Tag: Bengali news

Bengali news

  • Indian Railways: বিশ্বের বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক এখন ভারতে, প্রায় ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন

    Indian Railways: বিশ্বের বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক এখন ভারতে, প্রায় ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল মন্ত্রকের অধীনে থাকা ভারতীয় রেলওয়ে (Indian Railways) এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলের প্রায় ৯৯.২% ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক বিদ্যুচালিত হয়েছে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী “মিশন ১০০% বিদ্যুতায়ন” উদ্যোগটি দেশের পরিবহণ ব্যবস্থার মেরুদণ্ডটিকে ডিজেল-নির্ভর নেটওয়ার্ক থেকে একটি দ্রুত, কার্যকর এবং পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় আরও উন্নত মাধ্যমে রূপান্তরিত করেছে। আধুনিকীকরণের পাশাপাশি, এই প্রকল্প দূষণ কমায়, জ্বালানি সুরক্ষা জোরদার করে এবং দ্রুত, পরিবেশবান্ধব ও নির্ভরযোগ্য ট্রেন (Electrified Rail System) চলাচল নিশ্চিত করে। যোগাযোগের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন অবকাঠামো তৈরির লক্ষ্যই প্রধান বিষয়।

    এক শতাব্দীর বিদ্যুতায়ন: বম্বে থেকে দেশব্যাপী (Indian Railways)

    ভারতে বিদ্যুচালিত ট্রেনের (Indian Railways) যাত্রা শুরু হয় ১৯২৫ সালে, তখন বম্বে ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস এবং কুরলা হারবারের মধ্যে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়। স্বাধীনতার সময় পর্যন্ত এটি মাত্র ৩৮৮ রুট কিলোমিটার (RKM) ছিল। কয়েক দশক ধরে বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চললেও, গত দশকে এর গতি এখন দারুণ ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১.৪২ কিলোমিটার হারে বৈদ্যুতিককরণের কাজ হয়েছিল। কিন্তু, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই গতি প্রতিদিন ১৫ কিলোমিটারের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৯,৪২৭ রুট কিলোমিটার বৈদ্যুতিক (Electrified Rail System) প্রক্রিয়ার কাজ হয়েছে। যার মধ্যে ২০১৪ সাল থেকে ৪৬,৯০০ রুট কিমি যুক্ত হয়েছে।

    চূড়ান্ত ভাবে ইলেকট্রিক তার লাগানো

    ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মোট ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক প্রায় ৭০,০০১ রুট কিমি। এর মধ্যে, ২৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এখন সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুতায়িত হয়েছে, যেখানে আর কোনও কাজ বাকি নেই। শুধুমাত্র পাঁচটি রাজ্যে রাজস্থান, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, অসম এবং গোয়ায় সামান্য কিছু অংশ বৈদ্যুতিককরণের কাজ বাকি আছে। মোট নেটওয়ার্কের মাত্র ০.৮%  অর্থাৎ ৫৭৪ কিমি বাদ।রেলের এই মিশন ১০০% বিদ্যুতায়ন কয়েক দশকের বিনিয়োগ, পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তিগত গ্রহণের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই সঙ্গে, দ্রুত এবং আরও সংযুক্ত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে শক্তিশালী করে।

    বিশ্ব মানচিত্রে ভারতের অবস্থান

    রেল (Electrified Rail System) নেটওয়ার্কের ৯৯.২% বৈদ্যুতিককরণ করার মাধ্যমে ভারত এখন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রেল ব্যবস্থাগুলির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। বিশ্বেজুড়ে নানা দেশগুলির মধ্যে যেমন সুইৎজারল্যান্ড ১০০%, চিন ৮২%, স্পেন ৬৭%, জাপান ৬৪%, ফ্রান্স ৬০%, রাশিয়া ৫২%, এবং যুক্তরাজ্য ৩৯% -এর মতো আধুনিকীকরণ এবং টেকসই বৈদ্যুতিককরণের (Indian Railways) কাঠামো গড়ে তুলেছে।

