Tag: Bengali news

Bengali news

  • Akshay Kumar: টাকা মেরে দিয়েছেন প্রযোজকরা, আফসোস অক্ষয়ের  

    Akshay Kumar: টাকা মেরে দিয়েছেন প্রযোজকরা, আফসোস অক্ষয়ের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমার। কিছুদিন আগেই তাঁর ছবি ‘সারফিরা’ (Sarfira)  রিলিজ হয়। বক্স অফিসে ছবিটি কামাল দেখাতে পারেনি। ২০২১ সালে সূর্যবংশী ছবির পর অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) কোন ছবিই সফল হয়নি। ছবি আসে, যায় কিন্তু দাগ কাটে না বক্স অফিসে। এমতাবস্থায় অনেক টাকা মার গিয়েছে অভিনেতার। এবার অক্ষয় প্রকাশ্যে জানালেন বেশ কয়েকজন প্রযোজক তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুই- একজন প্রযোজকের ঘরে তাঁর অনেক টাকা বকেয়া আছে। তাঁদের পেমেন্ট আসেনি। যদিও ব্যবস্থা নেওয়ার জায়গায়, তিনি তাঁদের সঙ্গে কাজ করা এবং কথা বলা বন্ধ করে দেওয়াকে যোগ্য জবাব মনে করেন।

    সময় খারাপ অক্ষয়ের (Sarfira)

    সম্প্রতি সারফিরা (Sarfira) ছবিতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কাজ করেছেন পরেশ রাওয়াল এবং রাধিকা মদান। ছবিটির প্লট ভালো হলেও বক্স অফিসে ১০ কোটি টাকা আয় করতে পারেনি এই ছবি। ছবির ফলাফল নিয়ে অভিনেতা (Akshay Kumar) বলেন, “প্রতিটি ছবির জন্য অভিনেতারা অনেক রক্ত, ঘাম, আবেগ, ব্যয় করে। যে কোনও সিনেমা হিট হলে খুব ভালো লাগে এবং ব্যর্থ হলে কষ্ট হয়।

    আরও পড়ুন: অগাস্টে মুক্তি পাবে ‘স্ত্রী-২’, আতঙ্ক নয়, এবার চান্দেরির ত্রাতা হয়ে ফিরে আসছেন ‘স্ত্রী’

    কিন্তু হিট বা ফ্লপ অনেক সময় অভিনেতাদের উপর নির্ভর করে না। রুপোলি পর্দার অনিশ্চয়তা বোঝা খুব কঠিন। তবে প্রতিটি ব্যর্থতা শিক্ষা দেয়। সাফল্যের মূল্য এবং সাফল্যের তাগিদ বাড়িয়ে দেয়। আমি আমার ক্যারিয়ারে সাফল্যের সময় মাথা ঠান্ডা ও ব্যর্থতা মোকাবিলা করতে শিখেছি।”

    অক্ষয় কুমারের পরবর্তী ছবি (Akshay Kumar)

    প্রসঙ্গত অক্ষয় কুমারকে এরপর আগস্ট মাসে ‘খেল খেল মে’ ছবিতে দেখা যাবে। ছবিটি পারিবারিক বিনোদনমূলক, যাতে তাপসী পান্নু, বাণী কাপুর, ফারদিন খান অভিনয় করবেন। ১৫ ই আগস্ট ছবিটি বক্স অফিসে ‘স্ত্রী-২’ এর সঙ্গে মোকাবিলা করবে। অক্ষয়ের (Akshay Kumar) বেশ কয়েকটি সিনেমা ফ্লপ হলেও তাঁর হাতে যে কাজের অভাব রয়েছে এমন নয়। ‘খেল খেল মে’ রিলিজ হওয়ার পর খিলাড়িকে দেখা যাবে ‘রিটার্ন অব দ্য বিলভড সিঙ্ঘম, স্কাই ফোর্স সহ আরও বেশ কয়েকটি সিনেমায়।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    Nabanna: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি মুখ্যমন্ত্রী। তবে নামেই! হয় তাঁর কোনও ক্ষমতা নেই, নয়তো ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফুটো বোজাতে গিয়ে সময় দিতে পারছেন না রাজ্য চালানোয়। এই (Project Management) দুই সম্ভাবনারই ছাপ স্পষ্ট নবান্নের তরফে জারি করা সরকারি এক (Nabanna) নির্দেশনামায়।

    নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন (Nabanna)

    রাজ্য প্রশাসনের প্রধান হলেন মুখ্যসচিব এবং ডিজি। তাঁরা রিপোর্ট করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু সদ্য জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সব দফতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নজরদারি ও পরিচালনা করবেন পঞ্চায়েত সচিব পি উলগানাথন। মুখ্যসচিবের কাজ কেন পঞ্চায়েত সচিব করবেন, ইতিমধ্যেই উঠেছে সে প্রশ্ন। আধিকারিকদের একাংশেরও প্রশ্ন, তবে কি পঞ্চায়েত সচিবের ওপর কিছুটা হলেও নির্ভর করে থাকতে হবে বাকি দফতরগুলির সচিব এবং জেলা প্রশাসনের কর্তাদের? কাজের গুণমান ঠিক না হলে দায় পড়বে কার ঘাড়ে?

    প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট

    সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন রাজ্যের (Nabanna) মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা। তাতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (PMU) গঠন করতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশিকার নির্যাস, কেবল দফতরগুলিই নয়, চাহিদা মতো পিএমইউ-কে তথ্য পাঠাতে ও সহযোগিতা করতে কার্যত বাধ্য থাকবে সব জেলা প্রশাসনও। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পঞ্চায়েত সচিব পি উলাগানাথনই পিএমইউ-কে নেতৃত্ব দেবেন। সেই শাখার বাকি আধিকারিকদের নিয়োগ করবে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    নবান্নের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জরুরি প্রকল্পগুলি সময়ের মধ্যে ঠিকঠাক রূপায়ণ করতে গেলে বিভিন্ন দফতর, জেলা প্রশাসন, প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। তাই প্রত্যেক দফতর, জেলা প্রশাসন ও সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নির্বাচিত প্রকল্পগুলির গতি, সমস্যা ইত্যাদি সবই দেখভাল করবে পিএমইউ। দ্রুত কাজ শেষ করার লক্ষ্যে পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করবে তারাই। প্রকল্পগুলির অবস্থা ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে সরকারকে রিপোর্টও দেবে পিএমইউ।

    রাজনীতির কারবারিদের একটা বড় অংশের মতে, মুখ্যমন্ত্রী চলছেন ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে। তার জেরে রাজ্যে হয়ে গিয়েছে অতিমুখ্যসচিব। যাঁর মাধ্যমে নবান্নে আদতে কায়েম হচ্ছে ‘ভাইপোরাজ’। তাই দিন দিন (Project Management) মুখ্যসচিব এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়ে পড়ছেন ঠুঁটো। ব-কলমে রাজ্য চালাচ্ছেন ভাইপোই (Nabanna)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। সোমবার মুকেশের কোম্পানি রিলায়েন্সের (Reliance) মার্কেট ভ্যালুয়েশন এক ধাক্কায় ৭৩,৪৭০.৫৯ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২০,৩০,৪৮৮.৩২ কোটি টাকা। রিলায়েন্সের শেয়ার দর তিন শতাংশেরও বেশি কমে যেতেই এল এই ধাক্কা। জুন মাসে কোম্পানির তরফে যে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল নিট মুনাফার পাঁচ শতাংশ দর কমে গিয়েছিল। সোমবার এক দিনেই কমল তিন শতাংশের বেশি।

    শেয়ারে ধস (Mukesh Ambani)

    জানা গিয়েছে,  সোমবার ব্লু-চিপ স্টকটি বিএসইতে ৩.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩০০১.১০ টাকায় থামে। দিনের বেলায় এটি এনএসইতে ৩.৫৬ শতাংশ কমে শেয়ারের দর হয়েছিল ২,৯৯৮.৮০ টাকা। ট্রেডেড ভলিউম টার্মের দিক থেকে দেখলে দিনের বেলায় কোম্পানির ১.৯০ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে বিএসইতে। আর ৯৮.৩৭ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে এনএসইতে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের হেভি সেলিং প্রেসারও টেনে নামিয়েছে বেঞ্চমার্ক সূচকগুলিকে। টানা দুদিন পড়ে ৩০-শেয়ারের বিএসই সেনসেক্স ১০২.৫৭ পয়েন্ট বা ০.১৩ শতাংশ কমে যায়। এনএসই নিফটি ২১.৬৫ পয়েন্ট (শতাংশের হিসেবে ০.০৯) কমে পৌঁছে গিয়েছিল ২৪,৫০৯.২৫-এ।

