Tag: Jadavpur University

Jadavpur University

  • CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে সমাবর্তন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী উপাচার্যকেও। এই উপাচার্যকেই বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে রবিবার সমাবর্তন উৎসব করিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অনুষ্ঠান মঞ্চে ঠায় বসেছিলেন সদ্য পদ খোয়ানো অন্তর্বর্তী উপাচার্য। তবে সমাবর্তনে তাঁর স্বাক্ষরিত শংসাপত্রই বিলি করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। অনুমতি ছাড়াই সমাবর্তন করায় এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পড়ুয়াদের উদ্বেগ

    জানা গিয়েছে, সমাবর্তনের শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে বুদ্ধদেব সাউয়ের স্বাক্ষর থাকায় রাজ্যপালকে মেইল করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন পড়ুয়া। এই সার্টিফিকেট নিয়ে পরে কোনও সমস্যা হতে পারে কিনা, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও তৈরি করেছে রাজভবন। সমাবর্তন করতে উচ্চ শিক্ষা দফতরের সবুজ সঙ্কেত, শংসাপত্র প্রাপকদের হাতে সহ-উপাচার্যের ডিগ্রি তুলে দেওয়া এবং সেই শংসাপত্রে সদ্য অপসারিত উপাচার্য বুদ্ধদেবের স্বাক্ষর থাকা – এসব নিয়ে আইনি পরামর্শ নিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বেশ কয়েকজন শিক্ষাবিদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। মতামত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যদের। এ সব ক্ষেত্রের মতই হল, এভাবে সমাবর্তন করা যায় না। পুরোটাই বেআইনি।

    রাজ্যপালই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য

    রাজ্যপালই পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। তাই রাজভবনের দাবি, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের বিষয়ে আইনত কিছু বলতে পারে না রাজ্য সরকার। সমাবর্তনে সহ-উপাচার্যেরও কোনও ভূমিকা থাকতে পারে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই, সেখানে তাঁর কাজের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিতে পারেন কেবলই আচার্য। উপাচার্য থাকলে অবশ্য অন্য কথা। সেক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব দিতে পারেন তাঁর অধীনস্থ কাউকে। সেক্ষেত্রে আবার আইন অনুযায়ী নিযুক্ত কিংবা আচার্য মনোনীত অন্তর্বর্তী উপাচার্য তা করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি এমনতর ছিল না। কারণ রবিবার সমবর্তনের ঠিক আগের দিন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে। তাই তিনি তখন উপাচার্য নন, কেবলই শিক্ষক। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন সহ- উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। যা আইনানুগ নয় বলেই মনে করছে রাজভবন। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: আচার্যের অনুমতি নেই, নেই ভিসি-ও, প্রথা ভেঙে সমাবর্তন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 

    Jadavpur University: আচার্যের অনুমতি নেই, নেই ভিসি-ও, প্রথা ভেঙে সমাবর্তন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমতি মেলেনি। আবার শনিবারই রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অপসারণ করেছেন অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে। এহেন আবহেই পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রবিবার চলছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) সমাবর্তন।

    যাদবপুরে সমাবর্তন

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের বৈঠকের পরেই শুরু হয়ে গেল শংসাপত্র প্রদান অনুষ্ঠান। শংসাপত্র ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে বুদ্ধদেবের। যেহেতু শনিবারই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে, তাই পরিবর্তন করতে হতে পারে শংসাপত্র। এদিনের অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। মঞ্চে বসে ছিলেন সদ্য অপসারিত উপাচার্য। যেহেতু আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হচ্ছে সমাবর্তন অনুষ্ঠান, তাই অনুপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান।

    জোড়া গেরোয় প্রশ্ন চিহ্ন

    প্রথমত, আচার্যের অনুমতি মেলেনি। দ্বিতীয়ত, শনিবার সমাবর্তনের (Jadavpur University) আগের রাতেই সরিয়ে দেওয়া হয় উপাচার্যকে। জোড়া গেরোয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ছিল সমাবর্তনের অনুষ্ঠান। এর পরেই আসরে নামে রাজ্য শিক্ষা দফতর। সমাবর্তন যাতে হয়, সেজন্য বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয় বুদ্ধদেবকে। এক্ষেত্রে হাতিয়ার করা হয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এককভাবে এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত (উপাচার্যকে অপসারণ) নিতে পারেন না।

    শনিবারই সরিয়ে দেওয়া হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে। তাঁকে সরিয়ে দেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন থেকে উপাচার্যকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁকে তাঁর কর্তব্য থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বুদ্ধদেব বলেন, “মুক্ত লাগছে। আমি আড়াই হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়েছি।”

    আরও পড়ুুন: চেয়েছিলেন চাকরি, বদলে চাকরিপ্রার্থীদের কপালে জুটল জেল হেফাজত!

