Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! তাই আপাতত নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল মমতা সরকার (Nabanna)। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য, পূর্ত, পুলিশ- এই সমস্ত সরকারি দফতরগুলিতে নতুন করে প্রয়োজন ছাড়া কোনও নিয়োগ করা হবে না, এর পাশাপাশি কোনও সরকারি ভবনও নতুন করে তৈরি করা হবে না, সম্প্রতি মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকার নেতৃত্বে সরকারি দফতরে গুরুত্বপূর্ণ আমলাদের নিয়ে এমপাওয়ার্ড কমিটির (Nabanna) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেখানেই এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই (Nabanna)

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন দশ লাখ চাকরি প্রস্তুত রয়েছে! কিন্তু তা নাকি মামলার কারণেই শুরু করা যাচ্ছে না! মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা যে কতটা ফাঁকা আওয়াজ, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে মুখ্য সচিবের এমন বৈঠকেই (Nabanna)। সূত্রের খবর বৈঠকে এও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরে যে সংখ্যায় নিয়োগ করা দরকার তার তালিকা তৈরি করতে হবে, তা পেশ করতে হবে। একান্ত প্রয়োজন হলেই সেই তালিকা থেকে ৫০ শতাংশ নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু তার বেশি কখনও নয়।

    সরব বিজেপি 

    রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এ নিয়ে সরব হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোষাগারে যদি এতই টান তখন পূজো কমিটিগুলিকে মোট ৩৬৫ কোটি টাকা অনুদান কীভাবে দেওয়া হচ্ছে? বিজেপি নেতা সজল ঘোষের বক্তব্য, “৬০০ কোটি টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান বানিয়ে চাঁদে পাঠিয়ে ভারতের পতাকা পুঁতে এসেছেন। আর উনি গত দু’বছরে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এই বছর পৌনে চার কোটি টাকা খরচ করছেন। একবার ভেবে দেখুন এই টাকা দিয়ে কত মানুষের চাকরি হত?”

    কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে

    সূত্রের খবর, কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে (Reins on Recruitment) গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে সতর্ক করলেন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা। সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যসচিব পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘বুঝে কর্মী নিয়োগ করতে হবে (Reins on Recruitment)। শূন্য পদ হলেই লাফিয়ে নিয়োগ করতে হবে এমনটা নয়। যতটুকু প্রয়োজন, যতটুকু না হলে নয় ততটুকু নিয়োগ করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৪ জুলাই ছিল আয়কর দিবস (Income Tax Day)। ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন বলে জানা যায়। ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন (India’s Fiscal Milestone) বলে মনে করা হয়। তবে ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেও, তার ৬২ বছর পরে ১৯২২ সাল থেকেই প্রকৃত অর্থে এদেশের কর ব্যবস্থায় বিপ্লব আসে। সেই সময় থেকে দেশে আয়কর (Income Tax Day) আইন চালু হয়, যার ফলে ভারতে একটি কাঠামোগত কর প্রশাসন গড়ে ওঠে। এর পর ১৯২৪ সালে গঠন করা হয় কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড, যা ১৯৬৩ সালে বিভক্ত হয়। এই সময় কালে দেশের প্রতিটি রাজ্যে আয়কর কমিশনার নিয়োগ করা হয়।

    ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল 

    ১৯৪৬ সালে আর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয় গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগের মাধ্যমে। এরপরে ১৯৬৩ সালে আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠা করে সরকার। আয়কর (Income Tax Day) বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা হয়েছিল ১৯৮১ সালে। ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল। আয়কর বিভাগের এই সমস্ত সাফল্যকে স্মরণে রাখতেই প্রতি বছর ২৪ জুলাই পালন করা হয় আয়কর দিবস (India’s Fiscal Milestone)।

    একনজরে আয়কর ব্যবস্থার বিবর্তন (Income Tax Day)

    ১৮৬০: স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেন।

    ১৯২২: ব্যাপক স্তরে আয়কর আইন প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯২৪: গঠিত হয় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ রেভিনিউ অ্যাক্ট।

