Tag: Bengali news

Bengali news

  • SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission)। অতিরিক্ত সাত দিনে কী কী করতে হবে তা নিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকা। উল্লেখ্য এনুমারেশন ফর্ম (SIR) আপলোড করার সময়সীমাকে বৃদ্ধি করে ৪ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। তাই স্পষ্ট নির্দেশ অতরিক্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে নিবিড় সংশোধনের কাজকে আরও নির্ভুল করতে হবে। কোনও বৈধ ভোটারদের নাম, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যে যেন ভুল না থাকে তা নিয়েও দেওয়া হয়েছে সতর্কবাণী।

    বিএলও এবং ইআরও-দের এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় (SIR)

    রবিবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, “এসআইআর-এর প্রক্রিয়া সাতদিন আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। বিএলও এবং ইআরও-রা এক সপ্তাহ সময় অতিরিক্ত পাবেন। তাই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ ওই সময়কে ভালো করে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকাকে আরও শুদ্ধ এবং নির্ভুল করতে হবে। বিএলওদের কাছে থাকা সমস্ত এনুমারেশন ফর্ম ২ ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। এনুমারেশন ফর্ম ২ তারিখের পরে কোনওভাবেই আর গ্রহণ করা হবে না। ১১ ডিসেম্বরের পর যদি কোনও ফর্ম বাড়ি থেকে জমা নেওয়া হয় তাহলে অ্যাপে সেগুলিকে অসংগ্রহযোগ্য হিসেবে দেখানো হবে।”

    অসাবধান হলে কড়া ব্যবস্থা

    রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময়ে পাওয়া সকল তথ্য পুরনায় ভালো করে মিলিয়ে দেখতে হবে। বিএলও-দের দেওয়া অ্যাপে প্রত্যেক আপলোড করা ফর্মের সঙ্গে মূল হার্ডকপিকে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যে ফর্মগুলি কোনও সংস্থা এবং ব্যক্তি করেছেন তা ভালো করে চেক করতে হবে। সমস্ত কাজের জন্য বিএলও-রাই দায়বদ্ধ থাকবেন। আর যদি কোনও কাজে অসাবধানতার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বয়স ভালো করে যাচাই

    কাদের কাদের ক্ষেত্রে পুনরায় যাচাই করতে হবে? এই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, যেসব ভোটাররা নিজেদের দাবি করছে পরিবারের প্রধান তারা। তাদের ক্ষেত্রে ২০০২ সালের তালিকায় বয়স ৬০ হয়েছে কিনা তা ভালো করে যাচাই করে দেখতে হবে।

    যাদের ২০০২ সালে কেবলমাত্র বাবা মায়ের নাম রয়েছে, তাদের বয়স যদি ২০২৫ সালে ৫০ হয়, আবার ২০০২ সালে বয়স ২৫ বা বেশি হয়, তাহলে কেন তালিকায় নাম নেই, এই প্রশ্নও করতে হবে। ম্যাপ করা বাবা-মায়ের নাম যদি ২০২৫ সালের তালিকার সঙ্গে না মিলে তাহলে ভোটারের বাড়ি গিয়ে বা ফোন করে তথ্যের সঠিক বিষয়কে নিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। বাবা-মায়ের সঙ্গে যদি সন্তানের বয়স ৪৫ বছরের বেশি বা ১৮ বছরের কম হয় তাহলে সেগুলিকে ভালো করে যাচাই করতে হবে।

    পরিবারে গিয়ে ভালো করে তথ্য সংগ্রহ

    পরিবারের কেউ যদি এলাকায় উপস্থিত না থাকে তাহলে বিএলওকে ভোটারের বাড়িতে গিয়ে যাচাই করতে হবে। একই ভাবে ভালো করে নিশ্চয়তার সঙ্গে জানতে হবে অন্য রাজ্য বা জেলায় ভোটার হয়েছে কিনা। অ্যাপে ভুল এন্ট্রি হলে তাকে সংশোধন করতে হবে। সংশোধন করতে গেলে বিএলও-কে ইআরও এবং এইআরও-রা সহযোগিতা করবে। ২০২১ এবং ২০২৪ সালে যেসব বুথ গুলিকে স্পর্শ কাতর বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে ফর্ম ভালো করে যাচাই করতে হবে। ৫০ শতাংশ ম্যাপিং যেখানে যেখানে হয়েছে সেখানে সেখানে তথ্য ভালো করে যাচাই করতে হবে। তালিকায় কোন রকম ভুল থাকবে না।

    মৃতদের নাম বাদ

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানিয়েছে, জন্ম মৃত্যু তথ্য বা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে মৃত ব্যক্তির তথ্য নিতে হবে। মৃত হয়েছে এবং রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে এমন ব্যক্তিদের তথ্য নিতে হবে। মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ করতেই হবে। তথ্য যাচাই করে ইআরওদের এই নাম বাতিলের কাজ করতে হবে। তাই খুব নিবিড় ভাবে ভালো করে তথ্য যাচাই করতে হবে। যদি এন্ট্রি ভুল হয় তাহলে তাকে ভালো করে কারেকশন করতে হবে। যে সব বুথে শূন্য থেকে ২০টি আনকালেক্টেবল ফর্ম রয়েছে বা বেশির ভাগ এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হয়ে ফেরত এসেছে, এখানে বিএলও-রা ঠিকমতো এন্ট্রি করছেন কীভাবে তাও ভালো করে পরীক্ষা করতে হবে।

