Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার তিথিতে মার্চ মাসেই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026)। সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা যায়নি। তবে এবার এই দৃশ্য থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন না। খুব কম সময়ের জন্য হলেও এই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। ওই দিন দেশের বেশির ভাগ প্রান্ত থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ।

    চাঁদের রং হয় লালা (Chandra Grahan 2026)

    চাঁদের কোনও নিজেস্ব আলো নেই। তার উপর সূর্যের আলো পড়ে। পৃথিবীর চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। এরফলে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। আর তখনই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) হয়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রং হয় লাল। সেই জন্য তাকে রক্তিম চাঁদ বা ব্লাড মুনও বলা হয়। সূর্য গ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্র গ্রহণের সময় অবশ্য তেমন কোনও ব্যাপার নেই। রাতের আকাশে খালি চোখেই দেখা যায়।

    আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে

    ৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে সেখান থেকে চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) দেখা যাবে। তবে খুব অল্প সময়ের জন্যই দেখা যাবে। জানা গিয়েছে মোট ৫ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। চরম সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড। সেই সময় আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে এই গ্রহণ। তবে সব জায়গা থেকে দেখা যাবে এমনটাও নয়। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলিতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ৪ টে ৪ মিনিট থেকে ৫ টা ২ মিনিট পর্যন্ত।

    ভারতের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026) দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টে ৫৮ মিনিট থেকে। ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫ টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭ টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

    জানা গিয়েছে, যখন পূর্ণগ্রাস চলবে তখন ভারতের অনেক জায়গায় সন্ধ্যা নামবে না। সেই জন্য ওই সব জায়গায় পূর্ণগ্রাস নাও দেখা যেতে পারে। কলকাতায় ওইদিন সূর্যআস্ত হবে ৫ টা ৩৪ মিনিটে। এরপর হবে চন্দ্র গ্রহণ। পূর্ণগ্রাস পশ্চিমবঙ্গ থেকে না দেখার সম্ভাবনাই বেশি। দিল্লি এবং নয়ডায় ওইদিন চন্দ্রদোয় হবে ৬টা ২৬ মিনিটে। যদিও তার আগে থেকে গ্রহণ লেগে যাবে। সেখানেও খুব সময় ধরে গ্রহণ দেখা যাবে না। তবে আবার যে সম্পূর্ণ ভাবে বঞ্চিত হবেন এমনটাও নয়। যদি আকাশ মেঘলা থাকে তাহলে গ্রহণ দেখার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।

    চাঁদকে গ্রহণের সময় গাঢ় কালচে লাল দেখায়

    পূর্ণগ্রাসের (Lunar Eclipse) সময় চাঁদ সম্পূর্ণ ভাবে কালো হয়ে যায় না। তার বদলে কিছু কিছু অংশ লাল হয়ে যায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে, তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয়। এরপর তা চাঁদের উপরে গিয়ে পড়ে। অপর দিকে সূর্যরশ্মি নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের (Chandra Grahan 2026) সময় গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়।

    চন্দ্রগ্রহণের সময় (Chandra Grahan 2026)

    • চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে: ৩ মার্চ বেলা ৩টে ২০ মিনিটে
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু: বিকেল ৪টে ৩৪ মিনিট
    • গ্রহণের মধ্যদশা: বিকেল ৫টা ৪ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শেষ: বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট
    • চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে: সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ চলবে: ৫৯ মিনিট ধরে
  • Daily Horoscope 22 February 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 22 February 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি ভালো থাকবে।

    ২) কাজের ভালো পরিণাম পাবেন।

    ৩) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সফল হবে আজ।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ২) অর্থ সঞ্চয়ের একাধিক সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

    ৩) পেশাগত জীবনে উন্নতির সুযোগ পাবেন।

    মিথুন

    ১) পরিজনদের সঙ্গে চিন্তাভাবনার মতভেদ হতে পারে।

    ২) কাজে আগত বাধা দূর হবে।

    ৩) ধন-সম্পদ বৃদ্ধির যোগ রয়েছে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) কেরিয়ারে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

