Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের পর গোটা রাজ্য তোলপাড় হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সমালোচিত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রতিবাদ জানান। তাঁর সেই প্রতিবাদের জন্য বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এনিয়ে শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থানায় এফআইআরও করেছেন।

    টুইটারে কী লিখেছিলেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শঙ্করবাবু তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, হীরক রানির রাজ্যে এভাবেই ধর্ষিতা কন্যাদের মৃতদেহ সম্মান পায়। সঙ্গে একটি কার্টুন ছবিও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে একজন নির্যাতিতাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তাঁর এই টুইটারের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার পিছনে আমি তৃণমূলের যুক্ত থাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কেননা আমাকে গ্রেফতার করে মারার কথা বলা হয়েছে। গ্রেফতার কে করবে? পুলিশ, আর পুলিশ তৃণমূল সরকারের। এছাড়াও যে অ্যাকাউন্ট থেকে আমাকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই টুইটার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তৃণমূলের নব জোয়ারের ট্যাগ করা রয়েছে। কাজেই আমাকে মারার ক্ষেত্রে তৃণমূলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সে কারণে আমি পুলিশে এফআইআর করেছি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের দার্জিলিং(সমতল) জেলা কমিটির মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, তৃণমূল নয়, এ রাজ্যে যাবতীয় অশান্তি পাকাচ্ছেন শঙ্কর বাবু ও তাঁর দল। অপরাধীরা অপরাধ করে এরাজ্যে পার পায় না। শঙ্করবাবু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ যদি কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: পথ দুর্ঘটনায় মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    Road Accident: পথ দুর্ঘটনায় মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার হুগলির শ্রীরামপুর পিয়ারাপুর মোড়ে দিল্লি রোডে পথ দুর্ঘটনায় (Road Accident) এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। দোষীদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে দিল্লি রোড অবরোধ করে রাখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজিত জনতা পুলিশ কিয়স্কে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম পুষ্পা সাঁতরা(৫৬)। তাঁর বাড়ি বড়বেলু মনসাতলা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ বালিভর্তি ডাম্পার সিঙ্গুর থেকে বাঁক নিয়ে দিল্লি রোডে উঠে চুঁচুড়ার দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি (Road Accident) ঘটে। ওই মহিলা সাইকেল করে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ডাম্পারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই মহিলাকে পিষে দেয়। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে শ্রীরামপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই বড়বেলু গ্রাম থেকে হাজার খানেক বাসিন্দা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আসেন দুর্ঘটনায় (Road Accident) মৃত্যু হওয়া ওই মহিলার বাড়ির লোকজনও। এসেই তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। জ্বালানো হয় টায়ার। স্তব্ধ হয়ে যায় দিল্লি রোড। অবরোধের জেরে দিল্লি রোডে তীব্র যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় শ্রীরামপুর থানার পাশাপাশি চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের  এসিপি-২ শুভঙ্কর বিশ্বাস নিজে ঘটনাস্থলে যান।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    ঘাতক ডাম্পারের চালককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে থাকেন অবরোধকারীরা। বিক্ষোভকারীদের পক্ষে বাবলু সর্দার নামে এক যুবক বলেন, পিয়ারাপুর মোড়ের কাছেই পুলিশ ফাঁড়ি। সামনেই ট্রাফিক গার্ডের কিয়স্ক। অসংখ্য সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তারমধ্যে সাতসকালে কি করে একটা ওভারলোড গাড়ি বাঁক নিতে গিয়ে পথচারীকে চাপা দিল? আসলে সিভিক ভলান্টিয়াররা রাস্তায় কোনও ডিউটি করে না। লরি থেকে পয়সা তুলতে এবং মোবাইল দেখতে তারা ব্যস্ত থাকে। তাই ওদের বিরুদ্ধে আগে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কি জানালো প্রশাসন

