Tag: Bengali news

Bengali news

  • Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহের মধ্যেই ২০২৬ সালের ভোট প্রস্তুতি (Assembly Election 2026) শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। ইভিএম সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। ইভিএম মেশিনে এবার থেকে নির্বাচনী প্রার্থীদের নামের সঙ্গে ছবিও সংযুক্ত করা হবে। ফলে বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গ সহ অসম, তামিলনাড়ু এবং পণ্ডিচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন, তাই আগেভাগেই একাধিক নিয়ম বদলের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সবরকম প্রস্তুতিকে খতিয়ে দেখছে কমিশন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও গ্রহণ করবে।

    প্রার্থীর নামের পাশে ছবি (Assembly Election 2026)

    সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, “ইভিএমে প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে ছবি থাকবে। মেশিনে এতোদিন কেবলমাত্র নাম থাকত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএমে নামের সঙ্গে প্রার্থীদের ছবিও থাকবে। প্রায় সময়েই দেখা যায় বিধানসভা ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে একই নামের প্রার্থী থাকেন অনেকজন। ফলে এইরকম পরিস্থিতিতে একাধিক প্রার্থী তালিকায় নামের সঙ্গে ছবি থাকলে ভোটদাতাদের প্রার্থী নির্বাচন (Assembly Election 2026) করতে সুবিধা হবে। আর তাই নামের পাশে মেশিনে প্রার্থীদের ছবি থাকবে। প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় সেই ছবি দেখিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

    ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম প্রস্তুত

    কমিশন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) রাজ্যে বুথ সংখ্যা প্রায় ১৫০০০ বৃদ্ধি পাবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বচানে পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০৬৮১। এবারে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৯৫০০০। ফলে আরও বেশি পরিমাণে ইভিএম মেশিন লাগবে। তবে এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত মেশিন আছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে বাংলায় কত ইভিএম? এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশন জানায়, ব্যালট কন্ট্রোল ইউনিট, রিজার্ভ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য তাদের হাতে আপাতত ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম আছে। আর ভিভিপ্যাট মেশিন আছে ১.৩৫ লক্ষআপাত ভাবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনায় কোনওরকম সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

    এদিকে এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি তরজা তুঙ্গে। বাংলাদেশিদের ব্যাঙ্কের খাতায় ঢুকেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। তা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। অপর দিকে এসআইআর-এ নথি দেখানোর ভয়ে বসিরহাটের হাকিমপুরে হাজার হাজার বাংলাদেশি বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে ভিড় জামাচ্ছে। কেউ ১ বছর কেউ বা ১০ বছর অবৈধ ভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন। ফলে রাজ্যে অনুপ্রবেশদের ভোট কমার আশঙ্কায় তৃণমূল এখন চরম চাপে।

  • Shivraj Singh Chouhan: মোদি জমানায় ভারতের খাদ্যশস্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি, জানালেন শিবরাজ সিং

    Shivraj Singh Chouhan: মোদি জমানায় ভারতের খাদ্যশস্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি, জানালেন শিবরাজ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় গত ১০ বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনে (Foodgrain Production) সর্বোচ্চ বৃদ্ধির সীমাকে অতিক্রম করেছে ভারত। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুসারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং জানিয়েছেন, ২০১৫-১৬ সালে ২৫১.৫৪ মিলিয়ন টন থেকে উৎপাদন ১০৬ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি ঘটিয়ে ২০২৪-২৫ সালে ৩৫৭.৭৩ মিলিয়ন টনে পৌঁছে গিয়েছে খাদ্যশস্য উৎপাদন। ২০১৪ থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকারের স্বদেশী উৎপাদননীতি এবং আত্মনির্ভর নীতির ফলেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশ এখন একটি বিশেষ জায়গা দখল করেছে। এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    চাল-গম-মুগের উৎপাদন বৃদ্ধি

    কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) বলেছেন, “চাল উৎপাদনও ১,৫০১.৮৪ লক্ষ টনের রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে ভারত। এই সাফল্য গত বছরের ১,৩৭৮.২৫ লক্ষ টনের তুলনায় ১২৩.৫৯ লক্ষ টন বেশি। পাশাপাশি গমের উৎপাদনও (Foodgrain Production) রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি করেছে ভারত। ২০২৪-২৫ সালে গমের উৎপাদন মাত্রা হয়েছে ১,১৭৯.৪৫ লক্ষ টন। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১,১৩২.৯২ লক্ষ টন উৎপাদনের তুলনায় যা ৪৬.৫৩ লক্ষ টন বেশি। একই ভাবে উৎপাদনে বৃদ্ধি পেয়েছে মুগ ডাল, সয়াবিন এবং চিনাবাদামও। মুগ ডালের ক্ষেত্রে উৎপাদন বেড়ে ৪২.৪৪ লক্ষ টন, সয়াবিনের ক্ষেত্রে বেড়েছে ১৫২.৬৮ লক্ষ টন এবং চীনাবাদামের ক্ষেত্রে বেড়ে হয়েছে ১১৯.৪২ লক্ষ টন।”

    কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, “ভুট্টা এবং বাজরা উৎপাদন যথাক্রমে ৪৩৪.০৯ লক্ষ টন এবং ১৮৫.৯২ লক্ষ টন বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুই খাদ্যশস্যের উৎপাদন গত বছর ছিল ৩৭৬.৬৫ লক্ষ টন এবং ১৭৫.৭২ লক্ষ টন। সবটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কৃষিক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তনের প্রতিফলন। ২০২৩-২৪ সালে তৈলবীজ উৎপাদন ছিল ৩৯৬.৬৯ লক্ষ টন। এইবার ২০২৪-২৫ সালে মোট তৈলবীজ উৎপাদন রেকর্ড হয়েছে ৪২৯.৮৯ লক্ষ টন। মোট উৎপাদন বৃদ্ধির পরিমাণ ৩৩.২০ লক্ষ টন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বেই উন্নয়ন

    খাদ্যশস্য উৎপাদনের (Foodgrain Production) এই বৃদ্ধিতে রয়েছে চিনাবাদাম এবং সয়াবিনের রেকর্ড উৎপাদন। যার পরিমাণ যথাক্রমে ১১৯.৪২ লক্ষ টন এবং ১৫২.৬৮ লক্ষ টন। এটি গত বছরের ১০১.৮০ লক্ষ টন এবং ১৩০.৬২ লক্ষ টন থেকে ১৭.৬২ লক্ষ টন এবং ২২.০৬ লক্ষ টন বৃদ্ধি। রেপসিড এবং সরিষা উৎপাদন হয়েছে আনুমানিক ১২৬.৬৭ লক্ষ টন।

    কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ (Shivraj Singh Chouhan) ভবিষ্যতের আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা করেছেন। তিনি বর্তমান ভারতের উৎপাদন নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে চালু হওয়া ডালে আত্মনির্ভরশীলতা মিশন-ই ডাল উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।” সরকারের বিভিন্ন কৃষি কল্যাণ কর্মসূচি খাদ্যশস্য উৎপাদনে একই রকম ইতিবাচক ফলাফলকে আরও সুদূরপ্রসারী করবে। তুর, উড়াদ, ছানা এবং মুগের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ক্রয়ের নিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। কেন্দ্রের সুশাসন এবং সুপ্রকল্পিত নীতি সারা দেশের বিপুল সংখ্যক কৃষককে উপকৃত করেছে বলে উল্লেখ করেছেন শিবরাজ সিং।

  • RSS: “আরএসএসের মতো সংগঠন আর দ্বিতীয়টি নেই”, মণিপুরে দাঁড়িয়ে বললেন ভাগবত

    RSS: “আরএসএসের মতো সংগঠন আর দ্বিতীয়টি নেই”, মণিপুরে দাঁড়িয়ে বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) মতো সংগঠন আর দ্বিতীয়টি নেই। যেমন সমুদ্র, আকাশ, মহাসাগরের তুলনা নেই, তেমনি সংঘেরও নেই।” মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে দাঁড়িয়ে কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। মণিপুর সফরের প্রথম দিনে ইম্ফলে বিশিষ্টজনেদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। নিজের বক্তব্যে ভাগবত সংঘের সভ্যতাগত ভূমিকা, জাতীয় দায়িত্ব এবং শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় মণিপুর গঠনের জন্য যেসব চেষ্টা চলছে, সে কথাও তুলে ধরেন। ভাগবত বলেন, “সংঘ প্রতিদিনই দেশব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এর অনেকটাই ধারণা ও প্রচারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।”

    আরএসএস (RSS)

    এর পরেই সরসংঘচালক বলেন, “আরএসএসের মতো সংগঠন আর নেই। যেমন সমুদ্র, আকাশ, মহাসাগরের তুলনা নেই, তেমনি সংঘেরও নেই। সংঘ স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠেছে এবং প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পরে এর কর্মপদ্ধতি দৃঢ়ভাবে স্থির করা হয়। সংঘকে বোঝার জন্য শাখায় যেতে হয়। সংঘের লক্ষ্য সমাজে কোনও ক্ষমতার কেন্দ্র তৈরি করা নয়, বরং বিরোধীদেরও অন্তর্ভুক্ত করে সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করা।” তিনি জানান, ১৯৩২–৩৩ সাল থেকেই আরএসএসকে (RSS) নিয়ে ভ্রান্ত তথ্য প্রচার করা শুরু হয়, বিশেষত ভারতের বাইরে থেকে, যেখানে ভারতের সভ্যতাগত চরিত্র সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না। তিনি সত্যের ভিত্তিতে সংঘকে বোঝার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “হেডগেওয়ার ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র, জন্মগত দেশপ্রেমিক এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের সকল ধারায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।”

