে। খুব সহজ ভাবেই এর পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় গতিসম্পন্ন ৪.৫ ঘন্টার কোর্সের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় বাস্তব জীবনের উদাহরণ। সবটাই খুব সহজ করে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এআই শেখাকে আরও সহজ, আকর্ষণীয় এবং সম্পর্কিত করে তুলবে বলে বলা হয়েছে।

    ১ কোটি নাগরিককে মৌলিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ (YUVA AI For ALL)

    এই কোর্সে (YUVA AI For ALL) তুলে ধরে হয়েছে কীভাবে এআই দিয়ে আরও বিশ্বাস যোগ্য করে তুলে ধরা যায়। রূপ থেকে রূপান্তর করাও একটা বড় বিদ্যা। শিক্ষার্থীদের এবং পেশাদারিত্বের কাজে এআই ব্যবহার করে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।  MeitY-এর লক্ষ্য হল ১ কোটি নাগরিককে মৌলিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে দক্ষ করে তোলা। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করা, নৈতিক ভাবে এআই ব্যবহার সহ একাধিক প্রচারকে সম্পন্ন করাও এই পাঠ্যক্রমের অন্যতম দিক।  ভবিষ্যতের জন্য ভারতে বিশেষ কর্মীবাহিনীকে প্রস্তুত করাও এই ভাবনার প্রধান লক্ষ্য। দেশের প্রতিটি কোণে এই কোর্সটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান, স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইন্ডিয়াএআই-এর সঙ্গে সহযোগিতাম করতে পারবে বলে জানা গিয়েছে। ছয়টি সংক্ষিপ্ত মডিউলের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা এই পাঠ্যক্রমে যুক্ত হতে পারেন।

    যুবা এআই ফর অল কোর্সে (YUVA AI For ALL) ঠিক কী কী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

    • এআই আসলে কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা বুঝুন
    • শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং কর্মক্ষেত্রে এআই কীভাবে পরিবর্তন আনছে তা জানুন
    • নিরাপদে এবং দায়িত্বশীলভাবে এআই সরঞ্জামগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন তা অন্বেষণ করুন
    • ভারত জুড়ে বাস্তব-বিশ্বের এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলি দেখুন
    • এআই-এর ভবিষ্যৎ এবং উদীয়মান সুযোগগুলির এক ঝলক দেখুন

    আপনি কোথায় কোর্সটি করতে পারবেন?

    শিক্ষার্থীরা ফিউচারস্কিলস প্রাইম, আইজিওটি কর্মযোগী এবং অন্যান্য প্রধান শিক্ষা-প্রযুক্তি পোর্টালের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে কোর্সটি অ্যাক্সেস করতে পারবেন। যারা সফলভাবে এটি সম্পন্ন করবে তারা ভারত সরকারের কাছ থেকে একটি শংসাপত্র পাবেন।

    সরাসরি লিঙ্ক – ‘সকলের জন্য যুবা এআই’ (AI Mission) বিনামূল্যে কোর্স

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    • প্রদত্ত লিঙ্কটি দেখার পর, “এনরোল” এ ক্লিক করুন এবং আপনার জিমেইল আইডি বা লিঙ্কডইন দিয়ে লগইন করুন।
    • আপনার ব্যক্তিগত বিবরণ, শিক্ষা, পেশা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবরণ লিখুন।
    • একবার নিবন্ধিত হয়ে গেলে, আপনি স্ব-গতির এআই কোর্সটি করতে পারবেন।
  • Ramakrishna 512: “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    Ramakrishna 512: “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি
    তেজচন্দ্রের সংসারত্যাগের প্রস্তাব

    ছটা বাজে। গিরিশের ভ্রাতা অতুল, ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা আসিয়াছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) ভাবসমাধিস্থ হইয়াছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাবে বলিতেছেন, “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    আগন্তুকদের ভিতর কেউ কি মনে করিতেছিলেন যে, বেশি ঈশ্বরচিন্তা করিয়া ঠাকুরের মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে?