    কেন বিদ্যুতায়ন গুরুত্বপূর্ণ: পরিচ্ছন্ন, দ্রুত, স্মার্ট

    পরিবেশ ও অর্থনীতির প্রেক্ষিতে ইলেকট্রিক (Electrified Rail System) ট্র্যাকশন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমায়, পরিচালনার খরচ হ্রাস করে এবং আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি সুরক্ষাকে জোরদার করে। ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ডিজেলের তুলনায় প্রায় ৭০% বেশি সাশ্রয়ী। ফলে যাত্রীরা দ্রুত, মসৃণ এবং অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা উপভোগ করেন এবং পণ্য পরিবহন (Indian Railways) আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে।

    সৌরশক্তির সংযুক্তি: ট্র্যাকগুলিতে আলো

    বৈদ্যুতিককরণের (Electrified Rail System) পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটছে ভারতীয় রেলে। ভারতীয় রেলের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০১৪ সালের ৩.৬৮ মেগাওয়াট থেকে বহু গুণ বেড়ে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ৮৯৮ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৬২৯ মেগাওয়াট (প্রায় ৭০%) সরাসরি ইলেকট্রিক ট্রেনের (Indian Railways) ট্র্যাকশন পাওয়ারে ব্যবহৃত হয়। দেশের ২,৬২৬টি স্টেশনে এখন সৌরবিদ্যুৎ ইনস্টল করা হয়েছে।

    আধুনিক নির্মাণ কৌশল

    প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ইলেকট্রিক (Indian Railways) প্রকল্পগুলিকে আরও দ্রুত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শ্রমনির্ভর পদ্ধতির পরিবর্তে এখন বেলনাকৃতি যান্ত্রিক ভিত্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্বয়ংক্রিয় ওয়্যারিং ট্রেন (Electrified Rail System) একই সঙ্গে ক্যাটেনারি এবং কন্ট্যাক্ট তারগুলি সুনির্দিষ্ট টেনশনে স্থাপন করে কাজ দ্রুত শেষ করতে এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে।

  • RBI: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাল আরবিআই, বাড়ছে দেশের সোনার ভান্ডার

    RBI: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাল আরবিআই, বাড়ছে দেশের সোনার ভান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো (US Treasury Bonds) হয়েছে, মার্কিন ট্রেজারি দফতরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষে আরবিআইয়ের কাছে থাকা মার্কিন বন্ডের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৯০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৪১.৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরে প্রায় ৫০.৭ বিলিয়ন ডলার কমেছে বিনিয়োগ। সার্বিকভাবে ২০২৫ সালে ভারত প্রায় ২১ শতাংশ মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ কমিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই সময়ের মধ্যেই ১০ বছরের মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৮ শতাংশে পৌঁছেছে (US Treasury Bonds)।

    মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ কমাল ভারত (RBI)

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ কমানোর পাশাপাশি সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সোনার ভান্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক (RBI)। বর্তমানে আরবিআইয়ের কাছে থাকা সোনার পরিমাণ প্রায় ৮৮০.১৮ মেট্রিক টন। ধারাবাহিকভাবে সোনা কিনে চলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে ভারতের মোট বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৭ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ১৩.৬ শতাংশই সোনা। গত বছর এই হার ছিল মাত্র ৯.৩ শতাংশ (US Treasury Bonds)। বিশেষজ্ঞদের মতে, আরবিআইয়ের এই সোনা কেনার প্রবণতা বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকগুলিতে চিন, ব্রাজিল ও সৌদি আরব-সহ একাধিক দেশ সোনায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। এর পেছনে সম্ভাব্য মার্কিন ডলারের অস্থিরতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মার্কিন ঋণ পরিষেবা খরচ নিয়ে উদ্বেগ কাজ করছে। অনুমান করা হচ্ছে, শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট সুদ পরিশোধের অঙ্ক ১০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    লক্ষ্য ডলার-নির্ভরতা কমানো

    অন্যদিকে, একই (RBI) সময়ে ব্রিটেন, বেলজিয়াম, জাপান, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) তাদের মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়েছে (US Treasury Bonds)। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই পদক্ষেপকে ডলারনির্ভরতা কমানো হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং এটি মূলত পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ ও পুনর্গঠনের কৌশল, যার মাধ্যমে ঝুঁকি কমিয়ে (RBI) দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে আরবিআই (US Treasury Bonds)।

  • Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অগস্ট
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে রাখাল, মাস্টার, পণ্ডিত শ্যামাপদ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    সমাধিমন্দিরে—পণ্ডিত শ্যামাপদের প্রতি কৃপা

    “শুধু শাস্ত্র পড়লে কি হবে? পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে।”

    পণ্ডিত — আমায় কেউ পণ্ডিত বললে ঘৃণা করে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইটি তাঁর কৃপা! পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে। কিন্তু কেউ দুধ শুনেছে, কেউ দুধ দেখেছে। সাক্ষাৎকারের পর সব নারায়ণ দেখবে — নারায়ণই সব হয়েছেন।

    পণ্ডিত নারায়ণের স্তব শুনাইতেছেন। ঠাকুর আনন্দে বিভোর।

    পণ্ডিত—সর্বভূতস্থমাত্মানং সর্বভূতানি চাত্মনি।
    ঈক্ষতে যোগযুক্তাত্মা সর্বত্র সমদর্শনঃ ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আপনার অধ্যাত্ম (রামায়ণ) দেখা আছে?

    পণ্ডিত—আজ্ঞে হাঁ, একটু দেখা আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওতে জ্ঞান-ভক্তি পরিপূর্ণ। শবরীর উপাখ্যান, অহল্যার স্তব, সব ভক্তিতে পরিপূর্ণ।

    “তবে একটি কথা আছে। তিনি বিষয়বুদ্ধি থেকে অনেক দূর।”

    পণ্ডিত—যেখানে বিষয়বুদ্ধি, তিনি ‘সুদূরম্‌’,—আর যেখানে তা নাই, সেখানে তিনি ‘অদূরম্‌’। উত্তরপাড়ার এক জমিদার মুখুজ্জেকে দেখে এলাম বয়স হয়েছে—কেবল নভেলের গল্প শুনছেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অধ্যাত্মে আর একটি বলেছে যে, তিনিই জীবজগৎ!

    পণ্ডিত আনন্দিত হইয়া যমলার্জ্জুনের এই ভাবের স্তব শ্রীমদ্‌ভাগবত দশম স্কন্ধ হইতে আবৃত্তি করিতেছেন —

    কৃষ্ণ কৃষ্ণ মহাযোগিংস্ত্বমাদ্যঃ পুরুষঃ পরঃ।
    ব্যক্তাব্যক্তমিদং বিশ্বং রূপং তে ব্রাহ্মণা বিদুঃ  ॥
    ত্বমেকঃ সর্বভূতানাং দেহস্বাত্মেনিদ্রয়েশ্বরঃ।
    ত্বমেব কালো ভগবান্‌ বিষ্ণুরব্যয় ঈশ্বরঃ ॥
    ত্বং মহান্‌ প্রকৃতিঃ সূক্ষ্মা রজঃসত্ত্বতমোময়ী।
    ত্বমেব পুরুষোঽধ্যক্ষঃ সর্বক্ষেত্রবিকারবিৎ  ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ — ‘আন্তরিক ধ্যান-জপ করলে আসতেই হবে’ 

    ঠাকুর স্তব শুনিয়া সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়াছেন। পণ্ডিত বসিয়া। পণ্ডিতের কোলে ও বক্ষে একটি চরণ রাখিয়া ঠাকুর (Kathamrita) হাসিতেছেন।

    পণ্ডিত চরণ ধারণ করিয়া বলিতেছেন, ‘গুরো চৈতন্যং দেহি।’ ঠাকুর ছোট তক্তার কাছে পূর্বাস্য হইয়া দাঁড়াইয়াছেন।

    পণ্ডিত ঘর হইতে চলিয়া গেলে ঠাকুর মাস্টারকে বলিতেছেন, আমি যা বলি মিলছে? যারা আন্তরিক ধ্যান-জপ করেছে তাদের এখানে আসতেই হবে।

    রাত দশটা হইল। ঠাকুর একটু সামান্য সুজির পায়স খাইয়া শয়ন করিয়াছেন।

    মণিকে বলিতেছেন, “পায়ে হাতটা বুলিয়ে দাও তো।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে গায়ে ও বক্ষঃস্থলে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন।

