Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আগাম উপসর্গ দেখা দিলেও, অসচেতনতার জেরে অনেক সময়েই তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বিপদ বাড়লেও অসতর্কতা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মস্তিষ্কের টিউমার ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সঙ্কট। দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং দেরিতে চিকিৎসা শুরু হওয়ার জেরে অনেক সময়েই প্রাণ সংশয় বাড়ছে। চিকিৎসার সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ভারতের পাশপাশি বিশ্বের একাধিক দেশেই এই সমস্যা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসায় প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছে দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার দেরি। তাই চলতি বছরে ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-র মূল বার্তা, নিবিড় পর্যবেক্ষণেই কমবে বিপদ!

    কেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে বাড়তি গুরুত্ব?

    ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-তে বিশ্ব জুড়ে মস্তিষ্কের টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিবিড় পর্যবেক্ষণের উপরেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। জার্মান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশন-র এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ু ঘটিত সমস্যাকে অবহেলা করলে, পরবর্তী সময়ে ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এ বছরে সেই দিকে গুরুত্ব দিয়েই বলা হচ্ছে, ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি রুখতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি। অর্থাৎ, শিশু হোক বা মধ্য বয়সি, যেকোনো মানুষ যদি বারবার কোনো ধরনের স্নায়বিক সমস্যায় ভোগেন, তাহলে সেই উপসর্গকে অবহেলা করা চলবে না। বরং, তাঁর ঠিকমতো শারীরিক পরীক্ষা জরুরি। মস্তিষ্কের টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা জরুরি। সকলেই এই বিষয়ে অবগত হলে, রোগ নির্ণয় সহজ হবে।
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সাধারণ সমস্যা, অনেক সময়েই অবহেলা করা হয়। যা পরবর্তীতে নানান জটিল অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই প্রবল মাথা যন্ত্রণার কাবু হন, আবার অনেকে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, খিঁচুনির মতো উপসর্গ ও দেখা দেয়‌। এই ধরনের সমস্যা বারবার হলে, তা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। এগুলো মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। আবার, চোখে ঠিকমতো দেখতে না পাওয়া, লক্ষ্য অস্পষ্ট হওয়া, স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে অর্থাৎ খুব সাধারণ তথ্য ও মনে রাখতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিলে, একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের ভিতরে টিউমার হলে, তা খালি চোখে বোঝা যাবে না। কিন্তু শরীর নানান ভাবে তা জানান দেবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ সেই উপসর্গকে অবহেলা করেন। অসচেতনতার জেরে খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাকেও অন্যান্য সমস্যা ভেবে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করান না। যার ফলে রোগ নির্ণয় হয় না। তাই নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি।

    কাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের টিউমার একটি স্নায়বিক সমস্যার জেরে হয়। যেকোনো বয়সে, মহিলা কিংবা পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু জিনগত একটা ইতিহাস মস্তিষ্কের টিউমারের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত হলে বংশানুক্রমিক ভাবে তা পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, টিউমারের সঙ্গে স্নায়বিক সমস্যার যোগাযোগ রয়েছে। স্নায়বিক সমস্যা কিন্তু অনেক সময়েই জিনগত হয়। তাছাড়া, বেশ কিছু বিরল স্নায়বিক রোগ রয়েছে, যেগুলো জিনগত সমস্যা। সেগুলোও মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে, জিনগত এই জটিলতার পাশপাশি অতিরিক্ত মাথায় উচ্চ মাত্রায় রেডিয়েশন থেরাপি টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আধুনিক জীবনে বিভিন্ন রকম রেডিয়েশনের ঝুঁকি বাড়ছে। এগুলো কিন্তু মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যারা প্রত্যক্ষ ধূমপান করেন, তাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি যেমন বাড়ে, তেমনি, পরোক্ষভাবে এই ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে থাকেন তাঁদের ও ঝুঁকি বেশি। অর্থাৎ, পরিবারের কেউ ধূমপান করলে, তার অন্যান্য সদস্যদেরও অনেক সময় সেই ধোঁয়া সহ্য করতে হয়। পরোক্ষভাবে হলেও এই ধোঁয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। তামাকের এই ধোঁয়া, স্নায়বিক সমস্যা তৈরি করে। তাই ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রোগ সম্পর্কে সচেতনতাই রোগের ঝুঁকি কমাবে। রোগ নির্ণয় প্রাথমিক পর্বে হলে, তবেই চিকিৎসা ঠিকমতো করা যাবে। মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসার মূল অন্তরায় হলো চিকিৎসার বিশেষ সুযোগ থাকে না। তাই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। তবে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম নেওয়া, মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক এড়িয়ে চলা ও ক্ষতিকারক রশ্মি এড়িয়ে চললেছবি নানান শারীরিক বিপদ কমবে। ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি। এগুলো স্নায়ু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে‌। ফলে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকিও কমে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশক আগে মাউন্ট এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’-এ (Mount Everest Expedition) নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনতে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৯৬ সালের ভয়াবহ এভারেস্ট বিপর্যয়ের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)-র ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ। এবার তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইটিবিপি।