    এগিয়ে পড়’—কৃষ্ণধনের সামান্য রসিকতা

    ঠাকুর কৃষ্ণধন (Ramakrishna) নামক ওই রসিক ব্রাহ্মণকে বলিতেছেন — “কি সামান্য ঐহিক বিষয় নিয়ে তুমি রাতদিন ফষ্টিনাষ্টি করে সময় কাটাচ্ছ। ওইটি ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। যে নুনের হিসাব করতে পারে, সে মিছরির হিসাবও করতে পারে।”

    কৃষ্ণধন (সহাস্যে) — আপনি টেনে নিন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমি কি করব, তোমার চেষ্টার উপর সব নির্ভর করছে। ‘এ মন্ত্র নয় — এখন মন তোর!’

    “ও সামান্য রসিকতা ছেড়ে ঈশ্বরের পথে এগিয়ে পড়,—তারে বাড়া, তারে বাড়া,—আছে! ব্রহ্মচারী কাঠুরিয়াকে এগিয়ে পড়তে বলেছিল (Kathamrita)। সে প্রথমে এগিয়ে দেখে চন্দনের কাঠ, — তারপর দেখে রূপার খনি,— তারপর সোনার খনি,— তারপর হীরা মাণিক!”

    কৃষ্ণধন — এ-পথের শেষ নাই!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — যেখানে শান্তি সেইখানে ‘তিষ্ঠ’।

    ঠাকুর একজন আগন্তুক সম্বন্ধে বলিতেছেন —

    “ওর ভিতর কিছু বস্তু দেখতে পেলেম না। যেন ওলম্বাকুল।”

    সন্ধ্যা হইল। ঘরে আলো জ্বালা হইল। ঠাকুর জগন্মাতার চিন্তা ও মধুর স্বরে নাম করিতেছেন। ভক্তেরা চতুর্দিকে বসিয়া আছেন।

    কাল রথযাত্রা। ঠাকুর আজ এই বাটীতেই রাত্রিবাস করিবেন।

    অন্তঃপুরে কিঞ্চিৎ জলযোগ করিয়া আবার ঘরে ফিরিলেন। রাত প্রায় দশটা হইবে। ঠাকুর মণিকে বলিতেছেন, ‘ওই ঘর থেকে (অর্থাৎ পার্শ্বের পশ্চিমের ছোট ঘর থেকে) গামছাটা আন তো’।

    ঠাকুরের (Ramakrishna) সেই ছোট ঘরটিতেই শয্যা প্রস্তুত হইয়াছে। রাত সাড়ে দশটা হইল। ঠাকুর শয়ন করিলেন।

    গ্রীষ্মকাল। ঠাকুর মণিকে বলিতেছেন(Kathamrita), “বরং পাখাটা আনো।” তাঁহাকে পাখা করিতে বলিলেন। রত বারটার সময় ঠাকুরের একটু নিদ্রাভঙ্গ হইল। বলিলেন, “শীত করছে, আর কাজ নাই।”

  • Maharashtra: আস-সালাম ইউনানি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সোমাইয়ার

    Maharashtra: আস-সালাম ইউনানি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সোমাইয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আদিবাসী-অধ্যুষিত আক্কালকুয়া অঞ্চলে অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া ইশাআতুল উলুম প্রতিষ্ঠান এবং এর অধীনে থাকা আস-সালাম ইউনানি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা কিরীত সোমাইয়া (Kirit Somaiya)। তিনি এফসিআরএ লঙ্ঘন, সন্দেহজনক ভূমি দখল, হাসপাতালের নথি জালিয়াতি এবং উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত অনিয়মিত ছাত্রভর্তির অভিযোগ করেছেন।

    দিল্লির আল-ফালাহ হাসপাতাল (Maharashtra)

    সোমাইয়া জানান, তদন্তের জন্য তিনি সাক্ষাৎ করেছেন জেলা কালেক্টর, পুলিশ সুপার এবং জেলা স্বাস্থ্য কর্তার সঙ্গে। তাঁর এই সফর দিল্লির আল-ফালাহ হাসপাতাল বিস্ফোরণ তদন্তের প্রেক্ষাপটে বেড়ে ওঠা নজরদারির মধ্যে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মনোযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোমাইয়ার মতে, কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে জামিয়া ইসলামিয়া ইশাআতুল উলুমের এফসিআরএ লাইসেন্স বাতিল করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১২ হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা ছাত্র রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছে।

