Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • India Beats Pakistan: ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’! ফের পাকিস্তানকে হারাল ভারত, হরমনপ্রীতদের জয়ে শাহের টুইট

    India Beats Pakistan: ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’! ফের পাকিস্তানকে হারাল ভারত, হরমনপ্রীতদের জয়ে শাহের টুইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাই থেকে কলম্বো ফলাফল একই রইল। সূর্যকুমারদের জায়গায় এখানে হরমনপ্রীতরা। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁরা নেমেছিলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। কিন্তু বাইশ গজে ওয়াঘার দু’পারের দুই দেশের দ্বন্দ্ব ফের জিতল ভারত (India Beats Pakistan)। পাকিস্তানের অনেক সমর্থক এশিয়া কাপ ফাইনালের পর আশা রেখেছিলেন যে মহিলা দল বদলা নেবে। তাতেও জল ঢেলে দিলেন হরমনপ্রীত কৌররা। ভারত ৪ এবং পাকিস্তান ০। এই হল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের গত এক মাসের হিসেব। এই জয়ের পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক!’ যা দেখে অনেকেই ‘সার্জিকাল স্ট্রাইকে’র আভাস পাচ্ছেন।

    চার রবিবারে চারবার

    কলম্বোয় পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। এদিন ৮৮ রানে ফাতিমা সানার দলকে হারিয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়া। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল ২৪৭। ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানের সিদ্রা আমিন ছাড়া কেউই রান পাননি। রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল দেওয়াল লিখন। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সূর্যকুমার যাদব বলছিলেন, মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে ১১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। কোথায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা? কোনও লড়াই নেই। একদম একপেশে। বাস্তবেও সেটাই দেখা গেল। কোথায় লড়াই? ভারতের একপেশে দাপটে ৮৮ রানে হারল পাকিস্তান। একাই লড়লেন সিদ্রা। কাউকে সঙ্গে পেলেন না তিনি। ১১-০ হল ১২-০। এশিয়া কাপে তিন বার পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ভারত। মহিলাদের বিশ্বকাপেও সেই ধারা দেখা গেল। চার রবিবার চার বার পাকিস্তানকে হারাল ভারত।

    ভারতের জয়ে শাহী বার্তা

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানে এখন শুধু আর মাঠের মধ্যে খেলা নয়, মাঠের বাইরেও চলে লড়াই। দু’দেশ ক্রিকেট মাঠে নামলে অবধারিত ভাবে আলোচনায় উঠে আসে ‘অপারেশন সিঁদুর’, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, যুদ্ধবিমান ধ্বংস। রবিবার মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ৮৮ রানে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ের পর আবার এসেছে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রসঙ্গ। সেই প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার ভারতের জয়ের পর নিজের এক্স হ্যান্ডলে ভারতীয় দলের উল্লাসের কয়েকটি ছবি দেন শাহ। ক্যাপশনে লেখেন, “একটা পারফেক্ট স্ট্রাইক। মহিলাদের বিশ্বকাপে আমাদের মহিলা ক্রিকেট দল আরও এক বার দাপট দেখাল। দেশ তোমাদের নিয়ে গর্বিত। আগামী ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছা।” লক্ষ্যণীয়, অমিত শাহের বার্তায় কোথাও পাকিস্তান শব্দটির উল্লেখ করেননি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাক ম্যাচ মানেই তা ‘যুদ্ধের’ রূপ নিয়েছে। শাহী বার্তার পর অনেকেই ‘পারফেক্ট স্ট্রাইকে’র সঙ্গে ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ শব্দের মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

    ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ এর সুর

    শাহের এই টুইট দেখে মনে পড়ে যাচ্ছে ভারত এশিয়া কাপ জেতার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির করা সেই টুইট। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “খেলার মাঠে অপারেশন সিঁদুর। ফলাফল এক। ভারতের জয়। আমাদের ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা।” হরমনপ্রীতেরা জেতার পর মোদি টুইট করেননি। করেছেন তাঁর ডেপুটি শাহ। সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পর মোদী সরাসরি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উল্লেখ করেছিলেন। শাহ সেটা করেননি। তবে তিনি সরাসরি না বললেও তাঁর ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’ যে আসলে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ তা সহজেই বোঝা যায়। উরির সেনা ছাওনিতে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারতীয় সেনা। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারতীয় সেনার কর্তারাও বার বার ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’, ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’— এই জাতীয় কথা বলেছেন। সেই সুরই তো দেখা গেল শাহের কথায়।

