Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ সকালে আমি মা কামাখ্যার মাটিতে ছিলাম। এখন বাবা তারকনাথের মাটিতে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।” রবিবার সিঙ্গুরের (Singur Meeting) জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য তিনি বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদাকে দিয়ে। তার পরেই চলে আসেন মা কামাখ্যা এবং বাবা তারকনাথের অনুষঙ্গে। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের। সিঙ্গুরের সরকারি মঞ্চ থেকে হুগলির বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ (PM Modi)

    এদিন সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্রেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ। গত ১০০ বছরে এত কাজ হয়নি।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আগেই ৬টি অমৃত ভারত ট্রেন পেয়েছে। আজ আরও ৩টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল পশ্চিমবঙ্গ।” জয়রামবাটি-বড়গোবিন্দনাথপুর-ময়নাপুর নয়া রেললাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রার সূচনা করেন তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের এবং একটি নয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের (PM Modi)।

    রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান। তিনি বলেন, “আমাদের আসল পরিবর্তন চাই। সকলে এই মনোভাব নিয়েই আজ সভায় এসেছেন। সকলেই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজকে বদলাতে চাইছেন। বন্দে মাতরম হুগলিতেই লেখা হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাটিতেই লিখেছিলেন।” তিনি বলেন, “বিহারে এনডিএ জঙ্গলরাজ আরও একবার আটকে দিয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও টিএমসির মহাজঙ্গলরাজকে বিদায় করতে প্রস্তুত।” রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সুরও এদিন বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Singur Meeting)। তিনি বলেন, “পাল্টানোর দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো সংসদ, পুরো দেশ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। হুগলি এবং বন্দেমাতরমের সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়, এখানেই ঋষি বঙ্কিমজি বন্দেমাতরমকে পূর্ণতা দিয়েছেন।”

    কর্তব্যপথে নেতাজি

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারই দিল্লিতে কর্তব্যপথে ইন্ডিয়া গেটের সামনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসিয়েছে। প্রথমবার লালকেল্লা থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানকে স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)। আন্দামান নিকোবরে নেতাজির নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে। আগে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচি ২৪-২৫ তারিখ থেকে শুরু হত। শেষ হত ৩০ তারিখে। আমরা তা বদলে দিয়েছি। এখন ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষবাবুর জন্মজয়ন্তী থেকে শুরু করেছি। মহাত্মা গান্ধীর পূণ্যতিথিতে তা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর পরেই তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পাচ্ছেন না রাজ্যের মানুষ। এজন্য তৃণমূল সরকার দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও লাভ হয় না। জেলেদের জন্য কেন্দ্রীয় যোজনায় বাংলার জেলেদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “জেলেরা বঞ্চিত (Singur Meeting) হচ্ছেন। যুব সমাজের সঙ্গে ছেলেখেলা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার (PM Modi)।”

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশ, সর্বত্রই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন একটা অবস্থায় পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। গত কয়েক দশক ধরে গভীর ও উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জেরে বিশ্ব এই হামলাগুলির প্রকৃত ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা উপেক্ষা করে এসেছে (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছেন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষ।

    মানবাধিকার সঙ্কট (Hindus Under Attack)

    ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু ঘটনার একটি ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই গুরুতর মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। মাদ্রাজ হাই কোর্ট তিরুপ্পারনকুন্দ্রমে অবস্থিত অরুলমিগু সুব্রহ্মণ্য স্বামী মন্দিরের নির্বাহী আধিকারিককে কড়া প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষিত জমিতে একটি দরগার পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। আদালতের মন্তব্য, এই কাজটি ফৌজদারি অনধিকার প্রবেশের শামিল।

    অধ্যাপকের অভিযোগ

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক রচনা কৌশল প্রায় তিন দশক ধরে চলা ধর্মীয় বৈষম্য ও মানসিক হয়রানির গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক নিপীড়নের ফলে এমন এক শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার কারণে ২০০৪ সালে যমজ সন্তানের গর্ভধারণের সময় তাঁর গর্ভপাত ঘটে। এএমইউয়ের উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া অডিও রেকর্ডিং ও নথিপত্রের ভিত্তিতে করা এই অভিযোগ একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার মারাত্মক লঙ্ঘন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানির চিত্র তুলে ধরে (Hindus Under Attack)।

