Tag: Madhyom

Madhyom

  • ECI: সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে রাজ্যে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ গড়ছে কমিশন

    ECI: সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে রাজ্যে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ গড়ছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন (Bengal Polls 2026) করতে বদ্ধপরিকর জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। সেই জন্যই কোনওরকম অভাব-অভিযোগ এড়িয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল কমিশন। জমা পড়া প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য তৈরি করা হচ্ছে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ (Complaint Redressal Cell)। এই সেল যে খোলা হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।

    ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ (ECI)

    কমিশন সূত্রে খবর, সেল তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেলে প্রয়োজন ৯জন আধিকারিকের। যদিও আপাতত কমিশনের তিন আধিকারিক এবং ছ’জন মাইক্রো অবজারভার এই কাজ করবেন। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, এই ধরনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় কয়েক লাখ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হয়। সেই জন্যই নবান্নের কাছে প্রয়োজনে অতিরিক্ত আধিকারিক চেয়ে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে কমিশন। আপাতত অভিযোগ জানানো যাবে ১৯৫০-এই টোল ফ্রি নম্বরে। অভিযোগ জানানোর আট ঘণ্টার মধ্যেই তার নিষ্পত্তি করা হবে। এই নম্বরের পাশাপাশি কমিশনের ই-মেইল আইডি-ও জানিয়ে দেওয়া হবে আমজনতাকে। কোনও বুথ এলাকার কোথাও যদি কোনও ভোটারকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয় কিংবা ভয় দেখানো হয়, তাহলে সেই বুথে পুনর্নির্বাচন হবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল কমিশন।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা

    এদিকে, যে ৬০ লাখ ভোটারের নাম বিচারাধীন ছিল, তার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২৩ লাখ ৩০ হাজারের। নয়া যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের হবে, সেখানে থাকবে অ্যাডিশন এবং ডিলিশন। অ্যাডিশনে থাকবে যাঁদের নাম উঠবে, আর ডিলিশনে থাকবে তাঁদের নাম, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে (ECI)। এদিকে, বুধবারের মধ্যে রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন সব অবজারভার। এঁদের মধ্যে সাধারণ অবজারভার ২৯৪ জন, পুলিশ অবজারভার ৮৪ জন, এক্সপেন্ডিচার অবজারভার ১০০ জন। নির্ধারিত এলাকায় কাজও শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, বঙ্গে দু’দফায় হবে বিধানসভার ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, সেদিন ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলায়। শীঘ্রই ওই জেলাগুলি সফর করবেন (Free and Fare Polls) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জেলাওয়াড়ি ভোটের প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে, সেটাই খতিয়ে দেখবেন তিনি (ECI)।

     

  • Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালে নোটবন্দি নিয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই বক্তৃতা ব্যবহার করা হয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে (Dhurandhar: The Revenge)। ছবিতে এই আইকনিক মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো হয়েছে, যেখানে নোট বাতিল হওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে (PM Modi)। সেটি দর্শকদের স্মৃতিকে উসকে দেয়। ইতিমধ্যেই মোদি-ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ছবিতে ব্যবহার করার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করছেন।

    ইউজারের টুইট-বার্তা (Dhurandhar 2)

    সিনেমা হলে মোদিকে অভিনন্দন জানাতে দেখা যাওয়ায় এক ইউজার টুইট করেন, ধুরন্ধরে রণবীর সিংয়ের চেয়ে মোদিকে দেখে উচ্ছ্বসিত জনতা। আর এক উচ্ছ্বসিত ভক্তের মন্তব্য, “মোদিজি মেড এ ক্যামিও ইন ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ (Dhurandhar: The Revenge)। ইউ আর নট রেডি ফর দিস। এর পরেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ । এছাড়াও, ছবির প্রথমার্ধে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখানো হয়েছে, যেখানে তাঁর বিজয়-উদযাপনের ভাষণের একটি অংশ ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই দৃশ্যটি রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আশাবাদের পরিবেশ তুলে ধরে, যা সেই সময়কে চিহ্নিত করেছিল। তাঁর বক্তব্য ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায়, যা ছবির বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সংযোগকে আরও জোরালো করে তোলে। এই অন্তর্ভুক্তি কাহিনিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে এবং দর্শকদের বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটের কথা মনে করিয়ে দেয়, যার মধ্যে গল্পটি এগিয়ে চলে।