    এদিন অবরোধ তুলতে এসে পুলিশ কর্তাদের হিমশিম খেতে হয়। আসলে দিল্লি রোডে এরকম ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সেদিক দিয়ে দেখলে বলা যেতে পারে, এদিনের এই বিক্ষোভ আসলে জনরোষের প্রতিফলন। ইতিমধ্যেই বালি ভর্তি ডাম্পার সহ চালককে আটক করেছে পুলিশ। এসিপি শুভঙ্কর বিশ্বাসের আশ্বাসে প্রায় সাড়ে তিনঘণ্টা পর অবরোধ ওঠে। এসিপি শুভঙ্করবাবু বলেন, আমরা ডাম্পারের চালককে আটক করেছি। পরিবারের লোক যাতে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পান সেটা দেখা হচ্ছে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া এই পিয়ারাপুর এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার আরও উন্নত করা হবে। দুর্ঘটনার (Road Accident) সময় যারা ডিউটি করছিল, তাদের কোনও গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FEMA Act: এবার বাইজুর অফিসে হানা ইডির, বাজেয়াপ্ত নথি, ডিজিটাল তথ্যও

    FEMA Act: এবার বাইজুর অফিসে হানা ইডির, বাজেয়াপ্ত নথি, ডিজিটাল তথ্যও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অনলাইন শিক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট বাইজুর (Byju) বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) অফিসে হানা দিল ইডি (ED)। শনিবার দুপুরে বাইজুর ওই অফিসে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দ্য ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে (FEMA Act)।

    দ্য ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে (FEMA Act) অভিযোগ দায়ের…

    এদিন বেঙ্গালুরুর একটি বাসস্থান ও দুটি অফিসে অভিযান চালিয়েছে ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু কাগজপত্র ও নথি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু ডিজিটাল তথ্যও। ইডির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফেমার অধীনে ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংস্থা প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ নিয়েছে। এর পাশাপাশি ওই সংস্থা ৯ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়েছে। বিদেশে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলেই এই বিপুল অঙ্কের টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে। ইডি আরও জানিয়েছে, বাইজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২০-২১ অর্থবর্ষ থেকে অর্থনৈতিক বিবৃতি তৈরি করেনি বাইজু। অ্যাকাউন্টের অডিটও করানো হয়নি। অথচ এটা বাধ্যতামূলক।

    আরও পড়ুুন: চাকরি খোয়ানো ১০ ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে নথি সহ তলব সিবিআইয়ের

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, প্রতিবারই বাইজুর (FEMA Act) প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও বাইজু রবীন্দ্রন সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি ইডির সামনে হাজিরাও দেননি। বাইজুর আইনি মুখপাত্র জানান, ইডির এই অভিযান ফেমার অধীনে নিয়মিত তদন্তের অংশ। এদিন বাইজুর তরফেও জারি করা হয়েছে বিবৃতি। তাতে বলা হয়েছে, আমরা পুরোপুরি স্বচ্ছ। কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে যা তথ্য চেয়েছেন, আমরা সেগুলি দিয়ে দিয়েছি। আমরা নৈতিকতা ও নিয়মানুবর্তিতার ব্যাপারে সর্বোচ্চ মান তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    প্রসঙ্গত, হুরুন গ্লোবাল রিট লিস্ট ২০২৩ অনুযায়ী রবীন্দ্রন বিশ্বের শিক্ষা খাতে দ্বিতীয় ধনী উদ্যোক্তা। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০১১ সালে গড়ে ওঠে সংস্থাটি (FEMA Act)। লার্নিং অ্যাপ চালু করে ২০১৫ সালে। করোনা অতিমারির সময় এদের ব্যবসা তুঙ্গে ওঠে। পরে স্কুল খুলতে শুরু করলে অ্যাপের জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমতে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: সরেছে ২টি, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে কোন কোন মামলা রয়েছে জানেন?