    রাম’ শব্দে বিতর্ক

    ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলায় সরকারি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার একটি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ঘিরে ৮ জানুয়ারি বিক্ষোভ ছড়িয়ে (Roundup Week) পড়ে। প্রশ্নে একটি কুকুরের নাম হিসেবে বিকল্পের মধ্যে ‘রাম’ শব্দটি অন্তর্ভুক্ত থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ৭ জানুয়ারির পরীক্ষায় প্রশ্নটি ছিল—‘মোনার কুকুরের নাম কী?’ বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয়েছিল ‘বালা’, ‘শেরু’, ‘নো ওয়ান’ এবং ‘রাম’। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক সিটির হুলিমাঙ্গলা এলাকায় এক উদ্বেগজনক ঘটনার সাক্ষী হল শহরটি। অবৈধ ইসলামি বসতি উচ্ছেদ অভিযানের সময় এক ইসলামপন্থী মহিলা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, জেসিবি মেশিন দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে হেব্বাগোডি থানার পুলিশ ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় (Hindus Under Attack)।

    পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব

    দিল্লির তুর্কমান গেট এলাকায় ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের কাছে পুরনিগমের উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘটিত হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ ইমরানকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Roundup Week)। পাকিস্তানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে হিন্দু সংখ্যালঘু নাবালিকা মেয়েদের অপহরণ, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও বিয়ে একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু সিন্ধ প্রদেশেই প্রতি বছর অন্তত ১,০০০ সংখ্যালঘু মেয়ে এ ধরনের যৌন দাসত্বের শিকার হয়। এছাড়াও পাকিস্তানের হিন্দুরা প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত বৈষম্য এবং অবহেলার মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে হিন্দু মন্দিরে ঘনঘন হামলা, শিক্ষাক্রমে হিন্দুবিদ্বেষী উপস্থাপন, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব, মৌলিক অধিকার অস্বীকার এবং এমনকি অস্পৃশ্যতার মতো সামাজিক বৈষম্য। পাকিস্তানে ভিল (Bheel) সম্প্রদায়ের মহিলাকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সাম্প্রতিক ঘটনাটি পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুদের করুণ অবস্থার আর একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।

    প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত

    পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে প্রভাবশালী এক জমিদারের গুলিতে কাইলাস কোলহি নামে এক প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড সংখ্যালঘু গোষ্ঠী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গ্রামীণ সিন্ধে সামন্ততান্ত্রিক হিংসা, সংখ্যালঘু অধিকার ও বিচারহীনতার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি আবারও সামনে এসেছে। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে পদক্ষেপ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের সুরক্ষার দাবিতে সড়ক ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত এবং পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণহামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য, এইসব পদ্ধতি ব্যবহার করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

    দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত

    বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এক মসজিদের ইমাম ইয়াসিন আরাফতকে গ্রেফতার করেছে। এই গ্রেফতারিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ঘটনাটি বাংলাদেশ-সহ আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং ভারত থেকেও কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছিল। শরীয়তপুর জেলায় সংঘটিত এক নৃশংস হামলায় জখম হয়ে বছর পঞ্চাশের ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে খবর। তিনি ডামুড্যা উপজেলার তিলই গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি ওষুধের দোকান ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মালিক ছিলেন। ৩১ ডিসেম্বর রাতে কেওড়ভাঙা বাজারের কাছে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয় (Roundup Week)।

    হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ড

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে এক হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ডে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা জয় মহাপাত্রকে স্থানীয় এক ব্যক্তি মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং পরে বিষ প্রয়োগ করে বলে পরিবারের অভিযোগ। তাঁকে সিলেটের এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (Hindus Under Attack)। উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশের এক ঘটনায় চুরির অভিযোগে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে একজন। এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসার আর একটি উদাহরণ। পাবনা জেলার প্রখ্যাত হিন্দু সংগীতশিল্পী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের প্রবীণ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে হিন্দুবিদ্বেষ, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেতরে প্রোথিত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্য ও স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও জনপরিসরে হিন্দুবিদ্বেষের আর একটি সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Roundup Week)। এই সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না বিদ্যমান আইন ও তার প্রয়োগের ধরন এবং সামগ্রিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে বাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তার একটি ভালো উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি দূষণ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ এবং এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে সুসংগত যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে সংশ্লিষ্ট দ্বৈত মানদণ্ডই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Donald Trump: আট ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: আট ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছের বিরোধিতা করায় এবার আটটি ইউরোপীয় দেশের (European Countries) বিরুদ্ধে নতুন করে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। শনিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক-সহ সাতটি ইউরোপীয় দেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে গ্রিনল্যান্ড, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে কেনার বিষয়ে কোনও চুক্তি না হলে, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে সেই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।

    গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের ভূখণ্ডগত অধিকার (Donald Trump)

    ডেনমার্ক ছাড়াও যে সাতটি দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ করা হবে, সেগুলি হল নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড। এসব দেশ গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের ভূখণ্ডগত অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়েছে।ট্রাম্প বলেন, “২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ওই সব দেশ ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা

    ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে এসব দেশ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলিকে তিনি বিপজ্জনক বলে মনে করেন। জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক শান্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এর প্রতিক্রিয়ায়ই এই শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। ট্রাম্প ডেনমার্কের বিরুদ্ধে গ্রিনল্যান্ডের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, দেশটি মাত্র দুটি কুকুর-টানা স্লেজকে নিরাপত্তা হিসেবে ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, চিন ও রাশিয়া দ্বীপটির জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে উঠছে (Donald Trump)।

    গ্রিনল্যান্ড সফর

    ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডকে লক্ষ্য করে ট্রাম্প দাবি করেন (European Countries), এসব দেশের সাম্প্রতিক গ্রিনল্যান্ড সফর আমাদের গ্রহের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তিনি এও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র গত ১৫০ বছর ধরে গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টা করে আসছে। বহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন, কিন্তু প্রতিবারই ডেনমার্ক তা প্রত্যাখ্যান করেছে।” ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে কোনও শুল্ক আরোপ না করেই এসব দেশকে ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম’ নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতার সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়টি যুক্ত করেন এবং বলেন, “সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচির আওতায় গ্রিনল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি (European Countries)।”

    কী বললেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেন, “এখন গোল্ডেন ডোম এবং আধুনিক যুগের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রব্যবস্থার কারণে অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ‘দ্য ডোম’-সংক্রান্ত নিরাপত্তা কর্মসূচিতে শত শত বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে, যার মধ্যে কানাডার সম্ভাব্য সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত। এই অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত কিন্তু জটিল ব্যবস্থা কোণ, পরিমাপ ও সীমানার কারণে কেবল তখনই সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও দক্ষতায় কাজ করতে পারে, যখন এই ভূখণ্ড এর অন্তর্ভুক্ত হয় (Donald Trump)।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “ডেনমার্ক এবং অথবা সংশ্লিষ্ট যে কোনও দেশের সঙ্গে এই বিষয়ে অবিলম্বে আলোচনায় বসতে আমেরিকা প্রস্তুত।” তাঁর অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক দশক ধরে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দান-সহ যা কিছু করেছে, তা সত্ত্বেও এসব দেশ অনেক কিছু ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে (European Countries)।

     

  • Odisha: ওড়িশার রেডহাখোল-এ ১০,০০০ বছরের প্রাচীন জনপদের হদিশ, প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে নেমেছে এএসআই

    Odisha: ওড়িশার রেডহাখোল-এ ১০,০০০ বছরের প্রাচীন জনপদের হদিশ, প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে নেমেছে এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) সম্বলপুর জেলার রেডহাখোলে মাটির নীচে চাপা পড়ে থাকা প্রায় ১০,০০০ বছরের পুরনো (10000 Year Old City) এক প্রাচীন মানব বসতির সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কারের গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (ASI) ইতিমধ্যে বিশেষ অনুসন্ধান শুরু করেছে। সুপ্রাচীন কালের পাথরের খোদাই করা নিদর্শন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উদ্ধার হয়েছে। এই বিরাট ধ্বংসাবশেষের সঠিক উৎস ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য নির্ধারণের জন্য গত বৃহস্পতিবার থেকে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগ এএসআই একটি বিস্তৃত সমীক্ষা অভিযান শুরু করেছে।

    আগামী প্রায় দু’মাস ধরে চলবে অনুসন্ধান (Odisha)

    সম্বলপুরের রাইরাখোল (Odisha) এলাকার ভীমা মণ্ডলী, রাইলা, ল্যান্ডিমাল এবং লোহাপানকা পঞ্চায়েত-সহ ছাতাডগা ও ব্রহ্মাণীর সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মোট ৪২টি স্থানে প্রাগৈতিহাসিক শৈলচিত্র ও প্রত্নবস্তুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই পাথুরে খোদাইগুলিতে মূলত বিভিন্ন পশুপাখির প্রতিকৃতি ফুটে উঠেছে, যা আদিম মানুষের শৈল্পিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ বলে অনুমান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শিল্পকর্মগুলি অন্তত ১০,০০০ বছরের পুরোনো (10000 Year Old City)।

    এই আবিষ্কারগুলি নিয়ে নিবিড় গবেষণার লক্ষ্যে এএসআই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে ঐতিহাসিক ‘ভীমা মণ্ডলী’ গুহায় কাজ শুরু করেছে। একটি বিশেষজ্ঞ দল আগামী প্রায় দুই মাস এখানে থেকে নিবিড় সমীক্ষা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে।

    ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করবে

    এই সমীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন এএসআইয়ের সুপারিনটেন্ডিং আর্কিওলজিস্ট ডিবি গড়নায়ক এবং তাঁর ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। প্রাচীন এই ঐতিহ্যের সঠিক সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

