Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • Abhishek Banerjee: চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেলেন অভিষেক! ‘‘স্বাস্থ্যসাথী কাজে দিলো না?’’ কটাক্ষ সুকান্তর

    Abhishek Banerjee: চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেলেন অভিষেক! ‘‘স্বাস্থ্যসাথী কাজে দিলো না?’’ কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের চিকিৎসার জন্য ফের বিদেশ যেতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Abhishek Banerjee)। অভিবাসন সূত্রে খবর, বুধবার কলকাতা থেকে এমিরেটসের উড়ানে সস্ত্রীক দুবাই উড়ে গিয়েছেন অভিষেক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন চিকিৎসা করাতে বিদেশে গেলেন, তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। 

    দুবাই যাত্রা অভিষেকের

    জানা গিয়েছে, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দুবাই যাত্রা করেছেন অভিষেক। সেখান থেকে চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাবেন। এই বিদেশ যাত্রা নিয়ে অভিষেককে কটাক্ষ  করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের বিদেশ যাত্রা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত বলেন, “খবর পেয়েছি চিকিৎসার জন্য গিয়েছেন। ভেবেছিলাম স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে চিকিৎসা করাবেন। কেন করালেন না বুঝতে পারছি না।” তবে গেরুয়া শিবিরের তরফে সরাসরি এ প্রসঙ্গে কিছু বলা হয়নি। কারণ বিষয়টা এখনও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এ প্রসঙ্গে বলেন, “শুধু অভিষেক নয়, তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের ডাকা হলে বারবার তাঁরা হাজিরা এড়ানোর চেষ্টা করেন। আদালত আর সিবিআই বিষয়টা দেখছে। তিনি বলেন, “আইনের ব্যাপার আছে। কোর্ট বুঝবে।”

    আদালতের অভিমত

    বারবার বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন তিনি। আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে জানিয়েছিলেন, ২৬ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চান অভিষেক। আগামী ৮ অগাস্ট তাঁর অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে। এ ব্যাপারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্ত চলাকালীন বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে একাধিকবার বাধার মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেকের পরিবারকে। কিছুদিন আগেই বিমানবন্দরে বাধা দেওয়া হয়েছিল রুজিরাকে।

  • BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত বিজেপির মহা মিছিল শুরু হল। বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোটে ১১জন দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজার কর্মী। তাঁদের মধ্যে ৬৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটে ১২ হাজার ৪৯২টি বুথ দখল হয়েছে এবং ২১ হাজার বুথে ভোটই না হওয়ার অভিযোগ তুলছে বিজেপি। মিছিল শুরুর আগে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রথমে বক্তব্য রাখেন দিলীপ ঘোষ, তারপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ প্রমুখ।

    দিলীপ ঘোষের কথায়

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “পঞ্চায়েত ভোটের নামে রাজ্যজুড়ে প্রহসন হয়েছে। আমাদের কর্মীদের মনোনয়ন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহু কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গোটা বিষয়টি কোর্টে জানিয়েছি। বিচার চলছে। জনগণ আমাদের পাশে রয়েছে। জনগণকে পাশে নিয়ে আমরা পথে নেমেছি। ভোটকেন্দ্রে সরকারি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুঠ করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিডিও-র নেতৃত্বে ভোট লুঠ হয়েছে। ওসি পর্যন্ত ভোট লুঠে সাহায্য করেছে। এই সমস্ত ওসি, বিডিও-দের চাকরি খেয়ে আমরা ভিখারি করে ছাড়ব, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তাই আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথে নেমেছি। এর জন্য যতদূর যেতে হয় যাব।” তিনি আরও বলেন, “দু-দিন পরে এখানে একটা নাটক হবে শহিদ দিবসের নামে। সারা বছর রাজ্যজুড়ে লোককে মারা হয়, আর ২১ জুলাই শহিদ দিবসের নামে নাটক করা হয়। এখানে লোক আসবে না। তাই পুলিশ আর সিভিক পুলিশ ফোন করে জানছে, কত বাস লাগবে, কত লোক আসবে। মেদিনীপুরের কাউন্সিলারকেও ফোন করে কত বাস লাগবে জানছে পুলিশ।”