    দ্বিতীয় হলেন মুকেশ

    এদিকে, তেলের দাম ৩১ শতাংশ কমে যাওয়ায় এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির তকমা হারিয়েছেন ভারতের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। এবার এই তকমা পেলেন জ্যাক মা। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সোমবার প্রায় ৪২ হাজার ৮৮১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে মুকেশের কোম্পানির। তাই ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার্স ইনডেক্সে এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন মুকেশ।

    আরও পড়ুন: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যে রেষারেষির জেরে গত ২৯ বছরে সব চেয়ে বেশি কমে গিয়েছে তেলের দাম। তার জেরেই বিপুল ক্ষতির মুখ দেখলেন মুকেশ। কেবল মুকেশ নন, তেলের ব্যবসা যারাই করেন, তাঁদেরই এই হাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর সব মিলিয়ে রিলায়েন্সের শেয়ার কমেছে ২৬ শতাংশ। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্নধার মুকেশই। এই কোম্পানির (Reliance) তেল, রিটেল, টেলিকম এবং আরও অন্যান্য ব্যবসাও রয়েছে (Mukesh Ambani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের সীমান্ত রয়েছে প্রায় চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সমস্যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে। পৃথিবীর প্রথম দুই জনবহুল দেশের সংঘাত তবে বর্তমানে আর মাত্র চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা জুড়েই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তা মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতেও (Maldives Islands) ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দখল নিজেদের কাছেই রাখতে চায় বেজিং। চিনের দাদাগিরি রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দিল্লিও। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সামরিক কার্যকলাপও (Indian Armed Forces) বৃদ্ধি করেছে ভারত।

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার 

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, মালিকু দ্বীপের এই সামরিক ঘাঁটিগুলিতে (Indian Armed Forces) নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করা হবে আবার অন্যদিকে আগাত্তি দ্বীপের বর্তমানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেটিকেও ঢেলে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে এই দুটি দ্বীপের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দ্বীপই আরব সাগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের যে প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ রয়েছে তার অর্ধেক রাস্তাই এই অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথে চিনের দাপট রুখতে ভারতের এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে

    ভারত সরকারের তরফ জানানো হয়েছে, এই বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বেজিং উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অর্থাৎ যে কোনও মূল্যে এই অঞ্চলগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় চিন। ঠিক এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশের ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে চিনা কোম্পানিগুলির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নজরে পড়ে। ওই দেশগুলির সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের সেনা যৌথ মহড়াও করে। সামরিক চুক্তিও সম্পাদন করছে বেজিং। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বেজিং ওই দেশগুলির সঙ্গে।

    ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সাধারণভাবে সারা বিশ্বজুড়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ দেখা দিলে তা মেটানোর কাজ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত ইউরোপের দেশগুলি। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধেও তা দেখা গিয়েছে, ঠিক একইভাবে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলির এই জায়গাটি নিতে চাইছে চিন। এক্ষেত্রে ভারতই হয়ে উঠছে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। আর্থিক দিক থেকে, সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করে চলেছে বেজিং। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিকাঠামোও নির্মাণ করেছে বেজিং। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিন ভারতকেই ভাবে।

    চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপের (Maldives Islands) ওপরেও কড়া নজর রাখতে চায় ভারত

    গত বছরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু তাঁদের দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানোর কথা বলেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনে জেতার আগে এটাই ছিল মুইজ্জুর প্রতিশ্রুতি যে তিনি ক্ষমতায় ফিরলে দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানো হবে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এমন সিদ্ধান্ত মুইজ্জুর নয়, এর পিছনে রয়েছে বেজিংয়ের কূটনৈতিক কৌশল। তবে মলদ্বীপের (Maldives Islands) খুব কাছেই ভারতের সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি বেশ চোখে পড়ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে নৌ-ঘাঁটি চালু করেছে ভারত। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জের এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের অনুমান চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপে কড়া নজর রাখতে চায় ভারত। তাই লাক্ষাদ্বীপে বেড়েই চলেছে ভারতের সামরিক কার্যকলাপ।