    Justice Abhijit Ganguly: সরেছে ২টি, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে কোন কোন মামলা রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দুটি মামলা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বেঞ্চ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। একটি সৌমেন নন্দী ও অন্যটি রমেশ মালির করা। প্রশ্ন হল, তাহলে এবার কোন কোন মামলা থাকল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে? জানা গিয়েছে, সন্দীপ প্রসাদের করা এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা। টাকার বিনিময়ে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলে মামলা হয়। ২০২১ সালে সেই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে চলছে এই মামলা…

    প্রাথমিকের ওএমআর শিট মামলাও চলছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলা করেছিলেন রাহুল চক্রবর্তী ও শান্তনু সিট। ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই মামলায়। মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এসএসসির নবম দশম মামলা। মামলাকারী সেতাবউদ্দিন। এসএসসির নবম দশম নিয়োগ সংক্রান্ত আরও একটি মামলা। মামলাকারী আবদুল গনি আনসারি। এসএসসি গ্রুপ সি মামলাও রয়েছে তাঁর এজলাসে। মামলাকারী সাবিনা ইয়াসমিন। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।

    এসএসসি গ্রুপ ডি সংক্রান্ত আরও একটি মামলা। মামলাকারীর নাম লক্ষ্মী তুঙ্গা। বেআইনিভাবে নিয়োগ (Justice Abhijit Ganguly) হয়েছে এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী। নবম দশমের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে তাঁর এজলাসে। মামলাকারী অনিন্দিতা বেরা। এই মামলাও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। মেধাতালিকার বাইরে থেকে নিয়োগ হয়েছে এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। ববিতা সরকারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার রায় দেবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশেই চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা। প্রাথমিক টেট সংক্রান্ত একটি মামলাও রয়েছে তাঁর এজলাসে। প্রায় ৪৪ হাজার চাকরি প্রাপকের নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক নয়, এই প্রশ্ন তুলে মামলা হয়েছিল। মামলাকারী প্রিয়াঙ্কা নস্কর।

    আরও পড়ুুন: চাকরি খোয়ানো ১০ ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে নথি সহ তলব সিবিআইয়ের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, আমি তো নিজে সরাচ্ছি না। সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারে হচ্ছে। একটা ডিসিপ্লিন আছে। সেই অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সর্বোচ্চ আদালত। সেটা মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, আরও যেসব দুর্নীতির মামলা রয়েছে, সেগুলোও হয়তো আমার হাত থেকে সরে যাবে। আজ যে গ্রাউন্ডে গিয়েছে, সেগুলো সরে যাবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এই মামলা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে শুরু করিনি। তাই আমার কাছে রইল কী কার কাছে গেল, তা নিয়ে আমার বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তিনি যে সর্বদা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হবেন, এদিন তাও জানিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: চাকরি খোয়ানো ১০ ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে নথি সহ তলব সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: চাকরি খোয়ানো ১০ ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে নথি সহ তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নির্দেশে খুইয়েছেন চাকরি। এঁদের মধ্যে থেকে ১০ জনকে তলব করল সিবিআই (CBI)। সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে এমন ১০ জন ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন গ্রুপ সি কর্মীকে নিজাম (Recruitment Scam) প্যালেসে ডেকে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায়ই ওই দশজনকে নোটিশ পাঠিয়েছে সিবিআই। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে বিভিন্ন দিনে একে একে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। চাকরি সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও আর্থিক লেনদেনের কাগজপত্র সহ হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় জেরা…

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত চলাকালীন টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে চাকরি বাতিল হয়েছে অনেক প্রাথমিক এবং হাইস্কুল শিক্ষকের। নিয়ম বহির্ভূতভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে বরখাস্তও হয়েছেন অনেক গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মী। এঁদের মধ্যে থেকেই ১০ জনকে তলব করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। চাকরি পেতে তাঁরা কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কিনা, তাঁদের সঙ্গেই বা কেউ যোগাযোগ করেছিলেন কিনা, তা নিয়ে এঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছিল এবং কেউ মধ্যস্থতা করেছিলেন কিনা, সে ব্যাপারেও তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে। এঁদের সকলেরই বয়ান রেকর্ড করা হবে। চাকরি হারানো (Recruitment Scam) প্রাক্তন ওই ১০ সরকারি কর্মীর দেওয়া টাকা কোন নিয়োগকর্তার কাছে পৌঁছেছে, কার মাধ্যমে নিয়োগ কর্তাদের সঙ্গে আলাপ করানো হয় চাকরিপ্রার্থীদের। এসবও জানতে চাওয়া হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।  

