Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ajit Pawar: ‘‘জনগণের সেবায় সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা নিতেন’’, অজিতের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Ajit Pawar: ‘‘জনগণের সেবায় সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা নিতেন’’, অজিতের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে তিনি ‘অজিত দাদা’ নামেই পরিচিত। শরদ পাওয়ারের ভাইপো হলেও মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নিজের পরিচিতি ব্যাপক ভাবেই গড়ে তুলেছিলেন অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মোট ৬ বার। বুধবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ভেঙে পড়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইট। অজিত পাওয়ার সহ কোনও যাত্রীই বেঁচে নেই। ডিজিসিএ জানিয়েছে, পুণে জেলা ও বারামতী অঞ্চলের উপর দিয়ে উড়ানের সময় অত্যন্ত ঘন কুয়াশার মুখে পড়ে বিমানটি, যার ফলে ফ্লাইটের শেষ পর্যায়ে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। মহারাষ্ট্রের বরামতীর কাছে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করছিলেন পাইলট, যাতে বাঁচানো যায়, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ভেঙে পড়ার পরেই মুহূর্তে আগুন ধরে যায় বিমানে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    ডিজিসিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বারামতীর কাছে পাহাড়ি ভূখণ্ডের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি পথ হারিয়ে ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি পাথুরে এলাকায় আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনাটি ঘটে সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিটে, মুম্বই থেকে উড়ানের প্রায় এক ঘণ্টা পর। ঘটনার তদন্তে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) একটি বিস্তারিত অনুসন্ধান শুরু করেছে। ডিজিসিএ-র সিনিয়র আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দুর্ঘটনাস্থলে ধ্বংসাবশেষের বিস্তার বিশ্লেষণ করা হবে। ধ্বংসাবশেষের অবস্থান নথিভুক্ত ও ছবি তোলা হবে, যাতে আঘাতের সময় বিমানের গতি, দিক এবং কোণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

    বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে তদন্ত

    এছাড়াও বিমানটির ব্ল্যাক বক্স—যার মধ্যে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার রয়েছে—উদ্ধার করে বিশ্লেষণ করা হবে। এই যন্ত্রগুলি থেকে বিমানের অবস্থান এবং দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তগুলোতে পাইলটদের পদক্ষেপ ও কথোপকথন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা ককপিট রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে হওয়া যোগাযোগও খতিয়ে দেখবেন, কোনও সতর্কবার্তা বা নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কি না তা জানার জন্য। একই সঙ্গে উড়ানের আগে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করে দেখা হবে, বিমানটি নিরাপদ ও সমস্ত নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলেছিল কি না। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও কম দৃশ্যমানতায়, বিশেষ করে দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

    দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি ছিল ভিএসআর ভেঞ্চারস-এর

    দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি ছিল ভিএসআর ভেঞ্চারস প্রাইভেট লিমিটেডের মালিকানাধীন একটি লিয়ারজেট  মডেল ৪৫। এটি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম নন-শিডিউল বিমান পরিচালনাকারী সংস্থা। লিয়ারজেট একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন, সুপার-লাইট বিজনেস জেট, যা তার গতি, জ্বালানি সাশ্রয় এবং উচ্চ-উচ্চতায় উড়ানের জন্য সুপরিচিত। এর ডানার বিস্তার ৪৭ ফুট এবং সর্বোচ্চ ওজন ৯,৭৫২ কেজি। লিয়ারজেট ৪৫ মডেল-এর এই বিমানে করে মহারাষ্ট্রের বরামতীতে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। অজিত পাওয়ার ছাড়াও মৃত্যু হয়েছে দুই পাইলট ও পাওয়ারের দুই নিরাপত্তারক্ষীর। লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান অতীতেও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। জানা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিশাখাপত্তনম থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে উড়ানের সময়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল একটি লিয়ারজেট ৪৫ বিমান। সেটিতেও অবতরণের সময়েই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। এই মডেলের বিমানগুলিতে দু’টি ইঞ্জিন থাকে। সাধারণত এই বিজনেস জেট বিভিন্ন কর্পোরেট এবং ভিআইপি-দের সফরের জন্য ব্যবহৃত হয়। মাঝারি মাপের এই বিমানটি স্বল্প এবং মাঝারি দূরত্বের উড়ানের জন্য উপযুক্ত। মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে ভেঙে পড়া এই লিয়ারজেট ৪৫ বিমানটি পরিচালনা করছিল ‘ভিএসআর ভেঞ্চার্‌স’ নামে এক সংস্থা। সেই ‘ভিএসআর ভেঞ্চার্‌স’-এর বিমান দুর্ঘটনাতেই এবার মৃত্যু হল মহরাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিতের।

    অজিতের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    অজিতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অজিতের উত্থান এবং রাজনৈতিক দক্ষতার কথা স্মরণ করে একটি এক্স পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, সমাজের তৃণমূল স্তরের সঙ্গে অজিতের দৃঢ় যোগাযোগ ছিল। মহারাষ্ট্রের জনগণের সেবায় সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা নিতেন তিনি। পরিশ্রমী এবং সর্বজন সম্মানিত অজিতের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। মোদির কথায়, ‘‘প্রশাসনিক বিষয়ে তাঁর (অজিত) বোধগম্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি, গরিব এবং নিপীড়িতদের ক্ষমতায়নের প্রতি তাঁর আবেগও ছিল চোখে পড়ার মতো।’’ দুর্ঘটনায় নিহত অন্যান্যদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী। শাহ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং — সকলেই শোকপ্রকাশ করেছেন। অজিতের মৃত্যুতে তিনি বিধ্বস্ত, এমনই জানিয়েছেন শরদ পাওয়ারের কন্যা অজিতের বোন সুপ্রিয়া সুলে।