    পরিচালকের বক্তব্য

    আদিত্য ধর ছবিটির পরিচালক, ধুরন্ধর ২ (Dhurandhar 2) মুক্তির আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের স্পয়লার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি লেখেন, “আমরা ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জে আমাদের হৃদয় ঢেলে দিয়েছি, যাতে আপনি প্রতিটি মোড় ও প্রতিটি আবেগ ঠিক যেভাবে অনুভব করার কথা, সেভাবেই উপভোগ করতে পারেন।” আদিত্য জানান, এই সিনেমাটি হলে, অন্ধকারে, বন্ধু, পরিবার এবং এমনকি অপরিচিতদের সঙ্গে বসে দেখা উচিত। তিনি আরও বলেন, “এভাবেই সিনেমা উপভোগ করা উচিত, কোনও ফোনের ঝাপসা ছবিতে নয়।” এদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ধুরন্ধর ২-এর নন-হিন্দি সংস্করণ মুক্তিতে দেরি হওয়ায়, আদিত্য ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি জানান, যাঁদের শো বাতিল হয়েছে, তাঁরা রিফান্ড নিতে (PM Modi) পারবেন অথবা সাবটাইটেল-সহ হিন্দি সংস্করণটি দেখতে পারবেন (Dhurandhar 2)।

  • Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে প্রচারে নেমেই মমতাকে ২৫ হাজার ভোটে পরাজিত করার হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে প্রচারে নেমেই মমতাকে ২৫ হাজার ভোটে পরাজিত করার হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ এখন মধ্যগগনে। একদিকে যেমন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের জয়ের ব্যবধান বাড়াতে বদ্ধপরিকর, অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী হয়ে সরাসরি ময়দানে নেমেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য মমতাকে (Mamata Banerjee) এবার ২৫ হাজার ভোটে পরাজয়ের কথা ঘোষণা করেছেন। ২০২১ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আগেও একবার নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছিল বিজেপির কাছেই। এইবার ফের একবার সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু।

    তৃণমূলের রণকৌশল (Suvendu Adhikari)

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ওপর জোর দিচ্ছেন। তৃণমূল শিবিরের লক্ষ্য কেবল জয় নয়, বরং রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হয়ে বিরোধীদের বার্তা দেওয়া। দলের হেভিওয়েট নেতারা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরছেন। পাল্টা বিজেপি নির্বাচনের আড়াই মাস আগে থেকেই ওয়াররুম তৈরি এবং সংগঠনকে মজবুত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই লড়াইকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছেন। তিনি প্রতিটি কর্মিসভায় এবং পদযাত্রায় আক্রমণাত্মক মেজাজে শাসক দলকে বিঁধছেন। তাঁর দাবি, ভবানীপুরের মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন।

    কর্মসূচির বৈচিত্র্য

    বড় বড় জনসভার বদলে দুই পক্ষই এখন ছোট ছোট বৈঠক এবং ‘ডোর-টু-ডোর’ বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ভোটারদের ব্যক্তিগতভাবে প্রভাবিত করাই এখন এই কেন্দ্রের বিজেপির মূল লক্ষ্য। শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিটি পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে যেমন গেরুয়া শিবিরের উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে, তেমনি মমতার সমর্থনে স্লোগানে মুখর হয়ে থাকছে ভবানীপুরের অলিগলি। ভবানীপুরের এই নির্বাচন এখন আর কেবল একটি সাধারণ আসন দখলের লড়াই নেই; এটি কার্যত দুই বিবদমান রাজনৈতিক আদর্শের প্রেস্টিজ ফাইটে পরিণত হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বনাম তৃণমূলের এই দ্বৈরথ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

    সংঘাতের আবহ

    ভোটের প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন ভবানীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের প্রার্থীর সমর্থনে পদযাত্রা বা সভা করছেন, তখন বারবারই তাঁকে তৃণমূল সমর্থকদের (Mamata Banerjee) বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। প্রচার চলাকালীন দুই শিবিরের কর্মীদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ ও প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরের এই নির্বাচন কেবল একটি আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয়তার এক অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা কত, তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা কত, তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তিনি। মনোনয়ন জমা দেবেন। কিন্তু তার আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। মূলত পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ। নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ও বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ

    শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। এদিকে, একজন প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট হলফনামা অর্থাৎ ২৬ নম্বর ফর্ম জমা করতে হয়। সেখানে প্রার্থীকে তাঁর ব্যক্তিগত সমস্ত সঠিক তথ্য উল্লেখ করতে হয়। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। শুভেন্দুর অভিযোগ, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলার নির্দিষ্ট তথ্য দিচ্ছে না, ফলে এই হলফনামা পূরণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী দলনেতার একাধিক ক্ষেত্রে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন এফআইআর করা যাবে না।

