Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Kerala: কেরলে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে তালিবানি কায়দায় খুন! দ্রুত বিচার চায় হিন্দু সংগঠন

    Kerala: কেরলে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে তালিবানি কায়দায় খুন! দ্রুত বিচার চায় হিন্দু সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ নভেম্বর কেরল (Kerala) মুখ্যমন্ত্রীর বিশিষ্ট সেবা পদকপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কমান্ডিং অফিসার পি. রমনকুট্টিকে (P. Ramankutt) ওয়াইনাডে অত্যন্ত রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর মৃতদেহ একটি অগভীর কূপ থেকে উদ্ধার করা  হয়েছিল। তাঁর গলায় ২৫ কেজি ওজনের একটি পাথর বাঁধা ছিল। এই ঘটনা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়কে হতবাক করে দিয়েছে। মৃতদেহ দেখে নিশ্চিত বোঝাই যাচ্ছিল এটি কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অনেকেই মনে করছেন এই হত্যাকাণ্ড কোনও জেহাদি সংগঠন করেছে। তবে হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, এটি সম্পূর্ণভাবে তালিবানি হত্যাকাণ্ড। কেরলের বাম সরকার অবশ্য হত্যা নয় আত্মহত্যার বলার চেষ্টা করেই তদন্ত করছে। কিন্তু কট্টর ইসলামি সংগঠনের দৌরাত্ম্য যে ক্রমেই জনজীবনের শান্তি-শৃঙ্খলার ভারসাম্যকে নষ্ট করতে তা বলাই বাহুল্য।

    ৬০ জনের একটি দল বাড়িতে হামলা করেছে (Kerala)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ নভেম্বর রাতে ভাদুভাঞ্চলে প্রায় ৬০ জনের একটি দল অফিসার পি রমনকুট্টির বাড়িতে হামলা করেছিল। তবে হামলাকারীদের মধ্যে অনেকেই এসডিপিআই-সমর্থকও ছিল। বাড়িতে (Kerala) আক্রমণ করার একদিন পরেই মৃতদেহ (P. Ramankutt) উদ্ধার হয়। পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “আক্রমণকারীরা বাড়িটিকে প্রথমে ঘিরে ফেলে, এরপর হুমকি দেয়, বাইরে থেকে আত্মীয়স্বজনরা ঢুকতে চাইলে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চিৎকার করে ঘোষণা করা হয়, রমনকুট্টিকে পালাতে দেওয়া হবে না।” এলাকায় এই ধরনের হিংসাত্মক আক্রমণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কেরল মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি

    কেরল (Kerala) মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের কাছে লেখা এক বিস্তারিত চিঠিতে রমনকুট্টির মেয়ের জামাই রঞ্জিত বর্ণনা করে বলেন, “আমি এবং আমার স্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি বাড়িতে অস্ত্র নিয়ে লোকজন ঘেরাও করে ফেলেছে। এসডিপিআইয়ের সমর্থক এক কট্টর ইসলামপন্থী ফয়জল পুলিশের পোশাক পরে উপস্থিত ছিল ঘটনাস্থলে। ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনার নেতৃত্ব দেয়। আক্রমণকারীরা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে রমনকুট্টিরকে হত্যা করতেই এই হামলার ছক ছিল তাদের। দুষ্কৃতীরা তাঁকে (P. Ramankutt) ঘরের ভেতরে খুঁজে না পেয়ে রাতভর আশপাশে তল্লাশি চালায়। পরের দিন ভোরে, বাড়ির পিছনের কুয়োর কাছে রমনকুট্টির মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়। কুয়োটির জল ওপরে উঠে এলে পরিবারের বাকি সদস্যরা বুঝতে পারেন একটি বিশাল পাথরের ভারে রমনকুট্টির মৃতদেহ নীচে চাপা পড়ে আছে। তবে কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। কারণ পুকুরটির গভীরতা খুবই কম। সম্পূর্ণভাবে এটি খুনের পরিকল্পনা।”

    তালিবান-ধাঁচের আক্রমণ

    তবে হিন্দু সংগঠনগুলি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে আক্রমণ এবং মৃত্যুর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বাস ভ্রমণ সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে রমনকুট্টির সঙ্গে এসডিপিআই (SDPI) ক্যাডারদের ব্যক্তিগতভাবে মতের অমিল হয়েছিল। তবে ক্ষোভ মেটানো এবং একজন সম্মানিত হিন্দু অফিসারকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণের ঘটনা কার্যত জেহাদি হামলার সমতুল। হিন্দু সংগঠনের একাধিক নেতা এই হত্যাকাণ্ডকে “তালিবানী -ধাঁচের আক্রমণ” হিসাবে বর্ণনা করার পক্ষপাতী। তাঁদের সাফ দাবি, রমনকুট্টিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।”

