Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • T20 World Cup 2026: থামল বিজয়রথ! দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হতাশাজনক হারের পরও বিশ্বকাপ নিয়ে প্রত্যয়ী সূর্য

    T20 World Cup 2026: থামল বিজয়রথ! দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হতাশাজনক হারের পরও বিশ্বকাপ নিয়ে প্রত্যয়ী সূর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা লড়াইয়ে থামল সূর্যের বিজয়রথ। সুপার এইটে বড় ধাক্কা। টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) কাছে ৭৬ রানে হেরে গেল ভারত। ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১১ রানে অল আউট টিম ইন্ডিয়া। ১২ ম্যাচে জয়ের পর হার। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) স্পষ্ট দাবি—হারের দায় ব্যাটিংয়ের। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে এই আমেদাবাদেই ভারতের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল, রোহিতদের বিজয়রথ থেমেছিল, সেখানেই ফের মুখ থুবড়ে পড়ল সূর্যের ভারত (Indian Cricket Team)। শুধু হার নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া এতই বড় ব্যবধানে পরাজিত হলে যে ভারতের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়ে গেল।

    ২০২২ সালের পর আইসিসি টি-টোয়েন্টি-তে হার

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৮৮ রান তাড়া করতে নেমে রবিবার মাত্র ১১১ রানেই অল আউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। গ্রুপ পর্বে অপেক্ষাকৃত কমজোরি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও রকমে সামাল দেওয়া গিয়েছিল। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া কোনও ম্যাচেই সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি গুরু গম্ভীরের ছাত্ররা। সুপার এইটে নামতেই বাস্তব পরিস্থিতির সামনে পড়ল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের বিরাট ব্যবধানে হেরে গেল সূর্যকুমার যাদবের দল। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর এই প্রথম কোনও একাধিক দেশের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পরাজিত হল ভারতীয় দল। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গের পর এই প্রথম আইসিসি প্রতিযোিগতার ম্যাচে হারের সম্মুখীন হল মেন ইন ব্লু-রা।

    পাওয়ারপ্লেতেই ভাঙন

    রান চেজের শুরুতেই ভাঙন। প্রথম ওভারে শূন্য রানে আউট ঈশান কিষাণ (Ishan Kishan)। তিলক বর্মা (Tilak Varma) ১, অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma) ১৫—পাওয়ারপ্লের শেষে স্কোর ৩১/৩। শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। এই কারণে ম্যাচের পর সূর্যকুমার বলেন, ‘১৮৮ তাড়া করতে গেলে পাওয়ারপ্লেতে ম্যাচ জেতা না গেলেও হেরে যাওয়া যায়। আমরা এই পর্যায়েই বেশি উইকেট হারিয়েছি। ছোট ছোট জুটি গড়তে পারিনি।’ পরিসংখ্যান বলছে, কাল ভারতের ব্যাটাররা থিতু হতে পারেননি। বড় শট খেলতে গিয়ে নিয়মিত উইকেট পড়েছে। স্ট্রাইক রোটেশনও হয়নি ঠিকমতো। ফলে রান তোলার চাপ ক্রমশ বেড়েছে।

    মিডল অর্ডারে ধীরগতি

    পাওয়ার-প্লে-তে ব্যাকফুটে চলে গিয়েও নিজেদের কৌশল থেকে সরলেন না গম্ভীর, সূর্যকুমাররা। ঈশান, অভিষেক ফিরে যাওয়ার পরেও চলল সেই টুকটুক করে ব্যাটিং। পরিস্থিতির বিচার না করেই ধরে খেলতে গিয়ে বিপদ ঘনিয়ে এল। দক্ষিণ আফ্রিকাও ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল। তাই বলে ডেভিড মিলার এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ‘টেস্ট’ খেলার রাস্তায় হাঁটেননি। পাল্টা মারের রাস্তায় হেঁটে ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলে দিয়েছিলেন। ভারত সেটাই করতে পারল না। ধরে খেলতে গিয়ে নিজেদের উপর চাপ এতটাই বাড়িয়ে ফেলল যে পরের দিকে আর সামলানো গেল না।

    ব্যাটিং ব্যর্থতাই দায়ী

    ম্যাচ শেষে ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন অধিনায়ক সূর্য কুমার। কিন্তু পরিকল্পনা কই? ভারতের ব্যাটারদের খেলা নিয়ে প্রতি ম্যাচেই প্রশ্ন থাকছে। কেউ না কেউ পারফরম্যান্স করে ম্যাচ বার করে দিচ্ছিলেন ঠিক, কিন্তু কঠিন প্রতিপক্ষের সামনে সেই চাল চলে না। তখন টি-টোয়েন্টি হোক বা টেস্ট, ক্রিকেট বুঝিয়ে দেয় এটা ওয়ান-ম্যান গেম নয়, টিম গেম। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা যেখানে একের পর এক মন্থর বল করছেন, তা খেলার জন্য কেন পরিকল্পনা থাকবে না ব্যাটারদের? অনুশীলনে ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকের কাজটা কী? আগের চারটি ম্যাচে ওপেনিং জুটি টিকতে পারেননি। মূলত অভিষেক শর্মার ব্যর্থতার জন্যই। এ দিন সেই তালিকায় নাম লেখালেন ঈশান কিশন। অভিষেকের বদলে তিনি স্ট্রাইক নিয়েছিলেন। চতুর্থ বলেই তাঁকে ফিরিয়ে দিলেন এডেন মার্করাম। অভিষেক কোনও মতে খোঁড়াতে খোঁড়াতে ১৫ রান করলেন। তবে যে বলে আউট হলেন তাতে শিক্ষানবিশ ক্রিকেটারও লজ্জা পাবেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচে ওপেনারেরা এ ভাবে ব্যর্থ হলে সাফল্যের আশা করা যায় না।