    শুভেন্দু অধিকারীর মত

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চে উঠেই ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে এবং তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন—“মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে হাজার-হাজার বিজেপি কর্মী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই মেগা মিছিলে হাজির হয়েছেন। যদি বুকের পাটা থাকে তো এই মিছিল আটকে দেখাও। গত লোকসভা ভোটের আগেও ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় এরকমই একটা সার্কাস হয়েছিল। সেই সময় নাম দিয়েছিলেন ইউনাইটেড ইন্ডিয়া। তার পরিণতি গোটা দেশের মানুষ দেখেছে। বাংলাতে তৃণমূল ৩৪ থেকে ২২-এ নেমেছে। আর বিজেপি ২ থেকে বেড়ে ১৮-এ পৌঁছেছে। এই পরিবারবাদী লোকেরা, দুর্নীতিগ্রস্ত পার্টিরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচতে বেঙ্গালুরুতে ফাইভ স্টার মিটিং করেছে।” বিরোধী-জোটকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “একদিকে মোদিজি আর অন্যদিকে, দুর্নীতিগ্রস্তরা। আগলিবার মোদিজি ৪০০ পার। আর ইন্ডিয়া নাম দিলেই স্বদেশপ্রেমী হওয়া যায় না। তাহলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও ভারতে থাকত। তাই ইন্ডিয়া নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে না। মানুষ মোদিজির হাতেই দেশ আগামী কয়েক দশক রাখবে।”

    আরও পড়ুন: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    সুকান্ত মজুমদারের দাবি

    শুভেন্দুর মতো সুকান্ত মজুমদারও ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ভোটে সন্ত্রাসের পরেও বিজেপি যে ভোট পেয়েছে তার জন্য দলীয় কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। সিপিএম-কংগ্রেস সেটিং নিয়েও কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, “ওখানে গিয়ে শুধু মিটিং-সেটিং-ইটিং করলেই হবে না। একবার গিয়ে খোঁজ নিন বাংলা থেকে কত মানুষ ওখানে কাজের জন্য যাচ্ছেন। যদি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হয় তাহলে এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হবে। আমাদের লড়াই এখান থেকেই শুরু হচ্ছে। যে সরকার নিজেদের পুলিশকে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেই সরকার রাজ্যবাসীকে কি সুরক্ষা দেবে!” মেগা মিছিলের মঞ্চ থেকে তৃণমূলের শহিদ দিবসেই অর্থাৎ ২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন সুকান্ত মজুমদার। সকলকে এই লড়াইয়ে নামার আহ্বান জানান সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘মারো আর ২ লাখ টাকা দিয়ে দাও’! বিরোধী জোটকে কটাক্ষ, রাজ্যে হিংসা নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: ‘মারো আর ২ লাখ টাকা দিয়ে দাও’! বিরোধী জোটকে কটাক্ষ, রাজ্যে হিংসা নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা হায় গণতন্ত্র বলে সাড়া দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদের রাজ্যে গণতন্ত্র মাটি চাপা পড়ে গিয়েছে। কোর্টে যেতে হয় গণতন্ত্র খুঁজতে। বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বুধবার পথে নামছে বিজেপি। যদিও এই মিছিলে পুলিশের অনুমতি মেলেনি। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ‘পুলিশ নিজেই অশান্তি করছে। আমরা আমাদের কর্মসূচি বহাল রাখব। পুলিশের অনুমতি না মিললেও, মহা মিছিল হবে। আমরা আমাদের কাজ করব, পুলিশ পুলিশের কাজ করবে। সাড়া দেশে গণতন্ত্রের জন্য দৌড়চ্ছেন আর রাজ্যে যে গণতন্ত্র মাটির তলায় চলে গিয়েছে। চশমার দোষ আছে।’  বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোটে ১১জন দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজার কর্মী।  তাঁদের মধ্যে ৬৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটে ১২ হাজার ৪৯২টি বুথ দখল হয়েছেএবং ২১ হাজার বুথে ভোটই না হওয়ার অভিযোগ তুলছে বিজেপি। 