    ভর্তির হার নাটকীয়ভাবে বেড়েছে

    অভ্যন্তরীণ নথি উদ্ধৃত করে তিনি দেখিয়েছেন, ভর্তির হার নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষে  ভর্তি হয়েছিল ৫ হাজার ৭০৮ জন ছাত্র, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এই হার বেড়ে হয় ১১ হাজার ১০৮ জন। এর মধ্যে আবার শুধু বিহার থেকেই এসেছেন ৬ হাজার ৫৫৩ পড়ুয়া। এই ভর্তির উদ্দেশ্য এবং ব্যাপ্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিযোগ করেন, এগুলি নিয়ন্ত্রণহীন ধর্মীয় শিক্ষা চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত (Maharashtra)।

    সোমাইয়ার দাবি, আস-সালাম ইউনানি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ অনুমোদন ও বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য ভুয়ো বা বাড়িয়ে রোগীর সংখ্যা দেখাচ্ছে। কলেজ সম্প্রসারণের অছিলায় দখল করা হয়েছে আক্কালকুয়া এলাকার আদিবাসীদের জমি। সভাইয়া বলেন, “এই অনিয়মগুলি আল-ফালাহ প্যাটার্নের প্রতিচ্ছবি।” মহারাষ্ট্রের এই বিজেপি নেতা উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে অনুরোধ করেন আক্কালকুয়া থানার এফআইআর নম্বর ৩০-এর প্রেক্ষিতে দ্রুত (Kirit Somaiya) ব্যবস্থা নিতে। সোমাইয়া অবিলম্বে সরকারি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করে। নন্দুরবার জেলার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সোমাইয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র (Maharashtra)।

  • Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। এই অধিবেশনের মুখ্য অতিথি হিসেবে থাকবেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডক্টর এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করবেন। উল্লেখ্য এবিভিপির এই বার্ষিক অনুষ্ঠান প্রত্যেক বছর হয়ে থাকে। এই বছরের অধিবেশনে সারা ভারত থেকে প্রায় ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    চন্দ্রযান-৩ সাফল্যে সোমনাথ (Dr. S Somanath)

    বিদ্যার্থী পরিষদের অধিবেশনের অর্থ হল কাশ্মীর থেকে কন্যা কুমারী এবং কচ্ছ থেকে কোহিমা পর্যন্ত ভারতের ছাত্রছাত্রীদের মহাসামাগম। আরও ভালো করে বললে, ভারতের সারমর্মকে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। সারা দেশের ছাত্রছাত্রীদের উজ্জীবিত করাই প্রধান উদ্দেশ্য। এবারের অধিবেশনে ২৮ নভেম্বর ভাষণ দেবেন এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি একজন বিশিষ্ট মহাকাশ বিজ্ঞানী। ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩, আদিত্য এল ওয়ান, সৌর মিশন, এক্সপিওএসএটি উক্ষেপণ এবং আইএনএসএটি সিরিজের জন্য কাজ করে তিনি বিরাট সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। ভারতের মহাকাশ জগতে গবেষণায় আমূল পরিবর্তন, প্রগতি এবং উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছু পরিমাণে স্টার্ট আপের সূচনাও করেছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছেন।

    সকলকে অনুপ্রাণিত করবে

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বিরেন্দ্র সোলাঙ্কি বলেছেন, “ডক্টর এস সোমনাথের (Dr. S Somanath) মহাকাশ গবেষণা বিশ্বের দরবারে বিরাট কৃতিত্ব পেয়েছে। তিনি ভারতকে বিশ্বের কাছে উন্নত রাষ্ট্রের পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাওয়াতে আরও অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাবনা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণায় আগ্রহ যোগাবে। তাঁকে আমরা আমাদের অধিবেশনে স্বাগত জানাই।”