    কেন নেই অক্ষর প্যাটেল

    আমেদাবাদের পিচে কী ভাবে বোলিং করতে হয়, তা ভারতকে শিখিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। কেশব মহারাজের মতো বোলার যেখানে এক ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নিলেন, সেখানে ভারতের স্পিনারদের প্রাপ্তি মাত্র একটি উইকেট। বরুণ চক্রবর্তী ভারতের স্ট্রাইক বোলার। তিনি এমন বল করলেন যে লোকানো যাচ্ছিল না। শেষ ওভারে ডেভিড মিলারকে আউট করলেন ঠিকই। তত ক্ষণে মিলার যা ক্ষতি করার করে দিয়েছেন। আমেদাবাদের পিচে খেলে বড় হয়েছেন অক্ষর প্যাটেল। মাঠ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে নাদিয়াদে থাকেন। তিনি দলের সহ-অধিনায়কও বটে। তাঁকেই কি না এই ম্যাচ থেকে বাদ দেওয়া হল? যে কোনও দিন অলরাউন্ডার হিসেবে ওয়াশিংটনের থেকে অক্ষর এগিয়ে থাকবেন। তার উপর তাঁর ঘরের মাঠে দলের বাইরে অক্ষর। মাঠে বল হাতে থাকলে দক্ষিণ আফ্রিকার আরও ২০ রান হয়তো কমতে পারত। যে ২০ রানই ২০ ওভারের ক্রিকেটে মানসিক ফারাক গড়ে দেয়।

    সূর্যদের শেষ-চারের পথ

    এই পরাজয়ের পর ভারতের আর ভুলত্রুটির কোনও অবকাশ নেই। সুপার এইটে সব দলই তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। ভারতীয় দল নিজেদের পরের ম্যাচগুলি খেলবে জিম্বাবোয়ে (Zimbabwe) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের (West Indies) বিরুদ্ধে। ভারতীয় দলকে এই দুই ম্যাচে জিততে তো হবেই। পাশাপাশি টিম ইন্ডিয়াকে আশা করতে হবে প্রোটিয়া দলও যেন বাকি দুই প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে। তাহলে সেক্ষেত্রে দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ ১ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে টিম ইন্ডিয়া। তবে এর অন্যথা হলে? দক্ষিণ আফ্রিকা যদি জিম্বাবোয়ে বা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পরাজিত হয়, তাহলে সমস্যায় পড়বে ভারত।

    বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

    প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে এত বড় ব্যবধানে হারের ফলে ভারতের (India vs South Africa) নেট রান রেটও বেশ ধাক্কা খেয়েছে। এই হারে ভারতের নেট রান রেট নেমে গেছে মাইনাস ৩.৮০০-তে। সুপার এইটে এখন পরিস্থিতি জটিল। তাই ভারতীয় দলকে সেক্ষেত্রে নিজেদের ম্যাচ বড় ব্যবধানে জিততে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরাজয় শুধু পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাসেও ধাক্কা। তবে অধিনায়ক সূর্যকুমার পরিষ্কার জানিয়েছেন, এটা ঘাবড়ানোর নয়, ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। সূর্য বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্র্যান্ডের ক্রিকেটই খেলব। ব্যাট, বল, ফিল্ডিং—সব বিভাগেই উন্নতি করতে হবে। তারপর সময় বলবে।’

  • Mukul Roy Demise: প্রয়াত মুকুল রায়, কেন তাঁকে বলা হত ‘বাংলার রাজনীতির চাণক্য’?

    Mukul Roy Demise: প্রয়াত মুকুল রায়, কেন তাঁকে বলা হত ‘বাংলার রাজনীতির চাণক্য’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের মৃত্যুতে এক দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। রবিবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭১ বছর বয়সে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়ান কেবল একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং এমন এক রাজনৈতিক কৌশলবিদের অবসান, যিনি তিন দশক ধরে রাজ্যের ক্ষমতার সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলেছিলেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী থেকে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ কৌশলবিদ হয়ে ওঠেন এবং পরে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন মুকুল রায়।

    সংগঠক থেকে ক্ষমতার কুশীলব

    মুকুল রায়ের রাজনৈতিক উত্থান ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক বিস্তারের সঙ্গে। ১৯৯৮ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম হয়ে তিনি জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন এবং বামফ্রন্টের দীর্ঘ শাসনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত শক্ত করেন। তাঁর কৌশলগত দক্ষতার জন্যই তিনি “বাংলার রাজনীতির চাণক্য” নামে পরিচিত হন। জেলা স্তরে দলের সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করতে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। দলবদল করানো, জোট গঠন এবং ভোটের অঙ্ক কষায় তাঁর পারদর্শিতা ছিল অসাধারণ। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ও প্রশাসনিক পর্ব

    দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি তাঁকে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় স্তরে পরিচিতি দেয়। প্রথমে জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তবে এই সময় থেকেই তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে শুরু করে, যা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভাঙনের ভিত্তি তৈরি করে।

    বিজেপিতে যোগ ও বিরোধী শক্তির উত্থান

    ২০১৭ সালে তাঁর বিজেপিতে যোগদান রাজ্য রাজনীতিতে বড় মোড় আনে। এই সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে। তিনি বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হয়ে ওঠেন। রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করেন। তাঁর সংগঠন গড়ার অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো সম্পর্কে গভীর জ্ঞান বিজেপিকে দ্রুত শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এর ফল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে স্পষ্ট হয়, যখন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয়লাভ করে এবং তৃণমূলের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসে। এই সাফল্যের নেপথ্যে মুকুল রায়ের কৌশলগত ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রভাব হ্রাস ও তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপিতে তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব কমতে থাকে। সেবারের নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন মুকুল। তবে, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে বিরোধী দলনেতা হওয়ার এক মাসের মধ্যেই মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা আদর্শের চেয়ে প্রভাব ও অবস্থানের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল।