    সামান্য নিদ্রার পর মণিকে বলিতেছেন, “তুমি শোওগে; — দেখি একলা থাকলে যদি ঘুম হয়।” ঠাকুর রামলালকে বলিতেছেন (Kathamrita), “ঘরের ভিতরে ইনি (মণি) আর রাখাল শুলে হয়।”

  • I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক (I-Pac) অভিযানে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লির সদর দফতরে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নথি, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিক্স ছিনতাই করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল বিশদে জানতে চেয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, বিবরণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে ইডি।

    কপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে (I-Pac)

    রাজ্যে কয়লা পাচার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের (I-Pac) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর দিল্লির ইডির (Enforcement Directorate) সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরেও রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে।

    ১২ টা ০৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যান মমতা

    ঘটনার দিনের বিবরণ ইতিমধ্যেই একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তা মামলার নথিতে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি আর্থিক মামলায় পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির ১০টি জায়গায় তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাল্লাশি অভিযান চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই তারা আদালতে জানিয়েছে, প্রতীকের (I-Pac) বাড়িতে তল্লাশির সময় একাধিক ডিজিটাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১ টা নাগাদ কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসি প্রিয়ব্রত রায় লাউডন ষ্ট্রিটের ওই বাড়িতে যান। পুলিশ কর্তার অবশ্য দাবি, ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পরে অবশ্য ইডির অফিসাররা সকলের পরিচয় এবং তল্লাশির কাগজপত্র দেখান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মনোজ বর্মাও। দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের অধিকার প্রয়োগ করে তদন্তের কাজে বাধা দেন। জোর করে ডিজিটাল নথি তুলে নিয়ে যান। ১২ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়। পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে ইডির (Enforcement Directorate) তরফেও। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ইডির

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টে ইডির কাছে জানতে চেয়েছে, তল্লাশির (I-Pac) সময় কোন কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারীদের। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাই কি ছিল? পুলিশ কতটা সক্রিয় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই সময় কোন দায়িত্ব পালন করেছে। তাল্লাশির পর রাজ্যের শাসকদল কি ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে? এই সব বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাক অভিযানের পরের দিনই আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল জানার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অভিযান চালিয়েছে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” অন্য দিকে, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। ইডি জানিয়েছে, “বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই।”

    দুর্নীতির তদন্ত চান না মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate) পক্ষ থেকে বলা হয়, “সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।” ফলে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এবার পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য আগেও তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি ঢাকতে বিভিন্ন সময়ে ইডি-সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কাজে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্তে বাধা দেন তাহলে এই রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্থদের পাশে সরকার এই কথা বলতেই হয়। অন্তত এমনই অভিমত বিজেপির।

  • IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জানুয়ারি কোর্টরুমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক (IPAC) অভিযান হানা নিয়ে ইডির দায়ের করা মামলার শুনানি। হট্টগোল না থামায় এজলাস থেকে বেরিয়ে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এই মমলার পরবর্তী শুনানি হবে দিন সাতেক পরে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট তুলে ধরে এই দাবি করা হয়েছে। যদিও সেই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। শুভেন্দুর দাবি, এটা পরিকল্পনা করেই করেছে তৃণমূল। এই পরিপ্রেক্ষিতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাট ভাইরাল হয়েছে। তাতে লেখা, কোর্ট নম্বর ৫-এ সবাই চলে আসবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূলপন্থী আইনজীবীরা।

    বিচারপতির বক্তব্য (IPAC)

    বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আদালতের পরিবেশ শুনানির (Suvendu Adhikari) উপযোগী ছিল না। বিচারপতির বক্তব্য (IPAC), “এজলাসে আইনজীবী থেকে শুরু করে উপস্থিত অন্যরা গোলযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয় আদালতের মর্যাদা ও শিষ্টাচার রক্ষা করার জন্য। কিন্তু সেই অনুরোধ কারও কানে পৌঁছয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আদালত মুলতুবি করা হল। আগামী ১৪ জানুয়ারি নতুন করে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হল।” কথাগুলি বলেই এজলাস ছেড়ে চলে যান বিচারপতি।

