Tag: Madhyom

Madhyom

  • Indians in Russian Army: বড় কূটনৈতিক জয় মোদির, রুশ সেনায় যুক্ত ভারতীয়দের ফেরত পাঠাবেন পুতিন

    Indians in Russian Army: বড় কূটনৈতিক জয় মোদির, রুশ সেনায় যুক্ত ভারতীয়দের ফেরত পাঠাবেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জোর করে ভারতীয়দের রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। অন্য কাজের প্রলোভনে তাঁদেরকে রাশিয়াতে নিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে (Indians in Russian Army) জোর করে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হতে থাকে। এই ঘটনায় যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতও হয় বেশ কয়েকজন ভারতীয়। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে ভারত সরকার। এবার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) বর্তমানে রয়েছেন রাশিয়া সফরে। এ নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আর তারপরেই রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নিল পুতিন সরকার। এই ঘটনা ভারতের একটা বড় কূটনৈতিক জয় (Indians in Russian Army)  হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    সোমবারে রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Indians in Russian Army) 

    প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারে রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Modi)। সেখানে দুজনের মধ্যে একান্ত  কিছুক্ষণ কথা হয়। নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে মত নিয়ে বিনিময় করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। এখানে অন্যতম বিষয় ছিল রুশ সেনায় ভারতীয়দের নিয়োগ (Indians in Russian Army)। এ নিয়ে পুতিনের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। আর প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের সাড়া দিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রুশ সরকার।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০ জন ভারতীয় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন 

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ আড়াই বছর হতে চললেও এখনও শেষ হয়নি। সেই যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে গিয়ে সাম্প্রতিককালে প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০ জন ভারতীয় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, রাশিয়াতে সেনাবাহিনীতে যাঁদেরকে জোর করে কাজে লাগানো হয়েছে। এরপরে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার সমস্ত রকমের চেষ্টা করা হয়। জানা গিয়েছে, দুবাইকেন্দ্রিক একটি সংস্থার মাধ্যমে রাশিয়া সেনাবাহিনীতে ভারতীয়দের নিয়োগ করা হত। ইউটিউব বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের কাছে প্রলোভনের ফাঁদ পাতা চলত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপ জয়ের পুরস্কার! রিঙ্কুরাও পাচ্ছেন ১ কোটি, রোহিত-বিরাটরা কত?

    T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপ জয়ের পুরস্কার! রিঙ্কুরাও পাচ্ছেন ১ কোটি, রোহিত-বিরাটরা কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) জয়ের জন্য ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের পুরস্কৃত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। ১২৫ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সংবর্ধনায় বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের হাতে সেই চেক তুলে দেন বোর্ড (BCCI) সভাপতি রজার বিনি ও সচিব জয় শাহ (Jay Shah)। 

    কারা কত টাকা পেলেন

    ১৭ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) জিতেছে টিম ইন্ডিয়া (Team India)। ২০১৩ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। তার ১১ বছর পর ভারতের কোনও আইসিসি ট্রফি এল। বিগত পাঁচটি আইসিসি ট্রফির ফাইনালে উঠেও বৈতরণী পার করতে পারেনি ভারত। তবে এবার রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) অ্যান্ড কোং বার্বাডোজে ইতিহাস লিখে তেরঙা পুঁতে দিয়ে এসেছে। দলের ১৫ জন ক্রিকেটার ৫ কোটি টাকা করে পাবেন। সেই তালিকায় বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা যেমন রয়েছেন, তেমনই কোনও ম্যাচ না খেলা সঞ্জু স্যামসন, যশস্বী জয়সওয়াল ও যুজবেন্দ্র চহালও রয়েছেন। ক্রিকেটারদের পাশাপাশি দলের প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ও ৫ কোটি টাকা পাবেন। 

    সাপোর্ট স্টাফেরা কত পেলেন (T20 World Cup 2024) 

    দ্রাবিড় ছাড়া যে তিন জন কোচ রয়েছেন, অর্থাৎ, ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠৌর, ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ ও বোলিং কোচ পরশ মামব্রে, তাঁরা ২.৫ কোটি টাকা করে পাবেন। দলের বাকি সাপোর্ট স্টাফ, অর্থাৎ, তিন জন ফিজিয়ো, তিন জন থ্রোডাউন বিশেষজ্ঞ, দু’জন ম্যাসিয়োর এবং স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ ২ কোটি টাকা করে পাবেন।

    আরও পড়ুন: ম্যাচ জেতানো ইনিংস অভিষেকের, কোহলির পরিবর্ত কি খুঁজে পেল ভারত?

