Tag: India

India

  • S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগেই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu) সঙ্গে টেলিফোনে কথাও হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। মোদির পরে এবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বার্তা দিলেন, দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার।

    নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক (S Jaishankar)

    মঙ্গলবার সন্ধেয় জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই আলোচনা হয় প্রযুক্তি, অর্থনীতি, দক্ষতা ও প্রতিভা, সংযোগ এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে। নেতানিয়াহু-জয়শঙ্করের এই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আত্মবিশ্বাসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক রাজনীতি এবং গাজা-সহ একাধিক বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে ভারত ও ইজরায়েলের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে (S Jaishankar)।

    বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক

    নেতানিয়াহুর পাশাপাশি দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় বন্ডি বিচে চলা ইহুদিদের হানুকা উৎসবে গুলি বর্ষণ এবং তার জেরে মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দেও করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত এবং ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে লড়াই করবে দুই দেশই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শীঘ্রই ভারতে আসতে পারেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে জয়শঙ্কর দেখা করবেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই ভারত সফর করে গিয়েছেন (Netanyahu) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিনের বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না ভারত। এ বিষয়ে ভারত ও ইজরায়েল দুই দেশই জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। বন্ডি বিচে হানুকা উৎসব চলাকালীন যে জঙ্গি হামলা হয়েছে, তা নিয়ে গভীরভাবে শোকাহত ভারত। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দে করি।” মনে রাখতে হবে, অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে যে নরসংহার চলেছে, তাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জন ইহুদির। হামলা চালিয়েছিল দুই বন্দুকবাজ (S Jaishankar)। এদের একজন আবার জন্মসূত্রে ভারতীয়। তার নাম সাজিদ আক্রম। আর এক আততায়ী নবিদ আক্রম তারই ছেলে। সে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। বাবা-ছেলের এই কীর্তিতে অবাক হায়দরাবাদে থাকা সাজিদের আত্মীয়-পরিজনেরা।

    সাজিদ বৃত্তান্ত

    সাজিদ জন্মসূত্রে ভারতীয়। তবে কাজের খোঁজে বছর আঠাশ আগে সে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। তেলঙ্গনা পুলিশ জানিয়েছে, সাজিদ যখন ভারতে ছিল, তখন তার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ভারত থেকেই বিকম পাশ করার পর ১৯৯৮ সালে পড়ুয়া ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যায়  (Netanyahu)সে। সেখানেই বিয়ে করে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করে সাজিদ। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এই ছেলেও ছিল ওই দুই বন্দুকবাজের তালিকায়। সূত্রের খবর, অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে ক্রমশ যোগাযোগ কমতে থাকে সাজিদের। দূরত্ব তৈরি হয় তার পরিবারের সঙ্গেও। ২০১৭ সালে বাবার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যেও যোগ দেয়নি সাজিদ কিংবা তার ছেলে-মেয়ে-স্ত্রী। ২০২২ সালে কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে একবার ভারতে এসেছিল সাজিদ। তার পর আর ভারতমুখো হয়নি সে কিংবা তার পরিবার। তবে সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট। যদিও তার ছেলে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সম্প্রতি পিতা-পুত্র ফিলিপিন্স ঘুরে এসেছিল বলেও খবর (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর

    এহেন আবহে জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর এবং পরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, তাঁর ইজরায়েল সফরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের যে সমর্থন রয়েছে, তাও আরও একবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার ইজরায়েল সফর করেছেন জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গেও সেই সময় জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক (Netanyahu) বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে (S Jaishankar)।”

  • India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (India Visa Centre) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার দুপুর ২টো থেকে এই ভিসা কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Security Situation)। বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কবে বা কতক্ষণ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে, তা ওই বিবৃতিতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, যে সব ভিসা আবেদনকারী বুধবারের জন্য স্লট বুক করেছিলেন, তাঁদের জন্য নয়া তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি চলছে (বাংলাদেশে), তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, আজ দুপুর ২টো থেকে আইভিএসি জেএফপি ঢাকা বন্ধ থাকবে। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব (India Visa Centre)

    ঘটনাচক্রে বুধবারই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের একাংশের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লার ভারত বিরোধী বক্তৃতার প্রেক্ষিতেই এই তলব। সম্প্রতি হাসনাত তাঁর বক্তৃতায় সেভেন সিস্টার্সকে (ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য) ভারতের মানচিত্র থেকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের উদ্বাস্তুদের (Security Situation) আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন। তার পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে ভারত। তার জেরেই বিদেশমন্ত্রক ডেকে পাঠায় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে (India Visa Centre)।