    কবুল কল্যাণের

    এদিন তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনিও বলেন, “খুব হইচই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, ওই পরিবেশে তিনি শুনানি করেন না।” যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে যে অর্ডার কপি সামনে এসেছে, তাতে বিচারপতি নিজে জানিয়েছেন শুক্রবার কোর্টরুমের ভেতরে ঠিক কী হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় (Suvendu Adhikari) শনিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন করেছে ইডি। যদিও তার আগেই রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে (IPAC)।

  • Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানে (Pakistan) সম্প্রতি যে পরিবর্তনগুলি আনা হয়েছে, বিশেষ করে তড়িঘড়ি করে করা সংবিধান সংশোধন, তা আসলে অপারেশন সিঁদুরে (Operatin Sindoor) তাদের ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি।” কথাগুলি বললেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তানে যে পরিবর্তনগুলি হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে তড়িঘড়ি করে সংবিধান সংশোধন। এসবই স্পষ্ট করে দেয় যে এই অভিযানে তাদের সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। তারা বহু ঘাটতি ও ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে।”

    কী বললেন সিডিএস? (Pakistan)

    সিডিএস আরও বলেন, “‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়নি, আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।” পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সে দেশের উচ্চস্তরের প্রতিরক্ষা কাঠামোয় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান জেনারেল চৌহান। তিনি বলেন, “এই পরিবর্তন ভারতের জন্য, বিশেষ করে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি পরিবর্তনগুলিকে সংক্ষেপে বলা যায়, তবে প্রথম এবং সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, ‘চেয়ারম্যান, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ পদটি তুলে দেওয়া হয়েছে।” এই পদটি মূলত তৈরি করা হয়েছিল তিনটি সেনা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে (Pakistan)। কিন্তু এখন (Operatin Sindoor) সেই পদটি বাতিল করে তার পরিবর্তে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (CDF)’ নামে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিডিএস বলেন, “এই পরিবর্তনগুলি আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।”

    অপারেশন সিঁদুর

    অপারেশন সিঁদুরের অভিজ্ঞতা থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সিডিএস। বিশেষ করে হায়ার ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি (Operatin Sindoor)। সম্প্রতি হওয়া একাধিক সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সিডিএস বলেন, “উরি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ডোকলাম ও গালওয়ান সংঘর্ষ, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং অপারেশন সিঁদুর, এই সব ক্ষেত্রেই ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন ও উদ্ভাবনী কমান্ড কাঠামোর মাধ্যমে কাজ করেছে।” সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডিএস বলেন, “এখন আমাদের লক্ষ্য হল এমন একটি মান্যতাপ্রাপ্ত ও মানসম্মত ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা সব ধরনের পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যাবে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক যে সংশোধনীগুলি আনা হয়েছে, তার মূল লক্ষ্য হল ফেডারেল কাস্টমস কোর্ট গঠন, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।

    আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড

    পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে সিডিএস বলেন, “এর আগেও তারা একটি আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠন করেছে। প্রচলিত ও কৌশলগত—দু’দিক থেকেই এটি তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে (Operatin Sindoor)। মূলত নতুন এই কাঠামোগুলির মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে পাকিস্তানে সেনাপ্রধান স্থলভিত্তিক অভিযান, নৌ ও বায়ুসেনার সঙ্গে যৌথ অভিযানের পাশাপাশি কৌশলগত ও পরমাণু সংক্রান্ত বিষয়গুলির দায়িত্বে থাকবেন। তার সঙ্গে রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠনের ফলে (Operatin Sindoor) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর যুক্ত হয়েছে। এটি অনেকাংশে স্থলভিত্তিক চিন্তাধারার প্রতিফলন (Pakistan)।”

  • Afghanistan: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর প্রথম কূটনৈতিক নিয়োগ, ভারতে নয়া আফগান রাষ্ট্রদূত নূর আহমেদ নূর

    Afghanistan: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর প্রথম কূটনৈতিক নিয়োগ, ভারতে নয়া আফগান রাষ্ট্রদূত নূর আহমেদ নূর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম ভারতে কূটনৈতিক প্রতিনিধি নিয়োগ করল আফগানিস্তান (Afghanistan)। নয়াদিল্লিতে আফগান দূতাবাসে কূটনীতিক নূর আহমেদ নূরকে নিয়োগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনি নয়াদিল্লিতে পৌঁছে গিয়ে গ্রহণ করেছেন নয়া দায়িত্ব (Taliban)। নূর আহমেদ নূর এর আগে আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রকে প্রথম রাজনৈতিক পরিচালক পদে ছিলেন।