    অবসর ও অসুস্থতা

    শেষ কয়েক বছরে গুরুতর অসুস্থতা ও ডিমেনশিয়ার কারণে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে সরে যান। বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও শারীরিক অবনতিই তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়কে চিহ্নিত করে। মুকুল রায়কে মনে রাখা হবে একজন দক্ষ রাজনৈতিক কৌশলবিদ হিসেবে, যিনি তৃণমূলের উত্থান, বিজেপির বিস্তার এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির পরিবর্তনশীল চরিত্র—এই তিন পর্বেরই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ও নির্মাতা ছিলেন।

  • Daily Horoscope 23 February 2026: প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 February 2026: প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে বাধা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সখ পূরণ হবে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) সপরিবার ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা থেকে গ্রেফতার দুই জঙ্গির সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই (Pakistan ISI Bangladesh)-এর যোগ মিলেছে! পশ্চিমববঙ্গ যেন সন্ত্রাসীদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এক বড় সাফল্য পেয়েছে সন্ত্রাস দমনে। ভারতে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মোট আট সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলা থেকে ছ’জন এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীকে লক্ষ্য করে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস হল বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

    তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার (Pakistan ISI Bangladesh)

    তিরুপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া ছয় সন্দেহভাজন (Pakistan ISI Bangladesh) হল মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ সাইদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তাদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা তিরুপুরের পোশাক উৎপাদন কারখানায় কাজ করছিল এবং জাল আধার কার্ড ব্যবহার করে তাদের পরিচয় গোপন করেছিল। গোয়েন্দা তথ্য এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের ধারাবাহিক তদন্তের পর তাদের শনাক্ত করা গিয়েছে। সন্দেহজনক অনলাইন কার্যকলাপ এবং স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের ট্র্যাক করা সম্ভবপর হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আটজনকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে। অভিযানে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করেছে। ডিজিটাল মাধ্যম, একাধিক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র খোঁজ করে দেখা হচ্ছে। একই ভাবে অন্যান্য অপারেটিভদের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের ডিভাইসগুলি এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    দেশবিরোধী প্রচারণা এবং গোয়েন্দা তথ্যের লিঙ্ক

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজনরা পাকিস্তান-ভিত্তিক (Pakistan ISI Bangladesh) জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট পোস্ট করছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আরও সন্দেহ করা হচ্ছে মডিউলটি সংবেদনশীল স্থানগুলির তদারকিতে জড়িত ছিল। মেট্রো নেটওয়ার্কের অভ্যন্তর সহ দিল্লির একাধিক স্থানে উস্কানিমূলক পোস্টার লাগিয়েছিল।

    নয়াদিল্লিজুড়ে ১০টিরও বেশি স্থানে আজাদ কাশ্মীর পোস্টার দেখতে পাওয়ার পর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আঁচ করা গিয়েছে। প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে তদন্তকারীরা তামিলনাড়ুতে অবস্থিত অপারেটিভদের কাছে পৌঁছেছেন। এই দলটি বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল এবং সব রকম সহায়তা দিয়ে জঙ্গিদের সাহায্য করছিল।

    নতুন গোয়েন্দা তথ্যের পর দিল্লিতে সতর্কতা জারি

    লালকেল্লা এবং চাঁদনি চক এলাকার একটি মন্দির সহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলিতে লস্কর-ই-তৈবার (Pakistan ISI Bangladesh) সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Shivaji Jayanti: শিবাজির জন্মজয়ন্তীতে শোভাযাত্রায় হামলা কট্টর মুসলমানদের, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্য প্রদেশে ব্যাপক শোরগোল

    Shivaji Jayanti: শিবাজির জন্মজয়ন্তীতে শোভাযাত্রায় হামলা কট্টর মুসলমানদের, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্য প্রদেশে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, কর্ণাটকের বাগলকোটে শিবাজি জয়ন্তীর (Shivaji Jayanti) শোভাযাত্রায় পাথর ছোঁড়ার পর ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সময় ভক্তরা পুরাতন শহরের পাঙ্কা মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন,পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী থাকা শর্তেও আকস্মিক আক্রমণ করে মুসলিম ধর্মের স্থানীয় দুষ্কৃতীরা (Communal Incidents)। এরপর জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে লাঠিচার্জ করলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। হিন্দুদের উপর দেশ জুড়ে লাগাতার কট্টরপন্থীদের আগ্রাসন চলছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই চিত্রটা।

    মসজিদের কাছে পৌঁছানোর সঙ্গে পাথর বর্ষণ (Shivaji Jayanti)

    পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ গোয়েল বলেন,”আমরা সকলেই ঘটনাস্থলে (Shivaji Jayanti) উপস্থিত ছিলাম। গতকাল বিকেল ৩টা থেকে ৩ টা ৩০ নাগাদ মিছিলটি শুরু হয়েছিল। মসজিদের কাছে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দূর থেকে পাথর বর্ষণ হয়েছিল। একটি পাথরের আঘাতে একজন কনস্টেবলকে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। অন্যটি তাঁর কাঁধে পড়েছে। তবে কারও কোনও বড় আঘাত লাগেনি। এরপর, মিছিলটি সুষ্ঠুভাবে চলতে থাকে এবং পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকে।” গোলমালমালের (Communal Incidents) পর পুরো শহরে নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছিল।

    প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, “মিছিলটি অবশেষে তার নির্ধারিত পথে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মিছিলের জন্য যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেই এলাকাটি সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