    ডিবি গড়নায়ক বলেছেন, “আমরা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই জরিপ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। এএসআই পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিবদ্ধ করবে। এই অনুসন্ধান সফল হলে অঞ্চলটি বিশ্ব মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে। প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলি পাহাড় ও বনাঞ্চল-সহ (Odisha) একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।” এ প্রসঙ্গে তিনি এও বলেন, “সমীক্ষাটি (10000 Year Old City) শেষ হতে ঠিক কতদিন সময় লাগবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়, তবে কাজ শেষ হতে অন্তত দু’মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।”

  • Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হলুদ মটরের ওপর ৩০% শুল্ক আরোপের পর, মার্কিন সেনেটররা তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার ডাল চাষিদের পক্ষে আলোচনার জন্য চিঠি লিখেছেন। ১৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) লেখা একটি চিঠিতে, সেনেটর কেভিন ক্র্যামার এবং স্টিভ ডেইনস তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে (PM Modi) মার্কিন সরকার স্বাক্ষরিত যে কোনও চুক্তিতে ডাল ফসলের ক্ষেত্রে শুল্কের বিষয়ে যেন গঠনমূলক আলোচনা হয়।”

    বিশ্বের মোট ডালের ২৭% আমদানি করে ভারত (Donald Trump)

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, “উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানা হল ডাল ফসলের সবচেয়ে বেশি উৎপাদক কেন্দ্র। আর এই ডালে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা হয়েছে বিশ্বের মোট ডালের ২৭% এরও বেশি ব্যবহার করে ভারত। তবে ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের উপর ৩০% শুল্ক আরোপ করবে। এই শুল্ক ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ফলে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    ক্র্যামার এবং ডেইনস আরও অনুরোধ করেন, “ট্রাম্পের (Donald Trump) উচিত ডাল ফসলের শুল্কের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) সঙ্গে আলোচনা করা, যাতে মার্কিন কৃষকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৩ সালে, ভারত মার্কিন ডালের ওপর কিছু ছাড় দিয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক সেই সুবিধা বাতিল করে দিয়েছে এবং মার্কিন ফসলের ওপর ভারতের শুল্ক মার্কিন কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

    সেনেটরদের চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের ১ নভেম্বরে শুল্ক আরোপ করার কারণ হল ২০২৫ সালের অগাস্টে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ফলে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হল ভারতের পাল্টা শুল্ক আরোপ।

    মার্কিন মটরের ওপর ভারতের ৩০% সংশোধনমূলক শুল্ক দেশীয় সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গেলেও। সেনেটরদের এই চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা কতটা প্রয়োজন তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের (Donald Trump) আরোপিত অন্যায্য শুল্কের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মার্কিন কৃষকরা যে চাপের মুখে ফেলেছেন তা আরও একবার প্রমাণিত।

  • Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে এবার এক হিন্দু ব্যক্তিকে গাড়িতে পিষে হত্যা করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানির দাম না দিয়ে চলে যাচ্ছিল একটি গাড়ি। চলন্ত গাড়িকে আটকাতে গেলে চাপা দেওয়া হয় হিন্দু যুবককে (Hindu Man Death)। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি, ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ী জেলায়। এই ঘটনায় আরও একবার প্রমাণ হল বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindu Man Death) কীভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে হিন্দু নিধন ততই মারাত্মক হচ্ছে।

    ঘটনা ঘটেছে ভোর ৪:৩০ নাগাদ (Hindu Man Death)

    পুলিশ কর্তাদের বক্তব্যের সূত্রে শনিবার দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম রিপন সাহা। তিনি ছিলেন পেট্রোল পাম্পের কর্মী। ঘটনার সময় তিনি গোয়ালন্দ মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। রাজবাড়ী সদর থানার ওসি খোন্দকার জিয়াউর রহমানকে উদ্ধৃত করে নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ ২৪.কম-কে বলেছে, “আমরা খুনের মামলা (Hindu Man Death) দায়ের করব। পেট্রোলের জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করে প্রথমে। এরপর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আটকাতে যায় রিপন সাহা। তখনই তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।” প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার ভোর ৪:৩০ নাগাদ একটি কালো এসইউভি ফিলিং স্টেশনে আসে এবং প্রায় ৫,০০০ টাকা মূল্যের জ্বালানি নিয়ে যায়। চালক যখন টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন রিপন গাড়িটি আটকানোর চেষ্টা করেন। গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাকায় পিষে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু রিপনের (Hindu Man Death)। পরে অবশ্য পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং মালিক আবুল হাসেম ওরফে সুজন (৫৫) এবং তার চালক কামাল হোসেন (৪৩)-কে গ্রেফতার করেছে।