    ভারত – আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক (Afghanistan)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়োগের মাধ্যমে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করার ইঙ্গিত মিলছে, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা ও স্বাস্থ্য খাতে। গত ২০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী মাওলভি নূর জালাল জালালি বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় আফগানিস্তান এখন ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যাল চাহিদা পূরণে ভারতের দিকে বিকল্প অংশীদার হিসেবে তাকাচ্ছে।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত ক্রমশ আফগানিস্তানের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে উঠে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিতে কূটনৈতিক নিয়োগকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল (Afghanistan)।

    জালালির বক্তব্য

    আফগানিস্তান ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার একটি নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ প্রতিনিধি জালালি। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে ভারত আফগানিস্তানের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অবদান রেখে চলেছে (Taliban)। জালালির কথায়, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। আমরা সহযোগিতা ও পারস্পরিক কাজের ভিত্তিতে একটি নয়া অধ্যায় খুলতে এখানে এসেছি। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে ভারত ও আফগানিস্তানের ঘনিষ্ঠতা আরও জোরদার হতে চলেছে, পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কাবুলের সম্পর্ক এখনও রয়েছে টানাপোড়েনের মধ্যেই (Afghanistan)।

    নয়াদিল্লিতে হু

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) গ্লোবাল সামিট অন ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন উপলক্ষে ভারতে এসে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন আফগানিস্তানের এক শীর্ষ প্রতিনিধি। এই সফরের সময় ভারত আফগানিস্তানের প্রতি তাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় (Taliban)। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ সরবরাহ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ভারত-আফগানিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম ভারত সফরে আসেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত সফরটি অত্যন্ত ভালো হয়েছে। শুধু দারুল উলুমের মানুষই নন, গোটা এলাকার মানুষ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। আমাকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ (Afghanistan)।”

    আলহাজ নূরউদ্দিন আজিজির ঘোষণা

    গত ২৪ নভেম্বর আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আলহাজ নূরউদ্দিন আজিজি ঘোষণা করেন যে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে (Taliban) দীর্ঘদিনের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হয়েছে। এর ফলে আফগান নাগরিকরা চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভারতীয় ভিসা পেতে পারবেন। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে আজিজি জানান, এই পরিষেবা সহজ করতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আফগান দূতাবাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, কাবুলে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও আফগান নাগরিকদের সহায়তায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে (Afghanistan)। এই প্রেক্ষাপটে, নয়াদিল্লিতে আফগান দূতাবাসে নূর আহমেদ নূরের নিয়োগ দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি আনতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। মানবিক সহায়তা ও সরকারি স্তরের যোগাযোগের মধ্যে (Taliban) দিয়েই ভারত ও আফগানিস্তান তাদের সম্পর্ক আরও মজবুত করার পথে এগোচ্ছে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞমহলের (Afghanistan)।

  • Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন মেঘ না চাইতেই জল! আমেরিকার দাদাগিরি রুখতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার চেষ্টা করছে রাশিয়া (Russia)। সেই কারণেই ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর (INSTC)-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ রাশত–আস্তারা রেলপথের কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দিল ইরান ও রাশিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এই খবর মিলেছে।

    ইরান-রাশিয়া বৈঠক (Russia)

    সম্প্রতি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি এবং রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষই আইএনএসটিসি করিডরকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। ইরান স্পষ্টভাবেই জানিয়েছে, তারা করিডরটি সক্রিয় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আলি লারিজানি বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে থাকা সমস্ত বাধা দ্রুত দূর করা হবে।” তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ও পরিচালন সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি কার্যকর করা যায়।

    জমি অধিগ্রহণ

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সরকার চলতি (Russia) ইরানি অর্থবর্ষের শেষ নাগাদ রাশত–আস্তারা রেলপথের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছে, যাতে প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে না যায়। এদিকে, রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভ ইরানের এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “রাশিয়া দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে এবং রেল প্রকল্প শুরু করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সঙ্গে, আইএনএসটিসি করিডরের আওতায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাশিয়া, ইরান ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি চুক্তির মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের ভিত্তি স্থাপন হয়। বর্তমানে আজারবাইজান, ভারত, ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক-সহ মোট ১৩টি দেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছে (Russia)।

