Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Assembly Election 2026: ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ৩২ লক্ষের নিষ্পত্তি! প্রায় ৪০ শতাংশের নাম বাতিল, জানাল কমিশন

    Assembly Election 2026: ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ৩২ লক্ষের নিষ্পত্তি! প্রায় ৪০ শতাংশের নাম বাতিল, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের (Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে বাদ যাওয়া নামের পরিসংখ্যান সামনে আনল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ‘অ্যাডজুডিকেশন’ (বিবেচনাধীন) তালিকায় থাকা প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩২ লক্ষের তথ্য নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে ১৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বুধবার এমনই তথ্য দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commisson Of India)।

    এখনও পর্যন্ত বাদ ৭৬ লক্ষ নাম!

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছিল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। তার আগে খসড়া তালিকাতেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট (SIR Supplementary List)। সেই তালিকায় কতজনের নাম আছে, কতজনের নাম নতুন করে বাদ পড়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয় জল্পনা। বুধবার সন্ধ্যায় কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে ১০ লক্ষ নাম রয়েছে। আরও জানা গিয়েছে যে, ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ বাদ পড়েছে। অর্থাৎ ১৩ লক্ষ নাম নতুন করে বাদ পড়েছে। হিসেব বলছে সব মিলিয়ে ৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়ল এখনও পর্যন্ত।

    রাজ্যে কত জনের নাম বাদ যেতে পারে

    এসআইআর শুরু হওয়ার আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম। সেই তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় বাদ পড়ে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বাদের হিসেব দাঁড়িয়েছিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জন। প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ নাম। এই হিসেবে যদি চলা হয়, তাহলে আগামী তালিকাতেও বাদ পড়তে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম। আর এমন হলে এখনও প্রায় ১২ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে বলেই খবর সূত্রের। ফলে, সব মিলিয়ে বাদ পড়তে পারে ৮৭ থেকে ৮৮ লক্ষ ভোটারের নাম। এখনও প্রায় ২৮ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি বাকি। আর যদি এমন ঘটে তাহলে রাজের মোট ভোটারের ১১ শতাংশের বেশি নাম বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআর শুরু হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। ফলে, এসআইআর শেষ হলে ভোটারের সংখ্যা হতে পারে ৬ কোটি ৮০ লক্ষ।

    বিজেপি’র দাবি মিলছে

    বুধবার পটাশপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি জনসভায় বাদ পড়া ভোটারের নিজস্ব হিসেব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘‘৩২ লক্ষ ভোটারের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ লক্ষ বৈধ ভোটার, ১৪ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। সব মিলিয়ে অবধি ৭৯ লক্ষের নাম বাদ পড়ল। এখনো ২৮ লক্ষের নাম বিবেচনায় রয়েছে।’’ বিরোধী দলনেতার দাবি, রাজ্য বহু কেন্দ্রে অনেক ভুয়ো এবং মৃত ভোটার ছিল। এ ছাড়াও একটা বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি মুসলিম ভোটারের নাম ছিল বলে দাবি শুভেন্দুর। তাঁর কথায়, ‘‘ওঁরা ভারতের নাগরিক নন। তাঁদের নাম বাদ যাওয়াই উচিত।’’ প্রসঙ্গত, বিজেপিই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার মুখে রাজ্যে এক কোটি নাম বাদ যাওয়ার কথা বলেছিল। এখন হিসেব করলে দেখা যায়, নাম বাদের সংখ্যাটা সেই দিকেই যাচ্ছে।

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    পশ্চিমবঙ্গে কেন এসআইআর নিয়ে এত সমস্যা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্টও। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালতের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘বাংলা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা হয়নি৷ কোনো বিবাদও হয়নি৷ অন্য রাজ্যেও তো বহু মানুষের নাম বাদ গিয়েছে!’’ রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, অন্য রাজ্যে ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’ নিয়ে এত গোলমাল হয়নি। এটার জন্যই পশ্চিমবঙ্গে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোর্টের নির্দেশেই জুডিশিয়াল অফিসাররা নথি যাচাই করছেন। সেই অনুযায়ী প্রকাশিত হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তাকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়েছে, কমিশন প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি নামের তালিকা প্রকাশ করতে চায়।

    দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কবে

    আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হবে বলে সূত্রের খবর। তবে সেই তালিকা বেরনোর কথা নিশ্চিত করেনি কমিশন। প্রতিদিন তালিকা বের করা হবে কি না, তাও ভেবে দেখছে কমিশন। আগামী তালিকাতেও বাদ পড়তে পারে অনেক নাম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই তালিকা ৭০৫ জন বিচারক নিষ্পত্তি করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক নিষ্পত্তি হওয়া তালিকা ধাপে ধাপে বার করার কথা জানিয়েছে কমিশন। সেই অনুযায়ী সোমবার রাতে প্রথম অতিরিক্ত তালিকা বার হয়।

  • Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী (Chaitra Navratri Ashtami) তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2026)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। চলতি বছরে অন্নপূর্ণা পুজো আজ, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বাসন্তী পুজোর চলার অষ্টমীতেই পূজিতা হন মা অন্নপূর্ণা। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমীতে (Chaitra Navratri Ashtami) অন্নপূর্ণা পুজো। পরের দিন অনুষ্ঠিত হয় রামনবমী।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2026) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2026) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন…

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের সঙ্গে মা পার্বতীর মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    আরও একটি আখ্যান অনুযায়ী, এমন একটি সময় এসেছিল, যখন পৃথিবীতে খাদ্য এবং জল ফুরিয়ে যায়। চারিদিকে অভাব দেখা যায়, হইচই পড়ে যায়। সেসময় মানুষ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের পূজা করত। তাঁর ভক্তদের ডাক শুনে শ্রী হরি বিষ্ণু ভগবান শিবকে তাঁর যোগ নিদ্রা থেকে জাগিয়ে পুরো ঘটনা বললেন। তখন ভগবান শিব মা পার্বতীর কাছ থেকে সন্ন্যাসী রূপে এসে ভিক্ষা চেয়েছিলেন। মা পার্বতী তখন দেবী অন্নপূর্ণা রূপে ভগবান শিবকে ভিক্ষা দিয়ে জীবকুলকে রক্ষা করেছিলেন।

    বাংলায় এই পুজোর প্রচলন

    অনেক গবেষকের মতে, বাংলাতে অন্নপূর্ণা পুজো (Annapurna Puja 2026) প্রচলন করেছিলেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বসূরী ভবানন্দ মজুমদার। দেবী অন্নদার কৃপা পেয়ে সম্রাট জাহাঙ্গীরের থেকে তিনি রাজা উপাধি লাভ করেন। তবে এনিয়ে অনেক গবেষকের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

    জানেন, মায়ের প্রিয় ভোগ কী?

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি (Annapurna Puja 2026) খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

  • Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     

     

    মিথুন

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     

     

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক চিরকালীন করে নিল কেকেআর (Andre Russell in KKR)। এতগুলো বছর নাইটদের ১২ নম্বর জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেছেন। এবার রাসেলকে উৎসর্গ করে ১২ নম্বর জার্সির অবসর ঘোষণা করলেন কেকেআরের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। অর্থাৎ, নাইটদের এই জার্সি আর কোনওদিন অন্য কারও জন্য বরাদ্দ হবে না। চলতি বছর আইপিএল (IPL 2026) শুরুর আগে মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘কেকেআর আনপ্লাগড’ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই ১২ নম্বর জার্সি রাসেলের হাতে তুলে দেন ভেঙ্কি মাইসোর।

    ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল

    ২০১৪ থেকে ২০২৫, টানা ১২ বছর নাইটদের সংসারের স্থায়ী সদস্য। এক দশকেরও বেশি সময় সুখ, দুঃখের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জামাইকান। কিন্তু আসন্ন আইপিএল থেকে আর বেগুনি জার্সিতে দেখা যাবে না ড্রে রাসকে। তবে গাঁটছড়া মোটেই ভাঙেনি। শুধু ভূমিকা বদল। গতবারও ছিলেন ক্রিকেটার, এবার ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল। চতুর্থবারের জন্য কলকাতা আইপিএল জিতলে তিনি সমর্থকদের উপহার দেবেন স্পেশাল ‘দ্রে রাস লাইভ শো’।