    অভিযুক্তদের এখনও জিজ্ঞাসা করা হয়নি

    রঞ্জিতের দাবিগুলি আরও জোরাল হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, ফয়জল নিজে ঘটনার রাতে অফিসিয়াল দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং হামলার জন্য এসডিপিআই সদস্যদের জড়ো করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপকেও ব্যবহার করেছিলেন। যদিও এই হত্যামামলায় পুলিশ ফয়জল এবং শামনাদ সহ প্রধান সন্দেহভাজনদের এখনও পর্যন্ত কোনও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। বরং, অফিসাররা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দিতে বেশি আগ্রহী। পুলিশের ভূমিকায় পরিবার এবং একাধিক হিন্দু সংগঠন ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত ব্যক্তিদের রক্ষা করার প্রচেষ্টা করছে কেরলের বাম সরকার।

    ওয়াইনাড জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে

    হিন্দু ঐক্যবেদী সংগঠন হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টিকে এড়িয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। পূর্ণাঙ্গ হত্যার তদন্ত, অভিযুক্ত এসডিপিআই কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সেই রাতে বারবার সাহায্য চেয়েও সহযোগিতা করতে না আসা পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি উঠেছে প্রবলভাবে। শোকাহত পরিবার এখন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি চেয়েছে। দেশ সেবায় নিয়োজিত একজন ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা (P. Ramankutt) করার প্রতিবাদে ন্যায় বিচার চান এলাকাবাসীরাও।

    কতটা শক্তিশালী আইন শৃঙ্খলা

    যিনি জীবনের মূল্যবান সময় দিয়ে সমাজের জন্য কাজ করে গেলেন তাঁকে এমন নির্মম হত্যার শিকার কেন হতে হল? তাঁদের প্রশ্ন ওয়াইনাড (Kerala) জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, কীভাবে একজন সম্মানিত হিন্দু অফিসারের ওপর আক্রমণ করা যেতে পারে, অপহরণ করে কীভাবে হত্যা করা যায়? গলায় পাথর বেঁধে জলে ডুবিয়ে মারা হয় যেখানে, সেখানে পুলিশ বলছে আত্মহত্যা! এটা কীভাবে সম্ভব! গোটা ঘটনার সঠিক তদন্ত চান সাধারণ মানুষ।

    তবে যদি প্রশাসন মামলার গুরুত্ব উপেক্ষা করে তাহলে হিন্দু সংগঠনগুলি তীব্র আন্দোলনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তাদের বক্তব্য খুব স্পষ্ট, রমনকুট্টির জন্য ন্যায়বিচার কেবল একটি পরিবারের দাবি নয়, বরং কেরলের আইন-শৃঙ্খলা কতটা বেঁচে আছে তাও পরীক্ষার সময়। কট্টর জেহাদি সংগঠনকে পরোক্ষভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির ছাড়পত্র দিয়েছে।

  • PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটের ২৩তম সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের (India’s rate of growth) সঙ্গে হিন্দু ধর্মের যোগসূত্রের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কয়েক দশক আগে বিশ্ব যখন আর্থিক মন্দার শিকার হয়েছিল সেই সময় ভারত নিজের উন্নয়ন এবং বৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রেখে এগিয়ে গিয়েছে। বিশ্ব যখন বিশ্বাস এবং আস্থার সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল সেই সময় ভারতই হয়ে উঠেছিল বিশ্বের আস্থা স্তম্ভের ভরকেন্দ্র। বিশ্ব যখন খণ্ডিত, তখন ভারত সেতুবন্ধনকারী হিসেবে অবিচলভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।”

    এক সন্ধিক্ষণে আছি

    সম্মলেনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে আছি যেখানে একবিংশ শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ পেরিয়ে গিয়েছে (India’s rate of growth), এবং বিশ্ব অনেক উত্থান-পতন দেখেছে। আর্থিক সংকট, বিশ্বব্যাপী মহামারী, পূর্ব-পশ্চিমে যুদ্ধ সহ একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিগুলি কোনও না কোনওভাবে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। বিশ্বাস, আস্থা এবং বোধের মূলে চরম আঘাত করেছে। আজ বিশ্ব অনিশ্চয়তায় ভরা, কিন্তু এর মধ্যে আমাদের ভারত একটি ভিন্ন স্তরে উপস্থিত হতে চলেছে। ভারত আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ, আগামীদিনে বিশ্বের সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে ভারতীয় যুব সমাজ।”

    ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত

    প্রধানমন্ত্রী মোদি পূর্ববর্তী কংগ্রেস এবং ইউপিএ জোট সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, “কংগ্রেসের শাসনে ব্যবস্থাগুলি এমন নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। সরকার ব্যবস্থার ওপর নিজের নাগরিক সমাজের বিশ্বাস ভেঙে পড়েছিল। আমাদের সরকার সেই কাজ করার পদ্ধতিগুলিকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। একজন নাগরিকের স্ব-প্রত্যয়িত নথিই তার সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় দিক তার দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস। আমাদের দেশকে প্রতিটি কোণ থেকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি আগামী ১০ বছরের জন্য নাগরিকদের দৃষ্টিভঙ্গিকেই (India’s rate of growth) সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তর