    সংঘ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা

    তিনি বলেন, “সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও গুণগতভাবে উন্নত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই হেডগেওয়ার সংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংঘ মানুষ গড়ার একটি পদ্ধতি।” মানুষকে শাখা ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘকে বোঝার আহ্বান জানান তিনি। ভাবগত বলেন, “হিন্দু শব্দটি কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত (RSS) শব্দ। হিন্দু একটি বিশেষণ, বিশেষ্য নয়।” তিনি বলেন, “একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের জন্য গুণমান ও ঐক্য অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রের উন্নতি কেবল নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য দরকার শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ একটা সমাজের (Mohan Bhagwat)।” হিন্দু ভাবনার অন্তর্ভুক্তির উদাহরণ হিসেবে ভাগবত শাস্ত্রের একটি বচন উদ্ধৃত করে বলেন, “একং সদ্‌ বিপ্রাঃ বহুধা বদন্তি। সত্য, করুণা, পবিত্রতা ও তপস্যাই ধর্মের সারসত্তা।” তিনি বলেন, “বৈচিত্র্য কোনও মিথ নয়। বৈচিত্র্য সমাজের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের প্রকাশ (RSS)।”

    ভারতের প্রাচীন রাষ্ট্রভাবনা

    ভারতের প্রাচীন রাষ্ট্রভাবনা সম্পর্কে সরসংঘচালক বলেন, “ভারত পশ্চিমী রাষ্ট্রব্যবস্থার অনুসরণে গঠিত হয়নি। এটি আবির্ভূত হয়েছে মানবকল্যাণের জন্য প্রাচীন ঋষিদের তপস্যার ফল হিসেবে। বসুধৈব কুটুম্বকম প্রাচীন হিন্দু দর্শনের বিশ্বজনীন মানবিকতার প্রতিফলন (Mohan Bhagwat)।” এদিনের সভায় সরসংঘচালক একজোট হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজ যত শক্তিশালী হবে, বিশ্ব আমাদের কথা তত শুনবে। দুর্বলদের কথা কেউ শোনে না। সংঘের লক্ষ্য হল শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল হিন্দু সমাজ গঠনের জন্য সক্ষম ব্যক্তিদের প্রস্তুত করা (RSS)।” ভাগবত বলেন, “আরএসএস নিজের মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য কাজ করে না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, তেরা বৈভব অমর রহে মা, হম দিন চার রহে না রহে। একথা আমাদের গুরুরাই বলেছেন।”

    পঞ্চ পরিবর্তন

    আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে যে পঞ্চ পরিবর্তন চলছে, এদিন সেই উদ্যোগগুলির কথাও উল্লেখ করেন ভাগবত। তিনি বলেন, “এই পঞ্চ পরিবর্তন (Mohan Bhagwat) হল, সামাজিক সমরসতা (সামাজিক ঐক্য), কুটুম্ব প্রবর্তন (পারিবারিক জাগরণ), প্রয়াভরণ সংরক্ষণ (পরিবেশ রক্ষা), স্ববোধ (স্বদেশি ভাবনা ও আত্মপরিচয় শক্তিশালী করা) এবং নাগরিক কর্তব্য। আরএসএস প্রধান মণিপুরের শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করেন, বিশেষত উৎসব-অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা ও মাতৃভাষা ব্যবহারের। এগুলিকে আরও সুদৃঢ় করার পরামর্শও দেন তিনি (RSS)।

    ভাগবতের বক্তব্য

    মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ভাগবত বলেন, “সমাজ ও সম্প্রদায়স্তরে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। ধ্বংস কয়েক মিনিটে হয়, কিন্তু নির্মাণে লাগে বহু বছর, বিশেষত সেটি যদি আবার সকলকে সঙ্গে নিয়ে এবং কাউকে আঘাত না দিয়ে করতে হয়। শান্তি স্থাপনে ধৈর্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সামাজিক শৃঙ্খলা প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব কিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে হবে না, সমাজের দায়িত্বও বিশাল। স্বনির্ভর সমাজ গড়তে হবে, তবেই স্বনির্ভর ভারত সম্ভব। সংঘ সবসময় শক্তিশালী সামাজিক ভিত্তির ওপর জোর দেয়।” দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন ভাগবত। তিনি বলেন, “একটি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী সমাজ গঠনের জন্য দক্ষতা (Mohan Bhagwat) উন্নয়ন ভীষণ প্রয়োজন। ভাবগত বলেন, “সজ্জন শক্তির দ্বারা সম্পূর্ণ সমাজ গঠন করাও প্রয়োজন (RSS)।”

  • SIR: এসআইআর-এ তথ্যের গোলমাল! ৭ বিএলওকে শোকজ নির্বাচন কমিশনের

    SIR: এসআইআর-এ তথ্যের গোলমাল! ৭ বিএলওকে শোকজ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিবিড় তালিকা সংশোধনে তথ্যের হেরফের এবং গোলমালের অভিযোগ! এবার ৭ বিএলওকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলওরা ডিজিটাইজেশন নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এই প্রকিয়ার কাজ সম্পন্ন করতে টেকনিক্যাল নানা সমস্যা হচ্ছে। ঠিক এই সময় পর্বেই বেশ কিছু তালিকার তথ্যের হেরফের দেখা গিয়েছে। আর এই ব্যাপারে উপযুক্ত জবাব চাওয়া হয়েছে কমিশনের (Election Commission) তরফে । তবে উপযুক্ত জবাব না পেলে হতে পারে কড়া ব্যবস্থা। রাজ্য এসআইআর (SIR) আবহে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।

    বিএলওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে (SIR)

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, “কলকাতার বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের সাতজন বিএলও-কে শোকজ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। মূলত ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়ার কাজকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি পালন করে ডিজিটাইজেশন করা হয়নি বলে অভিযোগ। শুক্রবার দুপুরের মধ্যে কেন ঠিকমতো কাজ করতে পারেননি? এই বিষয়ে বিশদে জানতে চাওয়া হয়েছে ওই বিএলওদের কাছে। তবে এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত  সন্তোষজনক উত্তর না পেলে ওই নির্দিষ্ট বিএলওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।”

    সামান্যতম অনিয়ম মানতে চায়না কমিশন

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সাফ নির্দেশ ছিল, সংগ্রহ করা ফর্মের ৩০ শতাংশ ডিজিটাইজ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে নির্ধারিত সময়ে মাত্র ৪ থেকে ৮ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন এলাকার বিএলওরা নানা ভাবে অসুবিধার মধ্যে পড়ছেন বলে অভিযোগও করা হয়েছে। কিন্তু এই কাজে আবার একাধিক জায়গায় বেশ কিছু তথ্যের গোলমাল ধরা পড়েছে। কাজের ক্ষেত্রে সামান্যতম অনিয়ম মানতে চায় না কমিশন। তাই জবাবে সন্তোষ না হলে কমিশন শাস্তি দেওয়ার কথা বলেও আগাম ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। আবার হুগলির কোন্নগরে ফর্ম বিলি (SIR) করতে গিয়ে মাথা ঘুরিয়ে পরে গিয়েছেন বিএলও তপতী বিশ্বাস। তাঁকে হাসপাতালে পর্যন্ত নিতে হয়েছে। ঠিক একই রকম ঘটনা ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জেও।

  • India Made iPhones: আইফোন উৎপাদনে দ্রুত উত্থান হচ্ছে ভারতের, পিছিয়ে পড়ছে চিনের আইফোন সিটি!

    India Made iPhones: আইফোন উৎপাদনে দ্রুত উত্থান হচ্ছে ভারতের, পিছিয়ে পড়ছে চিনের আইফোন সিটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ‘ড্রাগন’কে গিলতে শুরু করেছে ‘হাতি’! সম্প্রতি এক রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, অ্যাপলের আইফোন (India Made iPhones) উৎপাদনে ভারতের দ্রুত উত্থান চিনের বহুদিনের আইফোন সিটির আধিপত্যকে পুনর্গঠন করছে, কিছু ক্ষেত্রে তো আবার খর্বও করে দিচ্ছে। ‘লে মন্ডি’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফক্সকনের বিশাল ঝেংঝৌ কারখানায় (Chinas iPhone city) শ্রমিকের সংখ্যা কমে যাওয়া, কঠোরতর বিধিনিষেধ এবং মরশুমি শ্রমিকের ঘাটতির কারণে সংগ্রামের মুখে পড়ছে। উল্টোদিকে, ভারত দ্রুতগতিতে উৎপাদন বাড়িয়ে চলেছে। তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকে নয়া কারখানা চালু হওয়ার ফলে ভারত ধীরে ধীরে সেই সব কাজই করছে, যা একসময় পুরোপুরি ঝেংঝৌর দখলে ছিল।

    আইফোনের চাহিদা (India Made iPhones)

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ঝেংঝৌয়ের ওই কারখানায় শ্রমিক ছিল প্রায় ৩ লাখ। বস্তুত, তার জেরেই বিশ্বব্যাপী আইফোন জোগানের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল এই কারখানা। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের আইফোন উন্মোচনের আগে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত উৎপাদন নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। এই চাহিদা মেটাতে ফক্সকন ঐতিহ্যগতভাবে বিপুল সংখ্যক অস্থায়ী শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে। একসঙ্গে কয়েক হাজার শ্রমিক নিয়োগ করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের অগাস্টে কোম্পানি আইফোন ১৬ সিরিজের জন্য প্রায় ৫০ হাজার অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছে।

    চিনা আইন

    চিনের আইন অনুযায়ী, অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা কোনও কোম্পানির মোট শ্রমিকের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারে না। ‘চায়না লেবার ওয়াচ’ জানিয়েছে, আইফোন সিটিতে ফক্সকনের মোট শ্রমিকের অর্ধেকেরও বেশি অস্থায়ী কর্মী, যা আইনের পরিপন্থী। কোম্পানির বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ উঠেছিল ২০১৯ সালেও। অস্থিতিশীল কর্মসংস্থান, খারাপ কর্মপরিবেশ, এবং প্রতি বছর বেতন ও বোনাস নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ-সহ নানা সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে এই কোম্পানি (India Made iPhones)। ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, প্ল্যান্টের মৌলিক মাসিক বেতন প্রায় ২৯৫ ডলার। এটি ঝেংঝৌয়ের গড় বেতনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে ফক্সকনকে কর্মীদের আকর্ষণ করতে মোটা অঙ্কের বোনাসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বাজার যখন তুঙ্গে থাকে তখন এই বোনাস মাসে ১,৩০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে। এজন্য কর্মীরা কয়েক মাসের জন্য যোগ দেন, উৎপাদন কমলেই ফের চাকরি ছেড়ে চলে যান (Chinas iPhone city)। জানা গিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের মোট আইফোনের প্রায় ২০ শতাংশ ভারতে তৈরি হয়, যা ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ অ্যাপল সরবরাহ শৃঙ্খলার বৈচিত্র্য বৃদ্ধি ও চিনা শুল্ক–ঝুঁকি কমাতে চায় (India Made iPhones)।

  • PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য রাখবেন তিন অধিবেশনেই

    PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য রাখবেন তিন অধিবেশনেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে ভারতের এমন দৃষ্টিভঙ্গিই উপস্থাপন করব।” শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20) যোগ দিতে যাওয়ার আগে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিনই তিনি তিনদিন সফরে জোহানেসবার্গের উদ্দেশে রওনা দেন। জি২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ষষ্ঠ আইবিএসএ সম্মেলনেও অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি সম্মেলনে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ এবং ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’ – আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করব।” দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনে যোগ দেব। এই সম্মেলনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আফ্রিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনের সময় বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে সাক্ষাৎও করব।”

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে জোহানেসবার্গে উপস্থিত কয়েকজন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তিনি সেখানে ষষ্ঠ আইবিএসএ শীর্ষ সম্মেলনেও অংশ নেবেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে ২২–২৩ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করছেন। এবার ২০তম জি২০ শীর্ষ সম্মেলন হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার সভাপতিত্বে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি একটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হবে। কারণ এটিই হবে আফ্রিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম জি২০ সম্মেলন। ২০২৩ সালে ভারতের জি২০ সভাপতিত্বকালে আফ্রিকান ইউনিয়ন জি২০-এর সদস্য হয়েছিল।” জি২০-এর সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুর্কিয়ে (পূর্বতন তুরস্ক), ব্রিটেন, আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    জি২০ সম্মেলন হবে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ। এ বছরের জি২০-এর থিম হল ‘সংহতি, সাম্য ও টেকসই উন্নয়ন’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা নয়াদিল্লি এবং ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী শীর্ষ সম্মেলনগুলির সিদ্ধান্তকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে (G20)।” তিনি এও বলেন, “সহযোগী দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমার আলোচনা এবং সম্মেলনের সাইডলাইনে নির্ধারিত ষষ্ঠ আইবিএসএ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমি মুখিয়ে রয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করার জন্যও আমি আগ্রহী। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায় বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে অন্যতম।” এর আগে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল (PM Modi), সম্মেলনের তিনটি অধিবেশনেই বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এই অধিবেশনগুলি হল, “সমন্বিত ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—কাউকে পিছনে না রেখে: আমাদের অর্থনীতি গঠন, বাণিজ্যের ভূমিকা, উন্নয়নের অর্থায়ন এবং ঋণের বোঝা”, “একটি সহনশীল জি২০-এর অবদান: দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন, ন্যায়সঙ্গত জ্বালানি রূপান্তর, খাদ্য ব্যবস্থা” এবং “সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সুবিচারপূর্ণ ভবিষ্যৎ: গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।”

    জি২০

    প্রসঙ্গত, জি২০-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলি বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলির প্রতিনিধিত্ব করে। এটি বিশ্ব জিডিপির ৮৫ শতাংশ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশ এবং বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা নিয়ে গঠিত। গ্রুপটির টানা চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে গ্লোবাল সাউথে। ২০২২ সালে জি২০-এর সভাপতিত্ব করেছে ইন্দোনেশিয়া, তার পরের বছর ভারত, ২০২৪ সালে ব্রাজিল এবং চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকা। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা অনুযায়ী আফ্রিকান ইউনিয়ন বিশ্বের ২০টি বৃহত্তম অর্থনীতির এই গ্রুপের স্থায়ী সদস্য হয় (PM Modi)।

    গ্লোবাল সাউথ

    উল্লেখ্য যে, বিদেশমন্ত্রকের সচিব সুধাকর দালেলার মতে, জি২০ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম, যেখানে আগের অধিবেশনগুলিতে দেশগুলি গ্লোবাল সাউথকে প্রভাবিত করে এমন বিভিন্ন বিষয়ে একটি ঐক্যমত্য ঘোষণা, পাইলট প্রকল্প এবং নয়া উদ্যোগ নিতে রাজি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা খুব খুশি যে ব্রাজিলের সভাপতিত্বে এবং অবশ্যই দক্ষিণ আফ্রিকার নিজেদের সভাপতিত্বের জন্য নির্ধারিত চারটি ভার্টিক্যালের অধীনে এই আলোচনাগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই সব ক্ষেত্রে বছরভর বিভিন্ন ট্র্যাকজুড়ে বেশ কিছু সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তাই আমরা খুব খুশি যে গ্লোবাল সাউথের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে এবং তুলে ধরা হচ্ছে (PM Modi)।”