  • Election Commission: এসআইআর করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে কমিশন! রাজ্যের অভিযোগ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Election Commission: এসআইআর করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে কমিশন! রাজ্যের অভিযোগ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর করে বহু ভোটারের নাম বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এমনই গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন মোদি-বিরোধীরা। এসআইআর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে সেই সব অভিযোগ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। তাদের বক্তব্য, বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের (Supreme Court) নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ অতিরঞ্জিত। কমিশন আরও জানিয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টি অনুমান ছাড়া আর কিছুই নয়।

    এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ (Election Commission)

    পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল, ডিএমকে, সিপিএম এবং কংগ্রেসের বাংলা শিবির। বিরোধী দলগুলির সেই আবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের বক্তব্য হলফনামা আকারে জমা দিতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ। সেই মামলায় পৃথক হলফনামা দাখিল করে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি খারিজ করার আবেদন জানান কমিশনের সচিব পবন দিওয়ান। গত ২৬ নভেম্বর সাংসদ তৃণমূলের দোলা সেন এবং অন্যদের দাখিল করা আবেদনের প্রেক্ষিতে ৮১ পাতার হলফনামা দিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, বিপুল পরিমাণে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ রাজনৈতিক স্বার্থপূরণের উদ্দেশ্যেই। হলফনামায় কমিশন আরও জানিয়েছে, এসআইআর কোনও নতুন প্রক্রিয়া নয়। ভোটার তালিকায় যাতে কোনও সমস্যা না থাকে তা দেখার দায়িত্ব কমিশনেরই। বহু বছর ধরেই এই প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের সংবিধানও কমিশনকে সেই অধিকার দেয় (Election Commission)।

    হলফনামায় পশ্চিমবঙ্গের নাম

    আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় পশ্চিমবঙ্গের নাম আলাদা করে উল্লেখ করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, বাংলায় ইতিমধ্যেই ৯৯.৭৭ শতাংশ ভোটারের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে গিয়েছে (Supreme Court)। তার মধ্যে ৭০.১৪ শতাংশ ফর্ম পূরণের পর ফেরতও চলে এসেছে। বুথ লেভেল আধিকারিকরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করছেন। পরে ফর্ম পূরণের পর তা সংগ্রহ করে পাঠাচ্ছেন কমিশনের কাছে। কোনও বাড়িতে কেউ না থাকলে, বিএলওরা সেখানে তিনবার করে যাচ্ছেন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নামই বাদ দেওয়া হচ্ছে না। কমিশন তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। এসআইআর প্রক্রিয়া সফলভাবে বাস্তবায়িত এবং কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ না পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করছে কমিশন।

    নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য!

    হলফনামায় কমিশন বার বার দাবি করেছে, বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে তোলা হচ্ছে। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করে পরিবেশন করার চেষ্টা চলছে (Election Commission)। আর এর নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। কমিশনের দাবি, রাজনৈতিক দলগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার বদলে হাঁটছে সমালোচনার পথে। কমিশনের আইনজীবীর অভিযোগ (Supreme Court), রাজনৈতিক দলগুলি বিএলওদের নানাভাবে বিভ্রান্ত করছে। তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এদিন আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এর আগে দেশে এসআইআর হয়নি এই যুক্তি দেখিয়ে একাধিক রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের এই প্রক্রিয়া চালানোর সিদ্ধান্ত বৈধ কিনা, তা পরীক্ষা করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ৬ নম্বর ফর্মের শুদ্ধতা নির্ণয় করার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। কোনও ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে তাঁকে নিজেকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হয়।

    আধার কার্ড নাগরিকত্বের সার্বিক প্রমাণ নয়

    দেশের শীর্ষ আদালত ফের একবার জানিয়ে দিয়েছে, আধার কার্ড নাগরিকত্বের সার্বিক প্রমাণ নয়। তাই আমরা বলেছি, প্রামাণ্য নথিগুলির মধ্যে অন্যতম নথি এটি। কিন্তু কারও নাম বাদ গেলে কেন নাম বাদ দেওয়া হল, সে সংক্রান্ত নোটিশ দিতে হবে। বেঞ্চ বলে, “কিছু সরকারি সুবিধা পাওয়ার জন্য আধার কার্ড তৈরি করা হয়েছিল। কোনও (Election Commission) ব্যক্তিকে রেশন পাওয়ার জন্য আধার কার্ড দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি শুধু সেই কারণেই তিনি ভোটার হবেন? এমনও তো হতে পারে, কেউ প্রতিবেশী দেশের নাগরিক এবং তিনি এখানে একজন শ্রমিকের কাজ করেন।” আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, “আপনারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন পোস্ট অফিস। যেখানে ৬ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়া হবে এবং তারা আপনার নামটি নথিভুক্ত করবে।” এর পরেই বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সব সময় এই সাংবিধানিক এক্তিয়ার রয়েছে (Supreme Court), তারা নথিটি সত্য কি না, তা যাচাই করতে পারে (Election Commission)।

  • Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার নিরাপত্তায় আরও জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে সরকারি অ্যাপ ‘সঞ্চার সাথী’-কে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। নতুন মোবাইল গুলিতে এবার থেকে আগেই ইনস্টল করতে হবে ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App)। সিস্টেমকে এমন ভাবে করা হবে যাতে ব্যবহারকারীরা মোবাইল কেনার পরে ওই অ্যাপ ডিলিট করতে না পারে। নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে মোবাইল সংস্থাগুলিকে (Phone App) বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ থাকার কথা নিশ্চিত (Sanchar Sathi App)

    তবে এই বিষয়ে নির্দেশিকা বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে এখনও তেমন কোনও নির্দেশিকা আসেনি। তবে একাধিক সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমি, ভিভো সহ বিভিন্ন সংস্থাকে এই সাইবার সুরক্ষা নিয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর এই নির্দেশিকায় মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নতুন মোবাইলে এখন আগে থেকেই ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) থাকার কথা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    তবে এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে নতুন যে সব মোবাইলগুলি এসেছে সেগুলির সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সঞ্চার সাথী অ্যাপটিকে ইনস্টল (Phone App) করিয়ে দিতে হবে। সাইবার সুরক্ষার জন্য এই অ্যাপ সরকারের নজরদারিকে আরও সক্রিয় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সরকারের তরফে সরাসরি কিছু না বললেও আলাদা আলাদা করে প্রথম পর্যায়ে সকল সংস্থাকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

    ৫০ হাজার মোবাইল উদ্ধার

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) এই বছরের শুরুতেই লঞ্চ করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রকের এই অ্যাপ সাইবার সুরক্ষা মামলায় অত্যন্ত কার্যকারী হবে বলে মনে করেছে কেন্দ্র। শুধু মোবাইল চুরি নয়, এখন থেকে মোবাইল খুঁজে পেতেও সহযোগী হবে এই অ্যাপ। একটি সরকারি হিসেবে জানা গিয়েছে, দেশে সাত লক্ষের বেশি হারানো মোবাইল খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে এই সঞ্চার সাথী অ্যাপ। এর মধ্যে ৫০ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধারে অ্যাপটি বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছে। তবে সূত্রের দাবি, বিক্রির আগে কোনও রকম থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করা নির্মাণকারী সংস্থার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতিরই পরিপন্থী। এখন আগামী দিনে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাই এখন দেখার।

    কী কী সুবিধান মিলবে?

    ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App) অ্যাপে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার নামে কতগুলো মোবাইল কানেকশন অ্যাক্টিভ আছে। অ্যাপের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে অভিযোগ করা এবং সেগুলি ব্লক করা খুব সহজ হবে। প্রতারণামূলক ওয়েব লিঙ্কগুলিকে রিপোর্ট করা যায়। ফলে সহজেই সন্দেহজনক জালিয়াতির রিপোর্ট করা যায়। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের নম্বর যাচাই করা যাবে। এখানে নতুন কেনা ফোন সহজেই যাচাই করা যায়। ভারতীয় নম্বর দেখিয়ে আগত ইন্টারনেটের কলগুলিকে সহজেই রিপোর্ট করা যাবে। তবে সরকারি আধিকারিকদের মতে, সাধারণত এখন ওয়েবসাইটে গিয়ে অভিযোগ করতে হয়, ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। তবে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের মাধ্যমে সেই কাজটা অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে বলে বিশ্বাস। এমনকী ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বরও মনে রাখার দরকার হবে না। টেলিযোগাযোগ দফতর সূত্রে (Phone App) সাফ কথায় জানা হয়েছে, সমস্ত ভুয়ো হ্যান্ডসেট কেনা থেকে নাগরিকদের রক্ষা এই নয়া অ্যাপ বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে। একই ভাবে বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে খুব সহজেই অভিযোগ করতে এবং সঞ্চার সাথী উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড

    ‘সঞ্চার সাথী’-র (Sanchar Sathi App) একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪২.১৪ লাখের বেশি মোবাইল ফোন ব্লক করা হয়েছে। ২৬.১১ লাখেরও বেশি হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। অ্যাপে ১.১৪ কোটিরও বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে এক কোটির বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপল স্টোর থেকেও এই অ্যাপ ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    Khaleda Zia: “ভারত সহায়তা দিতে প্রস্তুত”, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশের বিএনপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র মার্কিন প্রবাসী সজিব ওয়াজেদ। তাঁর মাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোদিকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি। আওয়ামি লিগের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন বাংলাদেশের আর একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরেই মঙ্গলবার বিএনপির তরফে ধন্যবাদ জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (Khaleda Zia)

    বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন খালেদা। বাংলাদেশের বছর আশির এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি সম্পর্কে জানতে পেরে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জনজীবনে অবদান রেখে এসেছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমাদের আন্তরিক প্রার্থনা এবং শুভকামনা। আমরা যেভাবে পারি, ভারত সকল ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা ভর্তি রয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালে।

    বিএনপির প্রতিক্রিয়া

    প্রত্যুত্তরে, অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপি বলেছে, তাদের নেতার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হওয়ার সময়ে সদিচ্ছাপূর্ণ উদ্যোগের জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, “বিএনপি এই সদিচ্ছার উদ্যোগ এবং সাহায্য দেওয়ার প্রস্তুতি প্রকাশের খবর গভীরভাবে মূল্যায়ন করে (PM Modi)।” বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম তুলে নিয়েছেন খালেদা। সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করেন। বিএনপি নেতারা জানান, তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞ-সহ একটি মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি (Khaleda Zia)। হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস সংক্রান্ত জটিলতা হঠাৎ করে তীব্র হয়ে ওঠায় ২৩ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বলছে বিএনপি

    বিএনপি নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। দলের ভাইস-চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান জানান, চিকিৎসকরা প্রায় সব ধরনের চিকিৎসার পথ ব্যবহার করে দেখেছেন। তিনি বলেন, “তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সারা জাতির কাছে আবেদন দোয়া চাওয়া ছাড়া আর করার কিছুই করার নেই।” মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দিন-রাত কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “তিনি (খালেদা) গুরুতর অসুস্থ। তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।” সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি জানান, রবিবার পর্যন্ত তাঁর অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।উল্লেখ্য, খালেদা (Khaleda Zia) দীর্ঘদিন ধরে লিভার ও কিডনির জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস এবং চোখের সমস্যা-সহ বেশ কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে থাকার পর গত ৬ মে ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি।

    শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, খালেদার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার তিনি সামান্য নড়াচড়া করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথাবার্তায় সাড়াও দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা। খালেদার চিকিৎসা করছে চিকিৎসকদের যে টিম, তাদের বক্তব্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও, তিনি এখনও ঝুঁকি মুক্ত নন। লিভারজনিত জটিলতা, কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যা সামলে তাঁর চিকিৎসা করতে হচ্ছে বিশেষ সতর্কতায়। পরে ফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় খালেদাকে রাখা হয়েছে আইসিইউ সমমানের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ)। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়া চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তবে বিদেশযাত্রার মতো স্থিতিশীলতা এখনও আসেনি। চিকিৎসকদের লক্ষ্য, তাঁকে ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে বিমানযাত্রা করতে কোনও কষ্ট না হয় তাঁর (PM Modi)।

    চিন থেকে এল চিকিৎসক দল

    এদিকে, সোমবারই চিন থেকে বাংলাদেশে গিয়েছেন একদল চিকিৎসক (Khaleda Zia)। সন্ধ্যায়ই তাঁরা খালেদার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনাও সেরে নিয়েছেন। এই মেডিক্যাল বোর্ডে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছাড়াও রয়েছেন আমেরিকার জন হপকিনস হাসপাতালের এক চিকিৎসক এবং লন্ডনের এক চিকিৎসক। এর পরেও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে চিনা বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে, ভারত ছাড়াও খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরও কয়েকটি দেশও। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত তুরস্ক ও রাশিয়ার দূতাবাস থেকেও তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে (PM Modi)। দিন কয়েক আগে খালেদার আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও (Khaleda Zia)।

  • Ramakrishna 522: “কৃষ্ণ! কৃষ্ণ! গোপীকৃষ্ণ! গোপী! গোপী! রাখালজীবন কৃষ্ণ! নন্দনন্দন কৃষ্ণ! গোবিন্দ! গোবিন্দ!”

    Ramakrishna 522: “কৃষ্ণ! কৃষ্ণ! গোপীকৃষ্ণ! গোপী! গোপী! রাখালজীবন কৃষ্ণ! নন্দনন্দন কৃষ্ণ! গোবিন্দ! গোবিন্দ!”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৫ই জুলাই

    সুপ্রভাত ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ — মধুর নৃত্য ও নামকীর্তন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বৈঠকখানার পশ্চিমদিকের ছোট ঘরে শয্যায় শয়ন করিয়া আছেন। রাত ৪টা। ঘরের দক্ষিণে বারান্দা, তাহাতে একখানি টুল পাতা আছে। তাহার উপর মাস্টার বসিয়া আছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরেই ঠাকুর বারান্দায় আসিলেন। মাস্টার ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। সংক্রান্তি, বুধবার, ৩২শে আষাঢ়; ১৫ই জুলাই, ১৮৮৫।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি আর-একবার উঠেছিলাম। আচ্ছা, সকালবেলা কি যাব?