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “কম সময়ে নাগরিকদের ক্ষমতায়নকে যাতে আরও বেশি বেশি করে করা যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে আমাদের সরকার। সকলেরই প্রয়োজন বিশেষ বিশেষ কাজের জন্য সবরকমভাবে প্রস্তুত হওয়া। সমস্ত কাজ এবং সংস্কারগুলি জনবিশ্বাস, শক্তি এবং বিধানের অংশ। সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা কম এবং ছোটখাটো সম্মতিগুলিকে অপরাধমুক্তকরণের পক্ষেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তরমূলক প্রভাবকে জনমুখী করা হয়েছে। ছোট বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৭ লাখ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। যারা মাত্র ১,০০০ টাকা দাবি করে তারাও গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণ পাচ্ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রশাসনের মনোযোগ বিশেষভাবে রয়েছে।”

    বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা

    দাবিহীন তহবিলের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চমকপ্রদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলিতে ৭৮,০০০ কোটি টাকা, বীমা কোম্পানিগুলিতে ১৪,০০০ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে ৩,০০০ কোটি টাকা এবং লভ্যাংশে ৯,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা করেছে সরকার। সরকার নাগরিকদের ন্যায্য উপার্জন পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য বিশেষ জেলা-স্তরের শিবিরও চালু করেছে। এখন এই বিনিয়োগের টাকার হাজার হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যেই ফিরেও এসেছে। এই সবটাই দেশের নাগরিকদের কষ্টার্জিত অর্থ। জনসাধারণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার (India’s rate of growth) করা সরকারের সবচেয়ে বড় মূলধন।”

    ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গভীরভাবে ব্যক্তিগত স্তরে আবেদন করে বলেন, “নাগরিকদের ২০৩৫ সালের মধ্যে লর্ড ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ করতে হবে। আগামী দশ বছরের জন্য ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এই জন্য দেশকে পরিচালিত করতে বিশেষ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। তবে দেশের জনগণের সমর্থন ছাড়া আমি এটা করতে পারব না। আমাদের একে অন্যের পদাঙ্ককে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের লাইন আরও বড় করতে হবে। সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

  • Ministry of Civil Aviation: সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতা আরোপ করল বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক

    Ministry of Civil Aviation: সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতা আরোপ করল বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিলের ফলে বেসামরিক বিমান চলাচলে বিরাট সংকট তৈরি হয়েছে। বাতিল এবং বিলম্বিত ফ্লাইটের পরিপ্রেক্ষিতে মূল্য বৃদ্ধি রোধ করতে বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতাকে আরোপ করেছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রক জানিয়েছে, “বিমান চলাচলে (IndiGo flights) সাময়িক সঙ্কটের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিমান সংস্থা অস্বাভাবিক ভাবে বেশি পরিমাণে বিমান ভাড়া আদায় করছে। ফলে জনসাধারণ সমস্যায় পড়ছে। তাই বিষয়টি কতটা উদ্বেগজনক তা ভারত সরকার নিরীক্ষণ করছে।”

    ব্যস্ত রুটে ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত ভাড়া নিশ্চিত (Ministry of Civil Aviation)

    বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, “যাত্রীদের যে কোনও ধরণের সহযোগিতায় সরকার দায়িত্বশীল। সুবিধাজনক বিমান পরিষেবা এবং ভাড়ার অতরিক্ত মূল্য থেকে রক্ষা পেতে মন্ত্রক সমস্ত রকম সহযোগিতা করবে। সকল ব্যস্ত রুটে ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত ভাড়া নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।” আর সেই অনুযায়ী, বিভিন্ন দূরত্বের জন্য বিমান সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ কত ভাড়া নিতে পারে তাও প্রকাশ করেছে মন্ত্রক (IndiGo flights)। কেন্দ্রের ঘোষিত সীমা তালিকা অনুসারে, বিমান সংস্থাগুলি ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য সর্বোচ্চ ৭,৫০০ টাকা চার্জ করতে পারবে। ৫০০-১০০০ কিলোমিটারের জন্য, সর্বোচ্চ ভাড়া ১২,০০০ টাকা, ১০০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটারের জন্য, সর্বোচ্চ ভাড়া ১৫,০০০ টাকা এবং ১৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের জন্য, বিমান সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ ১৮,০০০ টাকা ভাড়া নিতে পারবে। তবে এই ভাড়াগুলি হল মূল ভাড়ার জন্য উন্নয়ন ফি (UDF), যাত্রী পরিষেবা চার্জ (PSF) এবং কর এই বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত নয়।

    বিমান সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে টিকিট কাটার পরামর্শ

    মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) জানিয়েছে ভাড়া স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী পর্যালোচনা না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ভাড়ার এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে। এই ভাড়ার মূল্য সকল ধরনের বুকিংয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। তবে যাত্রীদের টিকিটের ক্রয়-বিক্রয় সরাসরি বিমান সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রক। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, বিমান সংস্থাগুলি ভ্রমণের জন্য সকল ক্ষেত্রে বিমান টিকিটের সহজলভ্যতা বজায় রাখবে এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনে তারা সেক্টরগুলিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করবে।

    মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ফ্লাইট বাতিলের (IndiGo flights) ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সেক্টরগুলিতে ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এড়াতে বিমান সংস্থাগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবে, যেখানে সম্ভব বিকল্প বিমানের বিকল্পগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভাড়ার সর্বোচ্চ সীমার আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • Daily Horoscope 07 December 2025: বাণীতে সংযম জরুরি এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 December 2025: বাণীতে সংযম জরুরি এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম লাভ বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ২) অপরের উপকার করতে গেলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) বাতজ রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Donald Trump: নাকের বদলে নরুন! প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কার পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Donald Trump: নাকের বদলে নরুন! প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কার পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার আফশোস কি যাচ্ছেই না ডোনাল্ড ট্রাম্পের? নোবেল শান্তি পুরস্কার তিনি পাননি, এটা কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না? তাই কি ফিফাকে সামনে রেখে নিজেই নিজেকে শান্তি পুরস্কারে পুরস্কৃত করলেন ট্রাম্প?

    ফিফা শান্তি পুরস্কার পেলেন ট্রাম্প

    শুক্রবার আমেরিকার ওয়াশিংটনের জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টসে হয়ে গেল বিশ্বকাপের গ্রুপবিন্যাস। এই অনুষ্ঠানের আগে থেকেই ওয়াশিংটনে তৈরি হয়েছিল আগ্রহ। বিশ্বকাপে খেলতে চলা দেশগুলির সমর্থকরা হাজির হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার জাতীয় ফুটবল লিগ এবং বাস্কেটবল লিগের তারকারা এসেছিলেন। ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি, আমেরিকার কোচ মৌরিসিয়ো পোচেত্তিনো-সহ বিভিন্ন দেশের কোচকে দেখা গিয়েছে। তবে আগ্রহ ছিল একজনকে নিয়েই। তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনোর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা অজানা নয়। শোনা যাচ্ছিল, এ বার থেকে ফিফা যে শান্তি পুরস্কার চালু করেছে, তার প্রথম প্রাপক ট্রাম্পই। সেটাই হয়েছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও ফিফার পুরস্কার পেয়ে গেলেন ট্রাম্প। ইনফ্যান্টিনো জানান, বিশ্বজুড়ে থাকা ফুটবলপ্রেমী মানুষের তরফে এই পুরস্কার ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়া হল। যদিও ট্রাম্পের জন্যই যে এই পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে এবং তিনিই যে প্রথম প্রাপক তা আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। অর্থাৎ, নাকের বদলে নরুন। বলা যেতেই পারে, ফিফাকে সামনে রেখে ট্রাম্প নিজেই নিজেকে এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন।

    মনে নোবেল শান্তি পুরস্কার না মেলার আফশোস!

    একটি ভিডিওয় দেখানো হয় কী ভাবে বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি সামলেছেন ট্রাম্প। সেই ভিডিয়োয় ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট একাধিক বার দাবি করেছেন তিনি সারা বিশ্বে মোট আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধও। ফিফার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আরও একবার বলেন, “সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি আমরা। কঙ্গোয় এক কোটি মানুষ মারা গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছিল তাতে আরও এক কোটি মানুষ মারা যেতেন। ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও আমরা ওই দুই দেশের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তা থামিয়ে দিয়েছি।” ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি যে তাঁর জন্যই সম্ভব হয়েছে, তা ট্রাম্প আগে বহু বার দাবি করেছেন। তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক বার ট্রাম্পের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। মোদি নিজে ট্রাম্পকে ফোন করে স্পষ্ট করে সে কথা জানিয়ে দেন। কিন্তু ফিফার শান্তি পুরস্কার পেয়ে আবার একই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছিল যে, যতই তিনি ফিফা শান্তি পুরস্কার পান না কেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার না মেলার আফশোস রয়েই গিয়েছে। তাই তিনি বারবার দুই পরমাণু শক্তিধর ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ থামানোর দাবি করেই চলেছেন।

  • FIFA World Cup 2026: চূড়ান্ত ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল কে কার বিরুদ্ধে খেলবে আগামী বছর?