    ভাঙড় অশান্তি

    ভাঙড়-অশান্তি নিয়েও মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি চান না, তাই ভাঙড়ে শান্তি ফিরছে না। ওঁরা হস্তক্ষেপ বন্ধ করলে ভাঙড়ে নিজে থেকেই শান্তি ফিরে আসবে। নওশাদকে তো আটকে দিয়েছে। ঢুকতেই পারেনি। ওখানে মানুষ যাকে জিতিয়েছে, তাকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনও কর্মসূচি করতে দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ গণতান্ত্রিক ভাবে যাদের হারিয়েছে, তারাই ওখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিকে ঢুকতে দিচ্ছে না। বাইরে থেকে গুন্ডা মস্তান পাঠিয়ে ওখানে বোমা-গুলি-সন্ত্রাস কায়েম করেছে। অন্য জায়গার বিধায়ক ওখানে ঢুকে বসে আছে। আর ওখানকার বিধায়ককে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দোষটা কার? যদি তৃণমূল মনে করে ওটা মুক্তাঞ্চল এবং ওখানে ওরাই দাপিয়ে বেড়াবে, তাহলে তো প্রতিরোধ হবেই। ”

    আরও পড়ুন: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম! জীবন বাঁচাতে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    মোদি-বিরোধী নয়া জোট

    মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে টিপ্পনি করে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটুতেই হাওয়া খেয়ে যান। কখনও অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কখনও নীতীশ কুমার, কখনও বা সনিয়া গান্ধী ওনাকে হাওয়া দিচ্ছেন”। দিলীপের (Dilip Ghosh) কথায়, “ওঁরা চাইছেন মমতাকে নেতা বানিয়ে নরেন্দ্র মোদির সামনে ছুঁড়ে দিতে। কেউ এরিনায় ঢুকে খেলতে চাইছেন না। যারা ঢুকেছে, তাদের অত্যন্ত দূরাবস্থা। অনেকে আর সাংসদ নেই। তাই কেউ মোদির সামনে যাবে না।”

    মোদির সঙ্গে ইন্ডিয়ার লড়াই

    দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “ভারতের সঙ্গে ইন্ডিয়ার লড়াই। মোদির সঙ্গে না। ইন্ডিয়া বিদেশি ভাবধারার একটা ভাবাদর্শ। যারা এতদিন ভারতকে গোলাম করে রেখেছিলেন, যাদের লোকেরা মনের দিক থেকে এতদিন গোলাম হয়ে থেকেছেন, তারা ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি। আমরা তো ভারত মাতার জয় বলে শুরু করেছি। তাতে ওদের অসুবিধা হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে এখন মোদির নাম জড়িয়ে আছে। দেশে বিদেশে সম্মান আসছে। দেশ তার নিজের আদর্শে এগোচ্ছে। তাই ভারতের জয় হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh : ‘পাটনায় পিকনিকের পর, বেঙ্গালুরুতে ব্যাঙ্কয়েট হবে’, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh : ‘পাটনায় পিকনিকের পর, বেঙ্গালুরুতে ব্যাঙ্কয়েট হবে’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে ফের বসছে বিরোধী জোটের বৈঠক (Opposition Party Meet)। থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠক নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শ্লেষাত্মক বাক্যে তিনি বলেন, ‘ক’দিন আগে বিরোধী জোটের বৈঠক ঘিরে পাটনায় পিকনিক হয়েছে। বেঙ্গালুরুতে হবে ব্যাঙ্কয়েট।’ একই সঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, ‘ইউপিএ চাইছে পরিধি আরও বড় হোক। এনডিএ’ও তাই চাইছে। কিন্তু ইউপিএ’র বৈঠকে কারা যোগ দিচেছ? কী শক্তি আছে তাদের? পাটনায় পিকনিক হয়েছিল। এবার বেঙ্গালুরুতে ব্যাঙ্কয়েট হবে। সব দেখে মনে হচ্ছ, কংগ্রেস হয়তো এই এবারের বৈঠকে বিজয়োৎসব পালন করতে চাইছে। এটাই ওদের কাছে সান্ত্বনা।’

    লোকসভা নিয়ে আশাবাদী

    আর পাঁচটা দিনের মতোই সোমবারও নিউটাউনে ইকোপার্কে মর্নিংওয়াকে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখানেই তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য বিজেপির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির কথায়, ‘আগের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সংগঠন অনেক মজবুত হয়েছে। তার বড় প্রমাণ এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা ৪৭ হাজার প্রার্থী দিতে পেরেছি। আগেরবার মাত্র ২১ হাজার দিতে পেরেছিলাম। এতে স্পষ্ট, রাজ্যে সংগঠন মজবুত হচেছ। বিজেপির উপর মানুষের আস্থা বাড়ছে। তাই আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে আমরা খুব ভালো লড়াই দিতে পারব শাসক দলকে। আমার বিশ্বাস, গতবারের তুলনায় আরও এক ডজন সিট ছিনিয়ে নিতে পারব।’