    অন্যতম কঠিন অভিযান

    পাহাড় আরোহন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম কঠিন মৃতদেহ উদ্ধারের অভিযান হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উচ্চতর পর্বতাঞ্চলে উদ্ধারকাজে দক্ষ সংস্থা নিয়োগের জন্য টেন্ডার জারি করেছে আইটিবিপি। সরকারি নথি অনুযায়ী, মরুপের দেহাবশেষ এভারেস্টের উত্তর ঢালে, তিব্বত-সংলগ্ন অংশে প্রায় ২৭,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলটি ‘ডেথ জোন’ নামে পরিচিত, যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা এতটাই কম যে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে দেহাবশেষ

    অভিযানের জন্য অন্তত ছয়জন অত্যন্ত দক্ষ নেপালি শেরপার প্রয়োজন হবে, যাঁদের অধিকাংশই এভারেস্টজয়ী এবং ৮,০০০ মিটারের ওপরে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ধারকাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। উদ্ধারকারী সংস্থাকে তিব্বতে চীনা প্রশাসনের অনুমতি সংগ্রহ, তিব্বত-নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দেহাবশেষ পরিবহণ, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং প্রায় ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে থাকা দেহাবশেষ সংরক্ষণের দায়িত্বও নিতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতি মেনেই সম্পন্ন করতে হবে। ১৯৯৬ সালের ১০ মে এভারেস্টের উত্তর দিক দিয়ে শৃঙ্গ জয়ের চেষ্টা করছিলেন আইটিবিপি-র ছয় সদস্যের একটি দল। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তিনজন ফিরে এলেও সুবেদার সেওয়াং সামানলা, ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ এবং হেড কনস্টেবল সেওয়াং পালজোর এগিয়ে যান। পরে ভয়াবহ তুষারঝড়ে তাঁরা নিখোঁজ হয়ে যান এবং আর শিবিরে ফিরতে পারেননি।

    ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

    পরবর্তী সময়ে এভারেস্টের উত্তর-পূর্ব রিজের একটি গুহার কাছে পড়ে থাকা এক আরোহীর দেহ ‘গ্রিন বুটস’ নামে পরিচিতি পায়। মৃতদেহটির পায়ে থাকা সবুজ রঙের কফলাখ বুটের কারণেই এই নামকরণ। বহু বছর ধরে পর্বতারোহী মহলে বিতর্ক রয়েছে, ওই দেহটি আসলে সেওয়াং পালজোরের নাকি দোরজি মরুপের। তবে আইটিবিপি-র টেন্ডার নথিতে ‘গ্রিন বুটস’-এর উল্লেখ মরুপের নামের পাশেই থাকায় বাহিনীটি দেহটিকে মরুপের বলেই মনে করছে। উল্লেখ্য, ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্বতারোহী অভিযানের মধ্যে অন্যতম। উদ্ধারকারীদের তুষারধস, ঝড়, খাদে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা এবং অক্সিজেনের তীব্র অভাবের মতো বিপদের মুখোমুখি হতে হয়। এমন উচ্চতায় অল্প দূরত্বে একটি মৃতদেহ নামিয়ে আনতেও একাধিক শেরপার প্রয়োজন হয়। ফলে এই ঐতিহাসিক অভিযানের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে আগামী কয়েক মাসের আবহাওয়ার উপর।