    চলতি বছরেই মলদ্বীপে (Maldives Islands) এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁতের কারণে জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। চলতি বছরেই মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই সামরিক ঘাঁটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটিগুলি থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লাক্ষাদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের (Maldives Islands) ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি নিয়ে বিবাদের জেরে দুই বোনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঢোলাহাট থানার গুরুদাসপুরে। তিন মাস আগের সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল সহ কয়েকজনের। মৃতের পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে বাদ দিয়ে লোকদেখানো দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দুজনেই আবার মৃতের আত্মীয়। পুলিশ তদন্তে অসহযোগিতা করছে অভিযোগ তুলে সরব হলেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি! (South 24 Parganas)

    মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢোলাহাট থানার (South 24 Parganas) গুরুদাসপুরে মৃত দুই বোনের নামে জমি রয়েছে। সেই সম্পত্তি জোর করে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল। সেই জায়গা তিনি ছাড়তে চাইছেন না। গত মে মাসে খুনের ঘটনার দুদিন আগে তৃণমূল নেতা গৌড়হরি মাল জোরপূর্বক তাঁদের জায়গার একটি গাছ কেটে নেয়। আর তা নিয়ে ওই দুই বোনের সঙ্গে বচসা হয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল নেতা ওই দুই বোনকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। এই খুনের পিছনে ওই তৃণমূল নেতার বড় হাত রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। পুলিশ ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেনি। মৃতের এক আত্মীয় প্রসেন মণ্ডল বলেন, তৃণমূল নেতার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই, পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা নেই। প্রকৃত অভিযুক্ত (Trinamool Congress) এখন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই, খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের জন্য আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা গৌরহরি মাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। যে জমি নিয়ে বিবাদের কথা বলা হচ্ছে, মৃত দুই বোনের বাবা বেঁচে থাকতে আমি এই জায়গা কিনেছি। কাগজে সমস্ত কিছু লেখা আছে, তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। দীর্ঘ বহু বছর ধরে আমি তা দখলে রেখেছি। তাই, ওই জমি আমার নামে লিখে দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    Durga Puja 2024: দুর্গাপুজোতেও রাজনীতি শাসকের! সজলের পুজোকে চিঠি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রং লেগেছে দুর্গাপুজোতেও। বঙ্গে মন্ত্রীদের বড় বাজেটের পুজো আর বাহারি থিম, যেন একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু এখন বিরোধীরাও কম যাচ্ছেন না। তাই রাজনীতির চাপ এসেছে বিরোধী শিবিরের পুজোতেও। যেমন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square)। এবছর (Durga Puja 2024) তাঁদের থিম লাস ভেগাসের ‘দা স্ফিয়ার’। তবে এবার আয়োজকদের চিঠি ধরিয়েছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, যেহেতু এই পুজোয় প্রতিবছর বাঁধভাঙা ভিড় হয়, তাই শর্তসাপেক্ষ পুজো করতে হবে কমিটিকে। জানাতে হবে থিমের বিষয়বস্তু। আয়োজনের খুঁটিনাটি।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by LENSOGRAPHY | Kolkata (@lensographyofficial)

    পুলিশের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের চাপা উত্তেজনা (Santosh Mitra Square)

    সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) পুজো লেবুতলা পার্কের পুজো নামেও পরিচিত। গত বছরও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পুলিশের চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ভিড় বেশি হচ্ছে, এই অজুহাতে পুলিশ দুই কিলোমিটার ঘুরপথে লেবুতলায় আসার ব্যবস্থা করেছিল। তাতেও রামমন্দিরের উদ্বোধনের আগে কলকাতার রাম মন্দিরে দর্শক কমানো যায়নি। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, যাতে মানুষকে বিরক্ত করে দেওয়া যায় এবং তাঁদের মধ্যে অনীহা সৃষ্টি হয়, সেই কারণেই পুলিশের বাড়তি উদ্যোগ। গত বছর এই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। থিম হয়েছিল রাম মন্দির। পুজোর মূল উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষের দাবি, সেই কারণেই শাসকের গোঁসা হয়েছিল। আর গত বছরের রেশ শেষ হয়নি এবারও। সজল ঘোষ বলেন, “পুলিশ এবার যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলি হুমকির মত। আমরা যে কোন আলোচনায় যেতে রাজি। কিন্তু হুমকি দিলে মানব না। আর পুলিশ এমন সব শর্ত দিয়েছে। যা মানা সম্ভবই নয়। পুলিশ বেশ কয়েক বছর ধরে গা-জোয়ারি শুরু করেছে। এবছর ওরা চাইছে, পুজো একেবারে বন্ধ করে দিতে। কিন্তু সেরকম হলে, আমরা রুখে দাঁড়াব। মানুষ রুখে দাঁড়াবে।”