    পাক বয়কট চলছেই

    এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানকে এশিয়া কাপে (Asia Cup) হারিয়েছিল মেন ইন ব্লু। এবার মেয়েদের ক্রিকেট বিশ্বকাপে (Women’s World Cup) ফের পাকিস্তানকে হারাল ওমেন ইন ব্লু। পুরুষদের এশিয়া কাপের পর, মেয়েদের বিশ্বকাপেও বিতর্ক থামেনি। টসের সময় সূর্যকুমার যাদবের মতো পাক অধিনায়ক ফতিমা সানার সঙ্গে হাত মেলাননি হরমনপ্রীত (Harmanpreet Singh)। এর পর এক রান আউট নিয়েও সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে ৮৮ রানে ম্যাচ জেতার পর পাক প্লেয়ারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে সোজা ড্রেসিং রুমে চলে যান স্মৃতি মন্ধানারা। যা নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এশিয়া কাপেও একই জিনিস দেখা গিয়েছিল। তিন ম্যাচে পর পর পাকিস্তানকে হারিয়েছিলেন অভিষেক শর্মারা। কিন্তু, ম্যাচের আগে বা পরে পাকিস্তানের কোনও প্লেয়ারের সঙ্গে হাত মেলাননি তাঁরা। সেই ধারা বজায় রাখলনে হরমনপ্রীতরা। ফলে সব মিলিয়ে ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানকে বয়কট করে চলেছে ভারত।

    হরমনপ্রীতের বার্তা

    এদিন ম্যাচের পর ক্রিকেট ভক্তদের উদ্দেশে বার্তা দেন ভারত অধিনায়ক। ম্যাচের পর হরমনপ্রীত বলেন, ‘আমরা খুব খুশি। কারণ ম্যাচটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দেশের মানুষরাও এই জয়ে খুশি হয়েছেন বলে আমি নিশ্চিত।’ অন্যদিকে, ভারতে (India) খেলতে চায়নি পাকিস্তান (Pakistan)। সেই কারণে এই ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। কিন্তু ম্যাচ আর জেতা হল না পাকিস্তানের। এর ফলে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ১২টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে ভারত। তার মধ্যে সব কটিতেই জিতেছে ভারতের লক্ষ্মীরা।

     

     

     

     

  • BJP Attacks Mamata: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, কলকাতায় পুজো কার্নিভালে মজে মমতা! তুলোধনা বিজেপির

    BJP Attacks Mamata: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, কলকাতায় পুজো কার্নিভালে মজে মমতা! তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় কাঁদছে, উত্তরবঙ্গ ভাসছে, তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (BJP Attacks Mamata) পুজোর আনন্দে গা ভাসাচ্ছেন। পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গে যখন বন্যা (North Bengal Flood), ধসে মৃত্যু মিছিল, তখন কলকাতায় বর্ণাঢ্য কার্নিভাল হচ্ছে! মুখ্যমন্ত্রী ঢাকের তালে নাচছেন! এমন ছবি দেখা গেল রবিবার। এই সরকারের কাছে কোনও মানবিক মুখ আশা করা যায় না, মত বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমিক ভট্টাচার্যের। মিরিকে মৃত্য়ুমিছিল। আর সরকারি টাকায় কার্নিভাল (Puja Carnival) হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari))।

    শুভেন্দুর নিশানায় মমতা

    উত্তরবঙ্গে ভয়ঙ্কর দুর্যোগ! এখনও পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই অবস্থায় রবিবার কলকাতায় হয়ে গেল দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে কলকাতায় কার্নিভাল আয়োজন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (BJP Attacks Mamata) ও তাঁর সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করল বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu On Mamata) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কার্নিভাল আগে, বিপর্যয় পরে। এত প্রাণহানির পরও তিনি কলকাতায় উৎসব করছেন, এটা দুঃখজনক। মুখ্যমন্ত্রীর সবসময়ই অগ্রাধিকার বাছাইয়ের সমস্যা রয়েছে। তিনি দার্জিলিং সফর স্থগিত করেছেন, কারণ এবার দোষ চাপানোর জন্য় ডিভিসির মতো কোনও সংস্থা নেই। এবার কি বলবেন, ভুটান বা নেপালের জলেই বন্যা হয়েছে?’’ সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রশাসনিক চাপে পুজো কমিটিগুলির দেরি হওয়া বিসর্জন কীভাবে ঐতিহ্যে পরিণত হল?’