    ৩) অর্থ সঞ্চয়ের একাধিক সুযোগ পাবেন।

    সিংহ

    ১) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) নতুন কাজের সূচনার জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) আপনার সমস্ত কাজ সফল হবে।

    কন্যা

    ১) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সফল হবে।

    ২) কেরিয়ার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সঠিক বলে প্রমাণিত হবে।

    ৩) পৈতৃক সম্পত্তির মাধ্যমে ধন লাভ।

    তুলা

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) সরকারি কর্মচারীদের বদলি হতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে শুভ সময় কাটাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) পেশাগত জীবনে উন্নতির সুযোগ পাবেন।

    ২) সামাজিক কাজে রুচি বাড়বে।

    ৩) সমাজে সকলের প্রশংসা লাভ করবেন।

    ধনু

    ১) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সফল হবে।

    ২) পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) দূরে কোথাও যাত্রা করবেন।

    মকর

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি সুদৃঢ় হবে।

    ২) পেশাগত জীবনে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ৩) অফিসে সবার সমর্থন পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ২) ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ে উন্নতির সুযোগ পাবেন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি ঠিকঠাক কাটবে।

    ২) পারিবারিক জীবনের সমস্যা দূর হবে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করবেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতীয় যুব কংগ্রেসের সদস্যদের বিক্ষোভের ঘটনাকে “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আদালতে পেশ করা বক্তব্যে পুলিশ জানায়, এই প্রতিবাদ নেপালের তথাকথিত ‘জেন জি আন্দোলন’ থেকে অনুপ্রাণিত। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মীদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যা সেখানে সরকার পতনের কারণ হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।

    নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা

    পুলিশের আইনজীবী আদালতে বলেন, “এটি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের একে অপরের সঙ্গে এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা করা প্রয়োজন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” পুলিশ আরও জানায়, বিক্ষোভের অর্থায়ন সম্পর্কেও তদন্ত চলছে। ঘটনায় প্রায় ১০ জন যুব কংগ্রেস কর্মী এআই সম্মেলনের ভেন্যুতে ঢুকে শার্ট খুলে বিক্ষোভ দেখান এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। বিক্ষোভকারীরা সাদা টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান প্রদর্শন করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাঁদের আটক করে। পরে সম্মেলন বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

    “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বিক্ষোভকে “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা নিতিন নবীন অভিযোগ করেন, “আমরা প্রায়ই ‘আরবান নকশালবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করি। আগে কিছু দল এতে প্রভাবিত ছিল, এখন তারা পুরোপুরি এর অংশ হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্বমঞ্চে ভারতের আলোচনা হচ্ছে, তখন এ ধরনের লজ্জাজনক কাজ দেশের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” দিল্লি থেকে মুম্বই—বিভিন্ন শহরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। মুম্বইয়ে রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মীরা।

    রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা প্রদর্শন

    শনিবার সকালে রাহুল গান্ধী মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে ঠানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে একটি ২০১৪ সালের মানহানির মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যান। বিমানবন্দর চত্বরে বিজেপি সমর্থকেরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রাজধানী দিল্লিতেও একই চিত্র দেখা যায়। বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা আকবর রোডে কংগ্রেসের দফতরের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। দিল্লি বিজেপি সভাপতি বিরেন্দ্র সচদেবা এবং লোকসভা সাংসদ মনোজ তিওয়ারি যুব কংগ্রেসের ওই প্রতিবাদকে “দেশদ্রোহী” কর্মকাণ্ড বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

  • Assembly Elections: রাজ্যে ভোটের আগেই আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অমিত শাহের মন্ত্রকের বড় ঘোষণা