    ভারতের ভিসাকেন্দ্র

    পদ্মা পারের দেশে ভারতের ভিসাকেন্দ্রটি রয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণটি ঠিক কী, তা নিয়ে যেমন নয়াদিল্লির তরফে কিছু জানানো হয়নি, বলা হয়নি ভিসা কেন্দ্রের তরফেও, তেমনিই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস প্রশাসনের তরফেও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। তাই বুধবার দুপুর পর্যন্তও জানা যায়নি, ঠিক কী কারণে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রটি। এর ঠিক এক দিন আগেই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন সে দেশের স্বাধীনতা স্মরণে বিজয় দিবস পালন করেছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাই কমিশনার হামিদুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক (Security Situation) সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আমাদের যৌথ স্বার্থের মধ্যেই নিহিত। আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য (India Visa Centre)।”

    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সদ্য গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সোমবার বলেছিলেন, যদি নয়াদিল্লি তাঁর দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে সমর্থন করা। আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তারা সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, মঙ্গলবার অসমের কাছাড় জেলায় ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন চরমপন্থী তৎপরতা এবং অনুমতিহীন সীমান্ত পারাপার রোধ করতেই জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।

    মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ

    জেলার সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকায় সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে সুরমা নদী এবং নদীর উঁচু পাড় বরাবর রাতের বেলায় যাতায়াতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরমা নদীতে নৌ-চালনা ও মাছ ধরার ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে (India Visa Centre)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিনই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঘটতে শুরু করেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। সে দেশের বিভিন্ন নেতার মুখে শোনা যাচ্ছে ভারতবিরোধী নানা বক্তব্যও। এহেন আবহে বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে দৃশ্যতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, অশান্তও ততই (Security Situation) বাড়তে থাকবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এমনই আশঙ্কা করে সম্প্রতি একটি বিবৃতিও জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

  • India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক বার বিশ্বমঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দিল ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশ সাফ জানিয়ে দিল, জন্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ – এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলই (India Slams Pakistan) দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ এবং চিরকাল একই থাকবে। প্রসঙ্গত, এদিন একটি (UNSC) বিতর্ক চলাকালীন পাকিস্তান ফের জন্মু-কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরেন। তার পরেই রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতনেনি এই মন্তব্য করেন। পাকিস্তানকে তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “ভারত ও ভারতের জনগণের ক্ষতি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চকে ক্রমাগত ব্যবহার করে চলেছে। তার আবেগগ্রস্ত মনোযোগ বজায় রেখেই চলেছে।”

    পাকিস্তানকে বার্তা (India Slams Pakistan)

    তিনি বলেন, “আজকের উন্মুক্ত বিতর্কে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ অযাচিতভাবে তোলা হয়েছে, যা ভারত ও তার জনগণের ক্ষতি সাধনে পাকিস্তানের আবেশগ্রস্ত মনোযোগেরই প্রমাণ।” পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন ইচ্ছেকে দমন করার একটি উপায়। ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে ইমরান খান জেলবন্দি রয়েছেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং তাঁর পরিবার লাগাতারভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রেফতারির সমালোচনাও করে আসছে।”

    প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে!

    পার্বতনেনি বলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই তার জনগণের ইচ্ছেকে সম্মান করার একটি অনন্য পদ্ধতি অনুসরণ করে। একজন প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে পাঠিয়ে, ক্ষমতাসীন (India Slams Pakistan) রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে তার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটাতে দিয়ে, পাশাপাশি প্রধান প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানকে আজীবন (UNSC) দায়মুক্ত করে।”

    সিন্ধু জলচুক্তি

    সিন্ধু জলচুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের সাফাই দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “পাকিস্তান বারবার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, তিনটি যুদ্ধ চালিয়েছে এবং একাধিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে।” তিনি ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে ২৬ জন প্রাণ হারান। পার্বতনেনির বক্তব্য, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে চলেছে (India Slams Pakistan)। তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, শুভকামনা ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। এই সাড়ে ছ’দশক ধরে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে এবং হাজার হাজার সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে চুক্তির মূল ভাবনাকেই লঙ্ঘন করেছে।” পার্বতনেনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটেই ভারত শেষ (UNSC) পর্যন্ত ঘোষণা করেছে যে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত থাকবে ততদিন, যতদিন না বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ-সহ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বন্ধ করে (India Slams Pakistan)।”

     

  • HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’ (HECI Bill) অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet)। এই ঐতিহাসিক বিলের মাধ্যমে একটি একক উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠিত হবে। এই সংস্থার ছাতার তলায়ই চলে আসবে ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিই-সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা সংস্থাও। তবে এই ছাতার বাইরে থাকবে চিকিৎসা এবং আইন বিদ্যা।