    ১৯৪৬: গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগ।

    ১৯৫৭: প্রতিষ্ঠিত হয় আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ। পরে যার নাম বদলে রাখা হয় ন্যাশনাল একাডেমি অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস।

    ১৯৬৩: বিভক্ত হল কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড।

    ১৯৮১: আয়কর বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা।

    ২০০৯: সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হল বেঙ্গালুরুতে।

    ২০১৪: আয়কর বিভাগের নতুন ওয়েবসাইটের সূচনা ।

    ২০২০: মামলা-মোকদ্দমা কমাতে এবং সরকারি রাজস্ব আয়ের জন্য ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্পের প্রবর্তন।

    ২০২১: খোলা হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মিলল সাফল্য। সফল হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের (Ballistic Missile Defence System) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ওড়িশা উপকূলের অদূরে বুধবার এই পরীক্ষা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, সংক্ষেপে ডিআরডিও (DRDO)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Ballistic Missile Defence System)

    সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “এই সফল ফ্লাইট টেস্ট আরও একবার দেশের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ক্ষমতা প্রমাণ করল।” সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে একটি মিমিকিং অ্যাডভারসারি ব্যালিস্টিক মিসাইলকে টার্গেট মিসাইল বানিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এলসি-৪ ধর্মা থেকে। স্থলে এবং সমুদ্রে থাকা ওয়েপন সিস্টেম রাডারগুলি সেগুলিকে চিহ্নিত করেছিল। 

    লঞ্চ হল ইন্টারসেপ্টর মিসাইল…

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুরূপী মিসাইলটি রেডারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এডি ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম। ৪টে ২৪ মিনিটে ফেজ-২ এডি এনডো-অ্যাটমস্ফেরিক মিসাইলটি লঞ্চ হয়েছিল চাঁদিপুরের এলসি-৩ আরটিআর থেকে। এই ফ্লাইট টেস্ট সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ার ওয়েপন সিস্টেমকে যাচাই করার সব ধাপগুলি সফলভাবে পেরিয়েছে। এই ওয়েপন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে লং রেঞ্জ সেন্সর, লো ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং এমসিসি ও অ্যাডভান্সড ইন্টারসেপ্টার মিসাইলগুলি।

    আরও পড়ুন: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে এই নয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile Defence System)। ভারতীয় সেনার নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে আগেই প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছে এই মিসাইলের ব্যবহারিক কৌশল ও লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা। এদিন হল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, নয়া এই মিসাইল ‘অগ্নি’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মিসাইলটির পারফরমেন্স মনিটরিং করা হচ্ছিল ফ্লাইট ডেটা থেকে। এই ডেটা সংগ্রহ করেছিল রেঞ্জ ট্র্যাকিং যন্ত্র। জাহাজ-সহ বিভিন্ন জায়গায় (DRDO) রাখা হয়েছিল এই যন্ত্র। সেখান থেকেই মিলেছে যাবতীয় তথ্য (Ballistic Missile Defence System)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কানাডা আমাদের দেশ। আমাদের এই দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা (Gurpatwant Singh Pannun)।” বুধবার এই ভাষায়ই খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আক্রমণ শানালেন কানাডার সাংসদ চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)। কানাডার মাটিতে দীর্ঘদিন ধরেই তিলে তিলে বাড়ছে খালিস্তানি জঙ্গিদের ভিড়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপন্ত সিং পান্নুন।

    কী বললেন কানাডার সাংসদ?(Chandra Arya)

    খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ায় তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। তবে কিছুই করার নেই জাস্টিন ট্রুডো সরকারের। কারণ খালিস্তানপন্থী কয়েকজন সাংসদের সমর্থনে কোনওক্রমে টিকে রয়েছে ট্রুডো সরকার। এহেন অবস্থায় কানাডার সাংসদের বক্তব্যে খানিকটা হলেও, ধাক্কা খেল ট্রুডো সরকার। আর্য বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা হিন্দুরা আমাদের সুন্দর দেশ কানাডায় এসেছি। সাউথ এশিয়ার সব দেশ থেকে, আফ্রিকার বহু দেশ থেকে, ক্যারিবিয়ান থেকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমরা এখানে এসেছি। কানাডা আমাদের দেশ।”

    কানাডা ছেড়ে চলে যেতে বলছে পান্নুন!