    অতীতের স্মৃতি

    প্রসঙ্গত আজ থেকে নয় বছর আগে ২০১৫ সালে শাসক দলের রোষে পড়েছিল দেশপ্রিয় পার্ক। সবচেয়ে বড় দুর্গার মুখ ঢেকে দিয়েছিল পুলিশ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বড় পুজোগুলির উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশপ্রিয় পার্কের পুজোর থিম ‘সবচেয়ে বড় দুর্গা’ সে বছর তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু শাসকদলের রোষে বোধনেই হয় বিসর্জন। অতিরিক্ত ভিড় হচ্ছে এই অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ পুজো বন্ধ করে দেয়। পরে এই ঘটনা নিয়ে কিছুটা কল্পনা মিশিয়ে ‘অসুর’ নামে একটি সিনেমা তৈরি হয়। বিরোধীদের পুজোতে পুলিশের চাপ নতুন কিছু নয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো কোন রাজা প্রচলন করেছিলেন জানেন?

    আর সজল ঘোষের পুজো মানে ‘সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার’ (Santosh Mitra Square)  এ এবছর মুখ্যমন্ত্রীর অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা নেবে না বলে ঘোষণা করেছেন। মনে করা হচ্ছে অনুদান নিতে অনীহা দেখানোর প্রতিদান পাচ্ছে ‘‘সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার’’।

    পুলিশের দাবি (Durga Puja 2024)

    শহর কলকাতা নামকরা পুজোগুলির মধ্যে একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) । প্রতিবছর এখানে মানুষের ঢল নামে। গত বছর রাম মন্দিরের আদলে প্যান্ডেল এবং অসাধারণ লাইট এন্ড সাউন্ড শো করার দর্শকদের ঢল নেমেছিল। এমনিতেই এখানে প্রবেশ পথ সংকীর্ণ। এক সময় এমন পরিস্থিতি হয়, যে কিছুক্ষণের জন্য প্রবেশ বন্ধ করেছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে ,তার জন্যই সতর্ক করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (Bangladesh Protest) জেরে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। ঢাকার রাজপথে এখনও পুলিশি টহল জারি। মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের জওয়ান। এই আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত মৃতের (Bangladesh Student Death Updates) সংখ্যা ২০০-র গণ্ডি ছাড়িয়েছে। 

    ঢাকায় মৃত্যু হিন্দু ছাত্রীর (Bangladesh Protest)

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের (Bangladesh Student Death Updates) মধ্যে একজন হলেন হিন্দু ছাত্রী। নাম রিয়া গোপ। বয়স মাত্র ১৯ বছর। জানা গিয়েছে, নিজের বাড়ির ছাদে থাকার সময় আচমকাই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার সাভারের এক হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু ঘটেছিল। সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত গোটা দেশে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ১৭৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও জামাতের বেশ কয়েক জন নেতাও।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    বাংলাদেশে এখনও জারি কার্ফু