    একই ভাবে পুলিশ সুপার বলেছেন, “আমরা মিছিলটিও রেকর্ড করেছি। আমরা ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করছি। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য শহরের অস্থির এলাকায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।” যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এখনও কোনও রকম গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।

    জারি ১৬৩ নম্বর ধারা

    ১৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাগলকোটের কিছু এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, এই বিধিনিষেধের ফলে জনসাধারণকে কোন স্থানে চারজনের বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রাণঘাতী অস্ত্র বহন, জন নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে এমন কার্যকলাপে অংশগ্রহণ এবং পূর্ব অনুমতি ছাড়া সমাবেশ, অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচির পরিকল্পনা করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো উত্তেজনা (Communal Incidents)  মোকাবেলা করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের নেতারাও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    অপরদিকে হায়দ্রাবাদের আম্বারপেটে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও একই রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে, পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। শিবাজি জয়ন্তী মিছিল (Shivaji Jayanti) একটি মসজিদের পাশের রাস্তা যাওয়ার মিছিলের সঙ্গীত এবং স্লোগান নিয়ে এলাকার মুসলিমদের সঙ্গে হিন্দু পক্ষের ব্যাপক তর্কবিতর্ক শুরু হয়। সেই সঙ্গে দুই পক্ষের সঙ্গে বাধে সংঘর্ষ। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। কোনও হতাহত বা হিংসার খবর পাওয়া যায়নি, তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জনসাধারণকে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

    জব্বলপুরের দুর্গা মন্দিরে হামলা

    অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর জেলার সিহোরায় একটি দুর্গা মন্দিরকে লক্ষ্য করে মুসলিম জনতা হামলা চালায়। সিহোরার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আজাদ চকে মন্দির এবং মসজিদটি একে অপরের বিপরীতে অবস্থিত। আরতির সময়, একদল মুসলিম নামাজের জন্য মসজিদে যান। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ হয় এবং হিংসার রূপ নেয়। উত্তেজিত মুসলিম জনতা মন্দিরের সামনের গ্রিলের উপর আক্রমণ শুরু করে এবং স্লোগান দিতে থাকে। পাথরও ছোঁড়া হয়। পরিস্থিতি ভীষণ ভাবে উত্তাল (Communal Incidents) হয়ে ওঠে। পাশের একটি ভবনের ছাদ থেকে পাথর ছোঁড়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতিশীলতা মোকাবেলায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ব্যবহার করা হয়েছিল। আশেপাশের স্থান থেকে আরও পুলিশকে তলব করা হয়েছিল। তবে, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল এবং ১৫ জনেরও বেশি অপরাধীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

    হিন্দু এবং তাদের ধর্মের ওপর আক্রমণ

    হিন্দু শোভাযাত্রা (Shivaji Jayanti), মন্দির এবং উপাসনালয়গুলি মুসলিম সম্প্রদায়ের উগ্রপন্থী সদস্যদের দ্বারা ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গত মাসে, ভারত এবং বাংলাদেশে সরস্বতী বিসর্জনের সময় ২৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। হিন্দু নির্যাতনের দীর্ঘস্থায়ী ইতিহাস রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। এই ঘটনাগুলি কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল, রাজ্য বা উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার পর পরিকল্পিত এই ধরনের আক্রমণ করা হয়। কট্টর মুসুলমানরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনও সুযোগ হাতছাড়া করেনি। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অধিকাংশ হিংসার ঘটনাই প্রকাশ্যেই আসে না। অনেক ঘটনাই অপ্রকাশিত বা অজ্ঞাত রয়ে গেছে। অন্যদিকে ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রে হিন্দুরা নীরবে নির্যাতন ভোগ করে। দুর্গাপূজা থেকে রাম নবমী এবং হনুমান জয়ন্তী পর্যন্ত ভক্ত এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার উপর পাথর ছোঁড়া (Communal Incidents) এবং হামলার বিবরণ ব্যাপক ভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কৌশল বদলে বদলে আক্রমণ হয়েছে হিন্দুদের উপর

    কৌশল পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু হিন্দুদের এবং তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য বছরের পর বছর ধরে একই রকম থেকে গিয়েছে। কট্টর মৌলবাদীরা হিন্দু মন্দিরগুলিকে অস্তিত্বহীন বিষয়গুলিকে সামনে রেখে আক্রমণ লুণ্ঠন করা হয়েছে। আগ্রাসন এবং রক্তপিপাসুতার কারণেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুরা বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশও তাদেরকেই অনুসরণ করছে। মুসলিম উগ্রপন্থীরা (Communal Incidents) ভারতকে লক্ষ করে একাধিক ষড়যন্ত্র করে করছে। মুসলিম মৌলবাদীদের মোকাবেলায় একটি সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ না করা এই সমস্যা আরও বাড়বে। ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিগুলিকে সরিয়ে নিজেদের অস্তিত্বকে বড় করে ভাবলেই হিন্দু সমাজ সুরক্ষিত থাকবে।

  • Naxals: ৩১ মার্চের মধ্যে আরও সক্রিয় নিরাপত্তা বাহিনী, নকশালদের স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে ধ্বংসকর্ম চলছে জোরকদমে

    Naxals: ৩১ মার্চের মধ্যে আরও সক্রিয় নিরাপত্তা বাহিনী, নকশালদের স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে ধ্বংসকর্ম চলছে জোরকদমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে নকশালমুক্ত ভারত গড়ার কেন্দ্রের লক্ষ্যের দিকে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে, নিরাপত্তা বাহিনী শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বীজাপুর জেলায় চারটি মাওবাদী (Naxals) স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে দিয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলি ফারসেগড় এবং তারেম থানা এলাকার অধীনে অবস্থিত ছিল, যেখানে সম্প্রতি বছরগুলিতে তীব্র মাওবাদী দমন অভিযান চালানো হয়েছে।