    সম্প্রতি একটি ভিডিওয় ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র প্রধান গুরুপন্ত সিং পান্নুন আর্য (Chandra Arya) এবং অন্য হিন্দু বংশোদ্ভুত কানাডিয়ানদের কানাডা ছেড়ে ভারতে ফিরে যেতে বলেছে। আর্য এবং তাঁর সমর্থকদের পান্নুন এও বলেছে, আপনারা কানাডা ছেড়ে চলে যান। কারণ তিনি (আর্য) কানাডা বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত। কানাডার মূল্যবোধ এবং চার্টার অফ রাইটসের বিরুদ্ধাচরণ করছেন তিনি। আর্য ভারতের মাস্টারদের স্বার্থেও কাজ করছেন বলে ভিডিওয় অভিযোগ পান্নুনের। সাংসদদের কাছে আর্যের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান।

    আরও পড়ুন: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    শুধু তাই নয়, আর্যকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধও সে করেছে কানাডিয়ান পার্লামেন্টের কাছে। পান্নুন বলে, কানাডার কাছে আমরা যে বিশ্বাসযোগ্য, দশকের পর দশক ধরে আমরা খালিস্তানপন্থীরা তা প্রমাণ করেছি।

    এই ভিডিওর প্রেক্ষিতেই খালিস্তানপন্থীদের নিশানা করেছেন কানাডিয়ান সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কানাডাকে তাঁর দেশ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “কানাডার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা নিরন্তর সদর্থক অবদান রেখে চলেছি। আমাদের হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সুদীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা কানাডায় বহুধা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছি।” এর পরেই কানাডার এই সাংসদ বলেন, “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা। স্বাধীনতার যে অধিকার (Gurpatwant Singh Pannun) কানাডিয়ান চার্টার অফ রাইটস দিয়েছে, তার অপব্যবহার করছে (Chandra Arya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা?” বুধবার (Budget 2024) রাজ্যসভায় এই ভাষায়ই তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    তৃণমূলকে জবাব সীতারামনের (Nirmala Sitharaman)

    মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই সংসদে প্রথমবারের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছে তৃতীয় মোদি সরকার। বাজেট পেশ করেছেন সীতারামন। এই বাজেট নিয়েই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাজেটকে ‘বিহার বাজেট’ বলেও কটাক্ষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বুধবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের ছোড়া তিরকে ফের ঘাসফুল শিবিরের দিকেই ছুড়লেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, বাজেটে কোনও রাজ্যকে বঞ্চনা করা হয়নি। বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

    তিনি বলেন, “প্রতিটি বাজেটে দেশের প্রতিটি রাজ্যের নাম বলার সুযোগ থাকে না।” এই প্রসঙ্গেই সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেন, “মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার বধাবনে সমুদ্র বন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেটে এর উল্লেখ নেই। তার মানে কি, মহারাষ্ট্রকে উপেক্ষা করা হয়েছে? বক্তৃতায় যদি একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের নাম বলা না হয়, তাহলে কি কেন্দ্রের প্রকল্পগুলো থেকে তারা উপকৃত হয় না?” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা।”

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    কংগ্রেসকে নিশানা করে নির্মলা বলেন, “উনি (মল্লিকার্জুন খাড়গে) বলছেন অনেক রাজ্যের নামই নেই বাজেটে। আমি শুধু নাকি দুই রাজ্যের কথাই বলেছি। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল। অনেক বাজেট ওরা করেছে। তাই ওদের জানা উচিত, প্রত্যেক বাজেটে সব রাজ্যের নাম রাখা সম্ভব হয় না।” এর পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “গতকাল তৃণমূল বাজেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বলা হচ্ছে, বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি। আমাকেও তাহলে বলতে হয় যে, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও (Budget 2024) চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা (Nirmala Sitharaman)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই মজবুত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত (Employment)। দেশের ভিডিও এন্টারটেইনমেন্ট অর্থনীতির (Online Video Revenue) গড় বার্ষিক বৃদ্ধি ৮ শতাংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এটা পৌঁছে যেতে পারে ১৩ বিলিয়ন (১৩০০ কোটি) মার্কিন ডলারে। সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। স্ট্রিমিং ভিডিও অন ডিমান্ড (ভিওডি)-র যা চাহিদা, তা থেকে যে রাজস্ব আদায় হয়েছে, তাতে এর অবদান নয়া রাজস্ব বৃদ্ধির অর্ধেক। এই ভিওডি এন্টারটেনমেন্ট অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে পে টিভি, ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এবং প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলো।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Online Video Revenue)