    ৭.৯৫% হিন্দু বাংলাদেশে

    ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Man Death) জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫%। জানুয়ারি মাসের শুরুতে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (BHBCUC) এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছিল যে সাধারণ নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা ততইতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পরিকল্পিত আতঙ্ক

    ফোরামের অভিযোগ, সংখ্যালঘু ভোটারদের তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার জন্যই হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল জানিয়েছে যে তারা শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই ৫১টি সাম্প্রদায়িক হিংসার (Hindu Man Death)  ঘটনা রেকর্ড করেছে।

    ১> ২ ডিসেম্বর নরসিংদীর একটি স্কুল মাঠে দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারান বছর বিয়াল্লিশের এক জুয়েলারি, যার নাম প্রান্তোষ সরকার (Hindu Man Death)।

    ২> ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ শহরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী এক পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জনতা। এরপর তার দেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    ৩> ২৪শে ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরের পাংশা উপজেলায় তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

    ৪> ৩১ ডিসেম্বর রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ৫০ বছর বয়সী খোকন চন্দ্র দাসকে দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে আক্রমণ করে, কুপিয়ে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। তিন দিন পর ৩ জানুয়ারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৫> ৫ জানুয়ারি রাতে পলাশ উপজেলার চরসিন্ধুর বাজারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ৪০ বছর বয়সী মুদি দোকানের মালিক মনি চক্রবর্তীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ৬> ৩৮ বছর বয়সী বরফ তৈরির কারখানার মালিক রানা প্রতাপ বৈরাগী, যিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত “দৈনিক বিডি খবর” নামে একটি সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকও ছিলেন, ৫ জানুয়ারি খুন হন। যশোর জেলায় দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    ৭> ৬ জানুয়ারি নওগাঁ জেলায় চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত জনতার হাত থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে বছর পঁচিশের এক যুবক।

    ৮> ৭ ডিসেম্বর রংপুরের তারাগঞ্জ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এবং অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে (Hindu Man Death) হত্যা করা হয়। তাদের বাড়ির রান্নাঘরের মেঝেতে তাঁদের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।

  • Al Falah University: ভুয়ো রোগী, কাগজে কলমে ডাক্তার! আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরক তথ্য

    Al Falah University: ভুয়ো রোগী, কাগজে কলমে ডাক্তার! আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরক তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লা (Delhi Red Fort Blast) এলাকায় বিস্ফোরণের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এসেছে হরিয়ানার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই সম্পত্তি এখন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী এবং তাঁর দাতব্য ট্রাস্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ধারা ৫০ এর জবানবন্দিতে স্বীকার (Al Falah University)

    ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের ন্যাক শো-কজ নোটিশের পরে ইউজসি ১২বি স্বীকৃতি এবং ন্যাক সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্য সমানে এসেছে। ইডির কাছে ধারা ৫০ এর জবানবন্দিতে স্বীকার করা হয়েছে, কাগজ কলমে কেবল ডাক্তার ছিলেন, রেকর্ড অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের (Al Falah University) বেতনভুক্ত, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা নিয়মিত কলেজে যেতেন না, ক্লাস নেন না বা হাসপাতালে রোগীদের সেবা দেন না। ভুয়ো ডাক্তার নিয়োগের তথ্য দিয়ে সিদ্দিকী এবং আল ফালাহ হরিয়ানা সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জোগাড় করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেটিই পিজি কোর্সের জন্য এনএমসি অনুমতির জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।

    ন্যাক এবং ইউজিসি স্বীকৃতি বিভ্রান্তিকর

    তদন্তকারী সংস্থা ইডি নভেম্বর মাসে সিদ্দিকীকে তাঁর ট্রাস্ট পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল। আল ফালাহ ট্রাস্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানের (Al Falah University) বিরুদ্ধে ভুয়া রোগী ভর্তি, জাতীয় মূল্যায়ন, স্বীকৃতি কাউন্সিল ন্যাক এবং ইউজিসি স্বীকৃতির বিভ্রান্তিকর অভিযোগ রয়েছে।

    আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) প্রধান অভিযুক্ত উমর উন নবী এবং অন্য অভিযুক্ত ডাক্তারদের নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ডক্টর জামিল খানের সুপারিশে হয়েছিল এবং অবশেষে চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী কর্তৃকও অনুমোদিত হয়েছিল। আল ফালাহর আইটি বিভাগের একজন কর্মকর্তা ফারদিন বেগের বক্তব্য উল্লেখ  করে বলা হয়েছে মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ভুয়ো রোগী ভর্তি করার চক্র চলত।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে ভুয়ো রোগীদের বিস্তারিত রেকর্ড এবং অর্থপ্রদানের বিবরণ আল ফালাহর জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরান আলমই করতেন। চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী নিজেই যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিতেন। তাছাড়া, নিয়মিত অনুশীলনের অংশ হিসেবে ভুয়ো রোগীদের ভাউচারের বিপরীতে নগদ অর্থ প্রদান করার তথ্যও পাওয়া গিয়েছে।