    আরও পড়ুুন: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে স্যালুট, ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’, বললেন শুভেন্দু

    পিছনের দরজা দিয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই দালাল ধরেছিলেন বলে অভিযোগ। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন বারাসতের জাতীয় পুরস্কার পাওয়া প্রধান শিক্ষক তাপস মণ্ডল, প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রেফতার হয়েছেন অয়ন শীলও। হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি খোয়ানোয় (Recruitment Scam) বিতর্কও কম হয়নি। কারও চাকরি চলে যাক, তা চাননি বলে জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে নিজেই সেকথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন চাকরি হারানো সরকারি কর্মীরা। তাঁদের পক্ষে সওয়াল করছেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। এই মুকুল রোহতগিই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের কথা শোনা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল দলটাই চোর লুটেরায় ভরে গিয়েছে। মানুষ এখন হাড়ে হাড়ে তা বুঝতে পারছেন। আলিপুরদুয়ারে এসে একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla)। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়করা জেলে যাচ্ছেন। এখনও অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তৃণমূল এখন চোরেদের দলে পরিণত হয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla) কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যতই আলিপুরদুয়ারে এসে তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগ করুক না কেন, কোনও লাভ হবে না। ওরা (তৃণমূল) বলছে টাকা নেই, আর এদিকে উৎসব চলছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে যেভাবে প্যান্ডেল করা হয়েছে, ওই টাকা যদি গরিব মানুষদের মধ্যে বিলি করা হত, তাহলে বুঝতাম যুবরাজ জনগণের মানুষ। সাধারণের বাড়িতে রাত কাটালে বুঝতাম ওদের (তৃণমূল) সঙ্গে লোক আছে। যুবরাজের তো আবার এসি লাগবে। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বার্লার (Jhon Barla) সমালোচনা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কেন উচ্চ পর্যায়ের কেন্দ্রীয় কমিটি আনতে পারেননি? যদিও অভিষেকের সেই অভিযোগকে কটাক্ষ করে জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, রাজ্য সরকার এমনকী জেলা প্রশাসন আমাদের কোনওরকমভাবে সহযোগিতা করছে না। জেলার উন্নয়ন করতে হলে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের সমন্বয় দরকার। কেন্দ্রের ইচ্ছা থাকলেও রাজ্যের অসহযোগিতায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ এই এলাকার মানুষের জন্য করা যাচ্ছে না। অথচ অন্যান্য রাজ্যগুলো এগিয়ে আসছে। আমাদের রাজ্য এক সময় দেশের মধ্যে সব দিক থেকেই শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্য আজকে অন্যান্য অনেক রাজ্যের থেকে পিছিয়ে পড়ছে।  

    চা শ্রমিকদের নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla)?

    জন বার্লা বলেন, ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আদিবাসীরা চা বাগানে রয়েছেন। কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করলেও তারা চা বাগানের এক ইঞ্চি জমিতে বাড়ি বানাতে পারছেন না, রাজ্য সরকার জমির পাট্টা দেয়নি। আমি তো জোর করে বাড়ি বানিয়েছি। আমার চার পুরুষ ওই জমিতে বসবাস করছে, আমি কেন বাড়ি বানাতে পারবো না? আমাকে দেখে সবাই বাড়ি বানাবেন, এই জমি আমরা ছাড়তে পারবো না, পারলে আমাকে উঠিয়ে দিক। ১৫০ বছর হয়ে গেছে আমরা জমির অধিকার পাইনি। রোহিঙ্গারা এসে জমি বাড়ি পেয়ে যাবে, আমরা এই দেশের আদিবাসী বাসিন্দা হয়ে কেন জমি বাড়ি পাব না?