    মাওবাদীদের প্রতীক স্তম্ভগুলি

    চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ছত্তিশগড়ের বাস্তার অঞ্চল মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। তারা বিশাল অঞ্চলের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং শত শত স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছিল যা এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব এবং নিয়ন্ত্রণের প্রতিনিধিত্ব করত। বস্তার অঞ্চলের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি বলেন, “মাওবাদীদের স্মৃতিস্তম্ভ এবং প্রতীক অপসারণ মাওবাদের প্রভাবের অবসান ঘটাবে। এই এলাকার স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার, সুশাসন জোরদার এবং সমাজকে মূলধারায় একীভূত করার প্রক্রিয়া জোরদার করার জন্য এটি একটি সচেতন সিদ্ধান্ত। মাওবাদীদের (Naxals) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করার মধ্যে তাদের প্রতীক এবং মানসিক প্রভাব দূর করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আগে এই ধরনের স্মৃতিস্তম্ভগুলি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়, আধিপত্য এবং আদর্শকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মাওবাদীরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতো। তাদের অপসারণ স্পষ্ট বার্তা দেয় এই অঞ্চলে রাষ্ট্রের বৈধ কর্তৃত্ব এবং আইনের শাসন ক্রমাগতভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। ফলে মাওবাদী প্রভাব ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছে।”

    ইঁটের মধ্যে থাকা মাওবাদী আদর্শকে খতম

    সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (CRPF) ডিজি জিপি সিং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, “ইঁটের মধ্যে থাকা মাওবাদী আদর্শকে এক এক করে আমরা প্রতিটি রূপের প্রকাশকে ধ্বংস করে দেব।” এই মাসের গোড়ার দিকে, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ) সুকমা (Chhattisgarh) জেলার গোগুন্ডা গ্রামে সিপিআই (মাওবাদী) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাভুলা শ্রীনিবাস ওরফে রামান্নার একটি স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলে। ৭৪ তম ব্যাটালিয়নের সহকারী কমান্ড্যান্ট বলেন,  “এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী (Naxals) প্রভাবের অধীনে ছিল এবং আগে নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য আয়ত্তে ছিল না। ২০২৫ সালের নভেম্বরে একটি ফরোয়ার্ড অপারেটিং বেস স্থাপনের পর, বাহিনী সেখানে প্রবেশ করে এবং একটি যৌথ অভিযানে মাওবাদীদের সংগঠনকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ।

    অমিত শাহ আর ৪৪ দিন দিয়েছেন

    সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আবারও এই বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে নকশালবাদ নির্মূল করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কয়েক দশক ধরে চলে আসছে শত শত বেসামরিক নাগরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য খুন করেছে মাওবাদ। দিল্লি পুলিশের ৭৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখার সময় শাহ এই আশ্বাস দিয়েছেন। নকশালবাদ নির্মূল করার জন্য কেন্দ্রের সময়সীমা আগামী ৪৪ দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ৪৪টি নকশাল স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়েছে

    মাত্র কয়েকদিন আগে, বুধবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি জেলায় এক বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। গড়চিরোলি পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে জেলাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৪৪টি নকশাল-নির্মিত (Naxals) স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলে। এই অভিযানে ১৮টি দলের প্রায় ৮০০ জন সদস্য অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিল অভিজাত সি-৬০ নকশাল-বিরোধী বাহিনী, বোমা সনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণ স্কোয়াড এবং সিআরপিএফ। স্মৃতিস্তম্ভগুলি বনাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। বামপন্থী সন্ত্রাসীদের শক্ত ঘাঁটি, পেঙ্গুন্ডা, কাওয়ান্ডে এবং তুমারকোথির মতো এলাকায় ১৫টি পুলিশ পোস্ট এবং সাব-পোস্ট বাসানো হয়েছে। গডচিরোলি জেলার এটাপল্লিতে ১৮টি, হেদ্রিতে ১৭টি, ভামরাগড়ে পাঁচটি এবং জিমলাগট্ট, ধানোরা এবং পেন্ধারিতে আরও কয়েকটি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। পুলিশ সুপার নীলোৎপল জানিয়েছেন, মাওবাদী আন্দোলনের পরিকাঠামো ধ্বংস করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ভাঙন চালানো হয়েছে।  ক্রমাগত নিরাপত্তা অভিযানের কারণে এই অঞ্চলে মাওবাদী কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

    ১৫ দিনে ৫৩টি স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়েছে

    বিজাপুর (Chhattisgarh) এবং গড়চিরোলিতে মাও-ধ্বংস অভিযান একটি বৃহত্তর, যৌথ প্রচেষ্টার অংশ। গত ১৫ দিনেই, সিআরপিএফ ছত্তিশগড়ের সুকমা, বিজাপুর এবং বস্তারে ৫৩টি নকশাল স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি রায়পুরে অনুষ্ঠিত বামপন্থী চরমপন্থা সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশ অনুযায়ী এটি করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের সহায়তায় পরিচালিত লোকেশন ম্যাপিংয়ের সাহায্যে, নিরাপত্তা বাহিনী ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ এই ধরণের সমস্ত পরিকাঠামো (Naxals) ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এর পরে, জমিটি যাতে আশেপাশের বনের অংশে পরিণত হয় এবং মাওবাদী কার্যকলাপের কোনও চিহ্ন না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    এই অভিযানে সিআরপিএফ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে, অভ্যন্তরীণ গ্রামগুলিতে তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছে। সম্প্রতি ধ্বংস করা স্মৃতিস্তম্ভগুলির মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের মে মাসে নারায়ণপুরে সিপিআই (মাওবাদী) সাধারণ সম্পাদক নাম্বাল্লা কেশব রাও ওরফে বাসভরাজু এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গড়িয়াবন্দে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রামচন্দ্র প্রতাপ রেড্ডি ওরফে চালপথীর মৃত্যুর পরে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভগুলি।