  • Pakistan: “ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান”, তোপ হাসিনার প্রাক্তন সহকারীর

    Pakistan: “ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান”, তোপ হাসিনার প্রাক্তন সহকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে পাকিস্তান (Pakistan) ভারতবিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে।” অন্তত এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী মোহিবুল হাসান চৌধুরী। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাদের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশকে (Bangladesh) পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের একটি ক্রীড়নক রাষ্ট্রে পরিণত করা।

    চৌধুরীর তোপ (Pakistan)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার পাকিস্তানের উগ্রপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী, যেমন, আইএসআই, সেনাবাহিনী, পাঞ্জাবি এলিটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।” চৌধুরী বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাক্তন সহকারী। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামি লিগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। গত বছর হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয় তাঁকে। এটাই সুগম করে ইউনূসের ক্ষমতা গ্রহণের পথ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গে চৌধুরী বলেন, “আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ তারা শুধু পাকিস্তানের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আইএসআই, সেনাবাহিনী, পাকিস্তানের (Pakistan) পাঞ্জাবি এলিটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চায়, যারা গত পঁচাত্তর বছর ধরে দেশটিকে শোষণ করে আসছে। এটি নীতি, মূল্যবোধ কিংবা বন্ধুত্বের বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিষয়, বঙ্গবন্ধুর দেশকে একটি ক্রীড়নক দেশে পরিণত করার বিষয়।”

    হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মীর অভিযোগ

    হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মী মনে করিয়ে দেন, আওয়ামি লিগ যখন গণহত্যার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করে, তখন পাকিস্তান তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। বাংলাদেশে তারা আইএসআই-সংক্রান্ত কার্যকলাপও শুরু করেছিল। তিনি বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত দেশ পরিচালনা করার সময়, তারা বাংলাদেশকে ভারতবরোধী অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সন্ত্রাস রফতানির ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছিল।” চৌধুরীর মতে, এই ধরনের কার্যকলাপ ফের শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এমন একটি দেশ নয় যেখানে পাকিস্তান (Pakistan) খুব আন্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্য, এবং পাকিস্তানের প্রতি তেমন সহানুভূতিও নেই। তবুও, হঠাৎ করেই সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানে, আমরা জানি পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কী, এটা মূলত আইএসআইয়েরই একটি মুখোশ। অধিকাংশ (Bangladesh) পাকিস্তানি সামরিক কর্তা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সে কাজ করেন, যা তাঁদের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিদেশে সন্ত্রাস রফতানির জন্য পরিচিত।”

  • Ramakrishna 513: “ডোবাতে হাতি নামলে জল তোলপাড় হয়ে যায়,— ক্ষুদ্র আধার হলেই ভাব উপছে পড়ে”

    Ramakrishna 513: “ডোবাতে হাতি নামলে জল তোলপাড় হয়ে যায়,— ক্ষুদ্র আধার হলেই ভাব উপছে পড়ে”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই

    শ্রীশ্রীরথযাত্রা দিবসে বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    আজ শ্রীশ্রীরথযাত্রা। মঙ্গলবার (৩১শে আষাঢ়, ১২৯২, শুক্লা দ্বিতীয়া, ১৪ই জুলাই, ১৮৮৫)। অতি প্রতূষ্যে ঠাকুর উঠিয়া একাকী নৃত্য করিতেছেন ও মধুর কণ্ঠে নাম করিতেছেন।

    মাস্টার আসিয়া প্রণাম করিলেন। ক্রমে ভক্তেরা আসিয়া প্রণাম করিয়া ঠাকুরের কাছে উপবিষ্ট হইলেন। ঠাকুর পূর্ণর জন্য বড় ব্যাকুল। মাস্টারকে দেখিয়া তাঁরই কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — তুমি পূর্ণকে দেখে কিছু উপদেশ দিতে?

    মাস্টার — আজ্ঞা, চৈতন্যচরিত পড়তে বলেছিলাম, — তা সে সব কথা বেশ বলতে পারে। আর আপনি বলেছিলেন, সত্য ধরে রাখতে, সেই কথাও বলেছিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা ‘ইনি অবতার’ এ-সব কথা জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করলে কি বলত।

    মাস্টার — আমি বলেছিলাম, চৈতন্যদেবের মতো একজনকে দেখবে তো চল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আর কিছু?

