Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

  • Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দোকানে থাকা পছন্দের খেলনা কেনার বায়না হোক কিংবা অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন টাইম পাওয়ার ইচ্ছেপূরণ, প্রতিদিনের যেকোনও সামান্য বিষয়েই ‘না’ শোনার অভ্যাস নেই বাড়ির খুদে সদস্যের। আর তাই বাড়ছে বিপদ! একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ। অপছন্দের যে কোনও বিষয়েই তীব্র প্রতিক্রিয়া। যা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিভাবক। তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের এই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কিছু নির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। তবে তার আগে রাগের কারণ সম্পর্কে অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল হওয়া জরুরি। তিন থেকে চার বছর বয়স থেকেই এই বিষয়ে অবগত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তবে অনেকক্ষেত্রেই ছোটোবেলায় পরিবারের অসতর্কতার জেরে ছেলেমেয়েদের মধ্যে রাগ নিয়ন্ত্রণ হয় না। বয়ঃসন্ধিকালে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়ত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই রাগ মারাত্মক ভাবে প্রকাশিত হয়। যা খুব সংবেদনশীল ভাবেই মোকাবিলা করা জরুরি।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে কী?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে মূলত রয়েছে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুই এই সমস্যায় ভোগেন। এটি একটি আচরণগত সমস্যা। যেকোনও কিছুর বায়না করলে অভিভাবকদের থেকে আদায় করার জন্য তারা অতিরিক্ত রাগ দেখায়। অনেক সময়েই রাগ সামলানোর জন্য পরিবার তাদের দাবি মেনে নেয়। সেক্ষেত্রে শিশুর মনে হয় তার পছন্দের জিনিস পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো রাগের বহিঃপ্রকাশ।

    তবে এছাড়াও শিশুর অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার অন্যতম কারণ উদ্বেগ। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুরাও মানসিক উদ্বেগে ভোগে। অনেক সময়েই পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্কদের সমস্যা কিংবা জটিলতা শিশুর সামনেই আলোচনা হয়। শিশুর পক্ষে সবকিছু বোঝা সম্ভব হয় না। কিন্তু তারা কিছুটা নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টা করে। আর মানসিক উদ্বেগ তৈরি হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে শিশুর এই উদ্বেগ বাড়ে। অনেক সময়েই রাগের মাধ্যমেই সেই উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

    শৈশব থেকেই এই অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বয়ঃসন্ধিকাল তার জটিলতা বাড়ে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের শরীরে একাধিক হরমোন পরিবর্তন ঘটে। যার জেরে কমবেশি সব ছেলেমেয়েদের মধ্যেই নানান ধরনের মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্বেগ তৈরি হয়। তার জেরে রাগ, মন খারাপ কিংবা খিটখিটে মেজাজ দেখা যায়। তবে শৈশবে রাগের সমস্যা থাকলে তাদের মানসিক জটিলতা আরও বাড়ে। বিশেষত শৈশবে কোনো কারণে ট্রমা বা কোনো ঘটনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকলে, ভয় পেলে বয়ঃসন্ধিকালে তা অতিরিক্ত রাগের কারণ হয়ে ওঠে। তখন পরিস্থিতি সামলানো আরও কঠিন হয়।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে প্রথম থেকেই নজরদারি করলে এবং সতর্ক থাকলে সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ কিছুটা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুর অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। শুধুই বকাবকি করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বরং এই ধরনের আচরণগত সমস্যা থাকলে প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের পরামর্শ জরুরি। কিছু থেরাপির মাধ্যমে এই আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    শিশুর স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ প্রথম থেকেই জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণত মোবাইলের পর্দায় যেসব জিনিস শিশুরা দেখে, সেগুলো অতিরিক্ত দ্রুত ঘটে। এমন একাধিক ভিডিও রয়েছে, যেখান কয়েক মিনিটের মধ্যে নানান অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে। লাগাতার এই ধরনের ভিডিও দেখার ফলে শিশুর মস্তিষ্কে একধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়। মস্তিষ্কের স্নায়ু উত্তেজিত হওয়ার জেরে মানসিক অস্থিরতা হয়। যার ফলে সামান্য কারণেও শিশু তীব্র প্রতিক্রিয়া করে।

    বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েদের রাগের অন্যতম কারণ হরমোন ঘটিত পরিবর্তন। তাই এই বয়সের ছেলেমেয়েদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে আরও বেশি সংবেদনশীলতা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই বয়সের ছেলেমেয়েরা অতিরিক্ত রেগে গেলে জানা জরুরি, তারা কোনও হেনস্থার শিকার হচ্ছে কিনা। স্কুল বা পরিবারের কেউ তাদের শারীরিক কিংবা মানসিকভাবে হেনস্থা করছে কিনা। আবার সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটেও এখন বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েরা খুব সক্রিয়। সেখানে তারা কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সে সম্পর্কেও অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। তবে এই সব কিছুই করতে হবে কথা বলে, সংবেদনশীল ভাবেই। তবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব।

    প্রথম থেকেই শিশুর যোগাভ্যাস থাকা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। আবার মস্তিষ্কের স্নায়ু ঠিকমতো কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। এর ফলে অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কিনা সে দিকেও নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘুম ঠিকমতো হলে তবেই মস্তিষ্ক ঠিকমতো সক্রিয় থাকবে। স্নায়ু সচল থাকবে। হরমোন ঘটিত সমস্যা কমবে। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই সন্তান যাতে প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমোতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হোক কিংবা তেরো বছর! অতিরিক্ত রাগের সমস্যা থাকলে, তা মোকাবিলা করার জন্য কখনোই অভিভাবক রেগে গেলে চলবে না। রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে সন্তানের রাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বরং এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুর সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পারে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান যা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হিসেবে পরিচিত আত্মসমর্পণ করেছিল পাক বাহিনী। পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। একদিকে বাংলাদেশ যেমন এই দিনটিকে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয়ের দিবস হিসাবে পালন করে, তেমনই ভারতীয় সেনাবাহিনীও একাত্তরের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয় ও পাক সেনার আত্মসমর্পণের দিনটিকে বিজয় দিবস হিসাবে উদযাপন করে। আজ বিজয় দিবসের ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান। তার আদেশেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে এই ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন, “তিরিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করো, তখন দেখবে বাকিরা আমাদের হাত চাটবে।” সেই পরিকল্পনা মতোই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট আরম্ভ করে, যার উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেওয়া। এরই অংশ হিসাবে পাক সামরিক বাহিনীতে বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্র করে হত্যা করা হয়, বুদ্ধিজীবিদের নিধন করা হয়। আর তৎকালীন সারা পূর্ববঙ্গ জুড়ে চলে নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা। ২৫ মার্চের রাতেই শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। বলা হয়, গ্রেফতার হওয়ার একটু আগে ২৫ মার্চ রাত ১২টায় (অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন।

    এরপর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। তবে সহজ ছিল না নয় মাসের সেই লড়াই, যার শুরুটা হয়েছিল ওই বছরের ২৫ মার্চ। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে পাকিস্তানি সেনা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। এই সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় ৩০ লক্ষ বাঙালি মারা যায়, দুই লাখ নারী ধর্ষিত হয় এবং এক কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সংঘটিত এই যৌন হিংসাকে আধুনিক ইতিহাসে গণধর্ষণের সবচেয়ে বড় ঘটনা বলা হয়। প্রায় এক কোটি মানুষ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আসে। সে সময় এই লোকেরা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অসমের মতো এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল।

    পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতার লড়াই শুরু করেছিল, তাতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী অংশ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।ভারতের দাপটে ১৩ দিনের মধ্যেই অস্ত্র নামিয়ে রাখতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি বাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঘড়ির কাঁটায় তখন ৪ টে ৩১ মিনিটে (বাংলাদেশের স্থানীয় সময়) ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন পাকিস্তানের ৯৩ হাজার পাক ফৌজ। যুদ্ধের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বড় আত্মসমর্পণ হিসেবে বর্ণিত। পূর্ব পাকিস্তানে (আজ বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেনারেল নিয়াজি আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন। যুদ্ধে ভারত জয়ী হয়।

    এর ফলে পাকিস্তানে ইয়াহিয়া খান প্রশাসনের পতন ঘটে এবং জুলফিকার আলি ভুট্টোকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই ক্ষতি হয়৷ ২ হাজার ৯০৪ ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত এবং ১ হাজার ২০০ জনের বেশি আহত হন। চারটি পরমবীর চক্র, ৭৬টি মহাবীর চক্র এবং ৫১৩টি বীর চক্র-সহ অসংখ্য অফিসার ও সৈন্যকে বীরত্বের পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে লড়াই করা সৈনিকদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশ ১৬ ডিসেম্বরকে স্মরণের দিন হিসাবে পালন করে। এই বিজয় শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করেনি, বরং বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকেও সুদৃঢ় করেছে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আজ ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির নাম ঘোষণা করল বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। দলের নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Working President Nitin Nabin)। তিনি বিহারের এনডিএ জোটের বিজেপি বিধায়ক। একই ভাবে তিনি বিহার সরকারের মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। দিল্লির সদর দফতর থেকে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বিহারের একনিষ্ঠ কর্মী নিতিন নবীন। এরপর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

    ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন (PM Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) দলের তরফ থেকে একটি পোস্ট করে বলেন, “নিতিন নবীন একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তিনি সাংগঠনিক ভাবে অনেক দক্ষ। বিহারে একাধিকবার বিধায়ক হিসবে নির্বাচিত হয়েছেন। দলের বিধায়ক হিসেবে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। নিতিনের বিনয়ী স্বভাব, মানুষের সঙ্গে মেলা মেশার ক্ষমতা এবং জনসংযোগের কাজে বিরাট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি তাঁর উদ্যম এবং নিষ্ঠা আগামী দিনে আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিতিন জি (Working President Nitin Nabin) দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    বাংলাকেও জয় করব

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি হিসেবে এতোদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা। নবীন (Working President Nitin Nabin) বিহারের নির্বাচনে বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। আরজেডি রেখা কুমারীকে ৫১ হাজার ভোটে পরাজিত করেছেন। তিনি দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন কার্যনির্বাহী সভাপতি হওয়াদের মধ্যে। বছর ঘুরলেই ২০২৬ সালের বঙ্গ নির্বাচন। নতুন দায়িত্ব পেয়েই বাংলা মিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “অগ্রাধিকার হল দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করা। একটি সর্বব্যাপী নেতৃত্ব যেমনটি কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের রাজ্যে আস্থা রেখেছেন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই আজ আমি এখানে এসেছি। আমরা বসে সব কিছুকে ঠিক করব। সংগঠনের নিচ থেকে উওর পর্যন্ত এতটাই শক্তিশালী যে আমরা এবার বাংলাকেও জয় করব।”

  • Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের উৎসব চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই নারকীয় হামলায় গভীর শোকপ্রকাশের পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

    শোকপ্রকাশের পাশাপাশি কড়া বার্তা মোদির

    রবিবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ডি বিচে হানুক্কার প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিরীহ মানুষের উপর চালানো এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।” নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি এবং এই কঠিন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মোদি বলেন, “এই হামলার ফলে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে, আন্তরিক সমবেদনা জানাই। দুঃখের এই মুহূর্তে আমরা অস্ট্রেলিয়ার জনগণের পাশে আছি।” একইসহ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। তাঁর কথায়, “সন্ত্রাসবাদের প্রতি ভারতের জিরো টলারেন্স রয়েছে, আমরা যে কোনও রূপে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা করেছেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে হানুক্কা উদযাপনে সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের সমবেদনা হতাহত এবং তাদের পরিবারের প্রতি রয়েছে।”