    শোকবার্তা ভারতীয় ক্রিকেটারদের

    অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই মহারাষ্ট্র সহ গোটা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকর থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে, অনেকেই শোক জ্ঞাপন করেছেন। শচিন তিনি লিখেছেন, মহারাষ্ট্র আজ একজন সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতাকে হারাল। এই রাজ্যের জন্য তিনি যথেষ্ট কাজ করেছেন। এই কঠিন সময়ে ওঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহানে লিখেছেন, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার দাদার মৃত্যুকে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ওঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।

    বারামতীতেই রাজনৈতিক জীবনের শুরু

    যে বারামতীতে আজ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এনসিপি নেতা, সেখানেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি অজিতের। মাত্র ২৩ বছর বয়সেই বরামতীতে চিনির কারখানায় কোঅপারেটিভ বোর্ডের মেম্বার হয়ে যান। এটাই অজিতের প্রথম ভোটে জয়। ১৯৯১ সালে বরামতী থেকেই লোকসভায় নির্বাচিত হন অজিত পাওয়ার। এটাই সংসদীয় রাজনীতিতে প্রথম জয় তাঁর। তবে তারপরে আর লোকসভায় লড়াই করেননি তিনি। একেবারে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে পড়েন মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। এরপর থেকে রাজ্য রাজনীতিতেই নিজের জায়গা পোক্ত করেন তিনি। আজ যেখানে প্লেন ক্র্যাশ হল, সেই বরামতীই পাওয়ার পরিবারের ঘাঁটি বলা যায়। বরামতী থেকেই বারবার বিধায়ক হয়েছেন অজিত পাওয়ার।

  • Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে নতুন সর্ব ভারতীয় সভাপতি  বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক অনুপ্রেরণা দেবেন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। বঙ্গের মাটিতে পা রেখেই তিনি বঙ্গভূমিকে প্রণাম জানান। রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর, মহানায়ক উত্তম কুমার সহ বিশিষ্টজন এবং বঙ্গের সংস্কৃতির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানান। বুধবার দুর্গাপুরের (Durgapur) মাটি থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের রাজনৈতিক স্বৈরাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে চরম নিশানা করেন তিনি। নিতিন বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতিতে জড়িয়ে কিছু নেতা জেলে আছেন, কিছু নেতা বেলে আছেন। যারা বেলে আছেন তাঁদেরও জেলে যেতে হবে। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না, সে যেই হোক।”

    সনাতনীদের বাঁচতে হবে (Nitin Nabin)

    হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকে হয়। সেটা এই বাংলা থেকে পুরো দেশে পৌঁছয়। কিন্তু মায়ের পুজোও বন্ধ করার চেষ্টা করে এই সরকার। আমি বলতে পারি, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না তবে দুর্গার আরাধনার সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। এটা কোনও হিন্দু বরদাস্ত করবে না। আমরা পরম্পরা রক্ষায় যে কোনও বলিদান দেব। এখানে ভৌগলিক অবস্থান বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপমে পুজো করার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে আজানের জন্য। সেখানকার সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে। এরা এই পুজো রোধ করার জন্য কোর্ট পর্যন্ত চলে গিয়েছে। আদালত বলল পুজো হবে, তখন বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের জন্য কংগ্রেসের আর তৃণমূলের নেতারা একজোট হয়ে গেল। সনাতনীদের বাঁচাতে হবে। বাংলার পাশাপাশি আমরা ভারতের সংস্কৃতিকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছি।”

    ডিএম, এসডিও- সরকারি আমলাদের হুঁশিয়ারি

    নিতিন নবীন বলেন, “ডিএম-এসডিওদের বলছি, এটা চারদিনের সরকার। এদের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হবেন না। আপনারা প্রশাসনের লোক, জনতার পাশে দাঁড়ান। বিজেপি কর্মীদের বলছি, আমাদের সাধারণ মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে জানাতে হবে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা। আর দিদিকে বলছি, এখন থেকে বাংলার রাজনীতিতে যে অরাজকতা তৈরি করেছেন, বাংলার জনতা আপনার উল্টো গোনা শুরু করেছে। এখন ওই দিন দূরে নেই বাংলার বিকাশে বিজেপি পাশে থাকবে।”

    কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের স্থান নেই

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এসআইআর নিয়েও খেলা করছে। এখন দিল্লি গিয়ে কাঁদবে। এসপি, ডিএমদের কাঠের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন আর এখানকার মানুষদের খেলাচ্ছেন আর বলছেন নির্বাচন কমিশন করছেন? কমিশন তো অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই বাংলার মাটিতে রয়েছেন তাঁদেরই বাংলার অধিকার মিলবে। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে থাকার অধিকার দেওয়া হবে না।”

    পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান

    জঙ্গলরাজের প্রসঙ্গ টেনে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এখানকার তৃণমূলের বিধায়ক-মন্ত্রীরা তোলাবাজি করেন। পূর্বের সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় আপনি বাংলার মানুষদের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন সমস্ত দুর্নীতি আপনি রোধ করবেন। কিন্তু এখন তার থেকে বড় কারখানা আপনি খুলেছেন, যেখানে তোলাবাজি আর দুর্নীতি ক্রমাগত তৃণমূলের বিধায়ক আর মন্ত্রীরাই করে চলেছেন। স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা অনেক রাজ্যেই এমন জঙ্গলরাজ ধ্বংস করে দিয়েছি। উত্তরপ্রদেশ-বিহারেও আগের সরকারকে উৎখাত করেছি। এবার বাংলার সময়। জনগণ তৈরি হোন, বিজেপির কর্মকর্তারাও তৈরি হন এই সরকারকে উপড়ে ফেলার সময় এসে গিয়েছে।কোনও বিজেপি কর্মী চিন্তা করবেন না, এক একজন বিজেপির কর্মকর্তার পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। আপনারা সংঘর্ষ করুন খালি।”

    মহিলাদের সুরক্ষা দেননি

    রাজ্যের মহিলা সুরক্ষা এবং শিল্পের সম্ভাবনার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি (Nitin Nabin) বলেন, “আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি, দুর্গাপুরে শিল্পাঞ্চলে আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবরা চাকরির জন্য আসতেন। মমতার সরকার আসার সময় যুবদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রি হবে, কিন্তু হয়নি। আর এখন চাকরির খোঁজে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে এই শহরের যুবরা। যে সিঙ্গুরে আন্দোলন করেছিলেন, এখন সেখানকার লোক দুঃখে আছেন। কারণ সেখানে কিছুই উন্নয়ন করেননি। মহিলাদের সুরক্ষা দেননি, যুবকরা পালিয়ে যাচ্ছে, এর দোষী কে?

    আমরা দেখেছি এই দুর্গাপুরে (Durgapur) কীভাবে ধর্ষণ হয়েছে। আর তারপর এখানকার সরকার অপরাধীদের বাঁচিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ নিয়ে কী ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে তা সব দেখেছি। আমি ওই মানসিকতার বিরোধিতা করি। আমি তীব্র নিন্দা করছি মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের, উনি বলেছিলেন সন্ধেবেলা বেরনোর প্রয়োজনীতা কী মহিলাদের। বাংলার মহিলারা আধুনিকা। তাঁরাই বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদেরই ঘরে থাকতে বলছেন?”

    বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা

    বাংলাদেশকে কোন শক্তি পরিচালিত করছে এই ভাবনার কথা উস্কে দিয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলাকে ফের বাংলাদেশ বানাতে চাইছে। অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকানোর সরকার এখানে রয়েছে। ওরা চাইছে বাংলাকে বাংলাদেশে নিয়ে যায়। আমরা যে কোনও বলিদান দিতে প্রস্তুত, তবে কোনও ভাবেই বাংলাকে বাংলাদেশ বানাতে দেব না। তাই এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রস্তুত করুন। মমতা সরকারকে স্পষ্ট বলছি, তৃণমূলের গুণ্ডারা যেভাবে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, এটা হতে পারে না। আমাদের কার্যকর্তারা প্রস্তুত রয়েছে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য।”

  • Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আবার হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। ইস্কন মন্দিরে (ISKCON Temple) লুটপাট করে ১৪টি বিগ্রহ চুরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মন্দির থেকে নগদ টাকা, সোনা ও দানবাক্স চুরি করে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন চলছে। আগামী ১২ ফেব্রিয়ারি জাতীয় নির্বাচন এই দেশের। তাঁর আগে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে দেশে ব্যাপক ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে ইসলামি কট্টরপন্থীরা। এমনটাই মত প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা।

    চুরি যাওয়া সম্পত্তির পরিমাণ (Bangladesh) 

    ঢাকার (Bangladesh) মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে চুরি যাওয়া ১৪টি প্রতিমার মধ্যে ছয়টি পিতলের তৈরি এবং আটটি পাথরের মূর্তি। প্রতিমা ছাড়াও, চোরেরা একটি রূপার জুতো, একটি বাঁশি, পিতলের বাসনপত্র, একটি হারমোনিয়াম, একটি বালতি, একটি পিতলের আসন, পিতলের গ্লাস এবং দুটি দান বাক্সে রাখা নগদ টাকা চুরি করেছে। পুরোহিত আরও জানান, চুরির সময় প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ, সোনার অলঙ্কার, একটি জলের মোটর মেশিন এবং দুটি দান বাক্সও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আমাদের অপরাধ কী?

    মন্দিরের পুরোহিত লিপি রানী গোপ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মন্দিরকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের অপরাধ কী? কেন আমাদের বারবার এমন নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে? আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। যদি আমরা নিরাপদ বোধ করতাম, তাহলে আমাদের মন্দিরে চুরি-ডাকাতি কেন হত?”