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

    লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে রাজ্য বিজেপি বিশেষ জোর দিচ্ছ। যাদবপুরকে আলাদা সাংগঠনিক জেলার স্বীকৃতি দিতে চলেছে গেরুয়া শিবির। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, ‘আগেই ঠিক হয়েছিল লোকসভা আসন ভিত্তিক সাংগঠনিক জেলা হবে। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা ভোটে লড়াই করার ক্ষেত্রে। তাই যাদবপুরের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদাকেও আলাদা সাংগঠনিক জেলার স্বীকৃতি দেওয়া হচেছ।’

    পুননির্বাচনে বিরোধীদের জয়

    সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নজিরবিহীন সন্ত্রাস নিয়েও তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘আমরা যত প্রার্থী দিয়েছিলাম সেই মতো ফল হয়নি। তার বড় কারণ ভোট লুঠ। তা শুধু ভোটের দিন হয়নি, গণনাতেও হয়েছে। ইতিমধ্যেই ছ’হাজার বুথে ভোটে কারচুপির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে হাইকোর্টে। আশা করছি, সুবিচার পাবে বিরোধীরা। কারণ, ১০ জুলাই যে ৬৯৬টি বুথে পুননির্বাচন হয়েছে, সেখানে বিরোধীরা জিতেছে ৬৫০ আসন। যা থেকে স্পষ্ট, নিয়ম মেনে ভোট পরিচালনা হলে তৃণমূল অর্ধেক আসনও জিততে পারত না।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট পরবর্তী বাংলায় ফের মিছিলের ডাক রাজ্য বিজেপির (Bengal BJP)। রাজ্যে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আগামী ১৯ জুলাই কলকাতায় মহা মিছিলের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির।  চূড়ান্ত পরিকল্পনা না হলেও ঠিক হয়েছে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত হবে মিছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও গণনায় কারচুপির অভিযোগ এই মিছিলের সামনে থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক

    পঞ্চায়েত ভোটের পর রবিবার বিজেপির (Bengal BJP) পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। আলোচনায় বারবার ভোটের সন্ত্রাস যেমন উঠে এসেছে, উঠে এসেছে বিজেপির সামগ্রিক ফল নিয়েও কাটাছেঁড়া। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সাংগঠনিক বৈঠক নিয়ে বাইরে আমি বলতে পারব না। এটুকু বলতে পারি এতদিন কী কাজ হয়েছে তার পর্যালোচনা, পঞ্চায়েত ভোটের পর্যালোচনা এবং তাকে পাথেয় করে আগামী লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরুকে সামনে রেখে এই বৈঠক হয়েছে।” সুকান্ত জানান, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বহু কর্মসূচি বিজেপি পালন করে উঠতে পারেনি। এবার তা শুরু হবে। নরেন্দ্র মোদির সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হওয়ার নানা কর্মসূচি রয়েছে তালিকায়। এদিনের বৈঠকে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা ৪২ থেকে ৪৫ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে মোদি সরকারের ৯ বছরের উদযাপনে ১৬ অগাস্ট ১ হাজার সভা করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। একইসঙ্গে পঞ্চায়েতে লড়াই দিয়েছেন এমন জয়ী বিজিত সমস্ত প্রার্থীকেই দলের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। জেলায় জেলায় সেখানকার প্রার্থীদের নিয়ে সংবর্ধনা সভা আয়োজন করার নির্দেশও দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    মিছিল নিয়ে নানা পরিকল্পনা