    আইনি দিকটিও সুরক্ষিত রাখতে চান শুভেন্দু

    তবে পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সেই সুরক্ষাকবচ তুলে নেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, এ ধরনের অন্তর্বর্তী সুরক্ষা অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে না। যদিও একই সঙ্গে আদালত শুভেন্দুকে বড় স্বস্তি দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়, যা আদালতের মতে ভিত্তিহীন বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। এরই মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় তাঁর কনভয়ে হামলার ঘটনায় নতুন করে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই তিনি জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভোটের ময়দানে নামার পাশাপাশি আইনি দিকটিও সুরক্ষিত রাখতে চাইছেন তিনি।

  • BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পর এবার অসমেও প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। অসম বিধানসভার নির্বাচনও হওয়ার কথা এপ্রিলে। সেই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই প্রকাশ হয়েছে প্রার্থী তালিকা (Assam Assembly Polls 2026)।

    ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির (BJP)

    বৃহস্পতিবার মোট ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। তালিকায় বর্তমান মন্ত্রিসভার একাধিক প্রবীণ সদস্যকে রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ফের প্রার্থী হচ্ছেন জলুকবাড়ি থেকে। অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগকে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে গোলাঘাট কেন্দ্রে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দেমাজি কেন্দ্রের রানোজ পেগু, জাগিরোড কেন্দ্রের পীযূষ হাজারিকা এবং ঢেকিয়াজুলি কেন্দ্রের অশোক সিংহল। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা বর্তমান নগাঁও কেন্দ্রের সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈকে প্রার্থী করা হয়েছে দিসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরও এক নেতা ভূপেন কুমার বোড়কে। ভিপুরা কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে লড়বেন তিনি।

    শহরের আসনে বিশেষ জোর

    বিজেপি শহরের বিভিন্ন আসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। কামরূপ মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্টের সব প্রধান আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে জলুকবাড়ি, দিসপুর, গুয়াহাটি সেন্ট্রাল এবং নিউ গুয়াহাটি। এর মাধ্যমে শহুরে ভোটব্যাঙ্ককে শক্তিশালী করার কৌশল স্পষ্ট। উত্তর আসামের উচ্চ অসম অঞ্চলের দুলিয়াজান, তিনশুকিয়া, ডিগবয় এবং ডিব্রুগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মনোনীত করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। বরাক উপত্যকা অঞ্চলে শিলচর, করিমগঞ্জ উত্তর এবং হাইলাকান্দি আসনে সুপরিচিত স্থানীয় মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে (BJP)।

    মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি

    প্রথম দফার এই তালিকায় মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি সীমিত হলেও, উল্লেখযোগ্য। প্রথম তালিকায় ৬ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। একুশের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ৭ জন পদ্ম- মহিলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন মাধবী দাস, জ্যোৎস্না কলিতা, নিলীমা দেবী, অজন্তা নেগো, নিশো তেরাংপি এবং রূপালি লাংথাশা। তালিকায় (Assam Assembly Polls 2026) উপজাতীয় এবং সংরক্ষিত আসনগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বোকো-ছায়গাঁও, তামুলপুর, ধেমাজি, মাজুলি, কার্বিআংলং এবং ডিমা হাসাও জেলাগুলিও। প্রথম দফার এই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতা। অসম বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়াও ছিলেন ওই বৈঠকে (BJP)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের সূচনা করে দিল। এ রাজ্যে তারা ক্ষমতায় রয়েছে। সংগঠনগত শক্তি বাড়িয়ে এবং কৌশলগত অন্তর্ভুক্তির ওপর ভর করে রাজ্যে ক্ষমতার রশি ধরে রাখতে চায় পদ্মশিবির।

     

  • ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) বুধবার জানিয়েছে, আগামী চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন যাতে কোনো প্রকার হিংসা (Violence Free Assembly Polls), ভয়ের পরিবেশ না তৈরি হয় তা সুনিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। সেই সঙ্গে নির্বাচন যাতে প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে ২৫ লক্ষেরও বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন গত রবিবার পাঁচ রাজ্য— অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গ, ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ছয়টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। এই পাঁচটি অঞ্চলে একাধিক দফায় সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে কমিশন বিশাল সংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ভোট কর্মী সহ কর্মকর্তা নিযুক্ত করেছে।

    কোথায় কত কর্মী?

    • ● কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, মোতায়েন করা কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ পোলিং স্টাফ, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০,০০০ গণনা কর্মী, ৪৯,০০০ মাইক্রো অবজার্ভার অর্থাৎ অণু-পর্যবেক্ষক, ২১,০০০ সেক্টর অফিসার এবং গণনা কাজের জন্য আরও প্রায় ১৫,০০০ অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার (ECI)।
    • ● গ্রাউন্ড লেভেল স্তরে এই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সহায়তা করছেন ২.১৮ লক্ষেরও বেশি বুথ লেভেল অফিসার (BLO)। ভোটাররা ফোন কলের মাধ্যমে অথবা ‘ECINet’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের ‘Book-a-call to BLO’ ফিচারের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
    • ● এছাড়াও, জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং অফিসারদের স্তরে অভিযোগ বা জিজ্ঞাসা জানানোর জন্য এসটিডি কোড ‘+৯১ ১৯৫০’ নম্বরে একটি ডেডিকেটেড কল সেন্টার পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ২৮এ-এর বিধান অনুযায়ী মোতায়েন করা সমস্ত কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের ডেপুটেশনে থাকা বলে গণ্য করা হবে।”

    ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক

    • ● সম্পূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে তদারকি করতে কমিশন (ECI) ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। এই পর্যবেক্ষকরা সাধারণ নির্বাচন এবং উপ-নির্বাচন চলাকালীন মাঠে কমিশনের প্রতিনিধি (Violence Free Assembly Polls) হিসেবে কাজ করবেন।
    • ● এই দলে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক (General Observers), ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক (Expenditure Observers) রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কর্মী ইতিমধ্যে নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছে গেছেন।

    এই পর্যবেক্ষকরা তাদের যোগাযোগের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ শোনা ও তার সমাধান করার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

    কমিশনের চোখ-কান হয়ে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা

    পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করা কমিশনের কাছে অ্যাসিড-টেস্ট। যে কারণে, এরাজ্যের ওপর বাড়তি নজর রেখেছে কমিশন। ফলস্বরূপ, বৃহস্পতিবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের চোখ-কান হয়ে রাজ্যের ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা। কমিশন জানিয়েছে নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটকে কেন্দ্র করে সব মিলিয়ে ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ২৯৪ জন জেনারেল অবজারভার থাকছেন। রয়েছেন ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেই সঙ্গে আয়-ব্যয়ের জন্য হিসেব পর্যবেক্ষক থাকবে ১০০ জন। শুক্রবার থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা৷ এই সকল পর্যবেক্ষকের কাজ থাকবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ (Violence Free Assembly Polls) করা।

    স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ অবজার্ভার

    হিংসা কবলিত (Violence Free Assembly Polls) স্পর্শকাতর বিধানসভা এবং বুথে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মালদা, মুর্শিদবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন থেকে চারটি বিধানসভায় একজন করে পুলিশ অবজার্ভার থাকবেন। উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য থাকছে তিন জন এবং দক্ষিণ কলকাতা চারটি বিধানসাভ কেন্দ্রের জন্য দেওয়া হয়েছে একজন পুলিশ অবজার্ভার।

    প্রতি ৭০ জন ভোটারের এক জন নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI)

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য ২৫ লক্ষের বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে মোট যোগ্য ভোটারের সংখ্যা ১৭.৪ কোটির বেশি। এর অর্থ হলো, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় একজন করে নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI) নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সমস্ত কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, কমিশনের লক্ষ্য হল হিংসা (Violence Free Assembly Polls) ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রতিটি ভোটার কোনো ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

     

    ৪ মে ফলাফল ঘোষণা

    নির্বাচন কমিশন গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে দুই দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল, এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। সব রাজ্যে মোট ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। বুধবার থেকেই কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। সন্ত্রাস রুখতে কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর তা আরও একবার স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Indian Navy: হরমুজের সামনে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা, বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় টহল যুদ্ধজাহাজের

    Indian Navy: হরমুজের সামনে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা, বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় টহল যুদ্ধজাহাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ-জর্জরিত পশ্চিম এশিয়া। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাত-এর প্রেক্ষিতে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। এই আবহে ভারত সরকার দেশের জ্বালানি বহনকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) আরও যুদ্ধজাহাজ ওই অঞ্চলে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, গালফ অফ ওমান অঞ্চলে বর্তমানে থাকা তিনটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে আরও কয়েকটি জাহাজ যোগ করা হবে। এতে করে প্রণালীর পূর্ব দিকে মোট যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ছয় থেকে সাতটিতে পৌঁছাতে পারে।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ

    এই সপ্তাহের শুরুতেই একটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহ বন্দর থেকে রওনা হওয়া। এটি ভারতীয় পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে ভারতের পশ্চিম উপকূলে পৌঁছে দেয়। এর আগে, “শিবালিক” এবং “নন্দা দেবী” নামের দুইটি এলপিজি বাহক জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রায় ২২টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ প্রণালীর পশ্চিমে আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে হয়, ফলে এর নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর অপারেশন সঙ্কল্প