  • Rahul Gandhi: রাহুল ও কংগ্রেসকে নিশানা করে চিঠি বিশিষ্ট নাগরিকদের

    Rahul Gandhi: রাহুল ও কংগ্রেসকে নিশানা করে চিঠি বিশিষ্ট নাগরিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নিশানা করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এবার রাহুল এবং কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে খোলা চিঠি লিখলেন দেশের ২৭২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি, ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিক, কূটনীতিক ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রবীণ সদস্যরাও। বুধবার ওই চিঠি দেন তাঁরা। চিঠিতে তাঁদের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনবিশ্বাস ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি পরিকল্পিত চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অভূতপূর্ব হস্তক্ষেপ ভারতের প্রতিষ্ঠানগত ও কৌশলগত ব্যবস্থার কিছু অংশে দেশের সংবিধানিক সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক বাকযুদ্ধের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রতিফলিত করে।

    স্বাক্ষরকারীরা (Rahul Gandhi)

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ১৬ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, ১২৩ জন প্রাক্তন সিভিল সার্ভেন্ট, ১৪ জন রাষ্ট্রদূত এবং ১৩৩ জন প্রাক্তন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধিকারিক। তাঁদের যৌথ বিবৃতিতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে তারা পুনরাবৃত্তিমূলক, প্রমাণহীন এবং উসকানিমূলক নির্বাচনী প্রতারণার অভিযোগ করছে, যা তাঁদের মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে অস্থিতিশীল করে দিতে পারে। চিঠিটিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বিবৃতি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের বিশ্বাস ক্ষয় করে এবং সংবিধানিক বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাজকর্মকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে।”

    রাহুলের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যাপক সরব হয়েছিলেন রাহুল। তিনি তাদের বিরুদ্ধে ভোট চুরি এবং হরিয়ানা ও কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলিতে ভোটার তালিকা কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। যদিও এসব দাবির পক্ষে কোনও জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি তিনি (Rahul Gandhi)। রাহুলের তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ECI) রাহুলকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, “তিনি যেন হলফনামা জমা দিয়ে নির্দিষ্ট করে অবৈধ ভোটারদের নাম উল্লেখ করেন, যাতে অভিযোগগুলি যাচাই করা যায়।” তবে এখনও পর্যন্ত এই ধরনের কোনও হলফনামা জমা দেওয়া হয়নি কংগ্রেসের তরফে (Rahul Gandhi)।

  • Sheikh Hasina: ইউনূস জমানায় রমরমা বাংলাদেশের ইসলামপন্থী দল জামাত ইসলামির, ভারতকে সতর্ক করলেন হাসিনা-পুত্র

    Sheikh Hasina: ইউনূস জমানায় রমরমা বাংলাদেশের ইসলামপন্থী দল জামাত ইসলামির, ভারতকে সতর্ক করলেন হাসিনা-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দুই আগেই বাংলাদেশের দেশান্তরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল। তার পরেই ভারতের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিল জামাত-ই-ইসলামি । জামাতের (Jamaat-E-Islami) সাধারণ সম্পাদক মিঞা গোলাম পরওয়ার বলেছিলেন, “প্রতিবেশী দেশ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছে, যা ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক আইন মেনে হাসিনাকে বাংলাদেশে আইনের কাছে পাঠানোর আহ্বান জানাচ্ছি।”

    জামাতের বাড়বাড়ন্ত (Sheikh Hasina)

    এমন পরিস্থিতিতে পদ্মা পারে জামাতের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে ভারতকে সতর্ক করলেন হাসিনা-পুত্র সজীব ওয়াজেদ। তিনি বলেন, “বর্তমান প্রশাসনের অধীনে বাংলাদেশে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সে দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত ভারতের।” তাঁর দাবি, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামপন্থী দল জামাত ইসলামি এখন ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আরও বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে। তিনি বলেন, “এই গোষ্ঠী প্রচুর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দিয়েছে। অথচ পূর্বতন সরকার জঙ্গি কার্যকলাপের দায়ে কারাদণ্ড দিয়েছিল তাদের। হাসিনা-পুত্রের মতে, এসব মুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সব ঘটনা সম্পর্কে অবগত এবং তারা এটাও বুঝতে পারছে যে এগুলির সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থেও। ওয়াজেদ এও বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রাজত্বে বাংলাদেশে লস্কর-ই-তৈবার নেটওয়ার্কও আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করছে।” তাঁর দাবি, এই সংগঠন আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি লস্করের বাংলাদেশ শাখা এবং দিল্লির সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে।