    গত তিন বছরে, নিরাপত্তা বাহিনী শুধুমাত্র বাস্তারে ৫২০ জনেরও বেশি মাওবাদীকে হত্যা করেছে এবং ১০০ টিরও বেশি স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করেছে। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, প্রায় ৬০টি স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করা হয়েছিল। তবে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে, সংখ্যাটি ১১৩-এ পৌঁছেছে, যা তীব্র দমন-পীড়নের ইঙ্গিত দেয়।

    তেলেঙ্গনা সীমান্তের কাছে কোমাটপল্লি গ্রামে অবস্থিত ৬৪ ফুট উঁচু স্মৃতিস্তম্ভ, সবচেয়ে উঁচু স্তম্ভকে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ধ্বংস করা হয়। গ্রামটি একসময় বিশাল মাওবাদী সমাবেশের সাক্ষী ছিল। ২০২২ সালে ‘শহিদ সপ্তাহ’ সমাবেশও ছিল, যেখানে সিনিয়র মাওবাদী নেতা এবং পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির ব্যাটালিয়ন ১-এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। একসময় ওই এলাকাটি নিরাপত্তা বাহিনীর নাগালের বাইরে ছিল, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

    অপারেশন কাগার এবং নকশালমুক্ত ভারতের জন্য কেন্দ্রের উদ্যোগ

    ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া অপারেশন কাগারের আওতায় এই ধ্বংসযজ্ঞ একটি বৃহত্তর জাতীয় কৌশলের অংশ। কেন্দ্র  নকশালদের শক্ত ঘাঁটিগুলিতে মাওবাদী ক্যাডারদের সম্পূর্ণরূপে উৎপাটন করার জন্য অভিযান জোরদার করেছে। সরকার সামরিক অভিযানের মাধ্যমে মাওবাদী ক্যাডারদের নির্মূল করার দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে, যার সঙ্গে রাস্তা সম্প্রসারণ, পরিবহণ সুবিধা, জল, বিদ্যুৎ এবং সরকারের অন্যান্য কল্যাণমূলক প্রকল্প গ্রামবাসীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মতো উন্নয়নমুখী কাজও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    এই কৌশলের অংশ হিসেবে, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র (গড়চিরোলি), ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গনা থেকে নকশালবাদ নির্মূল করার জন্য এই অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের আওতায়, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF), এর অভিজাত কোবরা ইউনিট, জেলা রিজার্ভ গার্ডস DRG) এবং রাজ্য পুলিশ সহ প্রায় ১ লক্ষ আধা-সামরিক বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করে বামপন্থী সন্ত্রাসবাদ প্রভাবিত এলাকাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নকশাল সন্ত্রাসবাদের শেষ অবশিষ্ট ঘাঁটিগুলি থেকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা যায়।

    নকশাল-প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১০৬ থেকে নেমে ১৮

    কেন্দ্রের নকশাল-বিরোধী অভিযানের সাফল্য ব্যাপক। ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নকশাল-প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১০৬ থেকে কমে ১৮-এ নেমে এসেছে। এই জেলাগুলির মধ্যে ১২টি জেলাকে নকশালবাদ (Naxals) দ্বারা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত বলে মনে করা হত। তবে, এই সংখ্যা আরও কমে মাত্র ৬টি সবচেয়ে বেশি নকশাল-প্রভাবিত জেলায় দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর, কাঙ্কের, নারায়ণপুর এবং সুকমা, ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম এবং মহারাষ্ট্রের গধচিরোলি।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), বিহার সরকার ঘোষণা করেছে বিহার এখন নকশালমুক্ত। বিশিষ্ট মাওবাদী সুরেশ কোডা, যিনি মুস্তাকিম নামেও পরিচিত, যার বিরুদ্ধে ৩ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল, তার আত্মসমর্পণের পর বিহার মাওবাদী মুক্ত। একদিন আগে তিনি মুঙ্গের জেলা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এটি লক্ষণীয় যে, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুসারে, বামপন্থী চরমপন্থীদের (এলডব্লিউই) দ্বারা প্রভাবিত জেলার সংখ্যাও কমে সাতটিতে দাঁড়িয়েছে।

  • Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-আফগানিস্তান (Pakistan Afghanistan Clashes) সীমান্তবর্তী  এলাকায় হামলা চালাল পাক বিমান বাহিনী। তারা হামলা চালায় লোকালয়ে।  তার জেরে হতাহত হন বহু আফগান বেসামরিক লোক। যদিও ইসলামাবাদের দাবি, একাধিক আফগান তালিবান (Taliban) জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার জন্য তালিবান সরকারকে দায়ী করেছে পাক সেনা।

    নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা (Pakistan Afghanistan Clashes)

    আফগান (Pakistan Afghanistan Clashes) সরকারের মতে, এই হামলায়  বহু মানুষ  নিহত ও আহত হয়েছেন। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে বলেন, “গত রাতে, তারা নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে আমাদের বেসামরিক স্বদেশিদের ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে, নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করেছে।”

    পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সপ্তাহে রমজান শুরু হওয়ার পর থেকে তিনটি হামলার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তানি তালিবান (Taliban) এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির সাতটি সন্ত্রাসী শিবির এবং আস্তানা লক্ষ্য করে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচনী অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তান ইসলামিক স্টেট গ্রুপের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে – যারা সম্প্রতি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে ৩১ জন নিহত এবং ১৬০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল। ২০০৮ সালে ম্যারিয়ট হোটেলে বোমা হামলার পর এটি ছিল ইসলামাবাদে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলির মধ্যে একটি।”