    এই অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনীর উপস্থিতি অপারেশন সঙ্কল্প (Operation Sankalp)-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, যা ২০১৯ সাল থেকে চালু রয়েছে। এর লক্ষ্য ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে আস্থা বজায় রাখা। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের অক্টোবর থেকে গাল্ফ অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনী নিয়মিত জলদস্যু বিরোধী টহল চালিয়ে যাচ্ছে, যা সমুদ্রপথে ভারতের বাণিজ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    ভারতের বন্দরে পৌঁছেছে তৃতীয় জাহাজ

    কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও বিরাট সাফল্য পেয়েছে ভারত। গত তিনদিনে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের বন্দরে পৌঁছেছে তৃতীয় জাহাজ। সোমবার এবং মঙ্গলবার এলপিজি বোঝাই জাহাজ এসে পৌঁছেছিল ভারতে। জানা গিয়েছে, বুধবার আশি হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি অশোধিত তেল নিয়ে গুজরাটে পৌঁছে গিয়েছে ভারতের জাহাজ ‘‘জাগ লড়কি’’। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে এসেছে জাহাজটি। গত শনিবার আমিরশাহীর ফুজাইরা বন্দর থেকে তেল বোঝাই করা হচ্ছিল ভারতীয় জাহাজটিতে। সেসময়েই বন্দরটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। হামলা সামলে তেল বোঝাই জাহাজ আমিরশাহীর বন্দর ছাড়ে রবিবার। কিন্তু হরমুজ প্রণালী পেরনোর সময়ে সাময়িক ভাবে আটকে পড়ে জাহাজটি। অবশেষে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের মুন্দ্রা বন্দরে এসেছে জাগ লড়কি। অন্তত ৮০ হাজার ৮৮৬ মেট্রিক টন অশোধিত তেল রয়েছে এই জাহাজে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ জাহাজটি নিরাপদে মুন্দ্রায় এসে পৌঁছেছে।

    হরমুজ প্রণালীতে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    পশ্চিম এশিয়ার উপকণ্ঠে হরমুজ প্রণালীতে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও। তবে নৌবাহিনীকে কী ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা কোন জাহাজ পাহারা দিচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু খোলসা করতে চাননি। হরমুজের পশ্চিম প্রান্তে আটকে থাকা ২২টি ভারতীয় জাহাজের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রক। দেশে এলপিজি মজুত এবং জোগানের পরিস্থিতিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বুধবার কেন্দ্রের জাহাজ মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক এবং পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে যৌথ ভাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সেখানেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিজ নিজ মন্ত্রকের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন প্রতিনিধিরা।

    ২২টি জাহাজে ৬১১ জন ভারতীয়

    ইরানে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্রদের সাহায্যে তৎপর হয়েছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। আর্মেনিয়া বা আজারবাইজানের সীমান্ত পেরিয়ে স্থলপথে ওই দেশ ছাড়তে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের। দূতাবাস এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে। কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিন্‌হা। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালীর পশ্চিম প্রান্তে আটকে থাকা ২২টি জাহাজে ৬১১ জন ভারতীয় আছেন। তাঁরা সকলে সুরক্ষিত। নতুন করে কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম এশিয়া থেকে জলপথে ২৫ জন ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছে। কন্ট্রোল রুমে এসেছে ১২৫টি ফোন এবং ৪৫০টি ইমেল।

     দেশে এলপিজি-র জোগান নিয়ে উদ্বেগ

    পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে দেশে এলপিজি-র জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এখনও গ্যাসের ডিলারদের অফিসের সামনে লম্বা লাইন পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বিশেষ সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। যদিও অনলাইন বুকিং পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ৯৩ শতাংশ বুকিং এখন অনলাইনে হচ্ছে। কিন্তু অনেক ডিলারের কাছে এখনও লম্বা লাইন পড়ছে। গ্রাহকদের কাছে আমাদের অনুরোধ, বুকিংয়ের পর একটু অপেক্ষা করুন। সিলিন্ডার ঠিক পৌঁছে যাবে।’’ যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও দেশে পেট্রল বা ডিজেলের দাম বাড়েনি, জানিয়েছেন সুজাতা। বিমান চলাচলের জন্যেও পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে কেন্দ্রের অবস্থান— আগে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো হবে এবং তার পর বাইরে পাঠানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা হবে।

  • Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সারকে চুনারিয়া’ (Sarke Chunariya)গানটি নিষিদ্ধ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের বক্তব্য, গানটির (Nora Fatehi) কথা ও দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল জনমানসে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-কে গানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কী জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Nora Fatehi)

    সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গানটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভারতে বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়। সব ধরনের মতপ্রকাশই করতে হবে সংবিধান নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই। গানটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “সংবিধান প্রণেতারা বাক্‌স্বাধীনতার ওপর যে যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন, তা আমাদের মেনে চলা উচিত।”