    মন্দিরের সাথে যুক্ত আরেক বাসিন্দা, শিল্পা রানী মালাকার, তার যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করে বলেন, “আমার ঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল আমি মাধবপুরে (Bangladesh) ছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার ঘরের তালা ভাঙা। প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ এবং সোনার অলঙ্কার লুট হয়ে গেছে। আমার স্বামী বা সন্তান নেই। আমি প্রভুর সেবা করি।”

    আবার মন্দিরের প্রধান সুখদা বলরাম দাসও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “গত রাতে আমার মন্দিরের মূর্তি চুরি হয়েছে। এছাড়াও, নগদ টাকা, সোনার অলঙ্কার এবং একটি বিশুদ্ধ জলের মোটর চুরি করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”

    গত কয়েক মাস ধরে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী মন্দিরে (ISKCON Temple) প্রবেশ করে তছনছ চালায়। তারা কেবল লুটপাট করেনি, বরং মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

    আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনার ধর্মীয় সংগঠন ইস্কন (ISKCON Temple) কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী (Bangladesh) সরকারের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। তবে যেহেতু বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী আবহ চলছে তাই দেশে কট্টরপন্থীরা হিন্দু সমাজকে টার্গেট করছে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল সামাজের মানুষ।

  • Sonmarg Avalanche: ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর! সোনমার্গে ভয়াবহ তুষারধস, উপত্যকায় আটকে পর্যটকরা

    Sonmarg Avalanche: ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর! সোনমার্গে ভয়াবহ তুষারধস, উপত্যকায় আটকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর! জম্মু-কাশ্মীরের বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র সোনমার্গে (Sonmarg Avalanche) একটি রিসর্টকে তছনছ করে দিল এক ভয়াবহ তুষারধস। যেন বরফের সমুদ্র। রিসর্টের উপরে প্রবল বেগে আছড়ে পড়ল তার ঢেউ। চারদিক মুহূর্তে সাদা। মঙ্গলবার রাতে জম্মু-কাশ্মীরের সোনমার্গে তুষারধসের এই ভিডিও ভাইরাল রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গায়ে কাঁটা দেওয়া এই ভিডিও দেখে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। তবে এখনও পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মেলেনি হতাহতের খবরও। তুষারধসের পরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

    ভারী তুষারপাত চলছেই

    কাশ্মীর উপত্যকায় লাগাতার কয়েকদিন ধরে ভারী তুষারপাত চলছেই। জনজীবন আগে থেকেই বিপর্যস্ত। মধ্য কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় রাত প্রায় ১০টা ১২ মিনিটে আসে এই তুষারধস । এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ভয়ানক ছবি। মনে হচ্ছে, পাহাড় থেকে ভেঙে নেমে আসা বরফের বিরাট দেওয়াল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তা অনেকগুলো বাড়িঘর তছনছ করে দিচ্ছে। ভিডিও সামনে আসার পর স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো তুষার ধস আছড়ে পড়ল রিসর্টের উপরে। মুহূর্তের মধ্যে চারদিকে ঢেকে গেল সাদা বরফে। আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি, গাড়ি, গাছের মাথা – সর্বত্র শুধু বরফ আর বরফ।

    কেন ভয়াবহ তুষারপাত

    আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলে সাধারণত এমন তুষারধস নামে না। এটা দূরের কোনও পাহাড় থেকে এই এলাকায় নেমে এসেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে সোমবারই গান্ডেরবালে ‘হাই ডেঞ্জার’ তুষারধসের সতর্কতা জারি করেছিল আবহাওয়া দফতর। তাই ওই অঞ্চলে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছিল। খালি করে দেওয়া হয়েছিল বাড়িঘরও। যার ফলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, লাগাতার ভারী তুষারপাতের কারণে পাহাড়ের উপর জমে থাকা বরফের বিরাট চাঁই ভেঙে হঠাৎ করে নিচে নেমে আসে। সোনমার্গ প্রায় ২,৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

    তুষারপাতে বিপর্যস্ত জনজীবন

    সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী তুষারপাতের কারণে কাশ্মীরে রাস্তাঘাট অধিকাংশই বন্ধ। বিদ্যুৎ সরবরাহও অনেকাংশে বিপর্যস্ত। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জম্মু-শ্রীনগর ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বরফ জমার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাজিগুন্ডের কাছে নবযুগ টানেল এবং বানিহাল সেক্টরে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ বলেই সূত্রের খবর। এর জেরে শয়ে শয়ে যানবাহন আটকে পড়েছে, যার মধ্যে জরুরি পণ্য বোঝাই ট্রাকও রয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার জন্য বিমান চলাচলও বিপর্যস্ত। শ্রীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৫৮টি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। রানওয়েতে ঢাকা পুরু বরফে। শত শত পর্যটক বিমানবন্দর এবং হোটেলগুলোতে আটকে পড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং হোটেল সংস্থা পর্যটকদের সহায়তা করতে লেগেছে। ১১টি জেলায় তুষারধসের সতর্কতা জারি করেছে। গান্দেরবাল জেলায় ২,০০০ মিটারের বেশি উচ্চতার এলাকাগুলিতে ‘হাই ডেঞ্জার’ তুষারধসের সতর্কতা জারি করেছে। অনন্তনাগ, বান্দিপোরা, বারামুলা, কুলগাম, কুপওয়ারা, ডোডা, কিশতওয়ার, পুঞ্চ, রাজৌরি এবং রামবান জেলাগুলিতে ‘মিডিয়াম ডেঞ্জার’ তুষারধসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Ajit Pawar: বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু অজিত পাওয়ারের, দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে ফোন মোদি-শাহের