    রবিবার ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবার ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুক্কার প্রথম দিনের উদ্‌যাপন চলাকালীন বন্ডি সৈকতে দুই বন্দুকবাজ এলোপাথারি গুলি চালায়। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও ২৯ জন আহত হয়েছেন। অস্ট্রিলিয়া প্রশাসন এই হামলাকে জঙ্গি হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হামলাকারীদের মধ্যে একজন নিহত এবং অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২ আততায়ী পাকিস্তানি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। দুজনে সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এই হামলা মূলত ইহুদিদেরই টার্গেট করা হয়েছিল বলে স্পষ্ট ধারণা পুলিশের। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, “বন্ডির দৃশ্যগুলি খুবই ভয়ঙ্কর এবং কষ্টদায়ক। পুলিশ এবং জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। আমি আক্রান্তদের পাশে আছি।” তিনি আরও বলেন, “আনন্দের উৎসব হানুকার প্রথম দিনে ইহুদি-অস্ট্রেলিয়ানদের ওপর এটি একটি লক্ষ্যবস্তু-হামলা। আমাদের দেশে এই ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই।”

  • Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের হানুক্কা মানে আলোর উৎসব। ক্রিসমাসের আগে আটদিন ধরে আনন্দের উৎসব করেন ইহুদিরা। এবার ইহুদিদের উৎসবকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা জঙ্গিদের। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) গুলি চালানোর ঘটনায় উৎসবের চিত্র শোকে পরিণত হল। রবিবার সেখানে ইহুদিদের হনুকা উৎসব চলছিল। দুই জঙ্গির হামলায় গুলি বর্ষণে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জনের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। এলোপাথাড়ি ৫০ রাউন্ড গুলি চলে বলে জানা গিয়েছে। তবে হামলাকারী জঙ্গিদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই খতম এবং অপর জনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের পরিচয় পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত। হামলার (Australia Gunmen Attack) সময়ে তাঁর পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের জার্সি পরা একটি ছবি ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। উল্লেখ্য পাকিস্তান যে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে তা আরও একবার প্রমাণিত হল বন্ডি বিচ গুলিকাণ্ডে। ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে আইএসআইএস-এর পতাকা। আইসিসের সঙ্গে জঙ্গিদের যোগ থাকার বিষয়টিকেও খোঁজ করে দেখা হচ্ছে।

    জঙ্গির পরনে ছিল পাকিস্তনি জার্সি (Bondi Beach Attack)

    অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজ–এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বলা হয়েছে, দুই জঙ্গিদের মধ্যে একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুই জঙ্গির সম্পর্ক হল বাবা-ছেলে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ কমিশনার মাল ল্যানয়নের বক্তব্যের সূত্র জানা গিয়েছে, “সন্দেহজনক জঙ্গির নাম নাভেদ আক্রম (Bondi Beach Attack)। তবে এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়েছে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা যায়নি। তবে সিডনির আল-মুরাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছে নাভেদ। তদন্তকারী অফিসারদের কাছে একাধিক ছবি ধরা পড়েছে। তবে এই জঙ্গির পরনে পাকিস্তনি একটি জার্সি ছিল। সেই ছবি এখন প্রকাশ্যে এসেছে।” অপর দিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জেরুহজালেম পোস্ট ও নাভেদকে পাকিস্তানি বলে উল্লেখ করেছে। বিভিন্ন পরিচয়ের সূত্রে ধরে এখন অস্ট্রেলিয়ার তদন্তকারী অফিসাররা তদন্ত শুরু করেছেন। ভারতেও গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানের জঙ্গিরা হামলা করেছিল। ধর্ম পরিচয় জিজ্ঞাসা করে ২৬ জন ভারতীয়কে নৃশংস ভাবে হত্যা (Australia Gunmen Attack) করেছিল।