    করিডরের মূল লক্ষ্য

    এই করিডরের মূল লক্ষ্য হল, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে, পাশাপাশি উত্তর ও পশ্চিম ইউরোপে পণ্য পরিবহণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। বর্তমানে এই রুটে ভারতে পণ্য পৌঁছতে সময় লাগে ছ’সপ্তাহের মতো। তবে করিডরটি পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে এই সময়সীমা কমে মাত্র তিন সপ্তাহে দাঁড়াবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক পরিবহণ করিডরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজভিন–রাশত রেলপথ চালু হয় ২০১৯ সালের ৬ মার্চ। এই রেলপথের মাধ্যমে আজারবাইজানের রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে ইরানের রেল যোগাযোগ সুগম হয়েছে। করিডরের পরবর্তী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ইরানের ভূখণ্ডে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    নর্থ–সাউথ করিডর

    ইরানের ভেতরে নর্থ–সাউথ করিডরের তিনটি প্রধান দিক রয়েছে। পূর্ব দিকটি তুর্কমেনিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সংযুক্ত। মধ্য দিকটি কাস্পিয়ান সাগর অতিক্রম করে রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। আর পশ্চিম দিকটি আজারবাইজান, জর্জিয়া, রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে (Russia)। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৩ সালের ১৭ মে রাশিয়া ও ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় গিলান প্রদেশে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণ করা হবে। প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনে মোট ৯টি স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। রাশত–আস্তারা রেলপথ সম্পন্ন হলে নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক করিডরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে ইরানের রেল নেটওয়ার্ক ককেশাস অঞ্চলের দেশ, রাশিয়া এবং উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

    রেলপথ নির্মাণে রাশিয়ার লগ্নি

    চুক্তি অনুযায়ী, এই রেলপথ নির্মাণে রাশিয়া প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি ৪৮ মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ এবং ইউরেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইরানের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমি দুনিয়ার চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে রাশিয়া এবং ইরান। এর জেরে দিন দিন পঙ্গু হচ্ছে মস্কো ও তেহরানের অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা প্রত্যাঘাতে ওয়াশিংটনের যাবতীয় ছক ভেস্তে দিতে পূর্বতন পারস্য দেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণে নেমেছে পুতিন সরকার। এই রেলপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নয়া রূপ দিতে পারে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের (Russia)।

  • Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে এখনও যারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে চলেছে, সেই সব দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সংবলিত একটি বিল মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপনের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত (Tariff Threat)। শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয়, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও ১৪০ কোটি মানুষের জন্য সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার (US)।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Tariff Threat)

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমরা প্রস্তাবিত বিলটির বিষয়ে অবগত। বিষয়টি আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি জানান, জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয় জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজারের বাস্তবতার ভিত্তিতে। জয়সওয়াল বলেন, “জ্বালানি উৎস সংক্রান্ত বৃহত্তর প্রশ্নে ভারতের অবস্থান সুপরিচিত। বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনশীল গতিপ্রকৃতি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে সাশ্রয়ী জ্বালানি সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তাই আমাদের পথনির্দেশ করে, যাতে ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় (Tariff Threat)।”

    মার্কিন সেনেটরের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন সেনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই। গ্রাহামের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে’ সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এই বিল কার্যকর হলে ভারত, চিন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে (US)। এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে গ্রাহাম বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর তিনি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলটি অনুমোদন করেন। ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, অথচ পুতিন শুধু কথার ফুলঝুরি ছোটাচ্ছেন এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই দেশগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেবে, যারা সস্তায় রুশ তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধাস্ত্রকে জ্বালানি জোগাচ্ছে (Tariff Threat)।” গ্রাহামের ইঙ্গিত, আগামী সপ্তাহেই বিলটি দ্বিদলীয় ভোটাভুটির জন্য তোলা হতে পারে।

    ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’