    Assembly Elections: রাজ্যে ভোটের আগেই আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অমিত শাহের মন্ত্রকের বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভার (Assembly Elections) ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বড় ঘোষণা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চিঠিতে সাফ জানিয়েছে মার্চ মাসে দুই ধাপে আসবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা (Central Force)। রাজ্যের এসআইআর আবহে সুপ্রিম কোর্ট আইন শৃঙ্খলা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় শাসক দলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পুলিশের গঠন মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা এবং কমিশনের কাজকে সহযোগিতা না করার জন্য এই পদক্ষেপ বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    কবে কোন কোন বাহিনী (Assembly Elections)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠিতে জানা গিয়েছে, আগামী মার্চ মাসে বিধানসভা ভোটের (Assembly Elections) আগে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী (Central Force)। মূলত দুই ধাপে এই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হবে। ১  মার্চ আসবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। তার মধ্যে ১১০ কোম্পানি থাকবে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ। ৫৫ কোম্পানি থাকবে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। ২১ কোম্পানি থাকবে সেন্ট্রাল সিকিউরিটি ফোর্স, ২৭ কোম্পানি থাকবে ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ, ২৭ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। ১০ মার্চ আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । তার মধ্যে থাকবে ১২০ কোম্পানি সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), ৬৫ কোম্পানি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স(বিএসএফ), ১৬ কোম্পানি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স(সিআইএসএফ), ২০ কোম্পানি ইন্দো-তিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ(আইটিবিপি), ১৯ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর জওয়ানরা ৷

    ২০২১ সালে ১০৭১ কোম্পানি নিযুক্ত হয়েছিল

    জানা গিয়েছে, এলাকাগুলিকে ভয়মুক্ত করতে, নির্বাচনের (Assembly Elections) দিনে নানা কাজ করতে, ইভিএম সেন্টার, ভোটার গণনা সেন্টার এবং ঠিকঠাক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রাথমিক ভাবে এই ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। এরপর থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসবে। ২০২১ সালে আট দফায় ভোট হয়েছিল। সেইবার ১০৭১ কোম্পানি বাহিনী  (Central Force) মোতায়েন করা হয়েছিল।

    অসঙ্গতি সংক্রান্ত শুনানি প্রক্রিয়া চালু থাকবে

    একই ভাবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দফতরে বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে রয়েছেন একাধিক আধিকারিক। সেখানে রয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ডিজি বিজয় পাণ্ডে। হাইকোর্টে কমিশনের অবস্থান কি হবে তা ঠিক করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য প্রশাসনের চূড়ান্ত অসহযোগিতার জন্য এসআইআর নিয়ে ব্যাতিক্রমী নির্দেশ দিয়েছে। ভোটারদের তথ্য যাচাই করবেন কলকাতা হাইকোর্ট দ্বারা নিযুক্ত বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা ৷ সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশে দিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভোটার তালিকা চূড়ান্ত নয় ৷ তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত শুনানি প্রক্রিয়া চালু থাকবে এবং প্রয়োজনে ২৮ তারিখের পর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারবে নির্বাচন কমিশন ৷

  • Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাটজিপিট-র মতো অ্যাপ নিয়ে আসছে ভারত। তৈরি হচ্ছে দেশীয় জিপিটি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বম্বের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রোগ্রামটি তৈরি করা হচ্ছে, যার নাম ‘ভারত জিপিটি’ (Bharat GPT)। দিল্লিতে ভারত মণ্ডপমে আন্তর্জাতিক এআই সামিটে এর উন্মোচন হল। ভারতের প্রাচীন পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে নির্মিত একটি দেশীয় বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) এটি। এআই সামিটে স্পুটনিক ইন্ডিয়ার ধৈর্য মহেশ্বরী ও ভারতীয় জিপিটি (BharatiyaGPT)–এর প্রতিষ্ঠাতা আর রামকৃষ্ণনের কথোপকথনে উঠে এল ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ নিয়ে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।