    আবেগতাড়িত আন্দ্রে রাসেল

    কেকেআরের মঞ্চে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন রাসেল। জানান, নাইটদের হয়ে খেলা তাঁর কাছে বরাবরই বিশেষ ছিল। যে দল তাঁকে এত কিছু দিয়েছে, এবার তাঁদের ফিরিয়ে দিতে চান। অবদান রাখতে চান কোচ হিসেবে। রাসেল বলেন, ‘‘এই দলের অঙ্গ হতে পেরে গর্বিত। বিশ্বকাপ জয় সবসময় স্পেশাল। আইপিএল জয় আলাদা। এবার অন্য ভূমিকায়। অন্যভাবে উপভোগ করব। এবারের আইপিএলও আমার কাছে বিশেষ। মাঠে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এবার এই খেলাটার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না। তাই নতুন ভূমিকা নিয়ে কোনও আফশোস নেই। আমাদের কোচিং স্টাফ ভালো। সবাই তরুণ এবং প্রতিভাবান। যে কেউ এই কোচিং স্টাফের অঙ্গ হতে চাইবে। সবাই মিলে কেকেআরের সাফল্যে অবদান রাখতে চাই।’’

    রাসেলের সঙ্গে  স্থায়ী সম্পর্ক

    ২০১৪ সাল থেকে কেকেআরের হয়ে আইপিএল খেলেছেন রাসেল। তার আগে দু’বছর দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেললেও রাসেল নিজেকে কেকেআর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন। তাঁর এই আবেগকে সম্মান দিল কেকেআর। রাসেল ১২ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন কেকেআরের হয়ে। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে কেকেআর সিইও বেঙ্কি মাইসোর এ বছরের ১২ নম্বর জার্সি ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাসেলের হাতে তুলে দেন। তাতে লেখা ছিল ‘দ্রে রাস’। রাসেলের হাতে জার্সি তুলে দিয়ে মাইসোর বলেন, ‘‘বেগনি এবং সোনালি রঙের ১২ নম্বর জার্সি সব সময় শুধু তোমারই থাকবে।’’

  • Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) বিজেপি অন্তত ১৭৭টি আসন দখল করবে, বিজেপি৷ পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে একটি সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)৷ সেখানেই তিনি বলেন, “বিজেপি এবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ূবে৷ আমার কথা রেকর্ড করে রাখুন৷ ২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, ২০২৬-এ ১৭৭-এর নীচে নামবে না৷ তার উপরে কোথায় যাবে বলছি না৷ ৪ মে বিকেলে দেখা হবে৷”

    ৭৯ লক্ষের নাম বাদ

    মঙ্গলবার ভবানীপুরে প্রচার করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, তৃণমূল এবার ‘ডাবল ডিজিটে’ উঠবে না। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর পূর্বাভাস অনুসারে, বিধানসভা ভোটে ৯৯ পেরোতে পারবে না তৃণমূল। আর বুধবার সকালে রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এবার বিধানসভা ভোটে ১৭৭-র নীচে নামবে না বিজেপি। এখানেই শেষ নয়। তৃণমূলকে ফের একবার শুভেন্দু মনে করিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর-প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই ৭৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। শুভেন্দু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় বলেন, “প্রথম রাউন্ড ব্রেকফাস্টে নাম বাদ গেছে ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চে নাম বাদ গেছে ৬০ লক্ষ। সন্ধেবেলায় লিকার চা আর চিনাবাদাম হয়েছে, এখনও ডিনার হয়নি। এর মধ্যে ১৪ লক্ষ নাম বাদ গেছে। এখনও পর্যন্ত বাদ গেছে ৭৯ লক্ষের নাম, কত বাদ যাবে আর কিছু বলব না।”

    মহিলাদের তিন হাজার টাকা

    রামনগরের সভা থেকেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগের বার বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছেন হারিয়ে পাঠাবো৷ এবারে বলে গেলাম ভবানীপুরে আপনাকে হারাবো৷” এছা়ড়াও শুভেন্দু ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে দেবে বিজেপি সরকার। তিনি বলেন, “ভোটের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসছেই। মে মাসে বিজেপি সরকার গঠন হয়ে গেলেই চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে। আর তারপর জুনের ১ তারিখ থেকে মহিলাদের তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।” এর আগেও অন্নপূর্ণা প্রকল্পে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Strait of Hormuz: হরমুজ প্রণালী পেরোতে প্রস্তুত আরও ৬টি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কার, ‘টোল’ নিচ্ছে না ইরান