    এদিকে, সোমবার থেকে উপাচার্যহীন হতে চলেছে রাজ্যের ১০ বিশ্ববিদ্যালয়। ছ’ মাসের মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই উপাচার্যদের। সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ, রবিবার। তাই ফাঁকা হচ্ছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির চেয়ার। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কাজে ফের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে এডুকেশনিস্ট ফোরাম।  

    প্রসঙ্গত, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে রাজ্য ও রাজ্যপালের। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে একে অপরকে তোপ দাগতেও দেখা যায় প্রকাশ্যেই। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। তাঁদের মধ্যেই কয়েকজনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে রবিবার। তাই সোমবার থেকে (Jadavpur University) উপাচার্যহীন হয়ে পড়ছে এই ১০ বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadvapur University: ফের যাদবপুরে উঠল র‌্যাগিং-এর অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের

    Jadvapur University: ফের যাদবপুরে উঠল র‌্যাগিং-এর অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে তিন মাসের মাথায় ফের র‌্যাগিং-এর অভিযোগ উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadvapur University) মেন হস্টেলে। নাম গোপন রেখেই লিখিত নালিশ করলেন দর্শন বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরের এক পড়ুয়া। এই ঘটনা ঘিরে ফের একবার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের সিডি ব্লকে থাকতেন প্রথম বর্ষের স্নাতকোত্তরের ওই পড়ুয়া। ওই পড়ুয়ার তরফে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দেওয়া একটি চিঠি এদিন প্রকাশ্যে আসে। তাতে ওই ছাত্র অভিযোগ করেন যে তাঁকে হেনস্তা করা হচ্ছে। হস্টেলে যথেষ্ট নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তিনি। এমনটাও জানিয়েছেন ওই ছাত্র। গোটা ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। ইমেলের মাধ্যমে তিনি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযোগ পত্রে কী লিখলেন ওই পড়ুয়া?

    অভিযোগ পত্রে ওই পড়ুয়া লেখেন, ‘‘হস্টেলে (Jadvapur University) যাওয়ার পর থেকে আমার উপর নানা ভাবে র‌্যাগিংয়ের চেষ্টা করা হয়। প্রথমে যখন হস্টেলে মেস চালু হয়, তখন আমায় মেস কনভেনর করা হয়। কিন্তু, আমি নতুন (আবাসিক)। আমার সঙ্গে আরও এক জন মেস কনভেনরও নতুন। তাই মেস কমিটি যে ভাবে বাজার করতে বলে, সেই ভাবে বাজার করি। তা সত্ত্বেও গত ২৫ নভেম্বর সকালে বাজারের পর মাছের টুকরো কেন ছোট এবং ডাল কেন পাতলা হয়েছে, এই বলে আমাকে অকথ্য গালাগালি করা হয়।’’ এর পাশাপাশি ওই পড়ুয়া আরও অভিযোগ এনেছেন যে তাঁকে বাদ দিয়েই গভর্নিং বডির মিটিং ডাকা হয়। সেখানে বলা হয়, ওকে (অভিযোগকারী ছাত্র) একটু টাইট দিতে হবে। মেস কনভেনরের পদ থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। এবং তার পর তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। পড়ুয়ার আরও অভিযোগ যে, তাঁকে দেখে নানা কটুক্তি এবং অঙ্গভঙ্গি করেন কয়েকজন আবাসিক। এতে তিনি নিরাপত্তার অভাবে (Jadvapur University) ভুগছেন। তাই হস্টেল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

    অগাস্ট র‌্যাগিং -এর ফলে মৃত্যু হয় পড়ুয়ার

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট মাসের ৯ তারিখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। সে সময়ে ওঠে র‌্যাগিং-এর অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় বেশ কয়েকজনকে। যাদের মধ্যে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadvapur University) প্রাক্তনীও ছিলেন। মেন হোস্টেলে নিয়মিত যাতায়াতও ছিল ওই প্রাক্তনীর। র‌্যাগিং-এর পরেই নড়েচড়ে বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Jadavpur University: ‘‘আমি নিজেও র‌্যাগিং-এর শিকার’! কেন বললেন যাদবপুরের উপাচার্য?