  • Religious Conversion: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে ৫ লক্ষ টাকা! বিলাসপুরে ধর্মান্তকরণ চক্র, তদন্তের দাবিতে সরব ভিএইচপি

    Religious Conversion: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে ৫ লক্ষ টাকা! বিলাসপুরে ধর্মান্তকরণ চক্র, তদন্তের দাবিতে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর (Bilaspur) জেলার চাট্টিডিহ গ্রামে প্রলোভন দেখিয়ে গণ-ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য তাঁদের পরিবার প্রতি নগদ ৫ লক্ষ টাকা, বিনামূল্যে পাকা বাড়ি এবং উন্নত চিকিৎসার টোপ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)-এর প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রশাসনের কাছে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

    দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট (Religious Conversion)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একটি বাড়িতে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি যাতায়াত করছিল এবং সেখানে নিয়মিত প্রার্থনা সভার নামে গোপন বৈঠক চালানো হচ্ছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট করে এই ধর্মান্তকরণ চক্র (Religious Conversion) চালানো হচ্ছিল। গতকালও ওই বাড়িতে একটি ধর্মান্তকরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল বলে খবর পান স্থানীয় হিন্দু যুবকরা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জেলা ও ব্লক স্তরের পদাধিকারীরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে চড়াও হন। ভিএইচপি নেতাদের দেখে ধর্মান্তকরণ চক্রের মূল পান্ডারা সেখান থেকে চম্পট দেয়। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং জানান যে, তাঁদের দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।

    বাইবেল বিলি করছিল

    ভিএইচপি-র স্থানীয় নেতা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম যে চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একদল নিরীহ মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা এসে দেখি বহিরাগত কয়েকজন সেখানে প্রলোভনমূলক লিফলেট এবং বাইবেল বিলি করছিল।” এই ঘটনার পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বিলাসপুর জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, এই ধর্মান্তকরণ চক্রের (Religious Conversion) পেছনে কোনও বড় আন্তর্জাতিক বা ভিন রাজ্যের অর্থায়ন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করে পুলিশি তদন্ত শুরু করা হোক। এলাকায় যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে।

  • Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ভরুচের (Bharuch Jama Masjid) ঐতিহাসিক এবং বিতর্কিত জামা মসজিদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে বা ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি (Ancient Hindu Jain Idols) থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মীয় মহলেও নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতিহাসকে কখনও মুছে ফেলা যায় না (Bharuch Jama Masjid)

    ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মসজিদের মাটির তলার একটি গোপন কক্ষে ভগবান গণেশ, হনুমান এবং জৈন তীর্থঙ্কর মল্লিনাথের প্রাচীন ও খণ্ডিত মূর্তি রয়েছে। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ওপিইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে ভরুচের (Bharuch Jama Masjid)  বিশিষ্ট সন্ত স্বামী মুক্তানন্দ এই ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, “ভিডিওটি সম্পূর্ণ সত্য, এবং এটি হিন্দু সাধু-সন্তদের দীর্ঘদিনের দাবির পক্ষেই জোরালো প্রমাণ দেয়। ইতিহাসকে (Ancient Hindu Jain Idols) কখনও মুছে ফেলা যায় না এবং আজ সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে।” উল্লেখ্য, ভরুচের এই জামা মসজিদটি প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল বলে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও সাধু সমাজ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ওপিইন্ডিয়া এই দাবির সপক্ষে ঐতিহাসিক তথ্য-প্রমাণ ও নথি সহ একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

    নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হোক

    স্বামী মুক্তানন্দের অভিযোগ, জামা মসজিদটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-এর সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে বেশ কিছু নিয়মের লঙ্ঘন করা হচ্ছিল। তাঁদের দাবি, পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিয়ম মেনেই এই ঐতিহাসিক কাঠামোর (Bharuch Jama Masjid) রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক এবং নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মসজিদ চত্বরে বেআইনিভাবে তৈরি করা একটি ‘অজু খানা’ (Wazu Khana) ভেঙে দিয়েছে এবং সমস্ত অবৈধ দখলদারিত্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখতে ভূগর্ভস্থ ওই কক্ষে যাওয়ার একটি প্রবেশদ্বারও সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা (Ancient Hindu Jain Idols) শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রশাসনের তরফ থেকে।

  • FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ফের উপস্থিত ফুটবলের মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০২২ সালে কাতারে মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের পর ফের আজ, বৃহস্পতিবার শুরু হতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। এই বিশ্বকাপই শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে অনেক তারকার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম, লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার জুনিয়র, লুকা মদ্রিচ প্রমুখ। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১২টায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা (Mexico vs South Africa)। তার আগে রয়েছে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

    শাকিরার সুরে বিশ্বকাপের উদ্বোধন

    মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক পপস্টার শাকিরা (Shakira)। বিশ্বকাপ ফুটবল যেন কলম্বিয়ার তারকাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ। বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়েছেন শাকিরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেটাই পারফর্ম করবেন তিনি। তবে শাকিরা একা নন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চমক বার্না বয় (Burna Boy), জে বালভিন (J Balvin), তাইলা মানা (Tyla, Maná), আলেজ়ান্দ্রো ফার্নান্দেজ় (Alejandro Fernández), বেলিন্দা (Belinda)। আয়োজক দেশ মেক্সিকোর সঙ্গীতের পাশাপাশি লাতিন পপ, রেগ্গায়েটন, অ্যাফ্রোবিটস, আমাপিয়ানো গাওয়া হবে। প্রথম ম্যাচের আগে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান।

    তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

     এ বারই প্রথম তিন দেশে তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। তিনটি অনুষ্ঠানই দেখতে পাবেন ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা। এই বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশ অর্থাৎ মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডাতেই হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। থাকবেন ভারতীয় অভিনেত্রী নোরা ফতেহীও।

    কোন কোন স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

    মেক্সিকো— এস্তাদিয়ো আজ়টেকা (মেক্সিকো সিটি) ১১ জুন ভারতীয় সময় রাত ১০.৩০ মিনিট থেকে হবে অনুষ্ঠান। তার পরেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    কানাডা— বিএমও ফিল্ড (টরন্টো)  ১২ জুন ভারতীয় সময় রাত ১১টা থেকে শুরু অনুষ্ঠান। তার পর কানাডার মুখোমুখি বসনিয়া ও হারজেগোভিনা।

    আমেরিকা— সোফি স্টেডিয়াম (লস অ্যাঞ্জেলেস) ১৩ জুন ভারতীয় সময় ভোর ৫টা থেকে শুরু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তার পর আমেরিকার মুখোমুখি হবে পানামা।

    প্রথমবার খেলবে ৪৮টি দেশ

    এই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলবে ৪৮টি দেশ। ১২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে এই দেশগুলিকে। প্রতি গ্ৰুপে রয়েছে ৪টি করে দল। প্রতি গ্রুপ থেকে প্রথম ২ দল যাবে রাউন্ড অফ ৩২-এ। সেই সঙ্গে যাবে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল। ২০১০ বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। ১৬ বছর পর আবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দেশ।

    ১৬টি ভেন্যুতে খেলা

    যেহেতু এই বিশ্বকাপের তিনটি আয়োজক দেশ, তাই তিনটি ম্যাসকট বানানো হয়েছে। ম্যাপল (কানাডা), জায়ু (মেক্সিকো) ও ক্লাচ (আমেরিকা)। এর মধ্যে ম্যাপল একটি গরু, জায়ু একটি জাগুয়ার ও ক্লাচ একটি ঈগল। বিশ্বকাপে তিন দেশ মিলিয়ে মোট ১৬টি ভেন্যুতে খেলা হবে। এর মধ্যে ১১টি মাঠ আমেরিকার, ৩টি মেক্সিকোর ও ২টি কানাডার।

    বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সমালোচনা

    বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে আমেরিকা। সেখানকার অভিবাসন নীতি বা ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সাংবাদিক বৈঠকে ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, আয়োজক দেশ নিরাপত্তা বা ভিসার ক্ষেত্রে কী নিয়ম করবে তা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সেখানে ফিফার কিছু বলার নেই। ইনফান্তিনো বলেন, “আমার কথা বিশ্বাস করতে পারেন, বা না-ও করতে পারে। আমরা সব সমস্যার সমাধানের কথাই সব সময় ভেবেছি। কিন্তু আমরা তো বিশ্বের শাসক নই। আয়োজক দেশে নিরাপত্তা বা ভিসা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটা তাদের বিষয়। আমরা ক্রীড়া সংস্থা। আমাদের কাজ খেলা ঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা সেটা দেখা। বাকি বিষয়ে আমাদের হাত বাঁধা।”

    বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা

    বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা। ২০২২ বিশ্বকাপের মতো এই বলেও থাকবে বিশেষ মাইক্রো চিপ। ১৪ গ্রাম ওজনের এই চিপের ক্ষমতা ৫০০ হার্ৎজ। প্রতি মুহূর্তে বলের পজিশন, গতিবেগ ও গতিপথ জানা যাবে এই চিপ থেকে, যা আরও সাহায্য করবে ফিফাকে। বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৪৭৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা)। রানার্স দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৩১৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা)। তৃতীয় স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৯০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৭৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা) ও চতুর্থ স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৫৮ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা)।

    টিভিতে কোথায় লাইভ দেখবেন

    জি-৫ এই বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি জি-৫-এর নতুন চালু হওয়া ইউনিট৮ স্পোর্টস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। প্রথম ম্যাচটি ডিডি স্পোর্টসে ফ্রি ডিশের মাধ্যমে বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যদিও ডিডিতে শুধুমাত্র নির্বাচিত ম্যাচগুলিই দেখা যেতে পারে। পুরো টুর্নামেন্ট দেখতে হলে আপনাকে জি-৫-এর সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। টিভির জন্য কেবল অপারেটরকে বলতে হবে ইউনিট৮ চ্যানেলের কথা। ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলির লাইভ স্ট্রিমিং জি-৫ অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে হবে, যার মাধ্যমে আপনি মোবাইল, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে টুর্নামেন্টটি দেখতে পারবেন।

  • Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুগ্রামের (Gurugram) সেক্টর ২৩ এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বন্দি করে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মূল্যবান সামগ্রী লুটের ঘটনায় চার বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে এই ডাকাত দলের মূল পান্ডা মহম্মদ খাইরুল আরমানও রয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা (Gurugram)

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জুন সেক্টর ২৩-এর বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেল সি.এল. জেইনের বাড়িতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পালাম বিহার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাব-ইন্সপেক্টর মনোজের নেতৃত্বে একটি দল বাজঘেরা এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশকে দেখে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ের একটি আন্ডারপাসে লাফ দেয়। এর ফলে চারজনেরই হাত-পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    ধৃতদের নাম?

    ধৃতদের শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হল—মহম্মদ খাইরুল আরমান (৫২), মহম্মদ মামন (৩৫), মহম্মদ হিলাল (২৫) এবং মামো খান (২৬)। এরা সকলেই বাংলাদেশের (Bangladeshi) নাগরিক। সহকারী পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) নবীন শর্মা জানিয়েছেন, ধৃত চারজনই বর্তমানে সেক্টর ১০এ-র সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছিল

    এসিপি নবীন শর্মা আরও বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্তরা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালানোর আগে সেক্টর ২৩-এর বেশ কয়েকটি বাড়িতে নজরদারি করেছিল। লুটের জিনিস উদ্ধার করতে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।” পুলিশের দাবি, গ্যাং লিডার আরমান ২০০৪ সাল থেকে ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছে। এই চক্রটি দিল্লির সঙ্গম বিহারের একটি গোপন আস্তানা থেকে তাদের অপরাধমূলক কাজকর্ম পরিচালনা করছিল।

  • Manipur: মণিপুরে উত্তেজনা! অপহৃত ৬ নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার, ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক ইউএনসি-র

    Manipur: মণিপুরে উত্তেজনা! অপহৃত ৬ নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার, ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক ইউএনসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিগত হিংসায় জর্জরিত মণিপুরে (Manipur) পরিস্থিতি আবারও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে অপহৃত হওয়া ৬ জন নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুকি উগ্রপন্থীরা (Nagas-kukis) তাঁদের অপহরণ করে হত্যা করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ১৪ জন কুকি নাগরিককে মুক্ত করার ঠিক একদিন পরেই এই ৬ নাগা নাগরিকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ২৪ ঘণ্টা ধরে যৌথ চিরুনি তল্লাশি (Manipur)