    মাস্টার — আজ্ঞা, সকালবেলায় ঢেউ একটু কম থাকে।

    ভোর হইয়াছে—এখনও ভক্তেরা আসিয়া জুটেন নাই। ঠাকুর মুখ ধুইয়া মধুর স্বরে নাম করিতেছেন। পশ্চিমের ঘরটির উত্তর দরজার কাছে দাঁড়াইয়া নাম করিতেছেন। কাছে মাস্টার। কিয়ৎক্ষণ পরে অনতিদূরে গোপালের মা আসিয়া দাঁড়াইলেন। অন্তঃপরে দ্বারের অন্তরালে ২/১টি স্ত্রীলোক ভক্ত আসিয়া ঠাকুরকে দেখিতেছেন। যেন শ্রীবৃন্দাবনের গোপীরা শ্রীকৃষ্ণদর্শন করিতেছেন! অথবা নবদ্বীপের ভক্ত মহিলারা প্রেমোন্মত্ত হইয়া শ্রীগৌরাঙ্গকে আড়াল হইতে দেখিতেছেন।

    রামনাম করিয়া ঠাকুর কৃষ্ণনাম করিতেচেন, কৃষ্ণ! কৃষ্ণ! গোপীকৃষ্ণ! গোপী! গোপী! রাখালজীবন কৃষ্ণ! নন্দনন্দন কৃষ্ণ! গোবিন্দ! গোবিন্দ!

    আবার গৌরাঙ্গের নাম করিতেছেন—

    শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ। হরেকৃষ্ণ হরে রাম, রাধে গোবিন্দ!

    আবার বলিতেছেন, আলেখ নিরঞ্জন! নিরঞ্জন বলিয়া কাঁদিতেছেন। তাঁহার কান্না দেখিয়া ও কাতর স্বর শুনিয়া, কাছে দণ্ডায়মান ভক্তেরা কাঁদিতেছেন। তিনি কাঁদিতেছেন, আর বলিতেছেন, ‘নিরঞ্জন! আয় বাপ—খারে নেরে—কবে তোরে খাইয়ে জন্ম সফল করব! তুই আমার জন্য দেহধারণ করে নররূপে এসেছিস।’

    জগন্নাথের কাছে আর্তি করিতেছেন (Kathamrita)—জগন্নাথ! জগবন্ধু! দীনবন্ধু! আমি তো জগৎছাড়া নই নাথ, আমায় দয়া কর!

    প্রেমোন্মত্ত হইয়া গাহিতেছেন—“উড়িষ্যা জগন্নাথ ভজ বিরাজ জী!”

    এইবার নারায়ণের নামকীর্তন করিতে করিতে নাচিতেছেন ও গাহিতেছেন—শ্রীমন্নারায়ণ! শ্রীমন্নারায়ণ! নারায়ণ! নারায়ণ!

    নাচিতে নাচিতে আবার গান গাইতেছেন (Kathamrita):

    হলাম যার জন্য পাগল, তারে কই পেলাম সই।
    ব্রহ্মা পাগল, বিষ্ণু পাগল, আর পাগল শিব,
    তিন পাগলে যুক্তি করে ভাঙলে নবদ্বীপ
    আর এক পাগল দেখে এলাম বৃন্দাবনের মাঠে,
    রাইকে রাজা সাজায়ে আপনি কোটাল সাজে!

  • Assam Govt: অসমের চা-বাগান কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

    Assam Govt: অসমের চা-বাগান কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অসমের চা-বাগান (Tea Workers) কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার (Assam Govt)। রাজ্য বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে সম্প্রতি একটি বিল পাস হয়েছে, এর মাধ্যমেই চা-বাগানের ‘শ্রমিক লাইনে’ বসবাসরত বাগান শ্রমিকদের ভূমির অধিকার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সদ্য সমাপ্ত শীতকালীন অধিবেশনে দীর্ঘদিনের দাবির সমাধান করতে অসম ফিক্সেশন অফ শিলিং অন ল্যান্ড হোল্ডিংস সংশোধনী বিল ২০২৫ পাশ হয়েছে।

    ঐতিহাসিক মুহূর্ত (Assam Govt)

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই আইনকে এই সম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তার প্রজন্ম থেকে মালিকানার ভবিষ্যতের দিকে। ল্যান্ড শিলিং অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৫ অসমের চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি পরিবারকে তাদের ভূমির বৈধ অধিকার দেবে। ন্যায়ের জন্য এক বিশাল পদক্ষেপ এবং অসমের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” বর্তমানে চা-বাগানের শ্রমিকরা শ্রমিক লাইনের জমিতে মালিকানা ছাড়াই বসবাস করছেন। সংশোধিত আইনের ফলে শ্রমিক লাইনগুলোকে ‘আনুষঙ্গিক ব্যবহারের’ আওতা থেকে বাদ দেওয়া হবে এবং চা-বাগান শ্রমিকদের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভূমি বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে তাদের জমির অধিকার। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এর ফলে চা-বাগান শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদী বাসস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং উচ্ছেদের ঝুঁকি কমবে।