    Ajit Pawar: বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু অজিত পাওয়ারের, দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে ফোন মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar Plane Crash)। মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে থাকা আরও পাঁচ যাত্রীর। বুধবার সাতসকালে এই দুর্ঘটনায় গভীর শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ মহারাষ্ট্রের বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় বিমানটি ভেঙে পড়ে। ওই বিমানেই ছিলেন শরদ পাওয়ারের ভ্রাতুষ্পুত্র তথা এনসিপি প্রধান অজিত। এই দুর্ঘটনার পর যে সমস্ত ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, বিমানটি দাউদাউ করে জ্বলছে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল। ঘটনাস্থলে গিয়েছে পুলিশও। বিমান দুর্ঘটনার খবর পেয়েই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    এনসিপি সূত্রে খবর, জেলা পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারের জন্য মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের ‘মহাজুটি’ সরকারের অন্যতম শরিক তথা উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত। এদিন বারামতিতে তিনটি জনসভা ছিল ৬৬ বছর বয়সি অজিত পাওয়ারের। একটি ব্যক্তিগত বিমানে সফর করছিলেন তিনি। বারামতী বিমানবন্দরের (Baramati Airport) ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শিবাজি তওয়ারে জানিয়েছেন, অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ের একদম ধারে চলে যায়। তার পরেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। টুকরো টুকরো হওয়ার পরেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ডিজিসিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, কী কারণে দুর্ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যে এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটি পাহাড় এবং জঙ্গলে ঘেরা। প্রাকৃতিক, যান্ত্রিক না অন্য কোনও কারণে দুর্ঘটনা, তা তদন্তের পরেই জানা যাবে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই পাইলট ‘মে ডে’ ঘোষণা করেছিলেন। বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে বিমানের ব্ল্যাক বক্সের খোঁজে চলছে তল্লাশি। ফ্লাইট রেডারের তথ্য বলছে, ভেঙে পড়ার আগে ২৬০০ ফুট উঁচুতে ছিল বিমানটি। হঠাৎই উচ্চতা কমে আসে বিমানের। সে সময়ে বিমানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৫৩ কিমি।

    বর্ণময় রাজনৈতিক জীবন

    রাজনৈতিক জীবনেও অজিত পাওয়ারের উত্থান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি শরদ পওয়ারের দাদা অনন্তরাও পাওয়ারের ছেলে। নিজের কাকার পথ অনুসরণ করেই তিনি রাজনীতিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের সমবায় ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলে ধীরে ধীরে রাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন অজিত পওয়ার। ১৯৮২ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন অজিত পাওয়ার। ১৯৯১ সালে তিনি বারামতী লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন, পরে সেই আসনটি তাঁর কাকা ও এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা শরদ পাওয়ারের জন্য ছেড়ে দেন। তিনি মহারাষ্ট্রের দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা উপ-মুখ্যমন্ত্রী—মোট ছয়বার, যদিও তা ছিল অসতত। পৃথ্বীরাজ চহ্বন, উদ্ধব ঠাকরে ও একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি এই পদে ছিলেন। ২০২৩ সালের ২ জুলাই অজিত পাওয়ারের রাজনৈতিক জীবনে বড় মোড় আসে। তিনি শরদ পাওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি থেকে পৃথক হয়ে বিজেপি–শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে) জোটে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের নির্বাচন কমিশন তাঁর নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকেই ‘আসল’ এনসিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং দলীয় নাম ও ‘ঘড়ি’ প্রতীক বরাদ্দ করে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে কৃষি, সমবায় ব্যাঙ্ক এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উপর বিশেষ প্রভাব রয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে (Anandapur Fire) ম্যান মেড তত্ত্ব দিয়ে তৃণমূল সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন না। সেখানে দেখা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এই প্রশ্নই শাসক দলের বিরুদ্ধে জনরোষ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকার কীভাবে এই রকম একটি অগ্নিকাণ্ড বিষয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারে? অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) কোনও দুর্ঘটনা নয়। এই সরকারের গাফিলতির ফল। এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দীর্ঘদিনের গাফিলতি, অযোগ্যতা এবং শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবের ফলেই নিয়ম-কানুন উপেক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পূর্ব কলকাতার জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে। রাজ্যে কারখানা বলে কিছু নেই। বেআইনি নির্মাণ রুখতে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ এই সরকার। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নিরীহ শ্রমিকেদের পরিবারগুলোর প্রতি আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সব মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আগামী সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেক মৃত দেহকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি।”