    এ প্রসঙ্গে এক মার্কিন সেনেটর বলেন, “এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর বিপুল প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেবে, যাতে তারা রাশিয়ার সস্তা তেল কেনা বন্ধ করে। ওই তেল থেকেই পুতিন ইউক্রেনে গণহত্যার অর্থ জোগাচ্ছেন। আমি আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই বিলের পক্ষে শক্তিশালী দ্বিদলীয় সমর্থন মিলবে (US)।” মার্কিন কংগ্রেসের সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই বিলটির নাম ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’। এই আইনের আওতায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সমস্ত পণ্য ও পরিষেবার ওপর শুল্কের হার কমপক্ষে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির বিরুদ্ধেও আর্থিক জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এই বিল কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে বলেই অনুমান কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের (Tariff Threat)।

  • India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে ভারত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, দুই দেশের (India-US Trade Deal) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটি চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেননি। আর এই ফোন করার তথ্য ভিত্তিহীন। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আলোচনার বিষয়ে লুটনিকের বর্ণনাকে সঠিক নয় বলে বর্ণনা করেছেন। তবে জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও আমেরিকা একাধিক দফায় আলোচনা চালিয়ে আসছে এবং বেশ কয়েকবার একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছে। সবটাই একটা আলোচনার স্তরে রয়েছে। ভারত পারস্পরিক দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।

    আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল ভারত (India-US Trade Deal)

    সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে, বিদেশ মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল বলেন, “গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার (India-US Trade Deal) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির জন্য আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। তখন থেকেই উভয় পক্ষ দেশের একটি ভারসাম্যপূর্ণ, পারস্পরিক উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একাধিক দফা আলোচনাও হয়েছে। বেশ কয়েকবার, আমরা একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছি। তবে আমেরিকার এক পক্ষের দাবি ঠিক নয়।”

    বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে

    জয়সওয়াল উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এবং ট্রাম্প (India-US Trade Deal) ২০২৫ সালেই আটবার ফোনে কথা বলেছেন। দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান। তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, “দুই নেতা কূটনৈতিক রীতিনীতি মেনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রসঙ্গক্রমে, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ২০২৫ ফোনে কথা বলার সময় আমাদের বিস্তৃত কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। ভারত তার নিজের বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মত স্পষ্ট জানিয়েছে।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, “আমরা দুটি পরিপূরক অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিকভাবে উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী। তাই এই বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

    গত ৮ জানুয়ারী অল-ইন পডকাস্টে উপস্থিত থাকার সময় লুটনিকের (India-US Trade Deal) মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাজ্যের সঙ্গে প্রথম বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)  রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তা করা হয়নি। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, মোদি ট্রাম্পকে সরাসরি ফোন করে চুক্তিটি সম্পন্ন করার জন্য নিজে থেকেই অনুরোধ করেছিলেন। তবে ভারত এই অনুরোধের এই কলটি অস্বস্তিকর ছিল।

    ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়

    লুটনিকের মতে, আমেরিকা ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনাম সহ অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য এগিয়ে এসেছে। তবে এই আলোচনা হল বাণিজ্যিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আব সিঁড়ি। পদ্ধতিগত ভাবে দেশের প্রগতির জন্য এই কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেছিলেন ভারত যাতে আরও ভালো সুযোগ হাতছাড়া করেছে। তাই চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। অর্থনীতিকে ভেঙে পড়েতে দেওয়া উচিত নয়।

    তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মতামত ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, আমেরিকা (India-US Trade Deal) সারা বিশ্বে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ করতে পরোক্ষ চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতকে নানা ভাবে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাপ দেওয়ার কৌশল করছে। তবে ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়। নিজেদের সার্বভৌমকে রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও শক্তির সামনে যে মাথানত করবে না তাও সকলের কাছে স্পষ্ট।

    আমেরিকার হুমকি

    কিছুদিন আগে ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রকাশ্যে দাবি করেছেন যে তিনি এমন একটি আইন খসড়া করেছেন যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এই ধরনের প্রস্তাবকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসাত্মক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের বাণিজ্য নীতিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের আর একটি উদাহরণ।

LinkedIn
Share