    ভূমির উত্তরাধিকার

    আইনের ওই সংশোধনে আরও বলা হয়েছে, এই ভূমি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যাবে। তবে প্রথম ২০ বছর বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না। বিধানসভায় সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “২০ বছর পর জমি বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর, দান বা অন্য কোনওভাবে স্থানান্তর করা যাবে, তবে শুধুমাত্র একই বাগানে বসবাসকারী চা-বাগান শ্রমিকদের মধ্যেই (Assam Govt)।” এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাজ্য সরকার উন্নয়ন ও পুনর্বণ্টনমূলক ব্যবহারের জন্য উদ্বৃত্ত জমি চিহ্নিত করতে পারবে এবং চা-বাগান শ্রমিকদের আবাসনকে মূলধারার সরকারি আবাসন, সামাজিক কল্যাণ এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে বলে সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি বিবৃতিতে (Tea Workers)। জানা গিয়েছে, জমির মালিকানা পাওয়ার পর ৩.৩ লক্ষাধিক চা-বাগান শ্রমিক পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো সুবিধা পাবে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের জমিতে নিজেদের বাড়ি নির্মাণ করতে পারবে (Assam Govt)।

  • Supreme Court: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি (Waqf Boards) রেজিস্ট্রি করার জন্য নির্ধারিত ছ’মাসের আইনগত সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ১ ডিসেম্বর, সোমবার ওই আবেদন প্রত্যাহার করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ডিজিটালাইজেশন বিলম্বিত করার দায় ফের বর্তেছে ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলির ওপরই। এদিন বিচারপতি দিব্যঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অতিরিক্ত সময় চাইলে আবেদনকারীদের সুপ্রিম কোর্ট নয়, ওয়াক্‌ফ ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হতে হবে। অনলাইন রেজিস্ট্রির শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বরই থাকছে।

    আদালতের বক্তব্য (Supreme Court)

    আদালত বলেছে, “যেহেতু আবেদনকারীদের জন্য প্রতিকার পাওয়ার পথ ওয়াক্‌ফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই রয়েছে, তাই তারা ৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই সেখানে আবেদন করতে পারেন।” বেঞ্চ এও জানিয়ে দিয়েছে, ধারা ৩বি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য স্পষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে। প্রযুক্তিগত সমস্যা বা প্রক্রিয়াগত বাধা থাকলে সেগুলি ট্রাইব্যুনালের সামনে উত্থাপন করা যাবে, এবং ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন অনুসারে প্রতিটি মামলায় পৃথকভাবে সমাধান সূত্র দিতে পারে।

    পোর্টালে বহু প্রযুক্তিগত ত্রুটি

    এদিন কপিল সিব্বল-সহ একাধিক প্রবীণ আইনজীবী দাবি করেন, ইউএমইইডি ডিজিটাল পোর্টালে বহু প্রযুক্তিগত ত্রুটি রয়েছে। সেখানে শুনানির সময় বারবার উঠে এসেছে যে ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলির বহু দিনের দুর্বল নথিপত্র ব্যবস্থা এবং ধীরগতির ডিজিটালাইজেশনই প্রকৃত সমস্যা। সিব্বল স্বয়ং স্বীকার করেন, “ডিজিটাইজেশন হতে ১১ বছর লেগে গিয়েছে, গ্রামীণ সম্পত্তিগুলি ডিজিটাইজড নয় এবং মানুষ প্রতিদিন চেষ্টা করছে, অথচ তারা আপলোড করতে পারছে না।” এই সব ব্যর্থতার জন্যই হাজার হাজার মুতাওয়াল্লি এবং উপকারভোগীরা শেষ মুহূর্তে বিপদের মুখে পড়েছেন। কারণ বছরের পর বছর নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও বোর্ডগুলো মৌলিক নথিপত্রও আধুনিকায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে (Supreme Court)।

    প্রবীণ আইনজীবীর বক্তব্য

    প্রবীণ আইনজীবী এমআর শামশাদ বলেন, “ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলো ইতোমধ্যেই নথিভুক্ত সম্পত্তির বিবরণ রাখে। তবুও তাদের পুরনো সিস্টেম এবং ভাঙা-ভাঙা ডকুমেন্টেশন এত বড় পরিসরে পোর্টালে আপলোড করা প্রায় অসম্ভব।” বোর্ডের অক্ষমতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, রেকর্ড আপডেট করা, সম্পত্তি মানচিত্রায়ন করা, সীমানা যাচাই করা, ইজারা বা লিজ ট্র্যাক করা এবং মুতাওয়াল্লিদের শনাক্ত করা। এর ফলে এখন বিশাল প্রশাসনিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে (Waqf Boards)।

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদনকারীদের যুক্তির প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি প্রায় এক শতাব্দীর পুরনো বাধ্যবাধকতা, এবং বোর্ডগুলোর রেকর্ড সঠিকভাবে তৈরির জন্য প্রচুর সময় ছিল।”

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই সেপ্টেম্বরে বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রি স্থগিত করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারা এও বলেছিল, আগের আইনেও রেজিস্ট্রি ব্যবস্থা ছিল। অতএব, বর্তমান সংকট হঠাৎ কোনও নিয়ন্ত্রক চাপের ফল নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক গাফিলতির প্রতিফলন (Supreme Court)।