    Jadavpur University: ‘‘আমি নিজেও র‌্যাগিং-এর শিকার’! কেন বললেন যাদবপুরের উপাচার্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ছাত্রদের একাংশের অন্যায্য দাবির বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলে র‌্যাগিং-এর শিকার হয়ে মৃত্যু হয় এক ছাত্রের। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় সারা রাজ্য। তারপরে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে এবং ক্যাম্পাসে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সিসিটিভি বসাতে উদ্যোগী হয় বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সিসিটিভি বসানোর বিরোধিতায় সরব হয় ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ। এবার সেই নিয়েই মুখ খুলতে দেখা গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে। পাশাপাশি বুদ্ধদেব সাউ এদিন আরও আশঙ্কা করেন যে কয়েকজন শিক্ষকও চাইছেন না তিনি উপাচার্য পদে থাকুন।

    কী বললেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য

    এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, ‘‘আমারও পদত্যাগ দাবি করছেন অনেকে। অন্যায্য দাবি করছেন পড়ুয়ারা। আমি নিজেও র‌্যাগিং-এর  শিকার। কোনও সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে দিচ্ছে না ছাত্রদের একাংশ। এর পিছনে সক্রিয় রয়েছে কোনও বড় মাথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের একাংশের চাপ নিতে না পেরে ডিন অফ স্টুডেন্টস বর্তমানে হাসপাতলে ভর্তি হয়েছেন।’’ ছাত্রদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বুদ্ধদেব সাউ বলেন, ‘‘মাত্র কিছু ছাত্র ১৩ হাজার সংখ্যার মধ্যে যা খুবই নগণ্য। বারবার এসে অহেতুক ঝামেলা করছে। এদের মূল উদ্দেশ্য হল বিভিন্ন জায়গায় ছাত্রদের ঢোকানো। এগুলো আমার ন্যায্য দাবি বলে কখনও মনে হয়নি। এই নিয়ে উচ্চপর্যায়ে তদন্ত হওয়া উচিত। নয়তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নষ্ট হয়ে যাবে।’’ 

    সিসিটিভি লাগানোর কাজ শুরু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

    অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) মোট ২৯টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলির পরিচালনার জন্য থাকবে একটি আলাদা সার্ভার রুমও। মোট ২১টি বুলেট ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এই ক্যামেরাগুলি থাকবে গেটে। অন্যদিকে যে সমস্ত গাড়ি ক্যাম্পাসে আসবে এবং ক্যাম্পাস থেকে বের হবে সেগুলির ছবি তোলার জন্য থাকছে ছ’টি ক্যামেরা। এই ক্যামেরা গুলি গাড়ির নম্বর প্লেটের ছবি তুলবে এবং তা সঙ্গে সঙ্গে সার্ভার রুমে পাঠিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সিনিয়রদের ‘ক্রীতদাস’ হয়ে থাকতে হত! যাদবপুরে র‌্যাগিংয়ের ভয়াবহ চিত্র তদন্ত কমিটির রিপোর্টে

    Jadavpur University: সিনিয়রদের ‘ক্রীতদাস’ হয়ে থাকতে হত! যাদবপুরে র‌্যাগিংয়ের ভয়াবহ চিত্র তদন্ত কমিটির রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, ৯ অগাস্ট রাতে মেন হস্টেলের এ-২ ব্লকে ভয়াবহ র‌্যাগিং করা হয়েছিল নদিয়া থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রকে। বাকি ব্লকগুলিতে অল্পবিস্তর র‌্যাগিং হলেও, এই ব্লকটি ছিল ছাত্রদের কাছে ত্রাস। প্রাণভয়ে এই হস্টেলে কখনও নজরদারি করতে আসতেন না স্বয়ং সুপারও।

    কী করতে হত ‘বাচ্চা’দের?

    রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ৬ অগাস্ট থেকে ৯ অগাস্ট পর্যন্ত এই ব্লকের ৫৯, ১০৪, ১০৮, ১১০ এবং ১১৪ নম্বর রুমে ভয়াবহ র‌্যাগিংয়ের আসর বসে। হস্টেলের সিনিয়ররা জুনিয়রদের ‘বাচ্চা’ বলে ডাকেন। এই বাচ্চাদের সবসময় ফুল প্যান্ট পরতে হবে। ঘড়ি পরা চলবে না। চুলের ছাঁট হবে মিলিটারিদের মতো। সিনিয়রদের সামনে ফোনে কথা বলা যাবে না। সিনিয়রদের (Jadavpur University) জলের বোতল ভরে দেওয়া, খাবার কিনে আনা, মদ, বিড়ি, সিগারেট – যখন যা প্রয়োজন এনে দিতে হবে জুনিয়রদের। তাঁদের জামাকাপড় কেচে দিতে হবে। করে দিতে হবে পড়াশোনা সংক্রান্ত অ্যাসাইনমেন্টও।

    নগ্ন হয়ে দেখাতে হবে নাচ 

    পরিচয় পর্বে জুনিয়রদের পার্শ্ববর্তী পুলিশ কোয়ার্টারের মহিলাদের উদ্দেশে বাংলায় গালিগালাজ করতে হবে। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে নাচ দেখাতে হবে সিনিয়রদের। কাউকে আলমারির ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কাউকে আবার দেওয়ালে ঘষতে হবে মুখ। খাটের তলা দিয়ে হামাগুড়ি দিতে হত কাউকে। কাউকে আবার দিতে হত ব্যাঙ-লাফ। পারফর্মেন্স খারাপ হলে বাড়ত র‌্যাগিংয়ের মাত্রা। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এই ব্লককে ‘মোস্ট নটোরিয়াস’, ‘ফিয়ার-সাইকোসিস’আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের অভিযোগ, এই ব্লকটি ছিল ‘কালেক্টিভ’ নামে একটি ছাত্র সংগঠনের ডেরা।

    আরও পড়ুুন: পুরনো সংসদ ভবনের শেষ অধিবেশন! গণেশ বন্দনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু নতুনের

    র‌্যাগিংয়ে যুক্ত পাসড আউট ৬জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করার সুপারিশ করা হয়েছে কমিটির রিপোর্টে। হস্টেলে (Jadavpur University) ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক আরও ২৫ জন প্রাক্তনী ও বহিরাগতের। ইউজি তৃতীয় বর্ষের পাঁচজন পড়ুয়াকে চারটি সেমেস্টারের জন্য সাসপেন্ড এবং হস্টেল থেকে সারাজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হোক। ১১ জন সিনিয়র পড়ুয়াকে দুটি সেমেস্টারের জন্য ক্যাম্পাসে ও সারা জীবনের জন্য হস্টেল থেকে বহিষ্কার করা হোক। ১৫ জন পড়ুয়াকে একটি সেমেস্টার ও হস্টেল থেকে সারা জীবনের জন্য বহিষ্কার করা হোক। এ-২ ব্লকের মোট ৯৫ জন সিনিয়র পড়ুয়াকে হস্টেল থেকে সারাজীবনের জন্য বহিষ্কার করার সুপারিশও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল এবং ক্যাম্পাস পরিদর্শন করলেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। বুধবার দ্বিতীয় দিন তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছেন। হস্টেলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখার পর ক্যাম্পাসেও গিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দুই প্রতিনিধি। কোথায়, কী প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মানুবর্তিতা প্রয়োগ করায় সুবিধা হবে, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। 

    ‘জোন’ ভাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন 

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশকে আলাদা ‘জোন’ হিসাবে ভাগ করে পরিদর্শন করে ইসরোর প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার তাঁরা শুধু ক্যাম্পাসে ঘুরলেও এদিন তাঁরা মেন হস্টেলেও যান। এই হস্টেলের এ২ ব্লকের যেখানে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছিল, সেই অংশ বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন তাঁরা। ইসরোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ।উপাচার্য আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কথা বলেছিলেন। যাদবপুরে ইসরোর সুপারিশে প্রযুক্তির প্রয়োগের কথা বলেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সহায়তা প্রয়োজন। পরে রাজভবনের তরফ থেকে ইসরোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলের অনেক আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশেষে মঙ্গলবার তাঁরা ক্যাম্পাসে আসেন।

    আরও পড়ুন: ‘সংবিধান বলছে যা ইন্ডিয়া, তাই ভারত’! নাম-বিতর্কে মন্তব্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের

    আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ব্যবহার

    সূত্রের খবর, মূলত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফডিআই (RFDI)কে কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তার কাজ এগোতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে ইসরো।  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে উন্নত পর্যায়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন গেটে বসতে পারে উন্নত প্রযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা, সেই সমস্ত বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখে তারা।  এরপর চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করবে এই প্রতিনিধি দল। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: চার পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কার! যাদবপুরকাণ্ডে উপাচার্যকে রিপোর্ট তদন্ত কমিটির