    মমতাকে কটাক্ষ শমীকের

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) কথায়, ‘‘এই বিপর্যয়ের আবহে, এই শোকের আবহে আজকে কার্নিভালের প্রয়োজন ছিল না। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যে নাড়ির যোগ রয়েছে, সেই বার্তাটুকু অন্তত উত্তরবঙ্গের মানুষকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এই কার্নিভালকে কিছুটা হলেও স্থগিত রেখে আজই উত্তরবঙ্গে চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি গেলেন না। তিনি সোমবার যাচ্ছেন। এই সরকারের কাছে কোনও মানবিক মুখ আশা করা যায় না। আজ আনন্দের দিন নয়।’’ শমীকের দাবি, রাজ্যের দুর্নীতি ও অব্যবস্থার কারণেই পুরসভাগুলো জল জমা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। বেআইনি বোল্ডার তোলা, অবৈধ বালি খাদান ও বনভূমি ধ্বংসের ফলে নদীর গতিপথ বদলে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। বিজেপি-সহ বিরোধীদের অভিযোগ, উত্তরবঙ্গে চরম দুর্যোগের সময় শহরে পুজো কার্নিভালে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চরম অসংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।

  • North Bengal Flood: শোকপ্রকাশ মোদি-শাহের, রাজভবনে চালু কন্ট্রোল রুম! উত্তরবঙ্গে দুর্যোগে মৃত্যু বেড়ে ২৮

    North Bengal Flood: শোকপ্রকাশ মোদি-শাহের, রাজভবনে চালু কন্ট্রোল রুম! উত্তরবঙ্গে দুর্যোগে মৃত্যু বেড়ে ২৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১২ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে সমতল। কোথাও ধসে ঘরবাড়ি, সেতু ভেঙে পড়েছে। কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট। পুজো মিটতে না-মিটতেই এই বিপর্যয়ে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মিরিক। ফুঁসছে তিস্তা। ক্ষতিগ্রস্ত কালিম্পং থেকে জলপাইগুড়ি-সহ সমগ্র ডুয়ার্স। পুজোর সময় পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া বহু পর্যটকই সেখানে আটকে পড়েছেন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের দুর্গতদের (North Bengal Flood) জন্য ব়্যাপিড অ্যাকশন সেল খোলা হল। ২৪ ঘণ্টা এখানে যোগাযোগ করা যাবে। এর জন্য রাজভবনের তরফে একটি নম্বর ও ই-মেল আইডি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গে দুর্যোগে মৃতদের পরিজনদের সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    রাজভবনের ব়্যাপিড অ্য়াকশন সেল

    রবিবার রাজভবনের তরফে এক বার্তায় জানানো হয়েছে, উত্তরবঙ্গে বন্যা (North Bengal Flood) দুর্গতদের জন্য ব়্যাপিড অ্য়াকশন সেল খোলা হচ্ছে। এর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকছেন অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি সন্দীপ সিং রাজপুত। উত্তরবঙ্গের দুর্গত মানুষ যেকোনও সমস্যার কথা জানাতে এখানে ফোন করতে পারেন। ফোন নম্বর হল ০৩৩-২২০০১৬৪১। এছাড়া মেইল করেও নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন সবাই। ব়্যাপিড অ্যাকশন সেলের মেইল আইডি হল peaceroomrajbhavan@gmail.com। ওই বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, রাজভবনে যে পিসরুম খোলা হয়েছিল, তা আবার সক্রিয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল। দুর্গতদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    দার্জিলিং-এর দিকে নজর কেন্দ্রের

    উত্তরবঙ্গে বিপর্যয়ে (North Bengal Flood) মৃত্য়ুমিছিল নিয়ে শোকজ্ঞাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তের সঙ্গে গোটা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি। ইতিমধ্য়েই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এনডিআরএফ সেখানে কাজ করছে, তৈরি আছে আরও টিম, প্রয়োজনে তারাও উদ্ধারকাজে সামিল হবে। পাশাপাশি বৃষ্টি ও ধসে মৃতদের পরিজনদের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের আরোগ্য়কামনা করেছেন অমিত শাহ। অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত দার্জিলিঙের এবং আশপাশের এলাকার পরিস্থিতির প্রশাসন গভীরভাবে নজরদারি চালাচ্ছে। শোকগ্রস্থ পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিঙে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমি শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আহতদের জন্য আরোগ্য কামনা করেছেন তিনিও।

    সবাইকে ধীরস্থির থাকার আবেদন

    লাগাতার বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ২৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের পরিজনদের সমবেদনা জানিয়েছেন রাজ্যপাল। সবাইকে ধীরস্থির থাকার আবেদন জানিয়ে উদ্ধারকাজে প্রশাসনকে সাহায্য করার বার্তা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। আজ, সোমবার উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে তিনিও নির্দেশ দিয়েছেন।

    বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ

    টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের (North Bengal Flood) বিস্তীর্ণ অঞ্চল। শুধু পার্বত্য এলাকাই নয়, বিপর্যস্ত ডুয়ার্সে বিস্তীর্ণ এলাকাও। তিস্তা, তোর্সা, মহানন্দা, জলঢাকা-সহ উত্তরের বিভিন্ন নদীগুলি ফুঁসছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা। সেখান থেকে এলাকাবাসীদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বন্যপ্রাণীরা প্রাণ বাঁচাতে ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে। কামারঘাট এলাকায় জলের মধ্যে আটকে পড়েছে একপাল হাতি। পাশাপাশি স্থানীয় কালীবাড়ি এলাকাতেও একটি গন্ডার লোকালয়ে চলে আসে। তবে শুধু হাতি-গন্ডার নয়, কাশিয়ার বাড়ি এলাকায় একটি বাইসনের শাবক উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। কার্শিয়াংয়ে গ্রামে ঢুকে পরে একাধিক হরিণ। বহু বন্যপ্রাণী জঙ্গল থেকে নদীতে ভেসে গিয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন বনকর্মীরা। বেশকিছু ট্রেন বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশন। বাংলা থেকে অসম যাওয়ার একাধিক ট্রেন বাতিল হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু ট্রেনকে ঘুর পথে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে এনজেপি আলিপুরদুয়ার জংশন ট্যুরিস্ট স্পেশাল ট্রেন। ধুবরি শিলিগুড়ি ডেমু স্পেশাল। বাতিল শিলিগুড়ি বক্সিরহাট এক্সপ্রেস।

    উত্তরবঙ্গে চলবে বৃষ্টি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, আজও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের আট জেলায়। ওই জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। তবে জেলার সব জায়গায় ঝড়বৃষ্টি হবে না। উত্তরের আট জেলার মধ্যে সোমবার আলিপুরদুয়ারে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি কমবে উত্তরবঙ্গে। ওই দিন একমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবির দুপুরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ আসতেই, উত্তরবঙ্গের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ঝাঁপিয়ে পড়ল বঙ্গ বিজেপি। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের পাশাপাশি, সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবারই উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় দল প্রস্তুত। একইসঙ্গে, বিজেপির স্থানীয় কর্মকর্তারাও দুর্গতদের সাহায্য করতে মাঠে নেমেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। অমিত শাহ বলেন, ‘‘দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তার সঙ্গে কথা বলেছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি। এনডিআরএফ-এর দলগুলি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে, এবং প্রয়োজনে আরও দল তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি কর্মীরাও বিপর্যস্ত মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।’’

    উত্তরের জেলা কমিটিগুলিকে ত্রাণ-উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ

    এর পর বিকেলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রতি মিনিটে পরিস্থিতির খবর নেওয়া হচ্ছে। এনডিআরএফ ও বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীরা উদ্ধারকাজে নেমেছেন, আর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের সহায়তার জন্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে পাঠানো হয়েছে। শমীক জানান, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব জেলা কমিটিকে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, ‘‘আমাদের সীমিত সাধ্যের মধ্যে দিয়ে উত্তরবঙ্গে আমাদের দলের সমস্ত শাখাকে ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে সব জেলা ক্ষতিগ্রস্ত নয়, সেখানকার সমস্ত বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীরা উদ্ধারকার্যে নামবেন। আর আজ সন্ধ্যার পর থেকে আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। আমাদের সাধ্যমতো যতটা সহযোগিতা এবং ত্রাণ এই মুহূর্তে আমরা দিতে পারি, আমরা তার ব্যবস্থা করব।’’

    সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের ফেরাতে উদ্যোগ

    শুধু দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া নয়, ভিন্‌রাজ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বঙ্গ বিজেপির নির্বাচন সহ-প্রভারী তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব রবিবার যোগাযোগ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন। শমীক বলেন, ‘‘বিপ্লবের ফোন পেয়ে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সচিবালয়ের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তিনি বিপ্লবকে জানিয়েছেন যে, সিকিম থেকে পশ্চিমবঙ্গে যাতায়াতের একটি মাত্র রাস্তা আপাতত খোলা রয়েছে। বাকি সব রাস্তা দুর্যোগে বিপর্যস্ত। সেই একটিমাত্র অক্ষত রাস্তা দিয়েই যত দ্রুত সম্ভব বাঙালি পর্যটকদের নিরাপদে ফেরানোর জন্য সিকিম সরকার সচেষ্ট হচ্ছে।’’ সিকিম সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে বিজেপির তরফ থেকে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি জানিয়েছেন।