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না’

    সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এখানে শৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না। একে সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বিষয়গুলির প্রেক্ষিতে, সমাজের সুরক্ষা, শিশুদের সুরক্ষা, নারীদের সুরক্ষা এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন, সরকার তা করতে প্রস্তুত।”

    অশ্লীলতা প্রচারের অভিযোগ

    গানটি রিলিজ হওয়ার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ, গানটিতে অশ্লীলতা প্রচার করা হয়েছে, মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার জেরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে (Nora Fatehi)। এর পরেই গানটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দায়ের করা হয় এফআইআর-ও। গানটি সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অভিযোগও জমা পড়ে, যা নিয়ে সংসদেও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গানটির সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা ও কর্নাটকের মহিলা কমিশন, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রবি কিষান এবং কঙ্গনা রানাউত এবং গায়ক আরমান মালিকও। তাঁরা সবাই গানের কথাকে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করেন। গানটির বিষয়বস্তুও অশালীন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এই অভিযোগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কাছে একটি আইনি আবেদনও (Sarke Chunariya) জমা দেওয়া হয়। তাতে গানটির ওপর দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং অপসারণের দাবিও জানানো হয় (Nora Fatehi)।

  • Chaitra Navratri 2026: আজ থেকে শুরু হল চৈত্র নবরাত্রি, ন’দিনে ন’টি রূপে পূজিত হন দেবী দুর্গা

    Chaitra Navratri 2026: আজ থেকে শুরু হল চৈত্র নবরাত্রি, ন’দিনে ন’টি রূপে পূজিত হন দেবী দুর্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ (বাংলায় ৪ চৈত্র, ১৪৩২) থেকে শুরু হল চৈত্র নবরাত্রি (Chaitra Navratri 2026)। এদিন থেকে হিন্দু নববর্ষেরও সূচনা হয়। এবছর চৈত্র মাসের নবরাত্রি ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২৭ মার্চ রামনবমীর (Ramnavami) সঙ্গে। এই নয় দিন ধরে মা দুর্গার নয়টি রূপের পুজো করা হয়। শারদীয়া দুর্গোৎসবের জাঁকজমক এখন বিশ্বজনীন হলেও, শাস্ত্র মতে বাঙালির আদি পুজো কিন্তু এই বাসন্তী পুজোই। রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি প্রথম চৈত্র মাসেই মৃন্ময়ী রূপে চিন্ময়ীর আরাধনা করেছিলেন। চৈত্র মাসের দুর্গাপুজো বসন্তকালে হয় বলে একে বাসন্তীপুজোও (Basanti Puja) বলা হয়। তবে এই দিনগুলোর মধ্যে মহাঅষ্টমী এবং মহানবমী সবচেয়ে বিশেষ বলে মনে করা হয়। বাংলায় বাসন্তী পুজো তিনদিন ধরে হলেও, মহাষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ অন্নপূর্ণা পুজো (Annapurna Puja)। চৈত্রের এই নবরাত্রির নবম দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভগবান শ্রীরাম। সেই থেকে এই দিনটি রামনবমী হিসেবে খ্যাত। ফলে, নবরাত্রির দিনগুলোতে বাংলা সহ দেশজুড়ে থাকে উৎসবের আসর।

    নবরাত্রির কোন দিনে কী পুজো

    শারদীয়া নবরাত্রিই হোক কিংবা চৈত্র নবরাত্রি এই দুই পর্বেই আদ্যাশক্তির বিভিন্ন রূপের পুজো হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র নবরাত্রিতে (Chaitra Navratri 2026) নিয়মনিষ্ঠা মেনে যাঁরা দেবীর ন’টি রূপের পুজো করেন, তাঁরা যা চান, দেবী তাঁদের মনস্কামনা পূরণ করেন।

    প্রতিপদে মাতা শৈলপুত্রীর পুজো – ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার

    নবরাত্রির প্রথম দিনে মাতা শৈলপুত্রীর পুজো করা হয়। দেবীর নামের অর্থ “পাহাড়ের কন্যা”। তাঁর ভক্তদের বিশ্বাস-মাতা শৈলপুত্রীর আশীর্বাদ স্বরূপ সুস্থ, রোগমুক্ত জীবন পাওয়া যায়। মাতার নৈবেদ্যতে খাঁটি ঘি অর্পণ করা হয়। এই দেবীর আরাধনায় মূলাধার চক্র শুদ্ধ হয়।