    রিজার্ভ প্লেয়াররাও পাবেন অর্থ (T20 World Cup 2024) 

    ভারতীয় দলে রিজার্ভ প্লেয়ার হিসাবে ছিলেন রিঙ্কু সিং, খলিল আহমেদ, শুভমন গিল ও আবেশ খান। তাঁরা প্রত্যেকে ১ কোটি টাকা করে পাবেন। নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর-সহ পাঁচ জন নির্বাচকও ১ কোটি টাকা করে পাবেন বলে জানা গিয়েছে। বাকি টাকা ভাগ করে দেওয়া হবে ভিডিয়ো বিশ্লেষক ও দলের সঙ্গে যাওয়া বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে। সবমিলিয়ে ভারতীয় দলের (BCCI) ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে ৪২ জনের দল আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়েছিল৷ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Russia: মস্কোয় রাজকীয় অভ্যর্থনা মোদিকে, কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi In Russia: মস্কোয় রাজকীয় অভ্যর্থনা মোদিকে, কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাশিয়া সফরে সোমবার মস্কোয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Russia)। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় রুশ সরকারের তরফে (India Russia Trade)। রাশিয়ায় মোদি যে হোটেলে থাকবেন, সেখানে পৌঁছতেই হিন্দি গানের তালে নেচে তাঁকে স্বাগত জানান রাশিয়ান শিল্পীরা।

    স্বাগত জানালেন ফার্স্ট ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার (PM Modi In Russia)

    এদিন বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন সে দেশের ফার্স্ট ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার ডেনিস মান্তুরোভ। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানাতেও বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন তিনি। এদিন মান্তুরোভ একই গাড়িতে চড়ে হোটেলে নিয়ে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদি যে হোটেলে গিয়ে উঠেছেন, তার বাইরে দীর্ঘক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলেন প্রবাসী ভারতীয়রা। তাঁরাও স্বাগত জানান তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মস্কোয় স্মরণীয় অভ্যর্থনা! তাঁদের ভালোবাসার জন্য ভারতীয় সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ।”

    মোদি-পুতিন বৈঠক

    দু’দিনের এই সরকারি সফরে মঙ্গলবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই বৈঠকের আগে এদিন মোদির সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসবেন। রাশিয়ায় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি।’

    আর পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মোদির সম্মানে বিশেষ গুজরাটি খানা

    মোদির মস্কো সফর ঘিরে উচ্ছ্বাসের সীমা নেই প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে (PM Modi In Russia)। সেখানে একটি রেস্তরাঁ চেন চালান এক ভারতীয়। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মেনুতে তিনি নিয়ে এসেছেন গুজরাটি খানা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যেসব প্রতিনিধি আসবেন, তাঁদের জন্য এই সংস্থাই বানাচ্ছে নয়া কিছু গুজরাটি ডিশ। প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে কত্থকও নাচবেন রুশ নৃত্যশিল্পীরা। এদিন রাশিয়া রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে শক্তি, নিরাপত্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, স্বাস্থ্য ও জনগণের মধ্যে বিনিময়ের ক্ষেত্র-সহ বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব গত দশ বছরে অনেক এগিয়েছে। আমি আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সমস্ত দিক পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মত বিনিময় করে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চলের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করতে চাই (PM Modi In Russia)।”

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের পর এই প্রথম রাশিয়া সফরে গিয়েছেন মোদি। যদিও ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি মোতাবেক ভারত ও রাশিয়ার (India Russia Trade) রাষ্ট্রপ্রধানদের বছরে একবার করে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার কথা (PM Modi In Russia)। এদিকে, রাশিয়া সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অস্ট্রিয়ায়। তবে এদিন যখন মোদি পা রাখেন মস্কোভা নদীর তীরের শহরে, তখন ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় হত হয়েছেন ২০ জন। যার জেরে খানিক অস্বস্তিতে রুশ প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope 09 july 2024: সিংহ রাশির জাতকদের পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে

    Daily Horoscope 09 july 2024: সিংহ রাশির জাতকদের পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আচরণ এবং ভাষা ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে।

    ২) ব্যবসায় পরিবর্তনের জন্য ভাল দিন।

    বৃষ

    ১) কোথাও ভ্রমণে গেলে নিজের জিনিস যত্নে রাখুন।

    ২) বাবা মায়ের আশীর্বাদে বকেয়া কাজ শেষ করতে পারবেন।

    মিথুন

    ১) ভাগ্যের দিক থেকে ভাল দিন।

    ২) দ্রুত কাজ শেষ করতে পারবেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন।

    কর্কট

    ১) সরকারি চাকরির প্রস্তুতি যাঁরা নিচ্ছেন তাঁদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।

    ২) কারও থেকে টাকা ধার নিতে পারেন।

    সিংহ

    ১) পারিপার্শ্বিক কোনও বিষয়ে কথা বলবেন না।

    ২) পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক সমস্যা মেটাতে কথা বলতে হবে।