    FIFA World Cup 2026: চূড়ান্ত ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল কে কার বিরুদ্ধে খেলবে আগামী বছর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত হয়ে গেল ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ সালের সব গ্রুপ। শুক্রবার আমেরিকার ওয়াশিংটনের জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টসে হয়ে গেল বিশ্বকাপের গ্রুপবিন্যাস। এই প্রথমবারের মত ৪৮টি দলের টুর্নামেন্ট হতে চলেছে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল, ফ্রান্সের মতো দেশ জেনে গেল তাদের প্রতিপক্ষের নাম। চারটি দলের ১২টি গ্রুপ রয়েছে। তুলনামূলক সহজ গ্রুপে পড়েছে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। ফ্রান্স একটু কঠিন গ্রুপে। গ্রুপ পর্বেই দেখা যাবে কিলিয়ান এমবাপে বনাম আর্লিং হালান্ডের লড়াই। পর্তুগালেরও লড়াই তেমন কঠিন নয়। আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।

    গ্রুপ অফ ডেথ নেই বললেই চলে

    পরের বছরই প্রথম বার ৪৮টি দেশ নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হচ্ছে। দেশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ড্র সহজ হতে পারে, এমন অনুমান আগেই করা হয়েছিল। আদপে হলও তাই। ১২টি গ্রুপের কোনওটিকেই সে ভাবে ‘গ্রুপ অফ ডেথ’ বা মারণগ্রুপ বলা যায় না। তিনটি শক্তিশালী দেশ রয়েছে, এমন গ্রুপ হয়ইনি। গ্রুপ পর্বের ড্র অনুষ্ঠানে তিনটি পট থেকে প্রথম তিনটি বল তোলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোস্ট মেক্সিকো ‘এ’ গ্রুপে, কানাডা ‘বি’ এবং যুক্তরাষ্ট্র ‘ডি’ গ্রুপে থাকবে, তা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। এদিনই প্রকাশ্যে আসে ২০২৬ বিশ্বকাপের থিম সং ‘ডিজায়ার’। সেই গান পরিবেশন করেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন এবং নিকোল শারজিঙ্গার।

    কোন গ্রুপে কোন দল রয়েছে

    গ্রুপ এ : মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ডি জয়ী দল

    গ্রুপ বি : কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ এ জয়ী দল

    গ্রুপ সি : ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি, স্কটল্যান্ড

    গ্রুপ ডি : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ সি জয়ী দল

    গ্রুপ ই : জার্মানি, কুরাসাও, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর

    গ্রুপ এফ : নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিশিয়া, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ বি জয়ী দল

    গ্রুপ জি : বেলজিয়াম, মিশর, ইরান, নিউজিল্যান্ড

    গ্রুপ এইচ : স্পেন, কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে

    গ্রুপ আই : ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে, ফিফা প্লে-অফ ২ জয়ী দল

    গ্রুপ জে : আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান

    গ্রুপ কে : পর্তুগাল, উজবেকিস্তান, কলম্বিয়া, ফিফা প্লে-অফ ১ জয়ী দল

    গ্রুপ এল : ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা, পানামা।

  • Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফর শেষ করে শুক্রবার রাতেই দেশ ছাড়লেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President, Vladimir Putin)। ২৮ ঘণ্টার ব্যস্ত সূচি শেষে বিদায়বেলায় পুতিনকে এগিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, ব্যাঙ্কোয়েট হলে মোদি (PM Narendra Modi)–পুতিনের পাশাপাশি বসা, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্য—সব মিলিয়ে বৈঠকের গাম্ভীর্য থেকে জোরদার বার্তা পাঠাল দুই দেশ। শুরু হল দিল্লি–মস্কো (Vladimir Putin India Visit) সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়। বাণিজ্য থেকে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে ফেলল দুই দেশ।

    জ্বালানি ও বাণিজ্যে গভীরতর সম্পর্ক

    দিল্লি-মস্কো ঠিক করে ফেলল আগামী ছয় বছরের বাণিজ্যিক পথনকশা। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যেই ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। বৈঠক শেষে রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা, “ভারতকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত মস্কো।” জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি—সব খাতেই যৌথ উন্নয়নে এগোবে দুই দেশ। জ্বালানি নিরাপত্তাকে ভারত–রাশিয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ বলে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, নাগরিক পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা দুই দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করছে। দুই দেশই রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। পাশাপাশি, জি-২০, ব্রিকস, এসসিওর মতো ফোরামে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিরক্ষায় যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারত ও রাশিয়ার লেনদেন পৌঁছে গিয়েছে ৬৪ বিলিয়ন ডলারে। শীঘ্রই এই অঙ্কটা পৌঁছে যাবে ১০০ বিলিয়ন ডলারে।” একইসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট জানা এই বাণিজ্যের ৯৬ শতাংশই হয়েছে দেশীয় মুদ্রায় অর্থাৎ ভারতের টাকা ও রাশিয়ার রুবেলে মাধ্যমে। অর্থাৎ ডলারকে পাশ কাটিয়ে দেশীয় মুদ্রায় লেনদেনের ক্ষেত্রে জোয়ার এনেছে দুই দেশ। যা আমেরিকার ডলার অস্ত্রকে কড়া জবাব বলেই মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধন

    সম্মেলনের পর এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নানান দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। আমরা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছি। সংযোগ বৃদ্ধি, জাহাজ নির্মাণ, দক্ষতা উন্নয়ন, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বহু ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে।” রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারত আবারও জানিয়েছে—ভারত শান্তির পক্ষেই। মোদি জোর দিয়ে বলেছেন, স্থায়ী শান্তিই ভারতের লক্ষ্য, এবং অচলাবস্থা নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধান জরুরি। শুক্রবার যৌথ প্রেস বৈঠক থেকে রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি বলেন, ‘ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকটাই হল উভয় দেশের সংস্কৃতি ও জনসাধারণ।’ আর সেই সংস্কৃতি ও জনসাধারণের মেলবন্ধনকে বজায় রাখতে রাশিয়ার কাজান এবং ইয়েকাতেরিনবুর্গে দু’টি ভারতীয় দূতাবাস খুলেছে নয়াদিল্লি। যার উদ্বোধন হল শুক্রবার।

    কুড়ানকুলামের দায়িত্ব নিলেন পুতিন

    ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কুড়ানকুলামে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রাশিয়া। তামিলনাড়ুর এই পারমাণবিক কেন্দ্রে ছয়টি চুল্লির মধ্য়ে দু’টি ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাকি চারটি এখনও নির্মীয়মান। সেগুলির দায়িত্ব নিতে চায় রাশিয়া, জানিয়েছেন খোদ পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করব আমরা।’ দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি বলেন, “আগামী দিনে আমাদের এই বন্ধুত্ব বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তি দেবে এবং এই বিশ্বাস আমাদের যৌথ ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ করবে।” মোদি এদিন ভারত–রাশিয়া বন্ধুত্বকে “ধ্রুবতারা” বলে অভিহিত করেন—যা বহু ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও অটুট থেকেছে। ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে দ্রুত এফটিএ (FTA) সম্পাদনের আহ্বান জানায় ভারত-রাশিয়া। দুই নেতা দ্রুত ইএইউ (Eurasian Economic Union)-এর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে মতৈক্যে আসেন।

    ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যে প্রধান সমঝোতাগুলিতে সই হয়েছে—

    ভারত–রাশিয়া কৌশলগত সহযোগিতা কর্মসূচি (২০২৩–২০৩০)—বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইত্যাদিতে সহযোগিতা বিস্তারের লক্ষ্যে একগুচ্ছ চুক্তি।

    দুই দেশের নাগরিকদের অস্থায়ী শ্রম কার্যক্রম সংক্রান্ত চুক্তি

    অবৈধ অভিবাসন দমনে সহযোগিতা

    উভয় দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে স্বাস্থ্য, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা

    খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা

    মেরু জলে পরিচালিত জাহাজের বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা

    রাসায়নিক সার খাতে সহযোগিতা

    পণ্য ও যানবাহনের প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য বিনিময়

    দুই দেশের ডাক ও যোগাযোগ বিভাগে চুক্তি

    মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় ও লোমোনোসভ মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা

    তথ্য ও সম্প্রচার ক্ষেত্রে প্রসার ভারতী ও রাশিয়ার বিভিন্ন মিডিয়া সংস্থার মধ্যে একাধিক চুক্তি

    ভারত নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সে (IBCA) রাশিয়ার যোগদানের জন্য কাঠামোগত চুক্তি

    “ইন্ডিয়া ফেব্রিক অফ টাইম” (India, Fabric of Time) প্রদর্শনীর আয়োজন

    রুশ নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ই-ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

    রুশ পর্যটকদের জন্য গ্রুপ ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

  • Winter Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন! কলকাতার তাপমাত্রা এক রাতেই নামল আড়াই ডিগ্রি, আরও পড়বে পারদ?

    Winter Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন! কলকাতার তাপমাত্রা এক রাতেই নামল আড়াই ডিগ্রি, আরও পড়বে পারদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের শুরুতেই জাঁকিয়ে শীত বঙ্গে। প্রথমবার ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামল কলকাতার পারদ। আজ, শনিবার মরসুমের শীতলতম দিন৷ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পারদ নামল ১৪ ডিগ্রির ঘরে৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতরের হিসেব অনুযায়ী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ যা স্বাভাবিকের থেকে ২.১ ডিগ্রি কম। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে, এক রাতেই তাপমাত্রা কমল আড়াই ডিগ্রি! আলিপুরের পূর্বাভাস, এখন সবে শুরু! আরও নামবে পারদ।

    কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের উপর এই মুহূর্তে আর তেমন কোনও নিম্নচাপ অঞ্চল নেই। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী সাত দিন শুষ্কই থাকবে আবহাওয়া৷ বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে উত্তুরে হাওয়ার পথেও কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে শীত আরও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গে আরও অন্তত দু’ডিগ্রি কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে কনকনে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে জেলায় জেলায়।