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবড়াইক বলেন, আলিপুরদুয়ারের মানুষ এতদিন তাঁকে খুঁজে পাননি। তাই নিজেকে বাঁচাতে তিনি ওইসব আবোল তাবোল বকে যাচ্ছেন। রাজ্য সরকার চা শ্রমিকদের জমির পাট্টা দিচ্ছে। চা সুন্দরীর ঘর করে দিচ্ছে। তিনি ওই সব উন্নয়নের কাজ দেখতেও পান না, শুনতেও পান না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Kaveri: ভাঙা রানওয়ে, নেই আলো! সুদান থেকে ১২১ ভারতীয়কে উদ্ধারে ‘দুর্ধর্ষ’ অভিযান বায়ুসেনার

    Operation Kaveri: ভাঙা রানওয়ে, নেই আলো! সুদান থেকে ১২১ ভারতীয়কে উদ্ধারে ‘দুর্ধর্ষ’ অভিযান বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত একটা দেশ। ভেঙে পড়া বিমানবন্দর ও তার খানাখন্দে ভরা রানওয়ে। নেই কোনও নেভিগেশন ব্যবস্থা। এমনকী, নেই রানওয়ের ল্যান্ডিং-লাইটও। ভরসা বলতে একমাত্র পাইলটদের নাইট-ভিশন গগলস্। তাই দিয়েই নিরাপদে ছোট্ট এয়ারস্ট্রিপে অবতরণ করল ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) দৈত্যকায় বিমান। কিছুক্ষণ পর আবার একই কায়দায় ১২১ জনকে নিয়ে আকাশে উড়ল সে। ঠিক এইভাবে একেবারে হলিউড ফিল্মি কায়দায় গতকাল যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সুদানে (Sudan) আটকে পড়া ১২১ ভারতীয়কে নিয়ে বিমান উড়িয়ে সাহসী উদ্ধারকার্য চালাল ভারতীয় বায়ুসেনা। এমন উদ্ধারকার্য যা দুর্ধর্ষ সামরিক অভিযানের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়।

    সুদানে গৃহযুদ্ধ থামার নাম নেই। সেনা ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে প্রাণ হারাচ্ছেন শতাধিক মানুষ। সেই দেশে আটকে রয়েছেন বহু ভারতীয়ও। তাদের উদ্ধার করতেই “অপারেশন কাবেরী” (Operation Kaveri) শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার (Indian Navy) তরফে যৌথ উদ্যোগে সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় শেষ হল ভারত ও মার্কিন বায়ুসেনার যৌথ সামরিক মহড়া, কতটা প্রাপ্তি হল?

    গত এক সপ্তাহ ধরে একাধিক অভিযানে প্রায় আড়াই হাজার ভারতীয়কে সেদেশ থেকে উদ্ধার করে এনেছে ভারতীয় নৌ ও বায়ুসেনা। তেমনই একটি উদ্ধারাভিযান বায়ুসেনা চালায় শুক্রবার রাতে। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, সি-১৩০জে হারকিউলিস ট্রান্সপোর্ট (C-130J Hercules Transport) পণ্যবাহী বিমানে উদ্ধারকাজ চালানো হয় সুদানের রাজধানী খারতুম থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ওয়াদি সাইদনা বিমানবন্দরে। 

    বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সুদানের দুই বাহিনীর সংঘর্ষের জেরে বহু ভারতীয়ের পক্ষেই পোর্ট সুদানে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। শুক্রবার আটকে পড়া ওই ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্যই ওই ছোট্ট এয়ারস্ট্রিপে অবতরণ করানো হয় বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমান। সঙ্গে ছিলেন বায়ুসেনার স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের আটজন গড়ুড় কমান্ডো। 

    বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, ওই এয়ারস্ট্রিপে বিমান অবতরণ করা ও ভারতীয়দের উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনার গোটা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ, ওই এয়ারস্ট্রিপটির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। কোনও নেভিগেশনের ব্যবস্থা যেমন নেই। তেমনই জ্বালানি ভরা বা ল্যান্ডিং লাইটটুকুও নেই। রাতের অন্ধকারে বিনা আলোয় রানওয়েতে সুরক্ষিতভাবে অবতরণের জন্য বায়ুসেনার পাইলটরা নাইট-ভিশন গগলস্ ব্যবহার করেন। বিমানে উপস্থিত ক্রু-রাও ইলেকট্রো-অপটিক্যাল বা ইনফ্রা-রেড সেন্সর ব্যবহার করেন। 