    সাতটি জঙ্গি শিবিরে হামলা

    পাকিস্তানি (Pakistan Afghanistan Clashes) সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, আফগান তালিবান সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করার সত্ত্বেও, আফগান তালিবান সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। পাকিস্তান সব সময় এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।  পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে এফএকে এবং এর সহযোগী সংগঠন আইএসকেপি (ISKP)  সাতটি জঙ্গি শিবির এবং আস্তানাকে তথ্য-ভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালিয়েছে।

    ২০২১ সালে তালিবানরা কাবুলের নিয়ন্ত্রণ ও সম্পূর্ণ দখলের পর থেকে আফগানিস্তান-পাকিস্তানের মধ্যে তিক্ততা বেড়েই চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মারাত্মক সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়েছে। পাকিস্তান আফগানিস্তানের তালিবান (Taliban) সরকারকে জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া, আফগান মাটি ব্যবহার করা সহ একাধিক অবৈধ অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ করেছে। তবে কাবুলের তালিবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

  • T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের বিজয়রথ ছুটছে। সুপার এইট তো হল, এবার লক্ষ্য সেমিফাইনাল! ভারতীয় দল আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) চারটি ম্যাচের চারটিতেই জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সুপার এইটে উঠেছে। সেমিফাইনালের লক্ষ্যে সুপার এইটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন সূর্যরা। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বছর আগে বার্বাডোজে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত প্রোটিয়াদের হারিয়েই বিশ্বকাপ জিতেছিল। প্রোটিয়াদের সামনে মধুর প্রতিশোধের সুযোগ।

    লড়াই যেন আরও কঠিন

    গ্ৰুপ লিগে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছিল ভারত (India vs South Africa)। এবার লড়াই যেন আরও কঠিন। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া সে ভাবে কোনও দলই দাগ কাটতে পারেনি। এ বার লড়াই আলাদা। সুপার এইটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সূর্যকুমার যাদবের লক্ষ্য থাকবে তিন প্রতিপক্ষকে জয় করে তার অপ্রতিরোধ্য রথকে সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়া। তবে, এটা এত সহজ হবে না। তিনটি দলই শক্তিশালী, এবং এটি একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে। জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজও শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ খাড়া করে দেবে৷

    নেট রান-রেট গুরুত্বপূর্ণ

    টিম ইন্ডিয়া এই রাউন্ডে তাদের তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই জয়লাভ করে, তাহলে তারা সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। ভারত তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে গ্রুপের বাকি দলগুলির থেকে নেট রান রেট ভাল রাখতে হবে। শেষ চারে যাওয়ার জন্য প্রতিটি দলকে কমপক্ষে দুটি ম্যাচ জিততে হবে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভারতীয় দল এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচই জিতেছে এবং এই গ্রুপে তাদের নেট রান রেটই সেরা। ভারতের নেট রান রেট ২.৫ এর উপরে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই পয়েন্টেরও কম।

    কাঁটে কে টক্কর

    প্রোটিয়াদের সামনে বদলার চ্যালেঞ্জ, আর ভারতের সামনে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। সেই কারণেই রবিবারের এই ম্যাচে যে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা একবায়ে বলা যায়। গ্রুপ পর্বে দুই দলকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গিয়েছে। ভারত চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে। পর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাও সমান দাপট দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ‘সুপার–৮’–এ পৌঁছেছে। এর আগে আমেদাবাদের মাটিতেই নিজের তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে প্রোটিয়ারা। ফলত, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন মহারাজরা। অন্যদিকে একমাত্র নেদারল্যান্ডস ম্যাচ বাদ দিয়ে কোনও ম্যাচেই ‘কালো মাটি’র পিচ পায়নি ভারত।

    পরিসংখ্যানে কে কতটা এগিয়ে

    তবে পরিসংখ্যানের নিরিখে প্রোটিয়াদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে মোট ৭ ম্যাচে ৫ বার জিতেছে ভারত, ২ বার দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৬, সর্বনিম্ন ১১৮। অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ ১৭২, সর্বনিম্ন ১১৬ রান। এদিকে সামগ্রিকভাবে টি-২০ ক্রিকেটে দুই দলের মধ্যে ৩১টি ম্যাচ হয়েছে। সেখানে ভারত জিতেছে ১৮টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ১২টি, আর একটি ম্যাচের ফল হয়নি।

    স্পিন মন্ত্রেই সাফল্যের রসায়ন

    এই পিচে স্পিনের সাহায্য নিতে দেখা যেতে পারে দুই অধিনায়ককে। এমনিতেও স্পিন মন্ত্রে ভর করেই ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মাকে আউট করে চলেছেন বিপক্ষের খেলোয়াড়রা। তিন ম্যাচ খেলে ফেললেও অভিষেকের রানের খাতা খোলেনি। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় থাকবে ভারতীয় শিবির। শুক্রবার তাঁর সঙ্গে অনেকক্ষন আলোচনা করতে দেখা গেল কোচ গৌতম গম্ভীরকে। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল যতই বলুন, অভিষেককে নিয়ে দল চিন্তিত নয়,ভারতীয় দলকে দেখে সেটা মনে হওয়ার উপায় নেই। স্পিনের বিরুদ্ধেই আগামিকাল শুরু করবে দুই দল। একদিকে ভারতের হাতে রয়েছেন বরুন চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেলের মতো তারকারা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন কেশব মহারাজ, ট্রিস্টান স্টাব্সরা। ফলত, যতই রানের আশা করা যায়, ততই স্পিন জুজু যেন আঁকড়ে বসছে দুই দলকে।