    ২) পুরনো কোনও সমস্যা ফের সামনে আসতে পারে।

    তুলা

    ১) যৌথ উদ্যোগে ব্যবসার জন্য শুভ দিন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ভাল মন্দ মিশিয়ে দিন কাটবে।

    ২) শারীরিক অসুস্থার আশঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত কাজের কারণে দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    ২) কারও সঙ্গে পরিচয় লাভজনক হতে পারে।

    মকর

    ১) বাবার থেকে কোনও ভাল খবর পেতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যথার সমস্যা থাকলে তা থেকে মুক্তি পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

    ২) কোনও কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুগলে এবার ভোগান্তি কমবে।

    মীন

    ১) কাউকে অন্ধ বিশ্বাস করলে বিপুল আর্থিক লোকসান হতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে যাবেন না। হিতে বিপরীত হতে পারে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্যই শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কেন্দ্রের রাশ হাতে নিয়েছে এনডিএর সর্বসম্মত নেতা নরেন্দ্র মোদি। এই নির্বাচনের রং ফিকে হওয়ার আগেই ফের হতে চলেছে নির্বাচন (By Election 2024)। তবে এবার হবে উপনির্বাচন, দেশের ১৩টি বিধানসভা আসনে। এই আসনগুলি ছড়িয়ে রয়েছে দেশের ৭টি রাজ্যে।

    কোন কোন রাজ্যে নির্বাচন (By Election 2024)

    ১০ জুলাই, বুধবার যে ১৩টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৪টিও। সোমবার সন্ধে ৬টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়েছে প্রচার-পর্ব। ভোটগণনা হবে ১৩ জুলাই, শনিবার। সেদিনই জানা যাবে, ১৩টি আসনের সিংহভাগের রাশ যাবে কোন দলের হাতে। বাংলার যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে এদিন নির্বাচন (By Election 2024) হবে, সেগুলি হল নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং কলকাতার মানিকতলা। নির্বাচন হবে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার তিন আসনেও। বিহার বিধানসভার রুপৌলী আসনেও হবে উপনির্বাচন। ভোট হবে মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ায়ও। নির্বাচন হবে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথেও। এ রাজ্যেরই মঙ্গলৌরেও হবে উপনির্বাচন। অকাল নির্বাচন হবে তামিলনাড়ুর বিক্রবন্দি এবং পাঞ্জাবের জলন্ধর পশ্চিমে।

    ভোট পশ্চিমবঙ্গের ৪ আসনেও

    পশ্চিমবঙ্গের যে চার আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার মধ্যে মানিকতলায় উপনির্বাচন হচ্ছে বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর কারণে। রাজ্যের বাকি তিন আসনে অকাল ভোট হচ্ছে বিজেপির টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিন দলবদলু – কৃষ্ণ কল্যাণী, মুকুটমণি অধিকারী এবং বিশ্বজিৎ দাস, তাই। হিমাচল প্রদেশের দেহরা, হামিরপুর এবং নালাগড়ের তিন নির্দল বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। রুপৌলির জেডিইউ বিধায়ক বিমা দেবী আরজেডিতে যোগ দেওয়ায় নির্বাচন হচ্ছে সেখানেও।

    আর পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ার কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ প্রতাপ শাহ গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ায় সেখানেও হচ্ছে নির্বাচন। বদ্রীনাথের কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির। তাই সেখানে হচ্ছে উপনির্বাচন। মঙ্গলৌরে উপনির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের অকাল প্রয়াণে। বিক্রবন্দিতেও নির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের মৃত্যুর জেরে। আর জলন্ধর পশ্চিমে উপনির্বাচন হওয়ার কারণ আপ বিধায়ক শীতল অঙ্গুরল রিঙ্কু গেরুয়া খাতায় নাম লেখানোয় (By Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bipadtarini Puja: বিপত্তারিণী পুজোয় তেরো সংখ্যার বিশেষ তাৎপর্য আছে, কেন জানেন?

    Bipadtarini Puja: বিপত্তারিণী পুজোয় তেরো সংখ্যার বিশেষ তাৎপর্য আছে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিপত্তারিণী পুজো (Bipadtarini Puja)। দেবী দুর্গার ১০৮ রূপের মধ্যে অন্যতম একটি রূপ হল মা বিপত্তারিণী। যে রূপ আবার সঙ্কটনাশিনী রূপেও পূজিত। 