    আগামী শুক্রবার, ২১ জুলাই তৃণমূলের ‘শহিদ দিবস’ রয়েছে। তার আগেই শহরের রাজপথে মিছিলের ডাক দিল বিজেপি (Bengal BJP)। রবিবার বিজেপির  বৈঠকে ছিলেন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। রবিবারের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল দলের বিভিন্ন মোর্চার নেতাদেরও। সেখানেই আগামী বুধবারের কর্মসূচি ঠিক হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে হাওড়া ও শিয়ালদহে জড়ো হবেন কলকাতার আশপাশের জেলা থেকে আসা কর্মী, সমর্থকরা। সেখান থেকে মিছিল আসবে কলেজ স্ট্রিটে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের কর্মীরা সরাসরি কলেজ স্ট্রিটে চলে আসবেন। সেখান থেকেই মূল মিছিল শুরু হয়ে ধর্মতলার দিকে যাবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগামী ১৯ তারিখ আমরা কলকাতায় একটা মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এই বিরোধিতা হবে। পরে সবটাই জানিয়ে দেওয়া হবে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন কেন পড়বে? কেন রাজনৈতিক হিংসার বলি হতে হবে মানুষকে? প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবারই ভোটের (Panchayat Election 2023) হিংসায় মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজন সদস্যকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “স্বজন হারিয়ে কেউ টাকা চায় না, সবাই জীবনের সুরক্ষা চায়। জাস্টিস চায়।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ 

    বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে  রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি সব দেখতে পান না, শুনতে পান না। যতটা দৃষ্টি বা বোঝার ক্ষমতা, ততটাই বলছেন। বাস্তব যেটা, যেটা মিডিয়া তুলে ধরছে। সেটা তো অস্বীকার করা যাবে না। এখনও পর্যন্ত অসমর্থিত ভাবে মৃত ৪৭, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন ১৯। উনি কাল বলেছেন, আমার কি দোষ? ৪৭ জন মরে যাওয়ার পরেও যদি দোষ দেখতে না পান, বা অনুভব করতে না পারেন তাঁর কী ত্রুটি, তাহলে তো আমরা ভগবান ভরসায় বেঁচে আছি। এমন লোককে দায়িত্ব দিয়েছি যার চোখ নেই, কান নেই, কিছু বুঝতেও পারেন না। নিজের দোষ ছাড়া আর সব দেখতে পান। এরকম লোকের কাছে আর কিছু আশা করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    গণনায় কারচুপি

    গণনার দিন যে বিপুল কারচুপি হয়েছে, সেই অভিযোগও তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ গণনার দিন ফোন নামিয়ে রেখেছিলেন বিডিও-রা। জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁরা দাবি করেছেন, বিডিও যা বলার বলে দিয়েছে। রাজভবনের পিস রুমে ভোট সংক্রান্ত ৭৫০০ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর, যা আদালতে পেশ করা হবে। দিলীপ ঘোষের দাবি, এমন হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। কোনও সুরাহা হয়নি। ভাঙড়ের অশান্তি নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্বেও ভাঙড়ে অশান্তি হয়েছে। বাহিনীর যিনি প্রমুখ, তিনি আগেই বলেছেন, তাঁর কাছে স্পর্শকাতর বুথের লিস্ট ছিল না। কোথাও যেতেও বলা হয়নি। ওনারা নিজে থেকে কিছু জায়গায় গেছেন। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আগামী দিনেও মৃত্যু হবে, সেটাও একতরফা হবে না”, বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “আগামী দিনেও মৃত্যু হবে, সেটাও একতরফা হবে না”, বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষ প্রতিরোধ করেছে বলে ওদের বডি পড়ে গেছে। আগামী দিনেও মৃত্যু হবে। এবং সেটাও একতরফা হবে না।” মঙ্গলবার ভোট গণনার দিন কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন দিলীপ।

    “তৃণমূলকে ভোট দিয়ে কী ভুল করেছি”

    তিনি বলেন, “সারা দেশের লোক এখানে আসছে, গণতন্ত্র বেঁচে আছে কিনা দেখতে। আর এরা যাচ্ছে মণিপুর। এসব চালাকি করে বেশি দিন চলে না। এরা দিল্লি যাবে, বিহার যাবে, উত্তরপ্রদেশ যাবে, আর এ রাজ্যে পাড়ায় পাড়ায় খুন খারাপি চলবে। রোজ মৃত্যু হবে। লোক ত্রাহি ত্রাহি করবে। রাজ্যপালকে জেলায় জেলায় ঘুরতে হবে। তার পরেও এরা নির্লজ্জের মতো অন্য রাজ্যে যাবে।” দিলীপ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের লোকেরাও আলোর অপেক্ষায় রয়েছেন। কারণ পুরোটাই তো অন্ধকার। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।” মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “আসলে প্রশাসনের ওপর মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যা খুশি করে বেড়াচ্ছে। তাই এই পরিণতি। মানুষ বুঝতে পারছে, তৃণমূলকে ভোট দিয়ে কী ভুল করেছি।”