    ভারতের জন্য গুরুতর উদ্বেগের

    তিনি বলেন (Sheikh Hasina), “এই ঘটনাগুলি ভারতের জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত।” তাঁর মতে, দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিদের মুক্তি এসব নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করেছে। ওয়াজেদ বলেন, “পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই কার্যকলাপগুলি আঞ্চলিক নিরাপত্তা অংশীদারদের কঠোর নজরদারির দাবি রাখে।” ওয়াজেদ বলেন, “বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা সন্ত্রাস-সম্পর্কিত উদ্বেগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্ভবত কড়া নজর রাখছেন। ভারতীয় নেতৃত্ব বোঝেন যে প্রতিবেশী দেশে এই উগ্রবাদী সংগঠনগুলি ভারতের জন্যও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে (Jamaat-E-Islami)।” হাসিনা-পুত্র বলেন, “ভারত সরকার সব সময় আইনি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংবেদনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করে।”

    হাসিনার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ

    এদিকে, বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ছাত্র–নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশকে ক্রমেই অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, দেশকে সম্পূর্ণ উগ্রবাদিতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, “দেশটি এখন এমন উগ্রপন্থীদের হাতে রয়েছে, যাদের পেছনে মদত রয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিরও।” অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতাও প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। তাদের দাবি, “বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস একজন পুতুল। তিনি সেই অনুযায়ী কাজ করছেন, যেভাবে তাঁকে দিয়ে করানো হচ্ছে।”

    জামাতের চিন সফর

    প্রসঙ্গত, চলতি (Sheikh Hasina) বছরের জুলাই মাসে ফের চিন সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠন জামাত ইসলামির একটি প্রতিনিধি দল। ৯ সদস্যের ওই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সংগঠনের প্রধান সফিকুর রহমান। মাসখানেকর মধ্যে ওটাই ছিল তাদের দ্বিতীয় চিন সফর। বাংলাদেশের ওই মৌলবাদী সংগঠনের ঘন ঘন চিনে যাতায়াতকে ভালো চোখে দেখেননি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরাও। তখনই তাঁরা জানিয়েছিলেন, চিন-জামাতের সখ্যতা বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য আদৌ কোনও ভালো ইঙ্গিত দেয় না। একই সঙ্গে এটি সুখকরও নয় (Jamaat-E-Islami)।

    চিনা দূতাবাসে জামাত নেতারা

    এর আগে ঢাকায় থাকা তাদের দূতাবাসে জামাত নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল চিন। ওই ঘটনাকে মোটেই ভালো চোখে দেখেনি ভারত। কারণ জামাত প্রকাশ্যেই নানা সময় ভারত বিরোধী মন্তব্য করে থাকে। সেক্ষেত্রে চিন জামাতকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে উসকানি দেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারে। যদিও এনিয়ে ভারত কিংবা বাংলাদেশের সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচন হতে পারে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের ‘নৌকা’ বাদ দিয়েই। তবে এই নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব করার দাবি জানিয়েছিল জামাত। গত ১৯ জুলাই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একটি প্রকাশ্য সমাবেশ থেকে এনিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে এই মৌলবাদী সংগঠনটি। শুধু তাই নয়, ঢাকার ওই সমাবেশ থেকেই জামাত ইসলামি জানিয়ে (Jamaat-E-Islami) দিয়েছে, বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার ও সংসদকে কাজ করতে হবে ইসলামি বিধি-বিধান অনুযায়ী (Sheikh Hasina)।

    এহেন আবহে হাসিনা-পুত্রের ভারতের প্রতি এই সতর্কবার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

LinkedIn
Share