  • ISSA: সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণে মোদি সরকারকে বিশেষ সম্মাননা আইএসএসএ-র

    ISSA: সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণে মোদি সরকারকে বিশেষ সম্মাননা আইএসএসএ-র

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: এবার মোদি সরকারের (PM Modi) সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে সম্প্রসারণের কাজের স্বীকৃতি দিল বিশ্ব। ভারতের এই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির জন্য আন্তর্জাতিক সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা (ISSA) পুরষ্কার ২০২৫- সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে ভারতকে। এই পুরস্কারকে বলা হয় সামাজিক সুরক্ষায় অসামান্য সাফল্য অর্জন। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয়  মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বিশ্ব সামাজিক সুরক্ষা ফোরাম (WSSF) ২০২৫-এ যোগদান করে ভারতের পক্ষে এই পুরষ্কার গ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী ১৬৩টি দেশের ১,২০০ জনেরও বেশি নীতিনির্ধারক এবং বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করেছেন। মোদির নেতৃত্বে ভারতের মুকুটে আরও এক পালক।

    বিশ্বে পঞ্চম স্থান দখল ভারতের (ISSA)

    এই সম্মাননা হল ত্রিবার্ষিক পুরস্কার। ভারতের সামাজিক নিরাপত্তার প্রেক্ষিতকে ২০১৫ সালে ১৯% থেকে ২০২৫ সালে ৬৪.৩%-এ সম্প্রসারণ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। দেশের ৯৪ কোটিরও বেশি নাগরিককে উপকৃত করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ভারতের মতো দেশের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) কর্তৃক এই মূল্যায়নকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখার পক্ষপাতী বিশেজ্ঞরা। এই খেতাব অর্জন করে ভারত এখন বিশ্বে পঞ্চমস্থান দখল করে নিয়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান এখন অগ্রগণ্য।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বলেন, “গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ভারত ২০২৫ সালে সামাজিক নিরাপত্তায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য মর্যাদাপূর্ণ আইএসএসএ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। মোদিজি প্রতিটি নাগরিকের জন্য সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার এই প্রমাণ প্রকৃষ্ট প্রমাণ। গত দশকে, ভারত বিশ্বের দ্রুততম সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণনীতির সাক্ষী হয়েছে।  যা ২০১৫ সালে ১৯% থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৬৪.৩% হয়েছে, যা ৯৪ কোটিরও বেশি নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।”

    পিছিয়ে থাকা বর্গের শেষ ব্যক্তিকে ক্ষমতায়ন

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মাণ্ডবীয় (PM Modi) এই সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বকে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অন্ত্যোদয়ের দৃষ্টিভঙ্গির জন্যই সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক অংশের ক্ষমতায়নে সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, “এই পুরস্কার (ISSA) আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবনা চিন্তার ফসল। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভাবনাই আমাদের পথপ্রদর্শক নীতি। সমাজের একদম পিছিয়ে থাকা শ্রেণির শেষ ব্যক্তিকে ক্ষমতায়নের কেন্দ্রে নিয়ে আসায় বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। আর এটি সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার মন্ত্রই আমাদের যাত্রাকে একটি বিশেষ রূপ দিয়েছে। সেই সঙ্গে দেশবাসীকেও ধন্যবাদ জানাই।”

    ৩১ কোটিরও বেশি শ্রমিককে নিবন্ধন করেছেন

    সামাজিক সুরক্ষাকে সম্প্রসারণের একটি মূল চালিকাশক্তি হল ই-শ্রম পোর্টাল (ISSA)। এটি  ২০২১ সালে চালু হওয়া একটি জাতীয় ডিজিটাল ডাটাবেস। মাত্র চার বছরে ৩১ কোটিরও বেশি অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিককে নিবন্ধিত করেছে। এই পোর্টালটি বহুভাষিক ইন্টারফেসের মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের সঙ্গে শ্রমিকদের সংযুক্ত করার জন্য “ওয়ান-স্টপ সমাধান” রূপে কাজ করে আসছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মাণ্ডবীয় ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস (এনসিএস) পোর্টালের কাজের বিষয়ে বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা ভেবে বিশ্বব্যাপী সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য ই-শ্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ভারতের সামগ্রিক পরিসরকে আরও জোরদার করতে হবে। আর্থিক বিলগ্নীকরণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং একটি শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরির জন্য এই ডিজিটাল পোর্টাল বিশেষ ভাবে কাজ করবে।”