    বায়ুসেনার তরফে এই অপারেশনের বিষয়ে আরও জানানো হয়, অবতরণের পর বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আটকে পড়া ১২১ জন ভারতীয়কে সুরক্ষিতভাবে বিমানে তোলেন কমান্ডোরা। তাদের সামগ্রীও বিমানে তুলে দেন। আবার নাইট-ভিশন গগলস্ ব্যবহার করেই বিমানকে টেক-অফ করিয়ে সেখান থেকে উড়ে সৌদি আরবের জেড্ডার উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। এই গোটা অপারেশনের জন্য আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে।

    উদ্ধারের এই খবর ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বায়ুসেনা পাইলটদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব মহল। যে অদম্য সাহস এবং দক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা, তাকে কুর্নিশ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে স্যালুট, ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’, বললেন শুভেন্দু  

    Suvendu Adhikari: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে স্যালুট, ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’, বললেন শুভেন্দু  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যা করেছেন, তাঁকে স্যালুট। ওঁকে নিয়ে বিচলিত হবেন না’। শুক্রবার বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাসের সাহসপুরে এক জনসভায় এ কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরেছে কয়েকটি মামলা। এদিনের সভায় সেই প্রসঙ্গই তোলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)…

    তিনি বলেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কারণে অনেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার পাওয়ার আশা দেখছিলেন। এদিনের রায়ে তাঁরা খানিকটা আশাহত হয়েছেন। তবুও আমি বলব, আগে সুপ্রিম কোর্টের সমগ্র অর্ডারটা আপলোডের জন্য অপেক্ষা করুন। তার ওপর বিচার বিশ্লেষণ হবে। তিনি বলেন, তবে আমার মনে হয় একটি টিভি চ্যানেলে ওঁর সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করেই মহামান্য বিচারপতি এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া নিজের মতোই চলবে। যেমন অভিজিৎবাবুর কাছে মামলাটা এসেছে। উনি তো ইচ্ছা অনুযায়ী নেননি। এগুলো আদালতের অ্যাসাইনমেন্ট থাকে। শুভেন্দু বলেন, তিনি (বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়) এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার দরজা খুলেছেন। লাখ লাখ টাকা খরচ করে রাজ্য অন্য বেঞ্চে গেলেও সেই রায় বহাল থেকেছে। কোনও আদালতই তদন্তে স্থগিতাদেশ দেয়নি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, আমাদের বিশ্বাস, বিচারব্যবস্থা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার মূল কারিগর। তাদের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। তারা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে যাতে চোরেরা জেলে যাবে, মেধাবিরা চাকরি পাবে। শুভেন্দু বলেন, এত বিচলিত হওয়ার মতো কিছু হয়নি।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে কোন কোন মামলা সরল, জানেন?

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ নির্দেশ দেয় নিয়োগ দুর্নীতির  মামলা থেকে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে সরানোর। তবে ঠিক কতগুলি মামলা তাঁর এজলাস থেকে সরেছে, তা স্পষ্ট হবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি সামনে আসার পরই। এদিন রাজ্য সরকারকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে স্টিকার সরকার বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, কেন্দ্রের সমস্ত প্রকল্প নিজেদের নামে চালায়। যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারেন, তার জন্য ইংরেজিতে প্রকল্পের নাম লেখে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও রাস্তার ট্যাপকল আছে, তাতে ঠিকমতো জল পড়ে না, আবার কোথাও জল আসে অনিয়মিত। উখড়া পাঠকপাড়া, চ্যাটার্জীপাড়া এবং রুইদাসপাড়াতে সপ্তাহখানেক ধরে ট্যাপকলে জল পড়ছে না বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার উখড়া-মাধাইগঞ্জ রোডের আনন্দমোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ গিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়। ঘণ্টা দুয়েক পর অবরোধ ওঠে। কিন্তু, সেই অবরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় কয়েক বছর আগে রাস্তার ধারে প্রায় ৭ হাজার ট্যাপ বসানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার নতুন করে পানীয় জলের (Drinking Water) সংযোগ দেওয়া হয়। তবে, মেন লাইনের সঙ্গে এখনও সংযোগ না দেওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহ শুরু হয়নি। আর রাস্তায় যে সাত হাজার ট্যাপ রয়েছে, সেখান দিয়ে ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না বলেও এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না থাকার কারণে বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন জানানো হয়েছে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিল। এখন পঞ্চায়েত কী উদ্যোগ নেয় সেদিকে আমরা তাকিয়ে রয়েছি।