    মাস্টার — আপনার সেই কথা। ডোবাতে হাতি নামলে জল তোলপাড় হয়ে যায়, — ক্ষুদ্র আধার হলেই ভাব উপছে পড়ে।

    “মাছ ছাড়ার কথায় বলেছিলাম, কেন অমন করলে। হইচই হবে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — তাই ভাল। নিজের ভাব ভিতরে ভিতরে থাকাই ভাল।

    ভূমিকম্প ও শ্রীরামকৃষ্ণ — জ্ঞানীর দেহ ও দেহনাশ সমান

    প্রায় সাড়ে ছয়টা বাজে। বলরামের বাটী হইতে মাস্টার গঙ্গাস্নানে যাইতেছেন। পথে হঠাৎ ভূমিকম্প। তিনি তৎক্ষণাৎ ঠাকুরের ঘরে ফিরিয়া আসিলেন। ঠাকুর বৈঠকখানা ঘরে দাঁড়াইয়া আছেন। ভক্তেরাও দাঁড়াইয়া আছেন। ভূমিকম্পের কথা হইতেছে। কম্প কিছু বেশি হইয়াছিল। ভক্তেরা অনেকে ভয় পাইয়াছেন।

    মাস্টার — আমাদের সব নিচে যাওয়া উচিত ছিল।

    পূর্বকথা — আশ্বিনের ঝড়ে শ্রীরামকৃষ্ণ — ৫ই অক্টোবর, ১৮৬৪ খ্রী:

    শ্রীরামকৃষ্ণ — যে ঘরে বাস, তারই এই দশা! এতে আবার লোকে অহংকার। (মাস্টারকে) তোমার আশ্বিনের ঝড় মনে আছে?

    মাস্টার — আজ্ঞা, হাঁ। তখন খুব কম বয়স — নয়-দশ বছর বয়স — একঘরে একলা ঠাকুরদের ডাকছিলাম (Kathamrita)!

    মাস্টার বিস্মিত হইয়া ভাবিতেছেন — ঠাকুর হঠাৎ আশ্বিনের ঝড়ের দিনের কথা জিজ্ঞাসা করিলেন কেন? আমি যে ব্যাকুল হয়ে কেঁদে একাকী একঘরে বসে ঈশ্বরকে প্রার্থনা করেছিলাম, ঠাকুর কি সব জানেন ও আমাকে মনে করাইয়া দিতেছেন? উনি কি জন্মাবধি আমাকে গুরুরূপে রক্ষা করিতেছেন?

  • SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা সরাসরি বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছে মমতা সরকার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে অনুপ্রবেশকারীদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। উল্লেখ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু করতেই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপক ভিড় জমেছে। তাঁদের লক্ষ্য এখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যাওয়া। অনুপ্রবেশকারী খোদ বাংলাদেশিদের মুখে শোনা গিয়েছে, কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ রেশনের মতো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন! আর তাতেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছে বিজেপি।

    রাজ্যের টাকা কেন অনুপ্রবেশকারীদের পকেটে?

    বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? এই প্রকল্প ২ কোটি ১৫ লক্ষ বাংলার মহিলাকে দেওয়া হয়। এই রাজ্যের বহু সংখ্যক মহিলাদের মধ্যে বাংলাদেশের অনেক মহিলারাও রয়েছে। তৃণমূল সরকার তাদেরও টাকা দিচ্ছে! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা দেওয়া হয়েছে, তার তদন্ত দাবি করছি আমরা। আমাদের রাজ্যের ভাইবোনদের জন্য এই টাকা খরচ করা হোক, এটাই কাম্য।”

    এসআইআর-এর গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে

    উল্লেখ্য, বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্তে হাজার হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জমায়েত হয়েছেন। এ যেন ঠিক শুভেন্দুর কথায় কার্বলিক অ্যাসিড দেওয়ায় অনুপ্রবেশকারীরা বের হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের পথে বাংলাদেশিরা। রাতের অন্ধকারে দালাল ধরে মোটা টাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল তারা। পরে টাকার বিনিময়ে জাল কাগজপত্র (Lakshmi Bhandar) বের করে সরকারি সুবিধা নিয়েছে। তাদের মধ্যে রোকেয়া বিবি নামক এক বাংলাদেশি বলেন, “ভারতে ঢুকে আধার-ভোটার কার্ড বানিয়ে দুবার ভোটও দিয়েছি আমরা। দশ বছর আগে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রবেশ করেছি। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ ঝুপড়িতে বাস করতাম। এখন এসআইআর-এর (SIR) গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে আমাদের।” আবার অপর আরেক অনুপ্রবেশকারী বলেছেন, “সীমান্তে অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে এখানে এসেছি। আমরা কাগজ কোরানোর কাজ করি। জায়গায় জায়গায় ময়লা ফেলার কাজ করি। স্থানীয় নেতারা টাকা নিয়ে কাজপত্র বানিয়ে দিয়েছিল।”

  • Taliban Trade Minister: ৫ দিনের ভারত সফরে আফগানিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রী, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান?