    রিপোর্টের শিরোনাম, ‘বিয়ন্ড স্ক্রিনস: স্ট্রিমিং ভিওডি ইমপ্যাক্ট অন ইন্ডিয়া’জ ক্রিয়েটিভ ইকনোমিক’। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, প্রিমিয়াম অনলাইন ভিওডি রাজস্ব ২০২৩ সালে ছিল ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৮ সালের মধ্যেই সেটা গিয়ে দাঁড়াবে ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলোতে মেলে বিজ্ঞাপন, স্পোর্টস, সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে নিউজ কনটেন্ট এবং হাইব্রিড বিভিন্ন মডেল।

    লগ্নির পরিমাণও বাড়বে 

    গত বছর এই হাইব্রিড মডেলের সংখ্যা ছিল ৬০-এর কাছাকাছি। ওই বছর এই প্ল্যাটফর্মগুলো (Online Video Revenue) লোকাল কনটেন্টের পিছনে ব্যয় করেছিল ২.২ মার্কিন বিলিয়ন ডলার। ২০২৮ সালে এই ব্যয় পৌঁছবে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। ভিডিও ইন্ডাস্ট্রিতে কনটেন্ট ইনভেস্টমেন্টের সম্ভাব্য পরিমাণ হবে ৩০ শতাংশ। অরিজিনাল অনলাইন ভিওডিতে লগ্নির পরিমাণও বাড়বে। ২০২৮ সালের মধ্যে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, স্ট্রিমিং ভিওডিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার জনের। ’২৮ সালের মধ্যে এটাই হয়ে যাবে দ্বিগুণ। স্ট্রিমিং ভিওডি-র প্রভাবের বিস্তৃতি ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি ছাড়িয়েও বহুদূর বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে অ্যানিমেশন, টেলিকম, ব্রডব্র্যান্ড, ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটিও (Employment)। ভারতের ছ’টা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হল ডিজনি+হটস্টার, প্রাইম ভিডিও, নেটফ্লিক্স, সনি এলআইভি, জি৫ এবং ভুট/জিও সিনেমা (Online Video Revenue)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া, বারাকপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির পর এবার মালদার (Malda) গাজোলে দিনেদুপুরে ব্যাঙ্কে ডাকাতি (Dacoits) ঘটনা ঘটল। চলল গুলি। সঙ্গে বোমাবাজি। গুলিবিদ্ধ হলেন সমবায় ব্যাঙ্কের ক্যাশিয়ার। আর বুধবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। যদিও পরে পুলিশ ডাকাতদের পিছু ধাওয়া করে। রাস্তায় গুলি বিনিময় হয়। পরে, দুজন দুষ্কৃতী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    ইতিমধ্যেই ঘটনার হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা রঙের চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায় গাজোলের কেষ্টপুর সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কের সামনে। মুহূর্তেই গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নামে ৮ থেকে ১০ জন দুষ্কৃতী। প্রত্যেকের মুখেই কাপড় বাঁধা। বন্দুক হাতে ঢুকে পড়ে ব্যাঙ্কের মধ্যে। বোমার শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চলে লুটপাট। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীদের (Dacoits) আটকাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন হিসাবরক্ষক যোগেশ্বর মণ্ডল। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। তাঁকে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে। পরে, তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, প্রায় ছ’লক্ষ টাকা লুট করেছে দুষ্কৃতী দলটি। এই ঘটনার পরেই এলাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। ব্যাঙ্কের এক কর্মী বলছেন, “কেষ্টপুর বাসস্ট্যান্ডে আমাদের সমবায় ব্যাঙ্ক। জনবহুল এলাকা। সেখানে এরকম ঘটনা ঘটল। চরম আতঙ্কিত আমরা। পুলিশের আরও নজরদারি বাড়ানো দরকার।” শুধু ব্যাঙ্কের কর্মী নন, সাধারণ মানুষও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    পুলিশের সঙ্গে ডাকাত দলের গুলি বিনিময়