    উপদ্রুত

    বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “দিনহাটা, সিতাই, শীতলখুচি, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এই জেলাগুলি সারা বছর উপদ্রুত। এখন দুষ্কৃতীদের পুরো রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। গণনায়ও লুঠ হবে। জেতার পরেও বিজেপিকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বিডিওকে হুমকি দেওয়া হবে। রেজাল্ট চেঞ্জ করার চেষ্টা করা হবে।” দিলীপ বলেন, “যাঁরা আজ লজ্জা পাচ্ছেন, তাঁরাই এক সময় সিপিএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে সাপোর্ট করেছিলেন। আগে তাঁরা স্বীকার করুন, তাঁরা ভুল করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, পা ভাঙল প্রার্থীর, গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “কটা আসন পাব জানি না। তবে পাব। জেলা পরিষদ। আমাদের এলাকায়ও তৃণমূল গোলমাল পাকানোর অনেক চেষ্টা করেছিল। এই যে ওরা বলছে, ওদের লোক মারা গিয়েছে, ওদের লোক কেউ মারা যায়নি। গুন্ডা ও সমাজবিরোধী, যারা টাকা নিয়ে ভোট করায়, তারা মারা গেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “মানুষ প্রতিরোধ করেছে বলে ওদের বডি পড়ে গেছে। আগামী দিনেও মৃত্যু হবে। এবং সেটাও একতরফা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে। ভোটের নামে প্রহসন হতে চলেছে রাজ্যে। নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে শাসক দলকে তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) নির্বাচনের ইস্তাহার প্রকাশ করল বঙ্গ বিজেপি (Bengal BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ তিনজনই ছিলেন মঞ্চে। 

    শুভেন্দুর তোপ

    এদিনই রাজ্য বিজেপির মুখপত্র কমল বার্তা আবার নবরূপে প্রকাশিত হল। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে বিজেপি ইস্তেহার ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করা হল। এদিনের অনুষ্ঠানে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, এরকম ভোট কখনও দেখেনি রাজ্য। কোথাও কেউ মনোনয়ন দিতে পারছেন না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য ভয় দেখাচ্ছে পুলিশ।  নির্বাচন কমিশন শাসক দলের শাখা সংগঠনে পরিণত হয়েছে। শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। সেকারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে আপত্তি জানিয়েছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডের প্রশংসা করেছেন শুভেন্দু।  তিনি বলেছেন মীরা পাণ্ডে বুঝেছিলেন যে ভোট লুঠ হতে পারে। সেকারণেই তিনি আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান, বাংলাদেশে তিন তালাক নেই কেন?” মধ্যপ্রদেশের জনসভায় প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    বিজেপির সংকল্পপত্র

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) স্তরে রাজ্যে যে বিস্তর বেনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে, তা নিয়ে ফের একবার শাসক শিবিরকে বিঁধেছেন দিলীপ ঘোষও। মুখ্যমন্ত্রীর পঞ্চায়েতের নির্বাচনী প্রচার নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সুকান্ত।  বিজেপির পঞ্চায়েতের সংকল্পপত্রে মোট ৯টি ইস্যুকে হাতিয়ার করে এবার গ্রাম বাংলায় প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রথম ইস্যু, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গঠন। দ্বিতীয় ইস্যু, কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয় ইস্যু, অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বাস্থ্য, নারী কল্যাণ, আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, সুশাসন ও সর্বোপরি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মতো ইস্যুগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে বিজেপির সংকল্পপত্রে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যত ফুরিয়ে আসবে, ততই বাড়বে তৃণমূলের (TMC) মধ্যে দ্বন্দ্ব, মারামারি।” রবিবার নিউ টাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে এ কথা বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন। ভোট হবে ৮ জুলাই। মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত।

    ‘তৃণমূল নিজেরা মারামারি করছে’