    পরিবার-সন্তান রক্ষা করতেই বিপত্তারিণী পুজো

    বিপদ থেকে সন্তান ও পরিবারকে রক্ষা করতেই বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja) পুজো করে থাকেন মহিলারা। স্বামী, সন্তান এবং সমগ্র পরিবারের মঙ্গল কামনায় বিবাহিত মহিলারা এই পুজো করে থাকেন। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া থেকে দশমী পর্যন্ত এই পুজো করা হয়ে থাকে। সাধারণত, সোজা রথযাত্রা এবং উল্টোরথের মধ্যে যে শনি এবং মঙ্গলবার পড়ে সেই দুই দিনেই পালিত হয় সেই দু’দিনই বিপত্তারিণী ব্রত উত্‍সব। 

    হিন্দুরা মূলত বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য এই দেবীর পুজো করেন। কথিত আছে, এই ব্রত পালন করার সময় দেবীর চরণে উৎসর্গকৃত ‘লাল তাগা’ বা লাল সুতো হাতে বাঁধা হলে বিপদ ধারকাছেও ঘেঁষতে পারবে না। এবছর, ৯ জুলাই মঙ্গলবার এবং ১৩ জুলাই শনিবার পালিত হবে বিপত্তারিণী ব্রত। 

    এই পুজোয় তেরো সংখ্যার তাৎপর্য (Importance of 13)

    এই পুজোর একটা বিশেষ নিয়ম হল সবকিছু ১৩টা করে উৎসর্গ করতে হয় দেবীকে। ব্রতর আচার হিসেবে সব কিছু দিতে হয় তেরোটি করে। যেমন— তেরোটি নৈবেদ্য সাজাতে হয়। ব্রত পালনে লাগে তেরো রকম ফুল, তেরো রকম ফল, তেরোটি পান, তেরোটি সুপুরি, তেরোটি এলাচ। এছাড়া, বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja) ব্রতপালনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে হাতে বাঁধতে হয় লাল ডুরি বা ডোর বা তাগা। এই ডোর তৈরির ক্ষেত্রেও তেরো সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। তেরো গাছা লাল সুতোর সঙ্গে তেরোটি দূর্বা রেখে তেরোটি গিঁট বেঁধে তৈরি হয় এই পবিত্র তাগা বা ডোর। বিশ্বাস করা হয় যে, এই তাগা হাতে পরলে তাঁকে কোনও বিপদ স্পর্শ করতে পরে না৷ 

    খাবারেও ১৩ সংখ্যা আবশ্যিক

    বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja) পুজোর শেষে সকলেই হাতে ওই ডোর বেঁধে দেওয়া হয়৷ মেয়েরা বাম হাতে ও ছেলেরা ডান হাতে এটি পরেন৷ এটি শুধু ব্রত পালন যিনি করছেন তিনিই যে বাঁধেন তা নয়, পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাঁধেন বিপন্মুক্তির জন্য৷ ব্রতপালনের পর খাবার যা খেতে হয়, সেখানেও ১৩ সংখ্যা রাখা আবশ্যিক৷ মায়েরা প্রসাদ হিসেবে খান, তেরোটি লুচি বা পরটা সঙ্গে তেরো রকমের ফল। চাল-চিঁড়ে-মুড়ি এসব খাওয়া যায় না৷ ফল বা ময়দার রান্না যাই খাওয়া হোক না কেন সেটা ১৩ সংখ্যায় (Importance of 13) গ্রহণ করার কথাই ব্রতে বলা হয়৷ তবে যদি সেটা না হয় তাহলে পুজো মিটে যাওয়ার পর বিজোড় সংখ্যাতেও খাদ্যগ্রহণ করা যায়৷

    বিশ্বাস করা হয়, বিপত্তারিণী পুজো (Bipadtarini Puja) করলে শুধু বিপদই নয় অর্থ সঙ্কট থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এবং ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ হয়। তবে, বিপত্তারিণী পুজোর বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে, যা নিয়ম নিষ্ঠা করে পালন করতে হয়। তবে না জেনে এই বিপত্তারিণী পুজো করলেই হতে পারে চরম বিপদ। 