    ইডি আরও বলেছে, আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর মেডিকেল কলেজের ওয়েবসাইট আপডেটগুলি জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশ অনুসারেই বেসরকারি বিক্রেতা দ্বারা পরিচালিত হত।

  • Ramakrishna 560: “ঠাকুর নববস্ত্র পরিধান করিয়াছেন—বৃন্দাবনী কাপড় ও গায়ে লাল চেলী”

    Ramakrishna 560: “ঠাকুর নববস্ত্র পরিধান করিয়াছেন—বৃন্দাবনী কাপড় ও গায়ে লাল চেলী”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

    জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    বলরাম, মাস্টার, গোপালের মা, রাখাল, লাটু, ছোট নরেন, পাঞ্জাবী সাধু, নবগোপাল, কাটোয়ার বৈষ্ণব, রাখাল ডাক্তার

    আজ জন্মাষ্টমী, মঙ্গলবার। ১৭ই ভাদ্র; ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫। ঠাকুর স্নান করিবেন। একটি ভক্ত তেল মাখাইয়া দিতেছেন। ঠাকুর দক্ষিণের বারান্দায় বসিয়া তেল মাখিতেছেন। মাস্টার গঙ্গাস্নান করিয়া আসিয়া ঠাকুরকে (Ramakrishna) প্রণাম করিলেন।

    স্নানান্তে ঠাকুর গামছা পরিয়া দক্ষিণাস্য হইয়া সেই বারান্দা হইতেই ঠাকুরদের উদ্দেশ করিয়া প্রণাম করিতেছেন। শরীর অসুস্থ বলিয়া কালীঘরে বা বিষ্ণুঘরে যাইতে পারিলেন না।

    আজ জন্মাষ্টমী—রামাদি ভক্তেরা ঠাকুরের জন্য নববস্ত্র আনিয়াছেন। ঠাকুর নববস্ত্র পরিধান করিয়াছেন—বৃন্দাবনী কাপড় ও গায়ে লাল চেলী। তাঁহার শুদ্ধ অপাপবিদ্ধ দেহ নববস্ত্রে শোভা পাইতে লাগিল। বস্ত্র পরিধান করিয়াই তিনি ঠাকুরদের প্রণাম করিলেন (Kathamrita)।

    আজ জন্মাষ্টমী। গোপালের মা গোপালের জন্য কিছু খাবার করিয়া কামারহাটি হইতে আনিয়াছেন। তিনি আসিয়া ঠাকুরকে দুঃখ করিতে করিতে বলিতেছেন, “তুমি তো খাবে না।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এই দেখো, অসুখ হয়েছে।

    গোপালের মা—আমার অদৃষ্ট!—একটু হাতে করো!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি আশীর্বাদ করো।

    গোপালের মা ঠাকুরকেই গোপাল বলিয়া সেবা করিতেন।

    ভক্তেরা মিছরি আনিয়াছেন। গোপালের মা বলিতেছেন (Kathamrita), “এ মিছরি নবতে নিয়ে যাই।” শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, “এখানে ভক্তদের দিতে হয়। কে একশ বার চাইবে, এখানেই থাক।”

    বেলা এগারটা। কলিকাতা হইতে ভক্তেরা ক্রমে ক্রমে আসিতেছেন। শ্রীযুক্ত বলরাম, নরেন্দ্র, ছোট নরেন, নবগোপাল, কাটোয়া হইতে একটি বৈষ্ণব, ক্রমে ক্রমে আসিয়া জুটিলেন। রাখাল, লাটু আজকাল থাকেন। একটি পাঞ্জাবী সাধু পঞ্চবটীতে কয়দিন রহিয়াছেন।

    ছোট নরেনের কপালে একটি আব আছে। ঠাকুর পঞ্চবটীতে বেড়াইতে বেড়াইতে বলিতেছেন, ‘তুই আবটা কাট না, ও তো গলায় নয়—মাথায়। ওতে আর কি হবে—লোকে একশিরা-কাটাচ্ছে।” (হাস্য)

    পাঞ্জাবী সাধুটি উদ্যানের পথ দিয়া যাইতেছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, “আমি ওকে টানি না। জ্ঞানীর ভাব। দেখি যেন শুকনো কাঠ!”