    Strait of Hormuz: হরমুজ প্রণালী পেরোতে প্রস্তুত আরও ৬টি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কার, ‘টোল’ নিচ্ছে না ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা মঙ্গলবার জানান, আরও ৬টি ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার প্রণালী পারাপারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিয়ম অনুযায়ী ইরান কোনও ‘টোল’ নিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার মঙ্গলবার জানিয়েছে, পর্যাপ্ত অশোধিত তেলের মজুত-সহ দেশের সব শোধনাগার পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রয়েছে। পেট্রল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের বিপণন ও তেল শোধনাগার বিভাগের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানান, খুচরো তেল বিতরণ কেন্দ্রগুলিতে তেলের ঘাটতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

    আসছে ‘জগ বসন্ত’ ও ‘পাইন গ্যাস’

    রাজেশ কুমার বলেন, ইতিমধ্যেই ‘জগ বসন্ত’ ও ‘পাইন গ্যাস’ নামের দুটি এলপিজি বাহক জাহাজ সোমবার সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। জাহাজ দুটি প্রায় ৯২ হাজার টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহন করছিল এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় এই যাত্রা সম্পন্ন হয়। সরকারি সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (HPCL)-এর চার্টার করা ট্যাঙ্কারগুলি ২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে পৌঁছানোর কথা। এর আগে ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দা দেবী’ নামের জাহাজও নিরাপদে প্রণালী পার হয়ে প্রায় ৯২,৭০০ টন এলপিজি সরবরাহ করেছে।

    ২০টি জাহাজে ৫৪০-রও বেশি ভারতীয় নাবিক আটকে

    উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী বর্তমানে ইরান, ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংঘাতের কারণে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি পরিবহণ হয়। ভারতের প্রায় ৬০ শতাংশ এলপিজি আমদানি হয়, যার প্রায় ৯০ শতাংশই এই পথ দিয়ে আসে। বর্তমানে প্রায় ৩ লক্ষ টন এলপিজি-সহ একাধিক পণ্যবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, প্রণালী অঞ্চলে প্রায় ২০টি জাহাজে ৫৪০-রও বেশি ভারতীয় নাবিক আটকে রয়েছেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নজরদারি চালাচ্ছে এবং কিছু নাবিককে ইতিমধ্যেই উপসাগরীয় দেশগুলির সহায়তায় দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক স্তরেও উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-এর উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজও ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে, যাতে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

  • IPL 2026: বিক্রি হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস ও আরসিবি, টাকার অঙ্কে বৈভবের দলকে টেক্কা কোহলিদের

    IPL 2026: বিক্রি হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস ও আরসিবি, টাকার অঙ্কে বৈভবের দলকে টেক্কা কোহলিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে গেল প্রথম বারের আইপিএল (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন দল রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals)। বৈভবদের টেক্কা দিল গতবারের বিজয়ী রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। বিরাট কোহলি, স্মৃতি মন্ধানাদের দল কিনে নিল ভারতের আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম। ১৭৮ কোটি ডলার বা প্রায় ১৬ হাজার ৭০৬ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে আরসিবির ১০০ শতাংশ মালিকানা। অন্যদিকে, আমেরিকার ব্যবসায়ী কাল সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম রাজস্থানের ১০০ শতাংশ মালিকানা কিনে নিয়েছে। ১৬৩ কোটি ডলারে বিক্রি হল রাজস্থান।

    কত টাকায় বিক্রি হল রাজস্থান

    গত বছর আইপিএলের (IPL 2026) পর দল বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বর্তমান মালিক গোষ্ঠী। দল বিক্রির প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যায়। বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী রাজস্থান কিনতে আগ্রহী ছিল। একাধিক প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন রাজস্থানের বর্তমান মালিকেরা। ভারতীয় মূল্যে প্রায় ১৫ হাজার ২৮৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছে। সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়ামে রয়েছেন আমেরিকার আরও দুই ব্যবসায়ী। ওয়ালমার্টের কর্ণধার রব ওয়ালটন এবং ফোর্ডের কর্ণধার হ্যাম্প পরিবার।

    আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর হাতে আরসিবি

    রাজস্থান রয়্যালসের (RR) পর বিক্রি হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও ( Royal Challengers Bengaluru)। দামে রাজস্থান রয়্যালসকে টেক্কা দিয়েছে বেঙ্গালুরু। গত বছর প্রথম বার আইপিএল (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আরসিবি। সূত্রের খবর, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম কোহলির দলকে কিনে নিয়েছে। এই সংস্থায় রয়েছে আমেরিকার ক্রীড়া বিনিয়োগকারী ডেভিড ব্লিটজার, আমেরিকার সংস্থা ব্ল্যাকস্টোন এবং টাইমস অফ ইন্ডিয়া গোষ্ঠী। আরসিবি বিক্রির সরকারি ঘোষণা অবশ্য হয়নি। মনে করা হচ্ছে, বর্তমান মালিক পক্ষের সঙ্গে সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে গেলে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হবে। দলের নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর ডিরেক্টর আর্যমান বিক্রম বিড়লা। ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন টাইমস অফ ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর সত্যেন গজওয়ানি। ২০২৬ সালের আইপিএলের পর তাঁরা দায়িত্ব নেবেন। এত দিন বেঙ্গালুরুর মালিক ছিল ব্রিটিশ কোম্পানি দিয়াজিও পিএলসি। ইন্ডিয়ান আর্ম ইউনাইটেড স্পিরিট লিমিটেডের মাধ্যমে আরসিবি’র কর্মকাণ্ড সামলাতো দিয়াজিও। আরসিবি কেনার লড়াইয়ে ছিল সুইডেনের সংস্থা ইকিউটি এবং মণিপাল হাসপাতাল গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টয়াম। আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম শেষ দিকে এই লড়াইয়ে ঢোকে। তবে, শেষ হাসি তারাই হাসল।

  • Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে জিতবে বিজেপিই। ভবানীপুরে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে লড়তে ভয় পাচ্ছেন, দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগ করার সময় শুভেন্দু জানিয়েছেন, “কোনও চ্যালেঞ্জ নেই, অন্তত ২৫ হাজার ভোটে আমি জিতব।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) ভবানীপুর কার পাশে দাঁড়াবে? এই নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে লড়বেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এত ভয় কেন?

    ভবানীপুরে হেভিওয়েট ডুয়েলের আগে কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমেছেন দুজনেই। নন্দীগ্রামের অফিসারকে ভবানীপুরে বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। আর তারই জবাব দিতে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে খোঁচা দিলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। বললেন, “নিজের বাড়ি, তাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত কেন ভয়?” রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন? নিজের বাড়ি। নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করেন বলে বলেন। তাহলে কেন এসব বলছেন? উনি হারের আতঙ্ক থেকে এই ধরনের কথা বলছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন। বিজেপি জিতবে। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। ২০১৪ সালে তথাগত রায় প্রথম দক্ষিণ কলকাতায় লড়েছিলেন এবং ভবানীপুরে লিড হয়েছিলেন। আমার পরম প্রাপ্তি তথাগত রায় আমায় মেসেজ করেছেন, আমি এই বয়সেও তোমার জন্য ভবানীপুরে কিছু করতে চাই। কি করতে হবে বলো, কবে যেতে হবে বলো। কর্মসূচিগুলো আমায় সূচনা দেবে। এটা পরম প্রাপ্তি আমার কাছে।”