    বিপত্তারিণী পুজোর নিয়মবিধি—

    • বিপত্তারিণী পুজোর আগের ও পুজোর দিন ভুলেও আমিষ খাবার খাওয়া উচিত নয়। 
    • এই দুদিন নিরামিষ খাবার খাওয়া উচিত। এমনকি, বাড়ির সকল সদস্যেরও নিরামিষ আহার গ্রহণ করা উচিত। 
    • যারা ব্রত পালন করবেন, পুজোর দিন চালের জিনিস যেমন ভাত, চিড়ে, মুড়ি একদমই খাওয়া উচিত নয়। 
    • বিপত্তারিণী ব্রত পালনের জন্য ১৩ সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ (Importance of 13)। ১৩টি ফল, ১৩টি ফুল, ১৩টি পান, ১৩টি সুপারি, ১৩টি এলাচ সহ নৈবেদ্যের প্রয়োজন হয়।
    • বিপত্তারিণী পুজোর (Bipadtarini Puja) অন্যতম অঙ্গ হল তাগা বা ডুরি। ১৩টি লাল সুতোয় ১৩টি গিঁট এবং ১৩টি দুর্বা ঘাস দিয়ে ডুরি (চলিত কথায় ডোর) তৈরি করতে হয়।
    • এই ডুরি পুরুষদের ডান এবং মহিলাদের বাম হাতে ধারণ করতে হয়। বিশ্বাস, এই সুতো বেঁধে রাখলে স্বামী-সন্তানের উপর আসা সমস্ত বিপদ দূর হয়।  
    • পুজো শেষের পর খাদ্য গ্রহণ করার ক্ষেত্রেও ১৩টি খাবার খেতে হবে, যেমন – ১৩টা লুচি, ১৩ রকমের ফল, ইত্যাদি। 
    • পুজো চলাকালীন পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলবেন না। এর ফলে দেবী রেগে যেত পারে। বাড়িতে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।
    • বিপত্তারিণী পুজোর সময় কিছু ভুল হলে আর্থিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। 
    • ব্রাহ্মণ দ্বারা আম্রপল্লব-সহ ঘট স্থাপন করে নাম গোত্র সহযোগে পুজা দিতে হয়। পুজোর পরে শুনতে হবে বিপত্তারিণীর ব্রতকথা। যা এই পুজোর অন্যতম অঙ্গ। 
    • বিপত্তারিণী পুজোর সময়ে কাউকে অপমান করবেন না। ভুল করে কোনও মহিলার সম্পর্কে কুরুচিকর কথা বলবেন না। এতে দেবী ক্রুদ্ধ হন।
    • বিপত্তারিণী পুজোর (Bipadtarini Puja) দিন কাউকে চিনি দেবেন না। বিশ্বাস, এদিন চিনি দিলে সংসারে অশান্তি ও আর্থিক সংকট দেখা যায়।
    • কোনও অন্ধকার-অপরিচ্ছন্ন স্থানে বিপত্তারিণী পুজো করবেন না। এতে দেবী রুষ্ট হন এবং ঘরের সুখ-শান্তি নষ্ট হয়।
    • বিপত্তারিণী পুজোর দিন নিকট সদস্য ছাড়া কাউকে টাকা ধার দেবেনও না, নেবেনও না। বিশ্বাস করা হয় যে, এই সময় প্রদত্ত অর্থ ফেরত আসে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GenAI: জেনএআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা! কী এটা?

    GenAI: জেনএআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা! কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জেনারেটিভ এআই (GenAI)-এর ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা (Indian Firms Plan)। সোমবার প্রকাশিত এক রিপোর্টেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা বাড়াতে এবং আইটি অবজেকটিভগুলিকে বৃহত্তর ব্যবসায়িক লক্ষ্যগুলির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে প্রায় ৭৩ শতাংশ ভারতীয় সংস্থা চাইছে জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করতে। আগামী এক বছরের মধ্যেই এই পরিকল্পনা কার্যকর করা হতে পারে বলেও খবর।

    জেনারেটিভ এআই (জেনএআই) ঠিক কী?

    আগে, জেনে নেওয়া যাক, ঠিক কী এই জেনারেটিভ এআই (GenAI)। সোজা কথায়, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যে পাঠ্য, চিত্র, অডিও এবং সিন্থেটিক ডেটা তৈরি করা হয়, সেগুলিই হল জেনারেটিভ এআই ( সংক্ষিপ্ত- জেনএআই)। অর্থাৎ, এআই-কে কাজে লাগিয়ে যা জেনারেট করা হচ্ছে (তৈরি করা হচ্ছে) তাই জেনারেটিভ এআই। এর সাহায্যে, নিমেষের মধ্যে ব্যবহারকারীর চাহিদা বা দাবি অনুযায়ী, উচ্চ-মানের পাঠ্য, গ্রাফিক্স এবং ভিডিও তৈরি হয়। এর সবচেয়ে দুই প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল চ্যাটজিপিটি ও মেটাএআই। 

    কী বলছে রিপোর্ট? (GenAI)

    এক্সপোজার ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি টেনেবলের মতে, মাত্র ৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি প্রয়োগে আস্থা দেখিয়েছে খুব বেশি পরিমাণে। টেনেবল এপিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাইজেল এনজি বলেন, “এআইয়ের দ্রুত উত্থান সত্ত্বেও, অনেক ভারতীয় ব্যবসায়ী এখনও তাঁদের প্রযুক্তিকে উন্নত করে চলেছেন। তবে তাঁদের প্রায়ই রিসোর্স বা দক্ষতার অভাবের সম্মুখীন হতে হয়। দক্ষতা তৈরি, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং এআই ইমপ্লিমেন্টের অভাবও অনুভব করেন তাঁরা। এর পাশাপাশি তাঁরা উচ্চ মাত্রার ডেটা গভর্ন্যান্সও মেনটেন করেন।”