    এক কোটি পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে এআই

    বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বৃহৎ ভাষা মডেল মূলত পাশ্চাত্য তথ্যভাণ্ডারের উপর নির্ভরশীল। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় উদ্ভাবকদের প্রশ্ন—কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভারতের সহস্রাব্দ প্রাচীন বিজ্ঞান, চিকিৎসা, গণিত, দর্শন ও জীবনবিজ্ঞানের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে শিখবে না? এই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে একটি ভারতকেন্দ্রিক ভাষা মডেলের এক ইকোসিস্টেম। যা ১ কোটিরও বেশি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির উপর ভিত্তি করে নির্মিত। চল্লিশেরও বেশি লিপিতে লেখা এই পাণ্ডুলিপিগুলি বিভিন্ন শাস্ত্র ও বিদ্যার অন্তর্গত। উদ্যোগটি কেবল প্রযুক্তিগত নয়—এটি সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক পুনরুদ্ধারেরও প্রয়াস।

    ভারতীয় জিপিটি-র জন্ম

    কেবল পশ্চিমের ডেটাসেটের অভিযোজন ভারতের বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে ধারণ করতে পারবে না, এই উপলব্ধি থেকে সরাসরি ভারতীয় পাণ্ডুলিপি-সাহিত্যের আশ্রয় নেওয়া হয়। তৈরি হয় ভারতীয় জিপিটি। এর মধ্যে রয়েছে আয়ুর্বেদ নিয়ে ‘লোকস্বস্তি জিপিটি’। যেখানে অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম, শুশ্রুত সংহিতার মতো গ্রন্থ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। এই মডেল প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞান, শল্যচিকিৎসা, স্বাস্থ্যরক্ষা ও জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রদান করে। ভারতের শাস্ত্রীয় গণিতচর্চাকে নতুন রূপ দিয়েছে ‘গণিত জিপিটি’। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, সংখ্যা তত্ত্বসহ প্রাচীন গণিতজ্ঞদের আবিষ্কার এখন আধুনিক ভাষায় সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। সাহায্য নেওয়া হয়েছে আর্যভট্ট, লীলাবতী, বীজগণিত-এর। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে অর্থশাস্ত্রকে। এই গ্রন্থে রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার যে বিশ্লেষণ রয়েছে, তা আধুনিক প্রেক্ষাপটেও প্রাসঙ্গিক করে তুলছে সংশ্লিষ্ট মডেল। আধ্যাত্মিক ও জীবনদর্শনের জন্য তৈরি হয়েছে ‘ভগবত গীতা জিপিটি’। এখানে ব্যবহারকারী কেবল শ্লোক নয়, তার প্রেক্ষাপট, ব্যাখ্যা ও দার্শনিক তাৎপর্যও জানতে পারবেন।

    ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয়

    উদ্যোক্তাদের মতে, ভারতের প্রাচীন গ্রন্থগুলি কেবল ধর্মীয় বা ভক্তিমূলক রচনা নয়; এগুলি ছিল সুসংগঠিত, বিশ্লেষণধর্মী ও বৈজ্ঞানিক দলিল। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই জ্ঞান এখন গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হচ্ছে। এআই সামিটে বার্তা ছিল স্পষ্ট—এটি শুধু ভারতের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও এক নতুন দিগন্ত। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন আয়ুর্বেদ, গণিত, দর্শন ও রাষ্ট্রনীতির জ্ঞানকে বিচ্ছিন্ন অংশে নয়, এক জীবন্ত ডিজিটাল ভাণ্ডার হিসেবে অন্বেষণ করতে পারবে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এই মেলবন্ধনই হয়তো ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয় গড়ে তুলবে।

  • SIR: “ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে”, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: “ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে”, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘রাজ্যের ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে…।’’ পশ্চিমবঙ্গের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এখন সুপার চেকিং চলছে। সামনেই বিধানসভার নির্বাচন কিন্তু তার আগেই প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের উপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। রাজ্যের ডিজি পীয়ূষ পাণ্ডেকে কার্যত সতর্ক করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি সাফ বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে রাজ্যের ডিজিকে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে।”

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে অনুকূল নয় (SIR)