    ঘরে ঠাকুর ফিরিয়াছেন। শ্যামাপদ ভট্টাচার্যের কথা হইতেছে।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং মাওবাদী সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে এক সংঘর্ষে অন্তত দুই মাওবাদী (Two Maoists Kill) নিহত হয়েছে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ভোরে বিজাপুর জেলার ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় মাওবাদীদের উপস্থিতিতে নির্দিষ্ট গোপন খবরের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী একটি যৌথ অভিযান শুরু করলে সশস্ত্র সংঘর্ষে শুরু হয়। এরপর পরস্পর গুলি বিনিময়ে দুই মাওবাদীর মৃত্যু হয়।

    মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে (Chhattisgarh)

    স্থানীয় প্রতিবেদন সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত দুই মাওবাদীর (Two Maoists Kill) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনকাউন্টার স্থলে এখনও মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে এই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের কথা আরও জানা যাবে বলে অপেক্ষা করা হচ্ছে।

    ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সশস্ত্র মাওবাদী ক্যাডারদের নির্মূল করার লক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান পুরোদমে চলছে। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া বিদ্রোহ-বিরোধী অভিযানগুলোর ফলে মাওবাদী সংগঠনের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছে। কোটি কোটি টাকার মাথার দামে অভিযুক্ত বহু শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের খতম করা হয়েছে। আবার বহু মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করে মূল ধারায় ফিরে এসেছেন।

    বস্তার (Chhattisgarh) অঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই জোরালো অভিযানের ফলে বিপুল সংখ্যক মাওবাদী সদস্য আত্মসমর্পণও করেছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই রাজ্যে ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করেছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী বিদ্রোহ সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঘোষণা করেছে।

  • Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistani Drugs) নয়, আফগানিস্তানের মেডিসিন বাজারে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের (Indian Medicines)। এক আফগান ব্লগার যিনি এক্স হ্যান্ডেলে ফজল আফগান নামে পরিচিত, আফগানিস্তানে ওষুধ কেনার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন। তিনি জানান, তিনি যখন প্যারল কিনতে যাচ্ছিলেন (এটি পাকিস্তান ও তুরস্কে প্রচলিত একটি প্যারাসিটামল ব্র্যান্ড), তখন ফার্মাসিস্ট তাঁকে জানান, একই ধরনের ওষুধ একটি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া যাবে, যার দাম অন্তত চার গুণ কম।

    ভারতীয় ওষুধের গুণাবলী (Indian Medicines)

    ফজল প্রথমে তুরস্কে তৈরি প্যারাসিটামলই চাইছিলেন, কারণ তিনি এর মানের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি লেখেন, “১০টি ট্যাবলেটের একটি প্যাকেটের দাম ৪০ আফগানি। এরপর দোকানদার আমাকে আর একটি বিকল্প দেখালেন, ভারতে তৈরি প্যারাসিটামল। পরিমাণ একই, কিন্তু দাম মাত্র ১০ আফগানি। তিনি আরও বললেন, ভারতীয় ওষুধ নাকি অন্যগুলোর তুলনায় ভালো কাজ করে।” দাম কম হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় ট্যাবলেটটি কিনে নেন এবং লেখেন, সেটি খুব দ্রুত তাঁর মাথাব্যথা সারিয়ে দিয়েছে। এরপরেই তিনি মন্তব্য করেন, “ভারতীয় ওষুধ ধীরে (Pakistani Drugs) ধীরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানি ওষুধের জায়গা নিচ্ছে (Indian Medicines)।” দুই দেশের মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষের পর আফগান ওষুধ বাজারে পাকিস্তানের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। যদিও ২০২৪ সাল থেকেই এই অংশ কমছিল, তবে ২০২৫ সালের অক্টোবর–নভেম্বরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বরাদর পাকিস্তানি ওষুধের নিম্নমানের অভিযোগ তুলে তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ভারত, ইরান ও মধ্য এশিয়া থেকে বিকল্প উৎস খোঁজার আহ্বান জানান।

    আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি

    একই সময়ে আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত কাবুলে ১০.৮ কোটি ডলারের ওষুধ পাঠিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাকি সময়জুড়ে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলারের ওষুধ রফতানি করা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যখাত দুর্বল থাকায় আফগানিস্তান চিরকালই মৌলিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল (Indian Medicines)। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে পর্যন্ত পাকিস্তানই ছিল আফগানিস্তানের প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী দেশ (Pakistani Drugs)। ভৌগোলিক নৈকট্য এবং তোরখাম ও চামান সীমান্ত দিয়ে স্বল্প খরচে স্থলপথে পরিবহণের সুবিধা পাকিস্তানকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তানে ওষুধ উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। দেশটি তার মোট চাহিদার ৮৫ থেকে ৯৬ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে।

    রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য

    ট্রেডিং ইকোনমিকসের মাধ্যমে প্রাপ্ত রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আফগানিস্তানে ১৮.৬  কোটি ডলার মূল্যের ওষুধ রফতানি করে। বিজনেস রেকর্ডারের হিসেবে, ২০২৩ সালে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১.২৮ কোটি মার্কিন ডলার (Indian Medicines)। তালিবান প্রশাসনের তরফে নুরুল্লাহ নুরি জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে আফগানিস্তানে ব্যবহৃত ওষুধের ৭০ শতাংশেরও বেশি পাকিস্তান থেকে আসত (Pakistani Drugs)। এই নির্ভরতা বহু দশকের পুরোনো। ২০০১ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিকাঠামো, মান নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং পরীক্ষাগারের সঙ্কট পাকিস্তানি আমদানিকে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী বিকল্প করে তুলেছিল। তবে একাধিক সীমান্ত সংঘর্ষের পর গত বছর আফগান ব্যবসায়ীদের জন্য তোরখাম ও চামান সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তালিবান সরকার পাকিস্তানি ওষুধের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে দেশে ওষুধের বিরাট সঙ্কট দেখা দেয়। ডয়চে ভেলের (DW) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। অনেক ফার্মাসিস্ট অতিরিক্ত দাম নেয় কিংবা নকল ওষুধ বিক্রি করে।

    আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে, যখন আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট প্রকট হতে শুরু করে, তখন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঘোষণা করেন যে, ৭৩ টন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিমানযোগে কাবুলে পাঠানো হচ্ছে। এটি আফগানিস্তানে ভারতের প্রথম চিকিৎসা সহায়তা নয়। গত বছরের এপ্রিলে ভারত জলাতঙ্ক ও হেপাটাইটিস-বি রোগের টিকা, ছ’টি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম-সজ্জিত অ্যাম্বুল্যান্স এবং একটি আধুনিক ১২৮-স্লাইস সিটি স্ক্যানার পাঠিয়েছিল (Indian Medicines)। এরও আগে, ২০২২ সালে আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভারত পাঠিয়েছিল ১৩ টন চিকিৎসা সামগ্রী, যার মধ্যে ছিল পাঁচ লক্ষ কোভিড টিকাও। ভারতের সহায়তা শুধু জরুরি ওষুধ পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গত চার বছরে ভারত ৩২৭ টন চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে এবং পাকতিয়া, খোস্ত ও পাকতিকায় পাঁচটি মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কাবুলে একটি ৩০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

    ওষুধ রফতানির পরিমাণ

    এছাড়া কাবুলে একটি অঙ্কোলজি সেন্টার, ট্রমা সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও থ্যালাসেমিয়া সেন্টার নির্মাণ ও আধুনিকীকরণের কাজও হাতে নেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের রেডিওথেরাপি মেশিন ও অতিরিক্ত চিকিৎসা সামগ্রীর অনুরোধও বিবেচনাধীন (Pakistani Drugs)। ভারত-আফগান সম্পর্কের এই উন্নতি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আফগান জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলভি নুর জালাল জালালির বৈঠকের পর। ভারত শীঘ্রই প্রবীণ ভারতীয় চিকিৎসকদের একটি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যারা আফগানিস্তানে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালাবে এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবে। গত বছরের জুনে আয়োজিত এক মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৭৫ জন আফগান রোগীর শরীরে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে ভারতীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ৪০০ শয্যার ইন্দিরা গান্ধী শিশু হাসপাতাল আজও চালু রয়েছে, যেখানে আফগানিস্তানের প্রথম সেরিব্রাল পালসি কেন্দ্র রয়েছে (Indian Medicines)।  বর্তমানে আফগানিস্তানে ভারতের ওষুধ রফতানির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ওষুধ বাজারের ১২–১৫ শতাংশ দখল করেছে। আগে যেখানে পাকিস্তানের অংশ ছিল ৩৫–৪০ শতাংশ।

    পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারত ভবিষ্যতে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ওষুধ রফতানি করতে পারে। ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলি শুধু বিক্রি করেই থেমে নেই। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দুবাইয়ে ভারতীয় সংস্থা জাইডাস লাইফসায়েন্সেস আফগানিস্তানের রফিস ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মউ (MoU) সই করে। প্রথমে রফতানির ওপর জোর দেওয়া হলেও, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, আফগানিস্তানে জাইডাসের প্রতিনিধি দফতর এবং স্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে (Pakistani Drugs)। তালিবান কর্তারা আর এক ভারতীয় সংস্থা ফার্মেক্সিলের সঙ্গেও যৌথ বিনিয়োগ, উৎপাদন কেন্দ্র ও গবেষণাগার স্থাপন নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন (Indian Medicines)। সব মিলিয়ে, আফগান ব্লগারের তুর্কি ও পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের বদলে সস্তা ভারতীয় ব্যথানাশক বেছে নেওয়া আসলে আফগানিস্তানের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

     

LinkedIn
Share