    সমীক্ষায় ধরা পড়েছে দুই চ্যালেঞ্জ 

    ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ৮২৬ জন আইটি এবং সাইবার সিকিউরিটি প্রফেশনালের ওপর ((GenAI)) সমীক্ষা করেন সমীক্ষকরা। এর মধ্যে ৫২ জন ভারতীয়ও ছিলেন। ভারতীয় সংস্থাগুলিতে লুক্কায়িত দু’টি প্রধান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করতে পেরেছেন সমীক্ষকরা। এই দুটি চ্যালেঞ্জ হল ইউটিলাইজিং বা অপটিমাইজিং এআই টেকনোলজি এবং এআইয়ের কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রথমটির সমস্যা রয়েছে ৭১ শতাংশ ভারতীয় সংস্থার। আর দ্বিতীয়টি ৫৪ শতাংশ ভারতীয় সংস্থার সমস্যা।

    আর পড়ুন: দৃশ্যমাধ্যমে অমর্যাদা করা যাবে না বিশেষভাবে সক্ষমদের, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    এই রিপোর্টেই যে উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, সেটি হল জেনারেটিভ এআই ক্রমেই হয়ে উঠছে বৃহত্তর সিকিউরিটি থ্রেট। ভারতীয় সংস্থাগুলির মধ্যে ৪০ শতাংশের মধ্যে কাজ করছে এই ভীতি। এনজি বলেন, “ভবিষ্যতে জেনারেটিভ এআইয়ের বিবর্তনীয় ক্ষমতা ব্যবহার করা হতে পারে সাইবার সিকিউরিটি পদ্ধতিগুলিতে। এই যে একটা পথ থেকে অন্য পথে শিফ্ট হবে, তাতে একাঙ্গীভূত হয়ে যাবে আইটি এবং সাইবার সিকিউরিটি। এআই গভর্ন্যান্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং প্রযুক্তিকে দায়িত্বের সঙ্গে (Indian Firms Plan) ব্যবহার করার ওপরও গুরুত্ব দেবে জেনারেটিভ এআই (GenAI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Warmest June in India: ১৯০১ সাল থেকে এত গরম পড়েনি ভারতে! কী বলল হাওয়া অফিস? 

    Warmest June in India: ১৯০১ সাল থেকে এত গরম পড়েনি ভারতে! কী বলল হাওয়া অফিস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় দিশেহারা মানুষ। কখনও অতিবৃষ্টি আবার কখনও অনাবৃষ্টি। কখনও দহনের তীব্রতা আবার কখনও ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব। আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য দেশের বেশিরভাগ অংশেই জুন মাসে প্রবল গরম ছিল। গত ১২৩ বছর পর, জুন (Warmest June in India) মাসে দেশে এত গরম পড়ল বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা (Weather Report)। দিনের পর দিন তাপপ্রবাহ চলেছিল দেশে। 

    জুনেও তাপপ্রবাহ (Warmest June in India) 

    জুনের শুরুতে দেশে বর্ষা এলেও বৃষ্টির দেখা মিলছিল না একাধিক জায়গায়। গত বছরের মতো এই বছরেও বর্ষা নির্দিষ্ট সমেয়র মধ্যেই কেরলে প্রবেশ করেছিল। কেরলে স্বাভাবিক বর্ষণ শুরু হওয়ায় অনেকেই স্বস্তিতে ছিলেন। নিয়ম মেনে মৌসুমী বায়ু উত্তরপূর্বের রাজ্যে প্রবেশ করে। সেখানে ভাল বর্ষণ শুরু হয়। কিন্তু তারপরেই যেন থমকে যায় মৌসুমি বায়ু। উত্তর পূর্বের রাজ্য গুলি থেকে সরার নাম গন্ধ করছিল না। 

    দীর্ঘদিন স্থায়ী গরম

    আবহবিদরা জানিয়েছেন, এবছর ভারতে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশিদিন এবং বেশি মাত্রায় তাপপ্রবাহ স্থায়ী হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অন্তত ৪০ হাজার নাগরিক আক্রান্ত হয়েছেন হিট স্ট্রোকে। অন্তত ১০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন অত্যধিক তাপের কারণে। তবে বহুক্ষেত্রেই অসুস্থতার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ম্যাচ জেতানো ইনিংস অভিষেকের, কোহলির পরিবর্ত কি খুঁজে পেল ভারত?