    ভারতের চিন্তা অভিষেক

    অভিষেক শর্মা টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেও ফর্মের ভিত্তিতে অভিষেকের সঙ্গে কিষানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। স্যামসন ও অভিষেক— দু’জনই ২০২৪ সালে দারুণ ফর্মে ছিলেন। কিন্তু ২০২৫-এর শেষে স্যামসন বেঞ্চে চলে যান, আর অভিষেক বিশ্বের শীর্ষ র‌্যাঙ্কিং ব্যাটসম্যান হন। যদিও শুভমান গিলকে জায়গা দিতে স্যামসনকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অভিষেককে বিশ্রাম দেওয়ার মতো কারণ তখন ছিল না। ভারতের সহকারী কোচ মর্নে মর্কেল (Morne Morkel) অবশ্য জানিয়েছেন, অভিষেকের জায়গায় স্যামসনকে আনার কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি বলেন, ‘অভিষেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং ও খুব তাড়াতাড়িই ভালো খেলবে।’ শুধু অভিষেক নয়, ভারতের বড় চিন্তা ফিল্ডিংও। টানা ক্যাচ মিস করে চলেছে দল। ইতিমধ্যেই ভারত ফেলেছে মোট ৯ ক্যাচ। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেই ৩টি। যদি গ্ৰুপ পর্যায়ের মতো সুপার এইটেও ক্যাচ ফেলতে শুরু করে দল, কপালে দুর্ভোগ অপেক্ষা করবে ভারতের জন্য।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ

    অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান (উইকেটকিপার), তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী এবং জশপ্রীত বুমরা।

  • JP Nadda: স্বাস্থ্যে আত্মনির্ভরতার বড় পদক্ষেপ, দেশীয় টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন চালু নাড্ডার

    JP Nadda: স্বাস্থ্যে আত্মনির্ভরতার বড় পদক্ষেপ, দেশীয় টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন চালু নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও এক ধাপ। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে স্বনির্ভর দেশ। শনিবার হিমাচল প্রদেশের কাসৌলিতে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গবেষণগার (Central Research Institute) দেশীয়ভাবে প্রস্তুত টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া (টিডি) ভ্যাকসিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি একে ভারতের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্যখাতে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাড্ডা বলেন, “এই ভ্যাকসিনের সূচনা দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামো মজবুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এর বাস্তব রূপ

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টিডি ভ্যাকসিনকে দেশের ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রামের (Universal Immunization Programme) আওতায় সরবরাহ করা হবে। আগামী এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে সিআরআই প্রায় ৫৫ লক্ষ ডোজ সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে, যাতে সারা দেশে টিকাকরণ কর্মসূচি জোরদার করা যায়। নাড্ডা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও ওষুধ উৎপাদন ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের জন্য কেন্দ্র সরকার সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দেশীয় টিডি ভ্যাকসিন সেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ভাবনারই বাস্তব রূপ। নাড্ডা বলেন, ভারত আজ বিশ্বে ‘ফার্মেসি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে পরিচিত এবং বৈশ্বিকভাবে অন্যতম প্রধান ভ্যাকসিন উৎপাদক দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল বেঞ্চমার্কিংয়ে ভারত ‘ম্যাচুরিটি লেভেল ৩’ অর্জন করেছে, যা দেশের শক্তিশালী ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার প্রমাণ।

    স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতি

    অতীতের প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, একসময় টিটেনাস ভ্যাকসিন তৈরি হতে বহু দশক সময় লেগেছে। এমনকি জাপানিজ এনসেফালাইটিস ভ্যাকসিন আবিষ্কারেও দীর্ঘ গবেষণা প্রয়োজন হয়েছিল। তবে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ভারতের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাত্র নয় মাসে দেশ দুটি দেশীয় টিকা তৈরি করে এবং ২২০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগ করে, যার মধ্যে বুস্টার ডোজও ছিল। টিকাকরণ শংসাপত্র ডিজিটালভাবে প্রদান করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতির নিদর্শন। ‘ভ্যাকসিন মৈত্রী’ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে নাড্ডা জানান, ভারত প্রায় ১০০টি দেশে কোভিড টিকা সরবরাহ করেছে, যার মধ্যে ৪৮টি দেশকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সিআরআই-এর মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

  • Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত মৈত্রী বাস পরিষেবা, এবার আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা হয়ে আগরতলা ও কলকাতার (Agartala-Dhaka-Kolkata) মধ্যে পুনরায় চালু হতে চলেছে। এই পরিষেবা দুই দেশের মধ্যে যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। ২০২৪ সালে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে একটি স্থায়ী, গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পটভূমিতে মৈত্রী বাস পরিষেবা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে (Bangladesh)

    ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় বলেন, “দীর্ঘদিন পর, আগরতলা থেকে ঢাকা (Bangladesh) হয়ে কলকাতা পর্যন্ত মৈত্রী বাস (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে। আজ একটি সফল পরীক্ষামূলক পরিচালনা করা হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবাটি পুনরায় চালু হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বাস পরিষেবা মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার আগরতলা থেকে কলকাতা যাবে। আর কলকাতা থেকে আগরতলা পরিষেবা সোমবার, বুধবার এবং শনিবার দিন চলবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে।”

    তারেক রহমানের স্থিতিশীল সরকার

    ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা সহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত বিনিময় ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর, ভারতের সাথে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

    আগরতলার বাসিন্দারা আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতার কারণে এই রুটটি বন্ধ ছিল। গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে এই পরিষেবাটি স্থগিত করা হয়েছিল।

    মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share