    Jadavpur University: চার পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কার! যাদবপুরকাণ্ডে উপাচার্যকে রিপোর্ট তদন্ত কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরে পডুয়ামৃত্যুর ঘটনায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিল সেখানকার অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চারজন পড়ুয়াকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনার ২৬ দিনের মাথায় অবশেষে শাস্তির সুপারিশ করল অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় যুক্ত ৬ প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৫ জন প্রাক্তনীকে হস্টেলের বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    তদন্ত কমিটির সুপারিশ

    যাদবপুরকাণ্ডে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। সূত্রের খবর, এদিনের রিপোর্টে পাঁচজন বর্তমান পড়ুয়াকে চারটি সেমিস্টার, ১১ জনকে দুটি এবং ১৫ জন‌কে একটি সেমিস্টার থেকে বহিষ্কারে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি গবেষণা শেষের পর এক ছাত্রনেতাকে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঢুকতে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই রিপোর্টে র‌্যাগিং রুখতে আরও বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ অগস্ট, ওই ছাত্রের পড়ে যাওয়ার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের এ-২ ব্লকে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অনেকেই ঘটনার বিষয়ে সঠিক বর্ণনা দেননি। ঘটনার মোড় অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন তাঁরা। কেউ কেউ তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টাও করেছেন বলে ওই কমিটির অভিযোগ। তাঁদের সকলকে হস্টেল থেকে বার করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, কমিটির রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে, সেই রাতে হস্টেলে যে প্রাক্তনীরা ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছ’জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হোক।

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হস্টেল ছাড়তে হবে প্রাক্তনীদের! যাদবপুরকে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    ইউজিসির নানা প্রশ্ন

    ইতিমধ্যেই ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবারেই ইউজিসি-র চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যাদবপুরে এসেছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, সেখানেই ইউজিসি-র একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় কর্তৃপক্ষকে। যার কোনওটিরই সদুত্তর মেলেনি। ইউজিসি-র নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে র‌্যাগিং-বিরোধী কমিটি থাকা আবশ্যিক। যাদবপুরে সেই কমিটি ছিল কি না, থাকলে তার কী ভূমিকা, কমিটিতে কে কে ছিলেন, জানতে চাওয়া হয়েছে ইউজিসি-র তরফে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, র‌্যাগিং-বিরোধী কমিটি থাকলেও যাদবপুরে তা তেমন সক্রিয় নয়। কেন কমিটি অচল, সে বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: যাদবপুরে ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা! রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠিকাণ্ডে ধৃত ‘অধ্যাপক’ রানা রায়

    Jadavpur University: যাদবপুরে ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা! রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠিকাণ্ডে ধৃত ‘অধ্যাপক’ রানা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর প্রতিনিধি দল। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে। ইউজিসি-র প্রতিনিধিরা যেতে পারেন হস্টেলেও। সব পক্ষের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার সম্ভাবনা রয়েছে ইউজিসি-র সদস্যদের। অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি পাঠানোর দায়ে ‘অধ্যাপক’ রানা রায়কে গ্রেফতার করল পুলিশ। অন্য একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার রাতে ভুবনেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ।

    যাদবপুর চার সদস্যের প্রতিনিধি দল

    সোমবার সকালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছয় ইউজিসি-র চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারে ইউজিসি। খতিয়ে দেখা হবে র‌্যাগিং সংক্রান্ত নিয়মকানুনও। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কয়েকটি রিপোর্টও চাইতে পারেন ইউজিসির প্রতিনিধিরা। যাদবপুরে প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি নির্ধারিত র‌্যাগিং-বিরোধী নির্দেশ মানা হয়নি বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে এর আগেও কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছিল ইউজিসি। 

    রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি দেওয়ার ঘটনায় শনিবারই মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। যাদবপুর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬, ৫০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল রানার বিরুদ্ধে। চিঠিতে নিজের পরিচয়ে ‘অধ্যাপক’ লিখেছিলেন রানা। তার দু’দিনের মাথাতেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। যদিও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মামলায় রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার সঙ্গে যাদবপুরের ঘটনার কোনও যোগ নেই। বেলগাছিয়ার এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন রানা।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, ভারী বৃষ্টির ভ্রুকুটি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে

    ধৃত রানা রায়

    বেলগাছিয়ার বাসিন্দা এক মহিলা রানা রায়ের বিরুদ্ধে গত ২ সেপ্টেম্বর টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই মহিলা জানিয়েছেন, গত চার বছর ধরে রানা তাঁকে উত্ত্যক্ত করছেন। মাঝে মাঝে কুপ্রস্তাব দিয়ে তাঁকে চিঠিও পাঠানো হতো। বর্তমানে কয়েক বছর ধরে বেলগাছিয়ায় থাকলেও তিনি আসলে কোচবিহারের বাসিন্দা। রানার কুকীর্তির এখানেই শেষ নয়। এলাকার দোকানদার এবং বাজার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকাও ধার করেছিলেন। সেই টাকা ফেরত দেননি। টাকার সব মিলিয়ে প্রায় ৬২ হাজার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ‘‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে…’’! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি

    Jadavpur University: ‘‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে…’’! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে হুমকি চিঠি দেওয়া হল। ‘সৌরভ চৌধুরীর কিছু হলে এক দানাই যথেষ্ট’, এই বয়ানে  হুমকি পোস্ট কার্ড পৌঁছল যাদবপুরের রেজিস্ট্রার-সহ রেজিস্ট্রারের কাছে। হুমকি পোস্ট কার্ডের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যাদবপুর থানায়। শনিবার যাদবপুর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬, ৫০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    চিঠিতে প্রাণনাশের হুমকি

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ধৃত সৌরভ চৌধুরীকে প্রথম থেকেই মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করে আসছে কলকাতা পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রের তথ্যও আদালতে পেশ করেছেন সরকারি আইনজীবীরা। এরই মধ্যে সৌরভের পক্ষ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছল হুমকি-চিঠি! তাতে বলা হয়েছে, সৌরভের কিছু হলে, ‘রিভলভরের দানা খরচ করতে বেশি সময় লাগবে না’। রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু, জয়েন্ট রেজিস্ট্রার সঞ্জয়গোপাল সরকারের কাছে এসেছে ওই চিঠি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, চিঠিতে প্রাণনাশের হুমকির পাশাপাশি ‘জুতোর মালা পরিয়ে বিদায়’ করার মতো কটূক্তিও করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    তদন্তে পুলিশ

    প্রসঙ্গত, যাদবপুরের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, টার্গেট করে ওই পড়ুয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। সৌরভ চৌধুরীর নেতৃত্বে এই নির্যাতন করা হয়।  সৌরভকে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ফের আলিপুর আদালতে হাজির করা হবে। আপাতত জেলে বন্দি অঙ্কের স্নাতকোত্তর ওই ছাত্র। এখন কে বা কারা সৌরভের পক্ষ নিয়ে ওই হুমকি পোস্ট কার্ড পাঠিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এর মধ্যে এই হুমকি চিঠি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই চিঠি পেয়ে তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার। স্নেহমঞ্জুর দাবি, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিঠির বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় যাদবপুর থানায়। তার প্রেক্ষিতেই মামলরা রুজু করল পুলিশ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    Jadavpur University: ইসরোর কাছে সময় চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে (Jadavpur University) মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সঙ্গে কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যানের সঙ্গে। তার পরেই যাদবপুরে প্রতিনিধি দল পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিলেন ইসরো কর্তা।

    সময় চাইল বিশ্ববিদ্যালয় 

    ঠিক হয়েছিল, ইসরোর এক প্রতিনিধি দল আসবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখার পাশাপাশি তাঁরা যাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলেও। তবে দু এক দিনের মধ্যেই যাদবপুরে আসছে না ইসরোর প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ তাঁদের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই যাদবপুরের অস্থায়ী উপাচার্য পদে বসেছেন গণিতের শিক্ষক বুদ্ধদেব সাউ। ছাত্রমৃত্যুর ব্যাপারে যে পরিমাণ নথি জোগাড় করা প্রয়োজন ছিল, তা এখনও করে উঠতে পারেননি তিনি। তাই সপ্তাহখানেক সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছে ইসরোর কাছে।

    অস্বাভাবিক মৃত্যু পড়ুয়ার 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: একই ব্যাঙ্কে আলাদা নামে দুই অ্যাকাউন্ট রুজিরার! ফাঁসতে পারেন অভিষেকের স্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, ইসরোর প্রতিনিধি দল মূলত দেখবে স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে সিসি ক্যামেরাও বসানো হচ্ছে বলে খবর। এজন্য রাজ্যের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা পাঠানো হচ্ছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। এদিকে, শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share