    বাংলাদেশে এখনও কার্ফু জারি রয়েছে। তবে তা আংশিক ভাবে শিথিল করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এখন সেদেশে হিংসা কমেছে। অফিস খুলে গিয়েছে বুধবারই। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী বাদে বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। এছাড়া সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত চলবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও সীমিত পরিসরে খোলা রাখার অনুমতি পেয়েছে। তবে এখনও খোলেনি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকায় মোতায়েন রয়েছে সেনা। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে সেদেশের পরিস্থিতি ক্রমেই স্বাভাবিক হচ্ছে বলে দাবি হাসিনা সরকারের। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে হিংসা জারি (Bangladesh Protest) থাকার জেরে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে চাইছে হাসিনার সরকার। তারপর পর্যায়ক্রমে খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।
    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে (Bangladesh Protest) কেন্দ্র করে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল হিংসা। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশটির সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায়, শুক্রবার রাতে জারি করা হয় কার্ফু। অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেদিন মধ্যরাতে মাঠে নামে সেনবাহিনী। এরপর রবিবার থেকে সব ধরনের অফিস ও দোকান-বাজার বন্ধ ঘোষণা করে জারি করা হয় সাধারণ ছুটি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ancient Hindu Temples: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    Ancient Hindu Temples: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুয়াতেমালা এবং হন্ডুরাসে মিলেছে হিন্দু মন্দিরের নির্দশন (Ancient Hindu Temples)। অবশ্য এখন নয়, সেই ১৯৬২ সালে। দিগন্ত বিস্তৃত ঘন জঙ্গলে ঢাকা এলাকার মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে মন্দিরগুলো। প্রত্নতাত্ত্বিকদের (Guatemala) মতে, এই কাঠামোগুলির সঙ্গে হিন্দু মন্দিরের সাদৃশ্য রয়েছে। তার পরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন, সুপ্রাচীন সেই কালেও কি গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের সঙ্গে আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    মায়া স্থাপত্য (Ancient Hindu Temples)

    জঙ্গলে ঢাকা জরাজীর্ণ মন্দির-সদৃশ কাঠামোগুলি তৈরি হয়েছিল সুপ্রাচীন কালে। ২০০ বিসি থেকে ২০০ এডির মধ্যে উত্তর পেটেন অঞ্চলের মায়া স্থপতিরা বিশাল স্টুকো মুখোশ দ্বারা প্রশস্ত সিঁড়ি-সহ ছোট, প্রশস্ত মন্দিরের নকশা এঁকেছিলেন। পোড়া ও গুঁড়ো চুনাপাথরের মিশ্রণে এই মুখোশগুলি তৈরি হয়েছিল। তাঁরা মূলত দেবতার মুখোশই তৈরি করেছিলেন। এই স্থপতিদেরই তৈরি একটি স্থাপত্যের উদাহরণ হল টেম্পল ই-৭-সাব। এই স্থাপত্যটি পিরামিড আকৃতির। চারটি সিঁড়ি রয়েছে। রয়েছে স্টুকো মুখোশও। মূল পিরামিডের পূর্ব দিকে রয়েছে আরও তিনটি পিরামিডও। সব মিলিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থাপত্যের প্যাটার্ন তৈরি করেছে। এর সঙ্গে যোগ থাকতে পারে জ্যোতির্বিজ্ঞানের।

    ১০০টিরও বেশি মন্দির

    টিকলের নর্থ অ্যাক্রোপলিস মায়া সভ্যতার একটি গরুত্বপূর্ণ শহর। এই নর্থ অ্যাক্রোপলিস তৈরি হয়েছে অসংখ্য প্লাস্টার সারফেসড স্টোন টেম্পল দিয়ে। এখানে ১০০টিরও বেশি স্থাপত্যের হদিশ মিলেছে। এগুলো নির্মাণ এবং পুনর্নির্মাণ হয়েছিল অতিকায় পাথরের প্ল্যাটফর্মের ওপর। এর আগে যেসব মন্দির তৈরি হয়েছিল সেগুলি সাজানো ছিল বিভিন্ন মডেল এবং চিত্রিত স্টুকো (এক ধরনের প্লাস্টার বিশেষ) দিয়ে। এর মধ্যেও থাকত বড় বড় মুখোশ, সিঁড়ি। এই সিঁড়িগুলো দিয়েই মায়া শাসকরা যেতেন ধর্মীয় আচার পালনে। প্রতিটি মুখোশের পৌরাণিক কোনও না কোনও তাৎপর্য থাকত।