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে লেইলোন ভাইপেই এলাকা থেকে এই ছয়জনকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাঁদের খোঁজে মণিপুর (Manipur) পুলিশ, সিআরপিএফ (CRPF) এবং আসাম রাইফেলসের প্রায় ৪৫০ জন জওয়ানের একটি বিশাল দল গত ২৪ ঘণ্টা ধরে যৌথ চিরুনি তল্লাশি চালায়। এই অভিযানে স্নিফার ডগ এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদেরও কাজে লাগানো হয়। বুধবার বিকেলে তল্লাশি দল নিখোঁজ ওই ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত শোকার্ত ও ক্ষুব্ধ মানুষ ইম্ফল পূর্বের জওহরলাল নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (JNIMS) হাসপাতালের মর্গের সামনে ভিড় জমান। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য হাসপাতাল চত্বরে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    ইউএনসি-র বনধের ডাক ও লাশ গ্রহণে অস্বীকার

    এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মণিপুরের শীর্ষ নাগা সংগঠন ‘ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিল’ (UNC) আজ সকাল ৬টা থেকে মণিপুরের সমস্ত নাগা (Nagas-kukis) অধ্যুষিত এলাকায় ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বনধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বাজারঘাট, দোকানপাট এবং যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ইউএনসি জানিয়েছে, সরকারের কাছে তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা নিহতদের দেহ গ্রহণ করবে না। ন্যায়বিচারের দাবিতে তাদের এই প্রতিবাদী অবস্থান মণিপুরের প্রশাসনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে। উল্লেখ্য, গত ৯ জুন সেনাপতি জেলার নাগরিক সমাজের (CSO) মধ্যস্থতায় আইনি প্রক্রিয়া মেনে ১৪ জন কুকি (Nagas-kukis) নাগরিককে নিরাপদে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁদের গ্রামপ্রধানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার পরেই নাগা (Manipur) নাগরিকদের এই মর্মান্তিক পরিণতি রাজ্যকে পুনরায় এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মাঝেই এই ঘটনা মণিপুরে নতুন করে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

  • Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের (সিপিপি) চেয়ারম্যান সোনিয়া গান্ধী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, দুই দলের (TMC-Congress) সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেই জল্পনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ধরনের খবর “সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য”।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল (Jairam Ramesh)

    জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) বলেন, সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যের বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত “আন্তরিক ও সৌজন্যমূলক”। দুই নেত্রীর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কারণে সেখানে মূলত ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC-Congress) বৈঠকে কী ঘটেছে তা নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ছিল এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।” নয়াদিল্লিতে সোনিয়া-মমতার এই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের একাংশে কংগ্রেস ও তৃণমূলের রাজনৈতিক সংযুক্তিকরণের সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেসের এই বর্ষীয়ান নেতার কাছ থেকে এই স্পষ্টীকরণ এলো।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র

    অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র রূপ নিয়েছে। দফায় দফায় ইস্তফা এবং বিদ্রোহী নেতাদের মন্তব্যের জেরে দলের অভ্যন্তরীণ সংহতি নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। এরই মধ্যে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের (TMC-Congress) সঙ্গে কোনও ধরনের সংযুক্তিকরণের জল্পনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা সম্পূর্ণই দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তৃণমূল ব্লকের পক্ষে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বর্তমানে আমাদের সঙ্গে ৬৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। এঁরা সবাই এসে বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেবেন।” তিনি আরও জানান, তাঁদের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন ৫৮ থেকে বেড়ে ৬৪ হয়েছে এবং তাঁরা শীঘ্রই নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকারের দ্বারস্থ হবেন। ফলে এই সময়ে জয়রামের মন্তব্য মমতার জন্য কতটা সুবিধা জনক হবে তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা।