    রাজ্যে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই নানা উত্তেজনাময় ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। এসআইআর-এর কাজে বিভিন্ন জেলার রোল অবজার্ভার এবং বুথস্তরের আধিকারিকদের দুষ্কৃতীদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একই ভাবে ফর্ম ৭ জমা করাকে ঘিরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একাধিক জেলার বিডিও অফিসে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) নিজের পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলার এই অবনতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে অনুকূল নয়। যদি অবিলম্বে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া না হয়, কিংবা পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ না করে, তবে ডিজি-কে জবাবদিহি করতে হবে।”

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের পরামর্শ

    এদিন শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের তরফেও রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। কমিশনের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের কাছে এসআইআরের কাজে অতিরিক্ত গ্রুপ বি কর্মী চেয়ে রাজ্যের চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু কোন সদর্থক উত্তর মেলেনি। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, “রাজ্যের কাছে যদি কর্মী না থাকে তাহলে আইনের বিরুদ্ধে অবস্থানকে স্পষ্ট করে। কর্মী না থাকা আর কাজে ছাড় দেওয়া এটা ভীষণ ভাবে অন্যায়। কমিশন মনে করলে নিজেদের অধিকারে কাজ করতে পারবে।”

    আদালত আরও স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, কমিশন, রাজ্য উভয়ে যদি এসআইআর নিয়ে সমন্বয়ে কাজ না করে তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া দারুণ ভাবে প্রভাবিত হবে। পাল্টা রাজ্যের আইনজীবীদের বক্তব্য কমিশন বিশেষ পর্যবেক্ষক পদে ইআরওদের কাজে বাধা দিচ্ছে। আদালাত অবশ্য কমিশনকে সাফ কথায় জিজ্ঞেস করেছে, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। জবাবে কমিশন বলে, বিষয় যেহেতু বিচারাধীন তাই পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে কোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নেরও পরামর্শ দিয়েছে।

    প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে

    অপর দিকে ডিজির আইনজীবী বলেন, “কমিশন সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছে। এসআইআর-এর কাজে জটিলতা তৈরি করে বিষয়টি অকারণে বিলম্বিত করছে।” তবে কমিশনের আইনজীবীরা তালিকা দিয়ে উত্তেজক ভাষণ এবং উস্কানি দেওয়া নেতাদের নাম জমা করার কথা জানিয়েছে কোর্টে। বিচারপতি (Supreme Court) তাই পরামর্শ দেন, ভোটের আগে দুই পক্ষকে সমন্বয় করে কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

  • Delhi High Alert: লালকেল্লা ও মন্দির এলাকায় আইইডি হামলার ছক লস্করের! রাজধানীতে জারি হাই অ্যালার্ট

    Delhi High Alert: লালকেল্লা ও মন্দির এলাকায় আইইডি হামলার ছক লস্করের! রাজধানীতে জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় রাজধানী দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট জারি করল জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (LeT) ওল্ড দিল্লির জনবহুল ধর্মীয় স্থান ও ঐতিহাসিক এলাকাগুলিকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-র হাতে আসা একটি গোয়েন্দা নোটে বলা হয়েছে, লালকেল্লা ও ঘনবসতিপূর্ণ চাঁদনি চকের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জঙ্গিরা আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) হামলার চেষ্টা চালাতে পারে।

    ভারতে বড়সড় হামলার ছক লস্করের

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রটি ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, লস্করের জঙ্গিরা ভারতে বড়সড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারে। এই গোয়েন্দা তথ্যের পর দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করেছে, বিশেষ করে ওল্ড দিল্লিতে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে, যানবাহন তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে এবং ধর্মীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রের কাছে অ্যান্টি-সাবোটাজ চেক চালানো হচ্ছে।

    লালকেল্লা হামলার তিন মাস…

    গত বছর ঘটে যাওয়া লালকেল্লা গাড়ি বিস্ফোরণের প্রায় তিন মাস পর নতুন হামলার সতর্কতা জারি হল। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেটি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া অন্যতম প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলা ছিল। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে বিস্ফোরক বোঝাই একটি হুন্ডাই গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন নিহত হন এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হন। পাশাপাশি আশপাশের একাধিক গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তদন্তকারীরা পরে নিশ্চিত করেন যে, এই বিস্ফোরণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-ভিত্তিক বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।

    হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল…

    তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানায়, গাড়ির চালক তথা আত্মঘাতী জঙ্গি উমর মহম্মদ ওরফে উমর উন নবি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত একজন চিকিৎসক ছিল। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া মানবদেহের অংশের ডিএনএ পরীক্ষায় তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। তদন্তে উঠে আসে, উমর প্রতিবেশী হরিয়ানা থেকে পরিচালিত একটি বৃহত্তর ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’ বা চিকিৎসক-সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের আগের দিনই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে এবং দুই চিকিৎসক-জঙ্গি মুজাম্মিল ও আদিল রাদার-সহ মূল চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তকারীদের দাবি, নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কড়া অভিযানের চাপে পড়ে উমর নাকি লালকেল্লার কাছে গাড়িটি আগেভাগেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেয়।

  • Hemicrania Continua: দীর্ঘদিন ধরে মাথার যন্ত্রণায় ভুগছেন? হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া নয় তো! কী এই রোগ?

    Hemicrania Continua: দীর্ঘদিন ধরে মাথার যন্ত্রণায় ভুগছেন? হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া নয় তো! কী এই রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মাথার এক পাশে কিংবা পিছনের অংশে ব্যথা। প্রায় যন্ত্রণার তীব্রতা বাড়ে। আবার কখনো তীব্রতা কমে। কিন্তু একটানা যন্ত্রণা (Long-Term Headache) ভোগান্তি বাড়ায়। মাথার ব্যথা হলে অনেকেই ভাবেন মাইগ্রেন কিংবা সাইনাসের সমস্যা। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একটানা মাথা ব্যথার নেপথ্যে অনেক সময়েই অন্য কারণ রয়েছে। কিন্তু অবহেলার জেরে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

    দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যথার কারণ কী হতে পারে?

    মাইগ্রেন কিংবা সাইনাসের সমস্যা না থাকলেও মাথা যন্ত্রণার ভোগান্তি হতে পারে। তার অন্যতম কারণ হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া (Hemicrania Continua)। এটি একটি স্নায়ু ঘটিত সমস্যা। যার জেরে মাথার যে কোনও একটি পাশে বা নির্দিষ্ট কোনও অংশে যন্ত্রণা হয়। অধিকাংশ সময়েই দেখা যায় এই সমস্যায় আক্রান্তের যন্ত্রণায় ভোগান্তির মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসও হতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যন্ত্রণার তীব্রতা সবসময় এক রকম থাকে না। কখনও বাড়ে আবার কখনও কমে।

    হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া কী? কেন হয় এই রোগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া (Hemicrania Continua) হল মস্তিষ্কের স্নায়ুঘটিত একটা সমস্যা। এই সমস্যা কোনও একটি নির্দিষ্ট কারণে তৈরি হয় না। বরং এই সমস্যা হওয়ার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে‌। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তার অন্যতম কারণ হল হরমোন। মহিলাদের শরীরে নানান হরমোনঘটিত পরিবর্তন হয়। বিশেষত ঋতুস্রাব বন্ধ পর্ব বা পোস্ট মেনোপোজ পর্বে শরীরে একাধিক হরমোনের পরিবর্তন হয়। যার জেরে মহিলাদের মস্তিষ্কে এই ধরনের স্নায়বিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে হরমোন ঘটিত সমস্যার পাশপাশি মানসিক চাপ কিংবা অবসাদ এই ধরনের স্নায়বিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    এই সমস্যা কি আরো জটিলতা তৈরি করতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া (Hemicrania Continua) অন্য রোগের কারণ নয়। তাই অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী মাথার যন্ত্রণা চরম ভোগান্তি তৈরি করে। স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হয়। তাছাড়া যেকোনো সাধারণ কাজেও মনঃসংযোগ করতে দেয় না। মস্তিষ্কের চিন্তাশক্তি কাজ করে না। লাগাতার মাথা যন্ত্রণার ফলে খিটখিটে ভাব তৈরি হয়। সবমিলিয়ে জীবন যাপনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। তাই মাথা ব্যথা হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া শুধুই ব্যথা নিরাময় ওষুধ খাওয়া উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। কারণ কেন মাথা ব্যথা হচ্ছে সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা না থাকলে ব্যথা নিরাময় ওষুধ শুধু সাময়িক আরাম দেবে। তার বেশি কিছু নয়।