    বিজেপির জয় সময়ের অপেক্ষা

    ভবানীপুরের নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের হিসাবও দিলেন শুভেন্দু। বললেন, “তিন দফাতে ৫১ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। প্রথমে ৪৫ হাজার। পরে ২ হাজার। আর বিবেচনাধীন তালিকায় প্রায় ৪ হাজার। এই ৫১ হাজার ভুয়ো ভোটের মালিক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যথাটাও জানি। যন্ত্রণাটাও জানি। বুঝতে পারছেন আগামিদিনে কী হবে। পৃথিবীর কোনও শক্তি, কোনও মেডিসিনি নেই, এই কোমাতে চলে যাওয়া তৃণমূলকে পুনরুজ্জীবিত করে, বিজেপির জয় এখন সময়ের অপেক্ষা।” ভবানীপুরের পাশাপাশি, নন্দীগ্রাম নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “সেখানকার মানুষ জানেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় আমার ভূমিকা, সেখানকার মানুষ জবাব দেবে।” বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভবানীপুরে রামনবমীর মিছিলে তিনি থাকবেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন শুভেন্দু। উল্লেখ্য, এবছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফায় রয়েছে ১৫২টি আসন, ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসন, ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ভোটগণনা হবে ৪ মে ।

  • Project Kusha: প্রজেক্ট কুশ-এর পরীক্ষায় সাফল্য ডিআরডিও-র, দেশীয় ‘সুদর্শন’ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ভারত

    Project Kusha: প্রজেক্ট কুশ-এর পরীক্ষায় সাফল্য ডিআরডিও-র, দেশীয় ‘সুদর্শন’ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক স্বনির্ভরতার পথে আরও একধাপ এগোল ভারত। দেশীয় দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘প্রজেক্ট কুশ’-এর (মতান্তরে ‘কুশা’) প্রথম উন্নয়নমূলক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) এবং ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL)-এর যৌথ উদ্যোগে ডুয়াল-পালস রকেট মোটরসহ গুরুত্বপূর্ণ সাব-সিস্টেমের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই ধাপটি সাধারণত যে কোনও মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রযুক্তিগত বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি তৈরি করে। এই সাফল্যের ফলে প্রকল্পটি প্রাথমিক নকশা পর্যায় পেরিয়ে এখন ২০২৬ সালে সম্ভাব্য সমন্বিত ফ্লাইট পরীক্ষার দিকে এগোচ্ছে।

    এস-৪০০ ‘সুদর্শন’-এর দেশীয় বিকল্প

    ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোয় এক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে ‘প্রজেক্ট কুশ’। সরকারি ভাবে ‘এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ (ERADS) নামে পরিচিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য রাশিয়ার এস-৪০০ ও ভবিষ্যতের এস-৫০০ শ্রেণির সিস্টেমের দেশীয় বিকল্প গড়ে তোলা। প্রায় ২১,৭০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প শুধু একটি প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি একটি নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক এয়ার ডিফেন্স দর্শনের প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) এই প্রকল্পকে অনুমোদন দিয়েছে।এই সিস্টেমের লক্ষ্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ও শহরগুলিকে বহুস্তরীয় সুরক্ষা প্রদান করা। স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ড্রোন থেকে শুরু করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র—বিভিন্ন ধরনের আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম হবে এই ব্যবস্থা।

    মাল্টি-লেয়ারড ডিফেন্স: তিন স্তরের প্রতিরক্ষা বলয়

    ‘প্রজেক্ট কুশ’-এর মূল শক্তি এর তিন-স্তরবিশিষ্ট ইন্টারসেপ্টর আর্কিটেকচার— এম১, এম২ ও এম৩। এই স্তরভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘লেয়ার্ড ডিনায়াল’ কৌশলকে বাস্তবায়িত করে, যেখানে শত্রুপক্ষের আকাশপথে প্রবেশ ও অপারেশন ক্রমশ কঠিন হয়ে ওঠে।

    • এম১ (≈১৫০ কিমি): প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। ইতিমধ্যেই এই ভ্যারিয়েন্টের সাব-সিস্টেম যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই প্রথম ফ্লাইট টেস্ট হতে পারে। এটি ‘পয়েন্ট ডিফেন্স’ ও ‘এরিয়া ডিফেন্স’-এর মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ট্যাকটিক্যাল ফাইটার, স্ট্যান্ড-অফ ওয়েপন এবং লো-অবজারভেবল প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে কার্যকর।
    • এম২ (≈২৫০ কিমি): প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতিরক্ষা বলয় বিস্তৃত করে। AESA সিকার প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ নির্ভুলতা বজায় রাখে। এটি মধ্যম স্তরের প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করে এবং এইএসএ সিকার প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিশীল ও ইভেসিভ টার্গেট ট্র্যাকিং সক্ষমতা প্রদান করে। এই স্তরটি মূলত শত্রুপক্ষের স্ট্রাইক প্যাকেজকে ভেঙে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
    • এম৩ (৩৫০–৪০০+ কিমি): ৩৫০-৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ—যেমন আর্লি ওয়ার্নিং বিমান বা রিফুয়েলার—ধ্বংস করতে সক্ষম। কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। এটি শত্রুপক্ষের ‘হাই-ভ্যালু এয়ারবর্ন অ্যাসেট’—যেমন অ্যাওয়াক্স, এয়ার-টু-এয়ার রিফুয়েলার—এবং নির্দিষ্ট ধরনের ব্যালিস্টিক হামলাকে দূর থেকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে শত্রুর ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ ক্ষমতা ভেঙে দেওয়া সম্ভব।