    দক্ষিণবঙ্গের পূর্বাভাস

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই শীতের আমেজ। দক্ষিণবঙ্গে পুরুলিয়ায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০-১১ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। সপ্তাহান্তে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা অনেকটা কমছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে একধাক্কায় তাপমাত্রা পতন হয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে শীতলতম স্থান ছিল শ্রীনিকেতন৷ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনি ও রবিবার রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই কুয়াশা থাকবে ভোরের দিকে।

    উত্তরবঙ্গের পূর্বাভাস

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়াই থাকছে। পাহাড়েও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যাবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার সহ উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার দাপট থাকবে। ফলে দৃশ্যমানতার অভাব থাকবে। কুয়াশার প্রভাবে সতর্কতা জারি রয়েছে উত্তরে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গের সমতল অঞ্চলে শীতলতম স্থান ছিল আলিপুরদুয়ার৷ তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদায় তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে। ওপরের পাঁচটি জেলার মধ্যে দার্জিলিংয়ে পারদ নেমেছে ৪.৫ পাঁচ ডিগ্রিতে৷ আগামী সাত দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন নেই৷

  • Orange Eating Benefits: শীতে প্রতিদিন শিশুদের ব্রেকফাস্টে থাকুক একটা কমলালেবু, কতখানি উপকারি এই ফল?

    Orange Eating Benefits: শীতে প্রতিদিন শিশুদের ব্রেকফাস্টে থাকুক একটা কমলালেবু, কতখানি উপকারি এই ফল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ নামতেই বাজারে হাজির কমলালেবু! বাঙালির শীতকালের সঙ্গে কমলালেবুর সম্পর্ক চিরকালীন। সকালের প্রাতঃরাশের থালায় হোক, কিংবা স্কুলের টিফিন বাক্সে, কমলালেবুর উপস্থিতি জানান দেয় শীতের দাপট! তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাদে ও গন্ধে শুধু নয়, কমলালেবু স্বাস্থ্য গুনেও ভরপুর! তবে কিছুক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। তবেই কমলালেবু খাওয়ার উপকার পাওয়া যাবে।

    নিয়মিত বাচ্চাকে কমলালেবু দিলে কী হয়?

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কমলালেবু খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। এই ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তাই নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। শিশুরা শীতের সময়ে অনেকেই নানান সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময় ভাইরাস ঘটিত জ্বর-কাশি-সর্দিতে শিশুদের ভোগান্তি বাড়ে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে এই ধরনের সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমবে। ভোগান্তিও কম হবে।

    হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    শীত মানেই নানান উৎসবের মরশুম। পিকনিক হোক কিংবা পারিবারিক উৎসব, নানান অনুষ্ঠান চলে। তাই খানাপিনাও দেদার চলে। বিশেষত প্রাণীজ প্রোটিনের নানান পদ খাওয়া বেশি হয়। এই সময়ে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে শিশুদের বমি কিংবা পেটের সমস্যার মতো নানান ভোগান্তি বাড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, হজমের অসুবিধার জন্য এই ধরনের সমস্যা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কমলালেবু খেলে শিশুদের হজম শক্তি বাড়ে। তাঁদের পরামর্শ, জলখাবারের পরে কিংবা স্কুলের টিফিন শেষে নিয়মিত কমলালেবু খেলে হজম শক্তি বাড়বে।

    ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ক্লান্তি দূর করতে কমলালেবু বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা দিনভর নানান কাজ করে। ছোটাছুটিও প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুরা বেশি করে। তাই তাদের বাড়তি এনার্জি প্রয়োজন। শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এবং এনার্জির চাহিদা পূরণ করতে কমলালেবু খুব উপকারি। কমলালেবুতে একাধিক ভিটামিন রয়েছে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে শরীরে এনার্জির ঘাটতি হয় না।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    ভারতীয় শিশুরা স্থুলতার সমস্যায় ভুগছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণ জরুরি। অতিরিক্ত ওজন পরবর্তীতে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা সহ একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। কমলালেবু ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কমলালেবু ফাইবার সমৃদ্ধ ফল। তাই নিয়মিত এই ফল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অতিরিক্ত খাওয়া বা ‘ওভার ইটিং’-র প্রবণতা কমবে।

    হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমবে!