    জিও-ট্যাগিং, জিআইএস ম্যাপিং, ডিজিটাল তালিকা এবং জন-স্বচ্ছতার সরঞ্জাম-সহ ইউএমইইডি পোর্টাল বহু দশকের অস্বচ্ছ ও দুর্ব্যবস্থাপিত ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। কিন্তু, বোর্ডগুলোর প্রস্তুতির অভাবে এই বাস্তবায়ন শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়িতে পরিণত হয়েছে।

  • SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Scam) শিক্ষক নিয়োগে এবার ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কমিশনকে সাফ নির্দেশ, টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া প্রার্থীর নাম, ঠিকানা সব কিছুকে প্রকাশ্যে আনতে হবে। উল্লেখ্য, অযোগ্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করার বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট থেকে আগেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। একই দাবিতে যোগ্য প্রার্থীরা কমিশনের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নেমেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এবং এসএসসির ঘুম ভাঙেনি। ফলে এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ ঠিক কবে কার্যকর হয় তাই এখন দেখার।

    দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে (SSC Scam)

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) থেকে সুপ্রিমকোর্ট সর্বত্র বারবার দাগিদের তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়ে একাধিকবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসএসসি তালিকা প্রকাশ করলেও তা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে দাগিদের আর পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না বলেও সাফ নির্দেশ ছিল উচ্চ আদালতের। কিন্তু পরীক্ষায় অযোগ্যদের বসার ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। খোদ যোগ্য প্রার্থীরাই অযোগ্যদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, “এসএসসি কমিশন (SSC Scam) দাগিদের নাম, অভিভাবকের নাম, রোল নম্বর সমস্ত কিছু দিয়ে বিস্তারিত ভাবে প্রকাশ করবে। এবার দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।” উল্লেখ্য গত ২৭ নভেম্বর এসএসসি ১ হাজার ৮০৬ জন দাগি নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য সমেত নাম প্রকাশ করেছে।

    তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এসএসসি (SSC Scam) গ্রুপ সি-গ্রুপ ডি-র ৩৫১২ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে ৭২৯৩ জনের অযোগ্য নাম জানিয়েছিল। এবার আগামী বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জনের সম্পূর্ণ নাম প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখন এসএসসিকে আউট অফ প্যানেল, র‍্যাঙ্ক জাম্প এবং ওএমআর মিস ম্যাচদের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে নিয়োগ যাতে স্বচ্ছ হয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এই তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন। এসএসসি ৩৫১২ জনের দাগি অশিক্ষ কর্মীদের তালিকা এবং দাগি ১ হাজার ৮০৬ জন নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক-শিক্ষকদের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তাঁরা সকলেই চাকরি করছিলেন।

    তৃণমূলের রাজত্বে সবচেয়ে বড়সড় দুর্নীতি হল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সদ্য জামিনে জেলের বাইরে এসেছেন। সমস্ত সাক্ষ্য, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যে চার্জশিট জমাও করেছে। এখন দোষীদের শাস্তি ঘোষণা কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির জেরে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের চাকরি। ফের হয়েছে পরীক্ষা। আবারও হয়েছে মামলা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রকাশ্যে এল পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষায় (Police Exams) দুর্নীতির অভিযোগ। রবিবারই হয়েছে এই পরীক্ষা। তার পরেই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, পরীক্ষার পর চাকরিপ্রার্থীদের দেওয়া হয়নি ওএমআর শিটের কার্বন কপি। ওই শিটে সিরিয়াল নম্বরও ছিল না বলে অভিযোগ। সাংবাদিক বৈঠকে পরীক্ষা কেন্দ্রের উল্লেখ করে এমন একটি ওএমআর শিটও দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু।

    কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ওই শিটের কার্বন কপি প্রার্থীদের দেওয়াও হয়নি। কার্বন কপি না দেওয়ায় বোর্ড যে কোনও ধরনের দুর্নীতি করতে পারবে। সিরিয়াল নম্বর নেই মানে যে কোনও সময় কার্বন কপি চেঞ্জ করে দেবে।” তাঁর প্রশ্ন, “কার্বন কপি বোর্ডের কাছে থাকবে কেন?” তিনি বলেন, “টাকার ভিত্তিতে যাঁদের নেওয়া হবে, তাঁদের ওএমআর চেঞ্জ করে দেবে।” রেলবোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই কারণে ওড়িশা সরকার পরীক্ষা করাচ্ছে, আর সেখানে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চাকরি পাচ্ছে বাংলার ছেলেমেয়েরা।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় স্তরের সমস্ত পরীক্ষায়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Police Exams) থেকে শুরু করে রেলের পরীক্ষায়, সবেতেই ওএমআরের কার্বন কপি দেওয়া হয়, সিরিয়াল মেনটেইন করা হয়। কার্বন কপির একটা কপি পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকে।” এই নিয়োগ পরীক্ষায় কীভাবে দুর্নীতি হবে, তারও আভাস দেন শুভেন্দু। বলেন, “এসএসসির মতোই খাতা বদলাবে। তবে এবার হয়তো আর সাদা রাখবে না, ওএমআর শিটটাই বদলে দেবে। যাঁদের নিতে চায়, নির্বাচন আসছে বলে যাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে, সেই লোকগুলোকে ডেকে ডেকে ফিলআপ করিয়ে দেবে। সেখান থেকে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম সান্যালের কাছে পৌঁছে যাবে।”