    নাম পরিবর্তন (HECI Bill)

    প্রস্তাবিত এই আইনটি আগে হায়ার এডুকেশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (HECI) বিল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল। শুক্রবার অনুমোদিত এই বিলটি জাতীয় শিক্ষানীতির একটি মূল লক্ষ্য পূরণ করেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে একাধিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে থাকা, পরস্পরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করা দায়িত্বযুক্ত একটি খাতকে একীভূত ও সরলীকরণ করা হবে। নয়া ব্যবস্থায় কমিশনটি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ, স্বীকৃতি দান এবং পেশাগত মান নির্ধারণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তবে মেডিকেল ও আইন কলেজ এই ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে। লক্ষণীয় বিষয় হল, তথাকথিত চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত অর্থায়ন আপাতত নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে আসছে না এবং তা প্রশাসনিক মন্ত্রকের কাছেই থাকবে (HECI Bill)।

    উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ

    পরবর্তীকালে সরকার যদি আলাদা কোনও উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ গঠন না করে—যেমনটি একসময় জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় প্রস্তাব করা হয়েছিল, তাহলে বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। সেই অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রকের অধীনে থাকা উচ্চশিক্ষা দফতরই অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করবে। দশকের পর দশক ধরে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে ইউজিসি অ-কারিগরি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, এআইসিটিই কারিগরি শিক্ষার তত্ত্বাবধান করে এবং এনসিটিই শিক্ষক শিক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে অভিহিত করেছিল এবং পৃথক দায়িত্ব পালনের জন্য স্বতন্ত্র ও ক্ষমতাবান সংস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিল (HECI Bill)।

    প্রসঙ্গত, একটি একক নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে প্রকাশিত খসড়া এইচইসিআই বিলের মাধ্যমে। তবে ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রক্রিয়া নতুন করে গতি পায় (Cabinet)। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ায়, ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধীক্ষণ কমিশন’ ভারতের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের (HECI Bill)।

  • ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরো। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এ নিয়ে সম্ভাব্য পরীক্ষাও করছে। এ বিষয়ে একটি অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্যসভায় এই তথ্য জানাল ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস বা মহাকাশ-বিষয়ক দফতর। বিজেপি সাংসদ কার্তিকেয় শর্মার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ মহাকাশ-বিষয়ক দফতর জানায়, ইসরো বিভিন্ন নেক্সট-জেনারেশন স্যাটেলাইট প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, যার মধ্যে অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও ডেটা স্টোরেজ অন্যতম।

    মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপন

    সংসদীয় সূত্রে খবর, শর্মা জানতে চেয়েছিলেন, স্যাটেলাইট ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের জন্য ইসরো কি মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। জবাবে মহাকাশ-বিষয়ক দফতরের তরফে জানানো হয়, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও স্টোরেজ বিষয়ে ইসরো প্রাথমিক মূল্যায়ন করেছে এবং এতে দেখা গিয়েছে যে স্পেস-এজ কম্পিউটিং অবকাঠামোর একটি প্রুফ অব কনসেপ্ট তৈরি করা সম্ভব। ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ, আরও জানিয়েছে যে এই ধরনের একটি ব্যবস্থা ভাবনা-চিন্তার পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের সমীক্ষা মাত্র। পূর্ণাঙ্গ স্পেস-এজ কম্পিউটিং ব্যবস্থার জন্য বেশ কয়েকটি নতুন প্রযুক্তির উন্নতি প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে— কক্ষপথে শক্তি উৎপাদন, রেডিয়েশন-প্রতিরোধী জিপিইউ/সিপিইউ, স্যাটেলাইটের সুরক্ষা শিল্ড, ইত্যাদি। ইসরোর মহাকাশে কোনও ডেটা সেন্টার নেই। ইসরো পৃথিবীতেই ডেটা সেন্টার পরিচালনা করে, যেমন বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ইন্ডিয়ান স্পেস সায়েন্স ডেটা সেন্টার (ISSDC), যা মহাকাশ থেকে আসা ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রধান কেন্দ্র। মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ধারণাটি নতুন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো বর্তমানে এই বিষয়ে কাজ করছে, কিন্তু ইসরোর প্রধান ডেটা সেন্টারগুলো পৃথিবীতেই অবস্থিত। তবে, এবার ইসরোও মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ভাবনা চিন্তা করছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই ডেটা সেন্টার