    দ্বিতীয়ায় মাতা ব্রহ্মচারিণীর পুজো – ২০ মার্চ, শুক্রবার

    নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2026) দ্বিতীয় দিনে এই দেবীর পুজো হয়। ব্রহ্মচারিণী মাতাকে খুশি করতে ভক্তরা চিনি নিবেদন করে থাকেন। বিশ্বাস মতে, মাতা তাঁর ভক্তদের দীর্ঘায়ু প্রদান করেন। এই দেবীর উপাসনার দ্বারা সাধিস্তান চক্র শুদ্ধ হয় হয় বলে ভক্তরা মনে করে।

    তৃতীয়ায় মাতা চন্দ্রঘণ্টার পুজো – ২১ মার্চ, শনিবার

    তৃতীয় দিনে মাতা চন্দ্রঘণ্টার প্রতি ভক্তি নিবেদন করা হয়। এই দেবীর বাহন বাঘ। উগ্র মূর্তি এই দেবীকে ক্ষীর ভোগ অর্পণ করেন ভক্তরা। ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং যাবতীয় বাধা বিঘ্ন দূর করেন।

    চতুর্থীতে মাতা কুষ্মাণ্ডার পুজো- ২২ মার্চ, রবিবার

    চতুর্থ দিনে মাতা কুষ্মান্ডার প্রতি ভক্তি নিবেদিত হয়‌। শাস্ত্র মতে, এই দেবী মহাবিশ্বের স্রষ্টা। তিনি তাঁর ভক্তদের জ্ঞানদানের দ্বারা বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটান এবং কর্মক্ষেত্রে জটিলতা দূর করেন। দেবীকে মালপোয়া ভোগ অর্পণ করা হয়।

    পঞ্চমীতে মাতা স্কন্ধমাতার পুজো- ২৩ মার্চ, সোমবার

    নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2026) পঞ্চম দিনে মাতা স্কন্দমাতার আরাধনা করেন ভক্তরা। ভগবান কার্তিককে কোলে নিয়ে উপবিষ্ট এই দেবীর আশীর্বাদ পেতে ভক্তরা কলা নিবেদন করেন। দেবীর আশীর্বাদে ভক্তের জীবনে পরম সুখ ও শান্তি আসে বলে বিশ্বাস।

    ষষ্ঠীতে মাতা কাত্যায়নীর পুজো- ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার

    ঋষি কাত্যায়নের কন্যা, শক্তির প্রতীক তথা যোদ্ধা দেবী কাত্যায়নী মাতার পুজো নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে সম্পন্ন হয়। ভক্তদের তিনি শক্তি, ধর্ম ও জাগতিক সুখ প্রদান করেন বলে বিশ্বাস। তাঁকে ভক্তদের মধু নিবেদনের রীতি চালু রয়েছে।

    সপ্তমীতে মাতা কালরাত্রির পুজো- ২৫ মার্চ, বুধবার

    সপ্তমী পুজো হয় মাতা কালরাত্রি দেবীর। দেবী ত্রিশূলধারী। মাতা কালরাত্রির আশীর্বাদে জীবনের সমস্ত কুপ্রভাব বিনষ্ট হয় বলে ভক্তদের ধারণা। মাতাকে গুড় নিবেদন করা হয়।

    অষ্টমীতে মাতা মহাগৌরীর পুজো- ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার

    উজ্জ্বল সৌন্দর্যের প্রতীক মহাগৌরী দেবী অষ্টমীতে ভক্তদের দ্বারা আরাধিত হন। মাতা মহাগৌরীর একহাতে ত্রিশূল ও অপর হাতে ডমরু থাকে। তাঁর নৈবেদ্যতে নারকেল রাখার রীতি রয়েছে। বিশ্বাস রয়েছে, মাতার আশীর্বাদ স্বরূপ ভক্তদের ভালো বিবাহ হয়।

    নবমীতে মাতা সিদ্ধিদাত্রীর পুজো- ২৭ মার্চ, শুক্রবার

    নবরাত্রির শেষদিনে পুজো হয় এই দেবীর। তিনি ভক্তদের জীবনে সমস্ত অশুভ প্রভাব বিনষ্ট করেন এবং সাফল্য আনেন বলে ভক্তদের ধারণা। মাতা সিদ্ধিদাত্রীকে ভক্তরা তিল নিবেদন করে থাকেন।

    বাসন্তী পুজো কবে পড়ছে

    এদিকে, এই নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2026) সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত সময়ে বাংলার বহু এলাকায় বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) পালিত হয়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, এই বাসন্তী পুজোর তারিখ ও সময়কাল – বাসন্তীপুজোর ষষ্ঠী ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার। বাসন্তীপুজোর নিয়মকানুন সব দুর্গাপুজোর মতো হলেও, এই পুজোয় দেবীর বোধন হয় না। সপ্তমীর পুজো ২৫ মার্চ, বুধবার। অষ্টমীর পুজো ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার। অষ্টমী তিথি শুরু হচ্ছে ২৫ মার্চ দুপুর ১টা ৫১ মিনিটে এবং শেষ হবে ২৬ মার্চ সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে। বাসন্তী পুজোর নবমী ২৭ মার্চ, শুক্রবার পড়েছে। ২৬ মার্চ সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটের পর নবমী তিথি শুরু হয়ে যাবে, যা ২৭ মার্চ সকাল ১০টা ৮ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। বাসন্তী বিজয়া দশমী ২৮ মার্চ শনিবার।