    তল্লাশি এবং ফরেনসিক পরীক্ষা

    আবার পুলিশ জানিয়েছে হামলার স্থল (Bondi Beach Attack) থেকে একটি গাড়ির ভিতরে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে। আশেপাশের বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তুকে তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। সম্পূর্ণ এলাকাকে ঘিরে রেখে তল্লাশি এবং ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সূত্র ধরে নিউ সাউথ ওয়েলসের বনিরিগ এলাকায় অবস্থিত নাভেদ আক্রমের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় তৃতীয় কোনও বন্দুকবাজের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখনই সব নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আবার অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এএসআইও প্রধান মাইক বার্জেস জানিয়েছেন, হামলাকারীদের (Australia Gunmen Attack) পরিচয় এবং সমাজে তাদের মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে আর কেউ সক্রিয় আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দুজনের মধ্যে একজন পরিচিত বলে জানা গিয়েছে।

    ইহুদিদের উপরে হামলা তিনগুণ বৃদ্ধি

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রায় ২ কোটি ৮০ লক্ষ জনসংখ্যার অস্ট্রেলিয়ার ১ লক্ষ ১৭ হাজার ইহুদির বসবাস রয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ থাকে নিউ সাউথ ওয়েলসে। তবে গত কয়েক বছরে ইহুদি বিদ্বেষ সীমা ছাড়িয়েছে, এমন অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। সরকারের অ্যান্টিসেমিটিজম মোকাবিলায় নিযুক্ত বিশেষ দূত জিলিয়ান সেগাল গত জুলাইতে বলেছিলেন, “২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাসের আক্রমণের পরে অস্ট্রেলিয়ায় ইহুদিদের উপরে হামলা (Australia Gunmen Attack) তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।” বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) এই হামলার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া জুড়ে এখন শোকের ছায়া। তদন্ত যত এগিয়ে যাচ্ছে ততই সমানে আসছে নতুন নতুন তথ্য। আতঙ্কের পরিবেশ এখনও গোটা দেশে বর্তমান।

  • India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা ভারতে বসে উস্কানি দিচ্ছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে দাবি করছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে রবিবার একটি বিবৃতিও জারি করেছিল ঢাকা। শুধু তাই নয়, ঢাকায় মিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে এই অভিযোগ করে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল দিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে পাল্টা কড়া বার্তা দেওয়া হয়ল বাংলাদেশকে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত কখনোই এই ভূখণ্ডকে বাংলাদেশের বন্ধুসুলভ জনগণের বিরুদ্ধে কাউকে উস্কানিমূলক কাজ করার অনুমতি দেয়নি। একইসঙ্গে, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিও পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি।

    বাংলাদেশের দাবি…

    রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তারা তলব করেছিল। হাসিনাকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তিনি ভারতে বসে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার জন্য উসকাচ্ছেন— এটা দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা। আওয়ামি লিগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা নাকি দিল্লি এবং কলকাতায় নির্বিচারে তাঁদের দলের অফিস খুলেছেন এবং ভারত থেকে তাঁরা বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে ঢাকা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের তরফে ফের একবার শেখ হাসিনা এবং সে দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সমাজমাধ্যম পাতাতে তা পোস্টও করেন।

    ভারতের মোক্ষম জবাব…

    এর পরেই ঢাকাকে মোক্ষম উত্তর দেয় দিল্লি। রবিবারই ভারতের তরফে পাল্টা বিবৃতি জারি করা হয়। ভারত বিবৃতিতে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ঢাকার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘ভুল স্থানে উত্থাপিত’। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ ভারতের কাছে বন্ধুসম। বাংলাদেশের সাধারণ জনতার স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, এমন কোনও কাজে ভারতের মাটি ব্যবহার করে করতে দেওয়া হয় না। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত সবসময় বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে। বিবৃতি অনুসারে, “বাংলাদেশের বন্ধুবৎসল জনতার স্বার্থবিরোধী কোনও কাজে কখনই ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।” বিদেশ মন্ত্রক আরও বলছে, “আমরা আশা করি যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” পাশাপাশি, শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের বিষয়টিও পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছে ভারত। নাম না করেই, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক স্পষ্ট বার্তায় বাংলাদেশের দাবি সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারত জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি।

  • Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্বাভাবিক হাঁটাচলা করতে গেলেও সমস্যা।‌ মাঝেমধ্যেই পেশিতে টান। খিঁচুনির জেরে ভোগান্তি। হাড়ের মধ্যেও যন্ত্রণা! যার জেরে সাধারণ কাজ করতেও অসুবিধা হয়। আবার মাঝেমাঝেই মন খারাপ! মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। সামান্য কারণেও রাগ! যার জেরে সম্পর্কে অবনতি। এমন নানান সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আর এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে একটি খনিজ পদার্থ! যার ঘাটতির জেরেই শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব নানান ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতে বহু মহিলা ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে‌ ভুগছেন। এর ফলে তাঁরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই খনিজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। তাই ভোগান্তি আরও বেশি।

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর অসাড়তা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় পেশি এবং স্নায়ু। হাত ও পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, অসাড় হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের সমস্যার জেরে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। হঠাৎ করে হাতে ও পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার অনুভূতির জেরে পড়ে যান। এর ফলে স্বাভাবিক জীবন‌ ব্যহত হয়।

    মানসিক স্বাস্থ্যে জোরালো প্রভাব!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব শরীরের পাশপাশি মনের উপরেও পড়ে। মানসিক স্বাস্থ্যে এর প্রভাব গভীর। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ুর ক্ষমতাও কমে। হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব দেখা যায়। এর ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। যার জেরে ব্যক্তিগত জীবন কিংবা কাজের জগতেও নানান জটিলতা তৈরি হয়। যা মানসিক চাপ তৈরি করে। ম্যাগনেশিয়াম অভাব ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন করে।

    অনিদ্রার সমস্যা তৈরি করে!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাব অনিদ্রার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত রাতে ঠিকমতো গভীর ঘুম হয় না। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনিদ্রার ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ বাড়ে। কাজে মনোযোগ ঠিকমতো হয় না।

    শরীরে দূর্বলতা বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতির জেলে পেশি ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। এর ফলে খিদে না পাওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। যার প্রভাবে শরীরে দূর্বলতা বাড়ে।

    হাড়ের সমস্যা তৈরি হয়!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে হাড়ের নানান সমস্যা দেখা যায়। হাড়ের মধ্যে যন্ত্রণা হয়। হাড়ের শক্তি কমে। এর ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা কমে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন দেখা দেয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি, বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদ দেখা দিতে পারে।

    ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ কীভাবে হবে?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে পারে খাবার। ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেলে এই ধরনের সমস্যা সহজেই এড়ানো যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ব্রোকলি, পালং শাক, কলমি শাকের মতো সবুজ সব্জি ও শাক খেলে শরীর সহজেই ম্যাগনেশিয়াম পায়। ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

    পাশাপাশি সকালের জলখাবার হোক কিংবা সন্ধ্যার স্ন্যাকস টাইম, অন্যান্য খাবার খাওয়ার পাশপাশি নানান ধরনের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হবে না। তাঁরা জানাচ্ছেন, সূর্যমুখীর বীজ, মিষ্টি কুমড়োর বীজে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম। আবার এর পাশপাশি বাদাম ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর খনিজ। কাজুবাদাম, কাঠবাদামের মতো বাদাম নিয়মিত খেলে সহজেই ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়।

    সোয়াবিন, ছোলার মতো খাবার ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর। তাই এই ধরনের খাবার মেনুতে রাখলে ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। এগুলোর পাশপাশি দুধ, পনীর, ডার্ক চকলেট খেলেও শরীর ম্যাগনেশিয়াম পায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share