    প্রসঙ্গত, পৃথিবীর ডেটা সেন্টারগুলো বিপুল পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে। ফলে মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনে অত্যন্ত শক্তি-দক্ষ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে, যা সৌরশক্তি ও ব্যাটারিতে চলতে সক্ষম। পাশাপাশি মহাকাশের তীব্র রেডিয়েশন থেকে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থাও জরুরি—যা পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডল স্বাভাবিকভাবেই করে থাকে। মন্ত্রকের মতে, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং সক্ষম স্যাটেলাইট কেবল প্রয়োজনীয় তথ্যই গ্রাউন্ড স্টেশনগুলোতে পাঠাবে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত প্রয়োজনে ডেটা পৌঁছতে দেরি হবে না। অর্থাৎ তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্যাটেলাইট নিজেই সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে দ্রুত ফল দিতে পারবে। এছাড়া, অন-বোর্ড প্রসেসিং ব্যবস্থায় যোগাযোগ স্যাটেলাইটকে কক্ষপথেই পুনর্গঠনের (reconfiguration) সুবিধা দেয়, ফলে ব্যবহারে আরও বেশি নমনীয়তা আসে। এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় এমন এক বিতরণ-ভিত্তিক কম্পিউটিং পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ ডেটার উৎসের কাছাকাছি করা হয়, কেন্দ্রীয় ক্লাউড বা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হয় না। ইসরো যা পরীক্ষা করছে তা হলো স্যাটেলাইট এজ কম্পিউটিং বা স্পেস এজ কম্পিউটিং, যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি মহাকাশেই করা হবে।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) ব্রাত্যই ছিল সংস্কৃত। তবে ভারতীয় এই ভাষাটির গুরুত্ব বুঝতে পাকিস্তানের সময় লাগল প্রায় ৭৭ বছর। যদিও শেষমেশ সংস্কৃতের (Sanskrit Education) গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। দেশভাগের পর এই প্রথম লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে পড়ানো হবে সংস্কৃত। শুধু তাই নয়, শীঘ্রই গীতা ও মহাভারত নিয়ে পড়াশোনার সুযোগও মিলতে পারে সেখানে। সূত্রের খবর, পড়ুয়া এবং শিক্ষাবিদদের সুপারিশেই সংস্কৃত, গীতা এবং মহাভারতকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে তিন মাসের কোর্স হিসেবেই চালু করা হয়েছিল সংস্কৃত শিক্ষা। ক্লাস হত সপ্তাহান্তে। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে পৌরাণিক রীতি-নীতি সম্পর্কে পড়ানো হত। এতে পড়ুয়া এবং শিক্ষকরা এতই উৎসাহিত হয়ে পড়েন যে, পুরোদমে ফোর ক্রেডিট কোর্স চালু করছে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়।

    পরিস্থিতি পালটাতে পারে (Pakistan)

    এই কোর্সের মাধ্যমে পড়ুয়ারা ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’ গানের উর্দু সংস্করণও শিখতে পারবেন। এটি জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল মহাভারতের থিম সং হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। গুরমানি সেন্টারের ডিরেক্টর আলি উসমান কাসমি বলেন, “১৯৩০ সাল নাগাদ গবেষক জেসিআর উলনার তালপাতায় লেখা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে রেখেছিলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কোনও পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ সেই সব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেননি। শুধু বিদেশি গবেষকরাই সেগুলি নেড়েচেড়ে দেখেন (Sanskrit Education)। এবার পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।”

    মহাভারত ও গীতার কোর্স

    লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় মহাভারত ও গীতার কোর্সও চালু করতে চলেছে। কাসমি বলেন, “আগামী ১০-১৫ বছরে পাকিস্তান থেকে গীতা ও মহাভারত বিষয়ক পণ্ডিত উঠে আসবেন (Pakistan)।” ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদ বলেন, “ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে মানবজাতির জন্য প্রচুর জ্ঞান নিহিত রয়েছে। আমি আরবি ও ফারসি ভাষা দিয়ে শুরু করেছিলাম, পরে সংস্কৃতও শিখেছি।” তিনি বলেন, “গোটা অঞ্চলকে বেঁধে রাখে সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক পাণিনি এখানকার গ্রামের বাসিন্দা। সিন্ধু সভ্যতার যুগে অধিকাংশ লেখালেখি তিনি করেছেন এখানেই। সংস্কৃত পর্বতের মতো, সাংস্কৃতিক সৌধ। আমাদের নিজেদের অধিকার বুঝতে হবে। সংস্কৃত কোনও বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়।”