    দিলীপ বলেন, “তৃণমূল তো এখন নিজেরা মারামারি করছে। কাল (সোমবার) থেকে যখন ব্যাপকভাবে মনোনয়নপত্র জমা শুরু হয়ে যাবে, তখন আরও গন্ডগোল হবে। তৃণমূলের কে টিকিট নেবে, তা-ই নিয়ে মারামারি, কে মনোনয়নপত্র জমা দেবে, তা-ই নিয়ে মারামারি। একাধিক মনোনয়ন হবে, নির্দল প্রার্থী দেবে, মারামারি চলতে থাকবে। তার সঙ্গে বিরোধীদেরও মারবে ওরা। বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এই সব জেলা উপদ্রুত অঞ্চল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থেকে বিস্তীর্ণ এলাকা উপদ্রুত। এই সব অঞ্চলে কখনওই আইনশৃঙ্খলা ঠিক থাকে না। আর রাজনীতিটা সমাজবিরোধীরাই করে। সেটাই হচ্ছে এখন।”

    ব্যাপক গন্ডগোলের আশঙ্কা

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যত শেষ হয়ে আসবে, অশান্তি ততই বাড়বে বলে মনে করেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “সোমবার থেকে ব্যাপক মনোনয়নপত্র জমা হবে। ব্যাপক গন্ডগোলও হবে। পুলিশের ক্ষমতা নেই তা আটকানোর। চটি পরা, লাঠি হাতে সিভিকরাও আটকাতে পারবে না। মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন।”

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

    ভাঙড়ে আইএসএফকে মনোনয়ন ফর্ম দেওয়া হয়েছে বলে এক সরকারি আধিকারিককে মারধর করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “এমনিতে রোজই মারামারি হয়, প্রতিদিনই বম্ব পড়ে ওখানে। এবারও তাই হয়েছে। জেলায় যে কটা তৃণমূলের নেতা হয়েছে, তারা তো অ্যান্টি-সোশ্যাল। তাদের নাম দেখুন। ১০ বছর, ১২ বছর, ১৫ বছর ধরে শুনছি কেউ বামেদের ছিল। তখন থেকে অ্যান্টি-সোশ্যাল। তো সেখানে আর কিছু আশা করা যায় না।”

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন এক কংগ্রেস কর্মী। কাঠগড়ায় তৃণমূল। রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলা থেকেও অশান্তির খবর এসেছে। সব কটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধনা করলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। 

    সোমবার সকালে প্রথমে অভিষেক-পত্নীকে বিদেশে যেতে বাধা দেয় কলকাতা বিমানবন্দরে থাকা অভিবাসন দফতর। তাঁর বিরুদ্ধে ইডির একটি লুক আউট সার্কুলার নোটিস জারি থাকার কথা জানিয়ে অভিষেক-পত্নীকে বিদেশে যেতে বাধা দেয় বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগ। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রুজিরাকে তলব করে ইডি। আগামী ৮ জুন তাঁকে হাজিরা নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন অভিষেক। অভিষেক বলেন, ‘‘পারলে জনতার দরবারে এসে আমার সঙ্গে লড়াই করুন।’’ 

    অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    অভিষেকের করা এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে তুলোধনা করেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, ‘‘যখন ভয় পায় তখন লোকে চিৎকার করে। ভূতের ভয় পেলে বেশি চিৎকার করে গান গায়। তাই যত ভয় বাড়ে তত চিৎকার বাড়ে।’’ দিলীপের দাবি, অভিষেকের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘যত সময় এগোচ্ছে তত ভয় বাড়ছে, আর তাই আওয়াজ তত জোরে হচ্ছে। চিৎকার হচ্ছে। বড় বড় কথা বলছে। অপেক্ষা করুন, কে কাকে গ্রেফতার করে। সময় চলে আসছে।’’ 

    আরও পড়ুন: “অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রীর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিত”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুধু অভিষেকই নন, এদিন তৃণমূলনেত্রীকেও নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। গতকাল, উত্তরবঙ্গ সফর বাতিল করে কটক যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করেন দিলীপ। বিজেপি সাংসদের মতে, ‘‘সময় ঘনিয়ে এসেছে, তাই পিসিমনি প্রোগ্রাম ক্যান্সেল করতে শুরু করেছেন।’’ দিলীপ বলেন, ‘‘এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! যানা থা জাপান পৌঁছ গয়ে চিন! ক্যায়া মতলাব হোতা হ্যায়। বউমার ডাক পড়েছে। এখন ঘর সংসার সব জেলে হবে। সেই ভয়ে সব ঘেঁটে গেছে। কি বলছেন ঠিক নেই, কোথায় যাচ্ছেন ঠিক নেই। কটক কেন যাচ্ছেন? উঠল বাই কটক যাই!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share