    সুসজ্জিত খিলান

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নর্থ অ্যাক্রোপলিসের মন্দিরগুলো হয়েছে বৃহৎ থেকে বৃহত্তর। এক সময়ের পবিত্র জায়গাগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়েছে দুর্গম ও দুর্ভেদ্য। টিকালের চিত্রপটে তারাই হয়ে (Ancient Hindu Temples) উঠেছিল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। নর্থ অ্যাক্রোপলিসের কেন্দ্রস্থলে সমাহিত করা হত শাসকদের। সমাধি কক্ষে ছিল সুসজ্জিত খিলান। সিরামিক, জেড অলঙ্কার, হাড়, খোসা, ওবিসিডিয়ান এবং মুক্তো থেকে জিনিসও মিলেছে কবরগুলো থেকে। গুয়াতামালার (Guatemala) সীমান্ত থেকে বেশ দূরে হুন্ডুরাস। প্রত্নতত্ত্ববিদরা সেখানে হিন্দুদের দেবতা হনুমানের মূর্তি দিয়ে অলঙ্কৃত একটি বিশাল গুহারও সন্ধান পেয়েছিলেন। এ থেকেও জানা যায় প্রাচীন এই শহরে অনেক হিন্দু মন্দির ছিল। কারণ তার প্রতিচ্ছবি খোদাই করা হয়েছিল গুহায়।

    রাম রাজত্ব!

    স্থানীয় লোকগাথা এবং হিন্দু শাস্ত্র থেকেও জানা যায়, ভগবান রামের রাজত্বের পরে ভক্ত হনুমান নেদারওয়ার্ল্ড পাতাললোকে যাত্রা করেছিলেন। অনেকের বিশ্বাস, পুরাণগাথায় কথিত আমেরিকার এই অঞ্চলগুলির সঙ্গে মিল রয়েছে পাতাললোকের। পশ্চিম হন্ডুরাসের কোপান শহর, হাউলার বানর ঈশ্বরের মূর্তির জন্য পরিচিত। এই মূর্তির সঙ্গে হনুমানের মূর্তির সাদৃশ্য রয়েছে। ‘কোপান’ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ। শব্দটি ‘কপি’ থেকে এসেছে বলে মনে করেন ভাষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এই ‘কপি’ শব্দের অর্থ হল বানর। এখানকার কোপানের সঙ্গে কপির ভাষাগত সংযোগও থাকতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ‘রামায়ণ’ হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাকাব্য। এর মধ্যে রয়েছে কিষ্কিন্ধ্যা কাণ্ড ও যুদ্ধ কাণ্ড। সেখানেও দূর দেশে ভ্রমণের উল্লেখ রয়েছে। পেরুতে একটি ত্রিশূলও পাওয়া গিয়েছে। পাতাল লোক বলে যার উল্লেখ রয়েছে, অনেকের (Ancient Hindu Temples) মতে, সেই জায়গাটিই সেন্ট্রাল আমেরিকায়। গল্পে ভগবান হনুমান তাঁর ছেলে মকরধ্বজের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে অমিতশক্তিধর হনুমান পাতাল লোকের রাজাকে পরাজিত করে ছেলেকে বসান রাজ সিংহাসনে। সেই থেকে এই সব অঞ্চলে পুজো হয় ভগবান হনুমানের।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    হনুমানের মূর্তি

    ১৯৪০ সালে পূর্ব হন্ডুরাসের মসকুইটা অঞ্চলে লেজেন্ডারি হোয়াইট সিটি বা লা কুইদাদ ব্লাঙ্কারের সন্ধান পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন অভিযাত্রী থিওডোর মোর্দে। তাঁর জার্নালে স্থানীয়রা অতিকায় এক বানর মূর্তির পুজো করছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এই মূর্তির সঙ্গে ভগবান হনুমানের মূর্তির সাদৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি প্রত্নতত্ত্ববিদদের। এই শহরের ভগ্নপ্রায় অনেক বাড়িতে এখনও ভগবান হনুমানের মূর্তি দেখতে পাওয়া যায়। মোর্দের অকাল মৃত্যুর পরেও এই জার্নালে উল্লিখিত বিভিন্ন তথ্য প্রাচীন সভ্যতায় যে এই শহরের অস্তিত্ব ছিল, তার প্রমাণ দেয়। এই সব অঞ্চল থেকে মোর্দে যেসব প্রত্নরত্ন সংগ্রহ করেছিলেন, সেগুলো এখনও রাখা রয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের হেয়ে ফাউন্ডেশন মিউজিয়ামে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ধাতব ব্লেড, পাথরের ব্লেড, তেমনি রয়েছে বাঁশি, বাসনকোসন এবং মূল্যবান সব ধাতু। এসব প্রত্নসামগ্রী এবং স্থানীয় লোকগাথা প্রমাণ করে যে, সেই সুপ্রাচীন কালেও (Guatemala) সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান হত ভারত এবং এই সব অঞ্চলের (Ancient Hindu Temples)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিক্সের পর এবার প্যারিস। কোভিড চিন্তা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) শুরু হওয়ার আগেই এবার কোভিডে আক্রান্ত অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটার পোলোর মহিলা দলের পাঁচ খেলোয়াড়। প্যারিস অলিম্পিক্সের গেমস ভিলেজে প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার এক অ্যাথলিটের কোভিড পজিটিভ (Covid positive) ধরা পড়ে। তাঁর সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়। এরপর দলের বাকি খেলোয়াড়দেরও কোভিড পরীক্ষা শুরু হয়। তবে এই ঘটনার জন্য প্র্যাকটিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়নি টিম ম্যানেজেমেন্ট। জানা গিয়েছে, অন্যান্য ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত অ্যাথলিটদের অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  