    কী বললেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    অবরোধের পর পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজু মুখোপাধ্যায়। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রাজুবাবু বলেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রতিদিন পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, পাইপ লাইনের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। ঠিকাদার কেন পাইপ লাইনের কাজ বাকি রেখেছে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারণ, এই ঠিকাদারের জন্যই হাজার হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে ঠিকাদার উদ্যোগ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: মে মাসেই হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রোর উদ্বোধন, আসছেন প্রধানমন্ত্রী?

    Kolkata Metro: মে মাসেই হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রোর উদ্বোধন, আসছেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পেয়েছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত। শোনা যাচ্ছে, হাওড়া-পুরী রুটের এই ট্রেনের উদ্বোধন করতে কলকাতায় পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি ওই দিনই তিনি সবুজ পতাকা দেখাতে পারেন গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত নতুন মেট্রো রুটকে (Kolkata Metro)। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই উদ্বোধন হতে পারে এই বহু প্রতিক্ষীত মেট্রো রুটের (Kolkata Metro)। মে মাসেই গড়াতে পারে এই রুটের মেট্রোর চাকা। জানা গিয়েছে, গড়িয়া-বিমানবন্দরের মেট্রো করিডরের এই রুটে মেট্রো চলাচলের জন্য ইতিমধ্যেই রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের ছাড়পত্র এসে গিয়েছে। কেটে গিয়েছে সমস্ত জট। এবার কেবলমাত্র চাকা গড়ানোর অপেক্ষা। আর তার জন্যই অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন শহরবাসী।

    নিউ গড়িয়া থেকে রুবি অবধি কতগুলি স্টেশন রয়েছে

    নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত রয়েছে মোট পাঁচটি স্টেশন। এগুলি হল – কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া), সত্যজিৎ রায় (হাইল্যান্ড পার্ক), জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী (অজয়নগর এলাকা), কবি সুকান্ত (অভিষিক্তা ক্রসিং) এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবির মোড়)। তবে, নতুন রুটে মেট্রো ছুটলে আমজনতার যাতায়াতে সুরাহা হবে তা বলাই বাহুল্য।

    কোন স্টেশনে কত ভাড়া

    কবি সুভাষ অর্থাৎ গড়িয়া স্টেশন থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অর্থাৎ রুবি পর্যন্ত ভাড়া লাগবে ২০ টাকা। এই রুটের সঙ্গেই এবার সিঙ্গল টিকিটে যাতায়াত করা যাবে কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর স্টেশন পর্যন্ত। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে কবি সুভাষ হয়ে দক্ষিণেশ্বর কিংবা দমদম পর্যন্ত মেট্রো চড়লে ভাড়া পড়বে ৪৫ টাকা। এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট এবং কালীঘাট স্টেশন পর্যন্ত টিকিটের ভাড়া ৪০ টাকা। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের ভাড়া ৩৫ টাকা। এই প্রথম কলকাতা মেট্রোর দু’টি পৃথক রুটে সিঙ্গল টিকিটে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

    মোদি-শাহ একসঙ্গে পা রাখতে পারেন কলকাতায়

    শোনা যাচ্ছে, উদ্বোধনের দিন কলকাতায় একসঙ্গে পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকারের দুই প্রধান ব্যক্তিত্বের কলকাতা আগমনে সরগরম হতে পারে রাজ্য রাজনীতি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, এর আগে ডিসেম্বরে যখন হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন হয়েছিল সেই সময়ে পরিকল্পনা থাকলেও মায়ের মৃত্যুর কারণে আসতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। ভার্চুয়াল উদ্বোধন সারা হয় রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share