    মামলা করার পরামর্শ

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) চাকরিপ্রার্থীদের জনস্বার্থ মামলা করার পরামর্শ দেন। আশ্বস্ত করে আইনি সাহায্যের জন্যও। তিনি বলেন, “এই সরকার যুবকদের স্বপ্ন ভাঙার কাজ করছে। প্রতারণার শিকার হওয়া যুবকরা চাইলে আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটতে পারেন। চাইলে তাঁরা আইনি লড়াইতেও নামতে পারেন। এই বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চা তাঁদের পাশে থাকবে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এই সরকার চাকরি দেওয়ার সরকার নয়। পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “যেহেতু ওএমআর শিটে সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়নি, কার্বন কপিও দেওয়া হয়নি, তার মান পরে চাকরি নিয়ে (Police Exams) নয়ছয় করা হবে। অন্য লোকদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হবে।” প্রসঙ্গত, রবিবারই শুভেন্দু বলেছিলেন, “ফর্ম বিক্রি করে টাকা তোলা হচ্ছে। পুলিশের পরীক্ষা হচ্ছে, একটাও চাকরি হবে না। সবাইকে পরীক্ষায় বসিয়ে রেখে গাজর ঝুলিয়ে দিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মৌখিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই আর নিয়োগ হবে না (Suvendu Adhikari)।”

  • Madhya Pradesh: গণবিবাহের আসরে বিয়ে করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে! কেন জানেন?

    Madhya Pradesh: গণবিবাহের আসরে বিয়ে করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র। আর পাঁচটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Madhya Pradesh) ছেলে কিংবা মেয়ের বিয়েতে যেমন জাঁক হয়, তাঁর বিয়েতে তেমন দেখা গেল কই! শুধু তাই নয়, তাঁর বিয়ে হল গণবিবাহের আসরে। আজ্ঞে, হ্যাঁ। শুনতে অবাক লাগলেও, এমনভাবেই ছেলের (Abhimanyu Yadav) বিয়ে দিয়ে নজির গড়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মোহন যাদব। তাঁরই ছোট ছেলের বিয়ে হয় ৩০ নভেম্বর, রবিবার। আরও ২১ জোড়া যুগলের সঙ্গে নববধূর সঙ্গে এদিন সাত পাকে বাঁধা পড়েন মন্ত্রীপুত্রও।

    গণবিবাহ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পুত্রও (Madhya Pradesh)

    মোহন যাদবের ছোট ছেলে অভিমন্যু উজ্জ্বয়িনীতে আয়োজিত গণবিবাহ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে ইশিতা যাদবের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর-কনেদের সকলেই জমকালো পোশাকে সেজেছিলেন। বিবাহস্থলে এসেছিলেন ঘোড়া এবং সুসজ্জিত রথে চড়ে। গণবিবাহের আসরে ছেলের বিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব সময় জোর দেন বিয়ে সরলভাবে হওয়া উচিত। তাই সবাই একসঙ্গে বিয়ে করছে।”

    সমাজে বার্তা

    বিয়ের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও। তিনি বলেন, “গণবিবাহের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজে একটি অত্যন্ত বড় বার্তা দেওয়া হয়েছে।” নিজের বিবাহ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে অভিমন্যু বলেন, “এটি একটি রাজকীয় বিবাহ – অনেক বর আমার সঙ্গে এখানে উপস্থিত আছেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যোগগুরু রামদেব এবং বাগেশ্বর ধামের প্রধান পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীও (Madhya Pradesh)।

    জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২৫ হাজার অতিথি। এঁদের সিংহভাগই বর এবং কনের পরিবারের। শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী নিজের বাসভবন গীতা কলোনিতে পুজোর্চনা করেন। শনিবার তাঁর পরিবারের সদস্যরা পালন করেন বিয়ের সমস্ত রীতিনীতি। প্রসঙ্গত, গত বছরও বড় ছেলে বৈভবেরও বিয়ের অনুষ্ঠান খুবই সাদামাঠাভাবে করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছিল (Abhimanyu Yadav) রাজস্থানে। তবে সেটি ছিল নিতান্তই সাদামাঠা একটি অনুষ্ঠান। আর এবার গণবিবাহের আসরে ছোট ছেলের বিয়ে দিয়ে দেশবাসীকে চমকে দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী। সমাজকেও বার্তা দিয়েছেন অপ্রয়োজনীয় খরচ-খরচা থেকে শত হাত দূরে থাকতে।

LinkedIn
Share