    জরুরি বেরনোর পথ ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজ অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন অত্যন্ত তরুণ এবং তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বড় অংশ তো বড় অংশই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার বাসিন্দা। আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদ এলাকায় এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটেছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে, যেখানে বেআইনিভাবে জমির চরিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। একেরপর অবৈধ শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। সরকারি বিধিনিষেধকে অমান্য করে অবৈধ নির্মাণের জন্যই এই বিরাট অগ্নিকাণ্ড। দাহ্য পদার্থে ভর্তি তালাবদ্ধ গুদামের ভেতরে মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেখানে কোনও জরুরি বেরনোর পথ ছিল না, সংকীর্ণ গলির কারণে উদ্ধারকাজে ব্যাহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কোনও সরঞ্জামও ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে-এটা কীভাবে সম্ভব হল? কলকাতার একেবারে কাছেই এত বিপজ্জজনক গুদামে শ্রমিকদের রাত কাটাতে বাধ্য করা হল? কেউ কীভাবে কিছু জানতে পারলেন না কেন? রাজ্যের দমকল দফতর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কোথায় ছিল? একাধিক নানা প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।”

    ৩০ ঘণ্টার পর কেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দমকলমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। যাঁর বাড়ি ওই এলাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। অথচ তিনি নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন তোলেন, কেন মানুষ গুদামের ভেতরে ছিল। লজ্জাজনক! প্রশ্ন তোলার বদলে তাঁর প্রশাসনের উচিত ছিল এর উত্তর দেওয়া। এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা, দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপরই বর্তায়। এএমআরআই হাসপাতাল থেকে বড়বাজার, আর এবার আনন্দপুর (Anandapur Fire)—একটির পর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অথচ কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, কোনও দায়ও স্বীকার করা হচ্ছে না। এটাই পশ্চিমবঙ্গের ‘নো গভর্নমেন্ট’-এর প্রমাণ।”

    আগুন লাগিয়ে জমি দখল!

    উল্লেখ্য আনন্দপুরের (Anandapur Fire) মতো রাজ্যে প্রত্যেকবার শীতের মরশুমে ঝুপড়ি, ছোট ছোট গুদাম, কারখানা এবং বস্তি এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বড়বাজার, বাগরি মার্কেট, গড়িয়াহাট, সখের বাজার, খিদিরপুর, মঙ্গলাহাট সহ একাধিক এলাকায় বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে বেআইনি নির্মাণের ফলে অধিক ঘন বসতি, বিদ্যুৎ চুরি, শর্ট সার্কিটের ঘটনায় বার বার আগুন লাগানোর ঘটনা পুরসংস্থা, দমকল বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার ঠিক ভাবে করা হয় না বলে বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ তুলেছে। একবার আগুন লাগিয়ে এলাকা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত থাকেন তৃণমূলের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা এবং কাজের সঙ্গে মিল নেই বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

  • Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ক্ষণে গোরাচাঁদ ক্ষণে কালা’ থেকে ‘গেহরা হুয়া’! কখনও ‘বোঝে না সে বোঝে না’ আবার কখনও ‘কেশারিয়া’-বলিউড থেকে টলিউড! হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু সাম্প্রতিক বহু ছবির গানেই তিনি রয়েছেন। বয়স মাত্র ৩৮, এখনও ৪০ পেরোয়নি! সামনে বিস্তীর্ণ সোনালি অধ্যায়! এ হেন সময়ে হঠাতই ঘোষণা প্লেব্যাক করবেন না অরিজিৎ (Arijit Singh)। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে নিজেই এই ঘোষণা করে দিলেন অরিজিৎ সিং। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সঙ্গীতমহল যেমন স্বাগত জানিয়েছে, তেমনই হতবাক তাঁর অগণিত ভক্তরা। নিজের বার্তায় অরিজিৎ লেখেন, “নতুন বছরের শুভেচ্ছা সকলকে। শ্রোতা হিসেবে এত বছর ধরে আমায় যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, এ বার থেকে আমি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কোনও কাজ করব না।” এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

    কেন এই অবসর?

    অনুরাগীদের এই একটাই প্রশ্ন, কেন গায়ক হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলেন। তারই উত্তরে কমেন্টে অরিজিৎ লেখেন, “এর একটা কারণ আছে। নতুন কোনও গায়ক উঠে এসে আমাকে সত্যিকারের অনুপ্রেরণা দেবে, এই অপেক্ষায় আমি রইলাম।” অরিজিতের (Arijit Singh) গান ভালবাসেন না, এমন শ্রোতা খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন। তাঁর কণ্ঠের আবেশ মুহূর্তের মধ্যেই শ্রোতাকে টেনে নিয়ে যায় এক অন্য অনুভবের জগতে। ঠিক সেই গায়কই মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, তিনি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কাজ করবেন না। ‘মার্ডার ২’ ছবিতে গাওয়া তাঁর ‘ফির মহব্বত’ গানটিই ছিল বলিউডে প্রথম গান। ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানটি অরিজিৎ সিংয়ের জীবনের মোড় বদলে দিয়েছিল। তারপর থেকে গায়ককে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং কন্নড় ভাষায় গান গেয়েছেন। ৩০০ টিরও বেশি ছবিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার সহ অসংখ্য সম্মান। স্পটিফাই, ইউটিউব এবং অন্যান্য সঙ্গীত প্ল্যাটফর্মে বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক শ্রোতা ভারতীয় শিল্পীদের মধ্যে একজন তিনি।