    নতুন যুগের সূচনা

    তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন (Sanskrit Education), ভারতের হিন্দু এবং শিখরা যদিও আরও বেশি করে আরবি শেখেন এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা যদি সংস্কৃত শেখেন, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য তা হতে পারে একটি নতুন যুগের সূচনা। ভাষা তখন প্রতিবন্ধক না হয়ে, হয়ে উঠতে পারে সেতু।” তিনি জানান, ২০২৭ সালের বসন্ত আসতে আসতে বছরভরের কোর্স চালু করতে তাঁরা সফল হবেন বলে আশাবাদী। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই শেখানো হয় সিন্ধি, পাশতু, পঞ্জাবি, বালুচি, আরবি এবং ফারসি। কিন্তু আঞ্চলিক সাহিত্যই হোক বা কবিতা, শিল্পই হোক বা দর্শন, বৈদিক যুগের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে সব (Sanskrit Education) কিছুর। তাই জরুরি হয়ে উঠেছে সংস্কৃত শিক্ষা (Pakistan)।

  • Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘সবক’ শেখাতে গিয়ে গাড্ডায় পড়ে গিয়েছেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)! ভারতীয় পণ্যের ওপর তিনি যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছেন, তা বেআইনি। অবিলম্বে ওই শুল্ক বাতিল করা উচিত। আমেরিকার সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে শুক্রবার এমনই এক প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, চড়া শুল্কের (India) কারণে আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে আমেরিকার। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

    শুল্ক আরোপ ট্রাম্প প্রশাসনের (Donald Trump)

    ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা না মেনে মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কিনে চলেছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ভারতের এই অনড় মনোভাবে বেজায় খেপে যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার পর শাস্তিস্বরূপ ভারতীয় পণ্যের ওপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেন তিনি। ২৭ অগাস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হয়েছে ৫০ শতাংশ শুল্ক। এর ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্য। এক বিশেষ জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন। ট্রাম্পের এই ক্ষমতাকেই সাধারণ মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন মার্কিন সাংসদদের একটা বড় অংশ।

    মার্কিন সংসদে প্রস্তাব পেশ

    জানা গিয়েছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক বাতিল করতে চেয়ে মার্কিন সংসদে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে (India) তিন সাংসদ। এঁরা হলেন, ডেবোরা রস, মার্ক ভিসে এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা কৃষ্ণমূর্তি। কেবল ভারত নয়, ব্রাজিলের পণ্যের ওপরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ভারতের পাশাপাশি (Donald Trump) ব্রাজিলের শুল্ক বাতিলও চেয়েছেন মার্কিন সাংসদরা।

    প্রস্তাবের বক্তব্য

    সংসদে পেশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভারতের ওপর চড়া শুল্কের কারণে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর ক্যারোলাইনা প্রদেশ। এখানকার অর্থনীতি অনেকাংশেই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বাণিজ্য তো বটেই, সেই সঙ্গে প্রচুর ভারতীয় ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ রয়েছে উত্তর ক্যারোলাইনায় (India)। তাছাড়া, এই প্রদেশে তুলনামূলকভাবে বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক বসবাস করেন। শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা। মার খাচ্ছে বাণিজ্য (Donald Trump)। রস, কৃষ্ণমূর্তিরা বলেন, “ভারত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সঙ্গী। বেআইনি এই শুল্ক আসলে সেই সব মার্কিন নাগরিকদের ওপর বাড়তি শুল্কের বোঝা, যাঁরা দৈনন্দিন খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।” কৃষ্ণমূর্তি বলেন, “ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক আসলে বাণিজ্যের সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করে। এতে মার্কিন কর্মচারীদের ক্ষতি হচ্ছে, ব্যয় বৃদ্ধি হচ্ছে। শুল্কের ফলে হিতে বিপরীত হচ্ছে।” তাঁর মতে, শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে তা ভারত-মার্কিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করবে।

    একাধিক নীতির সমালোচনা 

    ভারতীয়-আমেরিকান কংগ্রেসম্যান অ্যামি বেরা মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি নীতির সমালোচনা করেন। বিশেষত, এইচ ১বি ভিসার ওপর এক লাখ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি অত্যধিক ও অবাস্তব বলে সমালোচনা করা হয়েছে। অ্যামির যুক্তি, এই অত্যধিক ফি আমেরিকান কোম্পানিগুলির তাদের শিল্পে বিদেশি প্রতিভা নিয়োগের ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে (Donald Trump)। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাম্পের এই ধরনের পদক্ষেপ কঠোর ভারতকে অন্যান্য বিরোধী শক্তির দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করতে পারে।”

    প্রমীলা জয়পালের বক্তব্য

    ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান প্রমীলা জয়পাল ট্রাম্পের শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ আমদানি শুল্ক নীতি অবশ্যই ভারতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। এটি আমেরিকান ব্যবসা ও উপভোক্তাদের ওপরও সমানভাবে প্রভাব ফেলেছে।” তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন এই বলে যে, এই পরিস্থিতি আমেরিকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারের স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ বাড়াতে পারে। এর প্রভাব পড়ছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কেও (India)।

    এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আদালতে

    এদিকে, ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন আমেরিকার ২০টি প্রদেশের কর্তারা। মূলত ডেমোক্র্যাটশাসিত প্রদেশগুলিই এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জোট বাঁধছে ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে। এই ২০টি প্রদেশের মধ্যে রয়েছে ক্যালিফর্নিয়াও। এই প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রব বন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে জানিয়েছেন, এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির কারণে বহু সংস্থা বিদেশের দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ করতে পারছে না। ফলে ক্যালিফর্নিয়া-সহ বিভিন্ন প্রদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কর্মিসঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Donald Trump)।

  • Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিনিট-দু’মিনিট নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পাক্কা ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif) প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে। শুক্রবার তুর্কিমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর পিস অ্যান্ড ট্রাস্টের বৈঠকের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হওয়ার কথা ছিল শরিফের। যদিও প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও হাজির হননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। অপেক্ষা করে করে দৃশ্যতই অধৈর্য শরিফ সিদ্ধান্ত নেন পাশের বৈঠককক্ষে ঢোকার। ঢুকতে গিয়ে দেখেন, সেখানে তখনও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিক্যাপ তাইয়াপ এর্ডোগানের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। শরিফকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দুই রাষ্ট্রনেতার সামনে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শরিফ। মিনিট কয়েক দাঁড়িয়ে থেকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

    পাক প্রধানমন্ত্রীর ‘গেটক্র্যাশিং’ (Shehbaz Sharif)

    শরিফের এই অপেক্ষা ও তার পরে ‘গেটক্র্যাশিং’ পাকিস্তানের মর্যাদা ও তার আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে কূটনৈতিক মহলে। বর্তমানে অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তেমন কোনও গুরুত্বই নেই দেশটির। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘কোর ফাইভ’ গঠন করবেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে, সেখানে ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif)। যদিও পাঁচটি দেশের তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্র মোদির ভারতের। তুর্কিমেনিস্তানের স্থায়ী নিরপেক্ষতার ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে মিলিত হয়েছেন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার ওই বৈঠকের ফাঁকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের।

    নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান

    প্রসঙ্গত, ৩০ বছর আগে স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান। ১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা সর্বসম্মতিক্রমে এর স্বীকৃতি দেয়। নিরপেক্ষ দেশ হয়ে সামরিক জোটে যোগ না দেওয়া, আত্মরক্ষা ছাড়া অন্য কোনও দেশের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত না হওয়া এবং তুর্কিমেনিস্তানের মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি স্থাপন করতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তুর্কিমেনিস্তান।

    মোদি-পুতিন সখ্যতা

    দিন কয়েক আগেই ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন (Shehbaz Sharif) পুতিন, একই গাড়িতে বসেছেন, হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন, সেখানে শাহবাজের কপালে অপমান জোটায় পাক প্রধানমন্ত্রীর দিকে ধেয়ে এসেছে কাটাক্ষ-বাণ। এক নেটিজেন বলেন, “পুতিন (Putin) এরকম লোকেদের জন্য তাঁর সময় নষ্ট করতে চান না।” আর একজন বলেন, “এটা আন্তর্জাতিক অপমানে পরিণত হয়েছে।” আর এক নেটিজেন বলেন, “৪০ মিনিট ধরে পুতিনের দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন শাহবাজ শরিফরা। তাও প্রবেশ করার সুযোগ পাননি, পরে অবশ্য প্রবেশ করেছিলেন, যেমন কোনও আত্মীয় আমন্ত্রণ ছাড়াই বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন।” অন্য এক ইউজার লিখেছেন, “৪০ মিনিট অপেক্ষার পর জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়টাও হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু শরিফ ছাড়েননি।” আর (Putin) একজন লিখেছেন, “ওঁকে ট্রাফিক সিগনালের ভিখারির মতোই উপেক্ষা করেছি।” আর এক নেটিজেন আবার লিখেছেন, ‘‘ভিখিরির (Shehbaz Sharif) আবার পছন্দ-অপছন্দ কীসের?’’

  • Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নয়া প্ল্যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)! কোর ফাইভ বা সি৫ নামে বৈশ্বিক শক্তিগুলির একটি নয়া এলিট গোষ্ঠী গঠনের কথা ভাবছেন ট্রাম্প (Core 5 Superbloc Idea)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই কোর ফাইভে জায়গা হয়েছে ভারতেরও। প্রস্তাবিত এই ব্লকে থাকবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত এবং জাপান। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, এটি মূলত ইউরোপ-প্রাধান্যযুক্ত জি৭ এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডভিত্তিক অন্য জোটগুলিকে পাশ কাটাবে।

    কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ (Donald Trump)

    যদিও সরকারিভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি, তবে খবরটি চাউর হয়ে গিয়েছে। যে পাঁচটি দেশ নিয়ে কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ দেখছেন ট্রাম্প, সেই দেশগুলির তরফেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা মেলেনি। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’ তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেই সূত্রেই ছড়িয়েছে এই খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারত, রাশিয়া, চিন এবং জাপানকে নিয়ে কোর ফাইভ গড়তে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবিত কোর ফাইভে জায়গা হয়নি পাকিস্তানের। তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সব চেয়ে উন্নত অর্থনৈতিক গোষ্ঠী জি৭ এর গুরুত্ব লঘু করতেই এই কোর ফাইভ গঠনের ভাবনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Core 5 Superbloc Idea)।

    দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন

    ওয়াশিংটন যখন ইতিমধ্যেই আলোচনা করছে যে দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন কতটা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করতে পারে, ঠিক সেই সময়ই এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধারণাটি জানিয়ে দেয়, জি৭ ও জি২০–এর মতো যে প্ল্যাটফর্মগুলি রয়েছে, সেগুলি বহু-মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি মনে হয় বৃহৎ জনসংখ্যা ও সামরিক-অর্থনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে চুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় (Donald Trump)। মার্কিন মিত্ররা একে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে যা শক্তিমান নেতাদের মান্যতা দেয়।  কারণ এতে রাশিয়াকে ইউরোপেরও ওপরে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পশ্চিমী ঐক্য ও ন্যাটোর সংহতি দুর্বল হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ট্রাম্প মনে করেন, পাঁচ শক্তিধর এই দেশকে যদি এক ছাতার তলায় নিয়ে চলে আসা যায়, তাহলে সেখান থেকে বিশ্বের অনেকটা সুবিধা হবে। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে জি৭ শীর্ষ সম্মলনে যোগ দিয়ে এমনই একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া, চিন এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। তবে এই সুপার ক্লাবে ভারতকে রাখতে চান তিনি।

    সাবধানে পদক্ষেপ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্প খুবই সাবধানে এই পদক্ষেপটি করতে চাইছেন। তিনি মনে করেন, যদি এই দেশগুলি (Core 5 Superbloc Idea) এক ছাতার তলায় চলে আসে, তাহলে সেখানে তিনি তাঁদের নেতা হয়ে সকলকে পরিচালনা করতে পারবেন। তবে বিশ্বের আরও চারটি শক্তিধর দেশ ট্রাম্পের প্রস্তাব যে সহজে মেনে নেবে না, তাও ভালো করেই জানেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সম্প্রতি ভারতের ওপর চড়া শুল্ক হার চাপিয়েছে আমেরিকা (Donald Trump)। তার জেরে ভারতের সঙ্গে যাতে আমেরিকার সম্পর্ক খারাপ না হয়, তা মাথায় রেখেই ‘ট্রাম্প কার্ড’টি খেলতে চলেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। তাই তাকে না চটিয়েই কাজ হাসিল করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই কারণেই ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে ভারতের জায়গা হলেও, ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের।

    ভারত-মার্কিন সম্পর্ক

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কেনায় ভারতের ওপর বেজায় রুষ্ট ট্রাম্প। তার জেরেই ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। কার্যত, এর পরেই তলানিতে ঠেকে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক। অথচ আমেরিকাবাসীর একটা বিরাট অংশই চাইছেন ভারতীয় পণ্যের ওপর যে চড়া হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে, অবিলম্বে তা কমানো হোক (Donald Trump)। এ ব্যাপারে তাঁরা ট্রাম্পের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই নিজের দেশেই বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই গাড্ডা থেকে উঠে আসতে মরিয়া ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারতের মন রাখতে নয়াদিল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে সুপার ক্লাবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি (Core 5 Superbloc Idea) হানা কেলি জানান, এই পরিকল্পনার কোনও ব্যক্তিগত কিংবা লুকোনো কোনও ভার্সন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোর ফাইভ তৈরির বিষয়টি হতে পারে একেবারেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবনা (Donald Trump)।

  • ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্তে কড়া প্রহরার জেরে ফোকর গলে ভারতে ঢুকে জঙ্গি (ISIS) হামলা করতে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে। তাই এবার ‘প্ল্যান বি’ রূপায়ণ করতে চলেছে লস্কর-ই-তৈবা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে একদল জঙ্গি লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বাংলাদেশে (Bangladesh) ঢোকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই দলটি বিস্ফোরক তৈরিতে দক্ষ। তারা বাংলাদেশের জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে যাওয়ার তোড়জোড় করছে।

    বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ (ISIS)

    এর আগে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তাদের মডিউল ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বলে জানতে পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। এক আধিকারিক জানান, এই জঙ্গি সংগঠনগুলি বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে। বড় ধরনের কিছু একটি যে ঘটতে চলেছে, এটিই তারই ইঙ্গিত। আর এক আধিকারিক বলেন, সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। কারণ ভারত ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও বোমা বিস্ফোরণের চেষ্টা হতে পারে।

    আইএসআইয়ের সমর্থনে চলছে কার্যকলাপ

    ভারতীয় সংস্থাগুলি জেনেছে, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের সমর্থনে বহু কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকির মুখে ছিল, এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাকিস্তান, যার বাংলাদেশে একটি ‘বন্ধু’ সরকার রয়েছে, বড় ধরনের কিছু পরিকল্পনা করছে। সাম্প্রতিক জঙ্গি যাতায়াত-সহ যে সব বার্তা মিলেছে, তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারতকে লক্ষ্য করে আইএসআই একটি বড় ধরনের অভিযানের ছক কষছে।

    এই অভিযানে যৌথভাবে কাজ

    গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এই অভিযানে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা একসঙ্গে কাজ করবে (ISIS)। ভবিষ্যতে যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্তটি আইএসআইয়ের নির্দেশের পর গৃহীত হয়। এর পর পাকিস্তানে দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা বৈঠক করে। আলোচনা করে কীভাবে একটি একক কমান্ড কাঠামোর আওতায় তারা এগোবে। বাংলাদেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে অপারেটিভদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নয় সদস্যের একটি দলও গঠন করা হয়েছে (Bangladesh)।

    বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে পাক জঙ্গি দল

    জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার বেশ কয়েকটি দল বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে। আলাপ-আলোচনা করেছে স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গেও। সম্প্রতি হাফিজ সাঈদের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশে ছিল স্থানীয় জঙ্গিদের সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের উৎসাহিত করতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর, চলতি মাসের কোনও এক সময় লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সাঈদের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। সে তার নিজের গোষ্ঠীর সদস্য-সহ অন্যান্যদের সঙ্গেও দেখা করবে। এও জানা গিয়েছে, ভারতে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাঈদ ঢাকা সফর শেষ করলেই এই গোষ্ঠীগুলি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এদিকে, আইএসআই ইতিমধ্যেই নিজেদের চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ শুরু করেছে। এ থেকেই স্পষ্ট, হামলার চেষ্টা খুব শীঘ্রই হতে পারে (ISIS)।

    বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি এবং পশ্চিমবঙ্গে সুপ্ত নেটওয়ার্কগুলির সক্রিয় হওয়া স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এছাড়া, বাংলাদেশের অনেক মাদ্রাসা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই মাদ্রাসাগুলি বিশেষভাবে প্রভাবিতকরণ এবং উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল (Bangladesh)। এই মাদ্রাসাগুলির সবক’টিই আইএসআই-চালিত, যেখানে প্রচারকরা লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য। তাদের মধ্যে কিছু ভারতের ভেতরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই গড়ে উঠেছিল। এখন যেহেতু পরিকল্পনা শেষ পর্যায়ে, তাই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই মাদ্রাসাগুলি।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    এক আধিকারিক বলেন, “এটি পাকিস্তানের একটি পাঠ্যবই-ধাঁচের অপারেশন। বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা চলার সময় যদি এসব মাদ্রাসা খোলা থাকে, তাহলে এর সূত্রের খেই খুব সহজেই আইএসআইয়ের দিকে পৌঁছে যাবে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এসব মাদ্রাসার সদস্যদের কঠোরভাবে প্রশ্ন করা হলে জানা যাবে কে ওই যুবকদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করেছিল এবং কোন সংগঠনের সঙ্গে তাদের যুক্ত করেছিল (ISIS)।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ক্লাসিক আইএসআই অপারেশন। এবার আইএসআই বাংলাদেশের মধ্যে একটি বলির পাঁঠা খুঁজে পেয়েছে। কোনও হামলা হলে তার সূত্র বাংলাদেশের কিছু ব্যক্তির দিকেও নির্দেশ করবে। এটি পাকিস্তানের ঘাড় থেকে দোষ নামিয়ে ফেলে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল (Bangladesh)। ফলে পাকিস্তান দায় অস্বীকার করার সুযোগ পেয়ে যাবে, আর দোষ পড়বে বাংলাদেশের ওপর।

LinkedIn
Share