    পুলিশ সূত্রে খবর, ডাকাতির (Dacoits) পরেই চারচাকা গাড়িতে করে পালিয়েছিল দুষ্কৃতী দলটি। গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ। পিছু ধাওয়া করছে দেখে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালিয়েছিল তারা। এরপর ভাবুক অঞ্চলের মন্দিলপুর এলাকায় গাড়ি রেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। সেই সময়েই গুলি চালায় পুলিশও। একজনের পায়ে গুলি লাগে। আর একজনের কোমরে। গুলি লাগতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তারা। তাদের ওই অবস্থায় ফেলে রেখেই বাকিরা পালিয়ে যায়। ধৃতদের এক জনের বাড়ি মালদার (Malda) চাঁচলে, অন্যজনের গাজোলের কৃষ্ণপুর এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalki 2898 AD: ‘কল্কি’ সিনেমা আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে, কবে অনলাইনে মুক্তি জানেন?

    Kalki 2898 AD: ‘কল্কি’ সিনেমা আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে, কবে অনলাইনে মুক্তি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগ অশ্বিন পরিচালিত, বৈজয়ন্তী মুভিজ দ্বারা প্রযোজিত এবং অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, প্রভাস এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘কল্কি’ (Kalki 2898 AD) রুপালি পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল গত ২৭ জুন। ইতিমধ্যে এই সিনেমা ১০০০ কোটির বক্স অফিসে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই সিনেমাকে ঘিরে দর্শক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে।

    মুক্তির দিনেই কাল্কির আয় ১১৪ কোটি টাকা (Kalki 2898 AD)

    এই সিনেমাকে ঘিরে মুক্তির আগে থেকেই দর্শক মহলে ব্যাপক আগ্রহ ছিল। মুক্তির দিনেই ‘কল্কি’ (Kalki 2898 AD) ১১৪ কোটি টাকা আয় করেছে। এরপর প্রথম সপ্তাহে, প্রভাস অভিনীত ছবিটি ৪৯৪.৫ কোটি আয় করতে সক্ষম হয়েছিল। ঠিক তারপর দ্বিতীয় সপ্তাহেই ১৫১.৭৫ কোটি এবং তৃতীয় সপ্তাহে ৬৬.০৫ কোটি টাকা আয় করেছে। আবার মুক্তির চতুর্থ সপ্তাহের রবিবার ২১ জুলাইতেও বক্স অফিসে ব্যাপক বাজিমাত করেছে। ২৫ দিনের মাথায় মোট ৭৩২.৮ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। তবে আয়ের সিংহ ভাগ টাকা অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানা রাজ্যে উপার্জন করেছে। এই দুটি রাজ্যে মোট আয়ের পরিমাণ ২৭০.৫ কোটি টাকা। যদিও সূত্রে জানা গিয়েছিল সিনেমার বাজেট ছিল ৬০০ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুনঃ বক্স অফিসে আরও সাফল্যের পথে ‘কল্কি’, এবার ১০০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ

    প্রাইম ভিডিও ইন্ডিয়াতে স্ট্রিমিং হবে

    সিনেমা নির্মাতার অবশ্য দাবি, এখনও পর্যন্ত ১০০০ কোটির বেশি আয় হয়েছে। ‘কল্কি’র (Kalki 2898 AD) অটিটি প্ল্যাটফর্মে (OTT release) মুক্তির বিবরণ সম্পর্কিত তথ্য ডেকান ক্রনিকল দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাইম ভিডিও ইন্ডিয়া এই সিনেমাকে তেলুগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম ভাষায় সম্প্রচার করবে। তবে নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ায় হিন্দি সংস্করণটিও দ্রুত প্রকাশিত হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে বলিউড সংস্করণটি বিলম্বিত হতে পারে। ১৫ অগাস্টে প্রাইম ভিডিও ইন্ডিয়াতে স্ট্রিমিং শুরু করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা বর্ষায় জমছে জল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। অনেকে আবার বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাচ্ছেন। লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

    ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ১৩৬ জন (Dengue)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বুধবার পর্যন্ত প্রায় ১৩৬ জন ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুদিনে ১৫ জন জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এখন ডেঙ্গি পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে। তাই আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় এবার আরও সজাগ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। গতবছর কুমারগঞ্জ ব্লকের নানা প্রান্ত ও বালুরঘাটের বেশ কিছু এলাকা ডেঙ্গির হটস্পট জোন ছিল। এবারও বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ সহ হিলি ব্লকে ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে গঙ্গারামপুর মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কম এনিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মূলত সচেতনতামূলক প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্ষার মধ্যে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়লেও কোনও মৃত্যুর খবর নেই। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    স্বাস্থ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    জেলার আটটি ব্লকেই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ ও হিলি ব্লকে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে দফতর সূত্রে খবর। ফলে, সচেতনতার পাশাপাশি পরীক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। তবে, মৃত্যুর কোনও খবর নেই। গতবারের তুলনায় এবার জেলা হাসপাতালের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রামীণ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গির পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর অনেকটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে।” যদিও বালুরঘাট পুরসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, “বালুরঘাট (South 24 Parganas) শহরে নতুন করে কেউ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়নি। আমরা সব জায়গায় নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালু হয়ে গেল ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট (One World UPI Wallet)। সম্প্রতি ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন (NPCI) এটা চালু করেছে। ভারতে বেড়াতে এসে যাতে আন্তর্জাতিক পর্যটকরা (International Travellers) সমস্যায় না পড়েন, তাই এই ব্যবস্থা। ভারতীয় সিম কার্ড কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই এই ওয়ালেটের মাধ্যমে ওয়ালেট ব্যবহারকারীরা টাকা-পয়সা লেনদেন করতে পারবেন।

    কী বলছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন? (One World UPI Wallet)

    ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটকরা ইউপিআই ওয়ান ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে তাঁদের অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। এই ওয়ালেটটি অনায়াসে লোডিং ও অব্যবহৃত ব্যালেন্সকে অরিজিনাল পেমেন্ট সোর্সে ট্রান্সফার করতে পারে। এই উদ্যোগটি বিদেশি পর্যটকদের ভারতের রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেমের অভিজ্ঞতা লাভে সমর্থ। এটি বিশ্বব্যাপী আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট প্রথম চালু হয়েছিল ২০২৩ সালে, জি২০ সম্মেলনের সময়। ওই বছর এই সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্বে ছিল ভারত। ভারতে এসে বিদেশি অতিথি-অভ্যাগতরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু করেছিল কেন্দ্র।

    ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট

    এটা একটা প্রি-পেড ওয়ালেট। এতে ভ্রমণকারীরা নিরন্তর টাকা পাঠাতে পারেন। সেজন্য তাঁদের মুদ্রা বিনিময়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না। এজন্য কোনও ট্রানজেকশন কিংবা অনবোর্ডিং ফি দিতে হবে না। ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই (One World UPI Wallet) ব্যবহার করতে হলে পর্যটকদের স্ট্যান্ডার্ড কেওয়াইসি প্রোসিডিওয়র-পর্ব পার হতে হবে। এতে পর্যটকের পাসপোর্ট, ভিসা, ইন্টারন্যাশনাল ফোন নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। ভ্রমণকারীরা তাঁদের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেটে টাকা রাখতে পারবেন তাঁদের ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। বাছাই করা কয়েকটি দেশের মুদ্রা ট্রান্সফার করেও মুদ্রা লোড করা যাবে ওয়ালেটে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই মিলবে এনপিসিআইয়ের পার্টনার আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক এবং ট্রান্সকর্পে।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ভারতের মস্তিষ্কপ্রসূত এই ইউপিআইয়ের সুবিধা নিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ভুটান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল (International Travellers), ওমান, কাতার, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, ব্রিটেন, জাপানের মতো উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশও (One World UPI Wallet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share