    Taliban Trade Minister: ৫ দিনের ভারত সফরে আফগানিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রী, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই পোক্ত হচ্ছে ভারত-আফগানিস্তান সম্পর্ক (Taliban Trade Minister)! মাসখানেক আগেই ভারতের (India) মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন তালিবান প্রশাসনের এক শীর্ষ মন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই বুধবার নয়াদিল্লিতে এলেন তালিবান সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ নুরউদ্দিন আজিজি। তাঁর আগে গত মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। সেবার তিনি ভারতে ছিলেন ৬ দিন। আর বাণিজ্যমন্ত্রী এসেছেন ৫ দিনের ভারত সফরে। তালিবান প্রশাসনের মন্ত্রীদের ঘন ঘন ভারত সফরে রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছে পাকিস্তানের।

    কাবুলে এয়ারস্ট্রাইক (Taliban Trade Minister)

    আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী যখন ভারত সফরে ছিলেন, সেই সময়ই রাজধানী কাবুলে এয়ারস্ট্রাইক করেছিল পাকিস্তান। তারপর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিন সীমান্ত বন্ধ ছিল আফগানিস্তানের। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কও তলানিতে ঠেকে। পাকিস্তানের আর পাঠানো হচ্ছে না আফগানিস্তানের আপেল, টোম্যাটো-সহ একাধিক পণ্য। প্রত্যাশিতভাবেই পাকিস্তানের বাজারে গিয়ে এসব কিনতে গিয়ে হাতে ছ্যাঁকা লাগছে মধ্যবিত্তদেরও। এহেন আবহে আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীর ভারত সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলাচল করছে পণ্যবাহী বিমান।

    ট্রেড কমিটি গঠন

    অক্টোবর মাসে মুত্তাকির ভারত সফরের সময়ই ঠিক হয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য একটি ট্রেড কমিটি গঠন করবে দুই দেশ। মূলত খনিজ, শক্তিসম্পদ এবং পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রগুলিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। মুত্তাকির নয়াদিল্লি সফরের পরেই ফের চালু হয় কাবুলের ভারতীয় দূতাবাস। জানা গিয়েছে, চলতি ভারত সফরে আজিজি যেতে পারেন ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ারে। ভারতের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা তাঁর। আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন পাঠানদের দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। নুরউদ্দিনের ভারত সফর উপলক্ষে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (Taliban Trade Minister) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন আফগানিস্তানের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ নুরউদ্দিন আজিজি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।”

    ডুরান্ড লাইন

    প্রসঙ্গত, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তান ও পাঠান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের কেন্দ্রে রয়েছে টিটিপি। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের অভিযোগ, পাক সরকার এবং পাকিস্তানি সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। আর পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের তালিবান সরকার আশ্রয় এবং (India) মদত দিচ্ছে টিটিপি সদস্যদের। এই টিটিপিই হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তানে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বাইতুল্লাহ মেহসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল শাসিত উপজাতি এলাকার বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে একজোট করে গঠন করা হয় টিটিপি। এই গোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আল-কায়েদা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাক সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় এর জন্ম। বর্তমানে টিটিপির মূল লক্ষ্য হল, পাকিস্তানের সরকারকে সরিয়ে তাদের নিজস্ব মতাদর্শে একটি ইসলামি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

    ভারত আফগানিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার

    প্রসঙ্গত, ভারত বর্তমানে আফগানিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার। মানবিক সহায়তা, খাদ্যশস্য, চিকিৎসা সামগ্রী এবং পরিকাঠামো প্রকল্পে দিল্লির ভূমিকা তালিবানের (Taliban Trade Minister) কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই নূরউদ্দিনের এই সফর ভারত-আফগান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ভূরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আফগানিস্তান যখন ক্রমেই পাকিস্তান থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছে, তখন ভারতের সঙ্গে (India) ঘনিষ্ঠতা পাকিস্তানের কূটনৈতিক চাপে আরও অক্সিজেন জোগাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিবান প্রশাসনের ভারত সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আটকে থাকা প্রকল্প – সব দিকেই নয়া সমীকরণ গড়ে উঠতে পারে।

    ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    বস্তুত, আশরাফ গনির আমলে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ মজবুত হয়েছিল। আফগানিস্তানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগও করেছিল নয়াদিল্লি। ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরে গেলে পতন হয় গনি সরকারের। আফগানিস্তানের দখল নেয় তালিবান। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি পায়নি আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। বিশ্বের সিংহভাগ দেশের সঙ্গেই স্বীকৃত কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তাদের। কূটনৈতিক স্বীকৃতি না দিলেও, তালিবান সরকারের সঙ্গে আলোচনার দরজা একেবারে বন্ধ করে দেয়নি ভারত।

    ভারতের গুরুত্ব

    চলতি বছরের শুরুর দিকেই দুবাইয়ে মুত্তাকির সঙ্গে বৈঠক হয় ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রির। বস্তুত, ওই বৈঠকের পর থেকে ক্রমশ মসৃণ হতে থাকে আফগানিস্তান-ভারতের সম্পর্ক। দুবাইয়ের ওই বৈঠকে তালিবান সরকার ভারতকে এক গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক এবং অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ব্যাখ্যা করে। এর পর মে মাসে মুত্তাকির সঙ্গে কথা হয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। তার পর অক্টোবরে ভারতে (India) আসেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী মুত্তাকি। তার আগেই অবশ্য দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার পরে ওই ঘটনার নিন্দে করেছিল তালিবান সরকার।

    ভারত-আফগান সম্পর্কের জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Taliban Trade Minister)।

LinkedIn
Share