    অসাধারণ সাফল্য অর্জন

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মাণ্ডবীয় (PM Modi) নিবন্ধন করা সকল শ্রমিক-কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা, বীমা, পেনশন প্রকল্প প্রদান এবং ভবিষ্যতের তহবিল সংস্থা (EPFO) এবং রাজ্য বীমা কর্পোরেশন (ESIC) এর ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ভারত একটি সামগ্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে নতুন আয়ের সুযোগ এবং সামাজিক সুরক্ষার একটি বড় পরিসর তৈরি করতে প্রযুক্তিও ব্যবহার করার কাজ শুরু করেছে। বিশ্বব্যাপী যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করতে আমরা আরও প্রস্তুত।” আইএসএসএ তার অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, “২০২৫ সালে সামাজিক নিরাপত্তায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে ভারত। আইএসএসএ (ISSA) পুরস্কার জেতার জন্য ভারত সরকারকে অনেক অনেক অভিনন্দন।”

  • Daily Horoscope 06 October 2025: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 October 2025: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কুসঙ্গ থেকে দূরে থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভাল যোগাযোগ হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক হতে পারে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শারীরিক কষ্টের কারণে কাজের সময় নষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তি থেকে দূরে থাকুন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Darjeeling News: রাতভর বৃষ্টিতে দার্জিলিঙে ভয়াবহ ধস, মৃত অন্তত ১৭; মিরিকে ভাঙল সেতু

    Darjeeling News: রাতভর বৃষ্টিতে দার্জিলিঙে ভয়াবহ ধস, মৃত অন্তত ১৭; মিরিকে ভাঙল সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব (Darjeeling News)! টানা বৃষ্টিতে পাহাড়জুড়ে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। একের পর এক ধসে বিধ্বস্ত গোটা দার্জিলিং জেলা। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সিকিম। প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মিরিকে ভেঙে পড়েছে একটি লোহার সেতু। জেলা প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ধসের জেরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। পাহাড় এখন কার্যত বিপর্যস্ত অবস্থায়।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্ক করেছিল পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেই মতোই শুক্রবার রাত থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হয় প্রবল বর্ষণ। দার্জিলিং জেলা (Darjeeling News) প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, মিরিকে (Heavy Rain) লোহার সেতু ভেঙে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সুখিয়ায় ধসের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন আরও চারজন। একাধিক জায়গায় এখনও ধস চলছে, এবং ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে, সিকিমের বহু জায়গায় পর্যটকরা আটকে পড়েছেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিবৃতি

    কার্শিয়াংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায় বলেন, “মিরিকের ধস থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে ভোরে আরও দুটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সুখিয়াতেও চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে উদ্ধারকাজে অসুবিধা হচ্ছে, তবে দুপুরের দিকে বৃষ্টি কমায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। শিলিগুড়ি-দার্জিলিং (Darjeeling News) রোহিণী রোড এবং দিলারাম সংলগ্ন সড়ক ধসে বন্ধ হয়ে আছে। মিরিকের ধস অত্যন্ত ভয়াবহ, সেখানেও উদ্ধারকাজ চলছে।”

    মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে

    প্রশাসনের আশঙ্কা, পাহাড়ে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে (Heavy Rain) । জিটিএ-র চিফ এক্সিকিউটিভ অনিত থাপা জানিয়েছেন, “বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বিপদে পড়া মানুষদের সাহায্যের জন্য পঞ্চায়েত সদস্য, জিটিএ আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাহাড়জুড়ে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। শিশু ও মহিলাদের নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মিরিকের বিডিও, এসডিও, পুরসভা-সহ স্থানীয় প্রশাসন মাঠে নেমে কাজ করছে।”

    বাড়ছে তিস্তার জলস্তর

    শনিবার রাতেই সেবকের কাছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তার পর টানা বৃষ্টির কারণে একাধিক জায়গায় ধস নামায় রাস্তা পুরোপুরি অচল হয়ে যায়। দুধিয়ায় লোহার সেতু ভেঙে পড়ায় শিলিগুড়ি-মিরিকের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দিলারামের কাছে ধসে বন্ধ রোহিণী রোডও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। পুলবাজার সেতুরও ক্ষতি হয়েছে, ফলে বিজনবাড়ি ও আশপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। অবিরাম বৃষ্টিপাতে বারবার ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। তিস্তার জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান বিপর্যয়ের (Darjeeling News) প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে— টাইগার হিল, রক গার্ডেনসহ দার্জিলিংয়ের সব পর্যটনকেন্দ্র আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত পর্যটকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • Daily Horoscope 05 October 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 05 October 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) অভিনেতারা খুব ভালো সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    বৃষ