    জুন মাস জুড়ে গরম (Weather Report)

    জুন মাস (Warmest June in India) জুড়ে ফুটি ফাটা গরমে কষ্ট পেয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের সিংহভাগ এলাকা। জুন মাসে সাধারণত বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু এবার জুন মাস জুড়ে তাপপ্রবাহ তাণ্ডব চালিয়েছে উত্তর-পশ্চিমের রাজ্য গুলিতে। দিল্লি-পাঞ্জাব-হরিয়ানা- রাজস্থান-গুজরাটের একাংশের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল। এবারে রাজধানী দিল্লিতে রেকর্ড গরম পড়েছিল। এর আগে কখনও দিল্লিত তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়নি। কিন্তু এবারে রাজধানী দিল্লির তাপমাত্রা ৫৩ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা এবারে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রার ফারাক বেশি ছিল না। যার ফলে রাতেও গরম থেকে রেহাই পাননি দিল্লির বাসিন্দারা। হিট স্ট্রোকে উত্তর-পশ্চিম ভারতে বহু মানুষ মারা গিয়েছেন। এর আগে কখনও জুন মাসে এতোটা গরম পড়েনি। জুন মাসে এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১২৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে গরমের দাপট বজায় থেকেছে জুন মাসে। যা এর আগে কখনও হয়নি (Weather Report)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor Recruitment: বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ, রফাসূত্র বের করল সর্বোচ্চ আদালত

    Vice Chancellor Recruitment: বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ, রফাসূত্র বের করল সর্বোচ্চ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ (Vice Chancellor Recruitment) সংক্রান্ত জট কাটতে চলেছে। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকার বনাম রাজ্যপালের যে সংঘাত বেশ কয়েক বছর ধরে চলে আসছে, তার ফলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে জট তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সার্চ কমিটি গঠন করে সেই জট কাটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্চ কমিটি গঠন করে কীভাবে উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে সেই সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    নিয়োগ প্রক্রিয়ার থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল (Vice Chancellor Recruitment)

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ আসার পর শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু একে গণতন্ত্রের জয় উল্লেখ করে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ফলে রাজ্যপালের স্বেচ্ছাচারী এবং বেআইনি (Vice Chancellor Recruitment) পদক্ষেপের অবসান হয়েছে। এক বছর রাজ্যপাল যেভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিয়েছে সেটা ভুল।” শীর্ষ আদালতের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করতে হবে। সেই কমিটি উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে। কমিটি চাইলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা আলাদা কমিটি গঠন করতে পারবে, অথবা একটি কমিটি কাজ করতে পারবে। প্রয়োজনে কমিটির চেয়ারম্যান ললিত আরও চারজন বিশেষজ্ঞকে রাখতে পারবেন। এই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উপাচার্য পদের জন্য তিনজন করে নাম বাছাই করবে।

    আরও পড়ুন: ৬ ঘণ্টায় ৩০০ মিমি বৃষ্টি! বানভাসি মুম্বই, ময়দানে নামল এনডিআরএফ

    এরপর সেই নাম পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাছাই করার পর কমিটি সেই নাম পাঠাবে রাজ্যপাল বা আচার্যের কাছে। তারপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উপাচার্য হিসেবে রাজ্যপাল নিয়োগ করবেন।

    দুই সপ্তাহে শুরু হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া (Supreme Court)

    অন্যদিকে সার্চ কমিটির বাছাই করা নাম মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দ না হলে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারবেন। আবার মুখ্যমন্ত্রীর বাছাই করা নাম রাজ্যপালের পছন্দ না হলে তিনিও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে এই (Vice Chancellor Recruitment) প্রক্রিয়া শুরু করে দিতে হবে। আর উপাচার্য নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা ওই বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করতে হবে। এর জন্য যা খরচ হবে তা রাজ্য সরকারকে বহন করতে হবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bipadtarini Puja: আজ বিপত্তারিণী পুজো, কেন পালিত হয় এই ব্রত, জানুন মাহাত্ম্য

    Bipadtarini Puja: আজ বিপত্তারিণী পুজো, কেন পালিত হয় এই ব্রত, জানুন মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিপত্তারিণী পুজো (Bipadtarini Puja)। প্রত্যেক বছর আষাঢ় মাসে রথযাত্রা এবং উল্টোরথের মধ্যে যে শনি এবং মঙ্গলবার পড়ে সেই দুই দিনেই পালিত হয় বিপত্তারিণী ব্রত উত্‍সব। কথিত আছে, এই ব্রত পালন করার সময় দেবীর চরণে উৎসর্গকৃত ‘লাল তাগা’ বা লাল সুতো হাতে বাঁধা থাকলে বিপদ ধারকাছেও ঘেঁষতে পারবে না। এবছর, ৯ জুলাই মঙ্গলবার এবং ১৩ জুলাই শনিবার পালিত হবে বিপত্তারিণী ব্রত।