    কাজ করবেন, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য

    ১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। মাত্র ১৮ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে, তিনি অংশ নেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকুল’-এ। গুরু রাজেন্দ্র প্রসাদ হাজারির অনুপ্রেরণায় সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় জয়ী না হলেও, এই মঞ্চই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এখান থেকেই সংগীতজগতের দরজা ধীরে ধীরে খুলে যেতে শুরু করে। ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে প্রায় সব সিনেমার গানে তাঁর কণ্ঠ শোনা যেত। কিন্তু আর না, এবার থেকে প্লে-ব্যাক নয়। তবে গান চালিয়ে যাবেন। কাজ করবেন। ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য। অরিজিৎ বলেন,“ঈশ্বর আমার প্রতি সত্যিই সদয়। আমি সঙ্গীতের একজন ভক্ত। ভবিষ্যতে আরও শিখব এবং একজন ছোট শিল্পী হিসেবে নিজে আরও কাজ করব। আপনাদের সকলের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ। কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে সেগুলো শেষ করতে হবে। সেগুলি শেষ করব। স্পষ্ট করে বলতে চাই, যে আমি সঙ্গীত তৈরি করা বন্ধ করব না।”

    একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত

    ‘তুম হি হো… বস তুম হি হো…’, এই গান শুনে থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। কত প্রেমিকের রাত জাগার ওষুধ এই গান। কত অপূর্ণ প্রেম মানে খুঁজে পেয়েছে তাঁর গানে। কিন্তু সবকিছুতে তিনি দাঁড়ি টানলেন। স্বেচ্ছায় প্লে-ব্যাক সঙ্গীতের দুনিয়া থেকে সরে দাঁড়ালেন। যা করতে সাহস লাগে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অকপট স্বীকারোক্তি দিলেন গায়ক। তাঁর প্লে-ব্যাক ছাড়ার কারণ কোনো বিতর্ক নয়, বরং তাঁর নিজের ‘একঘেয়েমি’। অরিজিৎ নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্য়ান্ডেল-এ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত তিনি হুট করে নেননি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি প্লে-ব্যাক থেকে বিরতি নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। তাঁর এই চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকা প্রধান কারণ তিনি হাঁফিয়ে উঠেছেন। অরিজিৎ বলেন, তিনি খুব দ্রুত একঘেয়েমিতে ভোগেন। একই ধরনের গান বা একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত। তিনি জানিয়েছেন, একঘেয়েমি কাটানোর জন্যই তিনি মঞ্চে পারফর্ম করার সময় নিজের পুরোনো গানের অ্যারেঞ্জমেন্ট বা সুর বদলে দেন। তাঁর কথায়, ‘আমি বোর হয়ে গিয়েছি। বেঁচে থাকার জন্য আমাকে অন্য ধরনের সঙ্গীত নিয়ে কাজ করতে হবে’।

    মুর্শিদাবাদ থেকে মুম্বই কঠিন যাত্রা

    জিয়াগঞ্জের সেই সাধারণ ছেলেটি যেমন করে নিজের স্বপ্ন ছুতে পেরেছে। তেমন করেই আজও তিনি শিখতে চান, নিজের মতো করে আরও কিছু করতে চান। সংগীতকে নিজের মতো করে ভালবাসতে চান। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে আজও অরিজিৎ সিংকে (Arijit Singh) দেখা যায় স্কুটি চেপে সাধারণ মানুষের মতোই ঘুরে বেড়াতে। তারকা খ্যাতি, বিশ্বমঞ্চের সাফল্য কিছুই তাঁকে শিকড় থেকে আলাদা করতে পারেনি। তবে এই জিয়াগঞ্জ থেকে মুম্বই পর্যন্ত যাত্রাটা তাঁর মোটেই সহজ ছিল না। ছিল কঠোর পরিশ্রম আর নিরন্তর সংগ্রাম। মুম্বইয়ে দীর্ঘদিন ভাড়া বাড়িতে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন অরিজিৎ। গায়ক হিসেবে পরিচিত হওয়ার অনেক আগেই তিনি কাজ করতেন মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে। দিনের পর দিন স্টুডিওতে কাটিয়েছেন, গান বানানোর খুঁটিনাটি শিখেছেন, তৈরি করেছেন নিজের স্টুডিও। কাজের ফাঁকে ফাঁকে শিখতে থেকেছেন সংগীতের নানা দিক। শঙ্কর-এহসান-লয়, মিঠুন, প্রীতম, বিশাল-শেখরের মতো তাবড় সংগীত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করেছেন। ছুঁয়েছেন সাফল্যের শিখর।

    সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই পারেন

    কেরিয়ারের মধ্যগগনে থেকে এমন সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই করতে পারেন। অরিজিৎ জানিয়েছেন, অবশেষে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সাহস সঞ্চয় করেছেন। বাণিজ্যিক গণ্ডি পেরিয়ে তিনি এখন স্বতন্ত্র মিউজিক (Independent Music) এবং নতুন সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে চান। অরিজিতের এই স্বীকারোক্তি বুঝিয়ে দিল, তিনি কেবল একজন গায়ক নন, তিনি একজন খাঁটি শিল্পী। জনপ্রিয়তার মোহে অন্ধ না হয়ে তিনি বেছে নিলেন সঙ্গীতের সেই পথ, যা তাঁকে নতুন করে বাঁচার আনন্দ দেবে। গান বাঁচতে শেখায়, ভালবাসাতে শেখায়, জীবনের রসদ জোগায়। তাই হয়তো ‘গানের ভেলায় বেলা অবেলায় প্রাণের আশা’-ই মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ।

  • Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন (Online Content) প্ল্যাটফর্মগুলিতে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ করে নাবালকদের অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে মোদি সরকার। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রচার হওয়া আপত্তিকর বিষয়বস্তু অবিলম্বে রোধ করা। সামাজিক মাধ্যমে নানা কন্টেন্টকে ভিউজ বাড়িয়ে অধিক প্রচার পেতে এবং টাকা রোজগার করতে অশ্লীলতা এখন একটি বড় শিল্পের মাপকাঠিতে পরিণত হয়েছে। ফলে শিশু-কিশোরদের (Protect Minors) মনে পড়ছে খারাপ প্রভাব। তাই এই ধরনের ডিজিটাল কন্টেন্টকে আটকাতে সরকার ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে।

    নাবালকদের সুরক্ষা(Online Content)

    গত মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সলিসিটর জেনারেলকে সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে বাকস্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ১৯(২) অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত “যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ” নিশ্চিত করা হয়েছিল।

    ইন্টারনেটে ক্রমবর্ধমান অশ্লীলতা এবং হিংসাত্মক কন্টেন্ট (Online Content) থেকে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা করছে যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (Protect Minors) জন্য ক্ষতিকর কন্টেন্ট ব্লক বা ফিল্টার করা সহজ হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং আইটি মন্ত্রক যৌথভাবে অনলাইন কন্টেন্ট স্ট্রিমিং (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলির জন্য আরও কঠোর নির্দেশিকা বা নিয়মাবলী তৈরির কাজ করছে।

    অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও কড়াকড়ি

    বর্তমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অশ্লীলতার (Online Content) সংজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সেগুলির প্রচার রুখতে প্রযুক্তিগত সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আর তাই সরকার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কঠোর ‘এজ গেট’ বা বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চালু করার কথা ভাবছে, যাতে কোনো শিশু তাদের বয়সের অনুপযুক্ত কন্টেন্ট দেখতে না পারে।

    অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা

    ব্যবহারকারী বা অভিভাবকরা যাতে আপত্তিকর কন্টেন্টের (Online Content) বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী ‘গ্রিভেন্স রিড্রেসাল’ বা অভিযোগ প্রতিকার কাঠামো (Protect Minors) গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে যেভাবে সেন্সরশিপ ছাড়াই বিভিন্ন আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের বিচার ব্যবস্থাও। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র এই নতুন নিয়মাবলীর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে।

  • Daily Horoscope 28 January 2026: মনোবল বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 January 2026: মনোবল বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজে সতর্ক থাকুন।।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত থাকবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নিজের কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) কাজে ভালো প্রদর্শন করতে পারবেন, যার ফলে জীবনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজের দুষ্পরিণাম থেকে সতর্ক থাকুন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরে থাকুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে অধিক সময় কাটাবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে কিছু সমস্যা উৎপন্ন হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজকর্মে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) বরিষ্ঠরা আপনার কর্মশৈলী দেখে খুশি হবেন, আপনি তাঁদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) আজ জীবনে একাধিক সুখপূর্ণ ও অদ্ভূত ঘটনা ঘটবে।

    ৩) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করা জরুরি।

    ৩) জীবনযাপন প্রণালী পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য পাবেন।

    ৩) প্রচুর পরিমাণে অর্থ লাভ হবে।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ৩) ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন, মনোবল বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) সাধারণ কাজকর্মেও একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান তুলে গ্রেফতার হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) সুপৌলের অভুয়ার হাইস্কুলে। ধৃত শিক্ষকের নাম মনসুর আলম। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের দিয়ে তিনি ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তুলিয়েছিলেন। এমনকী তিনি নাকি দাবি করেন, পাকিস্তান হল ‘জন্নত’। পরে স্কুলের হেডমাস্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুরকে গ্রেফতার করে।

    কী ঘটেছিল সুপৌলের স্কুলে

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্কুলের অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল পড়ুয়ারা। এরপরে মনসুর আলম ‘মহম্মদ জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তোলেন। তাঁকে অনুসরণ করে পড়ুয়ারাও সেই স্লোগান তোলেন। অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা সেই ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা। পরে হেডমাস্টার ধনঞ্জয় তিওয়ারি পুলিশ ডাকেন। এদিকে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায় ততক্ষণে। স্কুলে জড়ো হয় আরও মানুষজন। স্টেশন হাউজ অফিসার জ্ঞান রঞ্জন কুমার পুলিশের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলমকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে হেডমাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন আলমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সেই শিক্ষককে। বর্তমানে সেই শিক্ষককে জেরা করা হচ্ছে।

    পড়ুয়াদের প্রাভাবিত করার চেষ্টা

    স্কুলের পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই শিক্ষক নাকি পাকিস্তানকে ‘জন্নত’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কিছু পড়ুয়াকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, এর আগেও আলমের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের কট্টরপন্থী করার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বিহারের বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে। অনেক জায়গায় পাকিস্তানের পতাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। ২০১৬ সালে নালান্দা জেলার বিহারশরিফ শহরে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে পূর্ণিয়া জেলার মধুবনির একটি বাড়ি থেকে তিনটি পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিহারের ভোজপুরে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তুলে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল।

LinkedIn
Share