    ১) বাড়িতে অশান্তির জন্য পাড়ার লোকের কাছে হাসির পাত্র হবেন।

    ২) চাকরির স্থানে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে চিন্তার খবর আসতে পারে।

    ২) বাইরে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) কোনও কারণে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

    ২) সংসারের দায়িত্ব দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পিতার সঙ্গে মতান্তর হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত উদারতার জন্য কাজের ক্ষতি হতে পারে।

    ২) হঠাৎ করে কোনও চাকরির যোগ আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে খুব বেশি।

    তুলা

    ১) শত্রুর কারণে সকালে মাথাগরম হতে পারে।

    ২) সাবধান থাকতে হবে, শরীরে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না কারও সঙ্গে।

    বৃশ্চিক

    ১) সকালবেলাতেই কিছু দান করার জন্য ইচ্ছা হতে পারে।

    ২) অভিভাবকদের পরামর্শ আপনার জন্য কার্যকর হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথাবার্তা বলুন।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য কাজের প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার যে কোনও কাজ সফল হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) সকালে অহেতুক কোনও অশান্তিতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

    ২) প্রতিবেশীদের হিংসার কারণে কাজে বাধা আসতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে চাপ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) কিছু কেনাকাটার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

    ২) শত্রুর সঙ্গে আপস করতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের কাছে সুনাম অর্জন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Team India: রোহিত যুগের অবসান! এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়ক শুভমন, ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট জয় ক্যাপ্টেন গিলের

    Team India: রোহিত যুগের অবসান! এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়ক শুভমন, ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট জয় ক্যাপ্টেন গিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে রোহিত যুগের অবসান। এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়কত্ব হারালেন রোহিত শর্মা। দলের নতুন অধিনায়ক শুভমন গিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতানো রোহিত নেতৃত্ব হারালেও দলে থাকলেন। জায়গা হয়েছে বিরাট কোহলিরও। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর দু’জনকে নিয়েই প্রশ্ন ছিল। বলা হয়েছিল, এক দিনের দলেও সুযোগ পাবেন না। কিন্তু দু’জনকেই অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে রাখা হল। তবে দলে জায়গা হয়নি মহম্মদ শামির।

    ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই পরিবর্তন

    ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই নেতৃত্বে বদল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সে সময় রোহিত খেলার মতো পরিস্থিতিতে না থাকলে নতুন কাউকেই নেতৃত্বের দায়িত্ব দিতে হবে। তাই আগে থেকেই শুভমনকে দায়িত্ব দিয়ে তাঁকে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিলেন জাতীয় নির্বাচকেরা। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেই রোহিত শর্মার পরিবর্তে টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন পাঞ্জাবের এই ক্রিকেটার। টেস্ট দলের পরে এ বার একদিনের ক্রিকেটেও তাঁর উপরেই ভরসা রাখল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।

    আড়াই দিনেই ম্যাচ শেষ

    শনিবার, দিনটা শুভই হল শুভমনের। ঘরের মাঠে শুভ-মহরৎ ক্যাপ্টেন শুভমন গিলের। তাঁর টেস্ট ক্যাপ্টেন্সির শুরুটা হয়েছিল ইংল্যান্ডে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শেষ অবধি সিরিজ ড্র করেছিল শুভমনের ভারত। ঘরের মাঠে প্রথম বার টেস্টে টিমকে নেতৃত্ব দিলেন। জয় দিয়েই শুরুটা হল শুভমনের। নিজে ব্যাট হাতে অবদানও রাখলেন। তেমনই নজর কাড়লেন ক্যাপ্টেন্সিতে। আমেদাবাদে প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৪০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারাল ভারত। সিরিজে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে আগামী ১০ অক্টোবর। আমেদাবাদে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৬২ রানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুটিয়ে দিয়েছিল ভারত। মহম্মদ সিরাজ চার উইকেট নিয়েছিলেন। নতুন বলে তাঁর পারফরম্যান্স বেশি নজর কেড়েছিল। জসপ্রীত বুমরা তিন উইকেট নিয়েছিলেন। অন্য দিকে, স্পিনার কুলদীপ যাদব ২ উইকেট। ভারতের ব্যাটাররা বাকি কাজটা সেরে নেয়। যে কারণে মাত্র আড়াই দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সহজে ম্যাচ জিতে নিল ভারত।

    অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের দল

    অজিভূমে ভারতের সফর শুরু হবে ১৯ অক্টোবর পারথ স্টেডিয়ামে। দ্বিতীয় ওয়ানডে ২৩ অক্টোবর, অ্যাডিলেড ওভালে। ২৫ অক্টোবর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তৃতীয় ওয়ানডে। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে দূরে থাকা কোহলি এবং অধিনায়ক রোহিতকে দেখার জন্য এখন থেকেই উন্মাদনার পারদ চড়ছে। ওয়ানডে সিরিজের পর ২৯ অক্টোবর ক্যানবেরার মানুকা ওভালে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পরের ম্যাচগুলি রয়েছে রয়েছে ৩১ অক্টোবর, ২ নভেম্বর, ৬ নভেম্বর, ৮ নভেম্বর।

    এক দিনের দল: শুভমন গিল (অধিনায়ক), শ্রেয়স আয়ার (সহ-অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, অক্ষর প্যাটেল, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, মহম্মদ সিরাজ, অর্শদীপ সিং, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক) এবং যশস্বী জয়সওয়াল।

    টি-টোয়েন্টি দল: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), শুভমন গিল (সহ-অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, জীতেশ শর্মা (উইকেটরক্ষক), বরুণ চক্রবর্তী, জসপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), হর্ষিত রানা, রিঙ্কু সিং এবং ওয়াশিংটন সুন্দর।

  • West Bengal Assembly Election: পুজো শেষেই বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতিতে বিজেপি, শমীক-শুভেন্দুদের সঙ্গে বৈঠকে ভূপেন্দ্র-বিপ্লব

    West Bengal Assembly Election: পুজো শেষেই বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতিতে বিজেপি, শমীক-শুভেন্দুদের সঙ্গে বৈঠকে ভূপেন্দ্র-বিপ্লব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর উৎসবের আমেজ কাটতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) পরিকল্পনা। বিজয়া দশমীর পরদিন থেকেই আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ল বিজেপি। শুক্রবার কলকাতায় পা রেখেই একের পর এক বৈঠক করেছেন বিজেপির নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব ও সহকারী নির্বাচনী পর্যবেক্ষক বিপ্লবকুমার দেব। জানা গিয়েছে, রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের বুথ ভিত্তিক হিসেব নিকেশ নিয়েছেন তাঁরা।

    বৈঠকে কারা কারা উপস্থিত

    রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আর মাস সাতেক বাকি। বঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও সহকারী নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে ভূপেন্দ্র ও বিপ্লবের নাম ঘোষণা হয়েছে গত ২৫ সেপ্টেম্বর। নাম ঘোষণার পর গতকাল প্রথম বঙ্গে এসেছেন বিজেপির এই দুই নেতা। দফায় দফায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তাঁরা। সল্টলেকের অফিসেও বৈঠক করেন তাঁরা। সেই বৈঠকে শমীক, বনশল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, অমিত মালব্য, সতীশ ধন্দরা। পরে বৈঠকে যোগ দেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদকরাও।

    বৈঠকে কারা কারা উপস্থিত

    দলীয় সূত্রের খবর, ভূপেন্দ্র ও বিপ্লব প্রথম সফরেই বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। কোন এলাকায় বিজেপির ভিত্তি কতটা দৃঢ়, কোথায় আরও জোরদার করা যায়, গত নির্বাচনে কোন এলাকায় ফল খারাপ হয়েছিল, সব মিলিয়ে ভোটের অঙ্ক কষতে শুরু করেছেন তাঁরা। বিশেষ করে, হারের জায়গাগুলোতে অল্প চেষ্টাতেই ঘুঁটি ঘোরানো সম্ভব কি না, সেই দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক রদবদল বা দায়দায়িত্ব বণ্টনে নির্বাচনী লাভ-ক্ষতির হিসেব নিকেশের উপরও জোর দেওয়া হয়। রাজ্য কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সেই পরিকল্পনা কতটা করা যায়, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, বিজেপিতে (BJP in Bengal) দায়দায়িত্ব পাওয়া আর না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ-রাগ-অভিমান তৈরি হয়। এহেন আবহে কমিটি গঠনের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা বিচার বিবেচনা করা হয়েছে। যেহেতু এই রাজ্যের বিজেপির সাংগঠনিক অবিভাবক হিসেবে বনশল রয়েছেন, তাই তাঁর সঙ্গে ২ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক আলাদা করে বৈঠক করেছেন বলে সূত্রের দাবি। উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধায়ককে ফোন করে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন বিপ্লব দেব। বিভিন্ন অংশের গ্রাউন্ড রিপোর্ট, দলীয় নেতৃত্বের ভূমিকা, শাসক দলের উপস্থিতি কতটা, প্রশাসনের কী ভূমিকা, এমন নানা বিষয়ে রির্পোট পাঠানোর জন্য ওই বিধায়কদের বলেছেন তিনি।

LinkedIn
Share