    যিনি বিপদকে তারণ করেন তিনিই বিপত্তারিণী

    দেবাদিদেব মহাদেবের অর্ধাঙ্গিনী, আদি শক্তি হলেন দেবী দুর্গা। অন্যান্য দেবী তাঁরই অবতার বা ভিন্ন রূপ। দেবী দুর্গার ১০৮ রূপের মধ্যে এক রূপ, দেবী বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja)। সঠিক অর্থে বিশ্লেষণ করলে ‘বিপত্তারিণী’ বা ‘সঙ্কটনাশিনী’ দেবীর নাম নয়, উপাধি। যিনি বিপদ তারণ করেন, তিনিই বিপত্তারিণী। আবার সব রকমের সঙ্কটকে বিনাশ করেন, তাই তিনিই সঙ্কটনাশিনী (Maa Kali Sankatnashini)। আসলে, মহামায়ার আলাদা করে কোনও নাম হয় কি? ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ ইনিই। আবার ‘দশমহাবিদ্যা’ও তাঁরই রূপের প্রকাশ।

    স্বামী-সন্তান-পরিবারের মঙ্গল কামনায় বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja)

    বাংলায় ঘরে ঘরে বিবাহিত মহিলারা স্বামী-সন্তান-পরিবারের মঙ্গল কামনায় মা বিপত্তারিণী পুজো করেন। গ্রামাঞ্চলে বিপত্তারিণী পুজো চারদিন ধরে চলে। প্রথম দিনে দেবীর আরাধনা করা হয়। মহিলারা গঙ্গা বা কোনও নদীতে স্নান করে দণ্ডী কাটেন। তারপর দুই রাত্রি ধরে রাতে বাংলা লোকগান, ভজন ও কীর্তন চলে। চতুর্থ দিনে বিসর্জন হয়। বিপত্তারিণী পুজো উপলক্ষে মেয়েরা উপবাস করেন। কিন্তু জানেন কি এই পুজোর মাহাত্ম্য? দেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে একাধিক বৃত্তান্ত রয়েছে। দেবীর বিপত্তারিণী রূপ নিয়ে ‘মার্কণ্ডেয় পুরাণে’ কাহিনীটি বেশ জনপ্রিয়—

    ‘মার্কণ্ডেয় পুরাণে’ কী বলা হয়েছে?

    কথিত আছে, শুম্ভ-নিশুম্ভ, অসুর ভ্রাতৃদ্বয়ের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে দেবগণ একবার মহামায়ার স্তব করছেন, এমন সময় শিবজায়া পার্বতী সেখানে হাজির হয়ে শুধালেন, “তোমরা কার স্তব করছ গো?” যাঁর স্তব, তিনি স্বয়ংই এ প্রশ্ন করছেন। কিন্তু দেবতারা তাঁকে চিনতে পারলেন না। তখন পার্বতী নিজের স্বরূপ দেখিয়ে বললেন, “তোমরা আমারই স্তব করছ।” এর পরবর্তীতে দেবী শুম্ভ-নিশুম্ভকে বধ করেন। দেবতাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন। সেই থেকে বিপত্তারিণী পুজোর (Bipadtarini Puja) উৎস।

    দেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে একাধিক বৃত্তান্ত

    এই পুজোর একটি কাহিনি রয়েছে। ব্রতকথা অনুযায়ী, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজবংশের এক রানির এক নিম্নবর্ণের সখী ছিলেন। তিনি জাতে মুচি। এই মহিলা নিয়মিত গোমাংস খেতেন। রানিও একদিন কৌতূহলী হয়ে গোমাংস খাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি নিমরাজি হন। পরে তিনি রানির আদেশ রক্ষার্থ গোমাংস আনেন। অন্তঃপুরে গোমাংস প্রবেশ করেছে— এই খবর রাজার কাছে পৌঁছে যায়। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে রানিকে শাস্তি দিতে উদ্যত হন। রানি গোমাংস তাঁর বস্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে রেখে বিপত্তারিণী (Bipadtarini Puja) মা দুর্গাকে স্মরণ করতে থাকেন। রানিকে তল্লাশি করে রাজা দেখতে পান তাঁর বস্ত্র আড়ালে গোমাংস নয়, রয়েছে একটি লাল জবা ফুল। লাল জবা কালী পুজোর অন্যতম উপকরণ। মায়ের এই পুষ্প দেখে রাজা তাঁর ভুল বুঝতে পারেন। রানিকে ক্ষমা করে দেন। মা বিপত্তারিণী দুর্গার কৃপায় রানির বিপদ কেটে গেল। এরপর থেকে রানি নিষ্ঠা-সহকারে বিপত্তারিণীর (Maa Kali Sankatnashini) ব্রত করতে থাকলেন। সেই থেকেই বিপত্তরিণীর পুজো প্রচলিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share