    এই তিনটি স্তরের সমন্বয়ে একটি ‘ডিফেন্স-ইন-ডেপথ’ মডেল গড়ে উঠছে, যা আধুনিক নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক যুদ্ধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    প্রযুক্তিগত দিক: সেন্সর-শুটার ইন্টিগ্রেশন

    প্রজেক্ট কুশ-এর কার্যকারিতা নির্ভর করছে উন্নত সেন্সর, রাডার এবং ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মধ্যে রিয়েল-টাইম ডেটা লিঙ্কের উপর। এইএসএ রেডার (AESA Radar), উন্নত ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম এবং কিল ভেহিকলের সমন্বয় একটি ‘সেন্সর-টু-শুটার’ চেইন তৈরি করবে, যা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করবে। ডুয়াল-পালস রকেট মোটরের ব্যবহার মিসাইলকে শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত গতি ও ম্যানুভারেবিলিটি প্রদান করে—যা হাই-স্পিড ও ইভেসিভ টার্গেট ইন্টারসেপ্টে গুরুত্বপূর্ণ।

    পরবর্তী ধাপ ও সময়সীমা

    গ্রাউন্ড ট্রায়াল সফল হওয়ার পর এখন মূল লক্ষ্য এম১ ক্ষেপণাস্ত্রের ফ্লাইট টেস্ট। এরপর ধাপে ধাপে এম২ ও এম৩-এর পরীক্ষাও হবে। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই একাধিক স্কোয়াড্রনের জন্য ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অফ নেসেসিটি’ অনুমোদন দিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ২০২৮ সালের মধ্যে সিস্টেমের কিছু অংশ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ তিন-স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সীমা বাস্তবায়িত হলে, ভারত প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ দেশীয় লং-রেঞ্জ মাল্টি-লেয়ারড এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক পাবে।

    কৌশলগত গুরুত্ব: ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ ও ভবিষ্যৎ রফতানি

    ‘মিশন সুদর্শন চক্র’-এর অংশ হিসেবে প্রজেক্ট কুশ ভারতের ভবিষ্যৎ আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ। ২০৩৫ সালের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় প্রতিরক্ষা জাল গড়ে তোলাই লক্ষ্য। ‘আকাশ-এনজি’ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করে এই প্রকল্প ভারতের বিদেশি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াবে না, ভবিষ্যতে ভারতের জন্য উন্নত সামরিক প্রযুক্তি রফতানির নতুন দরজাও খুলে দিতে পারে। প্রজেক্ট কুশ শুধুমাত্র একটি মিসাইল সিস্টেম নয়, এটি ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রতীক। মাল্টি-লেয়ারড, নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক এবং সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ সফল হলে, ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে—এবং বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা মানচিত্রে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

  • Basanti Puja 2026: শারদীয় নয়, এটাই বাঙালির প্রাচীন দুর্গাপুজো! আজ বাসন্তী সপ্তমীতে দেবী আরাধনা শুরু