    মেনে চলা হচ্ছে কোভিড প্রোটোকল (Covid positive)  

    এ প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শেফ ডি মিশন অ্যানা মিয়ার্স জানিয়েছেন, ”আমাদের দু’জন ওয়াটার পোলো খেলোয়াড় অসুস্থ। সোমবার রাতে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। ওদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের বাকিদের কোনও সমস্যা নেই। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।কোভি ডকেও অন্যান্য রোগের মতোই দেখছি। তবে আমরা নিয়ম মেনেই চলতে চাই। অলিম্পিক্স গেমসে (Paris Olympics 2024) এর যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সে কারণেই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।” কী প্রোটোকল মেনে চলা হচ্ছে তাও পরিষ্কার করেছেন অ্যানা মিয়ার্স। যেমন, আইসোলেশনে থাকা, বাকিরা যাতে সুরক্ষিত থাকে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’ তবে কোভিড আক্রান্ত ওই ক্রীড়াবিদরা শেষ পর্যন্ত অলিম্পিক্সে নামবেন কিনা, সেটা মেডিক্যাল অফিসার নির্দেশ দিলেই জানা যাবে। 

    আরও পড়ুন: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্য (Paris Olympics 2024)  

    অলিম্পিক্স আবহে এই কোভিড আতঙ্কে ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রেডেরিক ভালেতো আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, “কোভিড ধরা পড়েছে ঠিকই। তবে আমরা ২০২০, ২০২১ বা ২০২২-এ দাঁড়িয়ে নেই। ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিন্তার কিছু নেই।” উল্লেখ্য, এর আগে কোভিডের জন্য ২০২০ সালে অলিম্পিক্স আয়োজন করতে পারেনি জাপান। এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে হয়েছিল টোকিয়ো অলিম্পিক্স। আর এ বারেও ফের অলিম্পিক্স শুরু হওয়ার আগেই কোভিড হানা দিল গেমস ভিলেজে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই করোনা নিয়ে ভয় বাড়ছে অ্যাথলিটদের মধ্যে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বেহাল রাস্তার হাল ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। ঘটা করে এই প্রকল্প চালু করা হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না তা বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়া থানার মাইলি গ্রামের হতশ্রী রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে। অল্প বৃষ্টিতেই গ্রামের ওই রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তায় জমে রয়েছে কাদা। রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। রাস্তার হাল এত খারাপ কেন? স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে এমন প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম পিন্টু সিংহ মহাপাত্র। বেহাল রাস্তা নিয়ে গ্রামবাসীরা (Bankura) ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রাজকুমার সিংহ মহাপাত্র এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাই, কেউ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে বলার সাহস দেখাননি। বিজেপি কর্মী সাহস করে বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে নালিশ জানিয়েছিলেন। আর তাতেই চটে যান ওই পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হলেও পরে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দুই ভাই পিন্টুর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। লাঠি ও রড দিয়ে পিন্টুকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অন্যায় করলেও তৃণমূলকে (Trinamool Congress) কিছু বলা যাবে না। পঞ্চায়েত সদস্যকে রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ার জন্য যে কেউ বলতে পারেন। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ওই বিজেপি কর্মী নালিশ জানিয়েছিলেন। তারজন্য এই হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল (Trinamool Congress) অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে বিষয়টিকে পারিবারিক ঝামেলা বলে দাবি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share