    কোনও প্রশ্নই ওঠে না

    শুধু তাই নয়, দলের সংযুক্তিকরণের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেসে (TMC-Congress) যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদও কংগ্রেসে মিশে যাচ্ছেন না।” ঋতব্রত জোর দিয়ে বলেন, দলের কোনও অংশ—তা সে সাংসদ, পুরপ্রতিনিধি, জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সদস্য হোক না কেন, কেউই কোনও সংযুক্তিকরণের দিকে হাঁটছেন না। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল এবং কংগ্রেস দুই দল চরম অস্বস্তিতে পড়েছে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের বৈঠকের পরদিন সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও ‘এক্স’-এ পোস্ট করে দুই নেত্রীর মধ্যকার আন্তরিকতার কথা জানানো হয়েছিল। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যেদিন দুই নেত্রীর এই বৈঠক হয়, সেদিনই জালিয়াতি সই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায় সিআইডি (CID)-র একটি দল। রাজ্য রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

  • Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নগদ টাকার সন্ধান (Cash Recovered from School) মিলল স্কুল থেকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। বুধবার গভীর রাতে ইংরেজি মাধ্যমের ওই বেসরকারি স্কুলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত চলে তল্লাশি। কিছু দিন আগে কলকাতায় সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ছাত্র সংসদের কার্যালয়ের আলমারি থেকে সুটকেস ভর্তি উই-ধরা টাকা উদ্ধার হয়েছিল। মিলেছিল অস্ত্র এবং গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও। এ বার কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) স্কুলেও মিলল নগদ টাকা এবং কন্ডোমের প্যাকেট।

    টাকা গোনার যন্ত্র এনে তল্লাশি

    বুধবার গভীর রাতে বীজপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাঁচরাপাড়ার ফোরম্যান কলোনি এলাকার হারনেট বিদ্যালয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির পর বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে তা গোনার জন্য তিনটি টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে আসতে হয়। ভোর পর্যন্ত চলে গণনার কাজ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টাকা গণনা শেষে নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের সিক রুমের একটি আলমারি থেকে গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

    কীভাবে মিলল টাকার হদিশ

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে বীজপুরের নতুন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস তাঁর বিধানসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেই কাজের সূত্র ধরেই এই স্কুলের বিষয়ে খবর পান বিধায়কের প্রতিনিধিরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাতেই স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক। খবর দেওয়া হয় থানাতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। নগদ উদ্ধারের পর রাতেই টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় স্কুলে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং স্কুলে এত বিপুল পরিমাণ নগদ কী ভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, এই টাকা উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে কথাবার্তায় অসঙ্গতি মেলায় স্কুলের ক্যাশিয়ার অভীক নাথ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট সায়ন ঘোষকে আটক করেছে বীজপুর থানা পুলিশ।

    কালো টাকা লুকনো হত স্কুলে

    টাকা উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর থেকে যেমন টাকা পাওয়া গিয়েছিল, সে রকম টাকা। এমন ক্যাশ টাকা স্কুলের মধ্যে আছে মানে… স্কুলে তো বেনিয়মের পর বেনিয়মের অভিযোগ। তার পরে আজকে এই ঘটনা ধরা পড়েছে।” বিধায়ক আরও বলেন, “এই টাকা স্কুলের টাকাও নয়। এটা কমল অধিকারী, সুবোধ অধিকারী, পার্থ ভৌমিকের ব্ল্যাক মানি। এখন যা বোঝা যাচ্ছে, এত টাকা তারা ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে এই স্কুলে লুকোত। স্কুলে এত টাকা কোথা থেকে থাকবে!” বিধায়কের দাবি, এই স্কুলের পরিচালন সমিতির প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র পালের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ ছাত্রভর্তির ফি বাবদ জমা পড়া টাকা। তাঁর বক্তব্য, কয়েক মাস ধরে সেই অর্থ জমা ছিল এবং তা ব্যাঙ্কে পাঠানোর কথা ছিল। তবে অসুস্থদের বিশ্রামকক্ষে গর্ভনিরোধকের প্যাকেট কীভাবে এল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

     

     

     

     

     

  • Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিচুক্তি জলে। ইরান ও আমেরিকার (Iran-US Conflicts) মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ফের অশান্ত হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz)। বুধবার রাতভর ইরানে গোলাবর্ষণ করেছে আমেরিকা। পালটা জবাব দিয়েছে তেহরানও। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে বাহরিন, কুয়েত ও জর্ডনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের এই হামলার নিন্দা করেছে বাহারিন সেনা। কুয়েত ও জর্ডনও এই হামলার বিরোধিতা করেছে। অসামরিক নাগরিকদের উপর এই হামলা চালোনো হয়েছে বলে দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি।

    ইরানের একাধিক শহরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র

    ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। সেই মতো বুধবার ইরানে আক্রমণের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি করে মার্কিন সেনা। বুধবার রাতভার সিরিক, মিনাব-সহ ইরানের একাধিক শহরে আছড়ে পড়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ইরানি সেনা। যদিও এই হামলায় হতাহতের খবর এখনও জানা যায়নি। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলির তরফে জানানো হয়েছে, কেবল সিরিক এবং মিনাব শহরেই নয়, বন্দর আব্বাস, কাশেম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন হামলার পালটা জবাব দেয় তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তারা। ইরানের ইসলামিক রিভ্যালুশিনারী গার্ডের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে প্রত্যাঘাত করে তেহরান। কুয়েত, বাহরিন-সহ একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একটি মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, পাল্টা ইরানের

    বুধবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমেরিকা গত কাল জোরালা হামলা চালিয়েছে। আজ আবার ওদের (ইরান) উপর হামলা চালাতে চলেছে। ওরা চুক্তির জন্য সমঝোতা করতে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। চুক্তি করলে তা ওদের জন্য খুব ভাল হত। কিন্তু এখন ওদের মূল্য চোকাতে হবে।” ট্রাম্পের কথার সূত্র ধরেই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ পরে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। আমেরিকাকে জবাব দিয়েছে ইরানও। সে দেশের পার্লামেন্টের জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজির হুঁশিয়ারি, “যুদ্ধ নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না।” মনে করা হচ্ছে, এই মন্তব্য করে ইরান ইঙ্গিত দিতে চেয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যে দেশগুলিতে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেই সমস্ত দেশে হামলা চালাবে তারা।

    ফের অশান্ত হরমুজ, তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    আমেরিকার পাল্টা কৌশলে হরমুজ প্রণালী ধরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করেছে ইরান। তেহরানের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কোনও জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমেরিকার যদিও দাবি, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়, ইরানের ‘ধারাবাহিক আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সক্রিয় আমেরিকা। তব, হরমুজ প্রণালীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবৈধভাবে অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। উল্লেখ্য, গত সোমবার হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ইরান সেটি ভূপাতিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে।

    কেন হামলা,জানাল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে বাহরিন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে বাহরিনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম ও আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরান দাবি করেছে, গত এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বারবার তা লঙ্ঘন করেছে। এ প্রেক্ষাপটে নিজেদের প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় ইরানের দাবি

    বাহরিনে অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানি ড্রোন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বিষয়টিকে ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে ইরান। বুধবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বাহরিনে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোটা কতটা জরুরি ছিল, তা বিশদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালিয়ে আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদকে উপেক্ষা করেছে— এমন অভিযোগও এনেছে তেহরান। পাশাপাশি, বিষয়টি আমেরিকার পরিকল্পিত আগ্রাসন ছাড়া কিছু নয়, এমনটাও দাবি করেছে ইরান।

    ইরানি হামলার নিন্দা বাহরিন-কুয়েত-সৌদি-মিশরের 

    বাহরিন, কুয়েত, জর্ডন, আরব-আমিরাত ইরানের হামলার নিন্দা করেছে। জর্ডান, বাহরিন এবং কুয়েতের ওপর ইরানের হামলার ঘটনায় ‘কঠোর ভাষায়’ নিন্দা জানিয়েছে মিশরও। একই সঙ্গে এই তিন দেশের প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই অস্থিরতায় জর্ডন, বাহরিন এবং কুয়েতের পাশে আছে মিশর। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলার ঘটনা ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন। এতে বিপজ্জনক ভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে যা সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বাহরিন দাবি করেছে, অসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান, যা কখনওই কাম্য নয়। বাহরিন সেনা এর জবাব দিতে প্রস্তুত। সৌদি আরব ইরানের এই হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে।

LinkedIn
Share