    কীভাবে এই রোগের দাপট কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবনযাপনের ধরন এই রোগের দাপট কমাতে সাহায্য করবে। কয়েক দিন ধরে লাগাতার মাথা যন্ত্রণার ভুগলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন। হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া (Hemicrania Continua) মতো সমস্যা থাকলে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের পাশপাশি যোগাভ্যাস জরুরি। যন্ত্রণার তীব্রতা কমাতে নির্দিষ্ট কিছু যোগাসন বিশেষ সাহায্য করবে। যেমন অধোমুখ শবাসন। প্রথমে হামাগুড়ি দেওয়ার মতো করে বসতে হবে। হাতের তালু মাটিতে থাকবে, পিঠ উপরের দিকে তুলতে হবে, পায়ের পাতা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। দেখতে লাগবে অনেকটা ইংরেজি ‘ভি’ অক্ষরের মতো লাগবে। মাথা যতটা ঝোঁকাতে যাবে, ততই ভাল। এই ভঙ্গিমায় ২০ সেকেন্ড থাকতে পারলে রক্তচাপ ও শরীরের স্নায়বিক জটিলতা কমবে। তাই এই ধরনের রোগের দাপট কমাতে এই আসন বিশেষ সাহায্য করে।

    সৃজনশীল কাজে নিজেকে বরাদ্দ করুন…

    এছাড়াও রয়েছে পশ্চিমোত্তাসন। প্রথমে চিৎ হয়ে শুয়ে দু’হাত তুলে মাথার দু’পাশে উপরের দিকে রাখতে হবে। ধীরে ধীরে উঠে বসে সামনে ঝুঁকে দু’ হাত দিয়ে জোড়া পায়ের বুড়ো আঙুল ধরতে হবে। দুই পায়ের মাঝখানে কপাল ঠেকাতে হবে। এ অবস্থায় শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে মোটামুটি তিরিশ সেকেন্ড থাকতে হবে। তাহলে এই ধরনের মাথার যন্ত্রণার (Hemicrania Continua) তীব্রতা কমানো সহজ হবে। এর পাশপাশি নিয়মিত গান শোনা কিংবা ছবি আঁকার মতো অভ্যাস রপ্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে কাজের চাপ বাড়লে। পরিবার ও কাজের মধ্যে ব্যালেন্স করাই সবচেয়ে বড় মানসিক চাপ হয়ে উঠছে। তাই রুটিন মাফিক চলা একঘেয়ে ব্যস্ত জীবনে একটু সময় সৃজনশীল কাজে বরাদ্দ করতে হবে। তবেই মানসিক চাপ কমবে। মানসিক চাপ কমলে যে কোনও ধরনের মাথার যন্ত্রণার ভোগান্তি কমানো সহজ হয়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 21 February 2026: মনের মধ্যে শান্তি থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 February 2026: মনের মধ্যে শান্তি থাকবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) সন্তান সংক্রান্ত সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) অভিযান নিয়ে রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে দোষারোপের খেলা চলছে বলে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তাই দেশের শীর্ষ আদালত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনা করা এবং সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করতে বলেছে।

    এসআইআরের কাজে কমিশন এবং রাজ্য উভয়ের ভূমিকাতেই শুক্রবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল। আদালত জানায়, রাজ্যের ভূমিকায় তারা হতাশ। রাজ্য সরকার এবং কমিশনের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

    দোষারোপের খেলা (SIR)