    বয়ঃসন্ধিকালে থাকা সময় থেকেই বাড়ছে হাড়ের সমস্যা। বহু স্কুল পড়ুয়া ভিটামিন ডি-র অভাবে ভুগছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের মধ্যে হাড় ক্ষয়ের রোগ বাড়ছে। যা দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, স্কুলের টিফিনে শীতকাল জুড়ে থাকুক কমলালেবু। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুতে নানান রকম ভিটামিন থাকার পাশপাশি থাকে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো নানান গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ। এই উপাদান হাড় মজবুত করতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই কমলালেবু নিয়মিত খেলে হাড়ের মজবুত হবে।

    বড়দের জন্যও সমান ভাবেই উপকারি

    শিশুদের পাশপাশি বড়দের জন্যও কমলালেবু সমান ভাবেই উপকারি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কমলালেবু ত্বকের সমস্যা মেটাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই ত্বকের সমস্যায় জেরবার হন। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুলকানির মতো নানান উপসর্গ দেখা দেয়। কমলালেবুতে থাকা ভিটামিন ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে ত্বকের শুষ্ক ভাব কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চার ধরে রাখতেও সাহায্য করে। পাশপাশি কমলালেবু হার্টের রোগের ঝুঁকিও কমায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত শীতকালে হৃদরোগের সমস্যা বাড়ে। তাই এই সময়ে আরও বেশি স্বাস্থ্য সচেতনতা থাকা প্রয়োজন। তাঁদের পরামর্শ নিয়মিত কমলালেবু খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। কমলালেবুতে থাকা পটাশিয়াম সহ একাধিক খনিজ সম্পদ রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

    তবে, খেয়াল রাখতে হবে…

    তবে কমলালেবুর উপকার পাওয়ার জন্য এই ফল খাওয়ার সময় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবু খালি পেটে খেলে অম্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ভারি খাবার খাওয়ার পরে তবেই কমলালেবু খাওয়ার উপকারিতা পাওয়া যাবে। তবে দিনে দুটোর বেশি কমলালেবু খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এতে অন্যান্য সমস্যা দেখা যেতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের দিনে একাধিক কমলালেবু না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন‌।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 06 December 2025: কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 06 December 2025: কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শুধু শরীর সম্পর্কে আজ আপনাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) রোজগার অনেকটাই বাড়বে, নিশ্চিত থাকুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ অনুকূল থাকছে।
    বৃষ
    ১) অর্থলাভের পক্ষে দিনটি আপনার ভালোই কাটতে চলেছে।
    ২) অপ্রত্যাশিত অর্থলাভের যোগও দেখা যাচ্ছে আজকে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি আনন্দে কাটাবেন।
    মিথুন
    ১) শারীরিক ও মানসিক উৎকণ্ঠা আজ আপনাকে পোহাতে হবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রেও থাকবে ঝঞ্ঝাট ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।
    ৩) অর্থলাভের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন, অন্যদিকে ব্যয়ও বাড়বে।
    কর্কট
    ১) গৃহে বা বন্ধু স্থানীয় কোনও ব্যক্তির সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে।
    ২)  কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন।
    ৩) মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি হবে আজ।
    সিংহ
    ১) উল্টোপাল্টা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বেন, এর ফলে মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে।
    ২) শারীরিক দিক থেকেও দিনটি ভালো যাবে না, অস্বস্তি বোধ করবেন কোনও কারণে।
    ৩) সতর্ক থাকুন, কারও সাথে অযথা বাদানুবাদ সৃষ্টি হতে পারে।
    কন্যা
    ১) দিনটা খারাপ ভালো মিশিয়েই কাটবে।
    ২) শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অস্বস্তি আজ আপনাকে বয়ে চলতে হবে।
    ৩) পূর্ব পরিচিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন পরে সাক্ষাৎলাভ হবে।
    তুলা
    ১) ছোটখাট ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগ হবে, তবে তা ক্ষণস্থায়ী, বাকি দিনটা আনন্দেই কাটবে।
    ২) অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থলাভের যোগ রয়েছে আজ।
    ৩) গৃহে অতিথির আগমন হবে, এর ফলে ব্যয় বৃদ্ধি হবে।
    বৃশ্চিক
    ১) আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ।
    ২) সতর্ক থাকতে হবে, কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা ও নতুন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    ৩) শারীরিক সুখ নষ্ট হবে, কোনও রোগের কারণে।
    ধনু
    ১) কোনও শুভ প্রচেষ্টার পক্ষে দিনটি মোটেও ভালো নয়, তাই বিরত থাকুন।
    ২) আয় ও আর্থিক ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই আজকে।
    ৩) বাহ্যিক আনন্দ প্রকাশ পাবে, তবে পুরনো কোনও কারণে মনের দিক থেকে চাপা গুমোট ভাব থাকবে।
    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা আজকে আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে।
    ২) শরীর আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তবে আয়ের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ৩) তুলনামূলকভাবে ব্যবসায়ীদের আয় বাড়বে।
    কুম্ভ
    ১) অযথা অর্থ ব্যয় হবে আজকে।
    ২) কোনও পূর্ব পরিকল্পনা করে থাকলে তা হঠাৎ বানচাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা।
    ৩) নিজ ভুলে অর্থহানির যোগ রয়েছে।
    মীন
    ১) পূর্বের কোনও ঘটনার জেরে ফের মানসিক আঘাত পেতে পারেন।
    ২) আইন সংক্রান্ত যে কোনও ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।
    ৩) কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক ব্যাপারে আজকের দিনটা ভালোই কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share