    Basanti Puja 2026: শারদীয় নয়, এটাই বাঙালির প্রাচীন দুর্গাপুজো! আজ বাসন্তী সপ্তমীতে দেবী আরাধনা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের তিথি চলছে। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্ল তিথিতে আয়োজিত হয় নবরাত্রি উৎসবের। নয় রাত ধরে দেবী দুর্গার নয় রূপের আরাধনা করা হয়। আর এই সময়ে মহাধুমধামের সঙ্গে বাঙালি মেতে ওঠে বাসন্তী পুজোয়। হিন্দুশাস্ত্রমতে বসন্তকালে চৈত্র শুক্লপক্ষে আয়োজিত হয় বাসন্তী পুজো। পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। যা পরে বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) নামে প্রসিদ্ধ হয়। দেবী দুর্গার প্রথম পূজারী হিসাবে চণ্ডীতে রাজা সুরথের উল্লেখ রয়েছে। বাসন্তী পুজোই হল বাঙালির আদি দুর্গাপুজো। পরে শরত্‍কালে শারদীয়া নবরাত্রির সময় রামচন্দ্রের অকাল বোধন মেনে দুর্গাপুজোর প্রচলন হয়।

    কবে থেকে পুজো, দেবীর আগমন কিসে

    সপ্তমী থেকে নবমী, তিন দিন ধরে চলে বাসন্তী পুজো। দুর্গাপুজোর মতোই সব নিয়ম আচার মেনে বাসন্তী পুজো করা হয়। চলতি বছরে বাসন্তীপুজোর সপ্তমি পড়েছে আজ, বুধবার ২৫ মার্চ। এই পুজোর ষষ্ঠীই হল অশোক ষষ্ঠী। মূলত, সপ্তমী তিথিতে বাসন্তী পুজো, অষ্টমীতে দেবী অন্নপূর্ণার আরাধনা হয়, নবমী পালিত হয় রামনবমী হিসেবে। দেশের নানান জায়গায় যখন চৈত্র নবরাত্রির পার্বনে অনেকে উৎসবে মেতে রয়েছেন, তখন বাংলা এই চৈত্রের শুক্লপক্ষে দেবী বাসন্তীর আরাধনায় মেতে ওঠে। চলতি বছরের বাসন্তী পুজোয় দেবী দুর্গার আগমন ও গমন শাস্ত্র মতে বিশেষ বার্তাবাহক। পঞ্জিকা অনুসারে, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে পালকিতে (মতান্তরে নৌকায়) এবং গমন হবে গজে বা হাতিতে (মতান্তরে ঘোড়ায়)। পালকিতে আগমন অস্থির সময়, মড়ক বা রোগব্যাধির ইঙ্গিত দিলেও গজে গমন অতিবৃষ্টি ও শস্যহানিকর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

    রাজা সুরথের কাহিনী

    রাজা সুরথকে চিত্রগুপ্তবংশী রাজা (চিত্রগুপ্তের বংশধর) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দুর্গা সপ্তশতী দেবী মাহাত্ম্য এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে। সুরথ সুশাসক ও যোদ্ধা হিসেবে বেশ খ্যাত ছিলেন। কোনও যুদ্ধে নাকি তিনি কখনও হারেননি। কিন্তু প্রতিবেশী রাজ্য একদিন তাঁকে আক্রমণ করে এবং সুরথ পরাজিত হন। এই সুযোগে তাঁর সভাসদরাও লুটপাট চালায়। কাছের মানুষের এমন আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান সুরথ। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি মেধাসাশ্রমে পৌঁছোন। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজা শান্তি পান না।

    বাসন্তী পুজোর সূচনা

    এর মধ্যে একদিন তাঁর সমাধির সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানতে পারেন, সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবুও তিনি স্ত্রী-ছেলের ভালোমন্দ এখনও ভেবে চলেছেন। তাঁরা দুজনেই তখন ভাবলেন, যাদের কারণে তাদের সব কিছু হারিয়েছে, তাদের ভালো আজও তাঁরা কামনা করছেন। ঋষিকে একথা বলায়, তিনি বলেন সবই মহামায়ার ইচ্ছা। এরপর ঋষি মহামায়ার কাহিনি বর্ণনা করেন। ঋষির উপদেশেই রাজা কঠিন তপস্যা শুরু করেন। পরে মহামায়ার আশীর্বাদ পেতেই বসন্ত কালের শুক্লপক্ষে রাজা পুজো শুরু করেন। শুরু হয় বাসন্তী পুজো (Basanti Puja)। এই পুজো এখন কয়েকটি বাড়িতেই শুধু হয়।

LinkedIn
Share