    অন্নপূর্ণা পুজো কবে

    চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হয় অন্নপূর্ণা পুজো (Annapurna Puja)। এবছর অন্নপূর্ণা পুজো পড়েছে ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে এই পুজোটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মা অন্নপূর্ণা হলেন অন্ন ও পুষ্টির অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাঁর কৃপায় সংসারে কোনওদিন খাবারের অভাব হয় না—এমনই বিশ্বাস ভক্তদের হৃদয়ে। দেবী অন্নপূর্ণা হলেন প্রকৃতি মার রূপ যিনি সমস্ত জীবকে লালন-পালন করেন। বিশ্বাস করা হয় যে কাশীতে, ভগবান শিব দেবী পার্বতীর কাছ থেকে ভিক্ষার পাত্রে খাবার গ্রহণ করেছিলেন। দেবী অন্নপূর্ণা আমাদের লালন-পালন করেন এবং আত্ম-উপলব্ধির জন্য প্রস্তুত করেন। অন্নপূর্ণা পুজো সকল জীবের কল্যাণের জন্য করা হয়।

  • SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে শুক্রবারই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ নামের নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার দিনে প্রায় দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে মোট ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ‘বিবেচনাধীন’ নাম। হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে।

    আজই উচ্চ-পর্যায়ে বৈঠক

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বৈঠকে ডাকলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠক ডাকা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোথাও আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, বৈঠকে জানতে চাইতে পারেন প্রধান বিচারপতি। উল্লেখ্য, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদল আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে যাতে কোনও উত্তেজনা না তৈরি হয়, সে দিকেই এখন নজর আদালতের।

    সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি!

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ভোটের আগে যদি সমস্ত বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি না হয়, ঝুলে থাকা ভোটারদের কী হবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টকে এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। তবে সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি করে ফেলতে চান বিচারকেরা। এর পরেও যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন।

    দ্রুত গতিতে কাজ করছে কমিশন

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার প্রয়োজন। তা তৈরি করার পর আদালতের ছাড়পত্র নিতে হবে। সেই সফ্‌টঅয়্যারের কাজ চলছে। শেষ হলেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া যাবে। এর মধ্যে প্রতি দিনই ‘বিবেচনাধীন’ নাম নিষ্পত্তির কাজ করে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ও বিচারকেরা। যে দিন কমিশন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে, সে দিন পর্যন্ত যত নামের নিষ্পত্তি হবে, সব নাম ওই তালিকায় রাখা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় ছিল। কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে ফের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর নাম যাতে আগে নিষ্পত্তি করা হয়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে তিনি সেই আবেদন জানিয়েছিলেন। বুধবার সিইও দফতর খোঁজ নিয়ে জানিয়েছে, মন্ত্রীর নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ 

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর সেই তালিকায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীনের তালিকায় রয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরনোর পর কেটে গিয়েছে ২ সপ্তাহের বেশি। বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই নিয়ে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বললেন, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা তা প্রকাশ করতে পারব। যে সব নামের নিষ্পত্তি হয়েছে, সেগুলি এক-দু’দিনের মধ্যে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এখন যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে শুক্রবার কিংবা শনিবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বেরিয়ে যাওয়ার কথা।”

    ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অন্য দিকে, ভোটের কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এ ছাড়া থাকছেন ৮৪ জন পুলিশ অবজার্ভার এবং ১০০ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন বুধবার থেকেই। কমিশন জানিয়েছে, শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নয়, বুথ সংলগ্ন এলাকাতেও ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বাংলায় হিংসামুক্ত, রক্তপাতহীন, স্বচ্ছ ভোট করাই লক্ষ্য। তাই অতীতে ভোটের হিংসা যেখানে বেশি হয়েছে এবং স্পর্শকাতর অশান্তিপ্রবণ জেলাগুলিতেই বেশি করে পুলিশ অবজ়ার্ভার নিয়োগের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা হয়। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। শুধু অশান্তি নয়, কমিশন ভোটকে সামনে রেখে টাকা, মদ–মাদক সমেত বিভিন্ন ধরনের উপহার দেওয়ার খেলা বন্ধ করতেও বদ্ধপরিকর।

LinkedIn
Share