    ভারতের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেছেন, “ভোটার তালিকা সংশোধনে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা দাবি এবং আপত্তি খতিয়ে দেখতে পারেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের এক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে, যা দুটি সাংবিধানিক সংস্থার মধ্যে আস্থা এবং বিশ্বাসের ঘাটতিকেই সূচিত করে। রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশন দোষারোপের খেলা খেলছে। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াটি অসঙ্গতিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের দাবি এবং আপত্তির পর্যায়ে আটকে রয়েছে।”

    বিশেষ পরিস্থিতি এবং বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টকে জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মরত এমনকি প্রাক্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদেরও এসআইআর কাজের জন্য নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই ভাবে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পরিকল্পনার সূক্ষ্ম বিবরণ তৈরির জন্য, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনার, মুখ্য সচিব, পুলিশ প্রধান এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের আগামীকাল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে একটি বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে।

    আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও বলেছে, “এসডিও, এসডিএম-এর দায়িত্ব পালনের জন্য গ্রুপ এ অফিসারদের দিতে রাজ্য প্রশাসন বাধ্য। ইআরও এবং এইআরও-এর (SIR) দায়িত্ব পালনের জন্য রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা নিয়ে বিরোধিতা থাকা উচিত নয়। জমা দেওয়া নথিপত্রের সত্যতা বিচারে ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা ছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই। কিছু কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং এডিজে বা জেলা বিচারক পদমর্যাদার কিছু প্রাক্তন বিচারক কর্মকর্তাকে এই কাজে নিযুক্ত করতে হবে। তাঁরাই প্রতিটি জেলায় নিবিড় তালিকা তৈরিতে তথ্য যাচাইয়ের নিষ্পত্তি বা পুনর্বিবেচনা করতে সহায়তা করতে পারবেন।

    প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে… আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম। রাজ্যের কাছ থেকে কি এই স্তরের যোগাযোগ? ৯ ফেব্রুয়ারির আদেশের জন্য, আপনি ১৭ ফেব্রুয়ারি জবাব দিয়েছিলেন। আপনি বলছেন রাজ্য সরকার কর্মকর্তাদের পরীক্ষা করছে। পরীক্ষা করছে, কীভাবে? আপনার লেখা উচিত ছিল যে ৮,৫০০ কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। আমরা মাইক্রো অবজারভার নই। আমরা এটা দেখে হতাশ। আমরা ভেবেছিলাম রাজ্যগুলি সহযোগিতা করবে। আমরা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা চাই না।”

    যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ করা হচ্ছে না

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (Supreme Court) কপিল সিব্বল এবং মেনকা গুরুস্বামী যুক্তি দিয়েছিলেন যে পর্যাপ্ত গ্রুপ বি অফিসার সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসিআইয়ের (SIR) প্রতিনিধিত্বকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দামা শেষাদ্রি নাইডু যুক্তি দিয়েছিলেন, নির্বাচনের ইআরও হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য যোগ্য সবাইকে কাজে লাগানো যায়নি। রাজ্য সরকার সহযোগিতা করেনি।

    পরিস্থিতির উপর অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করে, “আপনি যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ দিচ্ছেন না। অযোগ্য কর্মকর্তারা কীভাবে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারেন? উভয় দিকেই দ্বিধা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাই সকল স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা অপরিহার্য। রাজ্য সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট-মনোনীত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। দয়া করে হাইকোর্টের সাথে সহযোগিতা করুন। তাদের কাজ করার জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করুন। কল্পনা করুন, যদি এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তবে কী হবে।”

    অবৈধ নাম বাদ যাওয়ায় মমতার ক্ষোভ  

    কেন্দ্রের বিজেপি সহ সমস্ত প্রধান দল যখন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জোর প্রচার চালাচ্ছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনকে অপব্যবহার করে প্রকৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞাসা করে মমতা বলেন, “বিজেপি শাসিত আসামে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধন করেনি। অবৈধ অনুপ্রবেশে এবং জনসংখ্যার পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা এবং সংঘাত সৃষ্টি করছে। নির্বাচন কমিশন বাংলা এবং কেরালাকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, বিজেপির এজেন্ট নির্বাচন কমিশন।”

LinkedIn
Share